Author: banglarmukh official

  • আওয়ামী লীগ পাল্টাপাল্টি কোনো কর্মসূচি দেবে না

    আওয়ামী লীগ পাল্টাপাল্টি কোনো কর্মসূচি দেবে না

    আগামী ২৯ তারিখে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জনসভার অনুমতি দেয়া হয়েছে। সেখানে আওয়ামী লীগ পাল্টাপাল্টি কোনো কর্মসূচি দেবে না। তবে জনসভাকে ঘিরে যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয় তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোরভাবে দমন করবে।

    বুধবার দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

    পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল মোর্শেদ আরুজের সভাপতিত্বে জনসভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিল্লুল হাকিম, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও খোকসা উপজেলা চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আজগর আলী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

  • জাতিসংঘে দম্ভোক্তি দেখিয়ে হাসির খোরাক ট্রাম্প

    জাতিসংঘে দম্ভোক্তি দেখিয়ে হাসির খোরাক ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘে তার ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির বিকাশ নিয়ে মন্তব্য বিশ্ব নেতাদের হাসির পাত্র হয়েছেন। মঙ্গলবার জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, মার্কিন অর্থনীতি আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে ভালো আছে। এরপরই অডিয়েন্সে থাকা বিশ্ব নেতাদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়।

    পাশাপাশি প্রশংসা করছিলেন তার প্রশাসনের। আর সেই প্রসঙ্গ উঠতেই হাসির রোল ওঠে সভাকক্ষে। খানিকটা অপদস্ত হয়েও পরিস্থিতি সামলে নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    সভায় দেরিতে এসে পৌঁছান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এরপরই নিজের ভাষণ শুরু করেন ট্রাম্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কার্যকরী প্রশাসন হিসেবে তুলে ধরেন তার সরকারের কাজকে। প্রশংসা করেন তার সেনাবাহিনীর। পাশাপাশি মার্কিন মুলুকে তার প্রশাসন যা কাজ করেছে, তা মার্কিন ইতিহাসে কেউ করেনি বলে দাবি করেন তিনি। আর ট্রাম্পের এই বক্তব্যই সভাকক্ষে হাসহাসি শুরু হয়ে যায়।

    বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতাদের কটাক্ষের হাসি হাসতে দেখে ট্রাম্প বলেন, এটা আশা করিনি, তবে ঠিক আছে..’। এভাবেই পরিস্থিতি সামাল দেন তিনি।

    উল্লেখ্য, বহুদিন ধরেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের জাতীয়তাবাদী নীতি নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে আন্তর্জাতিক মহলে। পাশাপাশি, ‘প্যারিস ক্লাইমেট অ্যাকর্ড’, ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি’ নিয়ে ট্রাম্পের নেতিবাচক মনোভাবেরও বেশ সমালোচনা করে আন্তার্জাতিক রাজনৈতিকমহল। তারপর ফের একবার নতুন করে জাতিসংঘের সভায় ট্রাম্পের বক্তব্যকে ঘিরে এই নতুন পরিস্থিতি, নতুন করে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে শিরোনামে নিয়ে আনা হলো।

  • শুরুতেই ৩ উইকেট খুইয়ে চাপে টাইগাররা

    শুরুতেই ৩ উইকেট খুইয়ে চাপে টাইগাররা

    ওপেনিং জুটিতে এক যুগেও তামিমের সঙ্গীর খোঁজ মেলেনি। আর এবারের এশিয়া কাপের শুরু থেকেই ইনজুরির কারণে খেলছেন না তামিম। দেশ সেরা এ ওপেনারের অভাবটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে বাংলাদেশ। তামিমকে ছাড়া শেষ ৪ ম্যাচের একটিতেও ভাল উদ্বোধনী জুটি উপহার দিতে পারেননি লিটন, শান্ত ও সৌম্যরা।

    আজকের ম্যাচেও সেই পুনরাবৃত্তি ঘটলো। গোল্ডেন ডাক মারলেন সৌম্য সরকার। দীর্ঘ দিন পরে দলে সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি সৌম্য সরকার। শূন্যরানে ফিরেছেন প্যাভিলিয়নে। আর তার দেখানো পথেই হাঁটলেন এশিয়া কাপে দ্বিতীয়বার দলে সুযোগ পাওয়া মুমিনুল হক। শাহিন শাহ আফ্রিদির আগের বলেই চার মেরেছিলেন। কিন্তু পরের বলেই তার প্যাড ছুয়ে স্ট্যাম্পে বল লাগে। ফলে ৪ বলে মাত্র ৫ রান করেই তাকেও ফিরতে হয়েছে। আর এমন শুরুর পর এমনিতেই চাপে পড়ে দল। এরই মাঝে আবার বোল্ড হয়ে গেলেন লিটন দাসও। চলতি এশিয়াকাপে লিটন দাস সবক’টি ম্যাচেই ওপেন করেছেন। কিন্তু আফগানিস্তানের বিপক্ষের ৪১ রানের ইনিংসটিই তার ক্যারিয়ার সেরা। এছাড়া বাকি ৪ ম্যাচের একটিতেও দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।

    আর ৪.২ ওভারে মাত্র ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

    এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

    এদিকে আজকের ম্যাচে খেলছেন না বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তার পরিবর্তে একাদশে জায়গা পান মুমিনুল হক। আঙ্গুলের ফ্রেকচারের কারণে তার খেলা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন মাশরাফি। অপরদিকে দীর্ঘ দিন পর দলে ফিরেন সৌম্য সরকার, বাদ পড়েন নাজমুল শান্ত। আর স্পিনার নাজমুল অপুর পরিবর্তে পেসার হিসেবে খেলবেন রুবেল হোসেন। কিন্তু নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি সৌম্য ও মুমিনুল।

    বাংলাদেশ একাদশ:

    লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিথুন, মুশফিকুর রহিম (উইকেট রক্ষক), মুমিনুল হক, ইমরুল কায়েস, মাহমুদুল্লাহ, মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), মেহেদি হাসান মিরাজ, রুবেল হোসেন ও মুস্তাফিজুর রহমান।

    পাকিস্তান একাদশ:

    ফখর জামান, ইমাম উল হক, বাবর আজম, সরফরাজ আহমেদ, শোয়েব মালিক, আসিফ আলি, শাদাব খান, মোহাম্মদ নাওয়াজ, হাসান আলী, জুনায়েদ খান ও শাহিন শাহ আফ্রিদি।

  • প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দুই লাখ মানুষকে মিষ্টি খাওয়াবে যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণ

    প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দুই লাখ মানুষকে মিষ্টি খাওয়াবে যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণ

    আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭২তম জন্মদিন। বঙ্গবন্ধুকন্যার জন্মদিনে রাজধানীতে দুই লাখ মানুষকে মিষ্টিমুখ করাবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনায় অর্ধদিনব্যাপী বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। ওই দোয়া অনুষ্ঠানে ৩০ হাজার যুবক অংশ নেবেন। এ জন্য রাজধানীর মতিঝিলের আরামবাগ বাফুফে মাঠে (বালুর মাঠ) বিশাল প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতারা মাঠটি পরিদর্শন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে জনগণের ক্ষমতায়ন হিসেবে পালন করে যুবলীগ।

    জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এবারও প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে গরীব, অসহায় মানুষকে খাওয়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ। এ জন্য রাজধানীর তিনটি প্রসিদ্ধ খাবারের দোকানে দুই লাখ প্যাকেট মিষ্টির অর্ডার দেয়া হয়েছে। ওই প্যাকেটে একটি মিষ্টি, একটি ছানার সন্দেশ, নিমকি, সিঙ্গারা, ছামুচা রাখা হবে। সকাল থেকেই রাত পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় যুবলীগ দক্ষিণের নেতাকর্মীরা মানুষের মধ্যে এই প্যাকেট বিতরণ করবেন। ২৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল থেকে জুম্মার আগ পর্যন্ত বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। জুম্মার নামায শেষে আলোচনা সভা, রক্তদান কর্মসূচি রাখা হয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট বলেন, যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরীর নিদের্শে আমরা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার জন্মদিনকে ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ দিবস হিসেবে পালন করি। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আমরা সাধারণ মানুষকে মিষ্টিমুখ করানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এজন্য রাজধানীর তিনটি প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকানে দুই লাখ প্যাকেট মিষ্টির অর্ডার দেয়া হয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমাদের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে প্যাকেটগুলো বিতরণ করবেন। একই সঙ্গে মতিঝিলের বাফুফের মাঠে ৩০ হাজার যুবকের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা সুস্থাস্থ্য ও তার সার্বিক মঙ্গল কামনায় অর্ধদিন ব্যাপী দোয়া, আলোচনা সভা, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।’
    তিনি বলেন, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার জন্মদিনে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই, তিনি যেন দীর্ঘদিন বেঁচে থাকেন এবং সরকার প্রধান হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।

  • কলাপাড়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    কলাপাড়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

    পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পানিতে ডুবে তানভীর নামের তিন বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে বাড়ির সবার অগোচরে পুকুরে পাড়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজির পর বাড়ির লোকজন তাকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    তানভীর উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের চরচান্দু গ্রামে মো.হিরন মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে।
    কলাপাড়া হাসপাতালের চিকিৎসক শংকর কুমার পাল জানান, শিশুটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

  • গৌরনদীর বাটাজোরে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা আহত-১

    গৌরনদীর বাটাজোরে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা আহত-১

    আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টার সময় গৌরনদী বাটাজোর ইউনিয়নের বাগান বাড়ীস্থ, হিন্দু সংখ্যালগু পরিবারের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

    প্রাক্তন মেম্বার বাটাজোর ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারী শাজাহান হাওলাদার, কিছুদিন পুর্বে অজিত কুমার দাস এর পানের বরজ দখল নিতে যায়,এবং দুই লাখ টাকা চাদা দাবী করে,ও চাদা না দিলে মৃত্যুর হুমকি দেয়,ঘটনাটি এলাকার চেয়ারম্যান এর নিকট জানালে,উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে আজ এই হামলা চালয়।

    প্রাক্তন মেম্বার,বাটাজোর ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারী,সাজাহান হাওলাদার লোকজন নিয়ে,অজিত কুমার দাস এর ঘরে ডুকে তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়, ও মহিলাদের মারধর করে,হুমকি দেয় চাঁদা না দিলে ভারতে পাঠিয়ে দেয়া হবে।

    হিরালাল কুমার দাস এর পুত্র অজিত কুমার দাস গুরুতর আহত অবস্থায় গৌরনদী স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স এর ৪২ নং বেড এ ভর্তি আছেন।

    মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে উক্ত ঘটনার পর বাটাজোর এর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন ভিতসন্ত্রস্থ অবস্থায় আছে,যে কোনো সময় আবারো হামলা চালাতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

     

     

     

  • বরিশালের দুইজন সহ ৮ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি

    বরিশালের দুইজন সহ ৮ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি

    বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৮ জন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

    বদলি করা কর্মকর্তাগণ হলেন- পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাহাত গাওহারীকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাইবান্ধা জেলা, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল আসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলামকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঠাকুরগাঁও জেলা, বরিশাল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হুমায়ুন কবিরকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ময়মনসিংহ জেলা, ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজীকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেঞ্জ ডিআইজি অফিস বরিশাল, ১০ এপিবিএন বরিশালের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুলকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চট্টগ্রাম জেলা, এন্টি টেররিজম ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দীনকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল নড়াইল, রেলওয়ে সৈয়দপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমানকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ও সিএমপি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শচীন চাকমাকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স (টিআর পদে) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

    গত ২৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি (পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১) আমিনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়।

  • মুহাম্মদ শব্দের অর্থ হলো প্রশংসিত’

    মুহাম্মদ শব্দের অর্থ হলো প্রশংসিত’

    হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামানুসারে বিশ্বব্যাপী নবজাতক সন্তানদের নাম ‘মুহাম্মদ’ রাখা জনপ্রিয় হচ্ছে।

    ভারতীয় উপমহাদেশে সাধারণত মুসলমানদের নামের শুরুতে ‘মুহাম্মদ’ লেখার রীতি দীর্ঘকালের। তবে নামের শুরুতে ‘মুহাম্মদ’ লেখা কোনো ধর্মীয় বিধান নয়। উপমহাদেশ ছাড়া পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে সাধারণত এ প্রচলন দেখা যায় না।

    তবে পশ্চিমা বিশ্বে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামানুসারে নবজাতক সন্তানের মূল নাম ‘মুহাম্মদ’ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে। এ তালিকায় প্রথমেই চলে আসছে ব্রিটেনের নাম।

    ব্রিটিশ পরিসংখ্যান অফিস ঘোষণা থেকে জানা যায়, লন্ডনে শিশুদের প্রিয় নাম হিসেবে মুহাম্মাদ নামটি দশম স্থানে অবস্থান করছে।

    লন্ডনের পশ্চিম মিডল্যান্ডস এবং ইয়র্কশায়ারের সবচেয়ে অধিক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ‘মুহাম্মদ’ নাম।

    উল্লেখ্য যে, ‘মুহাম্মদ শব্দের অর্থ হলো প্রশংসিত’। এ নাম পবিত্র কুরআনের একটি সুরার নাম করণ করা হয়েছে। কুরআনের ৪টি সুরায় এ নামটি ৪ বার এসেছে। আর তাহলো সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১৪৪, সুরা আহজাব : আয়াত ৪০, সুরা মুহাম্মদ : আয়াত ২ এবং সুরা ফাতাহ : আয়াত ২৯)

  • ফজর নামাজ থেকে সূর্য ওঠা পর্যন্ত আমলের ‍ফজিলত

    ফজর নামাজ থেকে সূর্য ওঠা পর্যন্ত আমলের ‍ফজিলত

    মানুষের বাস্তব জীবনে সুন্নাতের অনুসরণ ও অনুকরণ দুনিয়া ও পরকালের সফলতার একমাত্র পথ। ফজরের মাধ্যমে মানুষের দিন শুরু হয়। দিনের শুরুতে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জামাআতের সঙ্গে ফজর নামাজ আদায় করতেন। অতঃপর সূর্য ওঠা পর্যন্ত (আধা ঘণ্টা) কিছু সময় বসে জিকির-আজকার করতেন।

    ফজরের নামাজ আদায়ের পর নামাজের স্থানে বসে তাসবিহ তাহলিলের এ আমলে রয়েছে অনেক ফজিলত। হাদিসে পাকে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ সময় নিজে সূর্যোদয়ের আগে নামাজের স্থান থেকে ওঠতেন না বরং তাসবিহ-তাহলিল, জিকির-আজকার, তেলাওয়াতসহ বিভিন্ন নেক আমলে অতিবাহিত করতেন। এ সামান্য সময়ের ফজিলত বর্ণনায় হাদিসে এসেছে-

     > হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ফজর নামাজ আদায় করতেন, তখন (সূর্য পুরোপুরি ওঠে মাকরূহ ওয়াক্ত শেষ হয়) নামাজ (চাশতের নামাজ) জায়েজ হওয়ার সময় পর্যন্ত তাঁর বসার স্থান থেকে ওঠতেন না।

    তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করার পর নামাজ জায়েজ হওয়ার সময় পর্যন্ত তাঁর বসার স্থানে বসে থাকবে, ওই ব্যক্তি একটি মকবুল হজ ও একটি মকবুল ওমরার সাওয়াব অর্জন করবে।’

    > হজরত জাবের ইবনে সামুরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ফজরের নামাজ আদায় করতেন তখন সূর্য ভালোভাবে ওঠা পর্যন্ত তাঁর বসার স্থানে চারজানু হয়ে বসে থাকতেন।’

    হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ফজরের নামাজ আদায় করতেন তখন তাঁর নামাজের স্থানে বসে থাকতেন। মানুষেরা তার চারদিকে বসত। সূর্যোদয় পর্যন্ত তিনি এভাবে থাকতেন। এরপর তিনি একে একে তাঁর সব স্ত্রীদের ঘরে গিয়ে তাদেরকে সালাম দিতেন এবং তাঁদের জন্য দোয়া করতেন।’

    > হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ফজরের নামাজের পরে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর জিকিরে রত কিছু মানুষের সঙ্গে বসে থাকা আমার কাছে ইসমাইল আলাইহি সালামের বংশের ৪ জন ক্রীতদাসকে মুক্ত করার চেয়ে বেশি প্রিয়।

    অনুরূপভাবে আসরের নামাজের পরে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহর জিকিরে রত কিছু মানুষের কাছে বসে থাকা আমার কাছে ৪ ক্রীতদাস মুক্ত করার চেয়েও বেশি প্রিয়।’

    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেই ফজরের নামাজের পর নামাজের স্থানে সূর্যোদয় পর্যন্ত অবস্থান করে জিকির-আজকার, কুরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ-তাহলিল ও নসিহতের মাধ্যমে সময় অতিবাহিত করতেন।

    পরবর্তীতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবাগণও সুযোগমতো ফজরের নামাজের পর মসজিদে কিংবা ঘরে সূর্যোদয় হওয়া পর্যন্ত বসে ব্যক্তিগতভাবে জিকির-আজকার করতে ভালোবাসতেন।

    বিখ্যাত তাবেয়ি মুদরিক ইবনে আওফ বলেন, আমি চলার পথে দেখলাম হজরত বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু ফজরের নামাজ আদায় করে বসে আছেন। আমি বললাম, বসে রয়েছেন কেন? তিনি বললেন, ‘সূর্যোদয়ের জন্য অপেক্ষা করছি।’

    বিখ্যাত তাবেয়ি আবু ওয়াইল বলেন, আমি একদিন ফজরের নামাজের পর হজরত ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করলাম। আমরা তার ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। তিনি বললেন, ‘প্রবেশ কর।’ আমরা বললাম, ‘কিছু সময় আমরা অপেক্ষা করি, হয়ত বাড়ির কারো কোনো প্রয়োজন থাকতে পারে।’ তখন তিনি আমাদের দিকে ফিরে বসে তাসবিহ করতে থাকলেন।

    তিনি বললেন, ‘হে আব্দুল্লাহর বাড়ির মানুষেরা, তোমরা গাফলতির চিন্তা করেছিলে!’ এরপর তিনি তার দাসিকে বললেন, দেখ তো সূর্য উঠেছে কিনা। সে বলল, ‘না’। পরে তৃতীয়বার যখন তিনি তাকে বললেন, ‘সূর্য ওঠেছে কিনা দেখ।’ তখন সে বলল, হ্যাঁ, সূর্য ওঠেছে।
    তখন তিনি বললেন, আল্লাহর সব প্রশংসা, যিনি আমাদেরকে এই দিনটিও উপহার দিলেন। তিনি এই দিনে আমাদেরকে ক্ষমা করলেন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি প্রদান করেননি।

    মনে রাখতে হবে

    আল্লাহর রহমত ছাড়া কোনো মানুষই মুক্তি পাবে না। এমনটিই বলেছেন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আল্লাহ তাআলা মানুষের প্রতি রহমত করতে কিংবা ক্ষমা করতে নেক আমল খুঁজবেন। তাইতো প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতের জন্য অনেক ছোট ছোট কাজের বড় বড় প্রাপ্তির ঘোষণা দিয়েছেন। তন্মধ্যে ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত জিকির-আজকার অনেক কার্যকরী।

    নেক আমল যেভাবে মানুষকে মুক্তি দিতে পারবে না আবার নেক আমল ছাড়া রহমতও লাভ করা যাবে না। তাই জীবনে সফলতা লাভে আল্লাহর রহমত কামনার পাশাপাশি নেক আমলের বিকল্প নেই।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ফজরের নামাজের পর নামাজের স্থানে বসে সূর্যোদয় পর্যন্ত বসে জিকির-আজকার, তাসহিব-তাহলিল ও কুরআন তেলাওয়াত করে সময় অতিবাহিত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন ইব্রাহিম সলিহ

    মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন ইব্রাহিম সলিহ

    মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অপ্রত্যাশিত জয় পেয়েছেন বিরোধী দলের প্রার্থী ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

    আজ সোমবার বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট পদে বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিনকে পরাজিত করে নির্বাচনে জিতেছেন ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ। তিনি ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬১৬ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে, আবদুল্লা ইয়ামিন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ১৩২ ভোট। প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনের বিরুদ্ধে দ্বীপপুঞ্জে বিরোধী মতকে দমনের অভিযোগ রয়েছে। তিনি এখনো নির্বাচনে তাঁর পরাজয় স্বীকার করেননি।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত এই ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছে।

    আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে ৩০ সেপ্টেম্বর। তবে ইতিমধ্যেই সলিহ–সমর্থকেরা জয় উদ্‌যাপনে রাস্তায় নেমে আসেন।

    নির্বাচনের ফল জানার পর সলিহ–সমর্থকদের উদ্‌যাপন। ছবি: রয়টার্স

    সলিহ প্রেসিডেন্ট ইয়েমেনকে ‘জনরায় মেনে নেওয়ার’ আহ্বান জানিয়েছেন। ইবু নামে জনপ্রিয় সলিহ রাজধানী মালেতে বলেন, ‘এই বার্তা এখন পরিষ্কার। মালদ্বীপের জনগণ পরিবর্তন, শান্তি ও ন্যায়বিচার চায়।’

    নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ইয়ামিন আরেক মেয়াদে জয় পাবেন বলে মনে করা হচ্ছিল। তাঁর প্রতিপক্ষের অনেকে এখন কারাগারে। ভোটের আগে দেশটির গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিভিন্ন সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। অনেক পর্যবেক্ষক মনে করেছিলেন, প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনের পক্ষে ভোটে কারচুপি হবে।

    নির্বাচনে জয় পাওয়া সলিহ মালদ্বীপের অন্যতম প্রবীণ রাজনীতিক। দেশটিতে গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য তিনি বছরের পর বছর ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন। এবার নির্বাচনে তিনি বিরোধী জোট থেকে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হন। তাঁর জোটে রয়েছে এমডিপি, জুমহরি পার্টি ও আদহালাথ পার্টি। ২০১১ সাল থেকে তাঁর দল এমডিপির হয়ে তিনি সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

    নির্বাচনের ফলের পর দেশটির নির্বাসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহামেদ নাশিদ টুইটারে সলিহকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, মালদ্বীপের জনগণের জন্য ‘তিনি খুবই ভালো কাজ করেছেন’। নাশিদকে ২০১২ সালে উৎখাত করেন ইয়ামিন।

    প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন ভোট দিচ্ছেন। ছবি: এএফপি

    চার লাখের বেশি অধিবাসীর দেশ মালদ্বীপকে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবের সঙ্গে লড়াই করে চলতে হয়। দেশটির অর্থনীতিতে মূল ভূমিকা রাখে পর্যটন।

    দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে সুপ্রিম কোর্ট নাশিদসহ নয়জন বিরোধী নেতাকে মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন। এরপর পরই প্রেসিডেন্ট ইয়ামিন দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন এবং দুই বিচারপতিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। পরে আদালত ওই আদেশ প্রত্যাহার করে নেন। ওই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, ইয়ামিন তাঁর শাসনকে চ্যালেঞ্জ করবে—এমন কোনো কিছু সহ্য করবেন না। তাঁর এই কর্মকাণ্ডের সমালোচনায় জ্বলে ওঠে ওয়াশিংটন, লন্ডন ও নয়া দিল্লি।

    ছোট্ট এই প্রতিবেশী রাষ্ট্রে অনেকে ভারতের হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন। নাশিদও ভারতীয় সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও সুনজরে দেখেনি ভারত। ইয়ামিনের শাসনামলে মালদ্বীপ তাদের বড় প্রকল্পগুলোতে চীনের অর্থায়নকে স্বাগত জানায় এবং দেশটির সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করে। মালদ্বীপে এখন অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় চীনের পর্যটক সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

    চীনের অর্থায়নে নির্মিত সিনামালে নামে এই সেতু রাজধানী মালের সঙ্গে বিমানবন্দর দ্বীপ হুলহুলেতে সংযোগ স্থাপন করেছে। ছবি: রয়টার্স

    বিশ্লেষকদের মতে, স্বার্থে আঘাত লাগতে পারে—এই ভয় থেকে মালদ্বীপে সরকার পরিবর্তন হোক তা চায়নি চীন।

    ইয়ামিন মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মামুন আবদুল গাইয়ুমের সৎভাই। দেশটিতে ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো গণতান্ত্রিক নির্বাচন হওয়ার আগ পর্যন্ত তিন দশক পর্যন্ত দেশটিতে স্বৈরশাসন চালান মামুন আবদুল গাইয়ুম। ওই নির্বাচনে নাশিদ জয়ী হয়েছিলেন। গত জুন মাসে মামুন আবদুল গাইয়ুমকে কারাগারে পাঠানো হয়।