বরিশালে বাড়ছে নদীর পানি

বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন নদীর পানি আরও বেড়েছে। গত শনিবার বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি গতকাল রোববার তজুমুদ্দিন পয়েন্টে আগের দিনের চেয়ে ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে ১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। আরও কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করে প্রবাহিত হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাইড্রোগ্রাফি বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দুপুরে তজুমুদ্দিন পয়েন্টে সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার (২.২২ মিটার) ১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

বেলা ১২টার দিকে ঝালকাঠী পয়েন্টে বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার (১.৪০ মিটার) ১৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে, একই নদীর পানি বেতাগী পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং পাথরঘাটা পয়েন্টে ১৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে, কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে, ভোলার দৌলতখান উপজেলায় সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে, ভোলা খেয়াঘাট এলাকায় তেতুলিয়া নদীর পানি ৩৩ বিপৎসীমার সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে, কঁচা নদীর পানি উমেদপুর পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার
হিজলা পয়েন্টে ধর্মগঞ্জ নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং পিরোজপুর পয়েন্টে বলেশ্বর নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। অন্যান্য নদীর পানিও আগের চেয়ে বেড়েছে। প্রতিদিন দুই বার জোয়ারের সময় নদীরে পানি বাড়লেও আবার ভাটির সময় নেমে যাচ্ছে। জোয়ারের সময় নদীর পানি উপরে চর ও নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।
পানি বৃদ্ধির বিষয়ে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিব হোসেন বলেন, ভারতে বন্যা হচ্ছে। উত্তরাঞ্চলেও বন্যা হচ্ছে। এ কারনে দক্ষিনাঞ্চলের নদীর পানি অনেক বেড়েছে। এই সময়ে দক্ষিনের নদীর জোয়ার ভাটার ব্যবধান খুবই কম। আগামী অমাবশ্যা পর্যন্ত নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে ধারণা করছেন তাঁরা।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *