Category: খেলাধুলা

  • আমি তো বাংলাদেশের পতাকা বহন করছি : সাব্বির

    আমি তো বাংলাদেশের পতাকা বহন করছি : সাব্বির

    সব মিলিয়ে সময়টা ভাল কাটছে না। এক কিশোর দর্শকের গায়ে হাত তোলার অপরাধে বড় শাস্তির খড়গ ঝুলছে তার ওপর। মোটা অঙ্কের অর্থ জরিমানা। বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ আর ছয় মাস ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ। এতো গেল মাঠের বাইরের চিত্র।

    মাঠেও সাব্বির রহমান রুম্মনের অবস্থা কিন্তু তেমন ভালো না। শেষ ১০ মাস একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রান খরায় তিনি। শারীরিকভাবে খুব ফিট। ফিটনেস ট্রেনিং আর বিপ টেস্টে ভালো করেন সময়। সাহস আছে। ভয়-ডর কম। স্ট্রোক খেলার সামর্থ্যও বেশ।

    একদিনের সীমিত ওভারের ফরম্যাটে সাব্বির হতে পারেন বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের এক কার্যকর অস্ত্র; কিন্তু সময়ের প্রবাহমানতায় সেই তেজোদ্দীপ্ত উইলোবাজিও কেমন যেন ফ্যাকাশে। ২০১৭ সালের ২৫ মার্চ ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরির (৫৬ বলে ৫৪) পর শেষ ১২ ম্যাচে পঞ্চাশের ঘরে পা রেখেছেন মোটে একবার; ২৪মে ডাবলিনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফিফটিই (৮৩ বলে ৬৫) শেষ।

    তার আগে ও পরের ইনিংসগুলোয় রান খরায় ভুগছেন সাব্বির। টানা সেই সময়ের স্কোরগুলোর দিকে তাকালেই সে সত্যতা ফুটে উঠবে। গত বছর ২৫ মার্চ ডাম্বুলায় লঙ্কানদের সাথে হাফ সেঞ্চুরির পর থেকেই শুরু শনির দশা। শ্রীলঙ্কা (০), আয়ারল্যান্ড (০) ও নিউজিল্যান্ডের (১) সঙ্গে পরের তিন ম্যাচে করেছেন মোটে ১।

    পরের দুই ম্যাচে (৩৫+৬৫) মনে হচ্ছিল আবার নিজেকে ফিরে পেয়েছেন; কিন্তু এরপর আবার সেই তিমিরে পড়ে থাকা। শেষ সাত ইনিংসে কোন ফিফটি নেই। ২৪+৮+৮+১৯+১৯+১৭+৩৯ = মোট রান ১৩৮।

    এ রকম অবস্থায় দর্শকের গায়ে হাত তুলে সাধারণ ক্রিকেট অনুরাগী মহল ও ক্রিকেট বোর্ডের বিরাগভাজন হয়ে পড়েছেন তিনি। এক কথায় ‘খারাপ সময়’ সাব্বিরের। সব মিলিয়ে মানসিক চাপে বিপর্যন্ত এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

    গত কিছু ম্যাচে ব্যাটে রান নেই। এ বোধ আছে ভিতরে। সে কথা স্বীকারও করেছেন অকপটে। তারপরও সব চাপ সামলে ঘরের মাঠে তিনজাতি আসরে ভাল খেলতে মুখিয়ে সাব্বির। তার দাবি এ আসরের জন্য নিজেকে বেশ ভালভাবেই প্রস্তুত করেছেন তিনি।

    আসর শুরুর ৪৮ ঘন্টা আগে তাই তো মুখে এমন আত্মবিশ্বাসী সংলাপ, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি ভালোভাবে প্রস্তুত। যদিও গত কয়েকটা ম্যাচ আমার খারাপ গেছে।’ সেই খারাপ খেলার কারণ খুঁজে বের করে ঘাটতি পুরণের চেষ্টাও করেছেন।

    সাব্বির বলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি, যেটা দুর্বল জায়গা আছে, তা শক্ত করার জন্য। সেসব নিয়ে কাজ করছি। এখন দেখা যাক, সামনে ম্যাচ আসছে। ভালো করার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ।’

    নিজের দুর্বলতার কথা মিডিয়ার সামনে প্রকাশ করতে চান না অনেকেই; কিন্তু সাব্বির সাহস নিয়েই বলে ফেলেছেন, ‘আসলে দুর্বল জায়গাটা কীভাবে বলবো বলুন! কিছু স্পিন নিয়ে কাজ করেছি। সামনের পায়ে খেলা নিয়েও কাজ করেছি। নেটে একা একা এগুলো নিয়ে সময় কাটিয়েছি। যে দুর্বলতা ছিল, তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছি। ম্যাচে রান পাওয়া আসলে কপালের ব্যাপার। রান না পেলেই টেকনিক ভালো না, করলে ভালো না; আমার মনে হয় না ব্যাপারটা তেমন।’

    তার বিপক্ষে সেট হয়ে আউট হয়ে যাওয়ার অনেক অভিযোগ আছে। এমন নজিরও আছে বেশ কিছু। উইকেট ও পরিবেশ-পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিয়েও শেষ পর্যন্ত উইকেট দিয়ে আসার অভ্যাস আছে। এটা কেন? টেম্পারামেন্টে ঘাটতি?

    সাব্বির তা মনে করেন না। তার মূল্যায়ন, ‘এটা টেম্পারেমেন্টের ব্যাপার না। আমার খেলাই আসলে এমন। আগে যখন তিন নম্বরে খেলতাম, তখন ব্যাপারটা অন্যরকম ছিলো। এখন ছয়-সাত বা পাঁচ-ছয়ে খেলবো। এটা টিম ম্যানেজমেন্টের ব্যাপার। আমি যখন যেখানে খেলার সুযোগ পাবো, চেষ্টা করবো পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার। এখন আমি চিন্তা করছি, কখন কিভাবে খেলা উচিত তা নিয়ে। যদি উইকেটে থাকি, ম্যাচ ফিনিশ করবো ইনশা আল্লাহ।’

    মাঠের বাইরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও অনভিপ্রেত আচরণের জন্য একটা বড়সড় শাস্তি পেয়েছেন। সেটা অবশ্যই তাড়া করে বেড়াচ্ছে তাকে। তাতে কী সাব্বিরের পারফরমেন্সে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে? কেউ কেউ এমন ধারনা পোষণ করছেন।

    তবে সাব্বিরের কথা শুনে মনে হলো, তিনি শতভাগ পেশাদার মানসিকতা থেকেই দর্শক পেটানোর শাস্তির বিষয়গুলোকে মূল্যায়ন করছেন। তার চিন্তাটা একদম পেশাদার ক্রিকেটারের মতো। আজ বিকেলে শেরেবাংলায় জাতীয় দলের প্র্যাকটিসে ওই দর্শকের গায়ে হাত তোলার কারণে বোর্ডের বাৎসরিক কেন্দ্রীয় চুক্তির বাইরে ছিটকে পড়া, অর্থ দণ্ড আর ঢাকার প্রিমিয়ার লিগসহ আগামী ছয় মাস ঘরোয়া ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হবার বিষয়টা ভিতরে ঠিকই কাজ করছে। তবে তিনি সেটাকে বড় মানসিক আঘাত হিসেবে দেখতে নারাজ।

    সাব্বির মানছেন, মানুষ হিসেবে ওই ঘটনাগুলো ভিতরে একরকম প্রভাব ফেলেছে; কিন্তু পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে তা নিয়ে না ভেবে মাঠে নিজের করণীয় কাজগুলো ঠিক মত করার কথাই ভাবছেন।

    তাইতো মুখে এমন সংলাপ, ‘মানুষ হিসেবে আমার ওপর এ ঘটনা অনেক প্রভাব ফেলেছে। তবে যদি পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে চিন্তা করি, তাহলে আর ওসব নিয়ে ভাবা ঠিক হবে না। আমি তা ভাবতেও চাই না। অতীত অতীতই! যা হওয়ার হয়ে গেছে। এটার কোনো নেতিবাচক প্রভাব যাতে খেলায় না পড়ে, সেটা নিয়ে চিন্তা করছি। চিন্তা করছি ন্যাশনাল টিমকে আমার জায়গা থেকে সেরাটা দিতে। কারণ আমি বাংলাদেশের পতাকা বহন করছি। চেষ্টা করছি ভালো কিছু করার জন্য।’

  • সাকিবকে দলে নিতে মরিয়া দিল্লি

    সাকিবকে দলে নিতে মরিয়া দিল্লি

    আইপিএলের আগামী আসরে প্রতিটি দলেই আসছে ব্যাপক পরিবর্তন। বেশিরভাগ তারকাকেই ছেড়ে দিয়েছে দলগুলো। দীর্ঘ সাত বছর পর কেকেআর এবার ছেড়ে দিয়েছে বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকেও। এবার এ অলরাউন্ডারকে দলে পেতে মরিয়া দিল্লি ডেয়ার ডেভিলস।

    চলতি মাসের ২৭ আর ২৮ জানুয়ারি আইপিএলের নিলাম হবে ব্যাঙ্গালুরুতে। এর আগেই প্রতিদল কম্বিনেশন অনুযায়ী নিজেদের মতো করে খেলোয়াড় নির্ধারণ করে রাখছে। সেই হিসেবে দিল্লির নজরে আছে ডি কক, গৌতম গম্ভীর, সাকিব আল হাসান, কেন উইলিয়ামসন ও প্যাট কামিন্স।

    ডি কক

    দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান এ এর আগেও দিল্লির হয়ে আইপিএল মাতিয়েছেন। ইনিংসের শুরুতে ব্যাট হাতে রানের গতি বাড়াতে বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যানের জুড়ি নেই। তার অন্তর্ভুক্তি দলকে আরও যে শক্তিশালী করবে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

    গৌতম গম্ভীর

    আইপিএলের সূচনাটা দিল্লি থেকেই শুরু করেছিলেন এলাকার ছেলে গম্ভীর। এরপরই যোগ দেন কলকাতা নাইট রাইডার্সে। তবে এবার কলকাতা দলটির অধিনায়ককে ছেড়ে দিয়েছে। আর দিল্লিও চাচ্ছে তাকে দলে ভিরিয়ে তার অধিনায়কত্বকে কাজে লাগাতে।

    সাকিব আল হাসান

    ক্রিকেটের তিন ফরমেটের শীর্ষ অলরাউন্ডার। সাত বছর ছিলেন কলকাতায়। দুইবার ব্যাটে বলে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে দলের শিরোপা জয়ে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তবে এবার শীর্ষ এ অলরাউন্ডারকে ছেড়ে দিয়েছে নাইট রাইডার্স। এ সুযোগ ভালোভাবেই নিতে মরিয়া দিল্লি।

    কেন উইলিয়ামসন

    কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ব্যাট বেশ ধারাবাহিক। নিয়মিত রান পাচ্ছেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ তাকে ছেড়ে দেওয়ায় দিল্লির নজর তার দিকে। দলের তিন নম্বর পজিশনে ব্যাট করার সঙ্গে সঙ্গে তার নেতৃত্ব জ্ঞানকেও কাজে লাগাতে চায় দলটি।

    প্যাট কামিন্সঃ

    বল হাতে চলতি বছর খুবই ধারাবাহিক অসি পেসার। এর আগে দিল্লির হয়ে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে না পারলে যোগ দেন কলকাতায়। দল পরিবর্তন করে আবারও স্বরূপে ফেরেন এ তারকা। এরপরও এবার তাকে দলে রাখেনি কলকাতা। তাই দিল্লির আবার ঘরের ছেলেকে দলে ফেরানোর চিন্তা করছে।

  • ঢাকা পৌঁছেছে হাথুরুসিংহের শ্রীলঙ্কা দল

    স্বাগতিক বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ত্রিদশীয় সিরিজে অংশ নিতে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের অধীনে ঢাকায় পৌঁছেছে শ্রীলঙ্কা দল। আজ শনিবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছায় তারা।

    হাথুরুসিংহের অধীনে লঙ্কানদের প্রথম মিশন এটি। অন্যদিকে, টাইগারদের সবশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচেও দলের দায়িত্বে ছিলেন হাথুরু। তাই সব কিছু মিলিয়ে এই ম্যাচকে ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে জল্পনা-কল্পানার শেষ নেই।

    ১৫ জানুয়ারি শুরু হবে মূল ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট। এতে প্রতিটি দল প্রত্যেকের বিপক্ষে দু’বার করে খেলবে লিগ পর্যায়ে। এরপর অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। টুর্নামেন্টের ৭টি ম্যাচই ফ্লাড লাইটের নিচে মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে খেলা। এরপর ১৯ জানুয়ারি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, ২৩ জানুয়ারি আবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এবং ২৫ জানুয়ারি আবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। ১৭ ও ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে দুটি শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে ম্যাচ। আর ২৭ জানুয়ারি ফাইনালের ভেতর দিয়ে পর্দা নামবে এই টুর্নামেন্টের।

  • জয় দিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ শুরু টাইগার যুবাদের

    জয় দিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ শুরু টাইগার যুবাদের

    নামিবিয়াকে ৮৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ শুরু করেছে টাইগার যুবারা। বৃষ্টির কারণে ২০ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে অধিনায়ক সাইফ হাসান ও ওপেনার মোহাম্মদ নাইমের অর্ধশতকের ওপর করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রান সংগ্রহ করে নামিবিয়া।

    এদিন, লিনকনের বার্ট সাচফিল ওভালে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় নামিবিয়া। বৃষ্টির বাধায় ম্যাচের দৈর্ঘ্য ২০ ওভারে নেমে আসলেও অধিনায়ক সাইফ হাসান ও ওপেনার মোহাম্মদ নাইমের দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরিতে বড় রান করতে কোনো অসুবিধা হয়নি টাইগার যুবাদের। ৪৮ বলে ৫ ছয় ও ৩ চারের সাহায্যে সর্বোচ্চ ৮৪ রান করেন অধিনায়ক সাইফ হাসান। এছাড়া এক ছয় ও ৮ চারে ওপেনার মোহাম্মদ নাঈমের ব্যাট থেকে আসে ৬০ রান।

    ১৯১ রানের বিশাল টার্গেটে ব্যাট করতে ২০ রানের আগে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে নামিবিয়া। ফলে ইবেন ভ্যান জিক ৫২ বলে ৫৫ রান করলেও জয়ের কাছাকাছিও যেতে পারেনি আফ্রিকার দেশটি। টাইগার যুবাদের পক্ষে কুয়াজি অনিক ও হাসান মাহমুদ প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন।

  • কেমন আছেন বিরাটের সাবেক প্রেমিকা ইসাবেল!

    কেমন আছেন বিরাটের সাবেক প্রেমিকা ইসাবেল!

    বিরাট কোহলি এখন সংসারী পুরুষ। মুম্বাইতে আনুশকা শর্মার সঙ্গে ঘর গুছিয়ে নিয়েছেন তিনি। কিন্তু এক সময়ে বহু নারীর সঙ্গে নাম জড়িয়েছে ভারত অধিনায়কের।

    বিরাটের সুন্দরী সাবেক প্রেমিকাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ব্রাজিলীয় সুন্দরী ইসাবেল। বহু নামী সংস্থার বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন ইসাবেল। এছাড়া ‘সিক্সটিন’ (২০১৩) ও ‘পুরানি জিন্স’ (২০১৪) নামে দুইটি হিন্দি ছবিতে কাজ করেছেন।

    বিরাটের সঙ্গে টানা দুই বছর প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন ইসাবেল। কিন্তু তার পরে আর প্রেম টেকেনি। অতঃপর ব্রেক আপ। কিন্তু তাতে মোটেই কষ্টে ইসাবেল। ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে চোখ রাখলেই দেখা যাবে, জার্মানির বাসিন্দা মারসেল রেইমার নামের এক স্কেটারের সঙ্গে এই সুন্দরীকে।

    শুধু তাই নয়, ইসাবেল কতটা সুন্দরী, তা তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খুললেই দেখা যাবে। আর বর্তমান প্রেমিকের সঙ্গে দিব্যি সুখে রয়েছেন বিরাটের প্রাক্তন প্রেমিকা।

  • যে কারণে চুল বড় রেখেছেন বিজয়

    যে কারণে চুল বড় রেখেছেন বিজয়

    ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের পর দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন এনামুল হক বিজয়।  তিন বছর পর ফের ডাক পেয়েছেন এ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান।  নতুন বছরে সবকিছু নতুন করে শুরু করতে চান।  কিন্তু পুরোনো চুলগুলো রেখেই দিতে চান বিজয়।

    অন্য ক্রিকেটারদের তুলনায় বেশি লম্বা হওয়ায় বিজয়ের চুলে চোখ পড়বেই।  তিনি জানিয়েছেন, বড় চুল রাখার রহস্য।  চুল নিয়ে বিজয় বলেছেন, আম্মু পছন্দ করে। আম্মুর জন্যই রাখা।  তিনি বলেছেন,অনেক দিন পর জাতীয় দলে আসছো, চুল বড়ই থাক।  মন দিয়ে খেলো।  দলের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা করো। পরে যদি মনে চায় ফেলে দিয়ো।

    ভক্তরাও বিজয়ের চুলের প্রশংসা করেছেন।  ফেসবুকে বিজয়ের শেয়ার করা ছবিতে অনেকে তো রীতিমতো বিজয়কে আর চুল না কাটারই অনুরোধ করেছেন! এ নিয়ে বিজয় বলেন, আম্মু বললো চুল থাকুক।  চুল নিয়ে চিন্তা করার দরকার নাই।

  • ওপেনিং কম্বিনেশনে পরিবর্তনের আভাস

    ওপেনিং কম্বিনেশনে পরিবর্তনের আভাস

    শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আসন্ন ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচের জন্য আজই দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘোষিত দল থেকে বাদ পড়েছেন নিয়মিত ওপেনার সৌম্য সরকার। পুনরায় দলে ডাক পেয়েছেন আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয়। ঘোষিত দল থেকেই ওপেনিং কম্বিনেশনে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
    ২০১২ সালের শেষ দিকে ক্যারিয়ারে মাত্র দ্বিতীয় ওয়ানডেতেই সেঞ্চুরি করেছিলেন এনামুল হক বিজয়। সেটি ছিল তার অভিষেক আন্তর্জাতিক সিরিজ। তারপর তিন সংস্করণের ক্রিকেটই খেলেছেন। চার টেস্ট খেলেন দলে জায়গা হারানোর আগে। তারপর একে একে ছিটকে পড়েন ওয়ানডে আর টি-টুয়েন্টি থেকে। নিজের জন্য খেলেন, দলের জন্য না। দলের প্রয়োজনের তাগিদ তার মাথায় থাকে না। নিজেরটা বোঝেন বেশি। এমন অনেক দোষ দেওয়া হয় তাকে। তাতে ২০১৫ সালের মার্চের পর আর ওয়ানডে খেলা হয়নি বিজয়ের। একই বছরের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের সাথে দেশের মাটিতে টি-টুয়েন্টি ছিল তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। সেই বিজয় আবার ফিরলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে। ৩০ ওয়ানডের ২৭ ইনিংসে ব্যাট করেছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান বিজয়। ৩৫.১৮ গড়ে ৯৫০ রান করে থমকে ছিলেন। তিনটি সেঞ্চুরি তার নামের পাশে। তারপরও বিজয়ের জাতীয় দলে ফিরতে না পারাটা তার ও তার ফ্যানদের জন্য আক্ষেপের হয়ে ছিল। বিদায়ী কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের পছন্দের তালিকায় ছিলেন না বিজয়।
    বিজয়ের সম্পর্কে বলা হয়, দলের প্রয়োজনের সময় সেই প্রয়োজনের পেছনে না ছুটে নিজের কথা ভাবাই হয়েছিল। ২৫ বছরের শেষ জাতীয় ক্রিকেট লীগের কথাই ধরুন। ছয় ম্যাচে ৭৭.৩৭ গড়ে ৬১৯ রান। ফার্স্ট ক্লাসে স্ট্রাইক রেট ৬০.৩৩। বাউন্ডারি ৬৯টি। ছক্কা আটটি। সর্বোচ্চ ইনিংসটি ২১৬ রানের। ওটি গত সেপ্টেম্বরে। এরপর জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডে আবার খেললেন ২০২ রানের এক ইনিংস। এক মৌসুমে দুই ডাবল সেঞ্চুরি। জাতীয় দলের জন্য বিবেচিত হতে যথেষ্ট, এরপর বিপিএল। সেখানে খুব ভালো পারফর্ম করতে না পারলেও দুইটি ফিফটি ঠিকই আছে। তবু হাথুরুসিংহে থাকলে কি হতো বলা যায় না। লঙ্কান কোচের পছন্দ-অপছন্দের তীব্রতা ছিল খুব বেশি। একবার কাউকে অপছন্দ করে ফেললে তাকে আর বিবেচনায় আনতে চাইতেন না।
    সেই কারণে তাকে নিয়ে শঙ্কার মেঘ এবারো ছিল। তবে লাল-সবুজের দলের শনিবারের ম্যাচের আগেই জানা গিয়েছিল সৌম্য সরকারের সুযোগ কমছে। তামিম ইকবালের সাথে ত্রিদেশীয় সিরিজে ইনিংস ওপেন করার দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন বিজয়। শেষ পর্যন্ত সেটাই হতে পারে। ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশের নির্বাচকরা। সেই দলে সৌম্যর না থাকা এবং বিজয়ের ফেরাতে একটি বিষয় নিশ্চিত। অন্তত প্রথম দুই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ইনিংস ওপেন করবে বাঁহাতি-ডানহাতি কম্বিনেশন। বাঁহাতি তামিমের সাথে ডানহাতি বিজয়। এই সুযোগটা কতো মূল্যবান, বিজয়ের তা জানা। সেটি কাজে লাগাতে পারবেন তো ২৫ বছর বয়সী কুষ্টিয়ার ক্রিকেটার? এরফলে ওপেনিং সমস্যা দূর হবে, লাভ হবে দেশেরও। দেশের কথাটা নিশ্চয়ই এবার তার ভাবা উচিত। বাসস।
  • মোড় ঘোরাতে চান মাশরাফি

    মোড় ঘোরাতে চান মাশরাফি

    তিনি অনুশীলনে আসতেই অনেককে বলতে শোনা গেল, ‘অভিনন্দন কোচ।’ ভাববেন না রাতারাতি কোনো হেড কোচ নিয়োগ দিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বরং আগের দিন সভাপতি নাজমুল হাসান আসন্ন ত্রিদেশীয় ওয়ানডে টুর্নামেন্ট এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজের জন্য মাশরাফি বিন মর্তুজা ও সাকিব আল হাসানকেই কোচের ‘পদবি’ দিয়ে ফেলেছেন। পরিবার নিয়ে সেদিনই থাইল্যান্ড থেকে ফেরা ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি কাল অনুশীলনে যোগ দিতেই তাই সতীর্থদের মজা করে অভিনন্দন জানানোর পর্ব শুরু হলো। জবাবে মজা করতে ছাড়ছিলেন না তিনি নিজেও।

    অবশ্য এটাও ভালোই বুঝতে পারছেন যে দায়িত্বটা এখন বেড়ে গেছে আরো। যদিও বাড়তি কিছু করতে হবে বলেও মনে করেন না মাশরাফি, ‘আমার মনে হয় না আলাদা কিছু করতে হবে। উনি (বিসিবি সভাপতি) যেটা বুঝিয়েছেন, সেটা হলো সিনিয়র খেলোয়াড়দের দায়িত্বের বিষয়টি, যেটা সব সময়ই থাকে। আলাদা কিছু করতে গেলে আরো সমস্যার উদ্ভব হতে পারে।’ আর সময়টা এমন যে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের দুঃস্মৃতি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়াও জরুরি। সেই লক্ষ্যে মাশরাফির ফর্মুলা হলো, ‘আমার কাছে মনে হয় যেভাবে চলছিল, সেটাই ঠিক আছে। হয়তো দক্ষিণ আফ্রিকা সফর ভালো যায়নি। বাজে সময় আসতেই পারে। এখন আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো সেটা মাথায় না রেখে খেলা।’

    মাথায় রাখতে না চাইলেও অনেক কিছু এসে যায়। যেমন এসে যাচ্ছে শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনায় সাব্বির রহমানের শাস্তির ব্যাপারটিও। তাঁর বিষয়ে বিসিবির কঠোর হওয়াটা যেমন প্রশংসা পাচ্ছে, পাশাপাশি বিপিএলের সময় মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের উইকেট ও আউটফিল্ড নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের জেরে তামিম ইকবালকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। দুটি প্রসঙ্গই তোলা হলো মাশরাফির সামনে। জবাবে তিনি বিতর্কিত কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার বিষয়টিই যেন সব ক্রিকেটারকে মনে করিয়ে দিতে চাইলেন, ‘প্রথম কথা হচ্ছে বিসিবির অধীন আমরা সবাই। এটা মেনে নেওয়াটাও দায়িত্ব। তা ছাড়া আমাদের সবাই অনুসরণও করে। তরুণরা যারা উঠে আসছে অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯ থেকে; ওরাও অনুসরণ করে আমাদের। সুতরাং মাঠের বাইরের সব কিছু ঠিক রাখা আমাদের দায়িত্ব। সামনে যেন আমরা কোনো ভুল না করি। সাব্বিরের সঙ্গে হয়েছে কিন্তু আর কারো সঙ্গে যাতে না হয়। এমনকি আমার সঙ্গেও। আমাদের কাজ হলো ভালো পারফরম করা। আর সবাই যেহেতু আমাদের অনুসরণ করে, সুতরাং নিশ্চিত করতে হবে যে মাঠের বাইরে নিজেদের কাজগুলো যাতে আমরা ঠিক করি।’

    আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজে মাঠের ভেতরের কাজগুলোও ঠিকঠাক করতে চান ওয়ানডে অধিনায়ক। এ টুর্নামেন্টের সাফল্য দিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকায় বাজে পারফরম্যান্সের ধাক্কাও সামলে নিতে চান তিনি। সেই জন্য জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে আয়োজিত হতে যাওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপায় চোখ মাশরাফির, ‘এ সিরিজটি অবশ্যই জেতার পরিকল্পনা থাকবে। এটা আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণও। কারণ দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফেরার পর সবাই আপসেট। আমরা যদি এটা (ত্রিদেশীয় সিরিজ) জিততে পারি, তাহলে পরিস্থিতির মোড় ঘুরে যেতে পারে।’ কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকায় সব ফরম্যাটেই যেমন খেলে এসেছে বাংলাদেশ, তাতে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো খুব সহজ ব্যাপারও নয়। মাশরাফি অবশ্য বোঝাতে চাইলেন যে এমন কঠিন কিছুও নয়। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধ কন্ডিশনের সঙ্গে দেশের মাঠের খেলাকে কিছুতেই মেলাতে চাইলেন না তিনি, ‘আমার মনে হয় না কঠিন কিছু হবে। বিশেষ করে ওয়ানডেতে। কারণ একটি সিরিজ দিয়ে সব কিছু বিবেচনা করা যায় না। নিউজিল্যান্ডেও ৩-০-তে হেরে এসেছিলাম। কিন্তু এ রকম চাপে পড়িনি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিটি ফরম্যাটে আমরা বাজে খেলেছি। আমাদের এখন কাজ হবে ঠিক কাজটি করা। হোমের জয় বিদেশে কোনো কাজে আসে না। কারণ হোম অ্যাওয়ের মধ্যে আকাশ-পাতাল ব্যবধান থাকে। হোমের সিরিজটি আমরা জিততে চাই।’ সেই লক্ষ্যে প্রস্তুতিতে নেমে পড়া বাংলাদেশ দলের কোচিং স্টাফরাও আজ থেকে যোগ দিতে শুরু করবেন। সহকারী কোচ রিচার্ড হালসাল ও স্পিন কোচ সুনীল যোশি আজই যুক্ত হচ্ছেন। আর বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের যোগ দেওয়ার কথা ৫ জানুয়ারি। ১৫ জানুয়ারি থেকে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরুর আগে নিজেদের মধ্যে ম্যাচ খেলেও প্রস্তুতি ঝালিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বাংলাদেশ দলের। সেই চিন্তা থেকেই লাল-সবুজ দল গড়ে দুটি দিবা-রাত্রির প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবেন মাশরাফি-সাকিবরা। ৬ জানুয়ারি প্রথম ম্যাচটি দুপুর ১২টায় শুরু হয়ে শেষ হবে রাত পৌনে ৮টায়। আর ৯ জানুয়ারির ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ১টায়।

  • জাতীয় দলে কখনো ফিরতে পারবে নাফীস, বিজয়, নাসিররা?

    জাতীয় দলে কখনো ফিরতে পারবে নাফীস, বিজয়, নাসিররা?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটের উত্থানলগ্নে যেমন অসংখ্য নতুন নতুন তারকার জন্ম হয়েছে, তেমনি ঝরে পড়েছে একসময়ের ২২ গজ দাপিয়ে বেড়ানো অনেক ক্রিকেটার। এনামুল হক বিজয়ের কথাই ধরা যাক। জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপে ইনজুরিতে পড়ে দল থেকে বাদ পড়েন। এরপর আর জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি তিনি।

    কিছুদিন আগে শেষ হয়ে যাওয়া জাতীয় ক্রিকেট লিগেও ছয় ম্যাচে ৬১৯ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন বিজয়।

    আরেকজন ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফিস শেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে। টেস্ট খেলেছেন ২০১৩ সালে। এরপর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নিয়মিত পারফর্ম করেছেন নাফিস। সর্বশেষ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ১৬ ম্যাচে ৬০০ রান করেন তিনি।

    প্রায়শঃই দেখা যায় জাতীয় দলের জন্য প্রাথমিকভাবে যে ৩০ জনের নাম ঘোষণা করা হয় সেখানে জায়গা করে নিচ্ছেন বিজয় কিংবা নাফিস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত দলে তাঁদের ঠাই হয়না। শাহরিয়ার নাফিস কিংবা এনামুল হক বিজয়ের মতো অনেকটা একই অবস্থা পার করছেন অলরাউন্ডার নাসির হোসেন।

    সম্প্রতি জাতীয় ক্রিকেট লিগে নাসির খেলেছেন ২৯৫ রানের একটি ইনিংস, যা বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এছাড়া ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে আট ম্যাচ খেলে ৪৮০ রান করেন নাসির হোসেন। কিন্তু জাতীয় দলে নিয়মিত জায়গা হচ্ছে না একসময় ‘দ্য ফিনিশার’ খেতাব পাওয়া এই অল-রাউন্ডারের। তিনি কখনো দলে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন, আবার কখনো দল থেকে ছিটকে পড়ছেন।

    জাতীয় দলে ফিরে আসা কতটা কঠিন? জানতে চাইলে শাহরিয়ার নাফীস বলেন, ‘কেউ ভালো পারফর্ম করে সুযোগ পায়, কেউ অনেক ভালো পারফর্ম করে সুযোগ পায়। একবার জাতীয় দল থেকে বের হয়ে গেলে ফিরে আসাটা অনেক কঠিন। যদি ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন হত তবে এতোটা কঠিন হত না।’

    কিন্তু বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের মান এতটাই নিচু যে, এখান থেকে জাতীয় দলের জন্য কোনো তারকাকে বিবেচনা করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য দরকার এক্সটা অর্ডিনারি কোনো পারফর্মেন্স। নাসির-নাফীসদের পারফর্মেন্স বিসিবি কর্তাদের নজর কেড়েছে। তাহলে কেন সুযোগ পাচ্ছেন না তারা। একবার জাতীয় দল থেকে বাদ পড়লে পুনরায় দলে ঢোকার রাস্তাটাই বা কী?

    বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক শফিকুল হক হীরা মনে করেন, জাতীয় ক্রিকেট দল ও ঘরোয়া ক্রিকেটের মধ্যে যোগাযোগ সেতু হিসেবে কাজ করতে পারে ‘এ’ দল। তার ভাষায়, ‘পুরো বছর ‘এ’ দলের নিয়মিত দেশের বাইরে ট্যুর আয়োজন করতে হবে, ফলে দেশের বাইরে সিরিজগুলোতে মানিয়ে নেয়ার সমস্যাগুলো তেমন থাকবে না।’

    তাছাড়া ক্রিকেটার নির্বাচনের পদ্ধতি ঠিক আছে কিনা সে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নির্বাচক বা ক্রিকেট অপারেশনস কমিটি নিয়মিত খেলা দেখছে না বলেও অভিযোগ আছে তার। মি. হীরা বলেন, অনূর্ধ্ব ১৩, ১৫, ১৭ বা ১৯ লেভেলে দল রয়েছে। কিন্তু এরপর যোগাযোগের জন্য একটা সেতু প্রয়োজন হয়। সেই সেতু হতে পারে ‘এ’ দল। কিন্তু এ দলের অস্তিত্বই তো দেখা যায় না।

    বাংলাদেশ দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া মানেই শেষ না, ওদের খেলার মধ্যে রাখতে হবে। ‘এ’ দলের আলাদা কোচিং স্টাফ প্রয়োজন, যে নিয়মিত মূল দলের কোচকে জানাবেন দলের অবস্থান সম্পর্কে।’

  • ক্রিকেটার সাব্বির রহমানের ভাগ্য নির্ধারণ সোমবার

    ক্রিকেটার সাব্বির রহমানের ভাগ্য নির্ধারণ সোমবার

    ‘পৃথিবীর জীবন নামক নাট্যমঞ্চে আমরা সবাই অভিনেতা-অভিনেত্রী। শুধু চরিত্রগুলো ভিন্ন’—কাল ফেসবুকে দার্শনিক এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাব্বির রহমান। আরেকটি ছবি পোস্ট করে বুঝিয়েছেন শুক্রবার ছুটির দিনে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে সময়টা তাঁর কাটছে বেশ। আসলেই কি সময়টা ভালো যাচ্ছে সাব্বিরের? তিন বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে সাব্বির অনেকবারই সংবাদ শিরোনাম হয়েছেন নেতিবাচক ঘটনায়। শাস্তি হিসেবে নামের পাশে কখনো যোগ হয়েছে ডিমেরিট পয়েন্ট, কখনো হয়েছে আর্থিক জরিমানা। তবে এবার রাজশাহীতে জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডে এক কিশোর মারধরের অভিযোগে ভালো বিপাকেই পড়েছেন বাংলাদেশ দলের এই তরুণ ব্যাটসম্যান। তাঁর ব্যাপারে বিসিবি সিদ্ধান্ত নেবে আগামী পরশু, সোমবার।

    বিসিবির শৃঙ্খলা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শেখ সোহেল আজ বলেছেন, ‘এ ব্যাপারটা নিয়ে সোমবার দিন বসব। কাল আমি প্রতিবেদনটা দেখব। সেখানে যদি মনে হয় তাকে ডাকা দরকার, ডাকব। যদি মনে করি ডাকার দরকার নেই, তাহলে তো হলোই। ওর অপরাধ দুটি। প্রথমত সে এক কিশোর দর্শককে মারধর করেছে। দ্বিতীয়ত ম্যাচ অফিশিয়ালদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করেছে। খুবই অবাকই হয়েছি, একজন তারকা খেলোয়াড় হয়ে একটা বাচ্চা ছেলের সঙ্গে সে বাজে আচরণ করেছে! ছেলেটা হয়তো ওরই ভক্ত হিসেবে খেলা দেখতে গিয়েছিল।’

    ম্যাচ রেফারির দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী সাব্বির আচরণবিধির ‘লেভেল-৪’ ভেঙেছেন। যেটির শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা জরিমানা ও ঘরোয়া ক্রিকেটে বেশ কিছু ম্যাচে নিষিদ্ধ হতে পারেন। কিন্তু গুঞ্জন ছড়িয়েছে, শাস্তি হিসেবে বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকেও বাদ পড়তে পারেন সাব্বির। কিংবা অন্তত ছয় মাস নিষিদ্ধ হতে পারেন ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে। সেটি হলে আগামী ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) খেলা হবে না সাব্বিরের।

    শেখ সোহেল অবশ্য মনে করেন সাব্বিরের শাস্তি নিয়ে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলার সময় হয়নি, ‘কাল চিঠিটা দেখি। কী শাস্তি হবে এখনই বলতে পারছি না। তবে এতটুকু বলতে পারি, বড় শাস্তিই হবে তার।’