Category: অপরাধ

  • গৃহবধূকে নগ্ন ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়কারী প্রেপ্তার

    গৃহবধূকে নগ্ন ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়কারী প্রেপ্তার

    নিউজ ডেস্কঃ নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় এক গৃহবধূকে (৩২) নগ্ন ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে নগদ টাকা,স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    গ্রেফতারকৃত মোরশেদ আলম রুবেল (৩৫) উপজেলার সোনাইমুড়ী পৌরসভার আটিয়াবাড়ী এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।

    শনিবার (২৩ জুলাই) দুপুরের দিকে গ্রেফতারকৃত আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। এর আগে গতকাল শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে সোনাইমুড়ীর পৌরসভার আটিয়াবাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

    নোয়াখালী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-ডিবি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামি রুবেলের সঙ্গে পাঁচ মাস আগে ওই গৃহবধূর মুঠোফোনে পরিচয় হয়। পরে আসামি রুবেল সু-কৌশলে চৌমুহনী থ্রি স্টার হোটেলে এনে ওই নারীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে এবং গোপনে ভিকটিমের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে নেয়। পরবর্তীতে নগ্ন ভিডিও ভিকটিমের মুঠোফোনে পাঠিয়ে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ভিকটিমের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে ৮৫ হাজার টাকা, ১টি স্বর্ণের চেইন ও ১ জোড়া কানের দুল হাতিয়ে নেয়।

    ওসি আরো জানায়, এরপর আরো টাকা দেওয়ার জন্য ভিকটিমকে চাপ দিতে থাকে। এতে ভিকটিম পুলিশ সুপার নোয়াখালীর কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করে। অভিযোগের আলোকে আসামি রুবেলকে হাতিয়ে নেওয়া ১টি স্বর্ণের চেইন, ১ জোড়া কানের দুল ও ভিডিও ধারণ করা আসামির মোবাইল ফোনসহ গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • রাতের অন্ধকারে সড়কে বালু বহনের পাইপ, ঘটেছে দুর্ঘটনা

    রাতের অন্ধকারে সড়কে বালু বহনের পাইপ, ঘটেছে দুর্ঘটনা

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় রাতের অন্ধকারে রাস্তায় মাঝখান দিয়ে নেওয়া বালু বহনের পাইপের কারণে গাড়ি উল্টে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু এমপির একান্ত সচিব ফখরুল মজিদ মাহমুদ কিরন সহ আরেক জন আহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে মল্লিকপুর এলাকায় নলছিটি থেকে বরিশাল যাচ্ছিলেন এমপির একান্ত সচিব ফখরুল মজিদ মাহমুদ কিরন । পথে বালু পরিবহনের জন্য সড়কের ওপর রাখা প্লাস্টিকের পাইপের উঁচু অংশ পার হওয়ার সময় গাড়ি উল্টে আহত হন তিনি।পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল ল্যাব এইডে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

    এর আগে ৮ টার দিকে মাহিন্দ্র দূর্ঘটনায় একজন আহত হন পরে তাকে উদ্ধার করে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা দেওয়া হয়।

    স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি বলেন,বালু ব্যবসায়ীরা কিছুদিন পরপর সড়কের ওপর দিয়ে বালুর পাইপ নেয়।রাতের অন্ধকারে তারা সড়কে পাইপ ফেলে রাস্তায় গতিরোধক সৃষ্টি করে। হঠাৎ পাইপ ফেলে রাস্তায় উঁচু করায় দুর্ঘটনার শিকার হন অনেকেই।

    নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন যে ব্যবস্থা নিবে সে অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা করবো।

    বিষয়টি নিয়ে কথা হয় নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদারের সঙ্গে। তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বালু পরিবহনের পাইপ রাখা যাবে না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • নোয়াখালীতে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ

    নোয়াখালীতে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ

    জেলা প্রতিনিধিঃ নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলায়এক কিশোরীকে অপহরণ করে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

    গতকাল সোমবার রাতে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে চর জব্বর থানায় এ মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক মো. আজগর হোসেনকে (৩০) আসামি করা হয়েছে। তবে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

    মামলা ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৯ জুলাই তিনি তাঁর কিশোরী মেয়েকে বাড়িতে রেখে ফেনীতে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। এই সুযোগে সদর উপজেলার ধর্মপুর এলাকার মামার বাড়িতে বসবাসকারী (স্থায়ী ঠিকানা ভোলার চর ফ্যাশন) আজগর হোসেন তাঁর মেয়েকে বাড়ি থেকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

    অভিযুক্ত আজগরের অটোরিকশায় তিনি বিভিন্ন সময় বাপের বাড়িতে আসা-যাওয়া করেছেন। মেয়েকে বাড়িতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে গতকাল সোমবার বিকেলে জানতে পারেন আজগর লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার এলাকায় তাঁর মেয়েকে ফেলে পালিয়ে গেছেন। পরে তাঁরা সেখান থেকে মেয়েকে উদ্ধার করেন।

    চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেব প্রিয় দাশ জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে।

  • বাসায় ফেরার পথে রাজধানীতে ইলেকট্রিক মিস্ত্রি খুন

    বাসায় ফেরার পথে রাজধানীতে ইলেকট্রিক মিস্ত্রি খুন

    অনলাইন ডেস্কঃ রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে মো. জাবেদ আলী (৩৬) নামে এক ইলেকট্রিক মিস্ত্রি খুন হয়েছেন। রোববার (১৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সূত্রাপুর থানাধীন ধোলাইখাল রুকুনপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    নিহতের মামা মো. আজিম বলেন, আমার ভাগিনা ইলেকট্রিকের কাজ করতেন। রাতে বাসায় ফেরার পথে শাওন নামের এক যুবক তাকে ছুরিকাঘাত করেন। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকলে জাবেদকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢমেক) হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢমেক মর্গে রাখা হয়েছে।

  • ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আহত অটোরিকশাচালকের মৃত্যু

    ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আহত অটোরিকশাচালকের মৃত্যু

    অনলাইন ডেস্কঃ রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তালতলা মার্কেট এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে মো. মামুন ওলাদার (৪৫) নামের এক অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছেন।

    রোববার (১৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

    নিহতের ভাতিজা আরিফ বলেন,আমার চাচা পেশায় সিএনজি চালক। গতকালকে সিএনজিতে একটা ট্রিপ নিয়ে খিলগাঁও তালতলা এলাকায় যান। পথের মধ্যে ছিনতাইকারীরা তাকে ছুরিকাঘাত করে তার কাছে থাকা ১৫০০ টাকা নিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চাচাকে ভর্তি করানো হয়। পরে সোমবার (১৮ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে মারা যান।

  • ‘গণপিটুনিতে’ যুবক নিহত, স্বজনদের দাবি পরিকল্পিত হত্যা

    ‘গণপিটুনিতে’ যুবক নিহত, স্বজনদের দাবি পরিকল্পিত হত্যা

    জেলা প্রতিনিধিঃ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মোবাইল চুরির অভিযোগে ‘গণপিটুনিতে’ রাজু খান (২১) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তবে তার স্বজনদের অভিযোগ পরিকল্পিতভাবে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

    রোববার (১৭ জুলাই) রাত ৩টায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলা সদরের পশু হাসপাতালের ভেতর এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাজু খান টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গহরডাঙ্গা গ্রামের সাদেক খানের ছেলে।

    নিহতের চাচা আক্কেল আলি খানের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিপক্ষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।

    এদিকে কোটালীপাড়া থানায় নিহত রাজু খানের নামে ২০২১ সালে একটি চুরির অভিযোগ ছিল বলে জানান টুঙ্গিপাড়া থানার ডিউটি অফিসার সাব ইন্সপেক্টর আফজাল শাহীন।

    পুলিশ বলছে, গতরাতে পশু হাসপাতালের কাছে এক বাসায় চুরি করতে গেলে জনগণের হাতে ধরা পড়েন ওই যুবক। পরে সেখানে তাকে গণপিটুনি দেয়া হলে মারাত্মক আহত হন। আহত অবস্থায় টুঙ্গিপাড়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    টুঙ্গিপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তন্ময় মন্ডল জানান, নিহতের বিরুদ্ধে একাধিক মোবাইল চুরির অভিযোগ রয়েছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়ের হয়নি।

  • ৯৯৯-এ মেয়ের ফোন, ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেফতার

    ৯৯৯-এ মেয়ের ফোন, ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেফতার

    অনলাইন ডেস্কঃ উনিশ বছর বয়সী এক তরুণী গত কয়েকমাস ধরে তার বাবা কর্তৃক ধর্ষিত হয়ে আসছিল। লজ্জা ও ভয়ে বিষয়টি কাউকে না জানিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ করে এই তরুণী। অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাবা আবদুল হাকিমকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    রোববার (১৭ জুলাই) দুপুরে এ তথ্য জানান ৯৯৯-এর পরিদর্শক (ফোক্যাল পার্সন মিডিয়া আ্যন্ড পাবলিক রিলেসন্স) আনোয়ার সাত্তার।

    তিনি বলেন, গাজীপুর মেট্রোপলিটনের পূবাইল থানাধীন কলেজগেট এলাকা থেকে শনিবার (১৬ জুলাই) এক তরুণী জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান, তার বয়স উনিশ বছর। গত কয়েকমাস ধরে তিনি তার বাবা কর্তৃক ধর্ষিত হয়ে আসছিল। বিষয়টি লজ্জায় ও ভয়ে কাউকে জানাতে পারেনি। গত শুক্রবারও (১৫ জুলাই) তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এসময় ফোন করে উদ্ধার ও আইনি সহায়তার জন্য অনুরোধ জানায় এ তরুণী ।

    ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল আনিসুর রহমান কলটি রিসিভ করেছিলেন। কনস্টেবল আনিস তাৎক্ষণিক পূবাইল থানায় বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। পরবর্তীতে ৮৯৯ ডিসপাচার এস আই দীপন কুমার সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে পুলিশি তৎপরতার আপডেট নিতে থাকেন।

    ৯৯৯ থেকে সংবাদ পেয়ে পূবাইল থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং মেয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ধর্ষণের অভিযোগে পেশায় পোশাক শ্রমিক আবদুল হাকিমকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

    পূবাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুর রহমান জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা রুজু হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

  • বড় ভাইয়ের ঘুষিতে প্রাণ গেলো ছোট ভাইয়ের

    বড় ভাইয়ের ঘুষিতে প্রাণ গেলো ছোট ভাইয়ের

    নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে পারিবারিক কলহের জেরে বড় ভাই মিলন মিয়ার (৪২) ঘুষিতে ছোট ভাই মুক্তার মিয়ার (৩৭) মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মিলন মিয়াকে আটক করেছে উপজেলার লেপসিয়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।

    শনিবার (১৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে খালিয়াজুরীর চাকুয়া ইউনিয়নের শালদীঘা কান্দাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মিলন মিয়া ও মুক্তার মিয়া ওই গ্রামের কেনু মিয়ার ছেলে।

    নিহত মুক্তার মিয়া ছিলেন কাঠ বিক্রেতা। মিলন মিয়াও একই ব্যবসায় জড়িত ছিলেন।

    লেপসিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম খান জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পারিবারিক ঋণ পরিশোধ নিয়ে মুক্তারের সঙ্গে তার মা ও বোনের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। এতে যুক্ত হন মুক্তারের বড় ভাই মিলন। এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে মুক্তারকে সজোরে ঘুষি দেন মিলন। এতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যান মুক্তার মিয়া।

    তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আরো জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিলনকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা চলছে। অভিযোগ পেলে এ ব্যাপারে হত্যা মামলা নেওয়া হবে।

  • স্ত্রী-সন্তানদের খুনের রোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন আসামি

    স্ত্রী-সন্তানদের খুনের রোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন আসামি

    প্রথমে স্ত্রী ও বড় মেয়ের গলা টিপে ধরেন। ধস্তাধস্তি দেখে ছোট মেয়েটি চিৎকার শুরু করে। পরে গামছা দিয়ে ছোট মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যা। হত্যাকাণ্ডের কারণ পারিবারিক কলহ।

    স্ত্রী ও দুই মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে এ জবানবন্দি দিয়েছেন হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আসামি জহিরুল ইসলাম বাবু।

    শনিবার (১৭ জুলাই) বিকেলে যশোর জেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শম্পা বসু আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

    হত্যার শিকার তিনজন হলেন, বাবুর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বীথি, বড় মেয়ে সুমাইয়া খাতুন ও ছোট মেয়ে সাফিয়া খাতুন। বাবু যশোর সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের বিশ্বাসপাড়ার মশিউর রহমান বিশ্বাসের ছেলে।

    গত শুক্রবার দিনগত মধ্যরাতে নিহত বীথির বাবা শেখ মুজিবর রহমান বাদী হয়ে জহুরুল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    শনিবার দুপুরে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে তিনজনের ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় অভয়নগর উপজেলায় নিহত সাবিনার বাবার বাড়ি সিদ্দিপাশাতে তিনজনের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

    জহিরুল ইসলাম বাবু জবানবন্দিতে আরও জানিয়েছেন, পেশায় তিনি একজন রড মিস্ত্রী ও মাদকাসক্ত। অভয়নগরের সিদ্দিপাশা গ্রামের শেখ মুজিবর রহমানের মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন বিথীকে বিয়ে করার পর থেকে তাদের মধ্যে পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহ চলছিল। বিথী বাবার বাড়িতে থাকতে পছন্দ করতেন। আড়াই মাস আগে দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি সেখানে চলে যায়। অনিচ্ছা সত্ত্বেও জহিরুলকে মাঝেমধ্যে শ্বশুর বাড়ি গিয়ে থাকতে হতো। এ নিয়ে সংসারে চরম অশান্তি চলছিল।

    শুক্রবার দুপুরে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথে বিথীর সঙ্গে জহিরুলের পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। এরমধ্যে স্ত্রী ও বড় মেয়ের গলা চেপে ধরলে ছোট মেয়ে চিৎকার করছিল। এরপর তিনজনের গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন জহিরুল ইসলাম।

    মামলার অভিযোগে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে আসার পথে চাপাতলা গ্রামে আব্দুস সবুরের বাড়ির পেছনে কলাবাগান ও ঘাসের জমিতে নিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের শ্বাসরোধে হত্যা করেন বাবু। মরদেহ তিনটি সেখানে ফেলে বাড়িতে এসে পরিবারের লোকজনকে ঘটনা জানান বাবু। এসময় তার বড়ভাই মঞ্জুরুল ইসলাম বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ বাড়িতে গেলে বাবু পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এ ঘটনায় নিহত বিথীর পিতা শেখ মুজিবর রহমান বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

    এ বিষয়ে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শামীম হাসান বলেন, আটক জহুরুল আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে নৃশংস হত্যার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হত্যা করেছেন বলে স্বীকার করেছেন।

  • গলা কেটে হত্যার পর বাড়িতে আগুন, আটক ১২

    গলা কেটে হত্যার পর বাড়িতে আগুন, আটক ১২

    সিলেটের গোয়ানইঘাটে পূর্বশত্রুতার জেরে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার পর তার বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার (১৬ জুলাই) পুলিশ ১২ জনকে আটক করেছে।

    এর আগে শুক্রবার (১৫ জুলাই) রাত ৮টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।

    তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় জড়িত ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বাকিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

    নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের শিকার আব্দুল কাদির (২৮) গোয়াইনঘাট উপজেলা সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ লাবু গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে। তিনি ওই এলাকায় চার বছর আগে সংঘটিত একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।

    জানা গেছে, শুক্রবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতে আগের হত্যাকাণ্ডের জের ধরে লাবু গ্রামের লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে কাদিরকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এরপর তার বসতঘরে অগ্নিসংযোগ করেন হত্যাকারীরা। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত লুৎফুর রহমানসহ ১২ জনকে পুলিশ শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করেছে। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দাসহ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।

    আটকরা হলেন, উপজেলার লাবু গ্রামের বাসিন্দা লুৎফুর রহমান, আলী হোসেন, আলম হোসেন, বেলায়েত হোসেন, কাজী কামাল, আব্দুন নুর, জসীম উদ্দীন, হাবিবুল্লাহ, মিসবাহ উদ্দিন ও অলিউল্লাহ।

    গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম নজরুল ইসলাম জানান, নিহত কাদিরের ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার বিকেল ৩টার দিকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে ওসি বলেন, ঘটনায় জড়িত অন্যদের আটকে পুলিশের একাধিক দল মাঠে রয়েছে।