Category: বরগুনা

  • বেতাগীতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    বেতাগীতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    বেতাগীতে আওয়ামী লীগের ২১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বিএনপির দায়ের করা বিস্ফোরণ আইনের মামলায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে উপজেলার মোকামিয়া বাজার এলাকায় পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। শনিবার তাদের কারাগারে পাঠান আদালত।

    গ্রেফতাররা হলেন— উপজেলার মোকামিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো. শাহিন হাওলাদার (৩৮) এবং একই ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শাওন মৃধা (২৮)।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিএনপির আনন্দ মিছিলে আওয়ামী লীগের হামলার অভিযোগে সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. সুজন হাওলাদার (বিএনপি কর্মী) বাদী হয়ে ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে মো. শাহিন হাওলাদার ও শাওন মৃধাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়াও শাওনের বিরুদ্ধে বেতাগী থানায় সরকারি সেতুর মালামাল চুরির মামলাও রয়েছে।

    আসামিদের গ্রেফতারে অভিযানে নেতৃত্ব দেন বেতাগী থানার ওসি মো. একরামুল হক। তিনি বলেন, নাশকতা মামলায় শাহিন হাওলাদার ও শাওন মৃধাকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদেরে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • পাথরঘাটায় জালে পেঁচানো অজগর সাপ উদ্ধার

    পাথরঘাটায় জালে পেঁচানো অজগর সাপ উদ্ধার

    ‎১৪ দিনের ব্যবধানে লোকালয় থেকে আবারও উদ্ধার হয়েছে ১০ ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ। জালে পেঁচানো অবস্থায় সাপটিকে উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

    মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সকাল নয়টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার ৯ নম্বরের ভাবলাতলা এলাকা থেকে পাথরঘাটা বন বিভাগের সদস্যরা সাপটিকে উদ্ধার করে।

    ‎এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর পাথরঘাটা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকেও জালে পেঁচানো অবস্থায় একটি সাপ উদ্ধার করা হয়েছিল। ১৪ দিনের ব্যবধানে পৌরসভায় দুটি সাপ উদ্ধার হওয়ায় আতঙ্ক বিরাজ করছে সাধারণ মানুষের মাঝে।

    ‎স্থানীয় ফারুক হোসেন বলেন, বাড়িতে সকাল ৭টার দিকে আমার স্ত্রী প্রথমে সাপটিকে জালে পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পায়। তখন সাপটি ফোঁস ফোঁস করে শব্দ করতে থাকে। এসময় পার্শ্ববর্তী লোকজনকে জানালে তারা বন বিভাগকে জানায়।

    স্থানীয় ‎মনির হোসেন বলেন, হঠাৎ করে লোকালয় থেকে একের পর এক সাপ উদ্ধার হচ্ছে। ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে সাধারণ মানুষের।

    ‎বন বিভাগের কর্মী জহির হোসেন বলেন, সকালে মোবাইলে কর করে স্থানীয়রা একটি সাপ আটকা পড়ার কথা জানায়। পরে সেখানে গিয়ে সাপটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সাপটি একটি অজগর। পরবর্তী কালে পাথরঘাটার একটি সংরক্ষিত বনে উদ্ধারকৃত অজগর সাপটিকে অবমুক্ত করা হয়।

    ‎পরিবেশকর্মী শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, ধারণা করা হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাপ জঙ্গল থেকে লোকালয় চলে আসছে।

    এর আগে ছোট ছোট সাপ ধরা পরলেও গত কিছুদিন ধরে পাথরঘাটায় বড় সাপ ধরা পড়ছে। এ নিয়ে জনমনে আতঙ্ক বাড়ছে। ‎বন বিভাগে লোকবল বৃদ্ধিসহ বন্যপ্রাণী উদ্ধারে প্রশিক্ষিত কর্মী নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

  • বরগুনায়  চিরকুট লিখে স্কুল শিক্ষ‌কের আত্মহত্যা

    বরগুনায় চিরকুট লিখে স্কুল শিক্ষ‌কের আত্মহত্যা

    অনলাইন ডেস্কঃ বউয়ের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে চলে গেলাম’ এমন চিরকুট লিখে স্কুল শিক্ষক নজরুল ইসলাম আম গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

    আজ শনিবার সকালে বরগুনার আমতলী উপজেলার হরিদ্রাবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নজরুল ইসলাম আমতলী সদর ইউনিয়নের উত্তর টিয়াখালী ছোবাহান বিশ্বাস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।

    জানা গেছে, উপজেলার হরিদ্রাবাড়িয়া গ্রামের মো. খালেক খাঁনের ছেলে নজরুল ইসলামের সঙ্গে গত দের বছর আগে একই গ্রামের দুলাল ভূইয়ার মেয়ে খাজিদার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল এমন দাবি তার পরিবারের। ওই দম্পতির এক বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

    গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্ধ হয়। আজ শনিবার সকালে স্ত্রী খাজিদা বেগম তার ভাসুর ফেরদৌস খাঁনের সঙ্গে বলেন, আমি আমার বাবার বাড়ি চলে গেলাম, আপনার ভাই আমাকে মারধর করেছে।

    এ কথা বলে স্ত্রী খাজিদা বেগম বাবার বাড়ি চলে যায়। ওই দিন বেলা সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা শিক্ষক নজরুল ইসলামকে একটি আম গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পায়।

    খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরন করেছে। ওই সময় পুলিশ নজরুলের পরিধানের কাপড়ে পেঁচানো একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে।

    এ ঘটনায় আমতলী থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ঘটনার পরপর স্ত্রী খাজিদা বেগম গা-ঢাকা দিয়েছেন। নিহতের বড় ভাই ফোরদৌস খাঁন বলেন, ‘আমার ভাইকে তার স্ত্রী বিয়ের পর থেকেই নানাভাবে নির্যাতন করে আসছে। তার নির্যাতন সইতে না পেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমি আমার ভাইয়ের হত্যাকারীর শাস্তি দাবি করছি।’

    আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়।’

  • অনির্দিষ্টকালের জন্য বরগুনায় বাস চলাচল বন্ধ

    অনির্দিষ্টকালের জন্য বরগুনায় বাস চলাচল বন্ধ

    বরগুনার সব রুটে আজ সোমবার সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ করেছে জেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতি।

    সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলার ঘটনায় এই ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। বরগুনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা মো. সোহরাব বলেন, ‘সমিতির সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে রাতে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন।’

    বরগুনা জেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতি গ্রুপের সভাপতি গোলাম মোস্তফা কিসলু জানান, গতকাল রোববার রাত ১১টার দিকে একটি ফেস্টুন সাঁটানোকে কেন্দ্র করে বরগুনা জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হাসান শিপন তার লোকজন নিয়ে জেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতি গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. ছগীরের ওপর হামলা চালায়। এ সময় সংগঠনের অফিসেও হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এর প্রতিবাদে বরগুনা থেকে সকল প্রকার বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    সাকুরা পরিবহনের স্টাফ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘শ্রমিক ইউনিয়ন ও মালিক সমিতির সঙ্গে ঝামেলা হওয়ায় বাস চলাচল বন্ধ। এখন কোনো বাস চলবে না তাই আমরাও যেতে পারব না।’

    সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার উদ্দেশ্যে টার্মিনালে এসে বাস না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

    বরগুনা সদর উপজেলার ধুপতি নামক এলাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্য যাওয়ার জন্য টার্মিনালে আসা যাত্রী মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমার জানা ছিল না আজকে বাস চলাচল বন্ধ। টার্মিনালে এসে দেখি কোনো বাস চলবে না। এখন আমাকে যেতে হবে কিন্তু কীভাবে যাব বুঝতে পারছি না।’

    বরিশালগামী সজিবখান নামের পরিবহনের কর্মচারি মো. মেহেদী বলেন, ‘আমাদের গাড়ি চালানো বন্ধ। একদিন গাড়ি চালালে ৫০০ টাকা বেতন পাই। কিন্তু এখন গাড়ি না চলায় আমাদের বেতনও বন্ধ।’

    এ ঘটনায় অভিযুক্ত বরগুনা জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হাসান শিপনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে তার মোবাইলে একাধিকবার ফোনে করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

    এদিকে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বাস টার্মিনালে সকাল থেকেই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো থানায় কেউ অভিযোগ জানায়নি। তবে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে যাতে বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।’

  • বরগুনায় বহুল আলোচিত ভুল চিকিৎসায় নবজাতকসহ প্রসূতির মৃত্যু: অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

    বরগুনায় বহুল আলোচিত ভুল চিকিৎসায় নবজাতকসহ প্রসূতির মৃত্যু: অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::: বরগুনার বহুল আলোচিত ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত এবং সেই মামলার এজাহারনামীয় অন্যতম আসামি মো. মিজানুর রহমানকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। শনিবার (২০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-২ এর একটি দল।

    র‌্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারি পরিচালক (মিডিয়া) শিহাব করিম জানান, সম্প্রতি বহুল আলোচিত ভুল চিকিৎসায় বরগুনায় প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার এজাহারনামীয় অন্যতম আসামি ছিলেন মিজানুর রহমান। তিনি বরগুনার বামনার মৃত আব্দুল খালেক হাওলাদারের ছেলে।

    তিনি বলেন, গত ১৫ জানুয়ারি বরগুনা জেলার বামনা থানাধীন এলাকায় সন্তানসম্ভবা এক নারীর প্রসব বেদনা উঠলে তার বাবা ও তার স্বামী মিলে তাকে বিকেল ৩টার দিকে বামনা থানার ৪ নম্বর ডৌয়াতলা ইউনিয়নের ডৌয়াতলা সুন্দরবন ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে ক্লিনিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সবুজ কুমার দাস পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ আল্ট্রাসনো করে দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমের বাবাকে ২০ হাজার টাকা দিলে তারা অভিজ্ঞ সার্জন দিয়ে তার মেয়েকে অপারেশনসহ সম্পূর্ণ চিকিৎসা প্রদান করবেন বলে প্রতিশ্রুতি রাখেন। এতে ভিকটিমের বাবা রাজি হয়ে ক্লিনিকে অগ্রিম ১০ হাজার টাকা জমা দিলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার রুমে ভিকটিমকে অপারেশনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। ক্লিনিকের কর্তব্যরত ডাক্তার সবুজ কুমার দাস অন্য কোনও অভিজ্ঞ সার্জন ও স্টাফ ছাড়াই তার অদক্ষ সহকর্মীদের নিয়ে অপারেশন শুরু করেন।

    কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও অপারেশন থিয়েটার থেকে কোনও সংবাদ না আসায় পরিবারের সন্দেহ সৃষ্টি হয়। সন্দেহের বশে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে অপারেশন থিয়েটার খোলার জন্য বললেও তারা অপারেশন কক্ষের দরজা বন্ধ রাখেন। এভাবে দীর্ঘ ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট অতিবাহিত হবার পর দরজা খোলার জন্য জোরালো দাবি জানালে, ডাক্তার ভিকটিমের বাচ্চাকে তার পেটের মধ্যে পুনরায় রেখে তার পেট বাইরে থেকে সেলাই করে ও কসটেপ লাগিয়ে রাত ১১ টার দিকে অপারেশন থিয়েটার থেকে বের করেন। এসময় তিনি রোগীর হার্টবিট বেড়ে গেছে জানান এবং তাকে জরুরিভিত্তিতে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যেতে বলেন।

    তাদের পরামর্শে ভাড়া করা অ্যাম্বুলেন্সযোগে বরিশাল নেওয়ার পথে ভান্ডারিয়া থানা এলাকায় পৌঁছানোর দীর্ঘ সময় ভিকটিমের কোনও সাঁড়াশব্দ না পেয়ে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, ভিকটিম নারী দেড় থেকে দুই ঘণ্টা আগেই মারা গেছেন।

    ওই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে বরগুনা জেলার বামনা থানায় ৮ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-৬) করেন। ঘটনাটি দেশব্যাপী বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হলে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি করে।

    এএসপি শিহাব করিম বলেন, র‌্যাব এ বিষয়ে আসামিদেরকে গ্রেপ্তারের লক্ষে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-২ এর একটি দল মিজানুর রহমানকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তাকে বরগুনা জেলার বামনা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

  • বরগুনায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

    বরগুনায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

    বরগুনা প্রতিনিধি ::: বরগুনার বামনা উপজেলায় আজ মঙ্গলবার ৩৫ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে বামনা থানা পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলো বামনা উপজেলার কালিকাবাড়ী গ্রামের সগীর সর্দারের ছেলে রিমন সর্দার (২১), ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার ছোনাইঠা গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে জাহিদ খান (২০)।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কালিকাবাড়ী গ্রামে বসে রিমন ও জাহিদ ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয় করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদেরকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।

    বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাইনুল ইসলাম জানান, তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে বরগুনার কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • আমতলীতে ৩ কেজি গাঁজাসহ ২ ভাইকে আটক

    আমতলীতে ৩ কেজি গাঁজাসহ ২ ভাইকে আটক

    আমতলীর শাখারিয়া নামক বাসস্টান্ড থেকে মঙ্গলবার সকালে বরগুনার ডিবি পুলিশ ৩ কেজি গাঁজাসহ দুই ভাইকে আটক করেছে। আটক দুই ভাই কুকুয়া ইউনিয়নের কুকুয়া গ্রামের বাসিন্দা। সম্পর্কে তারা চাচাত ভাই।

    ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনার ডিবি পুলিশের ওসি মো. বশির আলমের নেতৃত্বে একদল ডিবি পুলিশ মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৫টার সময় আমতলী উপজেলার শাখারিয়া নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কুকুয়া গ্রামের জসীম গাজীর ছেলে সজীব (২৩) ও একই গ্রামের আনোয়ার হোসেন গাজীর ছেলে মিলন গাজী (২৪) কে আটক করে। আটকের পর তাদের ব্যাগ তল্লাসী করে ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। তারা সম্পর্কে দুই জন চাচাত ভাই। সজীব ও মিলন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সোমবার সন্ধ্যায় হানিফ পরিবহন যোগে ৩কেজি গাঁজা নিয়ে আমতলী আসছিল। এ খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। মিলন ও সজিব পেশাদার মাদক বিক্রেতা বলে ডিব পুলিশ জানায়।

    ডিবি পুলিশের বরগুনার ওসি মো. বশির আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমতলী উপজেলার শাখারিয়া নমক স্থান থেকে সজীব গাজী ও মিলন গাজী নামে ২জনকে ৩ কেজি গাঁজাসহ আটক করা হয়েছে। আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আমতলী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী শাখয়াত হোসেন তপু বলেন, সজীব গাজী ও মিলন গাজীর বিরুদ্ধে আমতলী থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মঙ্গলবার মামলা করা হয়েছে। মামলার পর তাদেরকে ওই দিন বিকেলে আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

  • তালতলীতে ঝালমুড়ি ক্রয় করতে গিয়ে স্কুল ছাত্রী যৌন নিপীড়নের শিকার

    তালতলীতে ঝালমুড়ি ক্রয় করতে গিয়ে স্কুল ছাত্রী যৌন নিপীড়নের শিকার

    বরগুনার তালতলীতে দোকানে ঝালমুড়ি ক্রয় করতে গিয়ে ৭ম শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রী যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় ঐ স্কুল ছাত্রীর বাবা বিচার চেয়ে অভিযুক্ত পনু ঘড়ামী (৪৮) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।

    মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে ঐ ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে থানায় একটি যৌন নিপীড়ন আইনে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত পনু ঘড়ামী একই এলাকার মৃত্যু খবির উদ্দিনের ছেলে। তিনি গ্রামের একটি মুদি দোকানদার।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর শনিবার দুপুরে ঐ স্কুল ছাত্রী ঝাল মুড়ি ক্রয় করতে স্থানীয় মুদিদোকানে যায়। সেখানে গেলে মুদিদোকানী পনু ঘড়ামী ছাত্রীকে একা পেয়ে যৌন নিপীড়ন করে। এ সময় ছাত্রীটির চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে উদ্ধার করে। ঘটনা জানাজনি হলে পনু ঘড়ামী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। বিষয়টি গ্রাম্য শালিসে সমাধানের জন্য গ্রামের মাতবররা একাধিকবার বৈঠক করেন। এই শালিসের নামে মাতবররা সময়ক্ষেপন করার কারণে মামলা দায়েরে বিলম্ব করেন। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয় ও বিচারের দাবিতে স্কুল ছাত্রী বাবা বাদি হয়ে পনু ঘরামীকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

    তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম খান বলেন,খবর পেয়ে আমি নিজেই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

  • বরগুনায় নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার

    বরগুনায় নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার

    বরগুনার বিষখালী নদীতে ট্রলার থেকে ছিটকে পড়ে নিখোঁজ মো. আউয়াল হাওলাদারের (২৮) মরদেহ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।

    রোববার (৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে হরিণঘাটা ইকোপার্ক সংলগ্ন বিষখালী নদীর লাল দিয়ার চর থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পেশায় আউয়াল একজন জেলে।

    আউয়াল হাওলাদার উপজেলার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের চরলাঠিমারা গ্রামের আব্দুল হামিদ হাওলাদারের ছেলে।

    এর আগে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে বিষখালী নদীর লালদিয়া চর থেকে দক্ষিণে বজ্রপাতের শিকার হয়ে আউয়াল হাওলাদার নিখোঁজ হন। এ ঘটনার পর থেকে কোস্টগার্ড তাকে উদ্ধারে অভিযান চালায়।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য ফাইজুল ইসলাম বলেন, আউয়াল ছিলেন তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। তার মৃত্যুতে পরিবারটি নিঃস্ব হয়ে গেছে।

    জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, চরলাঠিমারা এলাকার ইউনুস মিয়ার একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় আউয়ালসহ চার জেলে মাছ শিকার করছিলেন।

    এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে বিকট শব্দে ওই ট্রলার থেকে আউয়াল ছিটকে নদীতে পড়ে যান। এসময় সঙ্গে থাকা তিন জেলে আহত হন। তারা পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

    এ বিষয়ে পাথরঘাটা কোস্টগার্ডের স্টেশনের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার ফিরোজুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে তল্লাশি শুরু করি। রোববার বেলা ১১টার দিকে হরিণঘাটা ইকোপার্ক সংলগ্ন স্থান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

  • পাথরঘাটায় অভাবের জেরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

    পাথরঘাটায় অভাবের জেরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

    বরগুনার পাথরঘাটায় অভাব-অনটন ও মানসিক চাপ থেকে রেহাই পেতে মো: জাকির হোসেন খাঁন (৪৫) নামের এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

    মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকা এ ঘটনা ঘটে।

    জাকির হোসেন খাঁন নতুন বাজার এলাকার মরহুম আব্দুস ছত্তার খানের ছেলে।

    স্থানীয়রা জানিয়েছে, অভাব-অনটনের কারণে তার পরিবারে কলহ লেগে থাকত। এ মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পেছনের জামরুল গাছের সাথে নাইলনের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেন জাকির। পরিবারের লোকজন খোঁজা-খুঁজি পর বাড়ির পেছনের গাছের সাথে তাকে ঝুঁলতে দেখে ডাক-চিৎকার করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শাহ আলম হাওলাদার বলেন, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। লাশের সুরতহাল শেষে থানায় একটি অপমৃত মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ বরগুনা মর্গে পাঠানো হয়েছে।