Author: banglarmukh official

  • খারাপ হাতের লেখা চলবে না,

    খারাপ হাতের লেখা চলবে না,

    ভারতের উত্তরপ্রদেশে তিন চিকিৎসককে ৫,০০০ টাকা জরিমানা ডাক্তার মানেই খারাপ হাতের লেখা, বোধগম্য নয়- এই নিয়ে নানা মজা, নানা কৌতুক।

    তবে যোগীর রাজ্যে কিন্তু এই খারাপ হাতের লেখা কেবলমাত্র হাসিঠাট্টায় সীমাবদ্ধ নেই ।উত্তরপ্রদেশে প্রেসক্রিপশনে খারাপ হাতের লেখাও এবার হতে চলেছে আইনের নজরবন্দী । সম্প্রতি এলাহাবাদ হাইকোর্ট খারাপ হাতের লেখার জন্য বেশ কয়েকজন চিকিৎসককে ৫,০০০ টাকার জরিমানাও করেছে । উন্নাও, সিতাপুর ও গোন্দা সদর হাসপাতাল থেকে বেশ কয়েকটি প্রেসক্রিপশন সংগ্রহ করা হয়েছিল যেখানে অসুস্থ ব্যক্তিদের অভিযোগ ছিল যে প্রেসক্রিপশনগুলি পড়ার যোগ্য নয় ।

    এরপরই নির্দিষ্ট চিকিৎসকদের ডেকে পাঠানো হয় আদালতে ও জরিমানা করা হয়। যদিও চিকিৎসকদের দাবি ছিল অত্যাধিক কাজের চাপে আলাদা করে হাতের লেখার দিকে নজর দেওয়া সম্ভব নয় ।

  • রায় শুনে ফাতেমা কাঁদলেন আর খালেদা জিয়া…

    রায় শুনে ফাতেমা কাঁদলেন আর খালেদা জিয়া…

    একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবনের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    এ রায়ের কথা বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া জানতে পেরেছেন কি-না তা নিয়ে অনেকের মধ্যে কৌতূহল রয়েছে। কারাবন্দি খালেদা জিয়া বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ৬১২ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন। এই কেবিনে ডিশ ক্যাবল সংযোগসহ টিভি থাকার কথা থাকলেও কয়েদী থাকার কারণে টিভি রাখা হয়নি। ফলে টিভি দেখে রায় জানার সুযোগ নেই খালেদা জিয়ার।

    মেডিকেল সূত্রে জানা গেছে, রায়ের সময় খালেদা জিয়া ঘুমে থাকলেও দুপুর ১২টার পর ঘুম থেকে উঠেন তিনি। ঘুম থেকে জেগেই কলিং বেলের মাধ্যমে তাঁর সেবার দায়িত্বে নিয়োজিত ফাতেমাকে ডাকেন তিনি। কেবিনে ঢুকে ফাতেমা প্রথমে খালেদা জিয়াকে রায়ের বিষয়ে কিছুই বলেননি। তবে ফাতেমার চোখে পানি দেখে কিছুটা আঁচ করতে পারেন তিনি।

    কিছুক্ষন পর রায়ে কি হয়েছে তা জানতে চান সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। জবাবে ফাতেমা বলেন, রায়ে তারেক রহমানের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। এসময় ৬১২ নম্বর কক্ষে উপস্থিত ছিলেন একজন নার্স। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত সহকারী ফাতেমার কান্নায় কিছুটা আবগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় কেবিনে। তবে এ সময় খালেদা জিয়া ছিলেন একেবারেই নির্বিকার।

    এমনিতেই তিনি কথা কম বলেন আর আজকে রায় নিয়ে ফাতেমার প্রতিক্রিয়ায় তিনি একটি কথাও বলেননি।

  • এটুকুই চেয়েছিলেন তারেক’

    এটুকুই চেয়েছিলেন তারেক’

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক জিয়ার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। লন্ডনে পলাতক তারেক জিয়া স্থানীয় সময় সকালে লন্ডনে তাঁর বাসভবনে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতৃবৃন্দ যান।

    যুক্তরাজ্য বিএনপির একজন নেতা বলেছেন, ‘আমরা এটুকুই চেয়েছিলাম। ভাইয়াও (তারেক) আমাদের বলেছিল, যেন শুধু মৃত্যুদণ্ড না হয়। তারেকের বাসায় যাওয়া অন্য একজন নেতা বলেছেন, ‘তারেক জিয়া জানতেন এই মামলায় আদালত তাঁকে দণ্ড দেবেই। কিন্তু তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিলে তাঁর রাজনীতি কঠিন হয়ে পড়তো।

    এই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে তারেক খুশিই।’ অবশ্য বিএনপির যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি আবদুল মালেক আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, ‘এই রায় ফরমায়েশি রায়। বিএনপির বিরুদ্ধে সরকারের আক্রোশের প্রতিফলন ঘটেছে এই রায়ে।’

  • শাশুড়িই প্রথমে সন্দেহ করেন

    শাশুড়িই প্রথমে সন্দেহ করেন

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় তারেক জিয়ার সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রথম সন্দেহ প্রকাশ করেন তার শাশুড়ি। তাঁর শাশুড়িই ২০০৪ সালের আগস্টে তারেক জিয়ার গতি বিধি এবং আচার আচরণ নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন, তার নিকটাত্মীয়দের কাছে।

    তারেকের শ্বশুরবাড়ি ধানমন্ডি পাঁচ নম্বর সড়কে। তার শ্বশুর প্রয়াত রিয়াল এডমিরাল মাহাবুব আলী খানের বাড়িটি এক বিঘা জমির উপর। স্বামীর মৃত্যুর পর তারেক জিয়ার শাশুড়িই ইকবালবান্দ বানুই সংসার দেখাশোনা করেন। ২০০৪ সালের আগস্টের শুরুতেই তারেক জিয়ার শ্বশুরবাড়িতে যাতায়াত বেড়ে যায়। উল্লেখ্য তারেকের শ্বশুর বাড়ির সামান্য দূরত্বেই ‘সুধাসদন’ আওয়ামী লীগ সভাপতির বাসভবন। তৎকালীন বিরোধী দলের নেত্রী বিভিন্ন কর্মসূচিতে যাওয়া আসা করতে হতো, ৫ নম্বর সড়ক দিয়েই। তারেকের শ্বশুড়বাড়ির সামনে দিয়েই শেখ হাসিনা চলাফেরা করতেন।

    আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে তারেক শ্বশুরবাড়িতে থাকা শুরু করেন। এসময় একটি রুম নিয়ে সেখানে কম্পিউটার সহ নানা যন্ত্রপাতিও বসান। ইকবালবান্দ বানু, প্রথমে এটাকে স্বাভাবিক ভাবে নিলেও পরে সন্দেহ শুরু করেন। তারেকের শাশুড়ি জানান যে, বাসার সামনে তারেক সিসিটিভি বসায়। ঐ সিসিটিভির ফুটেজে শেখ হাসিনার যাতায়াতের ছবিগুলো বাছাই করে আলাদা করতে থাকেন। তারেকের শাশুড়ির এতে সন্দেহ হয়।

    তিনি বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে কথাও বলেন। ২১ আগস্টের ঘটনার পর তারেক শ্বশুরবাড়ি থেকে ক্যাম্প সরিয়ে ফেলেন। তারেকের শাশুড়িই প্রথম তারেক কে জিজ্ঞেস করেছিলেন ‘এই ঘটনা

  • আমার ফাঁসি হলে তারেকের ডবল ফাঁসি হওয়া উচিত’

    আমার ফাঁসি হলে তারেকের ডবল ফাঁসি হওয়া উচিত’

    একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ফাঁসির দণ্ড পেয়ে বিচার সংশ্লিষ্টদের অভিশাপ দিয়েছেন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। বলেছেন, যারা এই দণ্ড দিয়েছেন তাদের ওপর ‘গজব পড়বে’। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট যে গ্রেনেড দিয়ে হামলা চালানো হয়, সেগুলো বাবরই জঙ্গিদের হাতে তুলে দেন বলে আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে বলেছেন মুফতি আবদুল হান্নান। জানান, হামলার আগে মোট তিনটি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সে সময়ের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেপ্তার হন বাবর। আর তিনি এই মামলার আসামি হন ২০১১ সালে। ওই বছর আদালতে সম্পুরক অভিযোগপত্রে যে ৩০ জনকে নতুন করে আসামি করা হয় তাদের মধ্যে ছিল তার নাম। ২০১২ সালে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বাবরসহ ৫২ আসামির বিচার শুরু হয়। রায় ঘোষণার দিন সকালে সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাসে করে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে আনা হয় ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এ। বিচারক শাহেদ নূর উল্লাহ বেলা ১১টা ৩৮এ রায় পড়া শুরু করেন। শেষ হয় ১২টার দিকে। সাদা রঙের একটি ফতোয়া এবং চশমা পরা বাবর তখন অন্য আসামিদের সঙ্গে ছিলেন কাঠগড়ায়। ভেতরে পুলিশ সব আসামিকে ঘেরাও করে রাখে। রায় ঘোষণার পর বাবর প্রতিক্রিয়া জানান। সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহ সহ্য করবে না।’ কারাগারে তিনি চিৎকার করে কাঁদতে থাকেন। অন্য কারাবন্দিরা তাকে সান্তনা দিলে তিনি বলেন, ‘আমার যদি ফাঁসির দণ্ড হয় তাহলে তো তারেক সাহেবের ডবল ফাঁসি হওয়া উচিৎ।’ বাবর প্রথমে কনডেম সেলে যেতে অস্বীকৃতি জানালেও পরে তাঁকে বুঝিয়ে নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কারাবিধান অনুযায়ী আলাদা রাখা হয়। এটাকে কনডেম সেল বলে। সূত্র: বাংলা ইনসাইডার

  • আগামীকাল রাতে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’

    আগামীকাল রাতে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’

    বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। ইতোমধ্যে ‘তিতলি’ নামের এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞাপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে সামান্য অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে।

    বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

    মঙ্গলবার আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে আরও অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিমে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

    অধিদফতর আরও জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা ও ঝড়ো হাওয়া আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের কাছে সাগর উত্তাল রয়েছে। দেশের চার সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকায় ২ নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত মাছ ধরার নৌকাগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

    ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

    আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক সামছুউদ্দীন আহমেদ বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ ভারতের উড়িষ্যা হয়ে বাংলাদেশের খুলনার দিকে আসার আশঙ্কা আছে। ‘তিতলি’ খুব সম্ভবত ১১ অক্টোবর মধ্যরাতের দিকে বাংলাদেশের উপকূলের দিকে আসতে পারে।

  • তারেকের যাবজ্জীবন,বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

    তারেকের যাবজ্জীবন,বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

    ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় করা হত্যা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবনের আদেশ দেয়া হয়েছে।

    বুধবার (১০ অক্টোবর) সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে অবস্থিত ঢাকার ১নং অস্থায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।

    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৯ আসামি হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুর রহিম, আবদুস সালাম পিন্টু, মাওলানা মো. তাজউদ্দীন, মাওলানা শেখ আবদুস সালাম, মো. আবদুল মাজেদ ভাট ওরফে মো. ইউসুফ ভাট, আবদুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ, মাওলানা শওকত ওসমান, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান, মাওলানা আবু সাঈদ, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহমেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, উজ্জ্বল ওরফে রতন ও হানিফ।

    যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- শাহাদাৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল, মাওলানা আবদুর রউফ ওরফের আবু ওমর আবু হোমাইরা ওরফে পীরসাহেব, মাওলানা সাব্বির আহমদ ওরফে আবদুল হান্নান সাব্বির, আরিফ হাসান ওরফে সুজন ওরফে আবদুর রাজ্জাক, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, আবু বকর ওরফে হাফে সেলিম হাওলাদার, মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ, মহিবুল মোত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন (পলাতক), আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন (পলাতক), মো. খলিল (পলাতক), জাহাঙ্গীর আলম বদর ওরফে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর (পলাতক), মো. ইকবাল (পলাতক), লিটন ওরফে মাওলানা লিটন (পলাতক), তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়া (পলাতক), হারিছ চৌধুরী (পলাতক), কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (পলাতক), মুফতি শফিকুর রহমান (পলাতক), মুফতি আবদুল হাই (পলাতক) এবং রাতুল আহম্মেদ বাবু ওরফে বাবু ওরফে রাতুল বাবু (পলাতক)।

    হত্যা মামলা

    মৃত্যদণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে রায়ে উল্লেখ করা হয়, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে নিহতগণকে অভিন্ন অভিপ্রায়ে পরিকল্পনা ও অপরাধমূলণ ষডযন্ত্রের মাধ্যমে হত্যার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩০২/১২০ খ/৩৪ ধারায় দোষীসাব্যস্তক্রমে মৃত্যুদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা এবং মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রায় কার্যকরের আদেশ দেয়া হলো।

    যাবজ্জীবন দণ্ডের ক্ষেত্রে রায়ে উল্লেখ করা হয়, নিহতগণকে অভিন্ন অভিপ্রায়ে পরিকল্পনা ও অপরাধমূলণ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩০২/১২০ খ/৩৪ ধারায় দোষীসাব্যস্তক্রমে যাবজ্জীবন কারদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হলো।

    এছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রথম ১৯ জনের বিরুদ্ধে মোকদ্দমার জখমপ্রাপ্ত ভিকটিমগণকে অভিন্ন অভিপ্রায়ে পরিকল্পনা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে গুরুতর জখম করার অভিযোগ দণ্ডবিধির ৩০৭/১২০ খ/৩৪ ধারায় দোষীসাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

    এছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিন্ন পরিকল্পনা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে গুরুতর জখমের অভিযোগে দণ্ডবিধি ৩০৭/১২০ খ/৩৪ ধারায় দোষীসাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন দণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমান অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয় রায়ে।

    বিস্ফোরক মামলা

    ১৯০৮ সালের বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের ৩ ও ৬ ধারায় দায়ের করা মামলায় আসামিদের দোষীসাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড, এক লাখ টাকা জারিমান এবং মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রায় কার্যকরের আদেশ দেয়া হয়।

    যাবজ্জীবন প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে রায়ে বলা হয়, ১৯০৮ সালের বিস্ফোরদ্রব্য আইনের ৩ ও ৬ ধারায় দোষীসাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

    এছাড়া ১৯০৮ সালের বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের ৪ ও ৬ ধারায় দোষীসাব্যস্ত সবাইকে (৩৮ জন) ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমান অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া ১৯ আসামির মধ্যে ১৩ জনই পলাতক। আদালতে উপস্থিত ছিলেন ছয়জন।

    এদিন সকালে কারাগার থেকে ৩১ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। আলোচিত এ মামলায় ৫১১ সাক্ষীর মধ্যে ২২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এ ছাড়া আরও ২০ জনের সাফাই সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন দলের তিন শতাধিক নেতাকর্মী।

    ঘটনার পরদিন মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে থানা পুলিশ। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরবর্তীতে মামলাটি যায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি)।

    ২০০৮ সালের ১১ জুন মুফতি হান্নানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন সিআইডির জ্যেষ্ঠ এএসপি ফজলুল কবির। ২০০৯ সালের ৩ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি অধিকতর তদন্তের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডির পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আখন্দ।

    তিনি ২০১১ সালের ৩ জুলাই তারেক রহমানসহ ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ৫২ জনের নামে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি অভিযোগপত্র দেন। জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান ও জেএমবি সদস্য শহিদুল আলম বিপুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় মামলা থেকে তাদের নাম বাদ দেয়া হয়।

    ফলে এ মামলায় এখন আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ জন। এর মধ্যে তারেক রহমানসহ ১৮ জন পলাতক রয়েছেন। বাকি আসামিদের মধ্যে কারাগারে রয়েছেন ৩১ জন।

    কারাগারে থাকা ৩১ আসামি হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, সামরিক গোয়েন্দা অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক রেজ্জাকুল হায়দার, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহিম, খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আশরাফুল হুদা, পুলিশ কর্মকর্তা শহুদুল হক, খোদা বক্স চৌধুরী, বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সাবেক এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান, আব্দুর রশীদ, সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম আরিফ, জঙ্গি সংগঠন হুজির সদস্য আবু বক্কর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, শাহদাত উল্লাহ ওরফে জুয়েল, মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম, আব্দুল মাজেদ ভাট ওরফে ইউসুফ ভাট, আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ, মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবু হোমাইরা ওরফে পীর সাহেব, মাওলানা সাব্বির আহমেদ ওরফে আব্দুল হান্নান সাব্বির, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মহিবুল্লাহ ওরফে মহিজুর রহমান ওরফে অভি, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ড. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহম্মেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জানদাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, আরিফ হাসান ওরফে সুমন, রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ও হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া।

    পলাতক ১৮ আসামি হলেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জেল হোসেন কায়কোবাদ, হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. হানিফ, ডিএমপির সাবেক ডিসি (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান, ডিএমপির সাবেক ডিসি (দক্ষিণ) খান সাঈদ হাসান, লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন, হুজি সদস্য মাওলানা তাজউদ্দিন, মহিবুল মুত্তাকিন, আনিসুল মুরছালিন, খলিল, জাহাঙ্গীর আলম বদর, ইকবাল, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন ওরফে দোলোয়ার হোসেন ওরফে জুবায়ের, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আব্দুল হাই ও রাতুল আহম্মদ বাবু।

  • স্বপ্ন পূরনে স্বপ্নের নায়ক সাদিক আব্দুল্লাহ : সাধারন জনগন।

    স্বপ্ন পূরনে স্বপ্নের নায়ক সাদিক আব্দুল্লাহ : সাধারন জনগন।

    শেখ সুমন :

    সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহকে মেয়র ঘোষনা করে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।আর এই ঘোষনা ও গেজেট প্রকাশের খবর প্রকাশের পর আনন্দের বাতাস বইছে সাধারন মানুষের মনে।

    এ যেন কষ্টের বাগানে ফোটা অনেক সাধনার একটি গোলাপ। বাংলাদেশের আটটি বিভাগের মধ্যে অন্যতম বরিশাল বিভাগ।এই বিভাগটিকে স্বপ্নের বিভাগ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন মরহুম মেয়র শওকত হোসেন হিরন।

    সেই লক্ষ্য পূরনে কাজ করে গিয়েছিলেন শেষ দিনটি পর্যন্ত। যায়গা করে নিয়েছিলেন নগরীর প্রতিটি মানুষের মনে। বিরোধী দলের ও প্রশংসা কুড়িয়ে ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর স্বপ্নের নগরী গড়তে পারলেন না তিনি। চলে গেলেন না ফেরার দেশে। তার পর ক্ষমতায় আসলেন বিএনপির আহসান হাবীব কামাল।তারপরতো সব স্মৃতি। কামাল ক্ষমতায় আসার পর রাস্তার মাঝে কয়েকটি স্মৃতি স্তম্ভ হয়েছে ঠিক। কিন্তু যে রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলে তা হয়েছে টিক টিক করা রিদপিন্ডের মতো।

    সহরের রূপাতলি,নতুল্লাবাদ আর লঞ্চঘাটের রাস্তায় গেলেই বোঝা যায় উন্নয়ন। নগরী ঢেকে গিয়েছিল ময়লার চাদরে। ঐতিহ্যবাহী বিবির পুকুরের সৌন্দর্য হয়েছে এখন শতবর্ষে পা দেওয়া থুরথুরে বুড়ির মতো। যে কোন সময় ইহকাল ত্যাগ করবে। আর বস্তি এলাকার কথা না ই বল্লাম।

    প্রতিনিয়ত মানুষের মুখে একটাই কথা ছিল, ক্ষমতা কবে শেষ হবে কামালের ? বরিশালের যখন এই অবস্থা,তখন আশার প্রদীপ হয়ে এলেন সাদিক আব্দুল্লাহ।জনগনের মনে যায়গা করে নিলেন অতি দ্রুত। যার প্রমান সিটি নির্বাচন। বরিশালের ইতিহাসে বিপুল ভোটে জয়ী সাদিক আব্দুল্লাহ। এখন সাধারন মানুষ সাদিক আব্দুল্লাহর মাধ্যমে তাদের হারানো স্বপ্ন পূরন করতে চায়। নগরীর অপরূপ সৌন্দর্য আর গরীবের বিপদের বন্ধু হিসেবে দেখতে চান সাদিক আব্দুল্লাহকে। এবার স্বপ্ন পূরন হবে বরিশালের। আর স্বপ্নের নায়ক হবেন সাদিক আব্দুল্লাহ।

  • মির্জা ফখরুলকে ‘তওবা’ করতে বললেন শামীম ওসমান

    মির্জা ফখরুলকে ‘তওবা’ করতে বললেন শামীম ওসমান

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ‘তওবা’ করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে বলেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

    তিনি বলেছেন, ফখরুল সাহেব তার নেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দাবি করে বলেছেন খালেদাই নাকি সকলকে রক্ষা করার মালিক। যারা দিনের বেলায় বিপ্লবী হন আর রাতের বেলায় আপোষকারী হয়ে যান তাদের মতো মানুষের মুখেই এমন খোদাবিরোধী কথা সাজে।

    মঙ্গলবার বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের ৩নং ওয়ার্ডের নয়াআটি মুক্তিনগর বটতলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মী সভায় শামীম ওসমান এসব কথা বলেন।

    আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এ এমপি বলেন, পবিত্র আল কোরআনের সূরা তাওবা’র ১২৯ নম্বর আয়াতে স্পষ্ট বলা হয়েছে আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া আর কোনো সত্য মা’বুদ নেই, আমি তার ওপরই ভরসা করি। অথচ মির্জা ফখরুল বলছেন খালেদাই সকলকে রক্ষা করার মালিক। এই বক্তব্য মোনফেকীর শামিল এবং জাহান্নামের সবচেয়ে নিচের স্তরে হবে মোনাফেকের অবস্থান। তাই মির্জা ফখরুল ইসলামকে বলবো আপনি আল্লাহর কাছে তওবা করে মাফ চান।

    শামীম ওসমান আরও বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। কারণ, তিনি আল্লাহ ভীরু মানুষ। শেখ হাসিনা এক আল্লাহর ওপর ভরসা করেই চলেন। তিনি এবং বাংলাদেশের মানুষকে রক্ষা করার মালিক একমাত্র আল্লাহ, আগুন নেত্রী খালেদা জিয়া না। যারা অবশ্য মঞ্চে গায়েবি চেয়ার রাখে তারা এমন মোনফেকি কথাবর্তা বলতেই পারে।

    ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়া, জেলা ছাত্রলীগে সাবেক সভাপতি এহসানুল হক নিপু, নাসিক প্যানেল মেয়র-২ মতিউর রহমান মতি, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক ও নাসিক কাউন্সিলর আরিফুল হক হাসান, নাসিক কাউন্সিলর ওমর ফারুক, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক কাউন্সিলর শাহজালাল বাদল, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক ভূঁইয়া রাজু, আদমজী আঞ্চলিক শ্রমিকলীগের সভাপতি আব্দুস সামাদ বেপারী প্রমুখ।

  • ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ বাংলাদেশে আঘাতের সম্ভাবনা কম

    ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ বাংলাদেশে আঘাতের সম্ভাবনা কম

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’-তে রূপ নিয়েছে। তবে গভীর সমুদ্রে থাকা ঘূর্ণিঝড়ের বর্তমান গতিপথ অনুযায়ী, এটি বাংলাদেশে আঘাত হানার সম্ভাবনা কম। এটি বৃহস্পতিবার সকাল নাগাদ ভারতের উড়িষ্যা ও উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

    ঘূর্ণিঝড়ের জন্য সমুদ্রবন্দর গুলোকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেতের পরিবর্তে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

    আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জানানো হয়েছে, ‘পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও সামান্য পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’-তে পরিণত হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপ হচ্ছে একটি ঝোড়ো হাওয়ার অঞ্চল, যেখানে বাতাসের গতিবেগ ৫১ থেকে ৬০ কিলোমিটারের মধ্যে। কোনো ঝোড়ো হাওয়ার অঞ্চলে বাতাসের গতিবেগ ৬১ থেকে ৮৮ কিলোমিটারের মধ্যে হলে তাকে বলে ঘূর্ণিঝড়।

    ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ বাংলাদেশের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে কি না- জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি এখনও অনেক দূরে, কক্সবাজার থেকে ৯০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে এটি। সাগরের মধ্যে যখন একটি ঘূর্ণিঝড় মুভমেন্ট করে তখন এর গতিপথ অনেক সময় পরিবর্তন হয়ে যায়।

    তিতলি ৮৯ থেকে ১১৭ কিলোমিটারের বাতাসের গতি সম্পন্ন তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে জানিয়ে আবহাওয়াবিদ মল্লিক বলেন, এটার মুভমেন্ট সামান্য পশ্চিম দিকে। তাই সবকিছু মিলিয়ে আমরা এখনই বলছি না এটি বাংলাদেশে আসবে। এখন পর্যন্ত যে মডেল প্রেডিকশন, তাতে উত্তর-পশ্চিম দিকে উড়িষ্যার কাছাকাছি গোপালপুর দিয়ে উপকূলের কাছাকাছি আসবে। সেখান থেকে একটু মোড় নিয়ে বাংলাদেশেও আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। ঘূর্ণিঝড় এখনও অনেক দূরে, এর মধ্যে অনেক ঘটনা ঘটবে।

    তিনি আরও বলেন, এটি বেশ দূরে। ঘূর্ণিঝড় এগিয়ে চলার পথে বারবার গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,ঘূর্ণিঝড়টি মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৭০ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯১৫ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৭০ কি.মি. দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬০ কি.মি. দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

    ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কি.মি. যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

    উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছে আবহাওয়া বিভাগ।

    অপরদিকে মঙ্গলবার ভারতীয় আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিতলি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। বৃহস্পতিবার সকাল নাগাদ এটি ভারতের উড়িষ্যা ও উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

    বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) অধীন জাতিসংঘের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাগর তীরের আট দেশের (বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা এবং ওমান) আবহাওয়াবিদদের সংস্থা এস্কেপ ঘূর্ণিঝড়ের নাম দিয়ে থাকে। ‘তিতলি’ নামটি পাকিস্তানের দেয়া। তিতলি অর্থ- সুন্দর পাখার প্রজাপতি।