পদ্মা সেতুর ২৯তম স্প্যান বসানো হবে আজ সোমবার, ৪ মে। মাওয়া প্রান্তের সেতুর ১৯ ও ২০তম পিলারের ওপর বসবে ‘৪-এ’ নম্বর স্প্যানটি। স্প্যানটিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ার কাছে কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেনে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ১৯ ও ২০ নং পিলারের কাছে। আজ সোমবার সকাল থেকে স্প্যানটিকে পিলারের ওপর বসানোর কাজ শুরু হয়। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের বলেন, সেতুর এই স্প্যান ১৫০ মিটার দীর্ঘ। ৪১টি স্প্যানের ২৮টি পিলারের ওপর স্থাপন হয়ে গেছে। এতে সেতুর ৪.২০ কিলোমিটার এখন দৃশ্যমান হয়েছে। ২৯তম স্প্যান বসে গেলে দৃশ্যমান হবে ৪৩৫০ মিটার বা ৪.৩৫কিলোমিটার। তিনি বলেন, ২৯তম স্প্যানটি বসে গেলে বাকি থাকবে মাত্র ১২টি স্প্যান। সংশোধিত সিডিউল অনুযায়ী আগামী নভেম্বরের মধ্যে সব স্প্যান বসে যাওয়ার কথা আছে। তবে দায়িত্বশীল প্রকৌশলীরা মনে করছেন নির্ধারিত সময়ের আগেই আগস্টের মধ্যে সব স্প্যান বসে যাবে। দ্বিতল সেতুর ওপরে থাকবে সড়ক পথ আর নিচে থাকবে রেলপথ। যা এখন ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। পুরো প্রকল্পটিই আইসোলেটেট। তাই এখানকার দেশি-বিদেশি কর্মীরা অনেকটাই নিরাপদ। এখানে নিরাপদ দূরত্ব বজায়ে রেখে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে না। বাইরের কাউকেই এখানে এখন প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ভেতরে করোনার স্বাস্থ্যবিধি সবই মেনে চলা হচ্ছে।

পদ্মা সেতুর ২৯তম স্প্যান বসানো হবে আজ সোমবার, ৪ মে। মাওয়া প্রান্তের সেতুর ১৯ ও ২০তম পিলারের ওপর বসবে ‘৪-এ’ নম্বর স্প্যানটি। স্প্যানটিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ার কাছে কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেনে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ১৯ ও ২০ নং পিলারের কাছে।

আজ সোমবার সকাল থেকে স্প্যানটিকে পিলারের ওপর বসানোর কাজ শুরু হয়।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের বলেন, সেতুর এই স্প্যান ১৫০ মিটার দীর্ঘ। ৪১টি স্প্যানের ২৮টি পিলারের ওপর স্থাপন হয়ে গেছে। এতে সেতুর ৪.২০ কিলোমিটার এখন দৃশ্যমান হয়েছে। ২৯তম স্প্যান বসে গেলে দৃশ্যমান হবে ৪৩৫০ মিটার বা ৪.৩৫কিলোমিটার।

তিনি বলেন, ২৯তম স্প্যানটি বসে গেলে বাকি থাকবে মাত্র ১২টি স্প্যান। সংশোধিত সিডিউল অনুযায়ী আগামী নভেম্বরের মধ্যে সব স্প্যান বসে যাওয়ার কথা আছে।

তবে দায়িত্বশীল প্রকৌশলীরা মনে করছেন নির্ধারিত সময়ের আগেই আগস্টের মধ্যে সব স্প্যান বসে যাবে। দ্বিতল সেতুর ওপরে থাকবে সড়ক পথ আর নিচে থাকবে রেলপথ। যা এখন ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে।

পুরো প্রকল্পটিই আইসোলেটেট। তাই এখানকার দেশি-বিদেশি কর্মীরা অনেকটাই নিরাপদ। এখানে নিরাপদ দূরত্ব বজায়ে রেখে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে না। বাইরের কাউকেই এখানে এখন প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ভেতরে করোনার স্বাস্থ্যবিধি সবই মেনে চলা হচ্ছে।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *