Category: অপরাধ

  • বগুড়ায় স্কুলছাত্রকে শ্বাসরোধ করে হত্যা

    বগুড়ায় স্কুলছাত্রকে শ্বাসরোধ করে হত্যা

    বগুড়ার গাবতলীতে সিফাত হোসেন (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির স্কুলছাত্রকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে দুবৃত্তরা। শনিবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    রোববার (৯ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের কোনো কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন গাবতলী থানার ওসি আশিক ইকবাল।

    নিহত সিফাত উপজেলার উনচুরকি উত্তরপাড়া গ্রামের হাফিজার রহমান মোল্লার ছেলে এবং গাবতলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রোজাদার সিফাত শনিবার গ্রামের মসজিদে ইফতার করার পর বাড়িতে আসে। এরপর বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। রাত ৯টার দিকে স্থানীয়রা বাড়ির কাছে উনচুরকি উত্তরপাড়া ঈদগাহ মাঠের পাশে পুকুরপাড়ে সিফাতের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    চিকিৎসক জানান, সিফাতের গলায় হাতের আঙুলের দাগ ছিল; সম্ভবত তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

    ছেলের হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান নিহত সিফাতের মা রুলি বেগম।

    গাবতলী থানার ওসি আশিক ইকবাল জানান, সিফাতের মরদেহ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব কোনো বিরোধের জেরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এরপরও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    তিনি আরও জানান, হত্যায় জড়িত সন্দেহে হাসপাতাল থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত ও জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

  • যে কারণে স্বামীকে ৯ টুকরো করে সেফটিক ট্যাংকে ফেলেন স্ত্রী

    যে কারণে স্বামীকে ৯ টুকরো করে সেফটিক ট্যাংকে ফেলেন স্ত্রী

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যা করে নয় টুকরা করে ইট দিয়ে পলিথিনে পেঁচিয়ে পাশের বাড়ির সেফটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখে স্ত্রী।

    ঘটনার চারদিন পর গতকাল (মঙ্গলবার) তার লাশ উদ্ধার করেছে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা পুলিশ। এই ঘটনায় ঘাতক স্ত্রী মোমেনা বেগম, তার ছেলে রাসেল ও মেয়ে লাকীকে আটক করেছে পুলিশ।

    জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল অরুন মিয়া। নিহতের বাবার নাম সুরুজ ব্যাপারী।

    পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ফরদাবাদ ইউনিয়নের ফরদাবাদ গ্রামের মধ্যপাড়ার অরুণ মিয়া প্রথম স্ত্রী মৃত্যুর পর ৩৫ বছর আগে দ্বিতীয় বিবাহ করেন একই গ্রামে মোমেনা বেগমকে। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চরম আকার ধারণ করে। এক পর্যায়ে অরুন মিয়া তার প্রথম স্ত্রীর সন্তান রুবেলের কাছে ঢাকায় চলে যান।

    এদিকে অরুন মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান দুবাইয়ে কর্মরত অবস্থায় মারা যান। পরে দেশে এনে তার লাশ দাফন করা হয়। তার বিদেশ যাওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ঋণ করেন। পরবর্তীতে অরুন মিয়া তার জমি বিক্রি করে দেনা পরিশোধ করেন।

    গত শুক্রবার বিকেল থেকে অরুণ মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এ বিষয়ে গত সোমবার তার প্রথম স্ত্রীর সন্তান লুৎফুর রহমান রুবেল বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন।

    গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অরুণ মিয়ার পার্শ্ববর্তী বাড়ির সৌদি প্রবাসী মনির মিয়ার সেফটি ট্যাংকির কাছে দুর্গন্ধ পায় এলাকাবাসী এসময় তারা টর্চ লাইট দিয়ে ভিতরে পলিথিনে মোড়ানো কিছু দেখতে পায় । এরপর পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে সেফটি ট্যাংকের মধ্যে থেকে নয় টুকরো পলিথিন দিয়ে মোড়ানো অংশ উদ্ধার করে এটা অরুণ মিয়ার লাশ বলে তার ছেলে শনাক্ত করে।

    প্রতিবেশী কুদ্দুস মিয়া বলেন, কত শুক্রবার আমরা সঙ্গে অরুণ মিয়া নামাজ পড়েছে তারপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল তার বউ আমাদের বলেছে শুক্রবার সকালে সে ঢাকা গিয়েছে এ বিষয়টি আমাদের সন্দেহ হয়।

    পরবর্তীতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমরা মনিরের বাড়ির সেফটি ট্যাঙ্কে দুর্গন্ধ পাই পরে টর্চ লাইট দিয়ে দেখি পলিথিনে মোড়ানো কিছু জিনিস। আমরা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ পলিথিন প্যাঁচানো মধ্যে লাশ দেখতে পান। পরে লাশটি শনাক্ত করে তার ছেলে।

    অরুণ মিয়ার প্রথম স্ত্রীর সন্তান লুৎফুর রহমান রুবেল বলেন, আমার বাবা সাত বছর আমার কাছে ছিল কিছুদিন আগে আমার প্রতিবেশী চাচারা বিষয়টি মিটমাট করে দেয় এবং আমার ছোট মায়ের সঙ্গে আমার বাবা থাকা শুরু করে। এরমধ্যে আমার ভাই সৌদি আরবে মারা যায়। তার বিদেশ যাওয়ার সময় অনেক টাকা দেনা ছিল পরবর্তীতে আমার বাবা জমি বিক্রি করে এই দেনা পরিশোধ করে। গত কয়দিন যাবত আমি ফোনে আমার বাবার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করি কিন্তু যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। পরে গত রোববার আমি বাড়িতে আসি এবং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি।

    বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার পরিদর্শক সুজন চন্দ্র পাল বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি পারিবারিক কলহের জেরে অরুন মিয়াকে মারা হয়েছে। এই ঘটনায় মোমেনা বেগম তার ছেলে রাসেল ও মেয়ে লাকিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।

  • এক মাসে ৩৫৪ নারী-শিশু নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার ৭৭ জন

    এক মাসে ৩৫৪ নারী-শিশু নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার ৭৭ জন

    নিউজ ডেস্কঃ জুলাই মাসে দেশে ৩৫৪টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ধর্ষণের ঘটনা ৫৯টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ১৬টি এবং ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে ২টি। এই সময়ে ২ প্রতিবন্ধি শিশু-কিশোরী ধর্ষণ ও ৩ জন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এছাড়া নির্বাচনী ও রাজনৈতিক সহিংসতার ৩৭টি ঘটনায় শিশুসহ মারা গেছেন ৫ জন এবং আহত হয়েছেন ২৬৬ জন। পাশাপাশি বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন ১ জন এবং ১ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

    মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    রোববার (৩১ জুলাই) সংগঠনের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরা হয়।

    বিভিন্ন গণমাধ্যমে তুলে ধরা চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সংঘটিত ঘটনার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এমএসএফ এ প্রতিবেদন তৈরি।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও এমএসএফ’র সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে দেশে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা যেমন: ধর্ষণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, হত্যা, আত্মহত্যা ও পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা বিগত মাসগুলোর মতই অব্যাহত ছিল, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ধর্ষণের শিকার ৫৯ জনের মধ্যে ১৬ জন শিশু, ২৬ জন কিশোরী রয়েছেন।

    অপরদিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১ জন শিশু ও ৭ জন কিশোরী। এবং ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হছে ২ শিশু। এ সময়ে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে ২২টি, যৌন হয়রানির ঘটনা ২৮টি ও শারীরিক নির্যাতনের ৪৪টি ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া এক শিশু, ২৮ জন কিশোরী ও ৩৯ জন নারীসহ মোট ৬৮ জন আত্মহত্যা করেছেন। এদের মধ্যে দুইজন প্রতিবন্ধি নারীও রয়েছেন।

    এছাড়া অ্যাসিড নিক্ষেপে আক্রান্ত হয়েছেন ১ নারী। এ মাসে অপহরণের শিকার হয়েছেন ২ কিশোরী ও ২ নারী, অপরদিকে ৩ শিশু ও ৩ কিশোরী নিখোঁজ হয়েছেন। এছাড়াও জুলাই মাসে ১০ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যুসহ মোট ৮৮ শিশু, কিশোরী ও নারী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ২৪ শিশু ও কিশোরী রয়েছেন। এ মাসে জুনের চেয়ে ৩২টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিশোধ, পারিবারিক বিরোধ, যৌতুক, প্রেমঘটিত ইত্যাদি কারণে এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

    এমএসএফ জানায়, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে দেশে যথেষ্ট কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা লক্ষ্যণীয় নয়। এ কারণে অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা ক্রমাগতভাবে বেড়েই চলেছে। সমাজে অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষায় সরকারের নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন। দেশে ধর্ষণ, শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন, শ্লীলতাহানি, যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সামাজিক সুরক্ষার পাশাপাশি রাষ্ট্রের দায়-দায়িত্ব ও নজরদারি আরও জোরদার করতে হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন ছাড়াও চলতি বছরের জুলাই মাসে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন একজন, গুলিবিদ্ধ হয়েছেন একজন এবং আহত হয়েছেন র্যাবের দুই সদস্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। কারা হেফাজতে মৃত্যু হয় ২ জনের, যা গত মাসের তুলনায় কমলেও উদ্বেগজনক। এছাড়াও কারাগারে নির্যাতন ও বিনা অপরাধে কারাগারে আটকের অভিযোগ উঠেছে।

    নির্বাচনী ও রাজনৈতিক সহিংসতার ৩৭টি ঘটনায় শিশুসহ মারা গেছেন ৫ জন এবং আহত হয়েছেন ২৬৬ জন। নির্বাচনী সহিংসতায় ২ জন এবং ৩ জন রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়ে মারা গেছেন। সীমান্তে জুলাই মাসে ৩টি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশীকারীকে উভয়পক্ষের সীমান্তরক্ষী বাহিনী কর্তৃক আটক বা বাধা প্রদানের ঘটনা ঘটেছে। জুলাই মাসে ১৬টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ৭ জন নিহত ও ৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। চুরি, ডাকাতি বা পরকীয়া সন্দেহে গণপিটুনির এসব ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

    এছাড়াও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বিএনপির ৩ নেতাকর্মী ও ২ দম্পতিসহ মোট ৫ জন গ্রেফতার হয়েছেন। এ মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৬টি মামলা হয়েছে এবং ১টি মামলার আবেদন করা হয়েছে। ১২ ঘটনায় ১ জন সাংবাদিকের মরদেহ, ১ জন নারী সাংবাদিকের ঝুলন্ত লাশ, ২ জন সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, ৫ জন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধাগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ সময় বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে মারধরের হুমকিসহ তাদের বাসাবাড়ি এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।.

    এমএসএফ জানায়, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে যেভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের যেভাবে হয়রানি ও শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে, তা শুধুমাত্র অনাকাঙ্ক্ষিতই নয় বরং বস্তুনিষ্ঠ ও সৎ সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করার সামিল। তথ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় অপমাণ, নিপীড়ন, হত্যার হুমকি, হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী, সরকারি কর্মকর্তা ও দুষ্কৃতকারীর পাশাপাশি মাদক কারবারিরা এসব কাজে জড়িত।

  • বরিশালে টাকা পাওয়ার অজুহাতে গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ

    বরিশালে টাকা পাওয়ার অজুহাতে গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে স্বামীর কাছে টাকা পাওয়ার অজুহাতে গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ ও দিনভর স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছেন ওই গৃহবধূ।

    শনিবার সকাল ১০টায় মেহেন্দীগঞ্জের কাজিরহাট এলাকার ভঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভঙ্গা গ্রামের জাকির হোসেন সরদারের ছেলে সোহাগ সরদার ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ ও নির্যাতন করেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ। ঘটনার পর নির্যাতিতা গৃহবধূ মুলাদী হাসপাতালে ভর্তি হলেও প্রভাবশালীরা তাকে নিয়ে গেছেন।

    জানা গেছে, গৃহবধূর স্বামী ওই গ্রামের কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা ধার নেন। পাওনা টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর স্বামী এলাকা ছেড়ে চলে যান। সোহাগ সরদার গৃহবধূর স্বামীর কাছে ১০ হাজার টাকা পাবে বলে দাবি করেন।

    কুরবানির ঈদের পর থেকে সোহাগ সরদার ওই গৃহবধূকে তার স্বামীর কাছে পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। কিন্তু অসহায় গৃহবধূ টাকা পরিশোধ করতে না পারায় শনিবার সকালে তাকে বাড়িতে ডেকে নেন।

    গৃহবধূ জানান, পাওনা টাকার বিষয়ে কথা আছে বলে সোহাগ সরদার তাকে ঘরে ডেকে নেন। তিনি ঘরে যাওয়ার পরপরই সোহাগ দরজা বন্ধ করে দেয়। ঘরের মধ্যে কেউ না থাকায় সোহাগ তার হাত ও মুখ বেঁধে একাধিকবার ধর্ষণ করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ে ও আঘাত করে অমানুষিক নির্যাতন চালায়।

    ওই দিন বিকাল ৪টার দিকে সোহাগ বাইরে গেলে কৌশলে গৃহবধূ পালিয়ে কাজিরহাট থানায় যান। সেখানে গৃহবধূ সোহাগ সরদারের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দেন এবং অসুস্থতার কারণে রাতেই মুলাদী হাসপাতালে ভর্তি হন।

    গৃহবধূ আরও জানান, শনিবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই সোহাগ সরদারের লোকজন বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে। রোববার বিকালে হাসপাতালে জনৈক নেছার উদ্দীনের সহযোগিতায় সোহাগের লোকজন সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে মীমাংসা করার নামে গৃহবধূকে হাসপাতালে ভর্তি বাতিল করে তুলে নিয়ে যায়।

    ঘটনার পর থেকে সোহাগ সরদার এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ায় এবং মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সাইয়েদুর রহমান বলেন, অসুস্থ নারীকে চিকিৎসা না দিয়ে অনৈতিকভাবে ভর্তি বাতিল করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কাজিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুবায়ের আহমেদ জানান, আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যায় গৃহবধূ একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • পিরোজপুরে স্বামীকে হত্যা করে পালালেন স্ত্রী

    পিরোজপুরে স্বামীকে হত্যা করে পালালেন স্ত্রী

    পিরোজপুর প্রতিনিধি ::: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি বাড়ির রান্নাঘর থেকে আবু সালেহ (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তার স্ত্রী কুহিলা বেগম (৩৫) তাকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রাখেন।

    শনিবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মিঠাখালী গ্রামে ঘটেছে এ ঘটনা। পরে স্থানীয়রা ওই ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

    নিহত আবু সালেহ ওই গ্রামের মৃত বারেক সুফির ছেলে। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন।

    নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবু সালেহ তিনটি বিয়ে করেছেন। তৃতীয় স্ত্রী কুহিলা বেগমের সঙ্গে প্রায়ই তার কলহ বেঁধে থাকতো। তার বাড়ি আলাদা হওয়ায় পরিবারের অন্যরা সেখানে যেতেন না। কলহের জেরেই হয়তো তাকে হত্যা করা হয়েছে।

    মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম বাদল জানান, ঘটনার পর থেকে নিহতের স্ত্রী কুহিলা বেগম পলাতক রয়েছেন। ধারনা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরেই তিনি বা তার সঙ্গে কেউ থেকে শুক্রবার (২৯ জুলাই) রাতের কোনো এক সময় এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং পলাতক স্ত্রীকে আটকের চেষ্টা চলছে।

  • চরফ্যাশনে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ আসামী গ্রেফতার

    চরফ্যাশনে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ আসামী গ্রেফতার

    চরফ্যাশন প্রতিনিধি ॥ চরফ্যাশন উপজেলার পৌর সভা ৮নং ওয়ার্ডের মো. তারেক(২০) যুবতিকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করেছে। ওই ভিডিও দিয়ে উক্ত তার কাছে ১লাখ টাকা দাবী করেছেন। পুলিশ তাকে আটক করেছে। এ্ই ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে শুক্রবারে বিকালে চরফ্যাশন থানায় নারী ও শিশু দমন আইনের ৯(১১)ধারা মোতাবেক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে একটি গোডাউনে নিয়ে মো. তারেক পৌরসভা ১নং ওয়ার্ডের যুবতিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সাথে সাথে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে রাখে। ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করা হবে বলে হুমকী দিয়ে ১লাখ টাকা দাবী করেন।

    টাকা দিবে বলে যুবতি কাল খেপন করেন। ২৯ জুলাই দুপুরে চরফ্যাশন বাজার বটতলায় নামক স্থানে টাকা দিবে বলে তারেককে সংবাদ দেয়া হয়। এদিকে যুবতি পুলিশকে গোপনে জানিয়ে রাখেন।

    পুলিশ সদ্য বেসে এসে ওই তারেককে আটক করেছে। যুবতি বাদী হয়ে চরফ্যাশন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১১)ধারা মোতাবেক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    চরফ্যাশন থানার ওসি মনির হোসেন মিয়া বলেন, তারেকে বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে আদালতে সপর্দ করা হয়েছে।

  • পল্লবীতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

    পল্লবীতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

    নিউজ ডেস্কঃ রাজধানীর পল্লবীতে এক অটোরিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৯ জুলাই) ভোরে কালশীর কুর্মিটোলা বিহারি ক্যাম্পের সামনের সড়ক থেকে পল্লবী থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

    পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ ইসলাম বলেন, অটোরিকশা চালকের নাম আবদুল লতিফ হাওলাদার (৬০)। কে বা কারা তাকে খুন করেছে তা স্পষ্ট নয়।

    তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে দুর্বৃত্তরা লতিফকে গলা কেটে হত্যা করে। তার অটোরিকশাটির হদিস পাওয়া যায়নি।

    অটোরিকশা ছিনতাই করতেই লতিফকে হত্যা করা হতে পারে উল্লেখ করে ওসি পারভেজ বলেন, বিষয়টি অনুমান করা হচ্ছে। আগে মরদেহের ময়নাতদন্ত হোক। অটোরিকশার খোঁজ করা হচ্ছে। এরপরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    লতিফ পরিবার নিয়ে মিরপুর-১২ নম্বরের ট–ব্লক এলাকার একটি বস্তিতে থাকতেন। তার বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। এই হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে চেষ্টা চলছে।

    পল্লবী থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ময়নাতদন্তের জন্য লতিফের মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • সম্পর্ক স্থাপন ও অন্তরঙ্গতা, তারপর ভিডিও ধারণ করে টাকা আদায়

    সম্পর্ক স্থাপন ও অন্তরঙ্গতা, তারপর ভিডিও ধারণ করে টাকা আদায়

    নিউজ ডেস্কঃ সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। প্রথমে প্রেমের অভিনয়, তারপর দেখা করা, একপর্যায়ে জোর করে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নিত লাখ লাখ টাকা।

    শুক্রবার (২৯ জুলাই) দুপুরে এমন চক্রের দুই নারী সদস্যকে আদালতে সোপর্দ করেছে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ। এর আগে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রাতে জেলা শহর মাইজদীর হাউজিং এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, নোয়াখালী মাইজদী শহরে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র সমাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের কৌশলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ভিডিও চ্যাটিংয়ের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠ হয়। আবার অনেক সময় নির্জন কক্ষে ডেকে নিয়ে জোর করে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে। পরে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেবে বা পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠাবে হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করত চক্রের সদস্যরা।

    পুলিশ আরও জানায়, এমন প্রতারণা শিকার এক ভুক্তভোগী প্রতিকার চেয়ে পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বরাবর অভিযোগ জমা দিলে তিনি বিষয়টি সুধারাম মডেল থানাকে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। সুধারাম মডেল থানা অনুসন্ধান করে সত্যতা পেলে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা নেওয়া হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে জেলা শহর মাইজদীর হাউজিং এলাকা থেকে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।

    জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন, এমন বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পাঁচ-ছয় বছর ধরে তারা কয়েকজন মিলে মানুষের সঙ্গে প্রথমে সম্পর্ক স্থাপন করে আসছে। এ সময় অন্তরঙ্গ হওয়ার মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে নেয় মোবাইল ফোন বা বিশেষ ক্যামেরায়। তারপর ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করে নেয়।

    সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা এ অভিযোগে দুই নারীকে গ্রেপ্তার করি। এ সময় তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনে ধারণ করা বিভিন্ন অশ্লীল ভিডিও উদ্ধার করি। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • মীমাংসার জন্য ডেকে নিয়ে বন্ধুর স্ত্রীকে ধর্ষণ

    মীমাংসার জন্য ডেকে নিয়ে বন্ধুর স্ত্রীকে ধর্ষণ

    নিউজ ডেস্কঃ পারিবারিক বিবাদ মীমাংসার কথা বলে বন্ধুর স্ত্রীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    গ্রেপ্তার সাজ্জাদ আলভী শোভনদী ইউনিয়নের আদ মল্লপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। উপজেলা যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তিনি। তার বিরুদ্ধে গত ১৬ জুলাই থানায় ধর্ষণ মামলা করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ।

    এজাহার সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর প্রায় চার বছর আগে বিয়ে হয়। তার এক ছেলে রয়েছে। তার স্বামীর বন্ধু সাজ্জাদ তাদের ভাড়া বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। স্বামীর সঙ্গে গৃহবধূর বিবাদ হলে অনেকবার মীমাংসা করেছেন তিনি। সম্প্রতি গৃহবধূর সঙ্গে স্বামীর আবারও বিবাদ হয়।

    বিষয়টি মীমাংসার জন্য গত ১৬ জুলাই বেলা ২টার দিকে পটিয়া বাসস্টেশন এলাকায় আলভী অ্যান্ড কোং নামের দোকানে যেতে বলেন সাজ্জাদ। তার কথামতো সেখানে গেলে গৃহবধূকে কৌশলে ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    ভাড়া বাসায় নেওয়ার পর তাকে ধর্ষণ করেন আসামি। পটিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের পর তাৎক্ষণিক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গৃহবধূকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • চবিতে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন; হাটহাজারী কলেজের দুই শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল

    চবিতে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন; হাটহাজারী কলেজের দুই শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল

    নিউজ ডেস্কঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্থা ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে চট্টগ্রামের হাটহাজারী সরকারি কলেজের দুই শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

    সোমবার (২৫ জুলাই) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলেন চট্টগ্রামের হাটহাজারি সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের মোহাম্মদ নূর হোসেন শাওন ও ডিগ্রি পাস এর ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের মোহাম্মদ মাসুদ রানা।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মো. আতাউর রহমান মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উপর্যুক্ত দুই শিক্ষার্থীর সাময়িকভাবে ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়।

    কেন তাদের স্থায়ীভাবে ছাত্রত্ব বাতিল করা হবে না-এই মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। ১০ দিনের মধ্যে উক্ত নোটিশের জবাব দেয়ার জন্য সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ঘটনাটি সরেজমিন তদন্ত করে দেখার জন্য কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
    বৈঠকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গত ১৭ জুলাই দিবাগত রাতে এক ছাত্রীকে হেনস্থা ও যৌন নিপীড়নের ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক বলে উল্লেখ করা হয়।

    পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা চর্চা এবং মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে কাউন্সেলিং করানোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।