Category: বরিশাল

  • ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচীর উদ্ভোধন করলেন যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ

    ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচীর উদ্ভোধন করলেন যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ

    শেখ সুমন :

    বরিশাল মহানগরের ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম এর শুভ উদ্ভোধন করেন যুবরত্ন সাদিক আবদুল্লাহ। এসো হে বীর জনতা, আওয়ামীলীগ এর পতাকা,তলে, এই শ্লোগান কে ধারন করে  কর্মসুচীর শুভ উদ্ভোধন করেন যুবরত্ন সাদিক আবদুল্লাহ।

    সভার সভাপতিত্ব করেন ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি,মনিরুজ্জাৃমান রুবেল। বিশষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এ.কে.এম জাহাঙ্গীর , কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ এর কার্যকরি সদস্য ও মহানগর আওয়ামীলীগ সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম তোতা, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক  মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগ এর সহ,প্রচার সম্পাদক,মিলন ভুইয়া, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর যুগ্ন-আহবায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন ফিরোজ, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুমন সেরনিয়াবাত, মহানগর শ্রমিকলীগ সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাস, মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ সভাপতি মুহা:পলাশ চৌধুরী, মহানগর ছাত্রলীগ সাবেক আহবায়ক জিয়াউর রহমান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। উক্ত,সভা পরিচালনা করেন মহানগর আওয়ামীলীগ এর যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক, ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নইমুল হোসেন লিটু।

  • বরিশাল সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    বরিশাল সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তবে তফসিল ঘোষণার পর যেহেতু আইনিভাবে তার সেখানে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই তফসিল ঘোষণার আগেই এই সফর শেষ করবেন তিনি।

    শনিবার (০৬ জানুয়ারি) রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী বৈঠকে শেখ হাসিনা এ সিদ্ধান্ত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা। ২০১৩ সালের ১৫ জুন রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হয়। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এই চার সিটিতেই আওয়ামী লীগ সমর্থিক প্রার্থীরা জিতলেও আওয়ামী লীগ আমলের ভোটে হেরে যান দল সমর্থিত প্রার্থীরা। এরপর একই বছরের ৬ জুন আওয়ামী লীগের শক্তিশালী অবস্থান থাকা গাজীপুরেও হেরে যান আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী। পাঁচ বিভাগীয় শহরেই আবার বাজতে যাচ্ছে ভোটের দামামা। এবার ভোট হবে দলীয় প্রতীকে। আর জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এসব শহরে ভোট হবে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গোটা দেশবাসীর নজরে থাকবে এই নির্বাচন আর এখানে জয় পরাজয় আগামী সংসদ নির্বাচনে কী ফলাফল আসতে যাচ্ছে তার আভাসও পাওয়া যাবে। এ কারণে আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনকে গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে। আর এর অংশ হিসেবেই শহরগুলোতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। পাঁচ বছর আগের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল সমর্থিত প্রার্থীর হারের পেছনে অন্যান্য অনেক কারণের সঙ্গে দলীয় কোন্দলকেও চিহ্নিত করা হয়েছিল সে সময়।

    এবার আগেভাবেই প্রধানমন্ত্রী শহরগুলোতে গিয়ে নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে চান। সেই সঙ্গে দলের কর্মী সমর্থকদেরকেও উৎসাহী করতে চান। জনগণের কাছে সরকারের উন্নয়নের বার্তা তুলে ধরতে চান। আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে এ সফর শুরু হবে। পাঁচ সিটিতে সফর শেষ করে এর বাইরে আরও তিন বিভাগীয় শহর রংপুর, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহেও যাবেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে যেসব সিটি করপোরশনে ভোট হবে, যেসব এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের গণসংযোগ নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা।বৈঠকে কথা হয় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপ-নির্বাচন নিয়েও।

    শেখ হাসিনা বলেন, তফসিল ঘোষণার পরে স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবেন। তবে যাকে সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে সেই আতিকুল ইসলামকে মানুষের দরজায় দরজায় যেতে হবে।বৈঠকে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বদরউদ্দিন কামরান সিলেট সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তুলে ধরেন। বলেন, ওখানে সরকার বরাদ্দ দেয়। কিন্তু বর্তমান মেয়র আরিফুল হক এসকল কৃতিত্ব নিজের ও বিএনপির ঘরে তুলছেন।জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এগুলোর প্রচারে আপনাদের অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। ভোটের চিন্তায় আমি উন্নয়ন কাজ কখনো বন্ধ করতে পারবো না। সব জায়গায় সমানভাবে উন্নয়ন করা আমার লক্ষ্য। উন্নয়ন এক জিনিস ভোট আরেক জিনিস।’

    এ সময় শেখ হাসিনা সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে আগামী যত নির্বাচন আসবে তাতে নৌকার পক্ষে ভোট চাওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন ও বিএনপি-জামায়াত জোটের অপকর্মের কথা তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেন।শেখ হাসিনার বিভাগীয় সফরের পাশাপাশি দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের জেলা সফরেরও সিদ্ধান্ত হয় বৈঠকে। কারা কোন জেলায় যাচ্ছেন, সেই দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে  জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে কমিটিও করা হয়েছে।

  • বরিশালে শ্রমিক লীগের সভাপতিকে কুপিয়ে জখম

    বরিশালে শ্রমিক লীগের সভাপতিকে কুপিয়ে জখম

    বরিশালে শ্রমিক লীগের সভাপতি আ. ছালাম আকনকে (৫৪) কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

    আহত আকন সদর উপজেলার চড়বাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলাউদ্দিন আকনের ছেলে।

    রবিবার সকালে বরিশাল নগরের পোর্টরোডস্থ কলাপট্টি সংলগ্ন এলাকায় তার ওপর এ হামলা হয়।

    এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সত্যরঞ্জন খাসকেল জানান, তারা বিষয়টি শুনেছেন। হাসপাতালে ও ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যদের পাঠানো হয়েছে।

  • এমপি পংকজ নাথ’র এপিএস’র ওপর হামলা

    এমপি পংকজ নাথ’র এপিএস’র ওপর হামলা

    বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় স্থানীয় সংসদ সদস্য পংকজ নাথের এপিএস সাইফুল ইসলামকে ক্রিকেটের স্ট্যাম্প দিয়ে বেদম মারধরের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবেশীর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টির অভিযোগে এ ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে সাইফুলের স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে দুপুরে স্পিডবোটযোগে ঢাকায় নিয়ে যায়।

    শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা চত্বরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সাইফুল পৌর শহরের আম্বিকাপুর এলাকার জয়নাল মিয়ার ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক ও মালেক জোমাদ্দারের ছেলে মিন্টু জোমাদ্দারের নেতৃত্বে ১০/১২ জন স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাকর্মী সাইফুলের ওপর হামলা চালায়। সাইফুলকে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে উপজেলা চত্বরে ফেলে রাখে। খবর পেয়ে সাইফুলের স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে স্পিডবোটযোগে ঢাকায় নিয়ে যায়।

    ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে হামলাকারী মিন্টু জানান, সাইফুল (মিন্টু) তার বড় ভাই উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মনির জোমাদ্দারসহ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে দিয়েছে। এ কারণে তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্কের ফাঁটল দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় সাইফুলকে নিষেধ করা হলেও সে তা শোনেনি। উপরন্তু সাইফুল (মিন্টু) ও তার ভাইয়ের কাছে বানোয়াট কথাবার্তা বলে। একইভাবে তার কাছেও বাবা ও ভাই সম্পর্কে বানোয়াট কথাবার্তা বলতে থাকে। যা এলাকাবাসীও অবগত রয়েছে। সেই মিথ্যা কথাগুলো বিভিন্নস্থানে রটিয়ে দেয়ায় তার পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়। কোনোভাবে তাকে নিবৃত্ত করতে না পেরে শিক্ষা দেয়ার জন্য মারধর করা হয়েছে।

    মেহেন্দীগঞ্জ থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আকতারুজ্জামান জানান, এপিএস সাইফুল ও মিন্টুর ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। হঠাৎ করে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। সেই বিরোধ থেকে মারধর করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আহত এপিএস সাইফুলের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তারা নিজেরাই সমঝোতার মাধ্যমে তাদের সমস্যা সমাধান করবেন বলে জানিয়েছেন।

  • মানুষের ভালবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই- সাদিক আবদুল্লাহ

    মানুষের ভালবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই- সাদিক আবদুল্লাহ

    শেখ সুমন :

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেন ,আমি এই শহরের রাজনৈতিক একটি পরিবারের সন্তান । আমি তৃনমুল সাধারন মানুষের ভালবাসা নিয়ে রাজনীতিতে এগিয়ে যেতে চাই। আমি কোন কুট রাজনীতি বুঝি না ।ঐ রাজনীতি করতে চাই না। আমি সর্বক্ষন মানুষের ভালবাসা নিয়ে রাজনৈতিক ভাবে চলতে চাই।

    শনিবার দুপুরে প্রতিবাদী সাংবাদিকদের সংগঠন বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যলয়ে এসে মিট দ্যা প্রেস মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। বরিশাল রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি নজরুল বিশ্বাষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মিট দ্রা প্রেস মতবিনিময় সভায় তিনি আরো বলেন আমি বরিশালের স্বার্থে যে কোন উন্নয়নমুলক ভাল কাজে দেশ ও জনসাধারনের উপকার হয় সে কাজ করতে আমি ভয় পাইনা। আমি জনগনের মাঝে থাকতে চাই।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক এ্যাড.একে এম জাহাঙ্গির, বরিশাল মহানগর প্রচার ও প্রকশনা সম্পাদক এ্যাড. গেলাম সরোয়ার রাজিব, বরিশাল জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুমন সেরনিয়াবাত ।আরো বক্তব্য রাখেন বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি প্রতিষ্ঠাকালীন সাবেক সাধারন সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক আনিসুর রহমান স্বপন, সাবেক সভাপতি শুশান্ত ঘোষ ও বর্তমান সাধারন সম্পাদক বাপ্পি মজুমদার।   এর পূর্বে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি, সম্পাদক সহ সদস্যবৃন্দ।

  • বরিশাল জেলা ছাত্রদলের কালো পতাকা মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা- আহত

    বরিশাল জেলা ছাত্রদলের কালো পতাকা মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা- আহত

    বিএনপির গনতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে বরিশাল জেলা ছাত্রদল নেতা সোহেল রাড়ির নেতৃত্বে কালো পতাকা মিছিল হয়। কালো পতাকা মিছিলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ করে ছাত্রদল নেতা সোহেল রাড়ি।

    ছাত্রলীগের হামলায় দুই ছাত্রদল কর্মী আহত হয়। সোহেল রাড়ি আরও জানায়, শুক্রকার নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় কালো পতাকা মিছিল বের করলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাদের মিছিলে হামলা করে। হামলায় ছাত্রদলের সাজিদুল হক সাজিত ও রায়হান গুরুতর আহত হলে তাদেরকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

  • ডিবি পরিচয়ে ছিনতাই, আটক ৫

    ডিবি পরিচয়ে ছিনতাই, আটক ৫

    ডিবি পরিচয়ে টাকা ছিনতাই করে মাইক্রোবাসযোগে পালানোর সময় পাঁচ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে হাতকড়া, ডিবির পোশাক, ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে।
    আটককৃতরা হলো মাদারীপুর জেলার উত্তর দুধখালী গ্রামের মোসলেম হাওলাদারের পুত্র সিরাজ হাওলাদার (৩৮), একই গ্রামের আয়নাল হাওলাদারের পুত্র সুমন হাওলাদার (৩৮), শিবচরের জাহাঙ্গীর ফরাজীর পুত্র নাসের ফরাজী (৩২), শরিয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার পুঠিজুড়ি গ্রামের মজিদ হাওলাদারের পুত্র আলম হাওলাদার (৩৯) ও নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার চিকল গ্রামের ছলেমান আলীর পুত্র মোঃ রানা (২৭)। বৃহম্পতিবার সন্ধ্যায় জেলার গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের সহযোগীতায় কোটালীপাড়া থানা পুলিশ উপজেলার বহড়াবাড়ি গ্রাম এলাকা থেকে তাদের আটক করে।
    পুলিশ জানায়, গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর গ্রাামের খাদিজা বেগম (৫২) ও তার পুত্র কায়েস হাওলাদার (৩০) নির্মাণ সামগ্রী ক্রয়ের জন্য নগদ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হয়। তারা টরকী বন্দর সোনালী ব্যাংক শাখা থেকে আরও ২ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। মোট ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে রড, সিমেন্ট ক্রয়ের জন্য তারা ভুরঘাটার উদ্দ্যেশে রওনা হন। পথিমধ্যে একটি মাইক্রোবাস তাদের গতিরোধ করে ডিবি পরিচয়ে তাদের টেনে হিঁচড়ে মাইক্রোবাসে তোলে। এ সময় গৌরনদী মডেল থানার চৌকস সেকেন্ড অফিসার এসআই সগীর হোসেন বিষয়টি দেখে তাদের আটকানোর চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। বিষয়টি তাৎক্ষনিক তিনি (সগীর) পাশ্ববর্তী সকল থানার ওসিদের অবহিত করেন।
    সূত্রে আরও জানা গেছে, ছিনতাইকারীরা খাদিজা ও কায়েসকে মাইক্রোবাসে তুলেই চোঁখ বেঁধে তাদের সাথে থাকা টাকা ছিনিয়ে নেয়। ছিনতাইকারীরা গৌরনদী থেকে আগৈলঝাড়া মহাসড়ক ধরে কোটালীপাড়ায় প্রবেশ করে। পীড়ারবাড়ীতে মাইক্রোবাস থেকে খাদিজা ও কায়েসকে ফেলে দিয়ে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। এদিকে পুলিশ বিভিন্ন মোড়ে ব্যারিকেট সৃষ্টি করায় ভাঙ্গারহাট পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার বহড়াবাড়িতে পুলিশ ব্যারিকেট দেখে ছিনতাইকারীরা গাড়ি থামিয়ে পালানোর চেষ্টাকালে উল্লেখিতদের পুলিশ আটক করে।
    এস.আই সগীর হোসেন জানান, গত ২১ ডিসেম্বর টরকী বন্দর সোনালী ব্যাংক শাখা থেকে উত্তর কোরিয়া ফেরত কালকিনি উপজেলার বাসিন্দা জনৈক জলিল নামের এক ব্যক্তি আড়াই লাখ টাকা উত্তোলন করেন। ওই চক্রটি ভুয়া ডিবি পরিচয়ে জলিলকে গাড়িতে তুলে তাকে মারধর করে ওই টাকাসহ তার সাথে থাকা অন্যান্য মালামাল নিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে রাখে। ওই ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
    কোটালীপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গৌরনদী মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সগীর হোসেনের সহযোগীতায় আটককৃত ছিনতাইকারীদের কাছ থেকে হাতকড়া, ডিবির পোশাক, ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হলেও তাদের অপর সদস্যরা টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। টাকা উদ্ধারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

  • সবাই খুঁজে পায় শুধু পুলিশ খুঁজে পায়না আসামী আ’লীগ নেতা ছবি চেয়ারম্যানকে

    সবাই খুঁজে পায় শুধু পুলিশ খুঁজে পায়না আসামী আ’লীগ নেতা ছবি চেয়ারম্যানকে

    বন্দর থানার স্থায়ী বাসিন্দা তিনি। ৭নং চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদের তিন বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এমনকি সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি। সদর উপজেলার লাখ লাখ ভোটার তাকে চেনে আওয়ামীলীগ নেতা হিসেবে। তিনি মনিরুল ইসলাম ছবি। তার বিশেষ প্রভাবে চলে বন্দর থানা। কাউকে ধরতে বললে পুলিশ ধরে আবার ছাড়তে বললে ছাড়ে। কিন্তু পরিচিত এই জনপ্রতিনিধিকে খুঁজে পাচ্ছেন না বন্দর থানা পুলিশ। আওয়ামীলীগের ঘরে বাইরে বিতর্কিত মানুষটিকে খুঁজে না পেয়ে আদলতের নির্দেশ বাস্তবায়ন করেনি। ওদিকে আদালতকে ভুল ও মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

    ২০১৭ সালে সাংবাদিক হত্যার হুমকি ও পরিকল্পনার প্রেক্ষিতে থানায় জিডি এবং জিডির সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় ১৩ নভেম্বর আদালত মনিরুল ইসলাম ছবির বিরুদ্ধে মামলা গ্রহন করে সমন জারি করে। ২০১৭ সালের ১৩ নভেম্বর আদালতের সমন নির্দেশে ১৪ নভেম্বর বরিশাল বন্দর থানায় পৌছলে তা জারি করার দায়িত্ব পরে এএসআই বেল্লালের উপর। বেল্লাল সমন ইস্যুতে দীর্ঘ একমাস ধরে গরিমসি করতে থাকে। মাত্র একদিন নামে মাত্র ১১ ডিসেম্বর ছবির বাড়িতে গিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে যে ছবি তার বাড়িতে নেই। সে ঢাকায় থাকায় সমন ইস্যু করা গেল না। যদিও এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওইদিন তিনি ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত ছিলেন। এমনকি পার্টির কাজে বরিশাল ও তার বাড়িতে বেশ কয়েকবার যাতায়াত করেছেন। কিন্তু পুলিশ তাকে খুঁজে পায়নি।

    অভিযোগ রয়েছে, মনিরুল ইসলাম ছবির সাথে যোগাযোগ করেই তার বাড়িতে গিয়েছিল এএসআই বেল্লাল এবং আসামী মনিরুল ইসলাম ছবির পরামর্শ অনুযায়ী আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে ওই পুলিশ কর্মকর্তা। সূত্র নিশ্চিত করেছে, শুধু প্রতিবেদন দাখিল নয়, প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করে প্রথমে মনিরুল ইসলাম ছবিকে দেখায় বেল্লাল। তিনি সম্মতি দিলেই শেষে আদালতে ছবিকে না পাওয়ার প্রতিবেদন দেয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, মুঠোফোনে ছবির সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়েছে তিনি ঢাকায় রয়েছেন।

    প্রশ্ন হলো, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য র্দীঘ একমাস সময় নিয়েও বন্দর থানা পুলিশ খুঁজে পায়নি কিভাবে? ওই একমাস কি পুরোটাই ঢাকায় ছিলেন ছবি? এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাংবাদিক হত্যার পরিকল্পনাকারীকে সুযোগ করে দিতেই বন্দর থানা কর্তৃপক্ষ আসামী না খুঁজে পাওয়ার প্রতিবেদন দিয়েছে। যদিও ২ জানুয়ারী আদালত মনিরুল ছবিকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আদালতের ধার্য তারিখে হাজির হয়নি ছবি। ওদিকে মামলার বাদী মেহেদী হাসান খান বন্দর থানার এএসআই বেল্লালের দাখিলকৃত প্রতিবেদনকে মিথ্যা-বানোয়াট উল্লেখ করে আদালত বরাবর দরখাস্ত করেছেন। সেখানে মেহেদী হাসান খান উল্লেখ করেন, মনিরুল ইসলাম ছবির স্থায়ী ঠিকানা চরকাউয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে। বর্তমানে তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১০ নং ওয়ার্ডের জর্ডন রোডের বাসিন্দা।

    মেহেদী হাসান বলেন, পুলিশ ওই প্রতিবেদন নি:সন্দেহে আসামী কর্তৃক প্রভাবিত হয়ে দিয়েছে। কারন সবাই যেখানে মনিরুল ইসলাম ছবিকে খুঁজে পায় সেখানে পুলিশ খুজে পায়না কেন? তবে বন্দর থানার এএসআই বেল্লাল বলেন, আমি আসামীকে খুঁজতে তার বাড়িতে গিয়ে না পেয়ে এমন প্রতিবেদন দাখিল করেছি। দীর্ঘ এক মাসেও মনিরুল ইসলামকে খুঁজে পাননি এমন প্রশ্ন করা হলে তার কোন সঠিক জবাব দেননি এই এএসআই।

  • বরিশালে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে হামলা ভাঙচুর- আহত

    বরিশালে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে হামলা ভাঙচুর- আহত

    বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এসময় ভাঙচুর করা হয়েছে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন অনুসারী নেতাকর্মীদের বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল। বুধবার (০৩ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে শহরের নুরিয়া স্কুলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বরিশাল কোতয়ালি পুলিশ দ্রুত সেখানে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে নেয়। কিন্তু হামলাকারীদের কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন- সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার রাত ১২টা ১ মিনিটে নুরিয়া স্কুলের একটি কক্ষে কেক কাটার আয়োজন করা হয়।

    রাত দশটার পরে সেখানে নেতাকর্মীরা আসতে শুরু করলে কথিত ছাত্রলীগ সসন্ত্রাসীরা মিলে ৪০ থেকে ৫০ জন সশস্ত্র হামলা চলায়। একপার্যায়ে তারা নেতাকর্মীদের মারধর করে ৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। পরক্ষণে সন্ত্রাসীরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক মাটিতে ফেলে পদদলিত করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করে। এই হামলায় ৫ থেকে ৬ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন জসিম। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মশিউর রহমান জানিয়েছেন- ঘটনার পরে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী কেক কেটে উৎযাপন করে বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ

    প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী কেক কেটে উৎযাপন করে বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল জেলা ও
    মহানগর ছাত্রলীগ আয়েজিত বিভিন্ন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে রাত ১২.০১ মিনিটে কেক কাটে উৎযাপন করে।

    বরিশাল আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে কেক কাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ তালুকদার মোঃ ইউনুস এমপি, মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্মসাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন সেরনিয়াত, সাধারন সম্পাদক আঃ রাজ্জাকসহ নেতৃবৃন্দ ।