Category: খেলাধুলা

  • ঢাকাকে আন্ডারডগ ভাবছেন সুজন!

    ঢাকাকে আন্ডারডগ ভাবছেন সুজন!

    পয়েন্ট টেবিলে সবার ওপরে কুমিল্লা; কিন্তু সর্বাধিক তারকার দল ঢাকা ডায়নামাইটস। এক ঝাঁক নামি-দামি ক্রিকেটারের ছড়াছড়ি। কুমারা সাঙ্গাকারা, এভিন লুইস, শহিদ আফ্রিদি, সুনিল নারিন, কাইরন পোলার্ড, কেভিন কুপার, মোহাম্মদ আমির ও জো ড্যানলি- কত নাম।

    মাঠের পারফরমেন্সে এখন পর্যন্ত কুমিল্লা সেরা; কিন্তু কাগজে-কলমে ঢাকা এখনো এক নম্বর দল। তবে তারকাভর্তি দল ঢাকা ডায়নামাইটস কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন কোয়ালিফায়ারের লড়াইয়ে কুমিল্লাকেই এগিয়ে রাখতে চান। খালেদ মাহমুদের চোখে, শুক্রবারের ম্যাচে ফেবারিট কুমিল্লা। আর ঢাকা হলো আন্ডারডগ।

    ঢাকা সন্দেহাতীতভাবেই সর্বাধিক তারকায় ঠাসা দল; এতে কোনো সন্দেহ নেই। যে কোন দলের চেয়ে তাদের রিজার্ভ বেঞ্চ অনেক বেশি সমৃদ্ব। কুমারা সাঙ্গাকারা, শহিদ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আমির আর কেভিন কুপারের মত ক্রিকেটারও যে দলের হয়ে নিয়মিত খেলার সুযোগ পান না। যাদের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের মত টি টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট, বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। সেই দলকে কোয়ালিফায়ার পর্বে আন্ডারডগ ভাবা হবে না কেন?

    এ নিয়ে নিশ্চয়ই প্রশ্ন উঠছে। তার ব্যাখ্যাও অবশ্য দিয়েছেন ঢাকার কোচ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স তাদের দু’বার হারিয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে ভাল পারফরম্যান্স করেছে। তাই ঢাকা ডায়নামাইটস কোচের মন্তব্য, ‘প্রথম কথা হচ্ছে কাল আমরা আন্ডারডগ হিসেবে খেলব। কুমিল্লা আমাদের সাথে দুটি ম্যাচই জিতেছে। দারুণ খেলেছে তামিমের দল।’

    তবে কি ঢাকা ভাল খেলেনি? এ প্রশ্নের জবাবে খালেদ মাহমুদ সুজনের ব্যাখ্যা, ‘আমরাও ভাল খেলছি। তবে আমাদের ধারাবাহিকতার একটু অভাব ছিল। যদিও দুই ভেন্যুতে আমরা দুশো রানের উপরে করছি, আবার কিছু ম্যাচে দেড়শ রানের কমে থেমে গেছি। তো ওই জায়গায় একটু ধারাবাহিকতার অভাব ছিল।’

    ঢাকা কোচের মূল্যায়ন, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সঠিক সময় জ্বলে ওঠা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। শুক্রবার কুমিল্লার সাথে ম্যাচে তার দলের ক্রিকেটাররা ওই সময় মত জ্বলে উঠবেন- এমনটাই আশা খালেদ মাহমুদের।

    Dhaka-comilla

    তাই তো মুখে এমন কথা, ‘এই ফরম্যাটে যেটা হয় যে, রাইট টাইমে মোমেন্টাম পিক করা। আমার মনে হয় সেই হিসাবে আমরা কালকে একটা দারুণ ম্যাচ (রংপুরের বিপক্ষে) জিতছি অল্প রান করেও। আমাদের বোলিং অসাধারণ ছিল, সাকিব ক্যাপ্টেনের ভূমিকা দারুণভাবে পালন করেছে। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। আমাদের লোকাল স্টার যারা আছে তারাও ভাল টাইমে পিক করছে।’

    কোয়ালিফয়ার ম্যাচে খুব গুরুত্বপূর্ণ গেম অভিহিত করে ঢাকা কোচ বলেন, ‘খুব টাইট গেম হবে। মনে হয় দারুণ লড়াই হবে।’

    প্রতিপক্ষ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ফেবারিট মানলেও তাদের নিয়ে বেশি ভাবতে নারাজ ঢাকার কোচ। তার চিন্তা-ভাবনার বড় অংশ জুড়ে আছে নিজ দল। তার মূল্যায়ন, ‘প্রতিদ্ব›িদ্ব হচ্ছে প্রতিপক্ষ। যাকে আপনি নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন না। কেবল নিজেদেরটাই করতে পারবেন। যখন টপ অর্ডার পারফর্ম করে তখন বেশি কিছু লাগে না। মূল কথা হচ্ছে আমাদের টপ অর্ডার কেমন করছে সেটা। আমাদের টপ অর্ডারে দারুণ কিছু খেলোয়াড় আছে। যেমন লুইস, নারিন। এরা প্রমাণ করেছে তারা বড় ইনিংস খেলতে পারে। জো ড্যানলি শেষ ম্যাচ ছাড়া ভাল করেছে। টপ অর্ডারে রান পেলে আমার মনে হয় আমরা বড় স্কোর ছুঁড়ে দিতে পারব।’

    যেহেতু দুপুরে খেলা। তাই টসের তেমন কোন কার্যকর প্রভাব পড়বে না। খালেদ মাহমুৃদ সুজনেরও মনে হয় না টসের তেমন কোন গুরুত্ব আছে। তার কথা হলো, গেম প্ল্যান গুরুত্বপূর্ণ। আপনার প্রতিপক্ষকে, কতটা রিড করতে পারছেন সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আগে কিংবা পরে ব্যাটিং নয়, মোমেন্টামটা গুরুত্বপূর্ণ। শুরুটা ভাল না হলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়তে হয়। এ কারণে এখানে শুরুটা গুরুত্বপূর্ণ। গতকালকের শুরুটা আমাদের ভাল ছিল না; কিন্তু পরের দিকে সাকিব ও মারুফ ভাল জুটি করেছে- এটা একটা ভাল উদাহরণ। তাতে অন্তত একটা পুঁজি দিতে পেরেছিলাম যাতে লড়াই করা যায়। আমাদের বোলিং শক্তিশালী ছিল। তারা তাদের ভূমিকা পালন করছে বলে ইজি ছিল। শুরটা খুব দরকারি, প্রথম ছয় ওভার খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

    ঢাকা কোচের শেষ বক্তব্য, ‘আমি সব সময়ই বিশ্বাস করি, এই টুর্নামেন্ট জেতার যথেষ্ঠ সামর্থ আছে আমাদের।’ তাহলে সেই সামর্থ্যরে যথাযথ প্রয়োগ ঘটছে না কেন?

    এ প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে খালেদ মাহমুদ সুজন জাগো নিউজকে জানান, দলে উঁচু মানের বিদেশি ক্রিকেটার বেশি থাকাটা প্লাস পয়েন্টের পাশাপাশি ‘মধুর সমস্যা’ হয়েও দেখা দিয়েছে। কাকে রেখে কাকে খেলাবেন? চিন্তায় পড়ে গেছেন তিনি। তারচেয়ে বড় কথা, সঠিক কম্বিনেশন তৈরি করাটাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

    তারপরও বিদেশিদের কাছ থেকে দায়িত্বপূর্ণ পারফরম্যান্সের আশায় ঢাকা কোচ, ‘আমি চাই যে আমার বিদেশি খেলোয়াড়রা এমন দায়িত্ব নিয়ে খেলুক। আমি বলছি না যে আলাদা বাড়তি দায়িত্ব। আমি চাই তারা খেলা উপভোগ করুক। মাঠে রেজাল্ট কি হয় না হয় সেটা পরের ব্যাপার; কিন্তু উপভোগ করুক এটা চাই। লুইসের স্টাইল বদলাতে বলব না, পোলার্ডের স্টাইলও বদলাতে বলব না। চাইব তারা তাদের মতই খেলুক। দেখি কি হয়!’

  • উইকেট ভালো হলেই জমবে ফাইনালে ওঠার লড়াই

    উইকেট ভালো হলেই জমবে ফাইনালে ওঠার লড়াই

    সেরা চার দলের লড়াই; কিন্তু সেমিফাইনাল নয়। শুধু ক্রিকেটে নয়, যে কোন খেলায় সেমির যুদ্ধ মানেই কারো মতে নক আউট, নিশ্চিত বিদায়। আবার কারো মতে ‘সাডেন ডেথ’ বা নিশ্চিত মৃত্যু।

    কিন্তু বিপিএলে তেমনটা হবে না। আগামীকাল শুক্রবার শেরে বাংলায় যে চার দলের লড়াই হবে, সেটাকে তাই সেমিফাইনাল বলা হচ্ছে না। বলার সুযোগও নেই। সাধারনতঃ সেমিফাইনালের বিজয়ী দল সরাসরি ফাইনালে চলে যায়। আর পরাজিত দল ছিটকে পড়ে।

    কিন্তু বিপিএলে তা হবে না। এখানে সেরা চার দলের মধ্যে হবে তিনটি ম্যাচ। মানে একটি ম্যাচ বেশি হবে। তাই নামকরণ পাল্টে সেমিফাইনালের বদলে রাখা হয়েছে ‘কোয়ালিফায়ার’ ও ‘ইলিমিনেটর’। এর কোনটাই অঘোষিত সেমিফাইনাল নয়।

    তবে এর মধ্যে কোয়ালিফায়ার-১ ‘এ’ যারা খেলবে তাদের জন্য থাকছে ডাবল সুযোগ। জয়ী দল সোজা চলে যাবে ফাইনালে। আর পরাজিত দলের বিপিএল শেষ হয়ে যাবে না। তারা আরও একটি সুযোগ পাবে। সেই দল ১০ ডিসেম্বর খেলবে কাল ইলিমিনেটরে বিজয়ী দলের সাথে।

    শুক্রবার দুপুরে ইলিমিনেটর রাউন্ডের ম্যাচে মুখোমুখি হবে তৃতীয় স্থান পাওয়া খুলনা টাইটান্স এবং চার নম্বর দল হিসেবে সেরা চারে জায়গা করে নেয়া রংপুর রাইডার্স। এই খেলার বিজয়ী দল টিকে থাকবে। যদিও কোয়ালিফায়ার-১ বিজয়ীর মত সরাসরি ফাইনাল নিশ্চিত হবে না দলটির। তাদের খেলতে হবে কোয়ালিফায়ার-২। কোয়ালিফায়ার-১ এ পরাজিত দলের বিপক্ষে। আর ইলিমিনেটরে পরাজিত দল বিদায় নেবে।

    কাজেই আগামীকাল কোয়ালিফায়ার পর্বে মুখোমুখি হচ্ছে দুই বন্ধু সাকিব আল হাসান এবং তামিম ইকবাল। সাকিবের ঢাকা ডায়নামাইটস আর তামিমের কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। আর ইলিমিনেটর পর্বের প্রথম ম্যাচে লড়বে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের খুলনা টাইটান্স ও মাশরাফি বিন মর্তুজার রংপুর রাইডার্স। সাত দলের আসরে চিটাগং ভাইকিংস, রাজশাহী কিংস এবং সিলেট সিক্সার্স আগেই বিদায় নিয়েছে। এবার ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে চার দলের লড়াই।

    অনেক আসর বা টুর্নামেন্টেই কাগজে-কলমের হিসেবের সাথে মাঠের হিসাব-নিকাশ মেলে না। তবে এবারের বিপিএলে কাগজে কলমের সাথে মাঠের চালচিত্রর অনেকটাই মিলে গেছে। মাঠের লড়াই শেষে সেরা চার দলই সেরা চারে জায়গা করে নিয়েছে।

    সবচেয়ে বড় কথা দেশের চার সেরা ও শীর্ষ তারকা মাশরাফি, তামিম, সাকিব ও মাহমুদউল্লাহর দলই শেষ চারে। এছাড়া দেশের যে দুই সময়ের সেরা কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন ও মোহাম্মদ সালাউদ্দীনের দলও সেরা চারে। আর যে দুই বিদেশি প্রশিক্ষক মাহেলা জয়বর্ধনে আর টম মুডি- তাদের দলও সেরা চারে।

    বলার অপেক্ষা রাখে না, কোচ সালাউদ্দীনের প্রশিক্ষণে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ধারাবাহিকভাবে সবচেয়ে ভাল খেলেছে। এবং সর্বাধিক ৯ ম্যাচেও জয়ী হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিদেশি ক্রিকেটার দলে থাকা যেমন প্লাস পয়েন্ট, আবার বেশি বিদেশি তারকা দলে থাকার অসুবিধাটাও ভোগ করেছে ঢাকা ডায়নামাইটস। তারপরও খালেদ মাহমুদ সুজনের প্রশিক্ষণে সাকিব আল হাসানেনর দল ঢাকা ডায়নামাইটস বিড়ম্বনার শিকার হয়েছে।

    টি-টোয়েন্টির দুই বিশ্ব সেরা ব্যাটিং পারফরমার ক্রিস গেইল এবং ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দল রংপুর তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত নৈপুন্য পায়নি; কিন্তু মধ্য তিরিশে পা রাখা অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার গতিশীল ও উজ্জিবীত নেতৃত্বে রংপুর উঠল সেরা চারে।

    অন্যদিকে তেমন নামী ও দামি বিদেশি তারকা দলে না থাকলেও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর তরুণ আরিফুলের ব্যাটিং এবং পেসার শফিউলের কার্যকর নৈপুন্যে খুলনাও ফাইনালের সম্ভাবনা জিইয়ে রেখেছে।

    চার দলের শক্তির ফারাক খুব বেশি নয়। ঢাকা-কুমিল্লা আর খুলনা-রংপুর কাছাকাছি শক্তির দল। কাজেই সবার ধারণা, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে কোয়ালিফায়ার আর ইলিমিনেটর রাউন্ডে; কিন্তু তারপরও উইকেটের কারণে মাঠে যত ভাল ও আকর্ষণীয় ক্রিকেট হবার কথা ছিল তা কিন্তু হচ্ছে না

    এখন শেষ পর্বে খেলা জমবে কি না, বিগ স্কোরিং গেম হবে কি না- সেটা একটা বড় প্রশ্ন। এসই নির্ভর করছে উইকেটের ওপর। উইকেট নিয়ে নানা কথা। রাজ্যের সমালোচনা। বাংলাদেশের মাশরাফি-তামিম থেকে শুরু করে বিদেশি তারকা ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও সুনিল নারিনও উইকেটের সমালোচনা করেছেন। উইকেট সত্যি ভাল নয়। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট উপযোগি নয়। সবাই বলছেন- শেরে বাংলায় যে সব পিচে বিপিএল হচ্ছে সেগুলো ঠিক টি-টোয়েন্টির জন্য আদর্শ নয়।

    উইকেটের গতি ও বাউন্স ঠিক নয়। বল কখনো থেমে আসে। আবার কোন সময় ঠিক গতিতে ব্যাটে যাচ্ছে। তার চেয়েও বড় কথা, বেশিরভাগ সময় বল নিচে থাকছে। আবার কিছু কিছু ডেলিভারি লাফিয়ে উঠছে। এমনকি স্পিন ও স্লো মিডিয়াম পেসারদের বলও ব্যাটসম্যানের মাথার ওপর দিয়ে চলে গেছে। যে কারণে ব্যাটসম্যানদের স্বচ্ছন্দে খেলা কঠিন হচ্ছে। ব্যাটসম্যানরা হাত খুলতে খেলতে গিয়ে উল্টো বিপদে পড়ছেন।

    হয় প্রত্যাশার চেয়ে দেরিতে বল এসে মিসটাইমড হচ্ছে। না হয় স্বাভাবিকের চেয়ে নিচু কিংবা লাফিয়ে উঠে বিপদেও কারণ ঘটাচ্ছে। সে কারণেই ফ্রি স্ট্রোক প্লে বা চার ও ছক্কার ফুলঝুরিও ছিল তুলনামুলক কম। দর্শক বিনোদনের খোরাক গেছে কমে। বিগ স্কোরিং গেমও হচ্ছে না। দর্শক, সমর্থক ও ভক্ত সবার প্রত্যাশা- কোয়ালিফায়ার, ইলিমিনেটর ও ফাইনালে শেরে বাংলার উইকেটের চেহারা ও চরিত্র পাল্টাবে। না হয় মূল আয়োজনটাই ফিকে হয়ে যাবে।

  • টানা দ্বিতীয় জয় চেলসির

    টানা দ্বিতীয় জয় চেলসির

    ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এডেন হ্যাজার্ডের জোড়া গোলে নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে হারিয়েছে চেলসি। শনিবার নিজেদের মাঠে ৩-১ গোলে জিতে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। বাকি গোলটি করেছেন আলভারো মোরাতা।

    স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে দ্বাদশ মিনিটে ইংলিশ ফরোয়ার্ড ডুয়াইট গেইলের গোলে পিছিয়ে পড়ার নয় মিনিট পর হাজার্ডের লক্ষ্যভেদে সমতায় ফেরে চেলসি। ৩৩তম মিনিটে ভিক্টর মোজেসের ক্রসে কাছ থেকে হেডে দলকে এগিয়ে দেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড মোরাতা। আর ৭৪তম মিনিটে সফল স্পট কিকে জয় নিশ্চিত করেন হ্যাজার্ড।

    ১৫ ম্যাচে ১০ জয় ও দুই ড্রয়ে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে চেলসি।

  • আউট হওয়া ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে আনলেন তামিম

    আউট হওয়া ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে আনলেন তামিম

    রাকিব সিকদার

    কেভিন কুপার মাঠ থেকে বেরিয়েই যাচ্ছিলেন। কিন্তু তাঁকে ফিরিয়ে আনলেন তামিম ইকবাল। অনিন্দ্য সুন্দর এক দৃশ্য দেখা গেল জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। ১৮তম ওভারের দ্বিতীয় বলে রান নিতে গিয়ে বোলার ডিজে ব্রাভোর সঙ্গে কুপারের সংঘর্ষ! পিচের ওপর ছিটকে পড়লেন ব্রাভো! দৌড়ানোর চেষ্টা না করে নিজ থেকেই থেমে গেলেন কুপার।

    অন্য প্রান্তে রানআউট ঢাকা ডায়নামাইটসের টেল এন্ডের ব্যাটসম্যান! রানআউট ভেবে কুপার হাঁটা ধরেছিলেন ড্রেসিংরুমের দিকে। ইচ্ছাকৃত নয় তবুও অপ্রত্যাশিত সংঘর্ষ। তামিম ছুটে গিয়ে তাঁকে থামালেন। আম্পায়ার ও ঢাকা কোচ খালেদ মাহমুদের সঙ্গে কথা বলে আবারও কুপারকে উইকেটে ফিরিয়ে আনলেন। শূন্য রানে আউট হতে পারতেন। কিন্তু তামিমের ঔদার্যে সেই কুপার শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ৫ বলে ৯ রান করে।

    সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লা কোচ সালাউদ্দিন মনে করেন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তামিম, ‘অামরা চাইলে তাকে (কুপার) নাও ফেরাতে পারতাম। তামিম গ্রেট স্পোর্টসম্যানশিপ দেখিয়েছে। এটা তামিমের মহানুভবতা। ক্রিকেটে একটা উদাহরণ হয়ে থাকবে এটা।’ ম্যাচটা জেতা তখন কঠিন হলে অসম্ভব নিশ্চয়ই ছিল না। যদি কুপারই ম্যাচটা জিতিয়ে ফিরতেন! যদিও তা হয়নি। শেষ পর্যন্ত কুমিল্লারই জয় হয়েছে। শুধু কুমিল্লা কেন, তামিমের সৌজন্যে জিতেছে ক্রিকেটের চেতনা! এই ম্যাচ হারলেও অধিনায়ক তামিমকে বিজয়ী ঘোষণা করতেই হতো।

  • বিপিএলের শীর্ষ দশে দেশি বোলারদের দাপট

    বিপিএলের শীর্ষ দশে দেশি বোলারদের দাপট

    চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পঞ্চম আসরের ম্যাচগুলো। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৩০ টি ম্যাচ খেলা হয়েছে।

    আর বিপিএলে বোলিংয়ে দাপট চলছে দেশি বোলারদের।  শীর্ষ দশজনের মধ্যে বর্তমানে ৬ জনই দেশি।   ৪ জন বিদেশি ক্রিকেটার।

    উইকেট শিকারের দিক দিয়ে ৮ ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়ে সবার উপরে আছেন খুলনার আবু জায়েদ রাহি।  সেরা বোলিং ফিগার ৩৫ রানে ৪ উইকেট।

    দ্বিতীয় স্থানে আছেন ঢাকার আবু হায়দার রনি তার উইকেট সংখ্যা ১২টি।  তৃতীয় স্থানে চিটাগাংয়ের তাসকিন আহমেদ তার উইকেট সংখ্যা ১২।   আর সমান ১১ উইকেট নিয়ে যথাক্রমে চতুর্থ স্থানে বিদেশি ক্রিকেটার পাকিস্তানি আফ্রিদি, পঞ্চম স্থানে সাকিব আল হাসান ও ছয়ে শফিউল ইসলাম ,

    ১০ উইকেট শিকার করে সাতে জেমস ফ্রাঙ্কলিন।   আর সমান ৯ উইকেট নিয়ে যথাক্রমে আটে পাকিস্তানি বোলার মোহাম্মদ সামি, নয়ে সুনীল নারিন এবং দশে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

  • হাথুরুর বিষয়ে বিসিবি সভাপতিকে লঙ্কান বোর্ড সভাপতির চিঠি

    হাথুরুর বিষয়ে বিসিবি সভাপতিকে লঙ্কান বোর্ড সভাপতির চিঠি

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতিকে চিঠি লিখেছেন শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের (এসএলসি) সভাপতি থিলাঙ্গা সুমাথিপালা। চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট দলের কোচ পদপ্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকারও করা হয়েছে সেই চিঠিতে।

    হাথুরুর সঙ্গে বিসিবির চুক্তির মেয়াদ ২০১৯ সাল পর্যন্ত। এসএলসি জানিয়েছে, হাথুরুকে কোচ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বাংলাদেশের সঙ্গে তার চুক্তির সবকিছু চুকেবুকে গেলেই।

    গ্রাহাম ফোর্ড চাকরি ছেড়ে দেন চলতি বছরের জুনে। এরপর থেকে কোচের জায়গা ফাঁকাই পড়ে আছে শ্রীলঙ্কার। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ নিক পোথাসকে দিয়ে কাজ চালাচ্ছে তারা।

  • শতাব্দীর সেরা ফুটবল একাদশে জায়গা পেলেন যারা

    শতাব্দীর সেরা ফুটবল একাদশে জায়গা পেলেন যারা

    ফুটবল জগতে বর্তমানে চলছে বার্সা ও রিয়ালের শাসন আর তাই শতাব্দীর সেরা একাদশেও দেখা মিলল তাদের রাজত্বের।   সম্প্রতি এই শতাব্দীর সেরা একাদশ প্রকাশ করেছে ইউনিয়ন অব ইউরোপিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনস (উয়েফা)।

    ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার বাছাই করা শতাব্দীর সেরা একাদশে বার্সেলোনার জয়জয়কার। ছয়জনই বার্সার। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ থেকে জায়গা পেয়েছেন ৩ জন। বাকি দু’জন আলাদা ক্লাবের।

    ছয়জন আবার স্পেনের খেলোয়াড়। এরা হলেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, জাভি হার্নান্দেজ, কার্লোস পুয়োল, সার্জিও রামোস, জেরার্ড পিকে ও ইকার ক্যাসিয়াস। সবাই লা লিগায় খেলে নিজেদের অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। অর্থাৎ, স্প্যানিশ ফুটবলের অাধিপত্য স্পষ্ট। যেখানে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে এফসি বার্সেলোনা।

    একাদশে বার্সার বর্তমান ও সাবেক ছয় তারকা হলেন লিওনেল মেসি, থিয়েরি অঁরি, জাভি, ইনিয়েস্তা, পুয়োল ও পিকে। এর মধ্যে ক্লাব ফুটবল ক্যারিয়ারে আর্সেনাল ও বার্সার হয়ে ইউরোপ মাতিয়েছেন ফ্রেঞ্চ আইকন অঁরি।

    রিয়ালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে আছেন রামোস ও কিংবদন্তি গোলরক্ষক ক্যাসিয়াস। বায়ার্ন মিউনিখের বিশ্বকাপ জয়ী জার্মান আইকন ফিলিপ লাম ও লিভারপুলকে প্রতিনিধিত্ব করছেন ইংল্যান্ডের সাবেক আইকনিক মিডফিল্ডার স্টিভেন জেরার্ড।

    সবচেয়ে বেশি ১১ বার উয়েফার টিম অব দ্য ইয়ার’র অংশ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন রোনালদো। মেসি আটবার বর্ষসেরা টিমে নিজের অবস্থান নিশ্চিত করেছেন। ক্যাসিয়াস, পুয়োল, রামোস ও ইনিয়েস্তা ছয়বার করে। পাঁচবার করে লাম, পিকে, জাভি ও অঁরি। তিনবার নাম লিখিয়েছেন জেরার্ড।

    ৪-৩-৩ ফর্মেশনে উয়েফা মনোনীত শতাব্দীর সেরা একাদশ সাজানো হয়েছে। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ব্যতিব্যস্ত রাখবেন অঁরি, মেসি ও রোনালদো। মাঝমাঠ থেকে আক্রমণের কৌশল সাজাবেন ইনিয়েস্তা, জাভি ও জেরার্ড। গোলরক্ষককে সুরক্ষা দিতে ডিফেন্স (সেন্টারব্যাক) সামলাবেন পুয়োল ও পিকে। লেফটব্যাকে লাম ও ডান প্রান্ত থেকে ছুটবেন রামোস। গোলবার বিপদমুক্ত রাখতে থাকছে ক্যাসিয়াসের বিশ্বস্ত হাত।

    উয়েফার একাদশ নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় চলছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ভিন্নমত দেখিয়েছেন অনেকেই। ক্যাসিয়াসের জায়গায় জিয়ানলুইজি বুফন, পিকের পরিবর্তে কারো পছন্দ ইতালির বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ফ্যাবিও ক্যানাভারো।

    জিনেদিন জিদান, রোনালদো, রোনালদিনহো, দিদিয়ের দ্রগবা, পাওলো মালদিনিসহ সাবেক অনেক তারকার অনুপস্থিতি মানতে পারছেন না ফুটবলপ্রেমীরা। এদের রাখা উচিত ছিল বলে মত দিয়েছেই অনেকেই।

  • সাকিবের পর এবার বিগ ব্যাশে রুমানা-খাদিজা

    সাকিবের পর এবার বিগ ব্যাশে রুমানা-খাদিজা

    বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফক রচিত হলো। অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় ঘরোয়া লিগ বিগ ব্যাশে খেলতে যাচ্ছেন জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের দুই তারকা রুমানা আহমেদ এবং খাদিজাতুল কুবরা।

    ছেলে-মেয়ে মিলিয়ে এখন পর্যন্ত মাত্র একজন বাংলাদেশিই এই লিগে খেলেছেন। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘পোস্টার বয়’ বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

    দুজন অবশ্য এক দলে খেলছেন না। বিগ ব্যাশ টি-টোয়েন্টি লিগের শীর্ষ দুই দল বেছে নিয়েছে বাংলাদেশের দুই তারকাকে। টাইগ্রেস অধিনায়ক রুমানা খেলবেন ব্রিজবেন হিটের হয়ে। আর মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে মাঠ মাতাবেন খাদিজা। দুজনের উড়াল দেওয়ার তারিখও ভিন্ন। রুমানা যাবেন ১০ জানুয়ারি, আর ১৬ জানুয়ারি যাবেন খাদিজা।

    আজ মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের ম্যাচ চলার এক ফাঁকে সাংবাদিকদের রুমানা বলেন, ‘প্রথমবারের মত এই লিগে খেলার সুযোগ পেয়ে ভালো লাগছে।

    বিগ ব্যাশ অনেক বড় টুর্নামেন্ট। আমরা যেভাবে উন্নতি করছি, তাতে আশা করছি আরও অনেকে সেখানে সুযোগ পাবে। অনেক কিছু শিখতেও পারব। এটা দেশের নারী ক্রিকেটের জন্য ভালো খবর। ‘

  • রুদ্ধশ্বাস জয়ে রংপুর রাইডার্সের রাজসিক প্রত্যাবর্তন

    রুদ্ধশ্বাস জয়ে রংপুর রাইডার্সের রাজসিক প্রত্যাবর্তন

    দুর্দান্ত জয়ে জয়ের ধারায় ফিরল টুর্নামেন্টের হট ফেবারিট রংপুর রাইডার্স। ব্যাট হাতে ঝলক দেখালেন গেইল-ম্যাককালাম।

    এরপর বোলিংয়ে নেমে সিলেট সিক্সার্স ব্যাটসম্যানদের চেপে ধরে রংপুরের বোলাররা। রংপুরের ১৬৯ রানের জবাবে ৪ উইকেটে ১৬২ রানেই থামল সিলেট। দুর্দান্ত টিম পারফর্মেন্সে টানা তিন ম্যাচ হারের পর ৭ রানে নাসির হোসেনের সিলেট সিক্সার্সকে হারিয়ে রাজসিক প্রত্যাবর্তন ঘটল মাশরাফি বাহিনীর।

    ১৭০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৫ রানেই প্রথম উইকেট হারায় সিলেট। সোহাগ গাজীর বলে বোল্ড হয়ে যান ৪ বলে ৮ রান করা গুনাথিলাকা। সিলেট শিবিরে দ্বিতীয় আঘাত হানেন রংপুর অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ম্যাশের বলে রবি বোপারার তালুবন্দি হন ২ রান করা বাবর আজম। এরপরেই দলের হাল ধরেই অধিনায়ক নাসির হোসেন এবং সাব্বির রহমান।

    দুজনের মধ্যে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন সাব্বির।

    চলতি বিপিএলে ফর্ম ফিরে পাওয়া জাতীয় দলের এই তরুণ ৪৯ বলে ৭ চার ২ ছক্কায় ৭০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে পেরেরার বলে ম্যককালামের তালুবন্দি হন। ভাঙে ১১৭ রানের বিশাল জুটি। তখন জয় থেকে মাত্র ২৮ রান দূরে সিলেট সিক্সার্স। এর মধ্যে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন নাসির। কিন্তু সেটা কোনো কাজে আসেনি। ৪৩ বলে ১ চার ১ ছক্কায় ৫০ রান করে মাঠ ছাড়েন নাসির।

    আজ সোমবার দিনের দ্বিতীয় খেলায় টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৬৯ রান তুলে রংপুর রাইডার্স। ওপেন করতে নেমেই সিলেট বোলারদের বেদম প্রহার শুরু করেন গেইল-ম্যাককালাম। ৮.৩ ওভারে দুজনে মিলে গড়েন ৮০ রানের ওপেনিং জুটি। শেষ পর্যন্ত নাসির হোসেনের বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে প্ল্যাংকেটের তালুবন্দি হন ২১ বলে ৩ চার ৩ ছক্কায় ৩৩ রান করা ম্যাককালাম। অপর প্রান্তে থাকা গেইল ঠিকই ৩৮ বলে তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি।

    আবুল হাসানের বলে বোল্ড হওয়ার আগে  তার সংগ্রহ ৩৯ বলে ২ চার ৫ ছক্কায় ৫০ রান। এই দুজনের বিদায়ের পরই খেই হারিয়ে ফেলে রংপুরের ব্যাটসম্যানরা। আবুল হাসানের দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে ৮ রান করেন শাহরিয়ার নাফীস। ২৫ রান করে প্ল্যাংকেটের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান মোহাম্মদ মিথুন। শেষদিকে রবি বোপারার দৃঢ়তায় রানের চাকা ঘুরতে থাকে। বোপারাও ১২ বলে ২৮ রান করে রান-আউট হয়ে যান।

  • হাসান আলীর তাণ্ডবে অসহায় ঢাকা ডাইনামাইটস

    হাসান আলীর তাণ্ডবে অসহায় ঢাকা ডাইনামাইটস

    ঢাকা ডাইনামাইটসের বিপক্ষে বল হাতে আগুন ঝরালেন হাসান আলী। একাই ধসিয়ে দিলেন ঢাকাকে।

    তার বোলিং তাণ্ডবে তারকাবহুল শক্তিশালী ঢাকা থেমে গেল ১২৮ রানে। হাসান আলি একাই তুলে নেন ৫ উইকেট।

    শুরুতেই ঢাকা ডাইনামাইটসের দুই ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের এই পাকিস্তানি পেসার। তার তৃতীয় শিকার মোসাদ্দেক হোসেন হন সরাসরি বোল্ড। এটি ইনিংসের ১৬তম ওভারের ঘটনা। ইনিংসের ১৮ তম ওভারে আবারও জোরা আঘাত হানেন হাসান আলি।

    বিপিএলে মাত্র দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামা হাসান আলির বোলিং ফিগার দেখলেই বোঝা যায় আসলেই তাণ্ডব চালিয়েছেন তিনি। ৩.৩ ওভার বল করে মাত্র ২০ রানের বিনিময়ে তুলে নিয়েছেন ৫ টি উইকেট।