Author: banglarmukh official

  • ধর্ষক প্রতিরোধক ‘প্যান্টি’ তৈরি করে সাড়া ফেললেন তরুণী

    ধর্ষক প্রতিরোধক ‘প্যান্টি’ তৈরি করে সাড়া ফেললেন তরুণী

    ভারতে প্রতিনিয়ত ধর্ষণের ঘটনায় বেশ পীড়া দিত উত্তরপ্রদেশের ফাররুখাবাদ জেলার এক সাধারণ পরিবারের তরুণী সিনু কুমারীকে। তাই মনে মনে সংকল্প করেন এমন কিছু একটা তৈরি করবেন, যা নারীদের সুরক্ষা দেবে। আর সেই ভাবনা থেকেই সিনু তৈরি করে ফেললেন এমন এক প্যান্টি যা আটকাবে ধর্ষণ।

    কলকাতা টোয়েন্টিফোরের খবর, উন্নত ইলেকট্রনিক প্রযুক্তিতে তৈরি এই প্যান্টিতে রয়েছে স্মার্টলক, যা খুলবে শুধুমাত্র সঠিক পাসওয়ার্ড দিলেই। এতে এতটাই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে যে, লোকেশনও জিপিআরএস-এর মাধ্যমে জানতে পারা যাবে।

    ‘ধর্ষক প্রতিরোধক’ প্যান্টিটি তৈরি করতে সিনু শ্রম দিয়েছেন প্রায় মাস। ব্লেডপ্রুফ কাপড় দিয়ে তৈরি এই প্যান্টিকে কাঁচি বা ব্লেড দিয়ে কাটা যাবে না, এমনকি এতে আগুনও ধরানো যাবে না। একটি প্যান্টি তৈরি করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৫,০০০ টাকা। তাই সাধারণ প্যান্টির তুলনায় এর মূল্যও যে বেশি হবে তা স্বীকারও করেছেন সিনু। তবে সরকার যদি সাহায্যের হাত এগিয়ে দেয় তাহলে গরীব নারীদের কাছে পৌঁছে যেতে পারে এই সুরক্ষাকবচ। একই সঙ্গে তার দাবি, বিভিন্ন সংস্থা এগিয়ে আসলে এই প্যান্টিকে আরও অনেক উন্নত করা সম্ভব।

    এদিকে, সিনুর এই প্রচেষ্টা সাড়া পড়ে গেছে ভারতের সর্বত্র। এরপর বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসায় ভাসছেন সিনু।

  • নির্বাচন করব, চাইলেও বাইরে রাখা যাবে না : খালেদা

    নির্বাচন করব, চাইলেও বাইরে রাখা যাবে না : খালেদা

    বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেছেন, আমরা নির্বাচন করবো, চাইলেও বাইরে রাখা যাবে না। আর সেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে নির্দলীয় সরকারের অধীনে।

    ছাত্রদলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ মিলনায়তনে আয়োজত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    বিএনপিকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন হবে না হুঁশিয়ারি দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, আপনারা যদি মনে করেন আমাদের ছেলেদের ধরে জেলে পুরে নির্বাচন করতে দেবেন না, সেটা এদেশে কখনো হবে না। বিএনপিকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন হবে না।

    সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই, বৈধ সরকার নেই, আইনের শাসন, কথা বলার অধিকার নেই। তার প্রমাণ একটু আগে দেখলাম। অনেকদিন ধরে ছাত্রদল আলোচনা সভার প্রস্তুতি নিয়েছে। অনুমতি দিয়েছে, ভাড়াও নিয়েছে। অথচ হঠাৎ করে হলরুমে তালা লাগিয়ে দিলো। এটা কেমন আচরণ।

    এদিন, ভারতের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ভারত আমাদের স্বাধীনতার সময় সাহায্য করেছে। ভারতকে আমরা বন্ধুর মতো দেখতে চাই। বন্ধু হয়ে থাকতে চাই সবসময়।

    ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের কেন্দ্রের কমান্ড ফলো করার আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, আমরা গোয়েন্দা লাগিয়েছি কে কতোটুকু দলের জন্য কাজ করছে তা দেখার জন্য। দলের শৃঙ্খলা যারা মেনে চলবে দল তাদেরই মূল্যায়ন করবে। ২০১৮ সাল হবে গণতন্ত্রের বছর।

  • বরিশালে জেলি মিশ্রিত ২০ কেজি চিংড়িসহ আটক ১

    বরিশালে জেলি মিশ্রিত ২০ কেজি চিংড়িসহ আটক ১

    বরিশালে জেলি মিশ্রিত ২০ কেজি চিংড়িসহ জাহাঙ্গীর হোসাইন নামে এক ব্যক্তি আটক হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর নথুল্লাবাদ বাজারে মৎস্য অধিদপ্তর এবং এপিবিএন’র যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। আটক জাহাঙ্গীর নগরীর পলাশপুর এলাকার বাসিন্দা। জেলি মিশ্রিত ওই চিংড়ি সে নগরীর পোর্ট রোডের মোকাম থেকে কিনে নিয়েছিল বলে মৎস্য কর্মকর্তাদের জানিয়েছে।

    বরিশাল মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস জানান, জেলি মিশ্রিত চিংড়িসহ জাহাঙ্গীরকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোজাম্মেল হক চৌধুরী অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

  • ধর্ষনের শিকার আত্মহননকারী স্কুলছাত্রীর দাফন সম্পন্ন

    ধর্ষনের শিকার আত্মহননকারী স্কুলছাত্রীর দাফন সম্পন্ন

    শেখ সুমন :

    ধর্ষণের শিকার হয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে আত্মহননকারী স্কুলছাত্রী সোনিয়া আক্তারের (১৩) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) সকালে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি ইউনিয়নে নিজ গ্রামের বাড়িতে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এদিকে, এ ঘটনায় সোনিয়ার পরিবার মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    গত ২৭ ডিসেম্বর সকালে ধর্ষণের শিকার হওয়ার পরে নিজ ঘরে গিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে আত্মহননের চেষ্টা করে স্কুলছাত্রী সোনিয়া। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার (১ জানুয়ারি) রাতে স্বজনরা তার গ্রামের বাড়িতে সোনিয়ার মরদেহ নিয়ে আসলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। সোনিয়া চরাদি ইউনিয়নের মধ্য চরাদি গ্রামের নওয়াব আলী খান বাড়ির বাসিন্দা দুলাল খানের ছোট মেয়ে। সে বরিশাল শেরে বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।

    সোনিয়ার বরাত দিয়ে তার বড়বোন সুরাইয়া আক্তার জানান, তার বাবা দিন মজুরের কাজ করেন। ঘটনার দিন সকালে তাদের বাড়িতে কেউ ছিল না। এ সময় সোনিয়াকে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশী পান্না খানের ছেলে আসাদ খান তাকে ডিম ভেজে দেওয়ার জন্য বলে। সোনিয়া ডিম পাঠিয়ে দিতে বললে আসাদ ঘরে আসতে বলেন। ঘরে ঢোকার পরে আসাদ তাকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। সোনিয়ার কান্না শুনে চাদনী নামে অপর এক মাদরাসার ছাত্রী ঘরের পাশে গেলে আসাদের ছোট ভাই ঘরের দরজা খুলে তাকে তাড়িয়ে দেয়। ওই সময় দরজা খোলা পেয়ে সোনিয়া পালিয়ে এসে নিজ ঘরের দরজা লাগিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুজ্জামান  বলেন, স্থানীয়দের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করলে তারা পালিয়ে যান। সকালে পুলিশের উপস্থিতে স্কুলছাত্রীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোনিয়ার পরিবারের পক্ষ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বরেও জানান ওসি মাসুদুজ্জামান।

  • ছাত্রলীগ নেতা রেজা হত্যা- পুনঃতদন্তেও কেটে গেলো এক বছর

    ছাত্রলীগ নেতা রেজা হত্যা- পুনঃতদন্তেও কেটে গেলো এক বছর

    ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল করিম রেজা খুন দক্ষিণাঞ্চলের চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক হত্যাকান্ড। ২০১৬ সালের ২৭ মে দলীয় প্রতিপক্ষের হাতে বর্বরোচিতভাবে খুন হয় সে। দেখতে দেখতে প্রায় দু’ বছর কেটে গেলো। শেষ হয়নি বিচারকার্য। বিচারপ্রার্থীরা আজ কেঁদে বুক ভাসায়। হত্যাকান্ডের পরে অভিযোগপত্র দাখিল হয় ২০১৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর। ওই বছর ১০ অক্টোবর অভিযোগপত্রে নারাজি দেয়া হয়। আদালতের বিচারক মামলাটি পুনঃ তদন্তের জন্য পুলিশের সর্বোচ্চ তদন্ত সংস্থা সিআইডিকে নিদেশ দেন। সেই থেকেও কেটে গেলো আরও একটি বছর। শেষ হয়নি তদন্তকার্য। ফলে তদন্তকার্য নিয়ে আবারও চিন্তিত রয়েছেন বাদীসহ বিচারপ্রার্থীরা।

    ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ৪ জানুয়ারী। এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নির্ধারিত হতে যাচ্ছে পরর্বতী সম্মেলন কবে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে আসছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দসহ ডজনখানেক এমপি-মন্ত্রী। জানা গেছে, ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল করিম রেজা এই সম্মেলনে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের প্রধান দুই পদের শক্ত প্রার্থী ছিলেন। যে কারণেই প্রতিপক্ষ গ্র“পটি সম্মেলন পর্যন্ত যেতে দেয়নি তাকে। এদিকে ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের কাছে রেজার হত্যার বিচার চেয়েছেন বাদীসহ তার পরিবার।

    আদালত সূত্রে জানাগেছে, ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে নগরীর আলোচিত ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল করিম রেজা (২৮) হত্যা মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছে বরিশাল অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক অমিত কুমার দে। একই সাথে ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি তদন্তপ্রতিবেদন জমা দেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়। এক বছর পার হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়া হয়নি।
    আদালত সুত্র জানায়, গত ২৭ মে রাতে পলিটেকনিক কলেজের সামনে রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে ছাত্রলীগ নেতা রেজাকে কুপিয়ে হত্যা করে দলীয় প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় ৩০ মে নিহতের ভাই রিয়াজ বাদী হয়ে মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দিনসহ ১৪ ও অজ্ঞাত আরও ১২ জনকে আসামি করে কোতয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমান। তদন্ত শেষে এজাহারভূক্ত আসামী যুবলীগ কর্মী মেহেদী, মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম, সাইফুল, মো. মুন্না ও ফয়জুল শেখে’র অব্যহতির আবেদন জানিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট থানার জিআরও এর কাছে চার্জশীট জমা দেন পরিদর্শক আতাউর রহমান। এজাহারভুক্ত আসামিদের নাম চার্জশীট থেকে বাদ দেয়ায় গত ১০ অক্টোবর আদালতে নারাজির আবেদন জানান বাদী রিয়াজ উদ্দিন।

    রিয়াজ জানান, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিমের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কোতয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমান সঠিক ভাবে তদন্ত করেননি। পক্ষপাত মূলক তদন্ত করে এজাহারভুক্ত মুল আসামিদের নাম বাদ দিয়ে দ্রুত চার্জশীট জমা দেন। এমনকি তিনি মামলার বাদী হওয়া সত্ত্বেও অভিযোগপত্র জমা দেয়ার পূর্বে তদন্তের স্বার্থেও তার এবং সাক্ষিদের সাথে কোন ধরণের যোগাযোগ করেনি পরিদর্শক আতাউর রহমান। ওই বছর ১৩ আগস্ট পর্যন্ত তিনবার অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন আদালতে মামলাটি অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে তদন্তভার দেয়ার জন্য আবেদন করেন বাদী। পরে পূনরায় ওই বছর ১০ অক্টোবর নারাজি দেন তিনি। নারাজির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির জন্য দিন ধার্য রয়েছে আদালতে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ জেএমবি সদস্য গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ জেএমবি সদস্য গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তিন জেএমবি’র গায়েরে এহসার সদস্যকে জেহাদী বইসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রবিবার ভোররাত ৩টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চকআলমপুর-কালিনগর এলাকার কামারদহ ছোট সাঁকো সংলগ্ন একটি আম বাগানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলো, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ধোবরা মতিবাজার গ্রামের মৃত নেফাউর রহমানের ছেলে আজিবুল হক (৫৩), ধোবরা গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৫) ও লক্ষীপুর মোবারকপুর গ্রামের আইনাল হকের ছেলে তাজামুল হক (৪৬)। এসময় তাদের কাছ থেকে ৪টি জেহাদী বই, ২টি মোবাইল ফোন, ৩টি সিমকার্ড, একটি টর্চ লাইট, একটি গ্যাস লাইটার, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পানির বোতল উদ্ধার করা হয়।

    জানা যায়, ভোররাত ৩টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চকআলমপুর-কালিনগর এলাকার কামারদহ ছোট সাঁকো সংলগ্ন একটি আম বাগানে অভিযান চালায় র‌্যাব। এসময় গোপন বৈঠক চলাকালে আজিবুল হক ও সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। কয়েকজন র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

    পরে আজিবুল হক ও সাইফুল ইসলামের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে শিবগঞ্জ উপজেলার লক্ষীপুর মোবারকপুর গ্রামে পলাতক জঙ্গি মোঃ তাজামুল হকের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে তার শয়ন কক্ষের খাঁটের নীচে লুকানো অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়।

    র‌্যাব-৫ ব্যাটালিয়ন এর উপ-অধিনায়ক মেজর এ এম আশরাফুল ইসলাম এবং সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার মোহাম্মদ সাঈদ আব্দুল্লাহ আল-মুরাদ এর নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে র‌্যাব জানিয়েছে।

  • যশোরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    যশোরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা যশোর পৌঁছেছেন। রবিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে যশোরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে হেলিকপ্টারে করে তিনি ঢাকা থেকে যশোরের উদ্দেশে রওনা দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ঘাঁটিতে শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজে যোগদান করবেন। পরে বিকালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে দলীয় জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি। বর্তমান সরকারের মেয়াদে যশোরে এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জনসভা।

    তার আগমন উপলক্ষে পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যানার, ফেস্টুন, তোরণ, বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে গোটা শহর। মিছিল-মিটিংয়ে মুখরিত রাস্তাঘাট।

    জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, সফরকালে প্রধানমন্ত্রী যশোরে ২৮টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন

  • প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের দায়িত্বে নজিবুর রহমান

    প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের দায়িত্বে নজিবুর রহমান

    প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে দায়িত্ব পেয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান।  রবিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর আগে এ দায়িত্বে ছিলেন কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। তার মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে।

    মুখ্য সচিবের পদটি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সমান মর্যাদার। ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী তারা একই পদ মর্যাদার হলেও ক্রম অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পরে মুখ‌্য সচিবের নামটি থাকে। একই পদমর্যাদার হলেও সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধানের নাম থাকে তাদের পরে।

  • ১২৮ দিন ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী ডিবির হাতে ‘গ্রেফতার’

    ১২৮ দিন ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী ডিবির হাতে ‘গ্রেফতার’

    চলতি বছরের আগস্টে অপহৃত ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা সৈয়দ সাদাত আহমেদকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শনিবার রাত ১০টার দিকে রামপুরা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

    সাদাত এবিএন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক সদস্য।

    ডিবি দক্ষিণের সহকারী কমিশনার (এসি) শামসুল আরেফিন জানান, ২০১৫ সালের রমনা থানায় নাশকতার (জ্বালাও-পোড়াও) একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

    তাকে অপহরণের মামলা রয়েছে থানায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি নিজেই পলাতক ছিলেন কি-না বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে।

    এর আগে চলতি বছরের ২২ আগস্ট বিকেলে বনানী ওভারপাসের নিচে নিজ গাড়ি থেকে নামিয়ে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয়া হয় সাদাতকে। গাড়িতে থাকা সাদাতের ছেলেকে অপহরণকারীরা জানায়, সাদাত ১৫ মিনিট পর ফিরে আসবেন।

    পরে তাকে না পেয়ে থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন তার স্ত্রী।

  • ফলে ছন্দপতন : দায়ী প্রশ্ন ফাঁস ও নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি

    ফলে ছন্দপতন : দায়ী প্রশ্ন ফাঁস ও নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি

    প্রশ্ন ফাঁস ও খাতা মূল্যায়নে নতুন পদ্ধতির কারণেই জেএসসি-জেডিসি ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর ফলাফলে বড় প্রভাব পড়েছে। এ কারণেই কমেছে পাসের হার ও জিপিএ ৫। এবারের জেএসসি ও জেডিসিতে পাসের হার কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ। আর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে কমেছে তিন শতাংশের বেশি।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তন, প্রশ্ন ফাঁস এবং খাতা দেখায় কড়াকড়ির কারণে এবারের জেএসসি-জেডিসি ও প্রাথমিক সমাপনীর ফল তুলনামূলক খারাপ হয়েছে। এসএসসি, এইচএসসিতেও মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিবর্তন করায় পাসের হারে ধ্বস নামে। সেই প্রভাব জেএসসি-জেডিসি ও সমাপনীর ফলেও পড়েছে।

    শিক্ষাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম  বলেন, খাতা মূল্যায়নে পরিবর্তন আনায় জেএসসি-জেডিসি ও সমাপনী পরীক্ষার ফলে বড় প্রভাব পড়ছে। এছাড়া প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছে। ফলাফলে এর প্রভাবও পড়েছে। কেন না পরীক্ষার্থী যখন শোনে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে তখন প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তখন সে এক ধরনের আতংকের মধ্যে পড়ে যায়।

    তিনি আরও বলেন, এ পরীক্ষা কতটা প্রয়োজন তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এসব পরীক্ষায় মেধা যাচাই হচ্ছে না। বরং কোচিং-গাইডের বাণিজ্য জমে উঠছে। এ দুই পরীক্ষা বাতিল করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার বলেন, এবারে পরীক্ষার ফলাফলে সামগ্রিক পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে। এ বছরে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলও তুলনামূলকভাবে খারাপ হয়েছে। এসব হয়েছে নানা পরিবর্তনের ফলে। উত্তরপত্র মূল্যায়নে পরিবর্তন এসেছে। পরীক্ষায় বিভিন্ন সময় নানা বিষয় পরিবর্তন করা হচ্ছে। এখন শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়নে বেশ সতর্ক। এসব কারণেই ফলাফলে ধারাবাহিক প্রভাব পড়ছে।

    তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান এ ফলাফলকে বিপর্যয় বলে মনে করেন না । তার মতে, গত পাঁচ-ছয় বছরে হাইব্রিড ফল প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যোগ্যতার চেয়ে বেশি নম্বর দেয়া হয়েছিল। তাই জিপিএ প্রাপ্তি ও পাসের হার বেড়েছিল। এ বছরও যথাযথভাবে খাতা মূল্যায়ন হয়েছে বিষয়টা এমন নয়। তবে এবারের ফল সত্যের কাছাকাছি গেছে।

    এ শিক্ষাবিদ আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রশ্ন পদ্ধতি প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে নানা প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করা উচিত। এবার জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় পাস করেছে ৮৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৯১ হাজার ৬২৮ শিক্ষার্থী। সে হিসেবে এবার এ পরীক্ষায় পাসের হারে বড় পতন হয়েছে, সঙ্গে কমেছে পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও।

    আট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে এবার পাসের হার ৮৩ দশমিক ১০ শতাংশ। আর মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৬ দশমিক ৮০ শতাংশ।

    গত বছর জেএসসি-জেডিসিতে সম্মিলিতভাবে ৯৩ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। এর মধ্যে জেএসসিতে ৯২ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং জেডিসিতে ৯৪ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। জেএসসি-জেডিসিতে এবার মোট এক লাখ ৯১ হাজার ৬২৮ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে জেএসসিতে এক লাখ ৮৪ হাজার ৩৯৭ এবং জেডিসিতে সাত হাজার ২৩১ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছে। জেএসসি-জেডিসি মিলিয়ে গত বছর দুই লাখ ৪৭ হাজার ৫৫৮ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছিল।

    আর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষায় ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে এ বছর। এর মধ্যে প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন। আর ইবতেদায়ীতে ৫ হাজার ২৩ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছে।

    গত বছর প্রাথমিক সমাপনীতে ৯৮ দশমিক ৫১ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে ৯৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২ লাখ ৮১ হাজার ৮৯৮ জন, আর ইবতেদায়ীতে ৫ হাজার ৯৪৮ জন। এ হিসাবে এবার পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারের সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ জিপিএ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে।