পটুয়াখালী-ঢাকা রুটের লঞ্চগুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

পটুয়াখালী-ঢাকা রুটের যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে লঞ্চগুলোতে মানা হচ্ছে না সরকারি নির্দেশনা বা স্বাস্থ্যবিধি। এ সব লঞ্চের ডেকের যাত্রীরা সামজিক দূরত্ব বাজায় না মেনে যার যার ইচ্ছে মতো ছিট নিয়ে গাদাগাদি করে লঞ্চে যাতায়াত করছেন। লঞ্চগুলোতে নেই স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থাও। এমনকি লঞ্চগুলোতে যাত্রী চলাচলে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনেরও নেই কোন নজরদারি কিংবা তদারকি। এতে করোনাভাইরাস সংক্রমণে চরম ঝুঁকিতে থাকলেও সকলে যেন নিরব-নিশ্চুপ।

গতকাল সোম ও আজ মঙ্গলবার দু’দিন সরেজমিনে পটুয়াখালী লঞ্চ ঘাটে এমভি সুন্দরবন-৮, এমভি এ.আর খান-১, এমভি প্রিন্স আওলাদ-৭ ও এমভি সত্তার খান-১ লঞ্চে স্বাস্থ্যবিধি ভাঙার এমন ভয়াবহ চিত্র ফুটে ওঠে।

জানা যায়, একটানা ৬৫ দিন বন্ধ থাকার গত ৩১ মে থেকে সারাদেশে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়। এ ক্ষেত্রে যাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে, সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ চলাচলে সরকারের নির্দেশনা থাকলেও তার কোনটাই মানা হচ্ছে না। বরং সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে লঞ্চ স্টাফরা যাত্রী উঠাচ্ছেন এবং যাত্রীরা যার যার মতো গাদাগাদি করে ছিট নিয়ে বসে আছেন। গত ৩১ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত ১০ দিন একই চিত্র ছিল বলে নিশ্চিত করেছে লঞ্চ ঘাটের বিভিন্ন হকার ও যাত্রীরা।

স্থানীয় হকার ও যাত্রীরা জানায়, প্রথম ৩/৪ দিন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা, বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তারা এবং র‌্যাব-পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নজরদারি ও তদারকি ছিলো। কিন্তু ৫/৬ দিন ধরে লঞ্চ ঘাটে কারও কোন নজরদারি বা তদারকি নেই। এর ফলে স্বাস্থবিধির তোয়াক্কা না করে লঞ্চ স্টাফরা তাদের খেলাল-খুশি মত যাত্রী উঠাচ্ছেন এবং যাত্রীরাও তাদের মত করে যেখানে-সেখানে ছিট নিয়ে গাদাগাদি করে বসে পড়ছেন।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *