কীর্তণখোলা নদীর পানি এখন লোকালয়ে

দক্ষিণাঞ্চলের ৭ টি নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে। বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পক্ষ থেকে বুধবার (১৩ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

পাউবো সূত্র জানায়, কীর্তনখোলা নদীর বিপৎসীমা ২ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার। বর্তমানে এই নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে ২ দশমিক ৫৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে। এছাড়া ভোলার দৌলতখান সংলগ্ন সুরমা ও মেঘনা নদীর পানির বিপৎসীমা ৩ দশমিক ৪১ সেন্টিমিটার।

বর্তমানে এই নদীতে ৩ দশমিক ৭৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তজুমদ্দিন এলাকার সুরমা ও মেঘনা নদীর বিপৎসীমা ২ দশমিক ৮৩, বর্তমানে প্রবাহিত হচ্ছে ৩ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে।

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পায়রা ও বুড়িশ্বর নদীর বিপৎসীমা ২ দশমিক ৮১, প্রবাহিত হচ্ছে ২ দশমিক ৮৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে। বরগুনার পাথরঘাটার বিষখালি নদীর বিপৎসীমা ২ দশমিক ৮৫, প্রবাহিত হচ্ছে ৩ দশমিক ৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে এবং উমেদপুরে কচা নদীর বিপৎসীমা ২ দশমিক ৬৫, বর্তমানে প্রবাহিত হচ্ছে ২ দশমিক ৭২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে।

পাউবো বরিশালের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুম জানান, বর্ষা মৌসুমে বিভাগের মোট ২৩টি নদীর পানিপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়। তবে বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ ১০টি নদীর পানি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সাতটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে বিভাগের অনেক নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *