Category: জাতীয়

  • ঢাকায় আসছে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল

    ঢাকায় আসছে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল

    যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ঢাকা সফরে আসছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ।

    বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতে এ তথ্য জানান তিনি।

    এ সময় মার্কিন কর্মকর্তা হেলেন লাফেভ জানান, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে। সফরে কী কী বিষয়ে আলোচনা হতে পারে- তা নিয়ে আজ আলোচনা হয়।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, তারা পারস্পরিক স্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকার এ পর্যন্ত যেসব সংস্কার উদ্যোগ নিয়েছে সে বিষয়ে কথা বলেছেন ড. ইউনূস।

    ড. ইউনূস আরও উল্লেখ করেছেন, ৬টি বড় সংস্কার কমিশন ইতোমধ্যে তাদের কাজ শুরু করেছে এবং তারা দেশের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পরামর্শ করবে।

  • আসছে ৪৭তম বিসিএস, রেকর্ড সংখ্যক শূন্যপদ

    আসছে ৪৭তম বিসিএস, রেকর্ড সংখ্যক শূন্যপদ

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনকে (পিএসসি) চিঠি দিয়েছে ৪৭তম বিসিএসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করার জন্য। প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে এই বিসিএসে।

    পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এসএম মতিউর রহমান বুধবার এক বার্তায় বলেন, বিভিন্ন ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়/বিভাগের চাহিদা অনুযায়ী মোট ৩ হাজার ৪৬০টি শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে।

    ৪৭তম বিসিএস হবে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি চাকরিতে নিয়োগের প্রথম বড় পরীক্ষা, যার অপেক্ষায় আছেন বহু চাকরিপ্রত্যাশী।

    সর্বশেষ ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়েছিল এ বছরের এপ্রিলে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে। তাতে ১০ হাজার ৬৩৮ জনকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হলেও লিখিত পরীক্ষা আর হয়নি।

    পিএসসির বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি বাতিলের দাবি জানান অনেকে।

    একটি চক্র প্রায় এক যুগ ধরে পিএসসির অধীনে বিসিএসসহ বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত বলে গত জুলাইয়ে একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হয় একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে। সেখান ওই চক্রের ছয়জনের ছবিও প্রকাশ করা হয়।

    এদের মধ্যে পিএসসি চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবন ও তার পরিবারের বিলাসবহুল জীবনযাপনের বিভিন্ন ছবি ফেসবুকে ঘুরতে থাকে।

    পরে আবেদ আলীসহ পিএসসির সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মীসহ ১৭ জনকে গ্রেফতার করে সিআইডি। প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে পল্টন থানায় একটি মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের পর পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে মো. সোহরাব হোসাইনসহ কমিশন।

    তবে গত জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পদে পরিবর্তনের মধ্যে পিএসসির চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইনসহ কমিশনের সদস্যরা গত ৮ অক্টোবর পদত্যাগ করেন। এর পরদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম পিএসসির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। সদস্য হিসেবে নিয়োগ পান চারজন।

    সবশেষ ৪৬তম বিসিএসে শূন্যপদ ছিল ৩ হাজার ১০০টি। তার আগে ৪৫তম বিসিএসে ২ হাজার ৩০৯টি, ৪৪তম বিসিএসে ১ হাজার ৭১০টি, ৪৩তম বিসিএসে ১ হাজার ৮১৪, ৪১তম বিসিএসে ২ হাজার ৫২০, ৪০তম বিসিএসে ১ হাজার ৯২৯, ৩৮তম বিসিএসে ২ হাজার ২৪, ৩৭তম বিসিএসে ১ হাজার ২২৬, ৩৬তম বিসিএসে ২ হাজার ১৮০টি, ৩৫তম বিসিএসে ১ হাজার ৮০৩টি এবং ৩৪তম বিসিএসে শূন্যপদ ছিল ২ হাজার ১৫৯টি।

    তবে ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে প্রায় ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ করা হয়েছিল। তবে সাধারণ বিসিএসের সঙ্গে সেটিকে তুলনা করা হয় না।

  • এক সচিব ও দুই বিভাগীয় কমিশনার নিয়োগ

    এক সচিব ও দুই বিভাগীয় কমিশনার নিয়োগ

    প্রশাসনে একজন অতিরিক্ত সচিবকে পদোন্নতি দিয়ে সচিব হিসাবে পদায়ন করা হয়েছে। এছাড়া দুজন বিভাগীয় কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (২৩ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ওএসডি অতিরিক্ত সচিব মাহবুবা ফারজানাকে সচিব হিসাবে পদোন্নতি দিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে পদায়ন করা হয়েছে।

    পৃথক আদেশে, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীকে ঢাকা বিভাগে এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম এনডিসিকে রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার হিসাবে পদায়ন করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ওই সব পদে একমাসেরও বেশি সময় যাবত সচিব ও বিভাগীয় কমিশনার ছিল না।

  • আর কখনোই রাজনীতিতে ফিরতে পারবে না আ. লীগ: উপদেষ্টা নাহিদ

    আর কখনোই রাজনীতিতে ফিরতে পারবে না আ. লীগ: উপদেষ্টা নাহিদ

    তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ যে প্রক্রিয়ায় রাজনীতি করেছে, তাতে আর কখনোই বাংলাদেশে রাজনীতিতে ফিরতে পারবে না আওয়ামী লীগ।

    বুধবার সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, যদি আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসে, তা গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল হবে। অবশ্যই আমরা আমাদের জীবন থাকতে তা হতে দেব না।

    তিনি বলেন, শেখ হাসিনা নিয়মতান্ত্রিকভাবে পদত্যাগ করেননি, এটা আমাদের সবার কাছে স্পষ্ট। তার পতন হয়েছে, তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। তাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা। যে দলকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে, সেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার থাকবে কি না, এ নিয়ে কোনো দ্বিধার অবকাশ নেই।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালের পর থেকে গড়ে উঠেছে জুলাই আন্দোলনের ছাত্র নেতৃত্ব। সরকার এটিকে রাজনৈতিকভাবে দমন করতে চেয়েছিল। একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ নিহত হলে জনগণ রুখে দাঁড়ায়। যখন আমাদের ‘রাজাকার’ বলা হয়, তখন শিক্ষার্থীদের আত্মমর্যাদায় আঘাত লাগে। ফলে আমাদের মর্যাদা রক্ষার লড়াই করেছি আমরা।

    তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান থেকে পাওয়া অন্তর্বর্তী সরকারকে অনেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে তুলনা করছেন। আমি মনে করি এটি সম্পূর্ণ ভুল। তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি নির্ধারিত সময়ের জন্য দায়িত্ব নিয়ে নির্বাচন আয়োজন করে এবং ক্ষমতা হস্তান্তর করে জনপ্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু এ সরকার গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা পূরণে সংস্কার করে যেতে না পারলে, আমাদের গণতান্ত্রিক নির্বাচন ব্যবস্থা মসৃণ হবে না। তাই আমাদের কিছু মৌলিক সংস্কার করতে হবে।

  • রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির ‘অস্পষ্ট অবস্থান’ নিয়ে যা বললেন হাসনাত

    রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির ‘অস্পষ্ট অবস্থান’ নিয়ে যা বললেন হাসনাত

    রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির দুই নেতার দুই রকম বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

    বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকাল সোয়া ৪টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

    পোস্টে দুদু ও সালাহউদ্দিনের বক্তব্য কোট করা ছবি প্রকাশ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ও গণতন্ত্রের পক্ষে বিএনপির দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাস রয়েছে। বর্তমান ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে ৭২-এর সংবিধান বাতিল ও রাষ্ট্রপতির পদচ্যুতির বিষয়ে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। নিচের কোন বক্তব্যকে আমরা বিএনপির বক্তব্য হিসেবে ধরব?

    পোস্টে উল্লেখ করা বক্তব্যে দুদু বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতিকে বিদায় না করলে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না’। অন্যদিকে সালাহউদ্দিন বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ চায় না বিএনপি’। রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির দুই নেতার দুই রকম বক্তব্যেই মূলত প্রশ্ন তোলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।

    এর আগে এক পোস্টে এই ছাত্র নেতা লেখেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী কোনও রাজনৈতিক ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিতে পারে না। এই সংবিধানকে বাতিল করতে হবে।

    তিনি বলেন, ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে জনগণের অংশগ্রহণকে ছোট করা হয়েছে এবং অস্বীকার করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকে সুনির্দিষ্ট একটি দলের হাতে তুলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে আওয়ামী লীগীকরণ করা হয়েছে।

    আমরা মনে করি, গণঅভ্যুত্থান কিংবা বিপ্লব কোনো সুনির্দিষ্ট দলের সম্পত্তি নয়। এটিকে জনগণের সম্পত্তিতে পরিণত করতে হলে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে জনগণের সংবিধানে রূপান্তরিত করতে হবে। সেজন্য ৭২-এর একদলীয় সংবিধানকে বাতিল করে একটি জনগণপন্থী সংবিধান রচনা করতে হবে। এই প্রশ্নে আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আপোষহীন থাকব।

    গতকালের পাঁচ দফার প্রথম দফা হলো ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধান বাতিল করে নতুন করে জনগণপন্থী সংবিধান লিখতে হবে। এ দাবির বিপরীতে অবস্থান নিয়ে ৭২-এর সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার বয়ান হলো গণঅভ্যুত্থান পরিপন্থী বয়ান। ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান পরিপন্থী যেকোনো বয়ান আবার ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেবে। সুতরাং ২৪- এর গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটে বিশ্বাসী ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যবদ্ধ শক্তি ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিয়ে ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসনের সুযোগ দিতে পারে না।

    আমাদের ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানকে চূড়ান্ত বিপ্লবে পরিণত করতে হলে পাঁচ দফা বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। এই পাঁচ দফা বাস্তবায়নে গণতন্ত্রকামী ফ্যসিবাদবিরোধী ঐক্যবদ্ধ শক্তির লড়াই অব্যাহত থাকবে।

  • সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যা তদন্তে টাস্ক ফোর্স গঠন

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যা তদন্তে টাস্ক ফোর্স গঠন

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যার ঘটনা তদন্তে টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে সরকার। বুধবার চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া এক আদেশের প্রেক্ষিতে এই টাস্কফোর্স গঠন করা হলো।

    জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, টাস্কফোর্স যথাযথ আইন ও বিধি অনুসরণপূর্বক সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যা মামলার তদন্ত সম্পন্ন করে আগামী ছয় মাসের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করবে।

    এতে আরও বলা হয়, টাস্কফোর্স প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো তথা পিআইবির প্রধানকে টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক করা হয়েছে। অন্য তিন সদস্য হলেন- পুলিশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদমর্যাদার নিম্নে নয়), অপরাধ তদন্ত বিভাগ তথা সিআইডির প্রতিনিধি (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদমর্যাদার নিম্নে নয়) এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) প্রতিনিধি (পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয়)।

  • সংবিধান বাতিল এবং রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবিতে জাতীয় ঐক্যের ডাক

    সংবিধান বাতিল এবং রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবিতে জাতীয় ঐক্যের ডাক

    বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল এবং রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অপসারণ দাবিতে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি।

    বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘৭২-এর মুজিববাদী সংবিধান বাতিল ও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অপসারণের’ দাবিতে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলন থেকে এ আহ্বান জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ এবং জাতীয় পার্টি ছাড়া সব রাজনৈতিক দলকে জাতীয় ঐক্যের ডাকে সাড়া দিতে আহ্বান জানান হাসনাত আব্দুল্লাহ।

    তিনি বলেন, কোনো দল যদি বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল ও রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবিতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বানে না আসে তাহলে সে দলকেও আমরা বয়কট করবো ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে। আমরা বাহাত্তরের পচা-গলা সংবিধান মানবো না। বাহাত্তরের সংবিধান থাকলে রাজনৈতিক সংকট থাকবে দূর হবে না।

    তিনি বলেন, বাহাত্তরের সংবিধান থাকলে রাজনৈতিক সংকট দূর হবে না। এই সংবিধানের মধ্য দিয়েই ফ্যাসিবাদ কাঠামো সব সময় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সংঘবদ্ধ হয়েছে। শেখ হাসিনা সব সময় বলেছিলেন যে- আমাদের সব সময় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে। যখনই তাকে পদত্যাগ করতে বলা হতো, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলা হতো বা নির্দলীয় সরকারের কথা বলা হতো তখনই এই সংবিধান রক্ষা করার কথা বলতেন।

    বঙ্গভবন ঘেরাও নিয়ে হাসনাত বলেন, আমাদের দাবি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ। তবে এ ধরনের আন্দোলন আমরা চাই না। আমরা এরই মধ্যে তাদের (বঙ্গভবন ঘেরাওকারীদের) সঙ্গে কথা বলেছি। যারা আন্দোলনে আছেন তাদের প্রতিও আহ্বান জানাবো, আপনারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ওপর আস্থা রাখুন। আমরা একসঙ্গে নেতৃত্ব দিয়ে আবারও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করব।

    নাগরিক কমিটি বা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপ বিষয়ে নাগরিক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, আমরা রাজনৈতিক মহলের সঙ্গে কথা বলছি। আমরা কোনো গোলটেবিল আলোচনা চাই না। আমরা রাজপথে বিশ্বাসী, রাজপথে থেকেই সমাধান করতে চাই। রাজপথে থেকে হাসিনা পালিয়েছে, রাজপথেই সিদ্ধান্ত হবে চুপ্পু কোথায় যাবে। রাজনৈতিক কোনো দল যদি কোনো ইনডোর রুমে বসে সিদ্ধান্ত নিতে চায় তবে আমরা রাজপথে থেকেই সেটার সমাধান করব।

  • আপনার সঙ্গে আলাদা করে কিছু বলব না স্যার: ব্যারিস্টার সুমন

    আপনার সঙ্গে আলাদা করে কিছু বলব না স্যার: ব্যারিস্টার সুমন

    আদালতে আইনজীবীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) রিমান্ড শুনানি শেষে এ কথা বলেন তিনি।

    হত্যাচেষ্টা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের আদেশ শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকীকে উদ্দেশ করে ব্যারিস্টার সুমন কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।

    এ সময় সুমন বলেন, আপনার সঙ্গে আলাদা করে কিছু বলব না স্যার। আপনার মাধ্যমে সব আইনজীবীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি খুব সরি স্যার।

    এদিন বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয় সুমনকে। এ সময় তাকে হাজতখানায় রাখা হয়। এরপর বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে পুলিশের কড়া প্রহরায় তাকে আদালতে তোলা হয়।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুরে যুবদল নেতা ও বাঙালিয়ানা ভোজের সহকারী বাবুর্চি হৃদয় মিয়াকে হত্যাচেষ্টা মামলার শুনানির শুরুতেই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল হালিম অস্ত্র উদ্ধার ও আসামি শনাক্তকরণসহ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার ১০ দিনের রিমান্ড চান। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান রিমান্ডে নেওয়ার পক্ষে শুনানি করেন।

    এরপর মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডে নেওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরে শুনানি করেন।

    তিনি আদালতকে বলেন, এই আসামি ৫ আগস্টের পর ফেসবুকে এমনভাবে ছবি ভিডিও শেয়ার করেন যাতে বোঝা যায় তিনি লন্ডনের কোথাও আছেন। তিনি লন্ডন যাননি, বরং মিরপুরে তার বোনের বাসায় পালিয়ে ছিলেন। কিছু মানুষ আছেন যারা কোনো রাজনীতি করেন না, মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে ভেলকি দেখায়। এই আসামি তাদেরই একজন। তিনি নিজেকে সেলফি এমপি দাবি করেন। পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলেছেন। মানুষকে সহায়তার নামে বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এমপি হয়ে তিনি দেশের সবচেয়ে দামি গাড়ি আমদানি করেছেন, তবে দুঃখের বিষয় সেটা ছাড়াতে পারেননি। রাস্তার পাশে পড়ে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি রাস্তায় বসিয়ে ভিডিও করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। গ্রেফতারের আগেও তিনি ফেসবুকে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন আদালতে আসার কথা, যেন তিনি কি না কি উদ্ধার করে ফেলেছেন। এই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছেন। এজন্য তার বিরুদ্ধে আলাদা মামলা হওয়া দরকার। এ সময় তিনি আসামি সুমনের সর্বোচ্চ রিমান্ড চান।

    এরপর আসামিপক্ষে একজন আইনজীবী তার রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

    পরে আবারও বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করার একপর্যায়ে মহানগর পিপি তাদের কাছ থেকে মাইক কেড়ে নেন। আদালত আসামির কোনো বক্তব্য আছে কিনা জানতে চাইলে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের তোপের মুখে কথা বলতে রাজি হননি ব্যারিস্টার সুমন। এরপর আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দিয়ে এজলাস ত্যাগ করেন।

    সুমনকে এজলাস থেকে হাজতখানায় নিয়ে যাওয়ার সময় মহানগর পিপির উদ্দেশ্যে তিনি কথা বলেন।

    এর আগে সোমবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে মিরপুর-৬ এলাকা থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই হৃদয় জুমার নামাজ আদায় করে মিরপুর-১০ নম্বরে সমাবেশে যান। সেখানে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। ককটেল নিক্ষেপ করে, গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হন হৃদয়। তিনি হবিগঞ্জের মাধবপুর ১০নং হাতিয়াইন ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

    এ ঘটনায় তিনি ২৩ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি ব্যারিস্টার সুমন।

  • লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৫৭ বাংলাদেশি

    লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৫৭ বাংলাদেশি

    লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৫৭ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক। বুরাক এয়ারের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে মঙ্গলবার ভোর ৪টা ২৫ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তারা।এ সময় তাদেরকে অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) কর্মকর্তারা।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।

    লিবিয়ার মিসরাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক ১৫৭ জন অনিয়মিত বাংলাদেশিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস ও আইওএমের সহযোগিতায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

    ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানব পাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় গিয়েছিলেন। তাদের অনেকেই লিবিয়ায় বিভিন্ন সময় অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

    দেশে ফিরে আসার পর এই ভয়ংকর পথ পাড়ি দিয়ে আর যেন কেউ লিবিয়াতে না যায়, সে বিষয়ে নিজেদের সচেতন হতে এবং সবাইকে সচেতন করার জন্য আহ্বান জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

    আইওএমের পক্ষ থেকে লিবিয়া থেকে ফেরা প্রত্যেককে ছয় হাজার টাকা ও কিছু খাবার উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে। তাদের চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী আবাসের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে একসঙ্গে কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস ও আইওএম।

  • আন্দোলনে হতাহতদের ক্ষতিপূরণ কেন নয়

    আন্দোলনে হতাহতদের ক্ষতিপূরণ কেন নয়

    জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের ক্ষতিপূরণ কেন নয়- জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের দ্বৈত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

    রিটে বলা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে আহত ও নিহতদের যে তালিকা করা হয়েছে তা পূর্ণাঙ্গ নয়। যারা তালিকায় নেই, তারা চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের জন্য কোথায় যোগাযোগ করবে, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। চিকিৎসা এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানে সরকারের পদক্ষেপ আরও জোরাল করতে বলা হয়।

    ক্ষতিগ্রস্ত না হয়েও কেউ যেন এই সুযোগের অপব্যবহার করতে না পারে, সেজন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয় রিটে।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. রওশন আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জোনরেল মোহাম্মদ শফিকুর রহমান।