মাশরাফি বলছেন রাজনীতিবিদ নয় খেলোয়াড় হিসেবে দেখতে

মাশরাফি বলছেন রাজনীতিবিদ নয় খেলোয়াড় হিসেবে দেখতে

নির্বাচন শেষে ঢাকায় এসে গত কদিন এক সঙ্গে দুটি কাজ করতে হয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। সকালে রাজনৈতিক কার্যক্রম তো বিকেলে মাঠে অনুশীলন। মাশরাফি যে দুটিই এক সঙ্গে পারেন, সেটি দেখিয়েছেন। তবে কাল থেকে তিনি শুধু একটি পরিচয়েই থাকতে চান, শুধুই খেলোয়াড়।

নড়াইল থেকে আসার পর থেকেই সাংসদ হিসেবে অভিনন্দন পাচ্ছেন সবার কাছে। নির্বাচনের রেশ এখনো পুরোপুরি কাটেনি। রাজনৈতিক পরিচয়টা সাময়িক সরিয়ে খেলার মাঠের নেতা হিসেবে আবারও শুরু করা একটু হলেও যে কঠিন মাশরাফি, সেটি মানছেন, ‘একটা থেকে আরেকটায় আসা এই সময়টা খুব কঠিন। খুব দ্রুত, সংক্ষিপ্ত সময়ে এটা করতে হচ্ছে। তবে আমি সামলে নেওয়ার চেষ্টা করছি। এখন দেখা যাক।

সাংসদ হিসেবে প্রথম খেলতে নামছেন। রাজনৈতিক পরিচয় পাশে রেখে খেলায় যেন পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারেন, মাশরাফির তাই অনুরোধ এবার যেন সবাই তাঁকে শুধু খেলোয়াড় হিসেবে দেখে, ‘অন্য সময় যেভাবে খেলি, সেভাবেই খেলব। খেলোয়াড় হিসেবেই এখানে আমি পরিচিত এবং মাঠেও নামছি খেলোয়াড় হিসেবে, সংসদ সদস্য হিসেবে না। আমি আশা করি আপনারা সবাই আমাকে সেভাবেই দেখবেন।

এখনো পর্যন্ত যে পাঁচ বিপিএলে খেলেছেন চারটিতেই হয়েছেন চ্যাম্পিয়ন। চারবার শিরোপা জিতেছেন তিনটি ভিন্ন ভিন্ন দলের হয়ে। সাফল্যের এই রহস্যটা কী, আগেও বিচ্ছিন্নভাবে নানা ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

আজ আরেকবার বললেন,আগের বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, প্রতিবারই এ চাপ নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করি। গতবার ছাড়া প্রতিবারই আমাকে এই চাপ নিয়ে শুরু করতে হয়েছে। বর্তমান চ্যাম্পিয়নের সব সময়ই আলাদা একটা চাপ থাকে। আপনি যে ভালো দল গুছিয়ে চ্যাম্পিয়ন হবেন এই সংস্করণে, এই নিশ্চয়তাও নেই। কাল থেকে আমাদের খুব ভালোভাবে শুরু করতে হবে। খারাপও হতে পারে। গতবার আমরা শুরুর দিকে হারছিলাম। পরে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। ওই মানসিকতা থাকতে হবে। নির্দিষ্ট কোনো রেসিপি নেই। অনেক জায়গার প্লেয়ার আসে, এখানে বন্ধনটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এক সঙ্গে থাকা,এক সঙ্গে সবকিছু করা। এই ধরনের টুর্নামেন্টে এসব খুব গুরুত্বপূর্ণ।

তবে মাশরাফি আশাবাদী তাঁর দলটা এবার দুর্দান্ত হয়েছে। দলে যে আছেন ক্রিস গেইল, এবি ডি ভিলিয়ার্স, অ্যালেক্স হেলসের মতো বড় তারকা। তবে এটি তাঁকে মোটেও অতি আত্মবিশ্বাসী করছে না, ‘এবার আমাদের দলটা ভালো, ভারসাম্যপূর্ণ। বোলিং বিভাগ একটু ঠিক রাখতে হবে। এখনো সব খেলোয়াড় আসেনি। আগেরবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, একটা প্রত্যাশা তো আছে। গতবারের চেয়ে দল আরও ভালো বলে মনে হচ্ছে। আত্মবিশ্বাস থাকতেই হবে। তবে অতি আত্মবিশ্বাস নয়। নতুন করে টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে,নতুন চ্যালেঞ্জ।

টুর্নামেন্টে মাশরাফির রংপুর রাইডার্স কত দূর যাবে, সেটি নিয়ে পরে ভাবলেও চলবে। আপাতত তাদের ভাবতে হচ্ছে চিটাগং ভাইকিংসকে নিয়ে। রংপুর-চিটাগং ম্যাচ দিয়েই শুরু হয়ে যাবে বিপিএলের ষষ্ঠ সংস্করণ।

banglarmukh official

banglarmukh official

এই সাইটের লেখক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *