Author: banglarmukh official

  • সম্মানী বাড়লো বিটিভির জেলা প্রতিনিধিদের

    সম্মানী বাড়লো বিটিভির জেলা প্রতিনিধিদের

    সরকারি চ্যানেল বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জেলা প্রতিনিধিদের সম্মানী বাড়িয়েছে সরকার। এখন থেকে জেলা প্রতিনিধিরা দু’টি ক্যাটাগরিতে নির্দিষ্ট হারে সম্মানী ছাড়াও সংবাদ আইটেম ও বিশেষ রিপোর্টিংয়ের জন্য আলাদা সম্মানী পাবেন।

    জেলা প্রতিনিধিদের সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে সম্প্রতি তথ্য মন্ত্রণালয় ‘জেলা সংবাদ প্রতিনিধি সম্মানী কাঠামো ও শ্রেণী-উন্নয়ন নীতিমালা’ জারি করেছে। আগে বিটিভির প্রতিনিধিরা নিউজ আইটেমের জন্য ৭৭০ টাকা হারে সম্মানী পেতেন।

    নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিটিভির সব জেলা সংবাদ প্রতিনিধি সমমর্যাদাসম্পন্ন হবেন। তবে সম্মানী পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের দু’টি শ্রেণী বা ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।

    নিয়োগপ্রাপ্তির প্রথম পাঁচ বছর জেলা সংবাদ প্রতিনিধিরা ‘খ’ ক্যাটাগরিতে সম্মানী পাবেন। প্রথম পাঁচ বছর সফল সমাপ্তির পর সন্তোষজনক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে জেলা সংবাদ প্রতিনিধিরা ‘ক’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হবেন এবং আরও বেশি সম্মানী পাবেন।

    ‘খ’ ক্যাটাগরিতে জেলা সংবাদ প্রতিনিধিরা মাসিক সাত হাজার ৫শ টাকা এবং ‘ক’ ক্যাটাগরিতে ১০ হাজার টাকা মাসিক সম্মানী পাবেন এখন থেকে।

    এছাড়া প্রতিটি প্রচারিত সংবাদের জন্য তারা নির্দিষ্ট হারে সম্মানী পাবেন। তবে কোনো জেলা সংবাদ প্রতিনিধির মাসে কমপক্ষে সাতটি সংবাদ আইটেম না পাঠালে এবং পাঠানো আইটেমের মধ্যে কমপক্ষে তিনটি সংবাদ আইটেম প্রচারিত না হলে বা প্রচারযোগ্য না হলে তিনি এককালীন সম্মানী পাওয়ার অধিকার হারাবেন। পরপর তিন মাস মাসিক নির্ধারিত সম্মানী প্রাপ্তির অযোগ্য বিবেচিত হলে তার নিয়োগ বাতিল করা হবে।

    ‘ক’ ও ‘খ’ উভয় ক্যাটাগরিতে সংবাদ প্রতিনিধিরা প্রতিটি প্রচারিত সংবাদ আইটেমের জন্য এক হাজার ১৫৫ টাকা সম্মানী প্রাপ্য হবেন। এক্ষেত্রে একজন জেলা সংবাদ প্রতিনিধির এক মাসে ২০টির বেশি সংবাদ আইটেম গণনা করা হবে না এবং কোনো অতিরিক্ত সম্মানী পরিশোধযোগ্য হবে না। অর্থাৎ, সংবাদ আইটেম ও রিপোর্টিং আইটেম মিলে একজন সংবাদ প্রতিনিধির সম্মানী পরিশোধযোগ্য সংবাদ আইটেম মাসে ২০টির বেশি হবে না।

    উভয় ক্যাটাগরিতে প্রচারিত বিশেষ রিপোর্টিংয়ের জন্য জেলা প্রতিনিধিরা প্রতি বিশেষ রিপোর্টিংয়ের জন্য পাবেন দুই হাজার টাকা সম্মানী। এক্ষেত্রে একজন জেলা সংবাদ প্রতিনিধি একমাসে পাঁচটির বেশি বিশেষ রিপোর্টিংয়ের সম্মানী পাবেন না। একজন জেলা সংবাদ প্রতিনিধি যদি প্রচারিত পাঁচটি বিশেষ রিপোর্টিংয়ের সম্মানী পান, তবে তিনি মাসে পনেরটির বেশি সাধারণ সংবাদের সম্মানী পাবেন না।

    নিয়োগের পর প্রথম তিনমাস জেলা সংবাদ প্রতিনিধিদের শিক্ষানবিশকাল হিসেবে গণ্য হবে। শিক্ষানবিশকালে জেলা সংবাদ প্রতিনিধিরা মাসিক নির্ধারিত সম্মানী প্রাপ্য হবেন না, তবে প্রচারিত সংবাদের জন্য সম্মানী পাবেন।

    শিক্ষানবিশকাল সন্তোষ জনক ভাবে শেষ করার পর জেলা সংবাদ প্রতিনিধিকে নিয়মিত করা হবে। নিয়মিতকরণের পর তিনি ‘খ’ ক্যাটাগরির সম্মানী ভাতাসহ প্রচারিত সংবাদের সম্মানী পাবেন।

    জেলা সংবাদ প্রতিনিধিদের আহরিত সম্মানী থেকে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত হারে ভ্যাট ও কর কাটা হবে।

  • পুলিশের এসআই’র বিরুদ্ধে দুদকের মামলা:সাংবাদিককে মারধর করে ঘুষ গ্রহণ

    পুলিশের এসআই’র বিরুদ্ধে দুদকের মামলা:সাংবাদিককে মারধর করে ঘুষ গ্রহণ

    বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরে আলমের বিরুদ্ধে সংবাদকর্মীকে মারধর করে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা দায়ের করা করেছে।

    গতকাল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরিশাল অফিসের উপ-পরিচালক এবিএম আবদুস সবুর বাদী হয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা নুরে আলম বর্তমানে বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) থানা পুলিশে কর্মরত রয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    এজাহার সূত্রে জানাগেছে, ‘এসআই নুরে আলম স্ত্রীকে খুনের পর লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে’ শিরোনামে একটি সংবাদ গত বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে নুরে আলম সেই সংবাদের প্রতিবেদক কাওসার মাহমুদ মুন্নাকে একই বছরের ৪ এপ্রিল কাউনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিছনে পেয়ে মারধর করেন।

    এমনকি মাদক দিয়ে তাকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকাও দাবি করেন। এমন পরিস্থিতিতে কাওসার মাহমুদ মুন্না তাৎক্ষণিক ১৮ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে রক্ষা পান। এই বিষয়টি সংবাদপত্রে ফলাও করে প্রকাশ পেলে দীর্ঘদিন তদন্ত করে এসআই নুরে আলমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করার পাশাপাশি ঘুষ গ্রহণের বিষয়টির প্রাথমিক সত্যতা মেলে। যে কারণে তার বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ১৬১ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ১৯৪৭ সনের ৫(২) ধারা উল্লেখ করে মামলাটি করে দুদক। এমনকি এই মামলাটি কমিশনের কাছে তদন্তের অনুমতিও চেয়েছে বরিশাল দুদক অফিস। তবে মামলায় আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন এসআই নুরে আলম।

     

  • কক্সবাজারের আওয়ামী লীগের জনসভা রূপ নেয় জনসমুদ্রে

    কক্সবাজারের আওয়ামী লীগের জনসভা রূপ নেয় জনসমুদ্রে

    কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে গতকাল বিকেলে আওয়ামী লীগের জনসভা এক পর্যায়ে রূপ নেয় জনসমুদ্রে।

    ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার অভিমুখে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী সড়কযাত্রার অংশ হিসেবে রবিবার বিকেলে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠের জনসভা জনসমুদ্রে রূপ নেয়। দুপুর থেকেই চকরিয়া, পেকুয়া, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে নানা ব্যানার, ফেস্টুন ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ আসতে থাকেন।

    সরেজমিন দেখা যায়, জনসভা ঘিরে চলে চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর আলমের সমর্থকদের নির্বাচনী শোডাউন। ‘শেখ হাসিনার নৌকা, জাফর ভাইয়ের নৌকা’-স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে জনসভাস্থল। জনতার মুহুর্মুহু স্লোগানে খোদ কেন্দ্রীয় নেতারাও উজ্জীবিত হয়ে উঠেন।

    এ সময় উপস্থিত জনতার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘চকরিয়া-পেকুয়া তথা কক্সবাজার-১ আসনের আমলনামা আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আছে। অতএব আপনাদেরকে চিন্তা করতে হবে না। ঠিক সময়ে এ আসনে নৌকার প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।’

    ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, এখানে যাঁর জনসমর্থন বেশি, তাঁকেই নৌকার মনোয়নয়ন দেওয়া হবে।’ কবিকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘আবার আসিব ফিরে সেদিন, যেদিন মাতামুহুরীর তীরে ভিড়বে নৌকার বিজয়।’

    এ সময় কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে আরো ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সাবেক মন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম ও ব্যারিস্টার মহীবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

    চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জাফর আলম। সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী এবং পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী।

    জনসভায় উপস্থিত জনতার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে এলাকায় কে বেশি জনপ্রিয়। কার মাধ্যমে এ আসনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত হবে। তাই দল থেকে নৌকার প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হবে। আওয়ামী লীগের মতো বড় দলে একাধিক প্রার্থী থাকতে পারে। তবে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে কোনো অবস্থাতেই সংঘর্ষে জড়ানো যাবে না। নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

    চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু ও পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম  বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বেশি নির্যাতিত হয়েছিলেন আমাদের নেতা জাফর আলম। সেই একযুগ আগে থেকে চকরিয়া-পেকুয়ার গণমানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তিনি।

    তাঁরা বলেন, জনসভায় লাখো জনতার সমাগমের মাধ্যমে আজ জাফর প্রমাণ করলেন চকরিয়া-পেকুয়া শেখ হাসিনা তথা নৌকার ঘাঁটি। আশা করি আগামী সংসদ নির্বাচনে জাফরকেই নৌকার প্রার্থী করা হবে।

  • ভোট দিলে ক্ষমতায় থাকবো, না দিলে থাকবো না: শেখ হাসিনা

    ভোট দিলে ক্ষমতায় থাকবো, না দিলে থাকবো না: শেখ হাসিনা

    বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। মানুষ শান্তিতে আছে। শুধু শান্তিতে নেই বিএনপি। আর নতুন করে যোগ হয়েছে যুক্তফ্রন্ট। তিনি বলেন, বিএনপিসহ খুনি, দুর্নীতিবাজ, সুদখোর, বাড়ি দখলকারী-সুবিধাভোগীরা যুক্তফ্রন্ট করেছে। তারা সরকার উত্খাতের ষড়যন্ত্র করছে। এদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।
    স্থানীয় সময় রবিবার রাতে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের হোটেল হিলটনের গ্র্যান্ড বলরুমে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রবাসী নাগরিক সংবর্ধনায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় প্রবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। অতীতের যে কোনো সংবর্ধনায় উপস্থিতির রেকর্ড ভেঙেছে রবিবারের এই সংবর্ধনা।
    প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচনের আগে আর আমেরিকায় আসার সুযোগ হবে না। বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে নৌকায় ভোট দিতে হবে। আপনাদের আত্মীয়-স্বজনদের বলবেন নৌকায় ভোট দিতে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় থাকে তখন দেশের উন্নয়ন হয়, আর অন্যরা থাকলে শুধু দুর্নীতি হয়।
    প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা পুনর্ব্যক্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, প্রবাসীরা দেশের দুঃসময়ে সবসময় পাশে দাঁড়িয়েছেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সময় তারা সোচ্চার ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় আন্দোলন করেছেন, সর্বোপরি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রেখে চলেছেন। তিনি ঢাকা- নিউইয়র্ক- ঢাকা রুটে বাংলাদেশ বিমান পুনরায় চালু করার আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির দুঃশাসন এবং দুর্নীতির কারণে ইমার্জেন্সি সরকার এসে প্রথমে আমাকে জেলে নিয়েছিল। সেই জেলখানায় বসেই আমি দিন বদলের সনদ তৈরি করেছিলাম। আমরা ক্ষমতায় এসে দিনবদল করেছি, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করেছি। এবার ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি।
    কিন্তু ডিজিটাল করে সমস্যাও হয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু হয়েছে। সেই অপপ্রচার বন্ধে এবং সামাজিক নিরাপত্তায় আমরা ডিজিটাল আইন পাস করেছি। কিন্তু সমস্যা তৈরি করছে সাংবাদিকরা। সাংবাদিকরা নিজের স্বার্থ ছাড়া অন্য কিছু বোঝে না। ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনের সময় অনেকেই স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করেছে। তিন দিনের মাথায় আমরা দেখলাম বিভিন্ন লেবাসে বুড়া খোকাদের। একজন ফটো সাংবাদিক সরকারের বিরোধিতায় নেমে পড়লেন। পুলিশ তাকে বুঝানো চেষ্টা করলেন, তিনি পুলিশকেও ধমক দিয়ে বললেন, আমি বলে দেবো আপনারা আমাকে নির্যাতন করছেন। তখন পুলিশ উনাকে চালান করে দেয়। এখন তা নিয়ে দেশে বিদেশে হৈ-চৈ।
    শেখ হাসিনা বলেন, আমার চাচা কামাল হোসেন, তারেকের বদু কাকা (বি. চৌধুরী), এরশাদ-জিয়ার সুনজরে থেকে ডাকসুর নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না, সুদখোর ড. ইউনূস, কাকরাইলে বাড়ি দখলকারী ব্যারিস্টার মঈনুল, মৃত ব্যক্তির জাল সাটির্ফিকেট তৈরি করে গুলশানে বাড়ি দখলকারী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদরা যুক্তফ্রন্ট করেছেন।
    ড. ইউনুস হিলারির সহযোগিতায় আমাদের চোর বানাতে চেয়েছিলো। কিন্তু কানাডার আদালত বিশ্ব ব্যাংকের সেই অভিযোগ খারিজ করে দেয়। তিনি বলেন, বিএনপি এত দুর্নীতি করেছে যে তারা এফবিআই’র অফিসার ক্রয় করেছিল সজিব ওয়াজেদ জয়কে হত্যা এবং অপহরণ করতে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি তাই জেলে রয়েছে, তারেক রহমান ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী।
    এসব মামলা আমার সরকার করেনি। তার পছন্দের লোকজনই করেছিলো। তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে এসেছি। জনগণ ভোট দিলে ক্ষমতায় থাকবো, না দিলে থাকবো না। আমার চাওয়া- পাওয়ার কিছু নেই। তিনি আরো বলেন, আমরা ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছি। আমার বোন রেহান আমাকে বলেছে ১৬ কোটি মানুষকে খাওয়াতে পারলে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকেও খাওয়াতে পারবে না কেন?
    যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা সভায় আরো বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ।
     অন্যান্যের মধ্যে মঞ্চে বসা ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক এলাহী চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ফজলুর রহমান, আক্তার হোসেন, সৈয়দ বসারত আলী, লুত্ফুল করিম, শামসুদ্দীন আজাদ, আবুল কাশেম ও মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক আইরীন পারভীন প্রমুখ।
  • মহাসাগরে ভাসমান মসজিদ, প্রতি ৩ মিনিট পরপর খুলে যায় ছাদ

    মহাসাগরে ভাসমান মসজিদ, প্রতি ৩ মিনিট পরপর খুলে যায় ছাদ

    অদ্ভুত সুন্দর একটি মসজিদ। এর অবস্থান মরক্কোয়। দূরের কোনো জাহাজ থেকে দেখলে মনে হয়, ঢেউয়ের বুকে যেন মসজিদটি দুলছে আর মুসল্লিরা যেন নামাজ পড়ছেন পানির ওপর। দৃষ্টিনন্দন পানিতে ভাসমান এ মসজিদটির নাম গ্র্যান্ড মস্ক হাসান–২ বা দ্বিতীয় হাসান মসজিদ।

    বাদশাহ দ্বিতীয় হাসান কাসাব্লাঙ্কা শহরে এ মসজিদটি তৈরি করেছেন। মসজিদটির নির্মাণ কাজ করেছেন ফরাসি কোম্পানি বয়গিসের প্রকৌশলীরা। আর এর নকশা তৈরি করেছিলেন ফরাসি স্থপতি মিশেল পিনচিউ। একে ভাসমান মসজিদ বলার কারণ মসজিদটির তিনভাগের একভাগ আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর অবস্থিত।

    মসজিদটিতে প্রায় ১ লাখ মানুষ একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন। এর মিনারের উচ্চতা ২০০ মিটার। আর মেঝে থেকে ছাদের উচ্চতা ৬৫ মিটার। মসজিদের ছাদটি প্রতি ৩ মিনিট পরপর যান্ত্রিকভাবে খুলে যায় বলে এর ভেতরে আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে। তবে বৃষ্টির সময় ছাদটি খোলা হয় না।

    ২২.২৪ একর জায়গার ওপর অবস্থিত এ মসজিদের মূল ভবনের সঙ্গেই আছে লাইব্রেরি, কোরআন শিক্ষালয়, ওজুখানা এবং কনফারেন্স রুম। ২৫০০ পিলারের ওপর স্থাপিত এ মসজিদের ভেতরের পুরোটাই টাইলস বসানো। মসজিদ এলাকার আশপাশে সাজানো আছে ১২৪টি ঝরণা এবং ৫০টি ক্রিস্টালের ঝাড়বাতি।

    মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৮৭ সালের আগস্ট মাসে। প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিক ও কারুশিল্পীর পরিশ্রমে এটি প্রায় সাত বছরে নির্মিত হয়। ১৯৯৩ সালের ঈদে মিলাদুন্নবীর দিনে মসজিদটির উদ্বোধন করা হয়। সেসময় এটি নির্মাণ করতে ব্যয় হয়েছে ৮০ কোটি ডলার।

  • খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে রিট শুনানি মঙ্গলবার

    খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে রিট শুনানি মঙ্গলবার

    কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিষেশায়িত বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানির দিন আগামীকাল মঙ্গলবার ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

    আজ সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর বিশেষায়িত বেসরকারি হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সুবিধা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন তাঁর আইনজীবী কায়সার কামাল। সেদিন তিনি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট করেন।

    আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অপরদিকে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

    প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট্র দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। এর পর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন তিনি।

  • সুদ-ঘুষখোর, খুনি-দুর্নীতিবাজ সবাই এক হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

    সুদ-ঘুষখোর, খুনি-দুর্নীতিবাজ সবাই এক হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দলের ভেতরের বেঈমানদের কারণেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড হয়েছে। আর এখন সুদখোর, ঘুষখোর, খুনি ও দুর্নীতিবাজ সবাই এক জায়গাঁয় হয়েছে। দুর্নীতিবাজদের নিয়ে এখন কামাল হোসেনরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়বে। জনগণ তাদের ভোট দিলে দেবে।

    এরা ক্ষমতায় এলে দেশকে ধ্বংস করে ফেলবে। এরা দেশের সম্পদ লুটে খেয়েছে, এরা ক্ষমতায় গেলে স্বাধীনতা বিরোধীদের সঙ্গে মিলে দেশ ধ্বংস করবে। কাজেই জনগণকে তাদের সম্পর্কে চিন্তা করতে হবে।

    জাতিসংঘের ৭৩তম অধিবেশনে যোগ দিতে এসে নিউ ইয়র্কের হিলটন হোটেলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় এ সব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

    রবিবার স্থানীয় সময় রাত ৮ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া ওই নাগরিক সংবর্ধনায় আরও বক্তব্য দেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ মাহমুদ আলী, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান।

    এতে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দিপু মনি উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যারা পরিবর্তন করতে চায়, তারা দেশের উন্নয়ন করতে পারবে না। খাবে তো লুটপাট করে। আমার চাচা কামাল হোসেন সাহেব, তিনি এক হয়েছেন। তারসঙ্গে গেছে বিএনপির তারেক জিয়া ও মওদুদ আহমেদ। তাদের সঙ্গে এক হয়েছে জিয়াউর রহমান ও এরশাদের সুনজরে থাকা মাহমুদুর রহমান মান্না। এরা জোট বেঁধেছে চোরদের নিয়ে। ছেলেও চোর। মাও চোর।

    খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মামলা দিয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তার প্রিয় ব্যক্তিরা তারই বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। এতিমের টাকা মেরে দেওয়ার মামলায় শাস্তি হয়েছে। তারেক দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে। এ সব দুর্নীতিবাজদের নিয়ে ড. কামাল হোসেন এখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করবে। দেখেন, কারা এক হয়েছে। এই চরিত্রের লোকগুলো ক্ষমতায় এলে, দেশ লুটেপুটে খেতে পারবে।

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাশ হওয়া প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ডিজিটালের একটা ভালো দিকও আছে। খারাপ দিকও আছে। এটা নিরাপদ করতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাশ করেছি। যদিও এর বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে। আমি স্পষ্ট বলতেক চাই, সাংবাদিকরা শুধু তাদের নিজেদের স্বার্থ দেখছেন। সামাজিক সমস্যা যে সৃষ্টি হচ্ছে, সেটিতে সাংবাদিকদের দৃষ্টি নেই। সবার সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই আমাদের এই ডিজিটাল আইন। এটা আমাদের সাংবাদিকদেরও বোঝা উচিত। খালি নিজেদের স্বার্থ দেখলে চলবে না। সাংবাদিকদের সমাজের স্বার্থ দেখতে হবে।

    দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে, উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে প্রবাসীদের কাছে আমার অনুরোধ, আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কার বিজয় নিশ্চিত করুন। এখন আর অন্য কোন চিন্তা নেই। এখন একটাই চিন্তা, সেটা হলো- সমগ্র দলকে ঐক্যবদ্ধ করে, আগামী নির্বাচনে জয়ী হয়ে উন্নয়নের গতি অব্যাহত রাখতে হবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে । এগিয়ে যাবে।

    আমার সততাই আমার শক্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কারণে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ করেছি। ড. ইউনূসের বন্ধু হিলারির অনুরোধে আমাদের দুর্নীতির মামলা দেওয়া হয়। বিশ্বব্যাংকের সকল তথ্য ভুয়া বলেছে কানাডার আদালত।

    রোহিঙ্গা সঙ্কট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছি। তাদের খাদ্য ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। সব রকম ব্যবস্থা তাদের জন্য করে যাচ্ছি।

    নির্বাচনকে সামনে রেখে ড. কামাল হোসেন এবং বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সরকার বিরোধী জোটের কঠোর সমালোচনা করে প্রশ্ন তোলেন, দুর্নীতিবাজদের সঙ্গে নিয়ে তারা কিভাবে দুর্নীতিকে প্রতিরোধ করবেন? তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র তারেক রহমান দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন এবং তারা যে অর্থ বিদেশে পাচার করেছে তা আমরা ফিরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। এখন ড. কামাল হোসেন, বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং মাহমুদুর রহমান মান্না এই দুর্নীতিবাজদেরকেই সঙ্গে নিয়েই লড়াইয়ে নেমেছেন।’

    প্রধানমন্ত্রী বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেন এবং বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদ নতুন জোটকে সমর্থন দিয়েছেন কিন্তু অতীতে তারা দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মইনুল হোসেন কাকরাইলের বাড়ির জমি দখল করেছিলেন, সে জায়গা নিয়ে মামলা আছে। সাজু হোসেন বনাম রাষ্ট্র। ওই মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত।

    আর ‘ভুয়া’ আমমোক্তারনামা তৈরি করে এক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি নিজের ভাইয়ের নামে দখল নেওয়ার ঘটনায় বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদ অভিযুক্ত। কিন্তু তৎকালীন সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদ তাকে ক্ষমা করে দিয়ে নিজের সরকারে অর্ন্তভূক্ত করেছিলেন।

  • সিলেটে টিউবওয়েল থেকে গ্যাস উদ‌গিরণ

    সিলেটে টিউবওয়েল থেকে গ্যাস উদ‌গিরণ

    সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার কানাইঘাট-দরবস্ত সড়কের বিষ্ণুপুর করচটি নতুন ব্রিজের পাশে টিউবওয়েল স্থাপনের সময় পাইপ দিয়ে গ্যাস উদগিরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    জানা যায়, বিষ্ণুপুর করচটি নতুন ব্রিজের পাশে একটি টিউবওয়েল স্থাপনের কাজ সকাল থেকে শুরু করেন শ্রমিকরা। মাটির নিচে পাইপ ১২০ ফুট যাওয়ার সময় পানির সাথে তীব্র বেগে গ্যাস ও ধোয়া বের হতে শুরু করে। এসময় শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন। পরে তারা বস্তায় মাটি ভরে পাইপের গর্ত বন্ধ করে দেন। তারপরও গ্যাস উদগিরণ করছে।

    কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানিয়া সুলতানা জানান, বিষয়টি জালালাবাদ গ্যাস কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।

  • কাশিপুরে খাজা মাঈনুদ্দিন মাদ্রাসা নির্মান এর জায়গা পরিদর্শনে: হাসানাত আবদুল্লাহ

    কাশিপুরে খাজা মাঈনুদ্দিন মাদ্রাসা নির্মান এর জায়গা পরিদর্শনে: হাসানাত আবদুল্লাহ

    মিজানুর রহমান:

    বরিশাল নগরীর কাশিপুরে খাজা মাঈনুদ্দীন মাদ্রাসা কমপ্লেক্স, স্থাপনের নির্ধারিত জায়গা পরিদর্শন করেন, পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী ) ,স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ এমপি।

    এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন,জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাইদুল ইসলাম,ও বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খালিদ হোসেন স্বপন এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ বিশিস্ট ব্যাক্তিবর্গ।

  • ম্যাচের ১২ মিনিটেই অতিথিমেসিদের জালে শট নেন

    ম্যাচের ১২ মিনিটেই অতিথিমেসিদের জালে শট নেন

    লা লিগায় চলতি মৌসুমের প্রথম চার ম্যাচেই জয়। পাঁচ নম্বর ম্যাচটিতে নিজেদের মাঠে পা ফসকাল বার্সেলোনা। ক্যাম্প ন্যুতে রোববার রাতের ম্যাচে জিরোনার বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করেছেন ভালভার্দের শিষ্যরা।

    ম্যাচের ১২ মিনিটেই অতিথিদের জালে শট নেন মেসি। তবে গোলের দেখা পাননি জিরোনার গোলরক্ষক দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছেন বলে। যদিও গোলের জন্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি মেসিকে। ১৯ মিনিটে আর্জেন্টাইন তারকার গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। মিনিট দশেক পর সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি জিরোনা। তবে প্রথমার্ধেই স্তুতির গোলে সমতায় ফেরে অতিথিরা। ৪৫ মিনিটে বেনিতেসের ক্রস থেকে আড়াআড়ি শটে বল জালে জড়ান স্তুতি।

    দ্বিতীয়ার্ধে গোল ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে উল্টো গোল হজম করে বসে স্বাগতিকেরা। ম্যাচের ৫১ মিনিটে বার্সার বুকে দ্বিতীয়বারের মতো ছুরি চালান প্রথমার্ধে সমতাসূচক গোল করা স্তুতি। ৬৩তম মিনিটে পিকের গোলে সমতায় ফেরে বার্সেলোনা।

    এই ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়েও ১৩ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে বার্সেলোনা। একই পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আছে রিয়াল মাদ্রিদের নাম।