Category: জাতীয়

  • যশোরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    যশোরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা যশোর পৌঁছেছেন। রবিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে যশোরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে হেলিকপ্টারে করে তিনি ঢাকা থেকে যশোরের উদ্দেশে রওনা দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ঘাঁটিতে শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজে যোগদান করবেন। পরে বিকালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে দলীয় জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি। বর্তমান সরকারের মেয়াদে যশোরে এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জনসভা।

    তার আগমন উপলক্ষে পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যানার, ফেস্টুন, তোরণ, বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে গোটা শহর। মিছিল-মিটিংয়ে মুখরিত রাস্তাঘাট।

    জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, সফরকালে প্রধানমন্ত্রী যশোরে ২৮টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন

  • প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের দায়িত্বে নজিবুর রহমান

    প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের দায়িত্বে নজিবুর রহমান

    প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে দায়িত্ব পেয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান।  রবিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর আগে এ দায়িত্বে ছিলেন কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। তার মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে।

    মুখ্য সচিবের পদটি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সমান মর্যাদার। ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী তারা একই পদ মর্যাদার হলেও ক্রম অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পরে মুখ‌্য সচিবের নামটি থাকে। একই পদমর্যাদার হলেও সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধানের নাম থাকে তাদের পরে।

  • ফলে ছন্দপতন : দায়ী প্রশ্ন ফাঁস ও নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি

    ফলে ছন্দপতন : দায়ী প্রশ্ন ফাঁস ও নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি

    প্রশ্ন ফাঁস ও খাতা মূল্যায়নে নতুন পদ্ধতির কারণেই জেএসসি-জেডিসি ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর ফলাফলে বড় প্রভাব পড়েছে। এ কারণেই কমেছে পাসের হার ও জিপিএ ৫। এবারের জেএসসি ও জেডিসিতে পাসের হার কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ। আর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে কমেছে তিন শতাংশের বেশি।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তন, প্রশ্ন ফাঁস এবং খাতা দেখায় কড়াকড়ির কারণে এবারের জেএসসি-জেডিসি ও প্রাথমিক সমাপনীর ফল তুলনামূলক খারাপ হয়েছে। এসএসসি, এইচএসসিতেও মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিবর্তন করায় পাসের হারে ধ্বস নামে। সেই প্রভাব জেএসসি-জেডিসি ও সমাপনীর ফলেও পড়েছে।

    শিক্ষাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম  বলেন, খাতা মূল্যায়নে পরিবর্তন আনায় জেএসসি-জেডিসি ও সমাপনী পরীক্ষার ফলে বড় প্রভাব পড়ছে। এছাড়া প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছে। ফলাফলে এর প্রভাবও পড়েছে। কেন না পরীক্ষার্থী যখন শোনে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে তখন প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তখন সে এক ধরনের আতংকের মধ্যে পড়ে যায়।

    তিনি আরও বলেন, এ পরীক্ষা কতটা প্রয়োজন তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এসব পরীক্ষায় মেধা যাচাই হচ্ছে না। বরং কোচিং-গাইডের বাণিজ্য জমে উঠছে। এ দুই পরীক্ষা বাতিল করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার বলেন, এবারে পরীক্ষার ফলাফলে সামগ্রিক পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে। এ বছরে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলও তুলনামূলকভাবে খারাপ হয়েছে। এসব হয়েছে নানা পরিবর্তনের ফলে। উত্তরপত্র মূল্যায়নে পরিবর্তন এসেছে। পরীক্ষায় বিভিন্ন সময় নানা বিষয় পরিবর্তন করা হচ্ছে। এখন শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়নে বেশ সতর্ক। এসব কারণেই ফলাফলে ধারাবাহিক প্রভাব পড়ছে।

    তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান এ ফলাফলকে বিপর্যয় বলে মনে করেন না । তার মতে, গত পাঁচ-ছয় বছরে হাইব্রিড ফল প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যোগ্যতার চেয়ে বেশি নম্বর দেয়া হয়েছিল। তাই জিপিএ প্রাপ্তি ও পাসের হার বেড়েছিল। এ বছরও যথাযথভাবে খাতা মূল্যায়ন হয়েছে বিষয়টা এমন নয়। তবে এবারের ফল সত্যের কাছাকাছি গেছে।

    এ শিক্ষাবিদ আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রশ্ন পদ্ধতি প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে নানা প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করা উচিত। এবার জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় পাস করেছে ৮৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৯১ হাজার ৬২৮ শিক্ষার্থী। সে হিসেবে এবার এ পরীক্ষায় পাসের হারে বড় পতন হয়েছে, সঙ্গে কমেছে পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও।

    আট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে এবার পাসের হার ৮৩ দশমিক ১০ শতাংশ। আর মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৬ দশমিক ৮০ শতাংশ।

    গত বছর জেএসসি-জেডিসিতে সম্মিলিতভাবে ৯৩ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। এর মধ্যে জেএসসিতে ৯২ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং জেডিসিতে ৯৪ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। জেএসসি-জেডিসিতে এবার মোট এক লাখ ৯১ হাজার ৬২৮ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে জেএসসিতে এক লাখ ৮৪ হাজার ৩৯৭ এবং জেডিসিতে সাত হাজার ২৩১ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছে। জেএসসি-জেডিসি মিলিয়ে গত বছর দুই লাখ ৪৭ হাজার ৫৫৮ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছিল।

    আর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষায় ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে এ বছর। এর মধ্যে প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন। আর ইবতেদায়ীতে ৫ হাজার ২৩ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছে।

    গত বছর প্রাথমিক সমাপনীতে ৯৮ দশমিক ৫১ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে ৯৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২ লাখ ৮১ হাজার ৮৯৮ জন, আর ইবতেদায়ীতে ৫ হাজার ৯৪৮ জন। এ হিসাবে এবার পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারের সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ জিপিএ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে।

     

  • পদ্মাসেতু নির্মান হলে প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র হবে বরিশাল অঞ্চলে- শিল্পমন্ত্রী

    পদ্মাসেতু নির্মান হলে প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র হবে বরিশাল অঞ্চলে- শিল্পমন্ত্রী

    স্বপ্নের পদ্মাসেতু নির্মাণ হলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে হবে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

    শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বরিশালের অশ্বিনী কুমার হলে মাদ্রাসাসহ সব বেসরকারি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্ততাকালে তিনি এ কথা জানান।

    শিল্পমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রাবন্দর, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিয়েছেন। কুয়াকাটাকে আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে।পদ্মাসেতু নির্মাণের পর দক্ষিণাঞ্চলে হবে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্ দেশের সব মাদ্রাসা সরকারি করা সম্ভব নয়।এছাড়া পুরাতন কয়েকটি স্কুল ছাড়া কোনো স্কুল সরকারি করা হয়নি। বেসরকারি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই। তবে এ ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।

    বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আমু আরো বলেন, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী সার্বিক সহযোগিতা করছেন। তার কাছে দাবির কিছু নাই। তিনি এ অঞ্চলের উন্নয়নের সময় উপযোগী পদক্ষেপ নেবেন। যা করছেন জাতির স্বার্থেই করছে।

    সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসেন, বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য জেবুনেচ্ছা আফরোজ, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান আলম সাজু। এছাড়া বক্তব্য রাখেন- বিভাগীয় সম্মেলন উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক শান্ত ইসলাম, শহিদুল ইসলামসহ জেলা ও বিভাগীয় কমিটির নেতারা।

    এর আগে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ।

  • যেভাবে পাওয়া যাবে পিএসসি-জেএসসির ফল

    যেভাবে পাওয়া যাবে পিএসসি-জেএসসির ফল

    প্রথমিক সমাপনী পিএসসি ও অষ্টম শ্রেণির সার্টিফিকেট জেএসসি’র ফল প্রকাশ করা হয়েছে।এ বছর জেএসসিতে পাসের হার ৮৩ দশমিক ১০ শতাংশ আর জেডিসিতে পাসের হার ৮৬ দশমিক ৮০ শতাংশ। অন্যদিকে পিএসসিতে ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং ইবতেদায়ীতে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

    আজ শনিবার সকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার প্রথমে ক্ষুদে শিক্ষার্থীর ফল প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন। এরপর বেলা ১২টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ প্রধানমন্ত্রীর হাতে জেএসসি-জেডিসির ফল তুলে দেন।

    শনিবার দুপুর ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী। আর দুপুর ২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী।

    এরপরই শিক্ষার্থীরা বোর্ডের এবং মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।

    যেভাবে পাওয়া যাবে ফল

    ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেএসসি এবং মাদ্রসা শিক্ষা বোর্ডের বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সকল পরীক্ষা কেন্দ্র/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ই-মেইল/ওয়েব মেইল) এবং এসএমএসের মাধ্যমে দুপুর আড়াইটায় একযোগে প্রকাশ করা হবে।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফেনে এসএসএম, শিক্ষাবোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট www.educationboardresults.gov.bd এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবেন।

    মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে জেএসসির ফল পেতে যেকোনো মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে JSC লিখে স্পেস দিয়ে নিজ বোর্ডের নামের প্রথম ইংরেজি তিন অক্ষর, স্পেস দিয়ে রোল নম্বর, স্পেস দিয়ে পাসের বছর 2017 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

    এসএমএসের মাধ্যমে জেডিসির ফল পেতে JDC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম ইংরেজি তিন অক্ষর (MAD), স্পেস দিয়ে রোল নম্বর, স্পেস দিয়ে পাসের বছর 2017 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

    প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনীর ফল জানতে, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীর ফলwww.dpe.gov.bd ও dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে এবং এসএমএসের মাধ্যমে সংগ্রহ করা যাবে।

    এসএমএসর মাধ্যমে প্রাথমিক সমাপনীর ফল পেতে যেকোন মোবাইল থেকে DPE লিখে স্পেস দিয়ে স্টুডেন্ট আইডি লিখে স্পেস দিয়ে 2017 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি ম্যাসেজে পরিক্ষার্তীর ফল জানানো হবে।

    ইবতেদায়ী পরীক্ষার ফলাফল জানতে মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে EBT লিখে স্পেস দিয়ে স্টুডেন্ট আইডি লিখে স্পেস দিয়ে 2017 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

  • আজকের শিশুরাই আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী

    আজকের শিশুরাই আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের শিশুরা, আমার সোনার ছেলেমেয়েরাই জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। আজকের শিশুদের মধ্যে থেকেই আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী হবে।

    তিনি বলেন, একটি সুশিক্ষিত জাতি হিসেবে বাঙালি জাতি বিশ্বে মর্য়াদার সঙ্গে মাথা উঁচু করে চলবে। জাতির পিতা সোনার বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন সে স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দেশ এগিয়ে চলছে।

    আজ শনিবার গণভবনে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, ইবতেদায়ি ও উপজাতিদের মধ্যে ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে বিনামূল্যের বই বিতরণ কর্মসূচির অানুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    ২০১৮ সালের প্রথম দিন অর্থ্যাৎ ১ জানুয়ারি রাজধানীসহ সারা দেশে বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হবে। এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থীদের হাতে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ী ও উপজাতিদের জন্য ছাপানো বই আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দিয়ে বই উৎসবের উদ্বোধন করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরত্ব দিয়েছিলেন। কারণ শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নত জাতি হতে পারে না। তাছাড়া জাতির পিতার ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণেও শিক্ষার বিকল্প নেই।

    তিনি বলেন, জাতির পিতা সংবিধানে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ অবৈতনিক করে দিয়েছিলেন। মেয়েদের শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্য়ন্ত অবৈতনিক করে দিয়েছিলেন। বর্তমান সরকার ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফলে স্বাক্ষরতার হার শতকরা ৭২ ভাগ হয়েছে। স্কুলে ঝরে পড়ার হার কমেছে।

  • প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮ শতাংশ

    প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮ শতাংশ

    প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় এবার পাস করেছে ৯৫.১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী। গত বছরের চেয়ে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা শতকরা সোয়া ৩ ভাগ কমেছে। এ বছরের পরীক্ষায় ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ফল ভাল হয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯৩ ও মেয়েদের ৯৫ দশমিক ০৩ ভাগ।

    শনিবার বেলা ১১টায় গণভবনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন।

    বিস্তারিত আসছে…

  • ২০১৮ সালে মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিকে ছুটি থাকছে যতদিন

    ২০১৮ সালে মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিকে ছুটি থাকছে যতদিন

    সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি অনুমোদন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ছুটির তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষে মোট ৮৫দিন ছুটি থাকবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় চলতি সপ্তাহে ২০১৮ সালের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি অনুমোদন দিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে এটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারো ১ জানুয়ারি পাঠ্যপুস্তক বিতরণের কার্যক্রম হিসেবে ‘পাঠ্যপুস্তক দিবস’ উদযাপন করতে হবে। এছাড়া প্রতিটি বিদ্যালয়ে সরকার কর্তৃক ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ দিবস ও শিক্ষা সপ্তাহ পালন করতে বলা হয়েছে। শিক্ষাপঞ্জিতে বলা হয়েছে, ১ জুলাই থেকে ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে অর্ধ-বার্ষিক বা প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা নিতে হবে। ১২ কর্মদিবসের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করে ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। চলতি (২০১৭) শিক্ষাবর্ষে এই সময়সূচি ছিল ৬ জুলাই থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে অর্ধ-বার্ষিক বা প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা, ফল প্রকাশ ৫ আগস্ট। ১ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচনী পরীক্ষা নিয়ে ৫ নভেম্বর ফল প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। চলতি বছর এই সময়সূচি ছিল ১১ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচনী পরীক্ষা নিয়ে ৫ নভেম্বর ফল প্রকাশ। এছাড়া ২৮ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে বার্ষিক পরীক্ষা নিতে হবে। ফল প্রকাশ করতে হবে ৩০ ডিসেম্বর। ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী শিক্ষাবর্ষে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া মোট ছুটি ৮৫ দিন।

  • ঢাকা থেকে বরিশাল-পায়রাবন্দর পযর্ন্ত রেললাইন হবে

    ঢাকা থেকে বরিশাল-পায়রাবন্দর পযর্ন্ত রেললাইন হবে

    রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক জানিয়েছেন, বাংলাদেশের একটি জেলাও রেললাইন নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবে না। সব জেলা রেলের আওতায় আসবে। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা জানান তিনি।

    রেলমন্ত্রী বলেন, বরিশাল জেলায় কোনো রেল সংযোগ ছিলো না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকা থেকে বরিশাল-পায়রাবন্দর পযর্ন্ত রেললাইন চালু হবে। চীনা কোম্পানির সঙ্গে ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছে। বিএনপির আমলে রেলপথ ধ্বংসের মুখে পড়েছিলো উল্লেখ করে রেলমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সব সেক্টরে উন্নয়ন ঘটেছে। বিএনপির আমলে রেলপথ শতভাগ অবহেলিত ছিলো। ইঞ্জিন ও বগি কোনটাই আনেনি, নতুন রেলপথ নির্মাণ করেনি। বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে অনেকেই চাকরিচ্যুত করা হয়েছিলো। রেলপথ ধ্বংসের মুখে পড়েছিলো। বর্তমান সরকার ক্ষমতা এসেই রেলের দিকে সুনজর দিয়েছে। রেলের উন্নয়নে ৪৬টি প্রকল্প চলমান। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন রেলপথ উদ্বোধন করা হচ্ছে।

    যানজট নিরসনে রাজধানীতে সার্কুলার ট্রেন চালু করা হবে জানিয়ে মুজিবুল হক বলেন, যানজট নিরসনে রাজধানীতে সার্কুলার ট্রেন চালু করার জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। সার্কুলার ট্রেন চালু হলে যানজট কমাতে আমরা অবদান রাখতে পারবো। অপরাধ বিচিত্রার আয়োজনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পত্রিকাটির সম্পাদক এসএম মোরশেদ।

  • বিমানের ফ্লাইট সার্ভিসে অনিয়মই নিয়ম!

    বিমানের ফ্লাইট সার্ভিসে অনিয়মই নিয়ম!

    নিয়ম-কানুন ও দাফতরিক আদেশ কিছুই মানছে না বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের গ্রাহকসেবা বিভাগ। ফ্লাইট সার্ভিসে জ্যেষ্ঠতা প্রদানের মতো স্পর্শকাতর একটি বিষয়ে বিমান কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট মতামত ও সিদ্ধান্ত অমান্য করে নিজেদের ইচ্ছামতো কেবিন ক্রুদের দায়িত্ব বণ্টন করা হচ্ছে ফ্লাইটে। বিমানেরই তৈরি আইন ভঙ্গ করে সুবিধাভোগীরা ‘সি’ নম্বরধারী ক্যাজুয়াল ক্রুদের সিনিয়র বানিয়ে ফ্লাইটে পাঠাচ্ছেন।

    নিয়োগবিধি অমান্য করে এবং সরকারি অডিট আপত্তির পরও তাদের হোটেলে দেয়া হচ্ছে সিঙ্গেল রুমের সুবিধা। সিডিউল শাখার এক কর্মকর্তার সহায়তায় এসব হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী জুনিয়র পার্সারদের।

    তাদের অভিযোগ, ‘সি’ নম্বরধারী ক্যাজুয়াল ক্রু’রা অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য নন। তবুও কেবিন ক্রু অ্যাসোসিয়েশনের বিদায়ী সভাপতি ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক তাদের পক্ষাবলম্বন করেছেন। তাদের ছত্রছায়ায় এ অনিয়ম হচ্ছে।

    তবে বিদায়ী সভাপতি আকতারুজ্জামান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ম্যানেজমেন্ট জেনে-বুঝেই সিনিয়র হিসেবে তাদের সুযোগ দিচ্ছে। তাহলে নিয়ম-নীতি সবই কি ভুল- এমন প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে তিনি বলেন, এসব নিয়ে নিউজ করে কী লাভ? ম্যানেজমেন্টের দুর্নীতি ও অনিয়ম বের করে নিউজ করুন।

    এদিকে ভুক্তভোগীরা বলছেন, সুবিধাভোগী ‘সি’ নম্বরধারী ক্যাজুয়াল ক্রুদের সিনিয়র বানিয়ে ফ্লাইটে পাঠিয়ে ঠিক মতো সার্ভিস দেয়া যাচ্ছে না। উল্টো বিমানের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সার্বিক ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত এ প্রতিষ্ঠানের। তারা বলেন, বিষয়টি অপমানজনক হওয়ায় বেশির ভাগ স্থায়ী জুনিয়র পার্সার কাজে মনোযোগ হারাচ্ছেন। এ নিয়ে ফ্লাইট সার্ভিসে কর্মরত স্থায়ী শতাধিক জুনিয়র পার্সারের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করলেও অদৃশ্য কারণে নীরব বিমান প্রশাসন।

    বিমান সূত্রে জানা গেছে, ভলেন্টারি রিটায়ারমেন্ট স্কিম-ভিআরএস সুবিধা নিয়ে পাঁচ জুনিয়র পার্সার অবসরে যান। এ সময় ৯০ দিনের চুক্তিতে পাঁচজনকে নিয়োগ দেয়া হয়। অথচ ওই সময় জুনিয়র পার্সার পদে ১০২ অতিরিক্ত জনবল কর্মরত ছিলেন। নতুন নিয়োগ দেয়া পাঁচজনকে নিয়ে এখনো বিতর্ক চলছে।

    বিতর্কিত নিয়োগের পর ২০১১ সালে ৩ জুন জুনিয়র পার্সার (দিলরুবা আক্তার নাহিদ/সি-১৬২১, ফাহমিদা পারভিন জয়া/সি-১৬২২, ফারহানা আহমেদ কোয়েল/সি-১৬২৩) এর জ্যেষ্ঠতা পাওয়ার আবেদনের পরিপ্রক্ষিতে বিমান প্রশাসন, আইন বিভাগসহ সকল বিভাগ মতামত দেয় এবং ২০১২ সালের ১ মার্চ জারিকৃত পত্রে (স্মারক নম্বর- ডিএসিসিএন/৩১/২০১২/৭) সুস্পষ্ট উল্লেখ করা হয় যে, ‘স্থায়ী কর্মচারীদের সাথে সি-নম্বরধারী (ক্যাজুয়াল ভিত্তিক) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জ্যেষ্ঠতা একীভূত করার কোনো সুযোগ নেই।’ অর্থাৎ নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী ৯০ দিনের জন্য নিয়োগ পাওয়া সি-নম্বরধারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পদোন্নতি বা জ্যেষ্ঠতা পেতে পারেন না।

    জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১ অক্টোবর সরকারি অডিটের মন্তব্য ও সুপারিশে উল্লেখিত পত্রে (৮৭১১/সে-২/অ-১/অগ্রীম/বিমান/বিমান বাংলা : এয়া : লি : /ঢাকা/২০১২-১৩/৭৩৩) যেসব সুপারিশ করা হয়েছিল, সেসব সুপারিশ অনুযায়ী কাজ করেনি বিমান প্রশাসন। সুপারিশে মন্তব্য করা হয়, দৈনিকভিত্তিতে পাঁচজন জুনিয়র পার্সারকে সিঙ্গেল রুমের সুবিধা প্রদান তাদের নিয়োগের শর্তভঙ্গের শামিল।

    অডিট সুপারিশে বলা হয়, স্থায়ী জুনিয়র পার্সারদের বহিঃস্টেশনে অবস্থানকালে সিঙ্গেল রুম সুবিধা প্রদানের সপক্ষে বিমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নীতিমালার কপি প্রেরণ করা এবং দৈনিকভিত্তিক জুনিয়র পার্সারদের নিয়োগপত্রের শর্তবহির্ভূত বহিঃস্টেশনে সিঙ্গেল রুমের সুবিধা প্রদান করে বিমানের আর্থিক ক্ষতির টাকা সংশ্লিষ্ট জিএম, ডিজিএম ও ম্যানেজারের নিকট হতে আদায় করতে হবে।

    প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর ১০৭ জন জুনিয়র পার্সার পদে পদোন্নতি পান। এর আগে ২০১১ সালের ৯ অক্টোবর পাঁচ ক্যাজুয়ালকে নিয়োগ দেয়া হয়। তখন জ্যেষ্ঠতা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়। জটিলতা নিরসনে কাস্টমার সার্ভিসের জিএম আতিক সোবহান ১৫৭ জনের একটি তালিকা তৈরি করেন। ওই তালিকায় ১৫২ জন ‘পি’ নম্বরধারী বা স্থায়ী জুনিয়র পার্সারকে জ্যেষ্ঠতা প্রদান করে আদেশ জারি করা হয়। ১৫৩-১৫৭ তালিকায় থাকা চারজনকে জুনিয়র হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হয়। সেই থেকে তারা ‘পি’ নম্বরধারীদের কনিষ্ঠ হিসেবে ফ্লাইট করে আসছেন। সম্প্রতি শিডিউল শাখার এক কর্মকর্তা নিয়ম-কানুন তোয়াক্কা না করে বিতর্কিত ‘সি’ নম্বরধারী ক্রুদের জ্যেষ্ঠতা দিয়ে সমানে ফ্লাইটে পাঠাচ্ছেন।

    গত ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা-কুয়ালালামপুরের ফ্লাইটে স্থায়ী পদে কর্মরত জুনিয়র পার্সার শামীমা পারভিন শ্যামাকে (৩৫৩৮৮) জুনিয়র বানিয়ে অস্থায়ী জুনিয়র পার্সার ফারহানা আহমেদ কোয়েলকে (১৬২৩) জ্যেষ্ঠতা প্রদান করে ফ্লাইটে পাঠানো হয়। একইভাবে ২২ ডিসেম্বরের ঢাকা-কলকাতার ফ্লাইটে স্থায়ী জুনিয়র পার্সার মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ হেলালের (৩৫৬৫০) উপরে স্থান দিয়ে অস্থায়ী জুনিয়র পার্সার সাইয়েদা নাজনীন সানজানাকে (১৬১৬) পাঠানো হয়। ২৩ ডিসেম্বরের এফসিপি’তে একই চিত্র লক্ষ্য করা যায়। ওইদিন ঢাকা-কলকাতার ফ্লাইটে স্থায়ী জুনিয়র পার্সার রোজিনা মওলা রোজিকে (৩৫৫১০) জ্যেষ্ঠতা প্রদান না করে অস্থায়ী জুনিয়র পার্সার ফাহমিদা পারভিন জয়াকে (১৬২২) সিনিয়র বানিয়ে ফ্লাইটে পাঠানো হয়।

    অফিস আদেশ অমান্য করে স্থায়ীদের উপরে অস্থায়ীদের স্থান দিয়ে কীভাবে ফ্লাইটে পাঠানো হলো- এমন প্রশ্নের কোনো জবাব দিতে রাজি হননি বিমান পরিচালক (প্রশাসন) এম মোমিনুল ইসলাম। একইভাবে ওইসময় গ্রাহকসেবা বিভাগে দায়িত্ব না থাকার অজুহাত দেখিয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না বলে জানান গ্রাহকসেবা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আলী আহসান বাবু।

    এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এ এম মোসাদ্দিক আহমেদ বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রায়ই বিব্রত হই। কিন্তু কোনো সমাধান হচ্ছে না। অচিরেই বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হবে।

    উল্লেখ্য, বিমানের আইন অনুযায়ী চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী জ্যেষ্ঠতার জন্য বিবেচিত হবেন না। একই সঙ্গে এফসিপি লিস্টেও তাদের নাম স্থায়ী ফ্লাইটকর্মীদের সঙ্গে তালিকায় উঠবে না। তাদের নাম থাকবে গ্রুপ-৫-এর স্থায়ীকর্মীদের নিচে। কারণ ৯০ দিন পরপর তারা নতুন করে নিয়োগ পান। যে কারণে পদন্নোতিও তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।