Author: banglarmukh official

  • বিজয়ের মাসে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের বিশেষ আড্ডা

    বিজয়ের মাসে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের বিশেষ আড্ডা

    হুজাইফা রহমান:

    বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের আয়োজনে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ “একাত্তরের দিনগুলি”র উপর আড্ডা সম্পন্ন হয়েছে। মহান বিজয়ের মাসে গতকাল শহরের শিক্ষক ভবনের আব্দুল গফুর স্মৃতি মিলনায়তনে “একাত্তরের দিনগুলি ও একটি স্বাধীন ভূখন্ডের জন্মাখ্যান” শীর্ষক এই বিশেষ পাঠক আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। আড্ডার শুরুতেই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের সমন্বয়কারী জনাব বাহাউদ্দীন গোলাপ মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহীদদের পূণ্যস্মৃতিকে স্মরণ করে একাত্তরের দিনগুলি’র পটভূমি ব্যাখ্যা করেন। এরপর একে একে পাঠচক্রের নিয়মিত পাঠক হুজাইফা রহমান, দেব, কামরুল হাসান, নজরুল ইসলাম ও লোকমান হোসাইন বইটি নিয়ে তাদের পাঠোপলব্ধি বর্ণনা করেন। পরে উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সম্মানিত শিক্ষক জনাব জাজ জাফর, কবি শফিক আমিন এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের সহ-সমন্বয়কারী জনাব ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী একাত্তরের দিনগুলির আলোকে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করেন।

    সবশেষে আজকের বিশেষ আড্ডার সম্মানিত বিশেষ আলোচক, সর্বজন শ্রদ্ধেয় সরকারি ব্রজমোহন কলেজের ইংরেজী বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এইচ. এম মাহবুবুল আলম একাত্তরের দিনগুলি’র উপর বিশেষ আলোচনা করেন। ব্রজমোহন কলেজের শিক্ষার্থীপ্রিয় এই শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জেনে তার আলোকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নিজেদেরকে সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার তাগিদ দেন এবং বই পড়ার মাধ্যমে জ্ঞানের রাজ্যকে বিস্তৃত করার উপদেশ দেন। পরিশেষে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের সমন্বয়কারী মুক্ত জ্ঞানের চর্চার তাগিদ দিয়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে আড্ডার সমাপ্তি করেন। আড্ডায় আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব তপন কুমার বৈরাগী, রাকিবুল ইসলাম সহ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের বেশ কয়েকজন স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী এবং ঐতিহ্যবাহী উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কাশিপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজ এর এক ঝাক শিক্ষার্থী।

  • কবি ও কথা সাহিত্যিক শফিক আমিন এর ধারাবাহিক উপন্যাস

    কবি ও কথা সাহিত্যিক শফিক আমিন এর ধারাবাহিক উপন্যাস

    “ভাঙ্গন” (পর্ব – ৩):

    ধলপারের সুম বিষ্টি থাইমা গেছে । তহনও মেগনার ত্যাজ কমে নাই, অজাগরের নাহান ফোস ফোস কইরা গর্জাইতে আছিল । হেইসুমকা আমার গেদাডা সাতমাসের । সব কিছু খুয়াইয়া আমরা গিয়া উঠছিলাম সুখলাল বাড়ৈর বাড়িত । হের পাকের ঘরের চুলা-চাটকি মাইনষের পায়ের পারায় সমান অইয় গেছে । ঘরের খাডালোত চিল্লা-পাল্লা কইরা বেডার কড়ুই কাডের চকি খানাও গুড়া কইরা হালাইছে । কেউরে এক মগ পানি খাওয়াইবো তো দূরে নিজেরা যে খাইবো হেই অবস্থাও নাই । আন্দাইরা ম্যাগ কাইটা রোইদ উডছে । হেই রোইদের আলোয় সব দিক ফকফইক্কা অইছে কিন্তু আমি দেহি চাইরো দিগে খালি আন্দার ! নাড়া চালির কিনারে খাড়ানো বলদ দুইডা আহনও খাড়াইয়া রইছে । হেইয়াগো পাশে খাড়াইয়া সুখলালের গরুতে খেড় চিবাইতে ছিল । গরুতে দেহাদেহি কইরা ঘাস খায়, খড় খায় কিন্তু আমাগো বলদ দুইডা কিচ্ছুই মুহে দেয় না । এর মইধ্যে ঘর ছাইরা সবাই বাইরে নামছে । শ’য়ে শ’য়ে মানুষ খালি কিলবিল কিলবিল করতে আছে। দ্যাকলে মোনে অইবো মৌচাকের নাহান । কে কোন হানে যাইবো হেইয়া যানি ঠাওর করতে পারছিল না । যেইসব মানুষ কোনও দিন পুরুষ মাইনষের মুখও দেহে নাই আইজগা দেহি হেরাও ভিন পুরুষগো মইদ্দে খাড়াইয়া রইছে । সূর্য অনেক উপরে উটছে । বেইনবেলা পাড়াই পাড়াই করতে আছিল । আস্তে আস্তে মানুষের কান্দন কইমা আইছে । মানুষ কিছুডা পাতলাও অইছে । পূব পাড়ার মজিদ মিয়া কোন দিক দিয়া জানি আমারে দেইখা আমার কিনারে আইয়া খাড়াইছে । গেছে বছর হের পোয়াতি বৌডা মইরা গেছে । বাচ্চা-গাচ্ছা অইছিল না । ম্যালা বছর চেষ্টা-তদবির কইরা বৌডা মা অইতে চাইছিল । আল্লায় না দিলে মাইনষে দিতে পারে ? পারে নাই, হেই দিন আমি আছিলাম । পোলা ধরণী ময়মুনা খালাও আছিল । ময়মুনা খালারে তিন-চারদিন আগে থেইক্কাই ঘরে আইনা রাকছে মজিদ মিয়া । কোনসুম বৌয়ের সন্তান জন্মের বেদোনা উডবো হেইয়া তো কওন যায় না, নিজে থাহে জিড়াইতের খ্যাতে । বিয়াল বেলা ক্যাল ব্যতা উট্টা আবার থাইমা যায় । বাচ্চার মাতা একটু বাইড়ায় আবার মইদ্দে হাইন্দা যায় । খালায় আমারে কইল – বৌ, তুমি দেহ তো ওরে বইমি করাইতে পারো কি না । বইমি অওনের চাপ আইলে বাচ্চা বাইর অইয়া আইবো । আমি তো নতুন, এই সব বুজুম কেইমনে ? আগে তো কোনও দিন গুড়াগাড়া অইতে দেহি নাই । তহন খালায় হিকাইয়া দিল – ওর মাতার চুল তোমার আঙ্গুলে প্যাচাইয়া মোহের মইদ্দে হানদাইয়া দেও, দেকপা অক অক করবো আর তহনই বাচ্চা বাইর অইবো। (চলবে…)

  • আজকের শিশুরাই আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী

    আজকের শিশুরাই আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের শিশুরা, আমার সোনার ছেলেমেয়েরাই জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। আজকের শিশুদের মধ্যে থেকেই আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী হবে।

    তিনি বলেন, একটি সুশিক্ষিত জাতি হিসেবে বাঙালি জাতি বিশ্বে মর্য়াদার সঙ্গে মাথা উঁচু করে চলবে। জাতির পিতা সোনার বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন সে স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দেশ এগিয়ে চলছে।

    আজ শনিবার গণভবনে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, ইবতেদায়ি ও উপজাতিদের মধ্যে ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে বিনামূল্যের বই বিতরণ কর্মসূচির অানুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    ২০১৮ সালের প্রথম দিন অর্থ্যাৎ ১ জানুয়ারি রাজধানীসহ সারা দেশে বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হবে। এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থীদের হাতে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ী ও উপজাতিদের জন্য ছাপানো বই আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দিয়ে বই উৎসবের উদ্বোধন করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরত্ব দিয়েছিলেন। কারণ শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নত জাতি হতে পারে না। তাছাড়া জাতির পিতার ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণেও শিক্ষার বিকল্প নেই।

    তিনি বলেন, জাতির পিতা সংবিধানে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ অবৈতনিক করে দিয়েছিলেন। মেয়েদের শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্য়ন্ত অবৈতনিক করে দিয়েছিলেন। বর্তমান সরকার ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফলে স্বাক্ষরতার হার শতকরা ৭২ ভাগ হয়েছে। স্কুলে ঝরে পড়ার হার কমেছে।

  • প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮ শতাংশ

    প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮ শতাংশ

    প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় এবার পাস করেছে ৯৫.১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী। গত বছরের চেয়ে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা শতকরা সোয়া ৩ ভাগ কমেছে। এ বছরের পরীক্ষায় ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ফল ভাল হয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯৩ ও মেয়েদের ৯৫ দশমিক ০৩ ভাগ।

    শনিবার বেলা ১১টায় গণভবনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন।

    বিস্তারিত আসছে…

  • সৌদিতে অলংকার মার্কেটে বিদেশি শ্রমিক ছাঁটাইয়ের নির্দেশ

    স্বর্ণালংকার মার্কেটে বিদেশি কোনো শ্রমিক রাখবে না সৌদি আরব সরকার। চলতি ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশটির শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ নির্দেশ জারি করা হয়। এ নির্দেশনা দেশজুড়ে অলংকার ব্যবসায়ীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এমনকি নির্দেশনা বাস্তবায়নে অভিযান শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। শ্রম মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র খালিদ আবা আল খালির বরাত দিয়ে সাউদি প্রেস এজেন্সি এ খবর প্রকাশ করেছে।

    ইতোমধ্যে সৌদি আরবের ১৩টি প্রশাসনিক অঞ্চলের মধ্যে ৭টিতে সরকারি নির্দেশনা পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে। কাসিম, তাবুক, নাজরান, বাহা, আসির, উত্তর সীমান্ত এলাকা ও জাযান- এই সাতটি অঞ্চলে বর্তমানে আর কোনো বিদেশি শ্রমিক নিযুক্ত নেই। বাকিগুলোতেও শিগগিরই প্রবাসীদের বদলে স্থানীয় শ্রমিকদের নিয়োগ দেয়া হবে।

    উল্লেখ্য, স্বর্ণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সৌদি আরব বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে একটি। দেশটিতে প্রায় ৬ হাজার স্বর্ণালংকারের দোকানে আনুমানিক ৩৫ হাজার প্রবাসী কাজ করেন।

  • ২০১৮ সালে মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিকে ছুটি থাকছে যতদিন

    ২০১৮ সালে মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিকে ছুটি থাকছে যতদিন

    সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি অনুমোদন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ছুটির তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষে মোট ৮৫দিন ছুটি থাকবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় চলতি সপ্তাহে ২০১৮ সালের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি অনুমোদন দিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে এটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারো ১ জানুয়ারি পাঠ্যপুস্তক বিতরণের কার্যক্রম হিসেবে ‘পাঠ্যপুস্তক দিবস’ উদযাপন করতে হবে। এছাড়া প্রতিটি বিদ্যালয়ে সরকার কর্তৃক ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ দিবস ও শিক্ষা সপ্তাহ পালন করতে বলা হয়েছে। শিক্ষাপঞ্জিতে বলা হয়েছে, ১ জুলাই থেকে ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে অর্ধ-বার্ষিক বা প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা নিতে হবে। ১২ কর্মদিবসের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করে ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। চলতি (২০১৭) শিক্ষাবর্ষে এই সময়সূচি ছিল ৬ জুলাই থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে অর্ধ-বার্ষিক বা প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা, ফল প্রকাশ ৫ আগস্ট। ১ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচনী পরীক্ষা নিয়ে ৫ নভেম্বর ফল প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। চলতি বছর এই সময়সূচি ছিল ১১ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচনী পরীক্ষা নিয়ে ৫ নভেম্বর ফল প্রকাশ। এছাড়া ২৮ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে বার্ষিক পরীক্ষা নিতে হবে। ফল প্রকাশ করতে হবে ৩০ ডিসেম্বর। ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী শিক্ষাবর্ষে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া মোট ছুটি ৮৫ দিন।

  • ভারতে চার বাংলাদেশি নারীর দুই বছর কারাদণ্ড

    ভারতে চার বাংলাদেশি নারীর দুই বছর কারাদণ্ড

    ভারতে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে চার বাংলাদেশি নারীকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রের থানে ডিস্ট্রিক্ট আদালত ওই চার বাংলাদেশিকে এই সাজা দেন। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককেই ১০ হাজার রুপি করে ব্যক্তিগত জরিমানাও করেছেন আদালতের সহকারি সেশন বিচারক আর.এস. পাতিল (ভোঁসলে)।

    ওই চার বাংলাদেশি হলেন জান্নাত নূর ইসলাম শেখ (৩৫), শুখি হারুন মোল্লা (৫৮), মিম ওরফে সীমা সামাথ মাতবর (৩০) এবং মৈনা জুমাত গাজি (৩০)।

    জানা যায়, নির্দিষ্ট সূত্রে খবর পেয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির দিকে থানের কাশিমিরা টাউনে দুইটি অভিযান চালিয়ে থানে ডিস্ট্রিক্টের রুরাল থানার পুলিশ এই চার বাংলাদেশিকে আটক করে। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন থানার অ্যান্টি-হিউম্যান ট্রাফিকিং সেলের ইন্সপেক্টর সঞ্জয় বাঙ্গার। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে আটক চার নারীই বাংলাদেশের বাসিন্দা এবং তাদের কারো কাছেই ভারতে প্রবেশের পাসপোর্ট, ভিসা বা কোন বৈধ নথি ছিল না। এরপরই তাদের বিরুদ্ধে ১৪ এ(বি) ফরেনার্স অ্যাক্টে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    মঙ্গলবার সাজা ঘোষণার সময় বিচারক আর.এস. পাতিল (ভোঁসলে) জানান ‘দারিদ্রতা এবং কর্মসংস্থানের জন্যই তারা ভারতে প্রবেশ করেন এবং দৈনিক শ্রমিকের কাজ শুরু করেন। এটা ঠিক যে ওই চার নারী খুবই গরীব এবং ভারতে কোনরকম অবৈধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না। তাই তাদেরকে সাজা দেওয়ার সময় কিছুটা উদারতা দেখানো উচিত।

    যদিও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান অভিযুক্তরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে। এই ঘটনায় দেশের আইন-শৃঙ্খলা জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই তাদের সাজা ঘোষণার ক্ষেত্রে কোন রকম উদারতা দেখানো উচিত নয় এবং সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করা উচিত।

    সব শুনে বিচারক অভিযুক্ত চার বাংলাদেশির প্রত্যেককেই দুই বছরের কারাগারের সাজা ঘোষণা করেন। পাশাপাশি সাজার মেয়াদ শেষে ওই চার বাংলাদেশিকে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়েও কারাগার কর্তৃপক্ষ ও নয়ননগর পুলিশ থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালতের বিচারক।

  • মিশরের চার্চে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৯

    মিশরের চার্চে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৯

    নতুন বছরের আগে ফের রক্তাক্ত হলো মিশর। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে মিশরের দক্ষিণে হেলওয়ানে সেইন্ট মিনাস চার্চে বন্দুকধারীর হামলায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৫ জন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে দুই পুলিশকর্মীও আছেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এদিন সকালে প্রার্থনার সময় দুই আত্মঘাতী জঙ্গি বিস্ফোরকবোঝাই জামা পরে, অস্ত্র নিয়ে চার্চে ঢুকে পড়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। পুলিশের সঙ্গে পাল্টা গুলিতে নিহত হয় এক বন্দুকধারী। দ্বিতীয়জন পালিয়ে যায়।তার খোঁজ চলছে।

    মিশরের প্রেসিডেন্ট আল সিসি এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। ক্রিসমাস এবং নতুন বছর উপলক্ষ্যে মিশরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি করেছে মিশর পুলিশ। তা সত্ত্বেও এই ঘটনায় মিশর পুলিসের ফস্কা গেরোর ছবিটাই স্পষ্ট হল বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

  • নগ্ন রেস্তোরাঁর পরে এবার নির্মিত হচ্ছে নগ্ন পার্ক!‌

    নগ্ন রেস্তোরাঁর পরে এবার নির্মিত হচ্ছে নগ্ন পার্ক!‌

    গোটা ইউরোপে ঝড় তুলেছে নগ্ন রেস্তোরাঁ। সেই ঝড় থামতে না থামতেই এবার আসছে নগ্ন পার্ক। তবে ইউরোপে নয়, এমন পার্ক তৈরি হচ্ছে ব্রাজিলে। সেই পার্কের নাম ‘‌ইরোটিকা ল্যান্ড’‌।

    জানা গেছে, অপর্যাপ্ত যৌনতার ছড়াছড়ি থাকবে এই পার্কে।  নগ্ন হয়ে ঢুকতে হবে এই রেস্তোরাঁয়। নানা ‘‌জয় রাইড’‌–এর পাশাপাশি থাকবে অসংখ্য উদ্দীপক মূর্তি।  ২০১৮ সালের শেষের দিকে পিরাসিবাকা এলাকায় তৈরি হবে এই পার্ক।

    সাও পাওলো লাগোয়া এই শহর এমনিতেই রঙিন নৈশজীবনের জন্য বিখ্যাত। তার মধ্যে এই পার্ক শহরে পর্যটকদের কাছে এক নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠবে।  পার্কে থাকছে কামোদ্দীপক সেভেন ডি সিনেমা দেখার ব্যবস্থা। পার্কের ঠিক মাঝাখানে থাকবে একটি সুইমিং পুল। সেখানে চলবে খানাপিনা ও জলকেলির ব্যবস্থা।

    তবে এই পার্কে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ অপ্রাপ্তবয়স্কদের প্রবেশ। সঠিক ও স্বাস্থ্যসম্মতভ উপায়ে যৌনতার অভ্যাস গড়ে তুলতে একটি কর্মশালাও চলবে এই পার্কে। পার্কের প্রবেশমূল্য ১০০ ডলার।

  • ওয়াশিং মেশিনের ভিতর থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার

    ওয়াশিং মেশিনের ভিতর থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার

    দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে পুলিশের চোখে ধুলা দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। গ্রেফতার এড়াতে ঘন ঘন মোবাইল সিম ও ঠিকানাও পরিবর্তন করছিলেন তবুও শেষ রক্ষা হল না। অবশেষে বাসার মধ্যে থাকা ওয়াশিং মেশিনের ভিতর থেকেই আটক করা হল অভিযুক্ত ব্যক্তিকে।
    দু-দুইটি প্রতারণার মামলা ছিল ভারতের মুম্বাইয়ের বাসিন্দা মনোজ তিওয়ারি (৫৪)’এর বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মুম্বাইয়ের পুলিশ গত প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে খুঁজছিল। কিন্তু ঘন ঘন মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা বদলানোর কারণে কিছুতেই মনোজকে ধরতে পারছিলেন না পুলিশ কর্মকর্তারা। এরপর মোবাইলের সূত্র ধরেই গত সোমবার মনোজকে ধরতে তার জুহুর বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে যৌথভাবে অভিযান চালাতে যায় আজাদ ময়দান এবং জুহু থানার পুলিশ। কিন্তু মনোজের আইনজীবী স্ত্রী’র বাধায় ফ্ল্যাটের বাইরেই দীর্ঘ তিন ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করতে হয় পুলিশ সদস্যদের। এরপর তার স্ত্রী’কে বুঝিয়ে-সুজিয়ে ফ্ল্যাটের ভিতর ঢোকে পুলিশ। কিন্তু তিনটি বেড রুমে অভিযান চালিয়েও মনোজের খোঁজ পাওয়া যায়নি। একসময় হতাশা হয়ে অভিযানে ইতি টানতে চেয়েছিলেন পুলিশ সদস্যরা। কিন্তু অভিযানকারী দলের এক পুলিশ কনস্টেবলের পরামর্শে অবশেষে বাসার ওয়াশিং মেশিন খুলতেই কপালে চোখ ওঠে পুলিশের। মেশিনের ভিতরে থাকা পোশাকের মধ্যেই পাওয়া যায় মনোজ’কে। এরপরই মেশিন থেকে বাইরে এনে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে আদালতে তোলা হলে মনোজকে কারাগারের নির্দেশ দেয় আদালত।
    মহারাষ্ট্রের বীড় এলাকায় বি.এড কোর্সে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার নামে তিন ব্যক্তির কাছ থেকে ১ লাখ রুপি নেওয়ার অভিযোগে ২০০২ সালে আজাদ ময়দান থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। এছাড়াও পুণেতেও তার বিরুদ্ধে ১ কোটি রুপির প্রতারণার অভিযোগ ছিল। ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই মনোজকে আটক করা হয়। মামলা শুরু হয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। পরে আদালত থেকে জামিনও পান মনোজ কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী শুনানি গুলিতে আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় তাকে পলাতক বলে ঘোষণা দেয় আদালত।
    আজাদ ময়দান থানার সহকারী পুলিশ ইন্সপেক্টর বি. মিসাল জানান ‘পুলিশ যখন মনোজের বাড়ির বেল বাজায়, তখন তাঁর স্ত্রী বন্দনা দরজা খোলে কিন্তু পুলিশকে দেখেই ফের দরজা বন্ধ করে দেয়। আমাদের কাছে যেহেতু মনোজের বিরুদ্ধে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট ছিল তাই আমরা নিশ্চিত ছিলাম যে বাসার মধ্যেই মনোজ আছেন। এরপর আমরা জুহু পুলিশকেও বিষয়টি জানাই এবং অভিযানে অংশ নেয়’।
    ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (জোন-১) মনোজ কুমার শর্মা জানান ‘আদালতের তরফে অভিযুক্ত মনোজকে পলাতক বলে ঘোষণা দেওয়ার পর জুহুতে মোবাইল লোকেশন দেখে তার খোঁজ পায়। গত প্রায় ১২ বছরের বেশি সময় ধরে সে পলাতক ছিল। অবশেষে গত সোমবার জুহুতে তার বাসার ভিতরে ওয়াশিং মেশিন থেকে মনোজকে আটক করা হয়। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ায় মনোজের স্ত্রী’র বিরুদ্ধেও জুহু পুলিশ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।