Category: প্রশাসন

  • ৫ সিটি কর্পোরেশনে ভোটে আপত্তি নেই সরকারের

    ৫ সিটি কর্পোরেশনে ভোটে আপত্তি নেই সরকারের

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, কোনো মামলা না থাকলে নির্বাচন করার দিকেই এগোতে বলবেন ইসিকে।

    গাজীপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের মেয়াদ এই বছরই শেষ হচ্ছে। গাজীপুরের ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর ও বরিশালের ২৩ অক্টোবর মেয়াদ ফুরোচ্ছে।

    স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করতে হবে।

    সেই সময় চলে আসায় ইতোমধ্যে ইসির পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে চিঠি পাঠিয়ে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে।

    তারই পরিপ্রেক্ষিতে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, “আইনের বাধ্যবাধকতা আছে। আমরা যদি নির্বাচন না করি, তবে আইন পরিবর্তন করতে হবে।

    “আমরা চিন্তা করছি বাধাটা কোথা থেকে আসতে পারে। আমরা ডিভিশনাল কমিশনারদের কাছে জানতে চেয়েছি- এসব সিটি কর্পোরেশনে কোনো মামলা-মোকদ্দমা আছে কি না? কেউ যদি মামলা-মোকদ্দমা করে থাকে তবে তো আমরা নির্বাচন করতে পারব না।”

    এরপরই তিনি বলেন, “আমরা এই রিপোর্টটি পেলে নির্বাচন কমিশনকে বলব তাদের সুবিধামতো সময়ে নির্বাচন করতে। তারা যদি পারে একসঙ্গে পাঁচটাতেই করুক। তারা যদি পর্যায়ক্রমে করতে চায়, তাতেও আমাদের তো কোনো আপত্তি থাকবে না।”

    বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই প্রতিবেদন পেয়ে যাওয়ার আশা করছেন খন্দকার মোশাররফ।

    চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরে পৌরসভার কর্মীদের আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তারা চাকরি নিল পৌরসভায়। স্থানীয় সরকারের সেলফ গভর্নিং বডি তারা। নিজস্ব আয়ে চলে, নিজস্ব বাজেট আছে। সরকার তাদের নিয়ন্ত্রক।

    “এখন তারা কোন উদ্দেশ্যে, কী জন্য এটা করছে, আমার বুঝতে একটু অসুবিধা হয়। সরকারের শেষ সময়, রাস্তায় দাঁড়ালাম, চাপ দিলাম, সরকার রাজি হয়ে গেল। এই রাজি হওয়া কি সম্ভব? আইন-কানুন পরিবর্তন না করে এটা কি করা যাবে?”

    তবে মন্ত্রী পৌরসভার কর্মীদের অসুবিধার বিষয়টিও স্বীকার করেন। “জাতীয় সব গ্রেডের বেতন প্রায় ডাবল হয়ে গেছে। কিন্তু পৌরসভাগুলোতে এখনও অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্য আসেনি, ইনকামও বাড়েনি। আমরা একটা কাজ করতে পারতেছি যে একটা সিড মানি তাদের দেওয়া যায় কি-না।

  • সাংবাদিক সুমনকে নির্যাতনকারী পুলিশ সদস্যদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধ

    সাংবাদিক সুমনকে নির্যাতনকারী পুলিশ সদস্যদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধ

    বরিশালে কর্মরত বেসরকারী ইলেক্টনিক্স মিডিয়া ডিবিসি চ্যানেলের ক্যামেরাপার্সন সুমন হাসানকে কোন প্রকার মামলা মোকদ্দমা ছাড়াই নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে মারতে মারতে ডিবি অফিস কার্যালয়ে নিয়ে পুনরায় অমানুষিক নির্যাতন করার প্রতিবাদে ও অভিযুক্ত ইয়াবা সেবনকারী ডিবি পুলিশ কনেষ্টবল মাসুদ,এস আই আবুল বাসার সহ পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা ডিবির ৮ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করা সহ চিরস্থায়ীভাবে চাকুরীচ্যুত দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবীতে মানববন্ধন প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে সাংবাদিক সমাজ।

    আজ সকাল ১১টায় নগরীর সদররোডে বরিশাল ফটো সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
    ফটো সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি দিপু তালুকদারের সভাপতিত্বে অভিযুক্ত ডিবি পুলিশের বিচারের দাবী জানিয়ে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বরিশাল প্রেস ক্লাব কার্যকরী পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্বা নুরুল আলম ফরিদ,সাংবাদিক মুরাদ আহমেদ,বরিশাল টেলিভিশন মিডিয়া এ্যাসোসিয়েশন সভাপতি হুমাউন কবীর,বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি সভাপতি নজরুল বিশ্বাস,বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি সহ- সভাপতি বিধান সরকার,বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব সভাপতি আবুল কালাম আজাদ,সম্পাদক কাজী আল- মামুন,নিউজ চ্যানেল (২৪) ও বাংলাদেশ প্রতিদিন এর প্রতিনিধি রাহাত খান, সাংবাদিক মিথুন সাহা,সাংবাদিক সৈয়দ মেহেদী হাসান,এন টিভি ক্যামেরাপার্সন গবিন্দ সাহা,এম জহির।

    মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কালে জাতীয় ও ইলেক্টনিক্স মিডিয়া সহ স্থানীয় প্রিন্ট মিডিয়া ও বরিশাল ফটো সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি এম সালাউদ্দিন ও সাধারন সম্পাদক শাকিউজ্জামান মিলন সংহতি প্রকাশ করে অংশগ্রহন করে।

    এসময় তারা বলেন, অভিযুক্ত ডিবি পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টন্তমূলক বিচার করা না হলে সাংবাদিক সকল সংগঠনের পক্ষ থেকে কঠোর আন্দোলন করতে বাধ্য হবে।

  • নারায়ণগঞ্জে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ এএসআই গ্রেফতার

    নারায়ণগঞ্জে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ এএসআই গ্রেফতার

    নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় কর্মরত এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) কাছ থেকে ৫০ হাজার পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। নিজের হেফাজতে থাকা ৫ হাজার ও বাসায় তল্লাশি করে ৪৫ হাজার পিছ ইয়াবা উদ্ধার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    বুধবার রাতে পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে পুলিশের এএসআই সোহরাওয়ার্দী রুবেলের কাছ থেকে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    এদিকে অভিযোগ রয়েছে সম্প্রতি এএসআই সোহরাওয়ার্দী রুবেল একজন নারীকে আটকে রেখে প্রায় ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করেছিলেন। তার স্বজনরাও মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে। তিনি বিভিন্ন লোককে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করতেন বলে তথ্য বেরিয়ে আসছে।

    জানা যায়, পুলিশের এএসআই সোহরাওয়ার্দী রুবেল নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও এলাকার লোকজন জানার পরও কেউ ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। তিনি বন্দরের রূপালী আবাসিক এলাকার সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী কামরুল ইসলামের বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে থাকেন। বন্দর থানা থেকে বদলী হয়ে কিছুদিন আগে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় যোগদান করেন তিনি।

    রুবেল মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এমন অভিযোগে ডিবি পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে তার বন্দরের ফ্ল্যাট থেকে ৪৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। পরে থানার ভেতর তার দেহ তল্লাশি করে ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    এএসআই রুবেলের বন্দরের ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার জিয়াউল জানান, প্রায় সময় এএসআই রুবেল বিভিন্ন ধরনের লোকজনকে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় আটক করে এনে ফ্ল্যাটে রাখতেন। ওনাকে জিজ্ঞেস করলে কিছুই বলতেন না।

    নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, সদর থানায় তার ব্যাগ থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এমনকি তার বাসা থেকেও ৪৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সিনিয়ার অফিসারদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।

  • কলেজ ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ভিডিও ফুটেজ হাতে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    কলেজ ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ভিডিও ফুটেজ হাতে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ঢাকায় সাতই মার্চের সমাবেশের মিছিলের মধ্যে বাংলামোটরে কলেজছাত্রীকে যৌন হয়রানির ভিডিও ফুটেজ হাতে পাওয়ার কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, অপরাধীরা কোনোভাবে ছাড় পাবে না।

    বুধবারের ঘটনা নিয়ে ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার মধ্যে বৃহস্পতিবার ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ব্র্যাক স্কুল অব পাবলিক হেলথ’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে একথা বলেন তিনি।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাতই মার্চ বাংলামোটরে শিক্ষার্থীকে হয়রানির ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ হাতে এসেছে। কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল যুবক বাংলামোটরে এক কলেজ শিক্ষার্থীকে হয়রানি করেছিল।

    “ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের আইডেনটিফাই করার চেষ্টা হচ্ছে, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনারাও জানতে পারেন, কারা কারা এতে জড়িত।”

     

    ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বুধবার বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের জনসভা ছিল। এই জনসভায় বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল নিয়ে যোগ দেন ক্ষমতাসীন দলটির বিভিন্ন ওয়ার্ড শাখা এবং ছাত্রলীগ, যুবলীগের মতো সহযোগী বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

    বাংলামোটরে এরকম একটি মিছিলের মধ্যে পড়ে একদল যুবকের হাতে যৌন নিপীড়নের শিকার হওয়ার কথা নিজের ফেইসবুকে এক তরুণী পোস্ট করলে তা ভাইরাল হয়ে যায় ফেইসবুকে।

    ঢাকার একটি কলেজের শিক্ষার্থী ওই তরুণী বিকালে পোস্টটি দেওয়ার পর তিন ঘণ্টায় তার শেয়ার ৫ হাজার ছাড়িয়ে যায়। অনেকেই সোচ্চার হন।

    ওই তরুণী ফেইসবুকে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে লিখলেও গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি নন বলে তার ঘনিষ্ঠ একজন জানান।

    এই কারণে তিনি প্রথমে পাবলিক স্ট্যাটাস দিলেও পরে তা ‘অনলি মি’ করে দেন বলে তা এখন আর সবাই দেখতে পারছেন না।

    বিষয়টি নিয়ে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউ এই ধরনের ঘটনার খবর ‘জানেন না’ বলে জানিয়েছেন।

    কলেজ থেকে ফেরার সময় এই জনসভার কারণে বাস না পেয়ে হাঁটতে হাঁটতে বাংলামোটরে আসার পর একটি মিছিলে থাকা একদল যুবক তাকে ঘিরে ফেলে যৌন নিপীড়ন করে বলে ওই তরুণীর অভিযোগ।

    তিনি ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন, ১৫-২০ জন যুবক তাকে যৌন নিপীড়ন শুরু করলে এক পুলিশ সদস্য তাকে উদ্ধার করে একটি বাসে তুলে দেয়। ক্ষোভের সঙ্গে ওই তরুণী লেখেন, এরপর তিনি বাংলাদেশেই থাকবেন না।

    তার এই পোস্ট ব্যাপক শেয়ার হতে শুরু করে, বিভিন্নজন মন্তব্যও করে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমালোচনাও আসে নানাজনের মন্তব্যে। পরে নিজের পোস্ট সরিয়ে দেন তিনি।

    পরে আরেক পোস্টে তিনি লেখেন- “পোস্টটা অনলি মি করেছি কারণ পোস্টটা রাজনৈতিক উস্কানিমূলকভাবে শেয়ার করা হচ্ছিল। আমি কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোস্টটা দিইনি। প্লাস আমার কলেজকে জড়ানো হচ্ছিল এই ব্যাপারে। ব্যাপারটার সাথে আমার কলেজের কোনো সম্পর্ক নাই।”

    তরুণী অভিযোগ তোলার পর পুলিশের নানা পর্যায়ে যোগাযোগ করা হলেও কেউ সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি বুধবার রাতে।

    পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট (পিওএম) নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বরত পুলিশ পরিদর্শক বদিউজ্জামান বলেন, এই খবর শোনার পর সত্যতা জানতে বাংলামোটর ও আশে পাশে দায়িত্বরত প্রায় ৪০ জন পুলিশ সদস্যের সাথে কথা হয়েছে তার। “তারা এ ধরনের ঘটনার ব্যাপারে কিছুই জানে না বলে জানিয়েছে,” বলেছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

    ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেছিলেন, “আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি আমাদের পুলিশের কেউ এ বিষয়টি জানেন না বা কাউকে এ ধরনের সাহায্য করেনি। এছাড়া পুলিশের কাছে কেউ অভিযোগও করেনি।”

    তবে ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করতে পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানান তিনি। বাংলামোটরে দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক সার্জেন্ট মোরশেদুল আলম বলেন, তাদের যে সব সদস্য এখানে দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের প্রায় প্রত্যেকের কাছে এই খবরের বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন তিনি। “কিন্তু এ ব্যাপারে কেউ কিছু বলতে পারছে না,” বলেছিলেন তিনি।

    এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেন, বুধবার রাতেই ওই তরুণীর বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলে আসেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

    বুধবার রাজধানীর পথে এই ধরনের বিরূপ অভিজ্ঞতার মুখে পড়ার কথা জানিয়ে আরও কয়েকজন নারী ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন।

    এই ধরনের ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের নজরে যেগুলো এসেছে, সেগুলোর বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর ঢাকার পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ‘টেলিফোনে সাক্ষাৎকার দেবেন না’ বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

    রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, তার কাছে কোনো ভিডিও ফুটেজ নেই। অন্য কোনো সংস্থার কাছে আছে কি না, তাও তার জানা নেই।

    র‌্যাবের মহাপরিচালক মুফতি মাহমুদ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ভিডিও ফুটেজ বা এ ধরনের কোনো তথ্য আমার জানা নেই।”

  • বরিশালে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    বরিশালে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    বরিশালে পুলিশ কনস্টেবল পদে লিখিত পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় আটক দুই পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

    বুধবার (৭ মার্চ) পাবলিক পরীক্ষা আইনে বরিশাল মেট্রোপলিটনের কোতোয়ালি থানায় মামলাটি দায়ের করে পুলিশ। রাতে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে  এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,  মঙ্গলবার (৬ মার্চ) বিকেল ৩টায় বরিশালের সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পুলিশ কনস্টেবল পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত পরীক্ষাচলাকালে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কমল চন্দ্র শীলের ছেলে শেখ চন্দ্র শীল নামে এক পরীক্ষার্থী গোপনে মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেন। যা হলের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টিগোচর হয়। মোবাইল ফোনটি চেক করে দেখা যায়। পরীক্ষার্থীর ব্যবহৃত শেখর রায় তুর্জ (Shakear Roy Turzo) নামে ফেসবুক মেসেঞ্জার থেকে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে মো. মাইনুল ইসলাম শাওনের ব্যবহৃত এফাবল নীল (Affable Nil) নামক ফেসবুক মেসেঞ্জারে পাঠানো হয়। মো. মাইনুল ইসলাম শাওন তার ব্যবহৃত (Affable Nil) মেসেঞ্জার থেকে ওই প্রশ্নপত্রের উত্তর তৈরি করে পুনরায় শেখর রায় তুর্জের (Shakear Roy Turzo) মেসেঞ্জারে পাঠিয়েছেন। যে উত্তর শেখর রায়ের খাতায় লিখিত উত্তরে সঙ্গে হুবহু মিল পাওয়া যায়।

    ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করে পুলিশ শেখর চন্দ্র শীলকে আটক ও সিমসহ তার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকেরগঞ্জ সদরের বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মো. মাইনুল ইসলাম শাওনকেও আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় ও মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

  • দুই গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় আটক স্বামী-স্ত্রীকে আদালতে প্রেরণ

    দুই গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় আটক স্বামী-স্ত্রীকে আদালতে প্রেরণ

    বরিশালে গৃহকর্মী নির্যাতনে আটক দম্পতিকে আদালতে প্রেরণ।
    আটক দম্পতি ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদ ও তার স্ত্রী ইশরাত জাহান দিনা বরিশাল নগরীর বাজার রোডের একটি বাসায় দুই গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় আটককৃত দম্পতিকে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।

    এছাড়া গৃহকর্মী নির্যাতনের কাজে ব্যবহৃত তিনটি শিকল ও তিনটি তালা উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে শিশু আইনে থানায় মামলা দায়ের করেছে। কোতয়ালী থানা পুলিশ আশফিয়া ও আয়েশা নির্যাতনের ঘটনায় আটক ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদ ও তার স্ত্রী ইশরাত জাহান দিনাকে আদালতে সোপর্দ করেছে।

    এর আগে তাদের বাজার রোডের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তিনটি শিকল ও তিনটি তালা উদ্ধার করে পুলিশ। শিকল ও তালা দিয়ে আশফিয়াকে বেঁধে রাখা হত বলে পুলিশকে জানায় আশফিয়া। আশফিয়ার কেউ না থাকায় মামলার বাদী হয়েছে পুলিশ। নির্যাতনের ঘটনায় শিশু আইনের ৭০ ধারায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। উল্লেখ্য, শিকল দিয়ে বেঁধে নির্মমভাবে নির্যাতনের অভিযোগে গত সোমবার নগরীর বাজার রোড থেকে ব্যবসায়ী জুয়েল ও তার স্ত্রী দিনাকে আটক করে পুলিশ।

  • দেড় বছর ধরে দুই গৃহকর্মীকে শিকলে বেঁধে নির্যাতন, স্বামী-স্ত্রী আটক

    দেড় বছর ধরে দুই গৃহকর্মীকে শিকলে বেঁধে নির্যাতন, স্বামী-স্ত্রী আটক

    বরিশাল নগরীতে দুই গৃহকর্মীকে দেড় বছর ধরে নির্যাতনের ঘটনায় গৃহকর্তা ও তার স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় নগরীর বাজার রোড এলাকার নিজ বাসা থেকে তাদের আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো, বাজার রোডের এএন্ডজে এন্টারপ্রাইজের প্রোপাইটর জুয়েল আহম্মেদ ও তার স্ত্রী ইসরাত জাহান দিনা।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার এসএম রুহুল আমিন জানান, গৃহকর্তা ও তার স্ত্রীর নির্যাতনের শিকার হয়ে আসফিয়া নামের একটি মেয়ে তাদের বাসা থেকে পালিয়ে যায়। সে পালিয়ে গিয়ে এয়ারপোর্ট থানাধীন দক্ষিণ বাঘিয়া এলাকায় চলে যায়। তারপর পুলিশ সেখান থেকে তাকে উদ্ধারের পর আসফিয়া পুলিশের কাছে নির্যাতনের কথা জানান। তার সাথে আরো এক গৃহকর্মী আয়শাকেও নির্যাতন করা হয় বলেও জানায় আসফিয়া। সেই সূত্র ধরে তাকে নিয়ে পুলিশ এই বাসায় এসে নির্যাতনের সত্যতা পায় এবং অপর গৃহকর্মীকেও উদ্ধার করা হয়।

    ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ওই বাসার গৃহকর্তা জুয়েল ও তার স্ত্রী দিনাকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ কমিশনার জানান, দুই গৃহকর্মীকে এই বাসায় শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হত। এদের দুইজনকেই জোড় করে আটকে রেখে যে নির্যাতন করা হয়েছে তার প্রমাণ মিলেছে তাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গে।

    এসএম রুহুল আমিন বলেন, গৃহকর্তী ইসরাত জাহান দিনার সাথে কথা বলেছি আমরা। তিনি উচ্চ শিক্ষিত একজন নারী। এমন শিক্ষিত লোকজনদের দ্বারা এমন আচরণ আসলেই খুব দুঃখজনক। নির্যাতনের শিকার আসফিয়া জানায়, দেড়বছর যাবৎ তাকে আটকে রাখা হয়েছিল এই বাসায়। ঠিকমত খাবার দিলেও নির্যাতন করা হত প্রচুর। এই নির্যাতন থেকে বাঁচতে সে পালিয়ে এয়ারপোর্ট থানাধীন দক্ষিণ বাঘিয়া এলাকার বাসিন্দা রেনু বেগমের বাসায় গিয়ে পানি পান করতে চাই এবং সেখানে বসে এই ঘটনা বলি। এরপরেই পুলিশ আমাকে সেখান থেকে নিয়ে যায়।

    জানা গেছে, ২৯নং ওয়ার্ড এলাকার রাজ্জাক খান সড়কের বাসিন্দা রাহাত হাওলাদার ও বরিশাল প্রতিদিন পত্রিকার সংবাদকর্মী মনিরুজ্জামান খানকে বিষয়টি জানানোর পর ওই সংবাদকর্মী পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে গৃহকর্মীকে উদ্ধার করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র সহকারী কমিশনার মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত দুইজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং নির্যাতনের শিকার দুই গৃহকর্মীকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে আনা হয়েছে।

  • নিহত পুলিশ সদস্যের পরিবারকে সন্মাননা  দিলো বরিশাল পুলিশ

    নিহত পুলিশ সদস্যের পরিবারকে সন্মাননা দিলো বরিশাল পুলিশ

    শেখ সুমন :

    বরিশাল রেঞ্জ ও মেট্রোপলিটন পুলিশের ১৮ জন নিহত সদস্যের পরিবারকে সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সকালে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে ২০১৮ উদযাপনকালে এসব পুলিশ পরিবারের সদস্যদের হাতে ক্রেষ্ট, সম্মাননা পত্র ও উপহার তুলে দেয়া হয়।

    এরআগে দিবসটি উপলক্ষে বরিশাল জেলার পুলিশ লাইন্সে স্থাপিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উর্ধতন কর্মকর্তারা। পরে পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে এক আলেচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার এস এম রুহুল আমিন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জ ডি.আই.জি মোঃ শফিকুল ইসলাম বিপিএম,পিপিএম।

    আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডি.আই.জি মোঃ আজাদ মিয়া, জিআইজি অফিসের পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমান প্রাং, বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম-বিপিএমসহ বিভাগ জেলা ও মেট্রোপলিটনের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • শিক্ষায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে শ্রেষ্ঠ অফিসার বাউফলের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।

    শিক্ষায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে শ্রেষ্ঠ অফিসার বাউফলের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।

    রাকিব সিকদার :

    সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষায় নকল বা যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে উপজেলার কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার ব্যাবহার করে দারুন প্রশংসিত হয়েছেন জনাব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।

    পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার নির্বাহী অফিসার জনাব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামানকে শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। শিক্ষায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে সফলতা পাওয়ায় পটুয়াখালীর মাননীয় জেলা প্রশাসক ড. মাছুমুর রহমান ইউএনও আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামানকে শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে ঘোষনা করেন।

    জেলা প্রশাসকের ঘোষনার পরই খবর ছড়িয়ে পড়লে বাউফলবাসীর মধ্যে আনন্দ, উৎসাহ বিরাজ করছে। ভালো কাজে ভালো ফল বাস্তবতার কথা এখন উপজেলার সব শ্রেনি পেশার মানুষের মুখে মুখে। ভবিষ্যতে ইউএনও মহোদয় আরো নতুন নতুন চমকপ্রদ কাজের দ্বারা উচ্চ আসনলাভ করবেন বলে সকলেই প্রত্যাশা করছেন ।

  • কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় আজ সোমবার বিকেলে নগর ভবনের সম্মেলণ কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেয়র আহসান হাবিব কামাল।

    এসময় তিনি বলেছেন, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কোনো ক্রমেই আন্দোলন করা যায় না। তবে তারা নিয়ম ভেঙ্গে আন্দোলনে নেমেছে। যারা নগরবাসীর সমস্যা করছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারি। তবে ব্যবস্থা নিলেই আবার নতুন করে ঝামেলার উৎপাত হবে।

    তিনি আরো বলেন, সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন মাসের বেতন বকেয়া রেখেই চেয়ার ছাড়েন। এরপর আমি মেয়র থাকাকালীণ সময় দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। কর্পোরেশনের যে আয় রয়েছে তাতে আমরা কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন নিয়মিত ভাবে পরিশোধ করতে পারব। তবে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে স্টাফ রয়েছে প্রায় ২২’শ। যাদের বেতন পরিশোধ করা খুবই কষ্টকর। তবুও আমরা বলেছি জুন মাসের মধ্যে তাদের সকল বকেয়া পরিশোধ করে দেয়া হবে কিন্তু তারা সেই সকল বকেয়া ১ মাসের মধ্যেই দিতে বলছে। এটা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের পক্ষে সম্ভব নয়। এর আগে যে তারা আন্দোলনে নেমেছিল সেই সময় আলোচনায় যে কথা তারা মেনে নিয়েছিল এখন সেই কথাই তারা না মেনে অহেতুক আন্দোলনে নেমেছে।

    মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, আমরা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বকেয়া বেতন দিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গুটি কয়েক আন্দোলনরত নেতা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বেতন নিতে দেয়নি। কর্পোরেশনের উন্নয়নের জন্য ৩০জন কাউন্সিলর এবং আমি মেয়রও ১ বছর যাবৎ সম্মানী ভাতা নেয়নি। সেখানে অদৃশ্য হাতের জোড়ে কর্পোরেশন অচল করে দেওয়া নগরবাসীকে ভোগান্তিতে ফেলা ছাড়া আর কিছুই নয়। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন যাতে ভালো ভাবে চলে সেই লক্ষ্যে উন্নয়ন খাত থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা দিয়ে বেতনাদী দেয়া হয়েছে। এখন তারা টের পেয়েছে কর্পোরেশনের একাউন্টে ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা এসেছে। এখন সেখান থেকে তাদের বেতনাদী পরিশোধের দাবী জানানো হচ্ছে। তবে যে টাকা এসেছে সেটা এসেছে ১৫ই আগস্ট ঘাতকের গুলিতে নিহত স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর শিশু সন্তান সুকান্ত বাবু’র নামে শিশু পার্ক করার জন্য। তারা এটা জানার পরও ওই খাত থেকে টাকা চাচ্ছে। এই আন্দোলনে নগরবাসীর ক্ষতি হচ্ছে বলে আন্দোলনকারীদের বলা হলেও তারা আমাদের বলেছে ক্ষতি করার জন্য আন্দোলন করা হচ্ছে।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, বিগত দিনের সাবেক মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার, শওকত হোসেন হিরণ অস্থায়ী বা স্থায়ী অনেক লোকের প্রবেশ ঘটিয়েছে কর্পোরেশনে। শুধু মেয়র হিরণই প্রায় সাড়ে ৮’শ স্টাফ ঢুকিয়েছেন কর্পোরেশনের মধ্যে। অতিরিক্ত লোকবলই বিসিসির সমস্যা। এখন ১২ কোটি টাকা হলেই এই সমস্যা নিরসন করা সম্ভব।

    সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল মেয়র এ কে এম শহীদুল্লাহ জানান, সিটিতে আমাদের ১২ কোটি ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে। যা এই কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই উত্তলোন করতে পারছেন না। এই ট্যাক্স উত্তোলণ করতে পারলে বেতন বকেয়া পরিশোধ করা সম্ভব হবে। এছাড়া আমরা স্থায়ীভাবে কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ জনকে চেয়েছি। সেটা মন্ত্রনালয় থেকে পাশ হয়ে আসলে বাকিদের ছাটাই করলেই সমস্যার সমাধাণ হবে। সংবাদ সম্মেলনে কর্পোরেশনের বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন।