ফরহাদ রেজার বিধ্বংসী বোলিংয়ের পর সাইফ হাসানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

২৩১ রানের জবাবে যদি কেউ একজন অসাধারন একটি সেঞ্চুরি উপহার দেয়, তাহলে সেই দলের জয় পাওয়া খুব সহজ হয়ে দাঁড়ায়। সাইফ হাসানের ক্ষেত্রে তেমনটিই বলা যায়। প্রাইম দোলেশ্বরের এই তরুণ ওপেনারের ব্যাটে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি দেখা গেলো মিরপুরের শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

সাইফ হাসানের দুর্দান্ত এই সেঞ্চুরির ফলেই গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে ২৫ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটে হারিয়েছে প্রাইম দোলেশ্বর ক্রিকেট ক্লাব। ২৩১ রানের লক্ষ্য দোলেশ্বর পার হয়ে যায় ৪৫.৫ ওভারেই। ১২৪ বলে ১০২ রান করে আউট হন সাইফ হাসান।

২৩১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে অবশ্য শুরুতেই ওপেনার সৈকত আলিকে হারায় প্রাইম দোলেশ্বর। দলীয় ১৬ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৯ রানের মাথায় আউট হন তিনি। এরপর ফরহাদ হোসেনকে নিয়ে ৫১ রানের জুটি গড়েন সাইফ হাসান।

দলীয় ১৭তম ওভারের প্রথম বলে ব্যক্তিগত ১৯ রানে আউট হয়ে যান ফরহাদ হোসেন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে মার্শাল আইয়ুবকে নিয়ে ৮৮ রানের জুটি গড়েন সাইফ হাসান। দলীয় ১৫৬ রানের মাথায় আউট হন মার্শাল আইয়ুব। ৫৫ বলে ৩২ রান করেন তিনি।

সেঞ্চুরি পূরণ করার পর দলীয় ৪২ ওভারে এসে ১০২ রান করে আউট হন সাইফ হাসান। এ সময় দলীয় রান ছিল ১৮৯। জয়ের জন্য বাকি কাজ সেরে নেন সাদ নাসিম এবং অধিনায়ক ফরহাদ রেজা। সাদ নাসিম ৩৫ রানে এবং ফরহাদ রেজা অপরাজিত থাকেন ২১ রানে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ফরহাদ রেজার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৪৯.১ ওভারে ২৩০ রানে অলআউট হয়ে যায় গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। প্রাইম দোলেশ্বরের অধিনায়ক ফরহাদ রেজা ৯.১ ওভার বোলিং করে ৪০ রান দিয়ে একাই নেন ৫ উইকেট।

শুরুতে মেহেদী হাসানের উইকেট হারিয়েই বিপর্যয়ে পড়ে তারা। মাঝপথে শামসুর রহমান শুভ এবং পারভেজ রসুল কিছুটা দৃঢ়তার পরিচয় দিলে রান ২০০’র গণ্ডি পার হয়। ৪৫ রান করেন শামসুর রহমান। পারভেজ রসুল করেন সর্বোচ্চ ৬৭ রান।

আবু হায়দার রনি ২৯, নাসুম আহমেদ ১৯, রনি তালুকদার ১৭, মায়শুকুর রহমান করেন ১২ রান।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *