Category: অপরাধ

  • আশুলিয়ায় ৩ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যা, আটক ২

    আশুলিয়ায় ৩ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যা, আটক ২

    নিউজ ডেস্কঃ সাভারের আশুলিয়ার ৩ বছর বয়সী শিশুকে গলা কেটে হত্যা করেছে তার পাশের বাড়ির এক ভাড়াটিয়া। আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকায় আজ দুপুরে দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম ইমা। তার বাড়ি আশুলিয়ার এলাকায়।

    এ ঘটনায় শিশুর পাশে ভাড়াটিয়া আলমিন (৩০) ও রিগারকে (২২) আটক করেছে র‌্যাব।
    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছে রিগান ও আলমিন। ঘাতক রিগান র‌্যাবকে জানিয়েছেন, হত্যার আগে ইভাকে চকলেট কিনে দেওয়ার নাম করে তাকে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে বেড়ান তিনি। পরে ঘোষ এলাকায় পাশে ইভাকে এনে চাকু দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

    এরপর বাসায় চলে যান তিনি। তবে বাসায় গিয়ে পরিবারের লোকজন ইভাকে হত্যার কথা জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। এমনকি ইভাকে তিনি সারাদিনে একবারও দেখেননি বলে দাবি করেন।
    আশুলিয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজামান বলেন, থানা থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩ বছরের ইভার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    পরে ঘাতক ২ জনকে আটক করে র‌্যাব নিয়ে যায়। বর্তমানে তাদেও ২ জনকে র‌্যাব জিজ্ঞাসাবাদ করছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।
    বিকালে নির্যাতনের শিকার সেই শিশুর ঘর থেকে জামা-কাপড়, বালিশ, বিছনার চাদরসহ মামলার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • বরিশালে আশ্রয়ণ প্রকল্পে ব্যবহৃত লোহা বিক্রি করতে এসে ধরা

    বরিশালে আশ্রয়ণ প্রকল্পে ব্যবহৃত লোহা বিক্রি করতে এসে ধরা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালে আশ্রয়ণ প্রকল্পে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ লোহার অ্যাঙ্গেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দুপুরে বরিশাল নগরের হাটখোলা লোহাপট্টি এলাকা থেকে লোহার অ্যাঙ্গেলগুলো উদ্ধার করা হয়।

    বরিশাল মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ফজলুল করীম জানান, আটকদের কাছ থেকে যেটুকু জানা গেছে, তাতে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার চরগোপালপুর ইউনিয়নের আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর তৈরিতে এই লোহার অ্যাঙ্গেল ব্যবহার করা হয়েছিল।

    ঘরের উপকারভোগীরা নিজেরাই নিজেদের ঘরের অ্যাঙ্গেল খুলে বিক্রির উদ্দেশ্যে দেন। সেই অ্যাঙ্গেল বরিশাল নগরের হাটখোলায় লোহাপট্টিতে রিয়াজ নামে একজনের দোকানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে এলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ।

    অভিযান চালিয়ে ৩২টি লোহার অ্যাঙ্গেল জব্দ করা হয়, যার প্রতিটির ওজন ২৬ কেজি করে। অ্যাঙ্গেল বিক্রি করতে আসা মো. সানাউল্লাহ পিতা মো: কালাম মজুমদার সাহেবেরহাট ভাঙ্গারির দোকানের আড়ালে দীর্ঘদিন যাবত বাপ ছেলে মিলে অবৈধ কাজ করে যাচ্ছে এর আগে একাধিকবার একই কর্ম কান্ড করে জেলে ও যেতে হয়েছে তবে এতকিছু করে ও থেমে নেই সানাউল্লাহ জেল থেকে বের হয়ে আরো বেপারোয়া। এই ঘটনায় দোকানদার মো. রিয়াজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কোতয়ালি মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

    এ ঘটনায় কারা কারা জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানান বরিশাল মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ফজলুল করীম।

  • গলাচিপায় এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৫

    গলাচিপায় এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৫

    গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর গলাচিপায় জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারের জেরে রনি ভূঁইয়া বাহিনীর হামলায় মো. নুরু খান (৬০) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় নুরু খানের ছেলে নোমান ও ভাতিজা রাসেলসহ তিন জনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

    সোমবার রাত ৮ টার দিকে উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের ভূঁইয়া স্লুইজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নুরু খান ওই ইউনিয়নের বড় শিবা গ্রামের মৃত আলী আকাব্বর খানের ছেলে।

    এ ঘটনায় ওই রাতেই নিহতের ছেলে মো. সুমন খান (২৬) বাদী হয়ে গলাচিপা থানায় রনি ভূঁইয়াকে প্রধান আসামি করে ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ভোলা জেলার দুলার হাট থানার মুজিব নগর ইউনিয়নের সুমন সরদার (২২) ও জুয়েল খান (২২) এবং গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বড় শিবা গ্রামের আমির হোসেন ভুট্টু (৫০), ফরিদ বেপারি (২৫) ও নুরনাহার (২৭)।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের বড় শিবা গ্রামের বাসিন্দা রনির বাবা আব্দুল মন্নান ভূঁইয়ার সাথে নুরু খানের জমিজমা সংক্রান্ত ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো।

    এরই জের ধরে সোমবার রাত ৮টার দিকে ওই ইউনিয়নের ভূঁইয়া স্লুইজ সংলগ্ন দাখিল মাদ্রাসার পূর্ব পাশের চৌরাস্তায় ফেলে রনি ও তার বাহিনীর সদস্যরা নুরু খানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এসময় নুরু খানের ছেলে নোমান ও ভাতিজা রাসেল তাকে উদ্ধারের জন্য এগিয়ে গেলে তিন জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে গলাচিপা থানায় নিয়ে আসে।

    গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমআর শওকত আনোয়ার ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

    নিহতর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। হত্যা মামলায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছ। হত্যার সাথে জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেফতারে জোর প্রচেষ্টা চলছে।

  • পটুয়াখালীতে চালককে অজ্ঞান করে ইজিবাইক চুরি

    পটুয়াখালীতে চালককে অজ্ঞান করে ইজিবাইক চুরি

    পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মোতালেব আকন (৪০) নামের চালককে অজ্ঞান করে একটি ইজিবাইক চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে পুকুরের ঘাটে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখে সিদ্দিকী হাওলাদার নামের এক অটো ড্রাইভার তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

    ভুক্তভোগী মোতালেব আকন উপজেলার কাকরাবুনিয়া ইউনিয়নের গাবুয়া গ্রামের মেরজে আলী আকনের ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, এক মাস আগে একটি বেসরকারি এনজিও থেকে লোন নিয়ে ইজি বাইক ক্রয় করে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে যাত্রী পরিবহন করতেন। তাকে অজ্ঞান করে অটো নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে তারা হাসপাতালে ছুটে আসেন।

    উদ্ধার করা অটোরিকশা চালক সিদ্দিক হাওলাদার জানায়, দুজন রোগী নিয়ে হসপিটালের গেটের সামনে আসলে সেখানে দুজন লোক এসে তাকে বলে হাসপাতালের পুকুর ঘাটে একটি লোক অচেতন অবস্থায় শুয়ে আছে।

    সেখানে গিয়ে একই এলাকায় বাড়ি হওয়ায় সে তাকে চিনতে পেরে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

    এ ব্যাপারে মির্জাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

  • তরুণীর আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ছড়ানোর মামলায় যুবক গ্রেফতার

    তরুণীর আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ছড়ানোর মামলায় যুবক গ্রেফতার

    অনলাইন ডেস্কঃ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রথমে প্রেম। এরপর কৌশলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ। পরে তা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ।

    গ্রেফতারকৃতের নাম আব্দুল আহাদ। তার কাছ থেকে ব্ল্যাকমেইলিংয়ে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন ও দুটি সিম জব্দ করা হয়।

    সোমবার (২৫ জুলাই) ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম।

    রাতে গোয়েন্দা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মহিদুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, এক তরুণীর সঙ্গে গ্রেফতার আব্দুল আহাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হয়। নিয়মিত ফেসবুকে চ্যাটিং হওয়ায় তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে আহাদ ওই তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখান। ভিকটিম তার ব্যবহৃত মেইল অপারেট করতে সমস্যা হওয়ায় আইডি ও পাসওয়ার্ড সরল বিশ্বাসে আহাদকে দেন। চ্যাটিংয়ের সময় আহাদ তরুণীকে আপত্তিকর ছবি দিতে বলেন। ছবি না দিলে মেইল আইডির মাধ্যমে তরুণীর ফেসবুক আইডিতে ঢুকে ছবি বিকৃত করে সামাজিকমাধমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে ওই তরুণী বাধ্য হয়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারে ছবি পাঠান।

    এডিসি মহিদুল ইসলাম বলেন, এরপর আহাদ তরুণীর ছবি পেয়ে শারীরিক সম্পর্কের কুপ্রস্তাব দেন। তরুণী রাজি না হওয়ায় আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও গত ২৩ জুলাই দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। এরপর তরুণী লালবাগ থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শুরু করে ডিবির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম। মামলাটি তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরও বলেন, গ্রেফতার আহাদ কৌশলে মেয়েদের সঙ্গে ফেসবুকে প্রথমে সম্পর্ক তৈরি করতেন। তাদের সঙ্গে ফেসবুক মেসেঞ্জারে ভিডিও কলে কথা বলার সময় কৌশলে স্ক্রিন রেকর্ডারের মাধ্যমে ভিডিও ধারণ করেন। পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার প্রস্তাব দেন। ভিকটিমরা তার প্রস্তাবে রাজি না হলে তাদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।

  • দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে শাবিপ্রবি ছাত্র নিহত

    দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে শাবিপ্রবি ছাত্র নিহত

    নিউজ ডেস্কঃ দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে বুলবুল আহমেদ নামের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র নিহত হয়েছেন।

    সোমবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীকালুর টিলায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত বুলবুলের বাড়ি নরসিংদী জেলায়। তিনি শাবিপ্রবির লোকপ্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ফজলুল করিম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীকালুর টিলায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ছুরিকাঘাতে আহত হন বুলবুল। তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

    এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আবু হেনা পহিল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের টিলায় এক ছাত্রকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। প্রথমে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলে অজ্ঞান অবস্থায় নেওয়া হয়। পরে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেলে নেওয়া হলে সেখানে সে মারা যায়। কে বা কারা মেরেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

  • পুকুরে ভাসছিল হাত-পা ও কোমরে ইট বাঁধা নারীর মরদেহ

    পুকুরে ভাসছিল হাত-পা ও কোমরে ইট বাঁধা নারীর মরদেহ

    নিউজ ডেস্কঃ গাজীপুরের শ্রীপুরের টেপিরবাড়ি এলাকায় পুকুর থেকে হাত-পা ও কোমরে ইট বাঁধা এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    সোমবার দুপুর ১২টায় উপজেলার টেপিরবাড়ি গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর মালিকানাধীন পুকুর থেকে অজ্ঞাত ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ ইমতিয়াজ ভুঁইয়া জানান, পুকুরে মরদেহ ভেসে থাকার খবরে সোমবার বেলা ১২টায় ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

    মরদেহের দুটি হাত-পা বাঁধা, কোমরে তিনটি ইট বাঁধা অবস্থায় ছিল।
    ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোথাও হত্যা করে মরদেহ পুকুরে এনে ফেলে রেখেছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এছাড়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নারীর পরিচয় শনাক্তে কাজ শুরু করেছে।

  • প্রেমিক-প্রেমিকাকে একসঙ্গে দেখে ফেলায় শিশু হত্যা

    প্রেমিক-প্রেমিকাকে একসঙ্গে দেখে ফেলায় শিশু হত্যা

    নিউজ ডেস্কঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আইলাবই গ্রামের শিশু তাকমিনা আক্তার লিজা (৯) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের ৫ মাস পর প্রধান আসামি তাকবীর হাসানকে (২০) খুলনা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তাকবীর হাসান আইলাবই এলাকার সাইদুর রহমান ওরফে মন মিয়ার পুত্র।

    শনিবার বিকাল ৩টার দিকে খুলনা জেলার খালিসপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    তাকবীর হাসান ঘটনার পর থেকে খুলনা পালিয়ে গিয়ে একটি চায়ের দোকানে কাজ নেয়ে।

    পিবিআই তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। রবিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতারকৃত আসামি তাকবীর হাসান হত্যার দায় স্বীকার করে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
    আদালতের বরাত দিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল আহাদ জনান, আসামি তাকবীরের সঙ্গে একই গ্রামের জনৈক এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক চলাকালীন সময় একদিন সন্ধ্যায় তারা দেখা করতে গেলে ভিকটিম লিজা তাদের একত্রে দেখে ফেলে।

    ভিকটিম লিজা আক্তার ঘটনাটি তার মাকে জানিয়ে দেয়।
    এরপর থেকে মেয়েটির সাথে তাকবিরের প্রেমের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়। এই ঘটনায় আসামি তাকবীর হাসান গত বছরের ২১ জুলাই সকাল ৭টায় শিশু লিজাকে গলা টিপে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি বাঁশ ঝাড়ে ফেলে রেখে আত্মগোপনে চলে যায় তাকবীর।

    লাশ উদ্ধারের পর লিজার পিতা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

  • মঠবাড়িয়ায় স্কুলছাত্রী ও বিধবা নারীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ২

    মঠবাড়িয়ায় স্কুলছাত্রী ও বিধবা নারীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ২

    মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পৃথক দুটি ধর্ষণ মামলায় মনির মল্লিক (৪৪) ও মোস্তফা ফৈইরাদী (৬০) নামে দুই আসামি গ্রেপ্তার করেছে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ। আটককৃত মনির মল্লিক উপজেলার গুলিসাখালী গ্রামের মৃত. রুপাই মল্লিকের ছেলে ও মোস্তফা গোলবুনিয়া গ্রামের মৃত. আজিজ ফৈইরাদীর ছেলে।

    মামলার বরাত দিয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল জানান, বাগেরহাট জেলার নবম শ্রেনীতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীর মা-বাবার বিচ্ছেদের পর ওই ছাত্রীর মায়ের উপজেলার খেজুরবাড়িয়া গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে হয়।

    সেই সুবাদে ওই কিশোরী প্রায় সময়ই মায়ের কাছে বেড়াতে আসে। এদিকে ওই সৎ বাবার পূর্ব পরিচিত হিসেবে মনির মল্লিক খেজুরবাড়িয়ার ওই বাড়িতে আসা-যাওয়া করতো এবং বিভিন্ন সময় কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেয়ার পাশাপশি উত্যক্ত করতো। প্রায় এক মাস ধরে ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভনে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করে।

    ঘটনাটি জানাজানি হলে মনির মল্লিক কিশোরীকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা শুক্রবার (২২ জুলাই) মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা করলে এস আই মিজানুর রহমান খেজুরবাড়িয়া গ্রামে থেকে মনির মল্লিককে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত মনির মল্লিককে শনিবার (২৩ জুলাই) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। সোপর্দ করা হয়েছে।

    ওসি আরো বলেন, গত ১৮ জুলাই সোমবার রাতে গোলবুনিয়া গ্রামের মোস্তফা ফৈইরাদীর প্রতিবেশী ছোট ভাইয়ের বিধবা স্ত্রীর মোবাইলে তার সতীতেন মেয়ে কল দেয়। ঘরের দরজা খোলা রেখে মোবাইলটি নিয়ে সতীনের কাছে যায়।

    এ সুযোগে মোস্তফা ফৈইরাদী ওই বিধবার ঘরে উঠে খাটের নিয়ে পালিয়ে থাকে। পরে রাত সাড়ে ১১ টার দিকে মোস্তফা ফৈইরাদী তাকে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে চিৎকার করলে গ্রামবাসি ছুটে মোস্তফা ফৈইরাদীকে গণ ধোলাই দেয়।

    এদিকে এ ঘটনায় ওই বিধবা নারী গত ২০ জুলাই বুধাবার মঠবাড়িয়া থানায় মামলা করলে হাসপাতাল থেকে মোস্তফা ফৈইরাদীকে মঠবাড়িয়া থানার এসআই সোহেল গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • পরকীয়ার জেরে মামিকে গলা কেটে হত্যা, ভাগনে আটক

    পরকীয়ার জেরে মামিকে গলা কেটে হত্যা, ভাগনে আটক

    নিউজ ডেস্কঃ কিশোরগঞ্জে পরকীয়ার জেরে রেক্সোনা আক্তার (৩০) নামে এক নারীকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভাগনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ভাগনে মো. মামুনকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ।

    শনিবার (২৩ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে জেলা শহরের হারুয়া কলেজ রোড এলাকায় ওয়াসীমুদ্দিন ছাত্রাবাসের বিপরীতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত মো. মামুনকে আটক করেছে পুলিশ। মামুন কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের চর শোলাকিয়া এলাকার সোরাফ উদ্দিনের ছেলে।

    নিহত রেক্সোনা আক্তার হারুয়া কলেজ রোড এলাকার মো. তাইজুলের স্ত্রী। তিনি দুই ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের জননী। তার স্বামী একজন চা বিক্রেতা।

    স্বজন ও এলাকাবাসী জানায়, নিহত রেক্সোনার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তার ভাগনে মামুনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। সেই সুবাদে রেক্সোনার বাসায় ভাগনের যাতায়াত ছিল। শনিবার দুপুরে মামির বাসায় আসেন মামুন। এসময় বাসায় অন্য কেউ ছিল না। একপর্যায়ে দুজনের মতের অমিল হলে সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে মামির গলা কাটেন মামুন। পরে রক্তমাখা ছুরি নিয়ে মরদেহের পাশে বসে ছিলেন তিনি। এলাকাবাসী ঘটনা টের পেয়ে মামুনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

    নিহতের স্বামী তাইজুল বলেন, আমার স্ত্রী রেক্সোনার সঙ্গে ভাগনে মামুনের পরকীয়ার বিষয়টি অনেক আগেই আমি জানতে পারি। এ বিষয়ে ভাগনেকে আমার বাসায় আসতে নিষেধ করি। কিন্তু আমি চায়ের দোকান করি। সকালেই চলে যাই, রাতে বাসায় ফিরি। আমার বড় মেয়ে স্কুলে চলে যায়, এই সুযোগে ভাগনে আমার বাসায় প্রতিদিনই যাতায়াত করে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার চাই।

    কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ দাউদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত মামুনকে আটক করে। এসময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। পারিবারিক কোনো বিরোধের জের ধরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, মামুন একাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে। তবে, এ ঘটনায় আর কেউ সম্পৃক্ত আছে কি না তদন্ত করে দেখা হবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বামী তাইজুল বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।