গণভবনে নেমেই প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলেন ডেঙ্গুর কথা

Sharing is caring!

গণভবনে নেমেই প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুর সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবেরর ৮৯তম জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ কমিটির ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গণভবনে নেমে তার (প্রধানমন্ত্রী) প্রথম কথা হচ্ছে ডেঙ্গু। কে কি করছে, কার কী বক্তব্য। যে কোনো মূল্যে প্রাণঘাতী এডিস মশা মোকাবিলা করতে হবে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পরিসর বাড়াতে হবে। তিনি চিকিৎসার জন্য যখন লন্ডনে ছিলেন তখনও প্রতিদিন ফোন করে করে খোঁজ রাখছিলেন। তার নির্দেশনা জানাচ্ছিলেন। সরকার, দুই সিটি কর্পোরেশন এবং আমরা কেউ-ই ডেঙ্গুকে হালকাভাবে নেয়নি। চিকিৎসকদের দিয়ে পর্যন্ত আমরা একটি মনিটরিং সেল করেছি। ডেঙ্গু আক্রান্ত মানুষের পাশে আমরা আছি ২৪ ঘণ্টা। এগুলো আমরা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি।

এ সময় এডিস মশা প্রতিরোধে কাজের পরিসর আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। নিজ নিজ আঙ্গিনা, স্কুল-কলেজ, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। যারা ঈদে দেশে ফিরছেন তারা বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করবেন। ডেঙ্গু মুক্ত এটা নিশ্চিত না হয়ে কেউ ঘরমুখো হবেন না। এতে আপনার জীবনের ঝুঁকি আছে। এটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা। তিনি গণভবনে নেমেই যে কথাগুলো বলেছেন, আমি সে কথাগুলো আপনাদের সামনে বললাম।

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, দল হিসেবে ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিএনপি ব্যর্থ হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় তারা কোথাও সাফল্য দেখাতে পারেনি। তারা শুধু সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনায় প্রেস ব্রিফিং করেছে। জনগণের জন্য কিছু করেনি। বিএনপি নেতাদের বলবো আগে নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করুন। তারপর সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে আলোচনা করুন।

বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করুন, এখানে কোনো রাজনীতি নেই।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুসারে, রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে প্রতিদিনই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বুধবার (৭ আগস্ট) পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা ৩২ হাজার ৩৪০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ২৩। কিন্তু বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা তিন গুণেরও বেশি।

About banglarmukh official

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*