বাবুগঞ্জের কলেজ হোস্টেল থেকে ছাত্রকে তুলে নিয়ে গেছে অস্ত্রধারীরা

বাবুগঞ্জে অবস্থিত রহমতপুর কৃষি প্রশিক্ষন ইনিষ্টিটিউটের ছাত্রাবাস থেকে ২য় সেমিস্টারের এক ছাত্রকে গভীর রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাধা পোশাকধারীরা তুলে নিয়ে গিয়েছে বলে জানা গেছে। ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া ছাত্রের নাম মাহাথির মোহাম্মাদ। তার গ্রামের বাড়ি গৌরনদী উপজেলায়।

এ ঘটনায় কলেজ কতৃপক্ষ সংবাদ লেখার আগে পর্যন্ত কোনধরনে আইনী প্রক্রিয়ায় না গেলেও এয়ারপোর্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছে নিখোঁজ ছাত্রের পিতা মোঃ ফরিদ হোসেন।

জিডি নং-৪২,তাং-০১-০৭-১৯।

ডায়েরী সুত্রে ও সরোজমিনে গিয়ে জানাযায়, রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় ক্যাম্পাসের মূল ফটকের দারোয়ানকে ভয়ভিতি দেখিয়ে চাবি নিয়ে ছাত্রাবাসে প্রবেশ করে ৮/১০ জনের সাদা পোশাকধারী একটি দল। এসময় তারা ২০৫ ও ২০৬ নং কক্ষে তল্লাশী চালায়। পরে ২০৬ নং কক্ষ থেকে মাহাথির মোহাম্মাদকে তুলে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় উপস্থিত ছাত্রদের বলে যায় মাহাথির বরগুনার রিফাত হত্যার সাথে জড়িত, সে অনলাইন গ্রুপ ০০৭ এর সদস্য।

এদিকে তুলে নেওয়া ছাত্রের পরিবারের দাবি, কোন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সংস্থা মাহথিরকে গ্রেফতার বা আটকের বিষয় স্বীকার করে বিবৃতি দেয়নি।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ গোলাম মোঃ ইদ্রিস বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সংস্থা ক্যাম্পাসে প্রবেশের জন্য অনুমতি নেয়নি। তবে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ৮/১০ অস্ত্রধারিকে দেখা গেছে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এয়ারপোর্ট থানার ওসি মাহাবুব উল আলম জানায়, এধরনের কাউকে ডিবি পুলিশ অথবা অন্য কোন সংস্থা থানায় হস্তান্তর করে নি।

গভীর রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাধা পোশাকধারীরা ছাত্র তুলে নেওয়ার ঘটনায় ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

উল্লেখ্য মাহাথির মোহাম্মাদ এর বাবা মোঃ ফরিদ হোসেন বরগুনা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের গাড়ির ড্রাইভার হিসাবে কর্মরত থাকায় বরগুনা মাহাতিরের যাতায়াত ছিলো। এই কারনেই রিফাত হত্যা মামলার সাথে জরিত থাকার সন্ধেহ করছে সহপাটিরা।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *