Category: আইটি টেক

  • টুইটার অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাকটিভ করবেন যেভাবে

    টুইটার অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাকটিভ করবেন যেভাবে

    সম্প্রতি টেসলার সিইও এলন মাস্ক দায়িত্ব নিয়েছেন টুইটারের। একের পর এক পরিবর্তন করছেন সাইটটিতে। ব্যবহারকারীদের ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভালো করতেই চেষ্টা করছেন।

    মাইক্রোব্লগিং সাইটির সৃজনশীলতা বাড়াতেই এই পরিবর্তন আনছেন মাস্ক। এর মধ্যে রয়েছে আকর্ষণীয় ভিডিও, ছবি এবং মিম প্রভৃতি। কিন্তু সেখানে তৈরি হচ্ছে সমস্যা। তবে টুইটার শুধু সৃজনশীলতার জায়গা নয়। বরং এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও ঘোষণা করে। বেসরকারি নানা সংস্থা এমনকি সরকারি নানা কাজের ঘোষণাও টুইটারে করা হচ্ছে বর্তমানে।

    তবে দুঃখজনক বিষয় হলো, সম্প্রতি টুইটারও ভুয়া খবর এবং বিদ্বেষমূলক মন্তব্যে ছেয়ে যাচ্ছে। অর্থহীন বিতর্ক থেকে বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য নানা পন্থা ব্যবহার করা হয়। এমন ক্ষেত্রে অনেক ব্যবহারকারীই হতাশ, তারা অনেকেই প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে বেরিয়ে যেতে চাইছেন।

    টুইটার ব্যবহারকারীদের যে কোনো সময় তাদের অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাকটিভ বা নিষ্ক্রিয় করার অনুমতি দেয়। ৩০ দিনের মধ্যে সেই অ্যাকাউন্ট ফের চালু করারও সুযোগ রয়েছে। তাই এখন চাইলেই আপনার অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাকটিভ করতে পারবেন। জেনে নিন কীভাবে করবেন-

    যে কোনো ব্রাউজার থেকে টুইটার ওয়েবসাইট খুলুন এবং আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

    হোমপেজে যান, স্ক্রিনের নিচে বামদিকের তিন বিন্দুযুক্ত ‘more’ অপশনে ক্লিক করুন।
    এরপর সেটিংস অ্যান্ড প্রাইভেসি অপশনটি বেছে নিন।
    ইওর অ্যাকাউন্টে ক্লিক করুন।
    পেজের একেবারে নিচে পাবেন ডিঅ্যাকটিভ ইওর অ্যাকাউন্ট অপশন। সেটি বেছে নিন।
    এরপর ডিঅ্যাকটিভে ক্লিক করে আপনার অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাকটিভেশন নিশ্চিত করতে হবে।
    এরপর টুইটার আরও একবার ডিঅ্যাকটিভেশন নিশ্চিত করতে বলবে তারপরেই অ্যাকাউন্টটি স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয় করা হবে।

    তবে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনার টুইটার অ্যাকাউন্ট স্থায়ী ভাবে মুছে ফেলা হবে না। অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার ৩০ দিনের মধ্যে যদি ব্যবহারকারী ফের তা অ্যাকটিভ করেন তবে তার অনুমতি দেবে টুইটার। কিন্তু ৩০ দিনের মধ্যে একবারও অ্যাকাউন্ট চালু না হলে তা স্থায়ীভাবে মুছে যাবে আপনার অ্যাকাউন্ট।

  • যে ১১ অ্যাপ ভয়ঙ্কর অ্যানড্রয়েডের জন্য

    যে ১১ অ্যাপ ভয়ঙ্কর অ্যানড্রয়েডের জন্য

    ভাইরাসযুক্ত ১১ অ্যাপ শনাক্তের পর তালিকা প্রকাশ করেছে অ্যাপসেনসাস নামের একটি কোম্পানির নিরাপত্তা বিশ্লেষক দল। ডাটা হার্ভেস্টিং কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা এই তালিকা করেছে।

    ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কমপক্ষে ৬০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী ভাইরাসযুক্ত অ্যাপগুলো তাদের ডিভাইসে ইনস্টল করেছে। অ্যাপগুলো হচ্ছে- স্পিড ক্যামেরা রাডার, আল-মোয়াজিন লিট (প্রেয়ার টাইমস), ওয়াইফাই মাউস (রিমোট কন্ট্রোল পিসি), কিউআর অ্যান্ড বারকোড স্ক্যানার (অ্যাপসোর্স হাবের তৈরি), কিউবলা কম্পাস-রামাদান ২০২২, সিম্পল ওয়েদার অ্যান্ড ক্লক উইজেট (ডাইফারের তৈরি), হ্যান্ডসেন্ট নেক্সট এসএমএস-টেক্সট উইথ এমএমএস, স্মার্ট কিট ৩৬০, আল কোরআন এমপিথ্রি-৫০ রেসিটারস অ্যান্ড ট্রান্সলেশন অডিও, ফুল কোরআন এমপিথ্রি-৫০+ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ট্রান্সলেশন অডিও, অডিওসড্রয়েড অডিও স্টুডিও ডিএডব্লিউ।

    বিপুল পরিমাণে ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে দিতে এই ডাটাগুলো ব্যবহার করা হয়। এছাড়া আরো কিছু বেনামী অ্যাপও ভয়াবহ এই ভাইরাস বহন করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই অ্যাপগুলোর নাম কেন প্রকাশ করা হয়নি সে বিষয়টি এখনো পরিস্কার নয়।

    আপাতত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, ২০২১ সালের অক্টোবরে বিষয়টি জানার পর গুগল সঠিক পদক্ষেপই নিয়েছে। মূলত ব্যবহারকারীদের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করছে এমন অভিযুক্ত সব ধরনের নামহীন এবং নামযুক্ত অ্যাপ ২৫ মার্চের মধ্যেই প্লে স্টোর থেকে মুছে ফেলেছে গুগল। তবে ধারণা করা হচ্ছে ডিভাইসগুলোয় এরইমধ্যে ইনস্টল হওয়া এসব অ্যাপ এখনো চলছে।

    তবে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে এই ১১টি অ্যাপ বিনামূল্যেই চলছে। এই অ্যাপগুলো সক্রিয় গুগল প্লে তালিকার সঙ্গে যুক্ত না করার পাশাপাশি যেকোন সময় ডাউনলোড করা থেকেও বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগে যারা এই অ্যাপগুলো ইনস্টল করেছেন তাদেরকে এগুলো মুছে ফেলতে হবে।

  • WhatsApp: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপের মামলা, দাবি, নয়া বিধিতে গ্রাহকদের গোপনীয়তা ভাঙবে

    WhatsApp: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপের মামলা, দাবি, নয়া বিধিতে গ্রাহকদের গোপনীয়তা ভাঙবে

    কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা নতুন ডিজিটাল বিধির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করল হোয়াটসঅ্যাপ। তাদের দাবি, নতুন এই নিয়মের আওতায় পড়লে গ্রাহকদের গোপনীয়তার সুরক্ষা ভেঙে ফেলতে হবে। যা হোয়াটসঅ্যাপ চাইছে না।

    সরকারের জারি করা নতুন নিয়ম কার্যকর হচ্ছে বুধবার থেকে। নেটমাধ্যমগুলোকে তিন মাসের সময় দিয়েছিল কেন্দ্র। মঙ্গলবার ছিল তার শেষ দিন। ওই দিনই গ্রাহক-সুরক্ষার প্রসঙ্গ তুলে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। যদিও ফেসবুক মঙ্গলবারই জানিয়ে দিয়েছিল, সরকারের নিয়ম অনুসরণ করার যাবতীয় প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে তারা। ফেসবুকেরই মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপ কিন্তু নয়া বিধির বিরোধিতা করে সোজা আইনি পথে হাঁটল।

    এক বিবৃতি জারি করে হোয়াটসঅ্যাপ দাবি করেছে, ‘নতুন এই নিয়মে গ্রাহকদের গোপনীয়তার সুরক্ষা ভঙ্গ হবে’। ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রাহক ৪০ কোটি। কী ভাবে গ্রাহকদের গোপনীয়তা রক্ষা করা যায় তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে তারা কথা বলছে বলে জানিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। একই সঙ্গে ভারত সরকারের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা চালানো হচ্ছে বলে ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

  • মেসেঞ্জারের ‘ভয়াবহতা’ জানালো ফোবর্স

    মেসেঞ্জারের ‘ভয়াবহতা’ জানালো ফোবর্স

    • নিজেদের গোপনীয়তার নীতিমালায় পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েই আলোচনার তুঙ্গে রয়েছে মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। তবে মেসেঞ্জারকে এর চেয়ে বেশি ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। অথচ মেসেঞ্জার নিয়ে খুব একটা ভাবছেন না!

    হোয়াটসঅ্যাপের চেয়েও ফেসবুকের মেসেঞ্জার বেশি ঝুঁকিপূর্ণ–এ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ফোবর্স। এতে এমন সব তথ্য উঠে এসেছে, যা জানলে কোনো সচেতন ব্যক্তি কখনও অ্যাপটি ব্যবহার করতে চাইবেন না।

    ব্যবহারকারীরা ‘ফ্রি’ সেবা পেলেও গোপনে তাদের বিভিন্ন তথ্য দিয়েই বাণিজ্যিক ফায়দা তুলে নিচ্ছে ফেসবুক। এসব তথ্যকে পুঁজি করে নিজেদের ব্যবসাকে বড় করেছে, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে আমরা যা কিছুই করছি, সবই তারা নিজেদের বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্যবহার করছে। এর আগেও বড় বড় টেক জায়েন্ট কর্তারা ফেসবুকের গোপনীয়তার নীতিমালা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু নিজেদের অবস্থান খুব একটা নড়চড় করেনি সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টটি।

    নীতিমালা নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ আলোচনায় আসার পর লাখ লাখ গ্রাহক বিকল্প অ্যাপ সিগনাল, বিআইপি ও টেলিগ্রামে চলে যাচ্ছে। এর জের ধরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ফেসবুকের নানা অনিয়ম ও অসততা নিয়ে জোরালোভাবে তথ্য-প্রতিবেদন প্রকাশ পাচ্ছে।

    হোয়াটসঅ্যাপ চলমান বিপর্যয় সামলাতে না পারলে এর নেতিবাচক প্রভাব নিশ্চিতভাবেই ফেসবুকের মেসেঞ্জারের ওপরও পড়বে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • সাইবার নিরাপত্তা সূচকে বাংলাদেশের ৮ ধাপ উন্নতি

    সাইবার নিরাপত্তা সূচকে বাংলাদেশের ৮ ধাপ উন্নতি

    জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সূচকে বাংলাদেশের ৮ ধাপ উন্নতি হয়েছে। এস্তোনিয়াভিত্তিক ই-গভর্নেন্স একাডেমি ফাউন্ডেশনের করা এ সূচকে ৭৩ থেকে এবার ৬৫তম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। ১৬০টি দেশের সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল উন্নয়ন পরিস্থিতি নিয়ে সূচক তৈরি করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বিজিডি ই-গভ সার্ট-এর প্রকল্প পরিচালক তারেক এম বরকতউল্লাহ বলেন, ‘এটা সাইবার নিরাপত্তা বিধানে বাংলাদেশের সক্ষমতারই প্রতিফলন, যা ভবিষ্যতে আরও দক্ষতার সাথে সাইবার হামলা প্রতিহত করতে উৎসাহ দেবে এবং সাইবার নিরাপত্তায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।’

    তালিকায় স্থান পাওয়া দেশগুলোর মৌলিক সাইবার হামলা প্রতিরোধে প্রস্তুতি এবং সাইবার অপরাধ, ঘটনা ও বড় ধরনের সঙ্কট ব্যবস্থাপনায় তৎপরতা মূল্যায়ন করে এনসিএসআই সূচকটি তৈরি করেছে।

    এনসিএসআইয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সর্বশেষ সূচকে ৯৬ দশমিক ১০ স্কোর নিয়ে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় রয়েছে গ্রিস। এরপর ৯২ দশমিক ২১ স্কোর নিয়ে চেক রিপাবলিক এবং ৯০ দশমিক ৯১ স্কোর নিয়ে এস্তোনিয়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে আছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সূচকের ১৬ নম্বরে, যুক্তরাজ্য আছে ১৮ তম অবস্থানে। প্রথম ২০টি দেশের মধ্যে এশিয়ার একমাত্র প্রতিনিধি সিঙ্গাপুরের অবস্থান ১৫ নম্বরে। চীন আছে ৮০তম স্থানে। ১৬০ দেশের এ তালিকায় সবচেয়ে বাড়ে অবস্থানে আছে সাউথ সুদান।

    এই সূচকে ৪৪ দশমিক ১৬ স্কোর নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। আর এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় রয়েছে ভারত। দেশটির স্কোর ৫৯ দশমিক ৭৪, আরও সূচকে অবস্থান ৩৫ নম্বরে।

    এদিকে পাকিস্তান সূচকের ৬৬তম (স্কোর ৪২.৮৬), নেপাল ৯৩তম (২৮.৫৭), শ্রীলংকা ৯৮তম (২৭.২৭), ভুটান ১১৫তম (১৮.১৮), আফগানিস্তান ১৩২তম (১১.৬৯), মিয়ানমার ১৩৯তম (১০.৩৯) অবস্থানে রয়েছে।

  • বছরের প্রথমার্ধে ৩৭১টি ফেসবুক আইডির তথ্য চেয়েছে সরকার

    বছরের প্রথমার্ধে ৩৭১টি ফেসবুক আইডির তথ্য চেয়েছে সরকার

    চলতি বছরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে ৩৭১টি অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ২৪১টি অনুরোধের মাধ্যমে এসব অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য চাওয়া হয়।

    ফেসবুকের ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অনুরোধগুলোর মধ্যে ১৪২টি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবং ৯৯টি জরুরি অনুরোধ রয়েছে। আর এসময় সরকারের অনুরোধে সাড়া দিয়ে ৪৪ শতাংশ ক্ষেত্রে তথ্য দিয়েছে ফেসবুক।

    গতকাল বৃহস্পতিবার ফেসবুক তাদের হালনাগাদ ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের (জানুয়ারি-জুন) মধ্যে ফেসবুকের কাছে সরকারের অনুরোধগুলোর বিষয়ে তথ্য দেয়া হয়েছে।

    ফেসবুকের কাছে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আইডির তথ্য চেয়ে অনুরোধ করে আসছে সরকার। তবে ২০১৫ সালের শেষার্ধ (এপ্রিল-জুলাই) থেকে তারা সাড়া দিতে শুরু করেছে। ওই সময় ১২টি অনুরোধ করেছিল সরকার। আর ফেসবুকের পক্ষ থেকে ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ ক্ষেত্রে সাড়া দেয়া হয়েছে। এরপর ক্রমেই অনুরোধ ও সাড়া দেয়ার হার বেড়েছে।

    তারা প্রতি ছয় মাস অন্তর এই ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। প্রতিবেদনে কোন দেশের সরকার ফেসবুকের কাছে কী ধরনের অনুরোধ জানায়, তা তুলে ধরা হয়। অবশ্য কোন অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়, তা প্রকাশ করা হয় না।

    ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদনের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ফেসবুকের কাছে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য চাওয়ার হার বাড়ছে। গত বছরের শেষ ছয় মাসে ফেসবুকের কাছে ১৭৯টি অনুরোধ করেছিল সরকার। তখন ফেসবুক ৪৫ শতাংশ ক্ষেত্রে তাতে সাড়া দেয়। এবারই সবচেয়ে বেশি অনুরোধ করা হয়েছে।

    অবশ্য বিশ্বজুড়েই ফেসবুকের কাছে সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য চাওয়ার হার বেড়েছে। এ বছরের প্রথম ছয় মাসেই ফেসবুকের কাছে ২৩ শতাংশ বেশি তথ্য চাওয়া হয়েছে। এ বছরের প্রথম ছয় মাসে ফেসবুকের কাছে অনুরোধ গেছে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৭৫টি।

    এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুরোধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর রয়েছে যথাক্রমে ভারত, জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য। যুক্তরাজ্য বছরের প্রথম ছয় মাসে ৬১ হাজার ৫২৮টি অনুরোধ করেছে, যা গত বছরের শেষার্ধের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি।

  • স্মার্টফোন আসক্তিতে বাড়ছে কিশোর অপরাধ

    স্মার্টফোন আসক্তিতে বাড়ছে কিশোর অপরাধ

    মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, স্মার্ট ডিভাইস ও প্রযুক্তির ভালো দিকগুলো সবারই কমবেশি জানা। প্রযুক্তি মানুষের জীবনে যেমন সুফল বয়ে এনেছে, তেমনি এর অতিরিক্ত ব্যবহারে রয়েছে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। ইন্টারনেটের মাধ্যমে দুনিয়া হাতের মুঠোয় চলে এসেছে।

    জানা যায়, অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার শারীরিক ও মানসিক সমস্যা সৃষ্টির জন্য দায়ী।

    ধামরাই পৌরশহরের প্রায় দশটি পরিবারের স্কুল, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের সন্তানরা বর্তমানে মোবাইল ফোন নিয়ে বেশি সময় কাটায়। মোবাইলে অনলাইন ক্লাস এর কথা বলে তারা বিভিন্ন ধরনের গেমস, মিডিয়া সাইড গুলোর দিকে ঝুঁকে পড়ছে। আমরা কিছু বলি না, কারণ তারা মোবাইলে ক্লাস করছে। বেশির ভাগ শিক্ষার্থী মোবাইলে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এতে এক সময় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মেধাশূন্য হওয়ার আশঙ্কা করছে।

    বর্তমানে একজন শিশুকে খাবার খাওয়ানোর সময়ও মোবাইলে গেমস চালু করে দিতে হয়। সে কি খেল তা নিজেও জানে না। এখান থেকেই সে মোবাইলে আসক্ত হয়ে পড়ছে। এটা এক ধরনের নেশা। আর করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মোবাইলই একমাত্র ভরসা শিক্ষার্থীদের।

    উপজেলার চন্দ্রাইল এলাকার লালন মিয়া বলেন, মোবাইলের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। এখন ছোট ছেলে মেয়েরা খেলাধুলা না করে নিজ কক্ষে বা বাসার ছাদে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল নিয়ে বসে আছে। খেলাধুলার প্রতি তাদের কোনো আগ্রহ নেই।

    অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে নানা ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। কানে কম শুনা, চোখের দৃষ্টি শক্তির সমস্যা, রাতে ঘুম নষ্ট, স্নায়ু সমস্যা, মাথা ব্যথাসহ নানাবিধ শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। শুধু ছোট ছেলে মেয়েদেরই নয় বয়স্কদের এই সব সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে মোবাইলের নীল আলু বেশি ক্ষতিকর। মাঝে মধ্যে কানে ফোন নিয়ে গাড়ি চালানো বা রাস্তা পারাপারেও ঘটে নানা দুর্ঘটনা।

    স্মার্টফোন বয়স্কদের চেয়ে ছোট শিশুদের জন্য হুমকি স্বরূপ। তারা পড়াশোনা না করে এক ধরনের মানসিক রোগীতে পরিণত হচ্ছে। কথা বললেই অল্পতে রোগে যায়।

    পৌরবাসিন্দা কবির হোসেন বলেন, অনেক পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয় ছেলে মেয়েদের মোবাইল না দিলে। তিন দিন আগে কুমড়াইল এলাকার এক মহিলা তার সন্তানকে নিতে এসেছে। সে যাবে না। কারণ তার ছেলে মায়ের কাছে মোবাইল বায়না করেছেন। দিতে অস্বীকার করায় সে পড়া বাধ দিয়ে ম্যাক্সির হেলপাড় এর কাজ করছে। সেই টাকা দিয়ে মোবাইল ক্রয় করবে। এভাবে না জানা অনেকেই নিমজ্জিত হচ্ছে অন্ধকারে।

    ব্যক্তিগত থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিকসহ অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ ডেকে আনতে পারে স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার। মোবাইল ফোন ব্যবহারে সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় হচ্ছে, কিশোর অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে । সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, পারিপার্শ্বিক নানা কারণে অপরাধীর তালিকায় নাম এসেছে অল্পবয়সীদের।

     

    আইন-শৃঙ্খলার পাশাপাশি পারিবারিক শিক্ষার অভাবেও অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। অনেক অভিভাবক সন্তান আনন্দ পাবে ভেবে স্মার্টফোন দিয়ে থাকে ছোট্ট শিশুর হাতে। এতে সে সাময়িক আনন্দ পেলেও শিক্ষা ও চরিত্র নষ্ট হচ্ছে। তাই চরিত্র গঠনের প্রতি অভিভাবকদের মনোযোগ দেয়া দরকার।

    দেখা যায়, ফেসবুকের মাধ্যমে গ্রুপ তৈরি করেও অপরাধ করছে কিশোররা। ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোনের কুপ্রভাবে অনেকে পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। বাড়ছে কিশোর অপরাধ। এই সব ছেলে মেয়েরা শুধু পাড়া প্রতিবেশীর জন্য নয়, নিজের পরিবারের জন্যও বিপজ্জনক। মাদকের টাকার জন্য সন্তান পিতামাতাকে হত্যা করছে।

     

    সুশীল সমাজের লোকজন মনে করছেন, বর্তমানে সামাজিক কর্মকাণ্ড, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে না, খেলার মাঠ কমে এসেছে, পিতা মাতার ব্যস্ততার কারণে সন্তানকে সময় দিতে পারছে না। সামাজিকভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন না থাকায় কিশোররা সাইবার জগতে ঢুকছে। দেখছে ফেসবুক, ইউটিউব। অনেকে আবার পর্নোগ্রাফির দিকে এগিয়ে চলছে। বিপথগামী হচ্ছে এই সব সন্তানরা, জড়িয়ে পড়ছে অপরাধে।

    এ বিষয়ে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর সহকারি প্রভাষক ড. মো. আলতাফ হোসেন বলেন, পরিবার ও সামাজিকভাবে সঠিক পরিচর্যা ও পর্যবেক্ষণ করলে, সন্তানের প্রতি অভিভাবকরা সময় দিলে কিশোর অপরাধ কমবে। তাদের সব সময় ভালো কাজে উৎসাহ দিতে হবে। খেলাধুলার সুযোগ করে দিতে হবে। খুন, অপরাধ বিষয়ক কোনো টিভি শো না দেখাই ভালো। শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান দেখবে। রাগ করা যাবে না। সন্তানের সাথে বন্ধুর মতো থাকতে হবে। স্মার্টফোন না দিয়ে পজিটিভ কাজে এগিয়ে দিতে হবে। এতে শিশু কিশোর অপরাধ কমে যাবে বলে আশা করেন তিনি।

     

    এ বিষয়ে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা এস এম হাসান বলেন, বর্তমানে করোনার কারণে ছোট শিশুরা তাদের বাড়িতে থাকতে হচ্ছে। ফলে তারা মোবাইল ফোনে বেশি ঝুঁকে পড়ছে। তাছাড়া খেলাধুলার জায়গা না থাকায়, পিতা মাতার অবহেলাও শিশু কিশোররা বিভিন্ন ধরনের নেশা ও অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

    প্রসঙ্গত, বেশ কিছু দিন আগেও ধামরাই থানা রোডের পশ্চিম পাশে জ্যোতি বিদ্যানিকেতনের সামনে পাঁচ ছয়জন ১০/১২ বছরের কয়েকজন শিশুকে প্রায়ই ড্যান্ডি সেবন করতে দেখা যায়। তারা বিভিন্ন বাসা বাড়িতে সুযোগ পেলেই চুরি করে থাকে।

  • যেভাবে বিকাশের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র

    যেভাবে বিকাশের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপির) বিশেষ অভিযানে বিকাশ প্রতারক চক্রের প্রধানসহ ৯ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর এক বিজ্ঞপ্তিতে ডিবি অভিনব এই প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের পুরো প্রক্রিয়াটি তুলে ধরেছে।

    আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিএমপি জানায়, বিকাশ প্রতারক চক্রের সদস্যরা প্রধানত চারটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতারণা কার্যক্রম সম্পন্ন করে। প্রথম গ্রুপ মাঠ পর্যায়ে অবস্থান করে বিভিন্ন বিকাশের দোকানে টাকা বিকাশ করার কথা বলে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে পূর্বে লেনদেনকৃত বিকাশ খাতার ছবি তুলে নেয় তারা। পরবর্তী সময়ে উক্ত ছবি হোয়াটসঅ্যাপে দ্বিতীয় গ্রুপের কাছে স্থান উল্লেখ করে পাঠিয়ে দেয়।

    দ্বিতীয় গ্রুপ তার কাছে পাঠানো বিকাশ খাতা থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন নম্বরে বিকাশ দোকানদার সেজে কল করে এবং জানতে চায় যে, তাদের কাছে পাঠানো টাকা তারা পেয়েছেন কিনা এবং ক্যাশ আউট করেছেন কিনা। যদি বলে পেয়েছে কিন্তু টাকা তুলেনি বা ক্যাশ আউট করেনি তখন প্রতারকরা তাদের প্রতারণার বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার শুরু করে। প্রতারণার ছলে বলতে থাকে যে, আমার দোকান হতে একই সময়ে কয়েকটি নম্বরে পাঠানো টাকা নিয়ে অভিযোগ আসায় তাদের নম্বর লক করতে গিয়ে আপনার নম্বরও লক হয়ে গেছে। আপনাকে বিকাশ অফিস হতে ফোন করে আনলক করে দেবে।

    অল্প সময়ের ব্যবধানে তৃতীয় গ্রুপ বিকাশ কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস অফিসার পরিচয় দিয়ে, অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে বিকাশ অফিসের নম্বর ক্লোনিং করে ফোন দেয়। ফোন করে বিভিন্ন কথার ছলে ওটিপি এবং বিকাশ পিনকোড নিয়ে নেয়। পরবর্তী সময়ে গ্রাহকের বিকাশ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে প্রতারক চক্র অ্যাকাউন্ট আনলক করার কথা বলে ভিকটিমের বিকাশ অ্যাকাউন্ট এবং প্রতারক চক্রের বিকাশ অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন পরিমাণ টাকা দিতে বলে।

    এভাবে হাতিয়ে নেয়া টাকা মাঠ পর্যায়ে থাকা সর্বশেষ অর্থাৎ চতুর্থ গ্রুপ এর কাছে পাঠানো হয়। যারা বিভিন্ন হাত বদল করে ক্যাশ আউট করে, ফলে প্রতারকদের অবস্থান শনাক্ত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

    গ্রেফতাররা হলেন- মো. সাইফুল ইসলাম (২২), মো. লিটন হোসেন (২৩), মো. জুবায়ের শেখ (২২), মো. গোলাম কিবরিয়া মণ্ডল (১৯), মো. ইমরান মোল্লা (২৩), মো. শাওন হোসাইন মণ্ডল (১৮), মিনজারুল ইসলাম মোল্লা (২৫), মো. আশরাফ মোল্লা (২৬) ও সাগর আহম্মেদ (২৫)।

    রাজধানীসহ ঢাকা এবং গাজীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মডেলের পাঁচটি মোবাইল ফোন, ১০টি সিমকার্ড এবং একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।

    প্রতারকদের বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

  • মেয়েদের নিরাপত্তা বাড়াবে ফেসবুক

    মেয়েদের নিরাপত্তা বাড়াবে ফেসবুক

    অনলাইনে অল্প বয়সী মেয়েদের যৌন হেনস্তা অভিজ্ঞতার কথা শুনে নিরাপত্তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক।

    রোববার (১১ অক্টোবর) ইন্টারন্যাশনাল গার্ল ডে’ উপলক্ষে মার্কিন টেক জায়ান্ট কোম্পানিটি কয়েকটি সেশনের আয়োজন করেছে। এবং তারা জানিয়েছে, সেখানে কয়েকটি সেশনের মাধ্যমে তরুণ সমাজকর্মীদের অভিজ্ঞতার কথা শুনবে।

    ফেসবুক বলছে, এই আলোচনার মাধ্যমে তরুণীরা তাদের কথা তুলে ধরতে পারবে। তাতে তাদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রগুলো আরও ভালোভাবে চিহ্নিত করা যাবে।

    ফেসবুকের নারী সুরক্ষা বিভাগের প্রধান সিন্ডি সাউথওয়ার্থ বলেছেন, আমরা মেয়েদের সরাসরি আলাপের সুযোগ দেয়ার বিষয়টি সব সময় গুরুত্ব দেই।

    তিনি আরও বলেন, ‘ইন্টারনেটে নারীদের হেনস্তা একটি মারাত্মক সমস্যা। আমরা ইতিমধ্যে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি।’

    ফেসবুকে মেয়েদের নিরাপত্তার বিষয়টি সব সময় আলোচনায় থাকে। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের জরিপ অনুযায়ী, ১৪ হাজার তরুণীর ৫৮ শতাংশ হেনস্তার শিকার। ওই জরিপে ২২ দেশের মেয়ে অংশ নেয়।

    অনলাইনে হয়রানি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন ব্যাপক ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ এটা দ্রুত অনেকের কাছে পৌঁছে যায় এবং অনলাইনে অনির্দিষ্টকাল ধরে থেকে যেতে পারে।

    ইউনিসেফের পর্যালোচনা অনুযায়ী, অন্য শিক্ষার্থীদের তুলনায় যারা অনলাইনে ভয়ভীতির শিকার হয়, তাদের অ্যালকোহল ও মাদকে আসক্ত হওয়ার এবং স্কুল ফাঁকি দেওয়ার হার বেশি।

    এছাড়া তাদের পরীক্ষায় ফল খারাপ করা, আত্মসম্মান কমে যাওয়া ও স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দেওয়ার সমূহ আশঙ্কা থাকে। চরম পরিস্থিতিতে, অনলাইনে ভয়ভীতি প্রদর্শন এমনকি আত্মহত্যার দিকেও ঠেলে দিতে পারে।

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়র সাদিকের মানহানিতে মরিয়া একটি মহল

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়র সাদিকের মানহানিতে মরিয়া একটি মহল

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ 

    বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বরিশাল মহানগর এর সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন ভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুকে) কয়েকটি পেইজ খুলে ভিত্তিহীন কথা প্রকাশ করা হচ্ছে।কে বা কারা এমনটা করছে তা খতিয়ে দেখা না হলে একপর্যায় তারা বৃহৎ রুপ নিতে পারে।

    চিনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রানঘাতী নোভেল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে গোটা বিশ্ব যখন হাপিয়ে বেড়াচ্ছিল ঠিক তখনো বরিশালের জনগনের কাছে অমূল্য অবদান রেখে ছিল মেয়র সাদিক। অর্ধলক্ষাধিক মানুষের ঘরে ত্রান পৌছে দিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন মেয়র সাদিক। ঘুর্ণিঝড় আম্পানের সময় সবার দরজায় গিয়ে খোজ নিয়ে ছিলেন বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।বরিশালবাসীর দীর্ঘ ভোগান্তির পর বান্দ রোডের কাজ শুরু হওয়ার পর সর্বমহলে প্রশংসিত ছিলেন মেয়র সাদিক। তার মহৎ কাজ গুলা হয়ত লিখে শেষ করা যাবে না।

    এত কাজ করার পরও তার মানহানিতে কাজ করছে একটি মহল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) “Barishal with a mission” নামে একটি পেইজ সহ আরো কয়েকটি ফেসবুক পেইজ ও গ্রুপে বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। একজন যোগ্য নেতাকে অপমান করা আইনত অপরাধ। বিষয়টি এখনি খতিয়ে না দেখলে একপর্যায় এরা বৃহৎ আকার ধারন করতে পারে।

    এ ব্যাপারে বাংলার মুখ ২৪.কম এর প্রতিবেদক ফেসবুক পেইজে দেওয়া মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও সংযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।