ইংল্যান্ডের জয় রুখে দিলেন বোনার-হোল্ডার

আরও একবার ইংল্যান্ডের বোলারদের সামনে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুললেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই মিডল অর্ডার জেসন হোল্ডার ও এনক্রুমাহ বোনার। এ দুজনের দৃঢ় ব্যাটে ইংলিশদের জয়ের সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ করে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

অ্যান্টিগায় তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টটি জিততে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে করতে হতো ৭১ ওভারে ২৮৬ রান। ইংলিশদের বোলিং তোপে মাত্র ৬৭ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল স্বাগতিকরা। সেখান থেকে বোনার-হোল্ডারের ম্যারাথন জুটিতে ড্র’তেই শেষ হয়েছে ম্যাচ।

ম্যাচের শেষ দিনের শেষ দুই সেশনে ওভারপ্রতি প্রায় ৪ রানের এ চাহিদার পেছনে ছোটেনি স্বাগতিকরা। তবে ঠিকই ১০ উইকেট তুলে নেওয়ার মিশনে দারুণ শুরু করেছিল ইংলিশরা। কিন্তু বোনার-হোল্ডারের ৩৫.৪ ওভারে ৮০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ফল আসেনি ম্যাচে।

নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেটে ২১৭ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছিল ইংল্যান্ড। শনিবার এক সেশনের একটু কম খেলে ২৫ ওভারে ১৩২ রান যোগ করে তারা। মধ্যাহ্ন বিরতির আগে ৭ উইকেটে ৩৪৯ রানে ইনিংস ঘোষণা করে দেয় সফরকারীরা

ক্যারিয়ারের ২৪তম টেস্ট সেঞ্চুরিতে ১০৯ রান করেন অধিনায়ক জো রুট। প্রায় দেড় বছর পর সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া জ্যাক ক্রলি থেমেছেন ১২১ রানে। এছাড়া ড্যান লরেন্স ৩৬, ক্রিস ওকস ১৮ ও জনি বেয়ারস্টো করেন ১৫ রান।

পরে ৭১ ওভারে ২৮৬ রানের লক্ষ্যে শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক খেলতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। উদ্বোধনী জুটিতে ২৫ ওভার কাটিয়ে দেন ক্রেইগ ব্রাথওয়েট ও জন ক্যাম্পবেল। দলীয় ৫৯ রানের মাথায় আউট হন ৮২ বলে ৩৩ রান করা অধিনায়ক ব্রাথওয়েট।

এরপরই নামে ছোটখাটো ধস। ইনিংসের ৩৫ ওভারের মধ্যেই সাজঘরে ফিরে যান ক্যাম্পবেল (২২), শামার ব্রুকস (৫) ও জার্মেইন ব্ল্যাকউড। ফলে শেষের ৩৬ ওভারে ম্যাচ জেতার জন্য ইংল্যান্ডের বাকি থাকে আর ৬টি উইকেট।

সেখান থেকে আর বিপদ ঘটতে দেননি বোনার ও হোল্ডার। দুজন মিলে কাটিয়ে দেন বাকি সময়। হোল্ডার ১০১ বলে ৩৭ ও ম্যাচসেরা বোনার ১৩৮ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। এ দুজন প্রথম ইনিংসে গড়েছিলেন ৭৯ রানের জুটি।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *