Category: জেলার সংবাদ

  • সুপার সাইক্লোন আম্ফানের প্রভাবে বরিশালে বৃষ্টি

    সুপার সাইক্লোন আম্ফানের প্রভাবে বরিশালে বৃষ্টি

    তানজিম হোসাইন রাকিব: সুপার সাইক্লোন ‘আম্ফান’ সর্বোচ্চ ২৪৫ কিলোমিটার গতির ঝড়ো বাতাস নিয়ে উপকূলের দিকে এগোচ্ছে। সঙ্গী হবে অতি ভারী বর্ষণ ও জলোচ্ছ্বাস। এদিকে, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে সকাল থেকেই বরিশালের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। সকাল থেকে কোথাও হচ্ছে বৃষ্টি।

    দুপুরের দিকে বৃষ্টিপাত বাড়লেও বাতাসের গতিবেগ স্বাভাবিক ছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ঘূর্ণিঝড়টি পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে।

    মঙ্গলবার রাত পেরিয়ে বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে আঘাত হানতে পারে। এজন্য পায়রা সমুদ্রবন্দরে জন্য ৭ নম্বর বিপদ সংকেত থাকলেও বরিশাল নদীবন্দরের জন্য তা ২ নম্বর বলবৎ আছে। তাই বিআইডব্লিউর পক্ষ থেকে সব নৌযানকে নিরাপদ স্থানে রাখার নির্দেশ রয়েছে এবং পন্টুনে থাকা কর্মীদের সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে উদ্ধারকারী নৌযান প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানালেন নৌ-সংরক্ষণ ও ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা এসএম আজগর আলী।

  • বুধবার ভোরে আঘাত হানবে ‘আম্ফান’

    বুধবার ভোরে আঘাত হানবে ‘আম্ফান’

    স্টাফ রিপোর্টার//নয়ন মৃধা:  ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। বুধবার (২০ মে) সকাল ৬টায় মহাবিপদ সংকেত জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।
    তিনি আজ মঙ্গলবার অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাতের মধ্যে উপকূলীয় এলাকায় ঝুঁকিতে থাকা ২০ থেকে ২২ লাখ লোককে আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হবে।
    প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি আগামীকাল (বুধবার) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানবে। বাংলাদেশের ভূখণ্ডের উপর দিয়ে এটা অতিক্রম করবে।
    সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এতে ৫১ লাখ ৯০ হাজার ১৪৪ জন লোক থাকতে পারবে। তবে আমরা যেহেতু কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে চিন্তিত, সেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, সেজন্য সেখানে আমরা ২০ থেকে ২২ লাখ লোককে সরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
    তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র সময় আমরা ১৮ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে এনেছিলাম এবং ‘বুলবুল’- এর সময় ২২ লাখ লোককে আমরা আনতে পেরেছিলাম।
    এদিকে আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়, সুপার ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ আগামীকাল বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
    আজ বিকেলে আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পশ্চিম মধ্যবঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুপার ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আকারে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।
    ঘূর্ণিঝড়টি আজ বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৪০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
    বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস জানায়, এটি উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে আগামীকাল বুধবার বিকেলে বা সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুপার ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুপার ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
    মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তি দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
    চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা বয়েছে। উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তি দ্বীপ ও চরসমূহ ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
    ঘূর্ণিঝড় এবং অমাবশ্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বগুড়া, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তি দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ থেকে ১০ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
    ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম জেলাসমূহ এবং তাদের অদূরবর্তি দ্বীপ ও চরসমূহে ভারী থেকে অতি ভারীবর্ষণসহ ঘন্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
    উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্ত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

  • বরিশালে আরো ১২ পুলিশসহ ১৫ জনের করোনা শনাক্ত

    বরিশালে আরো ১২ পুলিশসহ ১৫ জনের করোনা শনাক্ত

    বরিশালে গত ২৪ ঘন্টায় আরো ১৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। এই নি‌য়ে জেলায় ক‌রোনা আক্রা‌ন্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৩ জনে।

    আক্রান্তদের মধ্যে ১২ জন হলেন পুলিশ সদস্য তার সবাই বরিশাল পুলিশে কর্মরত আছেন তারা সবাই পুরুষ বয়স (৪৪, ৩৪, ২৫, ৪৩, ২৯, ৩০, ২৮, ৩৮, ৪৮, ৪৭, ৪৪, ৫৫)। অন্য দুইজন বরিশাল মহানগরীর নাজির মহল্লা এলাকার বাসিন্দা পুরুষ বয়স (৫২, ১৫), অন্য একজন বরিশাল মহানগরীর চকবাজার এলাকার বাসিন্দা পুরুষ বয়স (৩৩) তাদের কোভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া গেছে।

    আজ ১৯ মে মঙ্গলবার বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজর মাইক্রোবায়লোজি বিভাগে স্থাপিত আরটি-পিসিআর ল্যাবে বেশ কিছু নমুনা পরীক্ষা করা হলে আজ ১৫ জনের রিপোর্ট পরেজটিভ আসে।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান জানান, আক্রান্ত ১৫ ব্যক্তির অবস্থান অনুযায়ী লকডাউন করা হয়েছে। তাদের পাশে বসবাসকারীদেরও লকডাউনের প্রক্রিয়া চলছে। এ পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ২৮ জন নারী এবং ৭৫ জন পুরুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।

    বরিশাল জেলায় করোনা আক্রান্তের মধ্যে বরিশাল মহানগরী ৬১, সদর উপজেলা ২জন (রায়পাশা কড়াপুর এবং চরমোনাই), বাবুগঞ্জ ১২জন, মেহেন্দীগঞ্জ ৫জন, উজিরপুর ৭জন, হিজলা ৩জন, গৌরনদীতে ৩জন, বানারীপাড়া ৩জন, বাকেরগঞ্জে ৩জন, মুলাদী ২জন এবং আগৈলঝাড়া ২জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়।

    জেলায় মোট ৩৮ জন ব্যক্তি করোনা মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

    উল্লেখ্য ১৩ মে বরিশাল সদর হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট কর্মরত ০১ জনসহ করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এ জেলায় স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত ৯ জন চিকিৎসক এদের মধ্যে ৪ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক, ৬ জন নার্স, ১ জন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক, ১ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্টসহ মোট ১৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

  • ঘূর্ণিঝড়ে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার নির্দেশ

    ঘূর্ণিঝড়ে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার নির্দেশ

    স্টাফ রিপোর্টার// সাইফুল ইসলাম : ঘূর্ণিঝড় আস্ফান এর কারণে আশ্রয় কেন্দ্রে হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল প্রতিষ্ঠান প্রধানদের চাবি নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থান সহ খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড বরিশাল। ১৯ মে ২০২০ তারিখের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি আদেশ বলে বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ ইউনুস এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের আওতাধীন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানগণকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যমতে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় “আমফান ‘ আগামী ২০ মে, ২০২০ তারিখ বুধবার বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে। সে লক্ষ্যে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের আশ্রয়ের লক্ষ্যে আশ্রয়ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সার্বক্ষণিক খোলা রাখার অনুরোধ সহ প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সার্বক্ষণিক চাবি সহ কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশ প্রদান করেছে শিক্ষাবোর্ড। ঘূর্ণিঝড়ের সময় জরুরি প্রয়োজনে বোর্ডের কন্ট্রোল রুমের সাথে যোগাযোগ করার জন্যও অনুরোধ করেছেন বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ ইউনুস।

  • করোনাজয় করে মাঠে নামলেন ঝিনাইদহের ৭ স্বাস্থ্যকর্মী

    করোনাজয় করে মাঠে নামলেন ঝিনাইদহের ৭ স্বাস্থ্যকর্মী

    খুলনা প্রতিনিধি// জান্নাতুল ফেরদৌস: ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় করোনাজয় করে কাজে যোগ দিয়েছেন চিকিৎসকসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাত স্বাস্থ্যকর্মী। এ সময় তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ নিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত করোনামুক্ত হলেন মোট ২৩ জন। সোমবার (১৮ মে) বেলা ১১টায় তাদের বরণ করা হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সবার উপস্থিতিতে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. সেলিনা বেগম করোনাজয়ীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। সিভিল সার্জন ডা. সেলিনা বেগম বলেন, এক ডেন্টাল সার্জনসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাত স্বাস্থ্যকর্মীকে ছাড়পত্র দেয়া হলো। তার সবাই নিজ নিজ বাড়িতে থেকে সুস্থ হয়েছেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ আসায় ছাড়পত্র দেয়া হলো। তিনি বলেন, জেলায় এ পর্যন্ত ৪৩ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের বিশেষ টিমের চিকিৎসার পর এখন পর্যন্ত ২৩ জন করোনামুক্ত হলেন। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে তাদেরকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদ আল মামুন, ডা. কিরিটি বিশ্বাস ও ডা. সাজ্জাদ রহিমী। ২৪ এপ্রিল হাসপাতালে কর্মরত এক স্বাস্থ্যকর্মীর শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দিলে নমুনা সংগ্রহ করে যশোর ল্যাবে পাঠায় উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। ২৬ এপ্রিল ওই স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এরপর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীসহ নয়জনের করোনা পজিটিভ আসে। এর মধ্যে সাতজনকে ছাড়পত্র দেয়া হলো।

  • ঝালকাঠিতে প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যু, মোট আক্রান্ত ২৪

    ঝালকাঠিতে প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যু, মোট আক্রান্ত ২৪

    ঝালকাঠির নলছিটিতে শ্বাসকষ্ট ও জ্বর-কাশি নিয়ে মারা যাওয়া এক পোশাক শ্রমিকের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল করোনা ভাইরাস পজিটিভ এসেছে।

    মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শিউলি পারভীন। তিনি বলেন, ‘রিপোর্ট পাওয়ার পরপরই স্থানীয় প্রশাসন ওই বাড়িটি লকডাউন করেছে। পাশাপাশি আজ সকালে লোক পাঠানো হয়েছে, মৃত ব্যক্তির সংস্পর্শে থাকা পরিবারের ৯ সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হবে।

    রোববার (১৭ মে) সকালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ নিয়ে তসলিম উদ্দিন খান (৩৯) নামে নারায়ণগঞ্জের একজন পোশাক শ্রমিক নলছিটিতে তার নিজ গ্রামের বাড়িতে মারা যান। তিনি নলছিটি পৌরসভার নাঙ্গুলী এলাকার মুনসুর খানের ছেলে।

    স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তসলিম উদ্দিন নারায়ণগঞ্জের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) তিনি নলছিটিতে তার গ্রামের বাড়ি আসেন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মুনীবুর রহমান জুয়েল জানান, প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট ও জ্বর-কাশি নিয়ে আসায় শুক্রবার (১৫ মে) তসলিমের নমুনা সংগ্রহ করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। কিন্তু রিপোর্ট আসার আগেই তসলিমের মৃত্যু হয়।

    এতে ঝালকাঠি জেলায় প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হলো। আর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এখন পর্যন্ত ২৪ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। ইতোমধ্যে চিকিৎসা নিয়ে ১২ জন সুস্থ হয়েছেন। সুস্থ হওয়াদের মধ্যে অনেকেই বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নিয়েছেন।

  • বরিশালে বন্ধ দোকানের বাথরুম থেকে বের হল ১৫ থেকে ২০ জন ক্রেতা

    বরিশালে বন্ধ দোকানের বাথরুম থেকে বের হল ১৫ থেকে ২০ জন ক্রেতা

    বরিশালে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস নগরবাশীকে মুক্ত ও সুস্থ রাখার জন্য নগরীর সবচেয়ে বাণিজ্যিক এলাকা চকবাজার গ্রিজ্জামহল­া, কাটপট্রি ও বাজার রোড সহ বিভিন্ন এলাকার দ্বীতিয় বারের মত সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করার পরও ঈদ আনন্দ উপভোগকারী বিলাশিতা মহিলা ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সতর্কবার্তা,অর্থ জরিমানা করার পরও এদের লাগাম টেনে ধরে রাখতে পারছেনা জেলা প্রাশসক।

    জেলা প্রশাসকের কঠোর নির্দেশকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে চকবাজারের ব্যবসায়ীরা খেলছেন চোর-পুলিশ খেলা। অন্যদিকে ঈদের মার্কেট করতে আসা পুরুষ ক্রেতাদের চেয়ে বেপরোয়া মহিলা ক্রেতাগণ তাদেরকে কোনভাবেই আটকাতে পারছেনা মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেটরা বাহিরে আসার কারন জানতে চাইলে দেখাচ্ছেন তারা নানা অজুহাত।

    আজ মঙ্গলবার থেকে নগরীর সকল মার্কেট পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষনা করার পরও সকাল থেকে নগরীর চকবাজার, পদ্ধাবতী কাটপট্রি,গ্রিজ্জা মহল­া ও ফজলুল হক এ্যাভিনিয় এলাকার হাজি মহসিন মার্কেটে বিগত দিনের মত ভীড় দেখা যায় চোখে পড়ার মত।

    অণ্যদিকে ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠানে ব্যবসার ধারন পাল্টিয়ে নতুন পদ্ধতিতে বেচা-বিক্রি করতে দেখা যায়। দোকানের সামনে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের দাঁড় করিয়ে রেখে ক্রেতা ভিতরে পাঠিয়ে দিয়ে পুনরায় সামনের সাটার টেনে তালা ঝুলিয়ে দিচ্ছে।

    এসময় তারা গণমাধ্যম কর্মী ও প্রশাসনের লোকজন দেখা মাত্রই দোকান বন্ধ রেখে সামনের সড়কে হাটা চলা করে ক্রেতাদের মত করে।

    এসময় জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্টের ম্যজিষ্ট্রেট রুমানা আফরোজ চকবাজার এলাকায় বেশকিছু মহিলা ক্রেতা,মটর বাইকে ৩জন নিয়ে চলাচলের সময় তাদেরকে চরম সতর্কবার্তা প্রদান করেন।

    এসময় তিনি হঠাৎ করে চকবাজারের নিউ বিশ্বশ্রী নামের একটি বন্ধ দোকানের সামনে এস অবস্থান নেয়। পরবর্তী দোকান মালিক নাটকিয়ভাবে এসে হাজির হলে তাকে দোকানের তারা খুলতে বলে সেসময় দোকান মালিক তালা খুলে ভিতরের সামনে কোন ক্রেতা পাওয়া না গেলেও দোকোনের শেষ প্রান্তে রয়েছে তালা মারা শাড়ির শোরুম এসময় দোকান মালিকের কাছে জানতে চাওয়া ওটা কিশের রুম তখন তারা বলেন বাথরুম তখন তাকে বাথরুরেমর তালা খুলতেই দেখা যায় শাড়ির শোরুম রয়েছে মহিলা-পুরুষ ও শিশু সহ ১৫ থেকে ২০ ক্রেতা এবং দেখা যায় তারা সকলেই কাপড়-শাড়ি ফোড়ক কিনে বসে আছে শুধু বেড় হয়ে যাবার অপেক্ষা।

    মোবাইল কোর্টের ম্যাজিষ্ট্রেটের সাথে মিথ্যা কথার আশ্রয় নেয়ার অপরাধে তাৎক্ষনিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অপরদিকে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট নাজমুলহুদা একদল সেনা সদস্য ও র‌্যাব সদস্য নিয়ে নগরীর একধিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে বন্ধ ঘোষনার প্রথম দিনে জরিমানার চেয়ে মানবিক বিবেচনায় সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ ও সড়কে জনসমাগম শুণ্যের কোঠায় আনার জন্য মাইকিং করেন।

    একই সময় একাধিকবার নিষেধ করার পরও দোকান খোলা রাখার অপরাধে নাজমুল হুদা কয়েকটি দোকান মালিককে জরিমানার আওতায় আনা হয়।

    এ ব্যাপারে বরিশাল জেলা করোনা প্রতিদরোধ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমানের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আজ আবার হঠাৎ করে মার্কেট বন্ধ করার কারনে হয়ত অনেকে জানে না। সেকারনে আজকে তাদেরকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

    এখনো যে কয়টাদিন আছে সেখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুধু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এখন থেকে পথচারী ও ক্রেতা সাধারনকে কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে।

    এমনকি আইন অমান্য করার অপরাধে তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হতে পারে। ক্রেতাদের অবশ্যই বুঝতে হবে ঈদ পাওয়া যাবে কিন্তু তারা যদি করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে শুধু সে নয় তার গোটা পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে একথা তাদের বুঝতে হবে।

  • আজ থেকে বরিশালের শপিংমল বন্ধের নির্দেশ, বিকেল ৪ টার পর যানবাহন বন্ধ

    আজ থেকে বরিশালের শপিংমল বন্ধের নির্দেশ, বিকেল ৪ টার পর যানবাহন বন্ধ

    স্টাফ রিপোর্টার//বিথি আক্তার: বরিশাল মহানগরসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল দোকানপাট, শপিংমল বন্ধ রাখার নিদের্শ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে কার্যকর এ আদেশ জারি করেন বরিশালের জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এস এম অজিয়র রহমান। এর আগে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির জরুরী সভায় এবিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

    আদেশে বলা হয়েছে, দোকানপাট, শপিংমল বন্ধ করা হলেও চিকৎসা সংশ্লিষ্ট জরুরী সেবা সার্বক্ষনিক খোলা থাকবে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দোকান, কাঁচাবাজার ও অন্যান্য পরিসেবাসমুহ আগের নির্দেশনা অনুযায়ী বিকেল চারটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এছাড়া জরুরী কারণ ব্যতিত রিক্সা, অটোরিক্সা, সিএনজি, মোটরসাইকেলসহ যন্ত্রচালিত সকল প্রকার যাত্রী পরিবহনের কাজে নিয়োজিত যানবাহন চলাচল বিকেল চারটার পর সম্পূর্নরুপে বন্ধ থাকবে। পণ্য পরিবহন কাজে নিয়োজিত যানবাহন চলাচল এ আদেশের আওতামুক্ত থাকবে।
    গনবিজ্ঞপ্তিতে সর্বসাধারণকে এ নির্দেশনা মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে, অন্যথায় আদেশ অমান্যকারী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    এর আগে রবিবার জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন বাজার কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ব্যবসায়ীক সমিতির নেতৃবৃন্দর নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের উৎপাদন ব্যবস্থা ঠিক রাখার পাশাপাশি রমজান ও ঈদ উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে শপিংমলসহ বিভিন্ন দোকানপাটসমূহ খোলা রাখার অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এ সিদ্ধান্তের পরিবর্তন ঘটেছে।

    জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়ার রহমান বলেন, ‘বরিশালের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত কয়েকদিনের অবস্থা বিবেচনা করে বলা যায় বিভিন্ন দোকান, শপিংমল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না। পাশাপাশি ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় এবং তাদের অসচেতনতায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণে ঝুঁকিতে রয়েছে নগরবাসী। পাশাপাশি এ সময়ের মধ্যে জেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের হারও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে কমিটির সদস্যদের সম্মিলিত মতামতে বিভিন্ন দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ রাখতে আদেশ জারি করা হয়েছে।’

  • ঝালকাঠিতে তুলনামুলক ভাবে কমছে মার্কেটমুখি মানুষের ভীর।

    ঝালকাঠিতে তুলনামুলক ভাবে কমছে মার্কেটমুখি মানুষের ভীর।

    স্টাফ রিপোর্টার//জুবায়ের হোসাইন: আজ ঝালকাঠির সদরের মার্কেটগুলোয় করোনা পরিস্থিতিতেও ভীর লক্ষ করা যায়। তবে আজকে বিগত কয়েক দিনের চেয়ে আজ তুলনামূলক মানুষের ভীর কম লক্ষ করা গেছে। স্থানীয় একটি বাটার শো-রুম ম্যানেজার মো আক্তারুজ্জামান খান বলেন, আজকে আমাদের সহ আশেপাশের দোকনেও বিক্রি কমেছে গত কয়েক দিনের তুলনায়। শহরের রাস্তা গুলোতে তেমন ভীর দেখা যায়নি। তবে কিছু কিছু স্থানে ভীর বেড়েছে ; সরকারি ছুটির কারনে আজ ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাবে বিধায় সেখানেও ভীর লক্ষ করা গেছে। এছাড়াও নিত্য- প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয়ের জন্য মুদি দোকানে বেশ ভীর লক্ষ করা গেছে।

  • আমির হোসেন আমুর নিজস্ব অর্থায়নে ত্রান সামগ্রী বিতরন ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত

    আমির হোসেন আমুর নিজস্ব অর্থায়নে ত্রান সামগ্রী বিতরন ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত

    নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা, শিল্পমন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক মন্ত্রী, আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি ব্যক্তিগত অর্থায়নে ঝালকাঠি- নলছিটির জনসাধারনের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছেন। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতির শুরু থেকেই তিনি ঝালকাঠী-নলছিটির জনগনের খোজখবর রাখছেন এবং সর্বস্তরের জনগনের জন্য দোয়া অব্যাহত রেখেছেন। সরকারের নানাবিধ ত্রান ও সহায়তা কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনিও নিজস্ব অর্থায়নে অসহায়, কর্মহীন মানুষের মাঝে প্রকাশ্যে ও গোপনে ব্যাপকভাবে খাদ্য এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান প্রধান করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে ঝালকাঠী-নলছিটির অসংখ্য পরিবারের মাঝে তার নিজস্ব অর্থায়নে খাদ্যসামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় নলছিটি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অসহায় ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে পুনরায় খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়। খাদ্যসামগ্রীতে রয়েছে চাল, ডাল, আলু, চিড়া,ছোলা,মুড়ি, তেল, লবণ ও মুশুরি ডাল। বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠী জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ও নলছিটি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ সিদ্দিকুর রহমান,সাবেক উপজেলা আওয়ামীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ ওয়াহেদ কবির খান, নলছিটি পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ডা. এসকেন্দার আলী খান, সাধারন সম্পাদক বাবু জোনার্ধন দাস, নলছিটি উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি মোঃ ফিরোজ আলম খান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ, পৌর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ সহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। আমির হোসেন আমুর নিজস্ব অর্থায়নে ত্রান সামগ্রী বিতরন ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত থাকায় জনসাধানের মাঝে স্বস্তি ও সন্তুষ্টি বিরাজ করছে।