বয়স্ক হওয়ায় প্রেমিককে অস্বীকার, দুই স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ

বয়স্ক হওয়ায় প্রেমিককে অস্বীকার, দুই স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ

বরিশাল নগরীর কাশিপুর গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ৬ষ্ঠ শ্রেণির দুই ছাত্রীকে অপহরণের পর ফ্ল্যাট বাসায় আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার ভোরে রাজধানীর সিপাহীবাগ থেকে অপহৃত দুই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে অপহরণ ও ধর্ষণে জড়িত মিরাজ শেখ (৩৫) ও রিপন হাওলাদারকে (৩০) গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার মিরাজ পিরোজপুরের অমিতপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে এবং একই এলাকার নান্না হাওলাদারের ছেলে রিপন হাওলাদার।

এর আগে বুধবার সকালে কাশিপুর এলাকা থেকে ওই দুই ছাত্রী নিখোঁজ হয়। তাদের বাড়ি নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের চহঠা এলাকায়।

নগরীর বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি এআর মুকুল বলেন, বুধবার সকালে নিজ নিজ বাড়ি থেকে স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পর দুই ছাত্রী নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর অজ্ঞাত স্থান থেকে মুঠোফোনে দুই ছাত্রীর কান্না অভিভাবকদের শোনানো হয়। এরপর এক ছাত্রীর বাবা থানায় জিডি করেন। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

barishal

পরে মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং করে রাজধানীর সিপাহীবাগে দুই স্কুলছাত্রীর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয় পুলিশ। রোববার ভোরে অভিযান চালিয়ে দুই ছাত্রীকে উদ্ধার এবং অপহরণ ও ধর্ষণে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার দুই যুবক পুলিশকে জানিয়েছে, গত দুই মাস থেকে ওই দুই স্কুলছাত্রীর সঙ্গে মোবাইলে তাদের কথা চলছিল। তারা দুইজন একাধিক সন্তানের জনক হলেও নিজেদের স্কুলছাত্র পরিচয় দিয়ে দুই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

বুধবার দুই স্কুলছাত্রীর সঙ্গে কাশিপুর এলাকায় দেখা করে তারা। বয়স বেশি হওয়ায় দুই স্কুলছাত্রী তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চায়। সেইসঙ্গে তাদের প্রেমের সম্পর্ক অস্বীকার করে ছাত্রীরা।

এ সময় তারা ভয়ভীতি দেখিয়ে দুই ছাত্রীকে ঢাকার সিপাহীবাগ নিয়ে যায়। সেখানে একটি ফ্ল্যাটে আটকে রেখে দুই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে তারা।

ওসি এআর মুকুল বলেন, উদ্ধারের পর রোববার দুপুর ১২টার দিকে দুই স্কুলছাত্রী এবং গ্রেফতার দুই যুবককে ঢাকা থেকে বরিশাল বিমানবন্দর থানায় নিয়ে আসা হয়। ছাত্রীদের ধর্ষণে জড়িত মিরাজ ও রিপনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

banglarmukh official

banglarmukh official

এই সাইটের লেখক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *