জবির সাবেক শিক্ষার্থী দ্বারা হেনস্তার শিকার ছাত্রী

জবির সাবেক শিক্ষার্থী দ্বারা হেনস্তার শিকার ছাত্রী

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাবেক শিক্ষার্থী দ্বারা বর্তমানে অধ্যায়নরত ওক ছাত্রী কটূক্তি ও শারীরিক হেনস্তার শিকার হয়েছে। হেনস্তার শিকার ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) বিকেলে ওই শিক্ষার্থী টিউশনিতে যাওয়ার পথে পুরান ঢাকার নারিন্দা স্টার বেকারির সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী ওয়ারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ওই যুবকের নাম ওমর ফারুক সুমন (৪৫)। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ৯৫-৯৬ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্ত ওমর ফারুক পিছন থেকে একাধিকবার বাজে মন্তব্য করলে ওই ছাত্রী প্রতিবাদ করেন।

এসময় অভিযুক্ত ওমর ফারুক ওই শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানি করেন এবং প্রতিবাদ করলে লাথি মেরে রাস্তায় ফেলে দেন। ভুক্তভোগী বুকে ও পেটে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে রাস্তায় পড়ে গেলে পুনরায় তাকে ইট দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করে পালিয়ে যান আসামি সুমন।
পরবর্তীতে ওয়ারী থানা পুলিশ স্থানীয় এলাকাবাসী এবং ওই শিক্ষার্থীর সহপাঠীদের বর্ণনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত সুমনকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করে। ওয়ারী থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক খায়রুল ইসলাম বিষয়টির সত্যটা নিশ্চিত করেছেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমি এই বিকৃত নরপশুর শাস্তি চাই। আমার সাথে যা হয়েছে তা কোনো স্বাভাবিক ঘটনা না। ঘটনার সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য আমি থানায় মামলা দায়ের করেছি। আমি থানা থেকে শুনেছি সে আমার ক্যাম্পাসেরই সাবেক শিক্ষার্থী। যা শুনার পরে আমি বিষয়টি নিতে পারছি না।

এ বিষয়ে উপ-পরিদর্শক খায়রুল ইসলাম বলেন, ঘটনা জানার পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোস্তফা কামাল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হেনস্তার ঘটনা জেনেছি। থানায় যোগাযোগ করেছি। আসামি গ্রেফতার হয়েছে। আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনা হবে।

banglarmukh official

banglarmukh official

এই সাইটের লেখক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *