Category: প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান

  • জি-মেইলের যে ইতিহাস অনেকেরই অজানা

    জি-মেইলের যে ইতিহাস অনেকেরই অজানা

    শুরুর দিকে জি-মেইলের ই-মেইল সেবাটি শুধু গুগলের কর্মীদের ব্যবহারের জন্য ছিল। পরবর্তী সময়ে গুগল ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল সবার মাঝে জি-মেইল চালুর ঘোষণা দেয়। গুগল যখন জি-মেইল উন্মোচন করে তখন গ্রাহক এটিকে আসলে কৌতুক হিসেবেই নিয়েছিল। এর পেছনে কারণও ছিল। এপ্রিলের ১ তারিখ তথা ফুল’স ডে-তে উন্মোচন করার কারণে গ্রাহক মনে করেছিল, গুগল তাদের বোকা বানানোর চেষ্টা করছে। গ্রাহক যখন বুঝতে পারেন, গুগল আসলেই সেবাটি উন্মোচন করেছে তখন বিনামূল্যের ই-মেইল সেবাগুলোর তালিকায় গ্রাহকের পছন্দের তালিকায় আসতে শুরু করে জি-মেইলও।

    মূলত ১৯৯৯ সালে জি-মেইলে নিয়ে কাজ শুরু করে গুগল। সে সময় গুগলের ২৩তম কর্মী পল বুখেইট তখন প্রতিষ্ঠানের অনলাইন ই-মেইল সেবা নিয়ে লড়েছেন। কিন্তু অনেক কর্মকর্তাই এটা নিয়ে নাখোশ ছিলেন এমনকি আস্থা রাখতে পারছিলেন না গুগলের ই-মেইল সেবার ওপর। সার্চ ইঞ্জিন প্রতিষ্ঠান ই-মেইল সেবা থেকে লাভবান হতে পারে এটা কোনোভাবেই তারা বুঝতে পারছিলেন না। সে সময় অনেক নির্বাহী কর্মকর্তাই এ প্রকল্প থেকে সরে এসেছেন বলে বেশ কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ডোমেইন নামের ইতিহাস গুগলের জি-মেইল ডটকম (www.gmail.com) ডোমেইন নামটি আগে ছিল বিনামূল্যে ই-মেইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ঘারফিল্ড ডট কমের (www.garfield.com)। পরবর্তী সময়ে ডোমেইনটি গুগল নিয়ে নেয়। শুরুর দিকে জি-মেইলের ইউআরএল ছিল http://gmail.google.com/gmail যা ২০০৫ সালের ২২ জুন রিডাইরেক্ট করে http://mail.google.com/mail করা হয়।

    স্পেস

    শুরুতে ব্যবহারকারীদের জন্য জি-মেইল বিনামূল্যে ১ গিগাবাইট স্পেস দেয়। পরবর্তী সময়ে তা ২ গিগা থেকে ৪ গিগাবাইট করা হয়। বর্তমানে বিনামূল্যে ব্যবহারের জন্য জি-মেইল ব্যবহারকারীদের ১৫ গিগাবাইট স্পেস দিচ্ছে যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। এর পাশাপাশি ইচ্ছা করলে জায়গা বাড়ানোর সুযোগও দিয়েছে। এক্ষেত্রে ২৫ গিগাবাইটের জন্য মাসিক ২.৪৯ ডলার, ১৬ টেরাবাইট স্পেসের জন্য মাসিক ৭৯৯.৯৯ ইউএস ডলার দিতে হবে। ২০১১ অক্টোবর পর্যন্ত জি-মেইলের ব্যবহারকারী ২৬০ মিলিয়ন। ২০০৫ সালের ১ এপ্রিল জি-মেইলে প্রথম জন্মদিনে গুগল জি- মেইলে স্পেস ১ গিগাবাইট করে।

    জি-মেইল সার্চ

    জি-মেইলে শুরু থেকে সার্চ অপশন ছিল যা ব্যবহার করে ই-মেইল খোঁজার কাজটি সহজ হয়েছে। ২১ মে ২০১২ থেকে জি-মেইলে আরও উন্নত সার্চ ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়। এতে ব্যবহারকারীরা যে কোনো শব্দ লিখলে তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবহারকারী কিংবা ব্যবহারকারী ই-মেইল সাজেশন দেখায়।

    জি-মেইল মোবাইল

    জি-মেইল মোবাইল গুগলের জি-মেইলের ই-মেইল সেবা। ২০০৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর জি-মেইল মোবাইল সেবা চালু হয় এবং বর্তমানে প্রায় ৪০টি ভাষায় জি-মেইল মোবাইল সংস্করণ রয়েছে। এতে সহজে গুগলের নানা সেবার মতো জি-মেইলও মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা যায়। এটি বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায় স্মার্টফোন কিংবা মোবাইল ফোনে। জি-মেইলের মোবাইলের জন্য বিশেষ অ্যাপসটি বেশ ছোট এবং মোবাইলের স্ক্রিনের সাইজ অনুযায়ী তৈরি করা। এতে ব্যবহারকারীরা মোবাইলে ফোনেই ই-মেইল কম্পোজ, পড়া, আর্কাইভ করা, মেইলের রিপ্লাই করা, ফরওয়ার্ড করা, না পড়া মেইলগুলোকে আনরিড করা, স্টার আইকন অ্যাড করা, কাস্টম লেভেল অ্যাড করা, মেইল মুছে ফেলার কাজ করতে পারেন।

    অফলাইনে জি-মেইল

    ২০১১ সালের ৩১ আগস্ট জি-মেইল ব্লগ অফিসিয়ালি অফলাইন গুগল মেইল চালু করে ক্রোম ওয়েব অ্যাপস হিসেবে যা গুগল ক্রোম ওয়েব স্টোরে পাওয়া যেত। এইচটিএমএল-৫ সমর্থিত এ অ্যাপসটি ট্যাবলয়েডও ব্যবহার উপযোগী। ২০১১ সালের ১১ এপ্রিল গুগলের কর্মীদের জন্য অফলাইন গুগল ডক এবং গুগল ক্যালেন্ডার চালু করা হয়।

    এত কিছুর পরও ২০১২ সাল পর্যন্ত অন্যান্য প্রতিযোগীদের চেয়ে খুব বেশি ভালো করতে পারেনি জি-মেইল। তবুও ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে নিজেদের নিত্যনতুন উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হতে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। ভোক্তা এবং এন্টারপ্রাইজ দু’ধরনের গ্রাহকের জন্য নতুন নতুন ফিচার এনে বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে গুগলের জি-মেইল।

  • ফেসবুক লাইক আর গোনা যাবে না

    ফেসবুক লাইক আর গোনা যাবে না

    অনলাইন ডেস্ক:

    অনেকেই ফেসবুকে কোন পোস্টে কত লাইক, তা দেখে পোস্ট পড়েন বা শেয়ার করেন। ফেসবুকে কোন পোস্টে কত লাইক পড়ল, তা গোনার সুযোগ আর নাও রাখতে পারে ফেসবুক। কারণ, লাইকের ওপর ভিত্তি করেই অনেক পোস্ট ভাইরাল হয়ে যায়। কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট কম লাইকের কারণে গুরুত্ব পায় না। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধরতে পেরেছে। তাই ফেসবুকে নিউজ ফিড পোস্টে লাইক কাউন্টার শিগগিরই সরিয়ে ফেলার কথা ভাবছে। এ পরিবর্তনের বিষয়টি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি নিশ্চিত করেছে।

    ইনস্টাগ্রাম সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে, সাতটি দেশে লাইক গণনা করার সুবিধা লুকানোর বিষয়টি পরীক্ষা করা হচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যবহারকারী যাতে পোস্ট করা ছবি বা ভিডিও কত লাইক পেয়েছে তাতে গুরুত্ব না দিয়ে তা শেয়ারের দিকে বেশি মনোযোগ দেয়। ইনস্টাগ্রামের ক্ষেত্রে নেওয়া সিদ্ধান্তটি ফেসবুকেও চালু হতে পারে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ জেন ম্যানচুন ওং সম্প্রতি ফেসবুকে এ অপশন খুঁজে পেয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, ফেসবুক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে লুকানো লাইক কাউন্টের বিষয়টি পরীক্ষা করছে ফেসবুক।

    ওংয়ের টুইটের পরই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায় তারা লাইক সরিয়ে ফেলছে। তবে ব্যবহারকারীদের জন্য এটা এখনো চালু হয়নি। ইনস্টাগ্রামে চালানো পরীক্ষার ফলও এখনো প্রকাশ করেনি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। তবে ফেসবুকে পরীক্ষা করার অর্থ দাঁড়ায়, এ ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফল পেয়েছে তারা।

    ইনস্টাগ্রামে পরীক্ষার সময় পোস্টদাতা কত লাইক পেলেন, তা জানতে পারেন কিন্তু তার অনুসারীরা তা দেখতে পাননি। এ পরীক্ষা সম্পর্কে ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরি বলেন, ‘ব্যবহারকারীদের ওপর কম কম দেওয়া যাতে তাঁরা নিজেদের প্রকাশ করতে অস্বস্তিতে না ভোগেন। কত লাইক পেলেন, তা নিয়ে অনেকেই চাপে থাকেন, তা আমরা জানতে পেরেছি।’

    উল্লেখ্য, ফেসবুক সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামের জন্য পৃথক প্রাইভেট মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন চালু করার পরিকল্পনা করছে। ওই অ্যাপের নাম হবে থ্রেডস। স্ন্যাপচ্যাটের মতো ওই অ্যাপ কাছের মানুষদের মধ্যে একান্ত যোগাযোগের সুবিধা দেবে।

  • মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পড়লেও জানবে না কেউ

    মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পড়লেও জানবে না কেউ

    মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে বন্ধুদের পাঠানো যেকোনো বার্তা দেখলেই তা প্রেরক জানতে পারেন। এতে অনেক সময় বেশ জটিলতায় পড়তে হয়। মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপের রিড রিসিপট ফিচার সাময়িকভাবে অকার্যকর করে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। মেসেঞ্জারে বন্ধুদের পাঠানো বার্তা গোপনে পড়ার জন্য স্মার্টফোনটির সেটিংস অপশনে প্রবেশ করে ‘এয়ারপ্লেন মোড’ চালু করতে হবে। বার্তা পড়া শেষে অপশনটি বন্ধ করলেই পুনরায় আগের মতো মেসেঞ্জারের সব সুযোগ মিলবে।

    অন্যদিকে হোয়াটসঅ্যাপে এ সুবিধা পেতে সেটিংস পেজে প্রবেশ করে পর্যায়ক্রমে অ্যাকাউন্ট, প্রাইভেসি অপশনে ক্লিক করে ‘টার্ন অব রিসিপটস’-এ ক্লিক করতে হবে।

  • ডিজিটাল ম্যনিয়ায় আক্রান্ত সবাই

    ডিজিটাল ম্যনিয়ায় আক্রান্ত সবাই

    একটি ঘরে একই সময় শিশু থেকে শুরু করে অভিভাবকদের সবাই একান্ত মনে স্মার্ট ফোন ব্যবহারে ভীষণ ব্যস্ত। এধরনের দৃশ্য এখন ঘরে ঘরে দেখা যায়। একবিংশ শতাব্দিতে রয়েছি আমরা, বিজ্ঞানের আর্শিবাদে এই শতাব্দিতে সবকিছুই ডিজিটাল। যখন যা চাই সবই যেনো হাতের মুঠোয় পাওয়া যায়। আর প্রতিটি জিনিষ হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে একটি ছোট ডিভাইস,যাকে বাংলায় মুঠোফোন ও ইংরেজিতে মোবাইল বলা হয়ে থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি কেবল কথা বলা ও মেসেজ আদান প্রদানের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকলেও কাল ক্রমে এই ডিভাইসটি এখন অনেক স্মার্ট। যাদুকরি এই ডিভাইসে যেনো পুরো পৃথিবীটাকে খুঁজে পাওয়া যায়।

    উন্নত দেশগুলোতে এরই মধ্যে গবেষণা করে দেখা গেছে স্মার্ট ফোন ব্যবহার বেশি করলে তা স্বাস্থ্যগতসহ মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিষণ্নতা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে শিশুদের বুদ্ধি বিকাশে তা প্রচণ্ড বাধার সৃষ্টি করে। এবং এসব বিষয় বিবেচনা করে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা স্মার্ট ফোনের ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু এ পরামর্শ মেনে চলার ব্যাপারে খুব সামান্যই আগ্রহ দেখা যায়।

    প্রায় ৯৯% মানুষ এখন স্মার্ট মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে, এটি দামে সুলভ হওয়াই প্রায় সবাই এটি কিনে ফেলতে পারে। তবে বর্তমানে এর ভয়াবহ ব্যবহার দেখা যায়, ছোট শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষের মস্তিস্কে এটি জায়গা করে নিয়েছে। এই ডিভাইসে নেটের ব্যবহার যত্রতত্র হওয়াই বিভিন্ন প্রকার ভিডিও গেম,অনলাইন গেম,ডাউনলোড গেম সহজেই আওতায় আনা যায়। তাই এখন শিশুরা মাঠের খেলা ছেড়ে মোবাইলেই খেলতেই ভালোবাসে, এছাড়া ছোট শিশুর জেদ ভাঙ্গাতে বা তাকে ব্যস্ত রাখতে মা-বাবা পর্যন্ত তাদের এই ডিভাসের প্রতি আসক্ত করছেন।

    গণযোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এখানে অতি সহজেই পাওয়া যায় তাই মানুষ নিজেদের মধ্যে গল্প,আড্ডা কমিয়ে দিয়ে এখানেই সোচ্চার হয়ে গেছে। বিভিন্ন প্রকার ছবি তুলে তাতে পোষ্ট করা , নিজেদের রাগ,দুঃখ,অভিমান, হতাশা , হাসি, আনন্দ সবকিছু এখানেই শেয়ার করা যায়। আর তাতে অন্যেরা লাইক আর কমেন্ট দিয়ে নিজেদের মতামত ব্যক্ত করে,আর এটা পাওয়ার জন্যই মানুষ ব্যকুল হয়ে থাকে। সারাদিন ফেসবুকে এক্টিভ থাকে অনেকে এতে করে মানুষ ব্যক্তিগত ভাবে একা হয়ে পড়ছে। সামনে থেকে দেখে মানুষ মানুষের জন্য আর দুঃখ বোধ করে না, সমস্ত দুঃখবোধ যেনো ফেসবুকে পোস্ট হওয়া ঐ অংশটার প্রতি। এই ডিজিটাল ম্যনিয়ার কারণে মানবকুল যন্ত্রে পরিণত হচ্ছে , কাছে থেকে ,পাশে থেকেও যেনো সবাই একা। ভিডিওটিতে একটি পরিবারের সবাই কিভাবে স্মার্ট ফোনে চরম আসক্তিতে আটকে পড়ে আছেন তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

  • বাড়ল গ্যাসের দাম

    বাড়ল গ্যাসের দাম

    ভোক্তাপর্যায়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম পুনঃনির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ভোক্তাপর্যায়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যহার বর্তমান ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। ভারিত গড় ৭ দশমিক ৩৮ থেকে বাড়িয়ে ৯ দশমিক ৮০ টাকা/ঘনমিটার নির্ধারণ করেছে কমিশন।

    দাম বাড়িয়ে গৃহস্থালির ক্ষেত্রে মিটারভিত্তিক গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে ১২ টাকা ৬০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক চুলায় প্রতিমাসে গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯২৫ টাকা এবং দুই চুলায় ৯৭৫ টাকা।

    রোববার (৩০ জুন) বিকেলে রাজধানীর কাওরান বাজারে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, কমিশনের এ আদেশ আগামীকাল সোমবার (১ জুলাই) থেকে কার্যকর হবে।

    gas

    মনোয়ার ইসলাম আরও জানান, সিএনজির ক্ষেত্রে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৩ টাকা এবং হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের ক্ষেত্রে ২৩ টাকা।

    বিদ্যুতের ক্ষেত্রে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ টাকা ৪৫ পয়সা, ক্যাপটিভ পাওয়ারে ১৩ টাকা ৮৫ পয়সা, সার ৪ টাকা ৪৫ পয়সা, শিল্পে ১০ টাকা ৭০ পয়সা এবং চা-বাগানে ১০ টাকা ৭০ পয়সা।

    এর মধ্যে শুধু ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়নি। এর আগের দাম প্রতি ঘনমিটার ১৭ টাকাই রাখা হয়েছে।

    gas2.jpg

    এর আগে গ্যাস কোম্পানিগুলোর আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ১১ থেকে ১৪ মার্চ গণশুনানির আয়োজন করে কমিশন। গ্যাসের উৎপাদন, এলএনজি (লিকুইফাইড ন্যাচারাল গ্যাস) আমদানি, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যয় এবং দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে কমিশন।

    কমিশন আরও জানায়, বিদ্যমান ন্যূনতম চার্জ প্রত্যাহার করা হয়েছে। গৃহস্থালি ছাড়া অন্য গ্রাহকশ্রেণির ক্ষেত্রে প্রতি ঘনমিটার মাসিক অনুমোদিত লোডের বিপরীতে দশমিক ১০ টাকা হারে ডিমান্ড চার্জ আরোপ করা হয়েছে।

  • ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে যেভাবে ঠিক করবেন

    ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে যেভাবে ঠিক করবেন

    অনেকেই নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই খুলতে পারেন না। পাসওয়ার্ড দিলেই লেখা দেখায়, ‘বদলানো হয়েছে’। অথচ পাসওয়ার্ড বদলানো হয়নি!

    আবার বন্ধুদের কাছ থেকে অনেকেই ফোন পান। তাকে বার বার বন্ধুরা জিজ্ঞেস করেন, কেন তিনি তাদের মেসেঞ্জারে অশালীন মেসেজ ও ছবি পাঠাচ্ছেন? শুনে তো আকাশ থেকে পড়ার মতো অবস্থা। কারণ, এ কাজ তিনি করেননি। এর পর ফেসবুক খুলতে গিয়ে হয়তো দেখতে পেলেন, নিজের অ্যাকাউন্ট খোলা যাচ্ছে না।

    এরকম অভিজ্ঞতা আমাদের অনেকেরই হয়। ভার্চুয়াল জগতের উপর নেটিজেনদের নির্ভরতা যত বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে হ্যাকিংয়ের মতো ঘটনা। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ফেসবুক, কোনো কিছুই আর নিরাপদ নয়।

    তবে চিন্তার তেমন কারণ নেই। হ্যাকাররা যত তাদের জাল বিস্তার করছে, ফেসবুক, টুইটারের মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোও তাদের সিকিউরিটি সিস্টেম ততই জোরালো করছে।

    ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গেলে যা করবেন?

    পাসওয়ার্ডটি দেয়ার পরেও অ্যাকাউন্ট যদি না খোলে, সে ক্ষেত্রে ফেসবুকের লগ-ইন পেজে গিয়ে ‘ফরগট পাসওয়ার্ড’ অপশনে যান।

    সেখানে ক্লিক করার পর অন্য একটি পেজ খুলবে। ফেসবুক আপনার ইউজার আইডি, ইমেল আইডি অথবা রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর জানতে চাইবে।

    সে সব দেয়ার পর ‘কন্টিনিউ’ অপশনে ক্লিক করুন।

    এবার আপনার কাছে একটি ‘ওটিপি’ অথবা ‘রিকভারি কোড’ আসবে। সেটা দেয়ার পর আবার ‘কন্টিনিউ’ অপশনে ক্লিক করলেই আপনি আপনার নতুন পাসওয়ার্ড তৈরি করতে পারবেন।

    ব্যস! নতুন পাসওয়ার্ড তৈরি হয়ে যাওয়ার পর আপনি আবার আগের মতো ব্যবহার করতে পারবেন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট।

    কিন্তু আপনার ইমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গেলে বা পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে তখন কী করবেন? এ ক্ষেত্রেও প্রথমে ‘ফরগট পাসওয়ার্ড’ অপশনে যান।

    ইউজার নেম অথবা ফেসবুকের সঙ্গে যুক্ত ইমেইল আইডি নির্ধারিত অপশনে লিখুন।

    এবার ফেসবুক আপনার প্রোফাইল ‘লোকেট’ করবে। নির্দিষ্ট সেই প্রোফাইলে ক্লিক করুন। দেখবেন পাসওয়ার্ড পুনরায় দেয়ার জন্য একটি বক্স আপনাআপনি খুলে যাবে।

    সেখানে গিয়ে ‘নো লঙ্গার হ্যাভ অ্যাক্সেস টু দিস’ অপশনে ক্লিক করুন।

    যে মুহূর্তে আপনি ওই অপশনে ক্লিক করবেন, ফেসবুক আপনার সামনে নিয়ে আসবে আরো কয়েকটি রিকভারি অপশন।

    সেখানে আপনাকে উত্তর দিতে হতে পারে কিছু ব্যক্তিগত প্রশ্নের যা প্রোফাইল খোলার সময় আপনি ফেসবুককে জানিয়েছিলেন।

    নতুন ইউজারদের ক্ষেত্রে প্রোফাইল খোলার সময় যাদের আপনি ‘ট্রাস্টেড কনটাক্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন তাদের মধ্যে কাউকে ফেসবুক লিঙ্ক পাঠাতে পারে। যেখানে আপনার প্রোফাইলটি পুনরায় খোলার সিকিউরিটি কোড থাকবে।

    এর পর সেই সিকিউরিটি কোড ব্যবহার করে আপনি আবার আগের মতোই প্রোফাইলটি ব্যবহার করতে পারবেন।

  • আগামী ৫ বছর পর চাঁদে মানুষ পাঠাবে নাসা!

    আগামী ৫ বছর পর চাঁদে মানুষ পাঠাবে নাসা!

    ২০২৪ সালে চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি হিসেবে সরঞ্জাম পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে নাসা। আগে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা ছিল ২০২৮ সালে চাঁদে মানুষ পাঠানো। যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭০-এর পর এই প্রথম আবারও চন্দ্রপৃষ্ঠে তাদের সরঞ্জাম পাঠানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। ২০২০ এবং ২০২১ সালে এসব যন্ত্র চাঁদে পাঠানো হবে

    যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি মারিন প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রোবেটিক, ইনটুইটিভ মেশিনস এবং অরবিট বিয়ন্ডকে এসব যন্ত্র পাঠানোর দায়িত্ব দিয়েছে। এই প্রকল্পের নাম হয়েছে রাখা আরটেমিস।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন চাঁদে আবারও মানুষ পাঠানোর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে ২০২৪ সালে এগিয়ে আনেন। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন ধরনের চন্দ্রযান তৈরি করবে। এর মধ্যে একটি হবে লম্বা এবং অন্য দুটি হবে কিছুটা ছোট আকৃতির।

    এসব চন্দ্রযান মোট ২৩টি ধাপে নাসার সরঞ্জাম চাঁদে পৌঁছে দিবে। এগুলোর মধ্যে নভোচারিদের চাঁদে অবতরণ, ঘুরে বেড়ানো ও সুরক্ষা বিষয়ক তথ্য সংগ্রহ করার যন্ত্রও থাকবে।

  • বরিশালে ২দিন ব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা

    বরিশালে ২দিন ব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা

    উন্নত আগামীর জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি” এই প্রতিপ্যাদ্য নিয়ে বরিশাল অশ্বিনী কুমার টাউন হলে ২দিন ব্যাপি ৬ষ্ঠ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি (অতিরিক্ত সচিব) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার রাম চন্দ দাস।

    বুধবার বিকালে অশিনী কুমার টাউন হল চত্বরে বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নয়ন ট্রাস্ট এর পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের আয়োজনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    বরিশাল অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম,মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ ইউনুস, বিভাগীয় কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড পরিচালক মোঃ সোহরাব হোসেন।

    অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপাস্থপনা করেন বরিশাল সরকারী ব্রজমোহন কলেজ পদার্থ বিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ মোঃ তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

    অশ্বিনী কুমার টাউন হলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা ১২টি স্টলে তাদের বিজ্ঞান উৎপাদিত প্রদর্শন করেন।

  • কম খরচে বিমান ভ্রমণ, যেতে হবে দাঁড়িয়ে?

    কম খরচে বিমান ভ্রমণ, যেতে হবে দাঁড়িয়ে?

    কম খরচে বিমান ভ্রমণে এবার আমাদের দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই আকাশপথে যেতে হবে! বিমানেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়েই থাকতে হবে? ভাড়া অনেক কম দিতে হচ্ছে বলে!

    সেই সম্ভাবনা জোরালো হয়ে উঠেছে সম্প্রতি জার্মানির হামবুর্গে আয়োজিত একটি এক্সপোর দৌলতে। বিমানের অন্দরসজ্জা বানায় যারা সেই সংস্থাগুলো তাদের নতুন উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হয়েছিল হামবুর্গের সেই এক্সপোয়। সেখানেই একটি সংস্থা দেখিয়েছে বিমানে দাঁড়িয়ে যাওয়ার সিট। যার নাম- ‘স্কাইরাইডার ৩.০’।

    সংস্থাগুলির দাবি, এটাই বিমানের নতুন ধরনের সিটের তৃতীয় ও সর্বাধুনিক সংস্করণ। যারা ‘আল্ট্রা বেসিক ইকনমি’ বা খুব সস্তায় উড়তে চান, গায়ে লাগে না এমন ভাড়া দিতে চান, বিমানে তাদের জন্য এবার চালু হতে পারে এই নতুন ধরনের সিট।

    যদিও সেই সিট নিয়ে ইতিমধ্যেই একের পর এক সমালোচনা ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকেরই অভিযোগ, ওই ধরনের সিটে বিমানে যাত্রীদের জন্য কম জায়গা ছাড়তে হবে বলে আরও বেশি যাত্রী নিতে পারবে উড়ান সংস্থাগুলো। কেউ কেউ বলছেন, ‘‘এ বার জন্তু-জানোয়ারের মতো বিমানে যেতে হবে, সস্তায় আকাশে উড়তে চাইলে।’’

    সেই সব অভিযোগ অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছেন এই ধরনের সিট বানায়, এমন একটি সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাডভাইসার গ্যায়তানো পেরুগিনি। তার কথায়, ‘‘আমরা হাজার হাজার যাত্রীকে কেবিনে পুরতে চাই না। বিমানে আমরা বিভিন্ন ধরনের ক্লাসের ব্যবস্থা রাখতে চাই। ভাড়া অনুযায়ী। যা এখনকার বিমানগুলোতে সম্ভব নয়। একই কেবিনে থাকবেন সব যাত্রী। যারা স্ট্যান্ডার্ড ইকনমি বা প্রিমিয়াম ইকনমি ক্লাসে উড়বেন, তারাও যেমন থাকবেন সেই কেবিনে, তেমনই থাকবেন বিজনেস বা আল্ট্রা-বেসিক ইকনমি ক্লাসে যাওয়া যাত্রীরা। এটাই স্কাইরাইডার সিটের বিশেষত্ব।’’ সূত্র: আনন্দবাজার।

  • দিনাজপুরে দেশের প্রথম লোহার খনি আবিষ্কার

    দিনাজপুরে দেশের প্রথম লোহার খনি আবিষ্কার

    দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দর থেকে ১০ কিলোমিটার পূর্বে ইসবপুর গ্রামে লোহার আকরিকের (ম্যাগনেটাইট) খনি আবিষ্কার করেছে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতর। খনিটির ব্যাপ্তি ছয় থেকে ১০ বর্গকিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে লোহার অস্তিত্বের পাশাপাশি কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে। এক হাজার ১৫০ ফুট গভীরতায় চুনাপাথরের সন্ধানও মিলেছে।

    দীর্ঘ ২ মাস ধরে কূপ খনন করে অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর আজ মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জিএসবি’র কর্মকর্তারা।

    তারা জানান, সেখানে ভূগর্ভের ১ হাজার ৭৫০ ফুট নিচে ৪০০ ফুট পুরুত্বের লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে। যা দেশের জন্য একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা এবং বাংলাদেশে প্রথম আবিষ্কার।

    মঙ্গলবার দুপুরে খননকাজে নিয়োজিত জিএসবি’র উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মাসুম জানান, বিশ্বের যে কয়েকটি দেশে লোহার খনি আবিষ্কার করা হয়েছে, সেসব খনির লোহার মান ৫০ শতাংশের নিচে। আর বাংলাদেশের লোহার ৬৫ শতাংশের উপরে।

    জয়পুরহাট বিসিএসআইআর পরীক্ষাগারে পরীক্ষায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।

    ইসবপুরে লোহার খনি আবিষ্কার বাংলাদেশে এটিই প্রথম। যার ব্যাপ্তি রয়েছে ৬-১০ বর্গ কিলোমিটার পর্যন্ত। এখানে কপার, নিকেল ও ক্রুমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে। ১১৫০ ফুট গভীরতায় চুনাপাথরের সন্ধানও মিলে।

    তিনি আরও জানান, ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতর ২০১৩ সালে এ গ্রামের ৩ কিলোমিটার পূর্বে মুশিদপুর এলাকায় কূপ খনন করে খনিজ পদার্থের সন্ধান পেয়েছিল। সেই গবেষণার সূত্রধরে দীর্ঘ ৬ বছর পর চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল থেকে ইসবপুর গ্রামে কূপ খনন শুরু করা হয়। এরপর ১৩৮০-১৫০০ ফুট গভীরতা পর্যন্ত খননকালে সেখানে আশার আলো দেখতে পাওয়া যায়। এ খবর পেয়ে ২৬ মে জিএসবি’র মহাপরিচালক জিল্লুর রহমান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখানে পরিদর্শনে আসেন। এসময় মহাপরিচালক সাংবাদিকদের সুখবর না দিলেও লোহার খনি আবিষ্কার হতে চলেছে এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। অবশেষে দীর্ঘ চেষ্টার ফলে ১৭৫০ ফুট গভীরতা খনন করে লোহার খনির আবিষ্কার করা হয়েছে। সেখানে প্রায় ৪০০ ফুট পুরুত্বের লোহার আকরিকের এ স্তরটি পাওয়া গেছে।

    এ অঞ্চলে ৬০ কোটি বছর আগে সমুদ্র ছিল। সেই কারণে এখানে জমাট বাঁধা আদি শিলার ভেতরে লোহার আকরিকের এ সন্ধান পাওয়া যায়।

    উপজেলা সদর থেকে ১১ কিলোমিটার পূর্বে ইসবপুর গ্রাম। এ গ্রামের কৃষক ইছাহাক আলীর কাছ থেকে ৫০ শতক জমি ৪ মাসের জন্য ৪৫ হাজার টাকায় ভাড়া নিয়ে খনিজ পদার্থের অনুসন্ধানে কূপ খনন শুরু করে ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতর।

    জিএসবি’র উপ-পরিচালক (ড্রিলিং ইঞ্জিনিয়ার) মাসুদ রানা জানান, গত ১৯ এপ্রিল থেকে ইসবপুর গ্রামে কূপ খনন শুরু করা হয়। ৩০ সদস্যের বিশেষজ্ঞ একটি দল ৩ শিফটে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

    আলীহাট ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি গোলাম মওলা ও ইসবপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, আমরা জানতে পারলাম এখানে লোহার খনি পাওয়া গেছে। এখান থেকে লোহা উত্তোলন করা হলে এখানকার মানুষদের জীবনমান পাল্টে যাবে। কর্মসংস্থান হবে এখানকার মানুষদের। দেশের জন্যও লাভজনক হবে। এমনই আশায় বুক বাঁধছেন এখানকার সর্বস্তরের মানুষ। তাই গুরুত্ব বিবেচনায় সরকারের কাছে খনি বাস্তবায়নে জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।