Author: banglarmukh official

  • এনার্জি ড্রিংক বিক্রি নিষিদ্ধ

    এনার্জি ড্রিংক বিক্রি নিষিদ্ধ

    দেশের বাজারে এনার্জি ড্রিংকের উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাত বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। বাজারে বিক্রীত এনার্জি ড্রিংকে মাত্রাতিরিক্ত ক্যাফেইন থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    গত ২৯ জুলাই বিএসটিআইয়ের সভায় ‘এনার্জি ড্রিংক’ শিরোনামে জাতীয় মান প্রণয়ন না করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং কার্বোনেটেড বেভারেজ ব্যতীত ‘এনার্জি ড্রিংক’ বা অন্য কোনো নামে পণ্য উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতের কোনো সুযোগ নেই মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

     বিএসটিআইয়ের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও পরিচালক (সাবেক) আইএফএসটি, বিসিএসআইআর ও সফট ড্রিংক অ্যান্ড বেভারেজ শাখা কমিটির সভাপতি ড. মো. জহুরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    সভায় উপস্থিত এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, বাজারে বিক্রীত সফট ড্রিংকের ক্যাফেইনের মাত্রা প্রতি কেজিতে ১৪৫ এমজি থাকলেও এনার্জি ড্রিংকে এ মাত্রা প্রতি কেজিতে ৩২০ এমজির বেশি পাওয়া গেছে।

    energy-drink3

    এনার্জি ড্রিংকের নামে নেশাজাতীয় পানীয় বন্ধে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

    প্রসঙ্গত, রাজধানীসহ সারাদেশে মাত্রাতিরিক্ত ক্যাফেইনমিশ্রিত বিভিন্ন ধরনের এনার্জি ড্রিংক অবাধে বিক্রি হচ্ছে। গত বছর খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বাজার থেকে সাতটি কোম্পানির উৎপাদিত এনার্জি ড্রিংক সংগ্রহ করে রাজধানীর তিনটি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠায়।

    জাতীয় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও পরীক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ল্যাবরেটরির একাধিক নির্ভরযোগ্য দায়িত্বশীল সূত্রে জানায়, পরীক্ষায় সাতটি কোম্পানির সাতটি পানীয়তে মাত্রাতিরিক্ত ক্যাফেইনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

    energy-drink3

    সূত্র জানায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) এর নিয়মানুসারে যে কোনো পানীয়তে ক্যাফেইনের মাত্রা ২০০ পর্যন্ত স্বাভাবিক বলে ধরা হয়। কিন্তু দেশের তিন ল্যাবরেটরির পরীক্ষাতেই ওই সাতটি এনার্জি ড্রিংকে ক্যাফেইনের মাত্রা ৭০০ এর কাছাকাছি পাওয়া গেছে।

    জাতীয় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় সাতটি ড্রিংকসে তিনগুণের বেশি ক্যাফেইনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তবে কোম্পানিগুলোর নাম প্রকাশ করতে তিনি রাজি হননি।

    ওই কর্মকর্তা জানান, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বেপরোয়া বাজারজাতকরণের নীতি ও সুকৌশলে নির্মিত বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ হয়ে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এসব পানীয় পান করছে।

    তিনি আরও জানান, গ্রাম-গঞ্জের ছোট টং দোকান ও হাট-বাজার থেকে শুরু করে শহরের বড় বড় শপিং মল ও ফুড কোর্টে অন্যান্য কোমল পানীয়ের চেয়ে অতিরিক্ত ক্যাফেইন মিশ্রিত এনার্জি ড্রিংক বিক্রি দিনদিন বাড়ছে। সম্প্রতি জন্মদিনের অনুষ্ঠানেও এনার্জি ড্রিংক খাওয়ানোর নতুন ধারা চালু হয়েছে। এছাড়া গ্রামেগঞ্জে শিশুদের মধ্যেও এসব ড্রিংকের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে।

    energy-drink3

    বাংলাদেশ জাতীয় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য ও অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন এ প্রসঙ্গে বলেন, বাজারে বিভিন্ন নামে যে এনার্জি ড্রিংক আছে সেগুলো ‘এনার্জি ডিংক’ নামে বিক্রি করা যাবে না। বিক্রি করতে হলে অন্য নামে কিংবা সফট ড্রিংকের রেসিপি বা উপাদান দিয়ে বানাতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘সফট ড্রিংকে যে পরিমাণ ক্যাফেইন থাকার কথা তা রাখতে হবে। প্রতি কেজিতে ১৪৫ এমজির বেশি ক্যাফেইন মেশানো যাবে না। কোনো ধরনের উত্তেজক উপাদানও মেশানো যাবে না।’

    বিভিন্ন স্বাস্থ্য সাময়িকীতে উল্লেখ করা হয়েছে, অতিরিক্ত ক্যাফেইন লিভারে চর্বি জমে। হৃদপিণ্ডের রক্ত সরবরাহকারী ধমনীতে রক্ত চলাচল ধীর করে দেয়। এছাড়া বুক ধরফরানি, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, উচ্চরক্তচাপ, ঘুমের ব্যঘাত, শরীরে অ্যাড্রেনালিন নামক হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করে টানটান উত্তেজনা বৃদ্ধি ও কর্মক্ষমতা হ্রাস করে।

    দিনের পর দিন অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরে প্রবেশের ফলে অসুখ সারাতে ব্যবহৃত ওষুধও কাজ করে না বলে স্বাস্থ্য সাময়িকী থেকে জানা যায়।

    মাত্রাতিরিক্ত ক্যাফেইনমিশ্রিত বিভিন্ন ধরনের এনার্জি ড্রিংক নেশার জগতে নীরব সংযোজন বলেও অনেক সমাজবিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞ মনে করছেন। তাদের মতে, বিভিন্ন নেশাজাতদ্রব্য মাদকাসক্তরা গোপনে সেবন করলেও এনার্জি ড্রিংকের আসক্তি বাড়ছে প্রকাশ্যেই।

    অত্যাধিক স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকায় গত ৩০ অক্টোবর ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের কাছে এনার্জি ড্রিংক বিক্রি নিষিদ্ধের পরিকল্পনা করে যুক্তরাজ্য সরকার।

  • বৈধ এজেন্সির মাধ্যমে শ্রমিক যাবে মালয়েশিয়ায়

    বৈধ এজেন্সির মাধ্যমে শ্রমিক যাবে মালয়েশিয়ায়

    জি-টু-জি-প্লাস পদ্ধতিতে ১০টি এজেন্সির বদলে সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে মালয়েশিয়া সফররত বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের দু’দফা বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    প্রায় এক মাস বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রাজায়ায় দু’দেশের মধ্যে বৈঠক হয়। কর্মী-সংক্রান্ত ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ও মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী কুলা সেগারান নেতৃত্ব দেন।

     দেশটিতে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের অচলাবস্থা কাটাতে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর একান্ত সচিব (যুগ্মসচিব) মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর।

    দেশটিতে দশ লাখের বেশি কর্মী কাজ করছে। গেল দেড় বছরে দেশটিতে এসেছে দুই লাখের মতো কর্মী। জি-টু-জি প্লাস পদ্ধতিতে এই কর্মী আসলেও ১ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ হয়ে যায় এর অনলাইন সিস্টেম এসপিপিএ।

    প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মদের আগের ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈধ সব রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। কুয়ালালামপুরে মন্ত্রী আর জানান, যারা অবৈধ আছে এবং দশ বছরের বেশি ভিসা দেয়ার বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

    জানা গেছে, নতুন অনলাইন সিস্টেম চালুর আগে পাইপ লাইনে থাকাদের ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সকল কাজ চলবে। যোগ্য সকল এজেন্সি এই সুযোগ পাবে।

    Maleshia1

    বৈঠকে রাষ্ট্রদূত মুহা. শহীদুল ইসলাম জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. সেলিম রেজা, অতিরিক্ত সচিব ড. মনিরুস সালেহিন (কর্মসংস্থান), মন্ত্রীর একান্ত সচিব, উপ-সচিব মোহাম্মদ সাহিন (কর্মসংস্থান), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিজি ও একজন উপ-সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন প্রতিনিধি, আইন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন উপ-সচিব, দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর মো. সায়েদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

    এমওইউ মোতাবেক দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যরা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে বৈঠক করেন তারা।
    এদিকে জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর অনলাইন সিস্টেম এসপিপিএ ১ সেপ্টেম্বর বন্ধ হয়ে যায়। কথা ছিল পাইপলাইনে থাকা কর্মীদের সব কাজ চলবে। কিন্তু এখন চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে দেয়া হচ্ছে না ভিসার সত্যায়ন। বন্ধ আছে ঢাকায় মালয়েশিয়ান হাইকমিশনের ভিসা স্ট্যাম্পিংও।

    উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা ১ হাজার ১৭৯টি। ২০১২ সালে দুই দেশ শুধু সরকারি মাধ্যমে জি টু জি পদ্ধতিতে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠাতে চুক্তি সই করে। ২০১৬ সালের তা পরিমার্জন করে ১০টি বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিকে জি টু জি প্লাসের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০১৬ সালের শেষের দিক থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ শ্রমিক মালয়েশিয়া গেছেন। এর মধ্যে ২০১৮ সালে জুলাই মাস পর্যন্ত ১ লাখ ৯ হাজার ৫৬২ জন শ্রমিক পাঠায় বাংলাদেশ।

  • পাঁচ দিনের সফরে সিঙ্গাপুর গেলেন এরশাদ

    পাঁচ দিনের সফরে সিঙ্গাপুর গেলেন এরশাদ

    চিকিৎসার জন্য পাঁচ দিনের সফরে সিঙ্গাপুর গেলেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। আজ সকাল সাড়ে ৮টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমানযোগে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেছেন।

    এরশাদের সফর সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি এবং মেজর (অব.) খালেদ আখতার।

    এদিকে, বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান পার্টির কো-চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী গোলাম মোহাম্মদ কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য এম এ সাত্তার, মো. আবুল কাশেম, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, আলহাজ্ব সাহিদুর রহমান টেপা, শ্রম ও জনশক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মজিবুল হক চুন্নু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায় প্রমুখ।  জানা যায়, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন এরশাদ।

  • লবণ মজুদ করে সংকট সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা: শিল্পমন্ত্রী

    লবণ মজুদ করে সংকট সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা: শিল্পমন্ত্রী

    দেশে লবণ মজুদ করে সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেছেন, আমাদের দেশে লবণের ঘাটতি নেই। কিন্তু অতি মুনাফাভোগী কিছু লবণ মিল মালিক বেশি লাভের আশায় লবণ মজুদ করে সংকট সৃষ্টি করে যাচ্ছে। তাই, বাধ্য হয়ে সরকার অন্য দেশ থেকে লবণ আমদানি করতে হচ্ছে। এতে করে লবণ চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে’।

    মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার বিয়াম ফাউন্ডেশন সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) আয়োজিত মানসম্পন্ন আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদন: অংশীজন কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

    উপস্থিত লবণ মিল মালিকদের উদ্দেশ্যে শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিদেশ থেকে আমদানি করা না করা আপনাদের উপর নির্ভর করছে। আপনারা যদি লবণ মজুদ না করেন তাহলে অন্যদেশ থেকে লবণ আমদানি করার প্রয়োজন নেই’।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শুধু লবণ শিল্প নয়, পর্যটন শিল্পের প্রতিও ব্যাপক গুরুত্ব দিয়েছেন। এ কারণে পর্যটন শিল্প বিকাশে কক্সবাজারেও বড় বড় মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশ অনেক উচ্চ স্থানে চলে যাবে’।

    কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো: কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুল হালিম, বিসিক চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহ. ইফতিখার, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান।

    কর্মশালায় কক্সবাজার জেলার দু’শতাধিক লবণ চাষী উপস্থিত ছিলেন। এতে জেলার উপকুলীয় এলাকার ৬০ হাজার একর জমিতে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ লবণ চাষীদের মধ্যে মানসম্পন্ন আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদনের উপর সচেতনতা সৃষ্টির আহবান জানান বক্তারা।

  • সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৫ শতাংশ সুদে গৃহঋণের চুক্তি

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৫ শতাংশ সুদে গৃহঋণের চুক্তি

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণে ৫ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়ার বিষয়ে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের একটি সমঝোতা চুক্তি সই করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ চুক্তি সই হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

    সরকারি ব্যাংক চারটি হলো- সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক। চুক্তির মাধ্যমে এই চারটি ব্যাংক থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫ শতাংশ সুদহারে ঋণ নিতে পারবেন। আগামী দুই মাসের মধ্যে সরকারি কর্মচারীরা ঋণ সুবিধা পাবেন বলে জানান কর্মকর্তারা। তবে এ মুহূর্তে শতভাগ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এ সুবিধা পাবেন না।

    জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেডভেদে ২০ লাখ টাকা থেকে ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে। ঋণের মোট সুদহার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ। তবে এ ১০ শতাংশ সুদের ৫ শতাংশ সরকার এবং বাকি ৫ শতাংশ ঋণগ্রহীতা পরিশোধ করবেন। ঋণ পরিশোধের মেয়াদকাল হবে সর্বোচ্চ ২০ বছর।

    এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীরা অবসরের পর যাতে নিশ্চিত আশ্রয় পায়, এর মধ্য দিয়ে সেটি নিশ্চিত করা হলো। এটা শুধু যাদের উচ্চ বেতন আছে, তাদের জন্যই নয়; বরং সবার জন্য। এটা খুবই গণতান্ত্রিক ও কার্যকরী হবে।’

  • গ্রামীণ অর্থনীতিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে অভিভূত ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী

    গ্রামীণ অর্থনীতিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে অভিভূত ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী

    গ্রামীণ অর্থনীতিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে অভিভূত বাংলাদেশ সফররত ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী সুরেশ প্রভু। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ একটি সুন্দর দেশ। এদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে তা নিজ চোখে না দেখলে বোঝানো যাবে না। আমি সত্যিই আনন্দিত। আমি মোদি সরকারে আছি। ভারতের সরকার উল্লেখ করেছে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি হচ্ছে সোনালি চুক্তি।

    মঙ্গলবার দুপুরে ভোলার বাংলাবাজার ফাতেমা খানম ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজনে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের আমন্ত্রণে আজ মঙ্গলবার ভোলা সফর করেছেন সুরেশ প্রভু। সফরকালে ভোলার বাংলাবাজারের স্বাধীনতা যাদুঘর পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত হর্ষবর্ধন শ্রিংলা, ক্যাপ্টেন এ বি এম তাজুল ইসলাম (অব.) এমপি, স্কয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, ইসলাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজুরুল ইসলাম, নঈম নিজাম উপস্থিত ছিলেন।

    অতিথিরা ভোলায় পরিচালিত ফাতেমা খানম বৃদ্ধাশ্রম, ফাতেমা খানম কলেজ ও আজাহার-ফাতেমা খানম মেডিক্যাল কলেজও পরিদর্শন করেন। দুপুরে বাংলাবাজার ফাতেমা খানম ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবদুল মোমিন টুলু।

    সভায় সুরেশ প্রভু আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের অনেক শহরের ট্রেনের যোগাযোগ রয়েছে। ঢাকা জয়দেবপুর রেললাইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ-ভারত উভয়ই উন্নয়নশীল দেশ। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে ৫২ সালে ভাষার জন্য সংগ্রাম করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তিনি ইন্দিরা গান্ধির সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মৈত্রী চুক্তি করেছিলেন।

    বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু দেশ পুনর্গঠনের কাজ শূন্য হাতে শুরু করেছিলেন। বাজেট ছিল খুবই সীমিত। স্বাধীনতা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। তিনি বলেন, তিন মাস পর আমাদের জাতীয় নির্বাচন। এ নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে।

  • ঢাবিতে মায়ের কোলে চড়ে পরীক্ষা দিতে আসা সেই ছেলেটি পাস করেছে

    ঢাবিতে মায়ের কোলে চড়ে পরীক্ষা দিতে আসা সেই ছেলেটি পাস করেছে

    কিছুদিন আগে ফেসবুকে একটি ছবি ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায়, ১৭/১৮ বছর বয়সী এক ছেলেকে কোলে করে পরীক্ষা কক্ষে পৌঁছে দিচ্ছেন তার মা। গত শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে কলা অনুষদের অধীন ‘খ’ ইউনিটের ১ম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ঘটনা এটি। আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত সেই পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে ফেল করেছে ৮৬ শতাংশ এবং পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা মাত্র ১৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী। অথচ এই স্বপ্ল সংখ্যক শিক্ষার্থীদের মধ্যেও রয়েছে মায়ের কোলে চড়ে পরীক্ষা হলে আসা সেই হৃদয় সরকারও।

    ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় তার অবস্থান ৩৭৪০তম। মেধায় পাস করলেই কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী কোটা পাওয়া যায়। আর তাই আশা করা হচ্ছে, সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোনো একটি বিষয়ে পড়ার সুযোগ পাবে।

    জানা গেছে, হৃদয় সরকারের বাড়ি নেত্রকোনায়। সে হাঁটতে পারে না। এমনকি তার হাতের সব আঙ্গুলও কাজ করে না। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার দিন ছেলেকে কোলে করে পরীক্ষার হলে পৌঁছে দেন তার মা। কলেজে থাকতেও প্রতিদিন মা তাকে ৪তলা করে উপরে উঠাতো আর নামাতো।

  • পোনামাছ অবমুক্ত কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন হাসানাত আবদুল্লাহ্

    পোনামাছ অবমুক্ত কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন হাসানাত আবদুল্লাহ্

    মিজানুর রহমান:

    ২০১৮-১৯ আর্থিক সালে রাজস্ব বাজেটের আওতায় গৌরনদী মৎস্য দপ্তরের উদ্দোগে পোনামাছ অবমুক্ত কার্যক্রমের উদ্ধোধন করেন পার্বত্য শান্তি চুক্তিবাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি। এ সময় আরো অনেক নৃত্ব্বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • নেতা ছাড়া নেতৃত্ব হয় না: কাদের

    নেতা ছাড়া নেতৃত্ব হয় না: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যেকোনো আন্দোলনে নেতা থাকতে হয়। নেতা ছাড়া নেতৃত্ব হয় না। যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা কে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, পাঁচমিশালী, জগাখিঁচুড়ি নেতৃত্বে জনগণের আস্থা নেই। বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আর একবার ক্ষমতায় আসলে হাওয়া ভবনের বদলে খাওয়া ভবন হবে। ২০ দল, ৩০ দলের নেতা কে? নেতৃত্ব দেবে কে? তা পরিষ্কার করতে হবে।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি কই? বিএনপি নেতারা ঘরের মধ্যে ডুকে গেছে নি? তারা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে তারা (বিএনপি) কী আন্দোলন করবে? বিএনপি হাওয়া ভবন সৃষ্টি করে দেশের সম্পদ লুটপাট করেছিল। এবার তাদের উদ্দেশ্য, খাওয়া ভবন সৃষ্টি করা। তিনি বিএনপির উদ্দেশ্যে বলেন, ২০০১ সালের মত নির্বাচনের খোয়াব দেখে লাভ নাই।

    বর্তমান সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের সিংহভাগ উন্নয়ন করেছে। উন্নয়ন যারা করে, তারাই জনগণের কাছে ভোট চাওয়ার অধিকার রাখে। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আওয়ামী লীগের কর্মীরা অভিমান করতে পারে, কিন্তু বেইমানী করে না। আওয়ামী লীগ একটি পরিবার, পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে এখন থেকে জনগণের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাইতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

    ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার দুপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কবিরহাটে নির্বাচনী প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী। পরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মধ্য চরকাঁকড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নৌকায় ভোট চান তিনি।

    কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন রুমির সভাপতিত্বে নির্বাচনী প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী এমপি, কবিরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুন নাহার শিউলি একরাম, কবিরহাট পৌরসভার মেয়র জহিরুল হক রায়হান। জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক আব্দুল মমিন বিএসসি, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সামছুদ্দিন সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মাহমুদুর রহমান জাবেদ।

    পরে মন্ত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নতুন বাজারে চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল প্রমূখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।ওবায়দুল কাদের কবিরহাট উপজেলা ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।

  • বরিশাল সহ সব অঞ্চলেই ঘটছে ওড়না পেঁচিয়ে মৃত্যুর ঘটনা

    বরিশাল সহ সব অঞ্চলেই ঘটছে ওড়না পেঁচিয়ে মৃত্যুর ঘটনা

    বাস্তবতা হচ্ছে দেশের এমন কোনো অঞ্চল নেই যেখানে ওড়না পেঁচিয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে না।  কিন্তু এত মৃত্যুর পরও কারও কোনো হুঁশ হচ্ছে না। আর কত জান গেলে হুঁশ হবে? ওড়না পেঁচিয়ে মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে এই ধরনের মর্মান্তিক মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এ ধরনের ঘটনা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধিসহ কী উপায়ে এ ধরনের মৃত্যু রোধ করা যায় সেদিকে নজর দিতে হবে।

    মোটরসাইকেলের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নিহত হয়েছেন অনেকে। কিন্তু এত মৃত্যুর পরও কারও কোনো হুঁশ হচ্ছে না। সাধারণত সিএনজি অটোরিকশা, রিকশা, ইজিবাইক, মোটরসাইকেলের মতো যানে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। না চালক না যাত্রী কেউ এ ব্যাপারে সতর্ক নন। প্রশ্ন হচ্ছে আর কত জান গেলে হুঁশ ফিরবে?

    এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনা মেনে নেয়া যায় না। কিন্তু এত মৃত্যুর পরও কারও কোনো হুঁশ হচ্ছে না। সাধারণত সিএনজি অটোরিকশা, রিকশা, ইজিবাইক, মোটরসাইকেলের মতো যানে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। না চালক না যাত্রী কেউ এ ব্যাপারে সতর্ক নন। প্রশ্ন হচ্ছে আর কত জান গেলে হুঁশ ফিরবে?

    ওড়না পেঁচিয়ে মৃত্যু রোধ করতে হলে সবার আগে প্রয়োজন সচেতনতা। এ ব্যাপারে গণমাধ্যমকেও এগিয়ে আসতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকেও তাদের করণীয় ঠিক করতে হবে মৃত্যু রোধে। জীবন অনেক মূল্যবান। একটু অসতর্কতার কারণে অকাতরে সেই জীবন চলে যাবে-এটা মেনে নেয়া যায় না। যান বাহনে ভ্রমণের সময় ওড়না যাতে পেঁচিয়ে না যায় এ ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। বিশেষ করে যে ধরনের যানে ওড়না পেঁচিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে সেসব যানবাহনে উঠা, বসার সময় ওড়না যাতে চাকায় পেঁচাতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখা প্রয়োজন সতর্কতাই জীবন রক্ষা করতে পারে।