অবশেষে ছাত্রাবাস থেকে তুলে নেয়া মাহাথিরকে ফিরে পেলো পরিবার

অবশেষে ছাত্রাবাস থেকে তুলে নেয়া মাহাথিরকে ফিরে পেলো পরিবার

বরিশালের বাবুগঞ্জে রহমতপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ছাত্রাবাস থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থী মাহাথির মোহাম্মদ বিন ফরিদকে (১৭) ফিরে পেয়েছে তার পরিবার।

গত ১ জুলাই রাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুরে বরগুনায় তার সন্ধান মেলে। বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাহাথির মোহাম্মদের বাবা মো. ফরিদ উদ্দিন।

তিনি বলেন, ছেলেকে ফিরে পাওয়ায় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। একইসঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও আপনাদের (সাংবাদিকদের) ধন্যবাদ জানাই। আজ থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরিটি (জিডি) তুলে নেবো।

তবে পুলিশের একটি সূত্র বলছে, মাহাথিরকে ১ জুলাই রাতে ছাত্রাবাস থেকে তুলে নেওয়ার পর তার সন্ধান মেলে বরগুনা জেলা ডিবি পুলিশের কাছ থেকে। অবশ্য মাহাথির মোহাম্মদ বিন ফরিদ এতোদিন কোথায় কিভাবে কাদের কাছে ছিলো তা জানা যায়নি।

বরিশাল মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব উল আলম মাহাথির মোহাম্মদের সন্ধান পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মাহাথিরকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর তার বাবা ফরিদ উদ্দিন ও কৃষি প্রশিক্ষণ ইনিস্টিটিউটের অধ্যক্ষ গোলাম মো. ইদ্রিস আলাদা দু’টি জিডি করেন।

অধ্যক্ষের জিডি সূত্রে জানা যায়, ১ জুলাই ভোর ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে ৭-৮ জন লোক নিজেদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ক্যাম্পাসের ১ নম্বর গেটে দায়িত্বরত নুরুল ইসলামকে তালা খুলতে ধমক দেন। তিনি ভয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়েই গেট খুলে দেন।

এরপর ওই লোকেরা ছাত্রাবাসে গিয়ে ২০৬ নম্বর কক্ষ থেকে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মাহাথির মোহাম্মদ বিন ফরিদকে ধরে তাদের সঙ্গে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিষয়টি কলেজ অধ্যক্ষকে অবহিত করা হলে তিনি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ঘটনার সত্যতা পেয়ে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশকে অবহিত করেন এবং জিডি করেন।

মাহাথির মোহাম্মদের বাবা বরিশালের গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠি এলাকার বাসিন্দা মো. ফরিদ উদ্দিনের জিডি সূত্রে জানা যায়, ১ জুলাই ভোর থেকে তার ছেলের সন্ধান ছাত্রাবাসে পাওয়া যাচ্ছিলো না। সম্ভাব্য সব যায়গায় খোঁজ-খবর নিয়ে ছেলের সন্ধান না পেয়ে তিনি থানা পুলিশের দ্বারস্থ হন এবং জিডি করেন।

মো. ফরিদ উদ্দিন বরগুনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের গাড়ির চালক হিসেবে কর্মরত থাকায় মাহাথিরের সেখানে যাতায়াত ছিলো বলে তখন জানা যায়।

banglarmukh official

banglarmukh official

এই সাইটের লেখক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *