বিচার হবে বিচারপতির

বিচার হবে বিচারপতির

অনলাইন ডেস্ক :

ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে চার কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করিয়ে নেওয়া হয়। পরে রাষ্ট্রের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নামে হস্তান্তর দেখিয়ে আত্মসাৎ ও অর্থ পাচার করা হয়। এমন এক অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধান করছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এত দিন সেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম প্রকাশ না করলেও বুধবার মামলা করার মাধ্যমে সেই ব্যক্তির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করল সংস্থাটি। সেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিটি হলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহা।

বুধবার দুদকের সমন্বিত কার্যালয়-১-এর পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এস কে সিনহা ছাড়াও এই মামলায় আরো দশজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিষয়ে সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কথা বলেন সংস্থাটির সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত। সাবেক প্রধান বিচারপতি বিদেশে অবস্থান করছেন। তাকে দেশে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার সুযোগ আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের দেশের আইনে সব ব্যবস্থা রয়েছে। অন্যদের ক্ষেত্রে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার ক্ষেত্রেও সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত বছরের অক্টোবরে দুদকের অনুসন্ধানে ফারমার্স ব্যাংকের দুটি অ্যাকাউন্ট থেকে চার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে জালিয়াতির প্রমাণ মেলে। মামলার আসামি শাহজাহান ও নিরঞ্জন ওই ঋণ নিয়েছিলেন। ঋণের সেই টাকা পরে বিচারপতি সিনহার ব্যাংক হিসাবে যায়। টাকার উৎস হিসেবে বাড়ি বিক্রির কথা হিসাবে উল্লেখ করা হয়।

banglarmukh official

banglarmukh official

এই সাইটের লেখক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *