জন্মস্থান বরিশালে পা রেখেই কাঁদলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভার স্পিকার

জন্মস্থান বরিশালের মাটিতে পা রেখেই কাঁদলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, ‘এ এক ভিন্ন অনুভূতি।

’ একটা বিশেষ পরিস্থিতিতে জন্মস্থান ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল পুরো পরিবারকে। কলকাতায় গিয়েও একটা করুণ অবস্থার মধ্যে পড়েছিলেন। বাবা প্রাণতোষ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঠাকুরদা সতীশ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় বরিশালে আইন পেশায় ছিলেন। বাবা-মার কাছে শুনেছেন, তার জন্ম বরিশালে ডগলাস বোর্ডিংয়ে। গতকাল বিকালে বরিশাল বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। ঢাকা থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি বরিশাল বিমানবন্দরে অবতরণ করার পরপরই স্ত্রী নন্দিতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে নামেন বরিশালে জন্ম নেওয়া বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই অতিথি দম্পতিকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বরিশালের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. নুরুল আলম, জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, মহানগর পুলিশের উপকমিশনার উত্তম কুমার পাল, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সাধারন সম্পাদক একে. এম জাহাঙ্গীর, মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, উপজেলা চেয়ারম্যান, যুবলীগ, ছাত্রলীগ  নেতৃবৃন্দ । জন্মস্থানে আসার অনুভূতি জানতে চাইলে বর্ষীয়ান রাজনীতিক বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন। বলেন, ‘এ অনুভূতি বলে বোঝাতে পারব না।

’ ৫ নভেম্বর থেকে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সে যোগ দিতে গতকাল বিকালে ঢাকা হয়ে আকাশপথে জন্মস্থান বরিশালে আসেন তিনি। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘১৯৪৭-৪৮ সালে আমার জন্ম। অনেক দিন ধরেই বুকের ভিতর চাপা প্রত্যাশা ছিল জন্মভূমিতে আসার।

সে আশা আজ পূরণ হয়েছে। কাল (আজ) দেখতে যাব জন্মভিটা। ’ আজ সকাল ১০টায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সস্ত্রীক পিতৃভিটা দেখতে প্রথমে বিএম কলেজে যাবেন। পরে গৌরনদীর ঐতিহ্যবাহী মাহিলাড়া মঠ, আগৈলঝাড়ার গৈলায় মনসা মঙ্গলের কবি বিজয় গুপ্তের মনসা মন্দির পরিদর্শন শেষে আবার সার্কিট হাউসে ফিরে মধ্যাহ্ন ভোজ করবেন। বিকালে যাবেন বরিশাল মহাশ্মশান ও চারণকবি মুকুন্দ দাশ প্রতিষ্ঠিত কালিমন্দির দর্শনে। আগামীকাল দুপুরে আকাশপথে ঢাকার উদ্দেশে বরিশাল ত্যাগ করবেন তিনি।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *