সততার বিরল দৃষ্টান্ত সেতুর কাজ শেষ করেও জাপানিরা ফেরত দিলো ৭০০ কোটি টাকা।

সততার বিরল দৃষ্টান্ত সেতুর কাজ শেষ করেও জাপানিরা ফেরত দিলো ৭০০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ঢাকা – চট্টগ্রাম রুটে তিনটি সেতু তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। সেতু তিনটি হল কাঁচপুর, গোমতী ও মেঘনা ২য় সেতু।

শুধু সেতু নয় তার সংগে আরো আনুষঙ্গিক কাজ।

কাঁচপুর সেতু ৪০০ মিটার সংগে ৭০০ মিটার দীর্ঘ ৮ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক।

মেঘনা সেতু ৯৩০ মিটার সংগে ৮৭০ মিটার দীর্ঘ ৬ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক।

গোমতী সেতু ১৪১০ মিটার সংগে ১০১০ মিটার দীর্ঘ ৬ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক।

সমস্ত কাজগুলির ব্যায় অনুমোদন হয় ৮৪৮৬ কোটি টাকা। এই বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে।

নির্মাণ কাজ পেয়েছিল জাপানের তিনটি প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে ওবায়শি করপোরেশন, সিমিজু করপোরেশন এবং জে এফ ই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন।

বিশ্বাস করতেও অবাক লাগে কাঁচপুর সেতু নির্ধারিত সময়ের নয় মাস আগে আর মেঘনা ও গোমতী সেতু সহ আনুষঙ্গিক সব নির্মাণ কাজ সাত মাস আগে শেষ করেছে।

সবচাইতে অবাক ঘটনা এই প্রথম বাংলাদেশ সরকার ফেরত পেল ৭০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ৮৪৮৬ কোটি টাকা লাগেনি। টাকা খরচ হয়েছে ৭৭৮৬ কোটি টাকা।

জাপানি তিন কোম্পানি শুধু কাজই বুঝিয়ে দিল না সঙ্গে ৭০০ কোটি টাকা ফেরত দিয়ে দিল। এই হল ওদের সততা।

জাপানি তিন কোম্পানির সংগে চুক্তি হয় ২০১৫ সালের ২৫শে নভেম্বর। কাজ শেষ হবে ২০১৯ সালের ৩১শে ডিসেম্বর। ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে গাড়ি চলবে। কাঁচপুর চালু হয়েছে মার্চ মাস থেকে আর মেঘনা গোমতী চালু হবে ২৫শে মে থেকে।

banglarmukh official

banglarmukh official

এই সাইটের লেখক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *