Author: banglarmukh official

  • টেকনাফে ৮ লাখ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার

    টেকনাফে ৮ লাখ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার

    কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক অভিযানে বস্তার ভেতর থেকে ৮ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করেছে পুলিশ ও বিজিবি। আজ রোববার সকালে টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়ার নোয়াখালীপাড়া এলাকায় এসব ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।

    টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, চারটি বস্তার ভেতর থেকে ৬ লাখ ইয়াবা বড়ি পাওয়া গেলেও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে আসেন জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া-টেকনাফ সার্কেল) নিহাদ আদনান তাইয়ান। উদ্ধার করা এসব ইয়াবার আনুমানিক দাম ১৮ কোটি টাকা।

    অপরদিকে একই সময়ে টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালীপাড়া নৌ-ঘাট এলাকার সাগরে ভাসমান অবস্থায় একটি ইয়াবার বস্তা উদ্ধার করেছে বিজিবি। পরে ওই বস্তার ভেতর থেকে ২ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    বিজিবির অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা বড়ি। ছবি: সংগৃহীত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আছাদুদ জামান চৌধুরী বলেন, সাগরে একটি বস্তা ভাসতে দেখে বিজিবি। পরে বস্তাটির ভেতর থেকে ২ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি। উদ্ধার করা এসব ইয়াবার দাম ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা, যা ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এসব ইয়াবা ধ্বংস করা হবে।

    সারা দেশে সরবরাহ করার উদ্দেশ্যে পাচারকারীরা সাগরপথে ট্রলারে করে ইয়াবার চালান মিয়ানমার থেকে এনে টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কের আশপাশে মজুতের চেষ্টা করছিল বলে ধারণা করছে পুলিশ ও বিজিবি।

  • খালেদার জামিন প্রশ্নে আদেশ ১৪ অক্টোবর

    খালেদার জামিন প্রশ্নে আদেশ ১৪ অক্টোবর

    জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে আদেশ দেওয়ার জন্য আগামী ১৪ অক্টোবর দিন করেছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান এই দিন ঠিক করেন।

    এর আগে এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন কেন বাতিল করা হবে না, সেই কারণ দেখাতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর তাঁর আইনজীবীদের নির্দেশ দেন আদালত। আদালতের আদেশ অনুযায়ী আজ রোববার খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা এ ব্যাপারে লিখিতভাবে জবাব দেন।

    খালেদার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার আদালতে বলেন, খালেদা জিয়া জামিনে থেকে জামিনের কোনো অপব্যবহার করেননি। খালেদা জিয়া আদালতের হেফাজতে আছেন। জেলে থাকা আসামির জামিনের অপব্যবহার করার কোনা সুযোগ নেই। মাসুদ আহমেদ বলেন, জামিন দেওয়া যত কঠিন জামিন বাতিল করা তত কঠিন। তাঁর প্রশ্ন, ‘খালেদা জিয়া কী এমন সাধারণ কয়েদি হয়ে গেলেন যে দুই বছর ধরে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে আছেন?’

    তবে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল আদালতকে বলেন, খালেদা জিয়া জামিনে গিয়ে জামিনের অপব্যবহার করছেন। উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করে জামিনের অপব্যবহার করেন। খালেদার জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করেছেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করতে পারেন কিন্তু যুক্তিতর্ক শুনানি না করে বিচারকে বিলম্বিত করছেন। আমরা আদালতের কাছে আবেদন করেছি, আইনে যুক্তিতর্কের বিধান নেই। তাই রায় ঘোষণার দিন ঠিক করার আবেদন করেছি।

    খালেদার জিয়ার অপর আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া আদালতকে জানান, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচার চলার আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করা হয়েছে। শিগগির শুনানি হবে। সে পর্যন্ত শুনানি মুলতবি রাখার আবেদন করছেন। অপর দুই আসামির আইনজীবী আমিনুল ইসলাম এবং আখতারুজ্জামান আদালতকে জানান, এ আদালত বদল চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করেছেন। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আগামী ১৪ অক্টোবর খালেদার জামিন বাতিল এবং রায় ঘোষণার দিন চেয়ে দুদকের করা আবেদনের ব্যাপারে আদেশ দেওয়ার দিন ঠিক করেন।

    এ আদালতের প্রতি অনাস্থা দেওয়া দুই আসামি হলেন বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। এ দুজন আসামি আদালতের অনাস্থা দেওয়ার পর তাঁদের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

    গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হন খালেদা জিয়া। এরপর থেকে নাজিম উদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারেই বন্দী আছেন খালেদা জিয়া। গতকাল শনিবার খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

    আইন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কারাগারের একটি কক্ষকে আদালত হিসেবে ঘোষণা করেন। ৫ সেপ্টেম্বর সেখানে আদালত বসেন। কারাগারে থাকা খালেদা জিয়া সেদিন আদালতে হাজির হয়ে আদালতকে বলেছিলেন, এ আদালতে ন্যায়বিচার নেই। তিনি অসুস্থ।

    তিনি আর আদালতে আসবেন না। যত দিন ইচ্ছা আদালত তাঁকে সাজা দিতে পারেন। এরপর এ মামলায় চার দিন শুনানি হলেও খালেদা জিয়া আদালতে আসেননি। কারাগার কর্তৃপক্ষ আদালতকে জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া আদালতে আসতে চাননি। অবশ্য খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা কারাগারে খালেদার সঙ্গে দেখা করে আদালতকে জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া আদালতে আসতে চান। কারা কর্তৃপক্ষ যেভাবে বলেছেন তা ঠিক নয়।

    এর আগে এ মামলার বিচার চলছিল পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে। এ মামলায় দুদক তাঁর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেছে। খালেদা জিয়াসহ তিন আসামির যুক্তিতর্ক শুনানি বাকি রয়েছে।

    জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলার অপর আসামিরা হলেন হারিছ চৌধুরী, জিয়াউল ইসলাম ও মনিরুল ইসলাম খান।

  • সংসদ নির্বাচন-সম্পর্কিত জাপার সিদ্ধান্ত গ্রহণের একক দায়িত্ব এরশাদের

    সংসদ নির্বাচন-সম্পর্কিত জাপার সিদ্ধান্ত গ্রহণের একক দায়িত্ব এরশাদের

    আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচন-সম্পর্কিত সব ক্ষেত্রে পার্টির সিদ্ধান্ত গ্রহণের একক দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের ওপর ন্যস্ত থাকবে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি এককভাবে, না জোটগতভাবে নির্বাচন করবে, সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাও দলের চেয়ারম্যানের। দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রেও এরশাদ সিদ্ধান্ত নেবেন।

    আজ রোববার জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম এবং পার্টির সাংসদদের যৌথ সভায় সর্বসম্মতভাবে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাপার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সভায় আসন্ন নির্বাচনে ৩০০ আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপা। ২০ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে সম্মিলিত জাতীয় জোটের মহাসমাবেশ সফল করার বিষয় নিয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    যৌথ সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের, মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু, সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ, জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ বাবলু, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ফখরুল ইমাম, নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরী, সালমা ইসলাম, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, জাপা চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মো. নোমান, মো. সেলিম উদ্দিন, এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মেহজাবিন মোর্শেদ, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মিলন, শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, জিয়াউল হক মৃধা, শওকত চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা, সালাহ উদ্দিন আহমেদ মুক্তি, ইয়াহ ইয়া চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আমির হোসেন ভূঁইয়া, প্রাদেশিক বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম তালুকদার, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. ইলিয়াস, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রশীদ, নির্বাহী সদস্য খোরশেদ আরা হক, মো. আলতাফ হোসেন, শাহানারা বেগম, ডা. মো. আক্কাস আলী প্রমুখ। এ ছাড়া সোলায়মান আলম শেঠ, আতিকুর রহমান খান, আবদুর রশিদ সরকার, মো. খালেদ আখতার, মুজিবুর রহমান সেন্টু, দিলারা খন্দকার, নুরুল ইসলাম ওমর, এম এ সাত্তার, মো. আবুল কাশেম, দেলোয়ার হোসেন খান, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, গোলাম কিবরিয়া টিপু, শেখ সিরাজুল ইসলাম, সৈয়দ আবদুল মান্নান, মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা, সুনীল শুভ রায়, এস এম ফয়সল চিশতী, মীর আবদুস সবুর আসুদ, মাহমুদুল ইসলাম, সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, মো. আজম খান, এ টিই উ তাজ রহমান, মহসিন রশীদ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

  • বিএনপি নেতা দুলুকে দুদকে তলব

    বিএনপি নেতা দুলুকে দুদকে তলব

    নাটোর–৪ আসনের বিএনপির সাবেক সাংসদ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ রোববার সংস্থার সহকারী পরিচালক মো. শফিউল্লাহ তাঁকে তলবি নোটিশ পাঠান।

    রুহুল কুদ্দুস তালুকদার জেলা বিএনপি সভাপতি এবং দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। তাঁর বিরুদ্ধে গত ৮ মার্চ থেকে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।

    সাবেক এ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মাদকব্যবসা, টেন্ডারবাজি ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে ৫০০ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে দুদকের কাছে।

    এর আগে ২০০৭ সালে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত নয় কোটি ৩০ লাখ ৮০ হাজার টাকা অর্জনের অভিযোগে দুলুর বিরুদ্ধে আদাবর থানায় মামলা করে দুদক। ওই মামলায় একই বছরের ২৯ আগস্ট অভিযোগ গঠন করেন আদালত। পরে মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন দুলু।

    হাইকোর্ট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর আবেদন গ্রহণ করে ২০১২ সালের ১৮ জুলাই মামলাটি বাতিল করে দেন। এর বিরুদ্ধে আপিলে যায় দুদক। ২০১৫ সালের ২ নভেম্বর আপিল বিভাগ দুদকের আবেদন গ্রহণ করে হাইকোর্টের রায় বাতিলের আদেশ দেন।

  • ভারতের উত্তরপ্রদেশে তিন চিকিৎসককে ৫,০০০ টাকা জরিমানা

    ভারতের উত্তরপ্রদেশে তিন চিকিৎসককে ৫,০০০ টাকা জরিমানা

    খারাপ হাতের লেখা চলবে না,ডাক্তার মানেই খারাপ হাতের লেখা, বোধগম্য নয়- এই নিয়ে নানা মজা, নানা কৌতুক। তবে যোগীর রাজ্যে কিন্তু এই খারাপ হাতের লেখা কেবলমাত্র হাসিঠাট্টায় সীমাবদ্ধ নেই ।

    উত্তরপ্রদেশে প্রেসক্রিপশনে খারাপ হাতের লেখাও এবার হতে চলেছে আইনের নজরবন্দী । সম্প্রতি এলাহাবাদ হাইকোর্ট খারাপ হাতের লেখার জন্য বেশ কয়েকজন চিকিৎসককে ৫,০০০ টাকার জরিমানাও করেছে ।

    উন্নাও, সিতাপুর ও গোন্দা সদর হাসপাতাল থেকে বেশ কয়েকটি প্রেসক্রিপশন সংগ্রহ করা হয়েছিল যেখানে অসুস্থ ব্যক্তিদের অভিযোগ ছিল যে প্রেসক্রিপশনগুলি পড়ার যোগ্য নয় । এরপরই নির্দিষ্ট চিকিৎসকদের ডেকে পাঠানো হয় আদালতে ও জরিমানা করা হয়। যদিও চিকিৎসকদের দাবি ছিল অত্যাধিক কাজের চাপে আলাদা করে হাতের লেখার দিকে নজর দেওয়া সম্ভব নয় ।

  • খালেদা-তারেকের ন্যায়বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা নেই

    খালেদা-তারেকের ন্যায়বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা নেই

    নিয়ন্ত্রিত বিচারব্যবস্থায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ভিন্নমতের কারোরই ন্যায়বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং নিম্ন আদালতের আরেক বিচারপতির দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর বিচারকদের মধ্যে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে রোববার সমিতির শহীদ সফিউর রহমান মিলনায়তনে ‘গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

    আ স ম আব্দুর রব বলেন, ‘সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বিতারণ জাতিকে একটি সঙ্কটে ফেলেছে। যে দেশে প্রধান বিচারপতি বিচার পান না, সে দেশে খালেদা-তারেক আমরা কেউ বিচার পাব না। ন্যায়বিচার পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই। তিনটি স্তম্ভের একটি প্রশাসন, যেটা এখন পুলিশ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত এবং রাষ্ট্রটি পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। বাকি দুটি স্তম্ভ (বিচার ও আইন) অসহায় হয়ে পড়েছে।’

    মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থাকলে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে আজ জেলে যেতে হতো না এবং তারেক রহমানের ওপর এই ধরনের নির্যাতন হতো না। আমাদের লড়াই করতে হবে বিচারবিভাগের পরিপূর্ণ স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান বিনির্মাণের জন্য।

    ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি চার বিচারপতিকে ডেকে নিয়ে গেলেন, তাদের শিখিয়ে দিলেন। তারা এসে রাষ্ট্রপতির কথামতো বললেন, তোমার সঙ্গে (সুরেন্দ্র কুমার সিনহা) আমরা বিচারে বসবো না। অভিযোগের মামলা দায়েরের আগেই বিচার হয়ে গেল। সাবেক বিচারপতিকে বের করে দেয়া হয়েছে আইনজীবীদের অনৈক্যের কারণে।

    গণতান্ত্রিক আইনজীবী ফোরামের সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে দেশে নিয়ন্ত্রিত বিচারব্যবস্থা চলছে। ১৬ কোটি মানুষ আজ অবরুদ্ধ। দেশের মানুষ আজ কারাগারে। এখন একদিনের জন্য একটা ভোটের মহড়া হয়। এই সরকার ২০০৮ সালে নির্বাচিত হয়েছিল, এখন এই সরকার একটি অনির্বাচিত ও অবৈধ সরকার।

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ বলেন, ‘উচ্চআদালতের রায়ের মাধ্যমে তারেক রহমানের বাকস্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে।’

    গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘দেশে এখন কোনো ন্যায়বিচারের পরিবেশ নেই। বিচারকরাই যেখানে আতঙ্কিত সেখানে খালেদা-তারেক বা বিরোধী দলের কারোরই ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নেই।

    সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, প্রধান বিচারপতি এখন রিফিউজিতে পরিণত হয়েছেন। আরেক বিচারপতি যিনি তারেক রহমানকে খালাস দিয়েছিলেন তিনি মালয়েশিয়ায় পালিয়ে গিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

    সেমিনারটি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

  • অপরাধ করলে মামলা হবে, বিএনপিকে আইনমন্ত্রী

    অপরাধ করলে মামলা হবে, বিএনপিকে আইনমন্ত্রী

    বিএনপির গায়েবি মামলার অভিযোগের বিষয়ের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আমাদের আইনের বইয়ে যেসব অপরাধের কথা বলা আছে। সেইসব অপরাধ যদি কেউ করে তাহলে মামলা হবে। অপরাধ না করলে মামলার কোনো আশঙ্কা নেই।

    নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে ৩৫ দিনে নেতাকর্মীদের নামে ৪ হাজার গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়েছে’-বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি এসব কথা বলেন।

    রবিবার বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘মুক্তিযুদ্ধ কর্নার উদ্বোধন ও ভবন সম্প্রসারণ কাজ’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন।

    মামলাগুলো নিয়ে এখন তদন্ত হবে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তদন্তের পরে যদি কোনো অভিযোগ না পাওয়া যায় তাহলে চূড়ান্ত রিপোর্টের মাধ্যমে শেষ হয়ে যাবে। আর যাদের অপরাধ পাওয়া যাবে তাদের বিচারের জন্য আদালতে দাঁড়াতে হবে।

  • সেন্টমার্টিনের দাবি থেকে সরে গেল মিয়ানমার

    সেন্টমার্টিনের দাবি থেকে সরে গেল মিয়ানমার

    কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপকে নিজেদের বলে দাবি করার পর বাংলাদেশের প্রতিবাদের মুখে সেই ভুয়া তথ্য ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নিয়েছে মিয়ানমার।

    রবিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শহীদুল হক এ তথ্য জানান।

    বৈঠকে কমিটিকে জানানো হয়, বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এ বিষয়ে কড়া প্রতিবাদ জানানোর পর মিয়ানমার তাদের ওয়েরসাইট থেকে এটি সরিয়ে ফেলেছে। এসময় কমিটি এ বিষয়ে তৎপর থাকার এবং অন্য কোনো ওয়েবসাইটে কিংবা অন্য কোথাও এ ধরনের তৎপরতা রয়েছে কিনা তা মনিটর করার জন্য মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে।

    সম্প্রতি মিয়ানমার সরকারের জনসংখ্যা-বিষয়ক বিভাগের ওয়েবসাইট তাদের দেশের যে মানচিত্র প্রকাশ করেছে, তাতে সেন্টমার্টিনকে তাদের ভূখণ্ডের অংশ দেখানো হয়। এরপর দেশটির রাষ্ট্রদূতকে ডেকে প্রতিবাদ জানানো হয়। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, মিয়ানমার যদি এমন আপত্তিজনক কাজ চালিয়ে যেতে থাকে তবে বাংলাদেশ উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।

  • জনগণের ঐক্যের সামনে কোনো স্বৈরাচার সরকার টিকবে না: ড. কামাল

    জনগণের ঐক্যের সামনে কোনো স্বৈরাচার সরকার টিকবে না: ড. কামাল

    সংবিধান প্রণেতা ও দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ড. কামাল হোসেন বলেছেন, কোনো পরিবর্তন বৈধভাবে আনতে হলে অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।

    নির্বাচন যদি সুষ্ঠু না হয়, অবাধ না হয়, জনগণ তাদের মালিকানা থেকে বঞ্চিত হয়। এই নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিকে কেন্দ্র করে আমরা জনগণের ঐক্য প্রতিষ্ঠার কাছে নিয়োজিত। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের এই আন্দোলন অবশ্যই সফল হবে। জনগণের বৃহত্তর ঐক্যের সামনে কোনো স্বৈরাচার সরকার টিকবে না বলেও হুশিয়ারি দিয়েছেন ।

    রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে রবিবার ‘ভোটের অধিকারের দাবিতে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব ঘোষণা করেন, আমাদের দাবি দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন ও নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠন।

    কামাল হোসেন আরো বলেন, আজকে ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করতে হবে যে, এদেশ আমাদের সকলেরই, কোনো ব্যক্তির না, কোনো দলের না, কোনো পরিবারের না। অতীতে যেমন আমাদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন প্রত্যেকবার সফল হয়েছে এবারো ইনশাল্লাহ সফল হবে। জনগণের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরে আসবে। দেশের মূল্যবান কোনো দাবি আদায় করতে হলে ঐক্যবদ্ধ জনগণের শক্তিতে সেটা আদায় করা যায়। আমরা মনে করি, অলরেডি তো যে অনেকটা সফল এটা আপনারা লক্ষ্য করছেন।

    গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশ যদি জনগণের মালিকানায় না থাকে, তখন পাইকারী হাতে লুটপাট হয়, দেশের সম্পদ পাচার হয়। আপনারা পত্র-পত্রিকায় দেখেছেন যে, হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে লুটপাট হচ্ছে। এগুলো যায় কোথায়? বিদেশে যায়। প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ আরো বলেন, দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না, নতুন কল-কারখানা হচ্ছে না, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। অর্থাৎ স্বাধীনতার যে প্রতিশ্রুতি সেটা পালন হচ্ছে না। আজকে জনগণে এটা ভালোভাবে উপলব্ধি করছে বলে আমি দেখছি যে, যেখানে কর্মসূচি করি অসাধারণ একটা সাড়া পাচ্ছি।

    বঙ্গবন্ধু সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের আন্তরিক আহ্বান করি, জনএণর ঐক্য প্রতিষ্ঠা করুন। নারী-পুরুষ মিলে হাজার কোটি নাগরিকদের ঐক্যের মধ্য দিয়ে সেই শক্তি আমরা পাবো যার সামনে কেউ বা কোনো স্বৈরাচার নাই যে, আমাদেরকে বঞ্চিত করতে পারবে, কেউ বঞ্চিত করতে পারবে না। এই ঐক্যের শক্তি নিয়েই আমারা জনগণের অধিকার আমরা প্রতিষ্ঠা করবো।

    দেশে গায়েবি মামলা দায়েরের কঠোর সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্টেও এই প্রবীণ আইনজীবী বলেন, হাজার হাজার গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমাদের দাবি ছিলো সকল রাজবন্দিকে মুক্তি দিতে হবে, নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত মামলা-মোকাদ্দমা দেয়া যাবে না। কাউকে তো মুক্তি দেয়া হয়নি বরং উল্টো নতুন নতুন মামলা হচ্ছে। দেশের মানুষ ‘অসহায় বোধ করছে’ বলে এ ব্যাপারে সকলকে এক হওয়ার আহ্বানও জানান গণফোরাম সভাপতি।

    সুলতান মুহাম্মদ মনসুর বলেন, দেশ চলছে ভোটহীন সংসদ ও সরকারের মাধ্যমে। দেশের মানুষ যখন কথা বলতে পারছে না, তখন তিনি উন্নয়নের বাঁশি বাজাচ্ছেন। ট্রয় যখন পুড়ছিল তখন নিরো এমনিভাবে বাঁশি বাজিয়েছিল।

    মোস্তফা মহসীন মন্টু বলেন, স্বৈরশাসক আইয়ুব খান উন্নয়নের দশক ঘোষণা করেছিল। ছাত্র সমাজ তা প্রত্যাখ্যান করেছিল। জনগণ উন্নয়নের আগে গণতন্ত্র চেয়েছে। তাই সত্তরের নির্বাচনে বাংলার জনগণ আইয়ুবের উন্নয়নের শ্লোগান বঙ্গপোসাগরে ছুড়ে ফেলেছিল।

    জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিকের পরিচালনায় মানববন্ধন সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আবম মোস্তফা আমিন, গণফোরামের আহম শফিক উল্লাহ, মোশতাক আহমেদ, রফিকুল ইসলাম প্রতীক, বিকল্পধারার শাহ আহমেদ বাদল, এনপিপি‘র মোস্তাফিজুর রহমান, লেবার পার্টির হামদুল্লাহ আল মেহেদি, ন্যাপ ভাসানীর গোলাম মোস্তফা আখন্দ, ভাসানী ফাউন্ডেশনের সিদ্দিকুল ইসলাম, গণদলের গোলাম মাওলা চৌধুরী, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দলের শামসুল আলম চৌধুরী, ইসলামী ঐক্যজোটের শওকত আমীন প্রমুখ।

  • বরিশালে সুইপারকে ঘর ভাড়া দেয়ায় বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা

    বরিশালে সুইপারকে ঘর ভাড়া দেয়ায় বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার উত্তর রহমতপুর গুচ্ছগ্রাম এলাকায় অবলা রানী নামে (৭০) এক বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ৪ নারীর বিরুদ্ধে।

    রোববার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ওই চার নারী পলাতক রয়েছেন।

    অবলা রানী গুচ্ছগ্রাম এলাকার ধিরেন চন্দ্র দাসের স্ত্রী। আর অভিযুক্তরা হলেন- গুচ্ছ গ্রাম এলাকার শিল্পি বেগম, হেলেনা বেগম, রোজিনা বেগম ও কমলা বেগম।

    স্থানীয়রা জানান, প্রতিবেশী শিল্পি বেগম, হেলেনা বেগম, রোজিনা বেগম ও কমলা বেগমের বাড়ির সামনে দিয়ে অবলা রানীর বাড়ি যাওয়ার পথ। মাস খানেক আগে নিবাস চন্দ্র দাস নামে এক পরিচ্ছন্নকর্মীকে (সুইপার) ঘর ভাড়া দেন অবলা রানী। ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করে ওই পথ দিয়ে যাতায়াত করার সময় নিবাসের শরীর থেকে দুর্গন্ধ আসার অজুহাত তুলে প্রায়ই অবলাকে গালমন্দ করতেন শিল্পি বেগমরা।

    এ নিয়ে শনিবার নিবাস চন্দ্র দাসের সঙ্গে ওই চার নারীর কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির মালিক অবলা রানীর সঙ্গেও তাদের বাক বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এ সময় লাঠির আঘাতে অবলা রানী অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে স্বজনরা উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    বিমানবন্দর থানার ওসি মো. আব্দুর রহমান মুকুল জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে ওই চার নারী পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।