Author: banglarmukh official

  • স্বেচ্ছায় নয়, শচীনকে অবসরে বাধ্য করা হয়েছিল! গোপন খবর ফাঁস

    স্বেচ্ছায় নয়, শচীনকে অবসরে বাধ্য করা হয়েছিল! গোপন খবর ফাঁস

    ভারতের ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার নিজে থেকে অবসরের ঘোষণা না দিলে তাকে দল থেকে ছেঁটে ফেলা হতো বলে গোপন খবর ফাঁস করলেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন প্রধান নির্বাচক সন্দীপ পাতিল।

    সম্প্রতি দেশটির একটি প্রথম সারির সংবাদ মধ্যামে বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে পাতিল জানান, ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে আমরা (নির্বাচকমণ্ডলী) শচীনকে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়। তখন শচীন জানিয়েছিল, তিনি তখনও অবসরের কথা ভাবছেন না। তবে ম্যানেজমেন্ট এবং বোর্ড তাঁকে নিয়ে যে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়।

    শচীন বুঝতে পারে এবং একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়। শচীন তখন সরে না গেলে, তাঁকে দল থেকে বাদ দেওয়া হত বলেও জানান সন্দীপ পাতিল।

    শচীনের অবসর প্রসঙ্গে সন্দীপ পাতিল আরও বলেন, “মাস্টার ব্লাস্টার টেস্ট ক্রিকেটেই মনোনিবেশ করেছিল। আমার এবং সঞ্জয়ের (তৎসময়ের বিসিসিআই সেক্রেটারি) সঙ্গে কথা বলেই একদিনের আন্তর্জাতিক থেকে অবসর নেওয়ার কথা জানায় শচীন।”

    সূত্র: জি নিউজ

  • ২২ বছর বয়সে ২৪টি বিয়ে করলেন বাংলাদেশী শরিফা খাতুন

    ২২ বছর বয়সে ২৪টি বিয়ে করলেন বাংলাদেশী শরিফা খাতুন

    শরিফা খাতুন। বয়স ২২ বছর। এ পর্যন্ত বিয়ে করেছেন ২৪টি। হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি টাকা। একে একে ২৪টি বিয়ে করলেও দু-একটি ছাড়া অধিকাংশ স্বামীর সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ হয়নি শরিফার। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শরিফার বাবার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরসংলগ্ন সদর উপজেলাধীন বারঘরিয়া ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর-তাঁতিপাড়া এলাকায়।

    বাবা শরিফুল ইসলাম ও মা জুলেখা খাতুন ওরফে জবেদা। তিন ভাই-বোনের মধ্যে শরিফা বড়। মেজো ভাইয়ের নাম হজরত আলী। ছোট ভাই ৬-৭ বছরের। শরিফার বাবা শরিফুল ইসলাম পেশায় রাজমিস্ত্রি ও সৌদিআরব প্রবাসী। অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে গ্রামের বাড়ি বারঘরিয়া থেকে কয়েক বছর আগে বিতাড়িত হয়ে জেলা শহরের স্বরূপনগর-শাহীবাগ মহল্লায় বাসা ভাড়া নিয়ে বিয়ে বাণিজ্য চালাতেন তিনি। একই কারণে সেখান থেকেও বিতাড়িত হয়ে বিভাগীয় শহর রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করে প্রতারণা চালাতে থাকেন।

    শরিফার মা জবেদা খাতুন বর্তমানে রাজশাহী শহরের সাধুর মোড় এলাকায় শরিফাসহ তিন সন্তান ও চট্টগ্রামের ছেলে ২৪ নম্বর জামাই নিয়ে বসবাস করছেন। এ বিষয়টি অনুসন্ধানে মেয়ে ও মা শরিফা-জবেদা চক্রের বিয়ের কাবিননামাসহ বেশ কিছু নথি প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে। কাবিননামায় বিয়ের কনে হিসেবে শরিফার একাধিক নাম ব্যবহার করা হয়েছে। শরিফা খাতুন, তুরজাউন খাতুন, শরিফা খাতুন বৃষ্টি, আবার কোথাও শরিফা নাম উল্লেখ্য রয়েছে। এসব কাবিননামায় কুমারি দাবি করে শরিফার বয়স দেখানো হয়ে ১৮ থেকে ২০ বছর।

    এ বিষয়ে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম সাহাপুর গ্রামের সেকেন্দার গাজীর ছেলে ২৩ নম্বর প্রতারিত স্বামী সৌদিপ্রবাসী নূর হোসেন বলেন, ২০১৩ সালে প্রবাস জীবনের ছুটিতে সৌদি থেকে এসে পারিবারিকভাবে ৩ লাখ ১টা দেনমোহরে ১৭ ভরি স্বর্ণ দিয়ে বিয়ে করেন শরিফা খাতুন বৃষ্টিকে। পরে ১৯ লাখ টাকায় রাজশাহীর তেরখাদিয়ায় একটি বাড়ি কিনে দেন শরিফার নামে। দেশে নয় মাস ঘর-সংসার করে ছুটি শেষে সৌদি কর্মস্থলে যাওয়ার সময় চার মাসের গর্ভবতী শরিফাকে সঙ্গে নিয়ে যান। সেখানে শরিফা একমাসও থাকেননি। মা জবেদার প্ররোচনায় ফিরে আসেন বাংলাদেশে এবং পেটের পাঁচ মাসের সন্তান নষ্ট করে জানায়, গর্ভপাত হয়েছে। এরপর তাদের সংসার টিকেছিল আরও ১৮-১৯ মাস। এ সময় শরিফার অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন সময় আরও ৩০ লাখ টাকা পাঠায় তার স্বামী। চার মাস পূর্বে মা জবেদার প্ররোচনায় শরিফা চট্টগ্রামের এক যুবককে বিয়ে করেন।

    লক্ষ্মীপুর-তাঁতীপাড়া গ্রামে বসবাসরত শরিফার ফুফা সফিকুল ইসলাম ও ফুফু সায়েরা বেগম জানান, বিয়ের নামে প্রতারণার কারণে শরিফা বা তার মা জবেদার সঙ্গে তেমন আত্মীয়তা রাখেননি তারা। নূর হোসেনের ছোট ভাই ফরহাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা যাচাই-বাছাই করতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসে জানান, নূরের সঙ্গে শরিফার তালাক হয়নি। তিনি দাবি করেন, মা জবেদার ইন্ধনে শরিফা একই রকম প্রতারণা করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আব্দুল্লাহ, বদিউজ্জামান, মোসারফ হোসেন, আজাহার আলী, সারোয়ার রহিম আপেল ও রাজশাহীর আহসান হাবিবসহ আরও অনেক যুবককে বিয়ে করেছেন। বিয়ের কাবিনগুলোও সংগ্রহ করেছেন তিনি। তাদের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীতে চারটি মামলা ও ১০টির অধিক সাধারণ ডায়েরি রয়েছে। মা-মেয়ের বিচার ও শাস্তি দাবি করে প্রতারিত ৮ স্বামী ও তাদের পরিবার গত শুক্রবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে।

    এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানা পুলিশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, শরিফা-জবেদা চক্রের প্রতারণার শিকার তথাকথিত স্বামী শীষ মোহাম্মদের দায়েরকৃত মামলায় পুলিশ চার্জশিট দিয়েছে। শরিফার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকলেও স্থান পরিবর্তন করায় শরিফাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। এদিকে, রাজশাহী বোয়ালিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মহিউদ্দীন খান জানান, তদন্তে শরিফার ২৪টি বিয়ের সত্যতা পেয়েছেন তিনি। চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতারণার শিকার শরিফার কথিত স্বামী শীষ মোহাম্মদ জানান, শরিফার প্রতারণামূলক প্রতিটি বিয়ের ক্ষেত্রে মা জবেদা বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও সম্পদশালীদের বেছে নিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। তিনি জানান, তার সঙ্গে শরিফার বিয়ে হয়নি। কনে দেখতে গিয়ে তাকে ফাঁসিয়ে দেয়া হয়েছে। ভুয়া কাবিননামায় ১৫ লাখ টাকা দেনমোহর দাবি করে তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়।

    এর প্রেক্ষিতে আত্মরক্ষার্থে তিনি শরিফা খাতুন, তার মা জবেদা বেগম এবং রাজশাহী মহিষবাথান এলাকার দারুস সালাম মাদরাসার প্রভাষক ও বিয়ের কাজি আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলা করেন। যার চার্জশিট পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালতে দাখিল করেছেন এবং শরিফার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ নিয়ে শরিফা ও তার মা জবেদার বাড়ি রাজশাহীর সাধুর মোড়ে গিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কথা বলতে রাজি হননি তারা। একইভাবে দু’দিন মহিষবাথান কাজি অফিসে গেলেও সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন কাজি আব্দুস সাত্তার। তবে শরিফার বিয়ে বাণিজ্যের বিষয়টি মিথ্যা, ভিত্তিহীন দাবি করে মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া জানাতে অনীহা প্রকাশ করেন শরিফা ও তার মা জবেদা।

  • বাবা মায়ের নামে কলেজ স্থাপন করলেন বাণিজ্য মন্ত্রী

    বাবা মায়ের নামে কলেজ স্থাপন করলেন বাণিজ্য মন্ত্রী

    ভোলা প্রতিনিধি :

    মায়ের ১১ তম মৃত্যু বার্ষিকীতে মা-বাবার নামে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসাপাতালের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। সোমবার দুপুরে ভোলার উপ-শহর বাংলাবাজার ফাতেমা খানম কমপ্লেক্সে’র তিন একর জমির ওপর আজহার-ফাতেমা মেডিকেল কলেজ ও হাসপতালের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

    এসময় মন্ত্রী বলেন, এক সময়ের পিছিয়ে পড়া জনপদ ভোলার বাংলাবাজারে প্রতিষ্ঠিত করা হবে মেডিকেল কলেজ। এখান থেকে ভোলার সাধারণ মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা যাবে। ভোলার মানুষ সব ধরনের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই করতে পারবে।

    ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন কালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মমিন টুলু, বাণিজ্যমন্ত্রীর মেয়ে ডাঃ তাসনিমা আহমেদ জামান, সিভিল সার্জন ডাঃ রথিন্দ্রনাথ মজুমদার, জেলা প্রশাসক মোহাং সেলিম উদ্দিন, পুলিশ সুপার মোঃ মোকতার হোসেন, ভোলা পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল হোসেন বিপ্লব প্রমুখ।

  • ৬ নারীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা আটক

    ৬ নারীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা আটক

    শরীয়তপুরে ছয় নারীকে ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ ও সেসব দৃশ্য গোপনে ভিডিও করে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা আরিফ হোসেন হাওলাদার গ্রেপ্তার হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে গোসাইরহাট উপজেলার সাইক্কা ব্রিজ এলাকায় জয়ন্তিকা নদী থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

    আরিফ শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদ্য বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক। ভুক্তভোগী নারীদের একজন ১১ নভেম্বর আরিফের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইনে ভেদরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছেন। একই দিন আরিফকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগ।

    শরীয়তপুরের গোসাইরহাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) থান্দার খায়রুল হাসান বলেন, আরিফ চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থেকে ট্রলারে করে গোসাইরহাট আসছিলেন। তিনি তাঁর বাবা ও মামার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করছিলেন। ওই ফোনের কল ট্র্যাকিং করে তাঁর অবস্থান নিশ্চিত হওয়া গেছে। পদ্মা ও মেঘনা নদী পাড় হয়ে জয়ন্তিয়া নদীতে প্রবেশ করলেই পুলিশ তাঁকে ঘেরাও দিয়ে আটক করে। তাঁকে ভেদরগঞ্জ থানায় নেওয়া হচ্ছে।

    আরিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ, গোসলখানায় গোপন ক্যামেরা লাগিয়ে গৃহবধূর ভিডিও ধারণ করেন প্রথমে। পরে সেই ভিডিও দেখিয়ে তাঁকে ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করেন। সেটাও গোপনে ভিডিও করেন। গত ১৫ অক্টোবর থেকে ধর্ষণের ভিডিওগুলো গ্রামের মানুষের মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে পড়ে।

  • বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরিয়ে ছাত্রলীগ নেতার ব্যানার

    বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরিয়ে ছাত্রলীগ নেতার ব্যানার

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি গাছ থেকে খুলে ফেলে একই স্থানে নিজের ছবি টাঙ্গিয়ে দিয়েছেন পবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব। এছাড়াও খুলে ফেলা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি বুধবার সারাদিন ও সারা রাত ফেলে রাখা হয়েছে ঐ ছাত্রলীগ নেতার ছবির নিচে মাটির উপর।

    বুধবার রাতে দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক ভবনের সামনে থাকা সারিবদ্ধ নারিকেল গাছের গোড়ায় পড়ে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। আর এসব গাছেই তাদের ছবির ওপর টাঙ্গানো হয়েছে ভর্তিচ্ছুদের শুভেচ্ছা সংবলিত পবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকের ব্যানার ও প্লাকার্ড।

    এসব ব্যানারে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারন সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইনের ছবিও দেখা যায়। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি মাটিতে পড়ে থাকার বিষয়টি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধুর ছবি অবমাননার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রয়া ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিবাবকরা।

    বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, পবিপ্রবি ইউনিট ছাত্রলীগের সভাপতি থাকাকালীন বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত প্লাকার্ড লাগিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক মো.আনিসুজ্জামান আনিস। তবে গত মঙ্গলবার রাতে সেই প্লাকার্ডগুলো খুলে নিজের ছবি লাগিয়েছেন বর্তমান সাধারন সম্পাদক রাকিব। সাবেক সভাপতি আনিসুজ্জামান আনিস একাডেমিক ভবনের সামনে তার নিজের প্লাকার্ড থাকার বিষয়টি নিশ্চত করেছেন।

    অভিযুক্ত পবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব(০১৭১৯০১১৬৩৯) বলেন, আবহাওয়া খারাপ থাকায় বাতাস ও বৃষ্টিতে ব্যানারগুলো মাটিতে পড়ে যায়। তবে স্থানীয় লোকজন ও আবহাওয়া অফিসের সাথে কথা বলে ঐদিন বাতাস-বৃষ্টি থাকার কোন প্রান পাওয়া যায়নি।

  • ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চেয়ারম্যান লিটন মোল্লার ত্রাস- আহত ২

    ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চেয়ারম্যান লিটন মোল্লার ত্রাস- আহত ২

    এবার ডিবি পুলিশের পরিচয়ে নগর জুড়ে কাশিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লিটন মোল্লার ত্রাস। গতকাল সোমবার বেলা ১২ টায় নগরীর জেল খানার মোড় থেকে সি এনজি এলপি গ্যাস চালিত শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য খোরশেদ (৩৬) ও মোরসালিন (২৪) নামে দুই যুবককে চেয়ারম্যান লিটন মোল্লার সন্ত্রাসী বাহিনী ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাদেরকে তুলে নিয়ে কুপিয়ে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয়রা রক্তাত অবস্থায় খোরশেদ ও মোরসালিনকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসকরা খোরশেদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার জন্য পরার্মশ দেন।

    আহত মোরসালিন জানায়, সি এনজি এলপি গ্যাস চালিত শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিক কল্যান ফান্ডের ২০ টাকা করে চাঁদা র্দীঘ ২১ মাস ধরে অবৈধ ভাবে নগরজুড়ে বরিশাল মাহেন্দ্রা আটো ও টেম্পু (৫১৭) শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও কাশিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লিটন মোল্লা তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে চাঁদা উত্তলন করে আসছে। অবৈধ ভাবে সি এনজি এলপি গ্যাস চালিত শ্রমিক ইউনিয়নের টাকা উত্তলন নিয়ে কিছু দিন আগে দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক ঝামেলা সৃষ্টি হয়েছিল। পরে লিটন মোল্লা তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে সি এনজি এলপি গ্যাস চালিত শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কৌশলে তাদের মারধর করে আসছে তার সন্ত্রারাসী বাহিনী।

    তার ধারাবাহিকতায় গতকাল বেলা ১২ টায় সি এনজি এলপি গ্যাস চালিত শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য খোরশেদ ও মোরসালিন শ্রমিকদের কল্যান ফান্ডের মাসিক চাঁদা উত্তলন করার সময় চেয়াম্যান লিটন মোল্লার নেতৃত্বে আটো ও টেম্পু (৫১৭) শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ন সম্পাদক খলিল ও মেম্বার সামিমসহ আরো ৪ জন সন্ত্রাসী ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে খোরশেদ ও মোরসালিনকে নতুন বাজার মাহেন্দ্রা আটো ও টেম্পু (৫১৭) শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যলয় তুলে নিয়ে গিয়ে খোরশেদের হাত পা ভেঙ্গে দেয় এবং ডান পাশ্বের কান কেটে ফেলে দেন। এসময় মোরসালিন বাধা দিলে তাকেও মারধর করে। এব্যাপারে সি এনজি এলপি গ্যাস চালিত আটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হুমায়ন কবির মোতালেব বলেন, র্দীঘ দিন ধরেই চেয়ারম্যান লিটন মোল্লা তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমাদের সংগঠনের শ্রমিক কল্যান সমিতির টাকা উত্তলন করে আসছে। এবং আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগও দিয়েছি। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল আমার সংগঠনের দুই সদস্যকে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তুলে নিয়ে কুপিয়ে জখম করে রাস্তা ফেলে যায় ঐ সন্ত্রাসী বাহিনীরা। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

  • বরিশালে বিএনপি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    বরিশালে বিএনপি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য সাবেক মন্ত্রী ড.খন্দকার মোসারেফ হোসেনের বরিশাল দলীয় সাংগঠনিক সফর উপলক্ষে এক প্রস্তুতি সভা করেছে বরিশাল মহানগর বিএনপি।

    সোমবার সকাল ১১টায় বরিশাল বিএনপি দলীয় কার্যলয়ে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর বিএনপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপি যুগ্ন মহাসচিব এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ারের সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান খান ফারুক, ফিরোজ আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার, কেন্দ্রীয় শ্রমিক দল নেতা জি এম ফারুকসহ নগরের ৩০টি ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীরা অংশ গ্রহন করেন। আগামী ২৭ই ডিসেম্বর অশ্বিনী কুমার টাউন হলে প্রতিনিধি সমাবেশে ড. খন্দকার মোসারেফ হোসেন প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখবেন।

  • পলিটেকনিক ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    পলিটেকনিক ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় একটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র সুমন কির্তনীয়ার (২৪) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত সুমন উপজেলার উত্তর বারপাইকা (হাওলা) গ্রামের সুধাংশু কির্তনীয়ার ছেলে এবং বেসরকারি ইনফ্রা পলিটেকনিকের মেকানিক্যাল বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জনিত সমস্যা ভুগছিলেন সুমন। পরিবারের পক্ষে তার চিকিৎসা ব্যয় চালানো অসম্ভব ছিল। এ হতাশার কারণেই রোববার (২৪ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে বাড়ির পাশে একটি গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। আগৈলঝাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহজাহান জানান, সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

  • স্কুল ছাত্র আবির হত্যার বিচার দাবীতে মানববন্ধন

    স্কুল ছাত্র আবির হত্যার বিচার দাবীতে মানববন্ধন

    বরিশালে নগরের আছমত আলি খান একে ইনস্টিটিউট স্কুলে ৮ম শ্রেনীর ছাত্র ও ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী আবির রবি দাসের হত্যা কারীকে গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে মানববন্ধন করেছে ছাত্র ইউনিয়ন বরিশাল জেলা সংসদ।

    সোমবার সকাল ১০টায় নগরের সদররোডে এ মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়। বরিশাল জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি গৌতম কুন্ড এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন জেলা কমিউনিস্ট পার্টি সভাপতি এ্যাড. একে আজাদ,ললিত দাস, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সহ-সভাপতি জামাল, নারী শ্রমীক ইউনিয়নের জোৎসা বেগম। বক্তরা এসময় বলেন অবিলম্বে আবিরের হত্যাকারী মিরাজকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী জানান।

  • ১৩ দিনেও উদ্ধার হয়নি নিখোঁজ কলেজ ছাত্রী

    ১৩ দিনেও উদ্ধার হয়নি নিখোঁজ কলেজ ছাত্রী

    পিরোজপুর সরকারি মহিলা কলেজের এক ছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার ১৩ দিনেও উদ্ধার হয়নি। তাকে অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. নাসির হোসেনকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ ডিসেম্বর সকালে সরকারি মহিলা কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস অন্তরা শহরের মুসলিম পাড়ার বাসা থেকে কলেজে যাওয়ার পর আর বাসায় ফিরেনি। দুপুরে তার মোবাইল ফোনে তার মা কল করলে তা বন্ধ পায়। এ ঘটনার পর স্বজনদের বাসা-বাড়িসহ বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায় তার মা রাতে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির পর পুলিশ তার সন্ধানের উদ্যোগ নেয়। দুবাই প্রবাসী মফিদুল ইসলামের মেয়ে অন্তরা তার মা ও এক বোনের সঙ্গে শহরের মুসলিম পাড়ায় একটি ভাড়া করা বাসায় থাকতেন।

    এ দিকে ১৭ ডিসেম্বর রাতে নিখোঁজ ছাত্রীর মায়ের মোবাইল ফোনে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে দু’বার কল আসে। ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে কোনো কথা না বলে কান্নার শব্দ আসে। ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর তার মা কল করলে কেউ রিসিভ করেনি। পরদিন সেই নম্বরটি পুলিশকে দিলে পুলিশ ফোনের সূত্র খুঁজতে গিয়ে জানতে পারেন ফোন নম্বরটি নাসির হোসেনের মায়ের। নাসির শহরের পাল পাড়ার মো. সালেক সেখের ছেলে। সে পিরোজপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। গরিব পরিবারের সন্তান নাসির হোসেন লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রেসক্লাবের কর্মচারী হিসেবে চাকরি করতো।

    নিখোঁজ হওয়া ছাত্রীর মায়ের দেয়া ফোন নম্বরটির অনুসন্ধান করতে গিয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয় নাসিরের মা সখিনা বেগমের নামে সিমটি নিবন্ধন করা। এ ঘটনার পর ওই ছাত্রীর মা শাহিদা ইয়াসমিন বাদী হয়ে ১৮ ডিসেম্বর রাতে নাসির হোসেনকে আসামি করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করলে পুলিশ নাসিরকে গ্রেফতার করে। থানায় পুলিশের কাছে নাসির জানিয়েছে কলেজছাত্রীকে অপহরণের সঙ্গে একজন সাংবাদিকসহ কয়েকজন জড়িত। সে জড়িতদের নামও প্রকাশ করেছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। মামলার বাদী শাহিদা ইয়াসমিন জানান, এক সময় তার ছোট মেয়ের রক্তের প্রয়োজন হওয়ায় নাসির তাকে রক্ত দান করে ছিলেন। সে থেকে নাসিরের সঙ্গে তাদের পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

    অপহরণের সঙ্গে একটি প্রভাবশালী চক্র জড়িত বলে নাসির জানিয়েছে। তাদের নাম প্রকাশ করলে নাসিরের পরিবারের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে নাসির দাবি করছে। নাসিরের মা  সখিনাজানিয়েছেন অপহরণের সঙ্গে তার ছেলে জড়িত না। ঘটনাচক্রে সে ফেঁসে গেছে। তিনি জানান, আমি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করবো না। শুধু মেয়েটিকে জীবিত ফেরত দিন, ওকে নিয়ে বহু দূর চরে যাব। সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) হাচনাইন পারভেজ জানিয়েছেন, নিখোঁজ ছাত্রীর সন্ধানে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। নাসিরের দেয়া তথ্য যাচাই করে দেখা হচ্ছে।