লিখতে-পড়তে পারলেই সাক্ষরতা বলে না: গণশিক্ষামন্ত্রী

এখন শুধু লিখতে-পড়তে পারলেই তাকে সাক্ষরতা বলে না। পড়ালেখার পাশাপাশি তাকে কর্মদক্ষ হলেই তাকে সাক্ষর বলা হচ্ছে। সাক্ষরতার চিত্র আগামী ১০ বছরের মধ্যে পাল্টে যাবে। সাক্ষরতা মানে একজন শিক্ষিত ও দক্ষ ব্যক্তিকে বোঝাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। আজ শনিবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাক্ষরতা অর্জন করি, দক্ষ হয়ে জীবন গড়ি এই প্রতিপদ্যে এবার সারা দেশে সাক্ষরতা দিবস পালিত হচ্ছে।

আগামী ১০ বছরে দেশের সব মানুষ সাক্ষরতার জ্ঞান নিয়ে নিজেকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে শিক্ষার সুযোগ বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য ২০১৪ সালের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়েছে। এর ফলে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে আামাদের সাক্ষরতার হার ৭২ দশমিক ৯ শতাংশ। এখনো ২৭ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ নিরক্ষর রয়েছে। তাদের সাক্ষরজ্ঞান ও দক্ষ করে তোলাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন বলেন, দেশের একটি অংশ নিরক্ষর থাকবে এটি ভেবেই বঙ্গবন্ধু গণসাক্ষরতা কার্যক্রম শুরু করলেও এটি যে গতিতে চলছে তা সঠিক নয়। শুধু যোগ বিয়োগ, সাক্ষর করা আর পেপার পড়তে পারাই সাক্ষরতার মূল উদ্দেশ্য নয়। সাক্ষরতার জ্ঞান নিয়ে যেন তাদের কর্মসংস্থান তৈরি হয় সেটিই ছিল এর মূল লক্ষ্য। অথচ তা আজ স্থবির হয়ে পড়েছে। আজও দেশে শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন হয়নি।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *