Author: banglarmukh official

  • নতুন মন্ত্রীকে সতর্ক করলেন মেনন

    নতুন মন্ত্রীকে সতর্ক করলেন মেনন

    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন একেএম শাহজাহান কামাল। তাকে সতর্ক করেছেন এ মন্ত্রণালয়ের সদ্য বিদায়ী ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেছেন, বিমান নিয়ে অনেক সংকট আছে। এ মন্ত্রণালয়ে আমরা অনেক অর্জন করেছি। বিমানের কিছু ব্যর্থতায় সব অর্জনই শেষ হয়ে যায়।

    বৃহস্পতিবার সকালে নতুন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া একেএম শাহজাহান কামালকে সঙ্গে নিয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    রাশেদ খান মেনন বলেন, আমি এ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিমান পর পর তিন বছর লাভজনক প্রতিষ্ঠান হয়েছে। বিমানকে আমরা ক্যাটাগরি-১ এ আনার চেষ্টা করেছি। কিন্তু আনতে পারিনি। নিউইয়র্কে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স দেওয়ার প্রতিশ্রতি ছিল। কিন্তু সেটা আমরা পূরণ করতে পারিনি।

  • দেশের প্রথম ছয় লেন ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    দেশের প্রথম ছয় লেন ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ফেনীর মহিপালে নির্মিত দেশের প্রথম ও একমাত্র ছয় লেনের ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেলা সাড়ে ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফ্লাইওভারটির উদ্বোধন করেন।

    উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ফ্লাইওভারের মাধ্যমে ফেনীবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর হবে। যারা চট্টগ্রাম, নেয়াখালী বা ফেনীমুখী তাদের সবার জন্য এক কষ্টের জায়গা ছিল মহিপালের এ জায়গাটি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যামে আটকে থাকতো হতো এখানে।

    তিনি আরও বলেন, ‘বাড়ছে যানজট। বাড়ছে গাড়ি। যত বেশি আর্থিক উন্নতি হবে ততো বেশি গাড়ি বাড়বে। বাড়বে যানজট। সে লক্ষ্যেই আমরা যানজট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছি।’

    এ ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজে সেনাবাহিনীসহ, সাধারণ জনতা ও অন্যান্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্পের জন্য যে সময় বেঁধে দিয়েছিলাম তার চেয়ে ছয় মাস আগে কাজ শেষ করেছে সেনাবাহিনী। এজন্য তাদেরসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাই।’

    ‘২০২১ সালের মধ্যে দেশকে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করবো। স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন করবো। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা কাজ করছি। ’

    প্রধানমন্ত্রী ফ্লাইওভার উদ্বোধন করার পর তা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কের সংযোগস্থল মহিপালে এ ফ্লাইওভার চালু হওয়ায় মহাসড়কে যানজট অনেকাংশে কমে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এ ফ্লাইওভারের সার্ভিস লেনের দৈর্ঘ্য ১৩৭০ মিটার এবং প্রস্থ ৭ দশমিক ৫ মিটার। সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ১১৬০ মিটার এবং ফুটপাথের দৈর্ঘ্য ২২১০ মিটার। ফ্লাইওভারটিতে রয়েছে ১১টি স্প্যান এবং ১৩২টি পিসি গার্ডার। এ প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে, ১৮১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

  • সবাই খুঁজে পায় শুধু পুলিশ খুঁজে পায়না আসামী আ’লীগ নেতা ছবি চেয়ারম্যানকে

    সবাই খুঁজে পায় শুধু পুলিশ খুঁজে পায়না আসামী আ’লীগ নেতা ছবি চেয়ারম্যানকে

    বন্দর থানার স্থায়ী বাসিন্দা তিনি। ৭নং চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদের তিন বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এমনকি সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি। সদর উপজেলার লাখ লাখ ভোটার তাকে চেনে আওয়ামীলীগ নেতা হিসেবে। তিনি মনিরুল ইসলাম ছবি। তার বিশেষ প্রভাবে চলে বন্দর থানা। কাউকে ধরতে বললে পুলিশ ধরে আবার ছাড়তে বললে ছাড়ে। কিন্তু পরিচিত এই জনপ্রতিনিধিকে খুঁজে পাচ্ছেন না বন্দর থানা পুলিশ। আওয়ামীলীগের ঘরে বাইরে বিতর্কিত মানুষটিকে খুঁজে না পেয়ে আদলতের নির্দেশ বাস্তবায়ন করেনি। ওদিকে আদালতকে ভুল ও মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

    ২০১৭ সালে সাংবাদিক হত্যার হুমকি ও পরিকল্পনার প্রেক্ষিতে থানায় জিডি এবং জিডির সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় ১৩ নভেম্বর আদালত মনিরুল ইসলাম ছবির বিরুদ্ধে মামলা গ্রহন করে সমন জারি করে। ২০১৭ সালের ১৩ নভেম্বর আদালতের সমন নির্দেশে ১৪ নভেম্বর বরিশাল বন্দর থানায় পৌছলে তা জারি করার দায়িত্ব পরে এএসআই বেল্লালের উপর। বেল্লাল সমন ইস্যুতে দীর্ঘ একমাস ধরে গরিমসি করতে থাকে। মাত্র একদিন নামে মাত্র ১১ ডিসেম্বর ছবির বাড়িতে গিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে যে ছবি তার বাড়িতে নেই। সে ঢাকায় থাকায় সমন ইস্যু করা গেল না। যদিও এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওইদিন তিনি ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত ছিলেন। এমনকি পার্টির কাজে বরিশাল ও তার বাড়িতে বেশ কয়েকবার যাতায়াত করেছেন। কিন্তু পুলিশ তাকে খুঁজে পায়নি।

    অভিযোগ রয়েছে, মনিরুল ইসলাম ছবির সাথে যোগাযোগ করেই তার বাড়িতে গিয়েছিল এএসআই বেল্লাল এবং আসামী মনিরুল ইসলাম ছবির পরামর্শ অনুযায়ী আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে ওই পুলিশ কর্মকর্তা। সূত্র নিশ্চিত করেছে, শুধু প্রতিবেদন দাখিল নয়, প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করে প্রথমে মনিরুল ইসলাম ছবিকে দেখায় বেল্লাল। তিনি সম্মতি দিলেই শেষে আদালতে ছবিকে না পাওয়ার প্রতিবেদন দেয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, মুঠোফোনে ছবির সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়েছে তিনি ঢাকায় রয়েছেন।

    প্রশ্ন হলো, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য র্দীঘ একমাস সময় নিয়েও বন্দর থানা পুলিশ খুঁজে পায়নি কিভাবে? ওই একমাস কি পুরোটাই ঢাকায় ছিলেন ছবি? এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাংবাদিক হত্যার পরিকল্পনাকারীকে সুযোগ করে দিতেই বন্দর থানা কর্তৃপক্ষ আসামী না খুঁজে পাওয়ার প্রতিবেদন দিয়েছে। যদিও ২ জানুয়ারী আদালত মনিরুল ছবিকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আদালতের ধার্য তারিখে হাজির হয়নি ছবি। ওদিকে মামলার বাদী মেহেদী হাসান খান বন্দর থানার এএসআই বেল্লালের দাখিলকৃত প্রতিবেদনকে মিথ্যা-বানোয়াট উল্লেখ করে আদালত বরাবর দরখাস্ত করেছেন। সেখানে মেহেদী হাসান খান উল্লেখ করেন, মনিরুল ইসলাম ছবির স্থায়ী ঠিকানা চরকাউয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে। বর্তমানে তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১০ নং ওয়ার্ডের জর্ডন রোডের বাসিন্দা।

    মেহেদী হাসান বলেন, পুলিশ ওই প্রতিবেদন নি:সন্দেহে আসামী কর্তৃক প্রভাবিত হয়ে দিয়েছে। কারন সবাই যেখানে মনিরুল ইসলাম ছবিকে খুঁজে পায় সেখানে পুলিশ খুজে পায়না কেন? তবে বন্দর থানার এএসআই বেল্লাল বলেন, আমি আসামীকে খুঁজতে তার বাড়িতে গিয়ে না পেয়ে এমন প্রতিবেদন দাখিল করেছি। দীর্ঘ এক মাসেও মনিরুল ইসলামকে খুঁজে পাননি এমন প্রশ্ন করা হলে তার কোন সঠিক জবাব দেননি এই এএসআই।

  • বরিশালে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে হামলা ভাঙচুর- আহত

    বরিশালে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে হামলা ভাঙচুর- আহত

    বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এসময় ভাঙচুর করা হয়েছে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন অনুসারী নেতাকর্মীদের বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল। বুধবার (০৩ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে শহরের নুরিয়া স্কুলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বরিশাল কোতয়ালি পুলিশ দ্রুত সেখানে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে নেয়। কিন্তু হামলাকারীদের কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন- সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার রাত ১২টা ১ মিনিটে নুরিয়া স্কুলের একটি কক্ষে কেক কাটার আয়োজন করা হয়।

    রাত দশটার পরে সেখানে নেতাকর্মীরা আসতে শুরু করলে কথিত ছাত্রলীগ সসন্ত্রাসীরা মিলে ৪০ থেকে ৫০ জন সশস্ত্র হামলা চলায়। একপার্যায়ে তারা নেতাকর্মীদের মারধর করে ৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। পরক্ষণে সন্ত্রাসীরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক মাটিতে ফেলে পদদলিত করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করে। এই হামলায় ৫ থেকে ৬ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন জসিম। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মশিউর রহমান জানিয়েছেন- ঘটনার পরে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী কেক কেটে উৎযাপন করে বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ

    প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী কেক কেটে উৎযাপন করে বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল জেলা ও
    মহানগর ছাত্রলীগ আয়েজিত বিভিন্ন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে রাত ১২.০১ মিনিটে কেক কাটে উৎযাপন করে।

    বরিশাল আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে কেক কাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ তালুকদার মোঃ ইউনুস এমপি, মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্মসাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন সেরনিয়াত, সাধারন সম্পাদক আঃ রাজ্জাকসহ নেতৃবৃন্দ ।

  • মোড় ঘোরাতে চান মাশরাফি

    মোড় ঘোরাতে চান মাশরাফি

    তিনি অনুশীলনে আসতেই অনেককে বলতে শোনা গেল, ‘অভিনন্দন কোচ।’ ভাববেন না রাতারাতি কোনো হেড কোচ নিয়োগ দিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বরং আগের দিন সভাপতি নাজমুল হাসান আসন্ন ত্রিদেশীয় ওয়ানডে টুর্নামেন্ট এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজের জন্য মাশরাফি বিন মর্তুজা ও সাকিব আল হাসানকেই কোচের ‘পদবি’ দিয়ে ফেলেছেন। পরিবার নিয়ে সেদিনই থাইল্যান্ড থেকে ফেরা ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি কাল অনুশীলনে যোগ দিতেই তাই সতীর্থদের মজা করে অভিনন্দন জানানোর পর্ব শুরু হলো। জবাবে মজা করতে ছাড়ছিলেন না তিনি নিজেও।

    অবশ্য এটাও ভালোই বুঝতে পারছেন যে দায়িত্বটা এখন বেড়ে গেছে আরো। যদিও বাড়তি কিছু করতে হবে বলেও মনে করেন না মাশরাফি, ‘আমার মনে হয় না আলাদা কিছু করতে হবে। উনি (বিসিবি সভাপতি) যেটা বুঝিয়েছেন, সেটা হলো সিনিয়র খেলোয়াড়দের দায়িত্বের বিষয়টি, যেটা সব সময়ই থাকে। আলাদা কিছু করতে গেলে আরো সমস্যার উদ্ভব হতে পারে।’ আর সময়টা এমন যে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের দুঃস্মৃতি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়াও জরুরি। সেই লক্ষ্যে মাশরাফির ফর্মুলা হলো, ‘আমার কাছে মনে হয় যেভাবে চলছিল, সেটাই ঠিক আছে। হয়তো দক্ষিণ আফ্রিকা সফর ভালো যায়নি। বাজে সময় আসতেই পারে। এখন আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো সেটা মাথায় না রেখে খেলা।’

    মাথায় রাখতে না চাইলেও অনেক কিছু এসে যায়। যেমন এসে যাচ্ছে শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনায় সাব্বির রহমানের শাস্তির ব্যাপারটিও। তাঁর বিষয়ে বিসিবির কঠোর হওয়াটা যেমন প্রশংসা পাচ্ছে, পাশাপাশি বিপিএলের সময় মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের উইকেট ও আউটফিল্ড নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের জেরে তামিম ইকবালকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। দুটি প্রসঙ্গই তোলা হলো মাশরাফির সামনে। জবাবে তিনি বিতর্কিত কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার বিষয়টিই যেন সব ক্রিকেটারকে মনে করিয়ে দিতে চাইলেন, ‘প্রথম কথা হচ্ছে বিসিবির অধীন আমরা সবাই। এটা মেনে নেওয়াটাও দায়িত্ব। তা ছাড়া আমাদের সবাই অনুসরণও করে। তরুণরা যারা উঠে আসছে অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯ থেকে; ওরাও অনুসরণ করে আমাদের। সুতরাং মাঠের বাইরের সব কিছু ঠিক রাখা আমাদের দায়িত্ব। সামনে যেন আমরা কোনো ভুল না করি। সাব্বিরের সঙ্গে হয়েছে কিন্তু আর কারো সঙ্গে যাতে না হয়। এমনকি আমার সঙ্গেও। আমাদের কাজ হলো ভালো পারফরম করা। আর সবাই যেহেতু আমাদের অনুসরণ করে, সুতরাং নিশ্চিত করতে হবে যে মাঠের বাইরে নিজেদের কাজগুলো যাতে আমরা ঠিক করি।’

    আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজে মাঠের ভেতরের কাজগুলোও ঠিকঠাক করতে চান ওয়ানডে অধিনায়ক। এ টুর্নামেন্টের সাফল্য দিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকায় বাজে পারফরম্যান্সের ধাক্কাও সামলে নিতে চান তিনি। সেই জন্য জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে আয়োজিত হতে যাওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপায় চোখ মাশরাফির, ‘এ সিরিজটি অবশ্যই জেতার পরিকল্পনা থাকবে। এটা আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণও। কারণ দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফেরার পর সবাই আপসেট। আমরা যদি এটা (ত্রিদেশীয় সিরিজ) জিততে পারি, তাহলে পরিস্থিতির মোড় ঘুরে যেতে পারে।’ কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকায় সব ফরম্যাটেই যেমন খেলে এসেছে বাংলাদেশ, তাতে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো খুব সহজ ব্যাপারও নয়। মাশরাফি অবশ্য বোঝাতে চাইলেন যে এমন কঠিন কিছুও নয়। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধ কন্ডিশনের সঙ্গে দেশের মাঠের খেলাকে কিছুতেই মেলাতে চাইলেন না তিনি, ‘আমার মনে হয় না কঠিন কিছু হবে। বিশেষ করে ওয়ানডেতে। কারণ একটি সিরিজ দিয়ে সব কিছু বিবেচনা করা যায় না। নিউজিল্যান্ডেও ৩-০-তে হেরে এসেছিলাম। কিন্তু এ রকম চাপে পড়িনি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিটি ফরম্যাটে আমরা বাজে খেলেছি। আমাদের এখন কাজ হবে ঠিক কাজটি করা। হোমের জয় বিদেশে কোনো কাজে আসে না। কারণ হোম অ্যাওয়ের মধ্যে আকাশ-পাতাল ব্যবধান থাকে। হোমের সিরিজটি আমরা জিততে চাই।’ সেই লক্ষ্যে প্রস্তুতিতে নেমে পড়া বাংলাদেশ দলের কোচিং স্টাফরাও আজ থেকে যোগ দিতে শুরু করবেন। সহকারী কোচ রিচার্ড হালসাল ও স্পিন কোচ সুনীল যোশি আজই যুক্ত হচ্ছেন। আর বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের যোগ দেওয়ার কথা ৫ জানুয়ারি। ১৫ জানুয়ারি থেকে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরুর আগে নিজেদের মধ্যে ম্যাচ খেলেও প্রস্তুতি ঝালিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বাংলাদেশ দলের। সেই চিন্তা থেকেই লাল-সবুজ দল গড়ে দুটি দিবা-রাত্রির প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবেন মাশরাফি-সাকিবরা। ৬ জানুয়ারি প্রথম ম্যাচটি দুপুর ১২টায় শুরু হয়ে শেষ হবে রাত পৌনে ৮টায়। আর ৯ জানুয়ারির ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ১টায়।

  • জাতীয় দলে কখনো ফিরতে পারবে নাফীস, বিজয়, নাসিররা?

    জাতীয় দলে কখনো ফিরতে পারবে নাফীস, বিজয়, নাসিররা?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটের উত্থানলগ্নে যেমন অসংখ্য নতুন নতুন তারকার জন্ম হয়েছে, তেমনি ঝরে পড়েছে একসময়ের ২২ গজ দাপিয়ে বেড়ানো অনেক ক্রিকেটার। এনামুল হক বিজয়ের কথাই ধরা যাক। জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপে ইনজুরিতে পড়ে দল থেকে বাদ পড়েন। এরপর আর জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি তিনি।

    কিছুদিন আগে শেষ হয়ে যাওয়া জাতীয় ক্রিকেট লিগেও ছয় ম্যাচে ৬১৯ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন বিজয়।

    আরেকজন ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফিস শেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে। টেস্ট খেলেছেন ২০১৩ সালে। এরপর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নিয়মিত পারফর্ম করেছেন নাফিস। সর্বশেষ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ১৬ ম্যাচে ৬০০ রান করেন তিনি।

    প্রায়শঃই দেখা যায় জাতীয় দলের জন্য প্রাথমিকভাবে যে ৩০ জনের নাম ঘোষণা করা হয় সেখানে জায়গা করে নিচ্ছেন বিজয় কিংবা নাফিস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত দলে তাঁদের ঠাই হয়না। শাহরিয়ার নাফিস কিংবা এনামুল হক বিজয়ের মতো অনেকটা একই অবস্থা পার করছেন অলরাউন্ডার নাসির হোসেন।

    সম্প্রতি জাতীয় ক্রিকেট লিগে নাসির খেলেছেন ২৯৫ রানের একটি ইনিংস, যা বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এছাড়া ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে আট ম্যাচ খেলে ৪৮০ রান করেন নাসির হোসেন। কিন্তু জাতীয় দলে নিয়মিত জায়গা হচ্ছে না একসময় ‘দ্য ফিনিশার’ খেতাব পাওয়া এই অল-রাউন্ডারের। তিনি কখনো দলে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন, আবার কখনো দল থেকে ছিটকে পড়ছেন।

    জাতীয় দলে ফিরে আসা কতটা কঠিন? জানতে চাইলে শাহরিয়ার নাফীস বলেন, ‘কেউ ভালো পারফর্ম করে সুযোগ পায়, কেউ অনেক ভালো পারফর্ম করে সুযোগ পায়। একবার জাতীয় দল থেকে বের হয়ে গেলে ফিরে আসাটা অনেক কঠিন। যদি ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন হত তবে এতোটা কঠিন হত না।’

    কিন্তু বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের মান এতটাই নিচু যে, এখান থেকে জাতীয় দলের জন্য কোনো তারকাকে বিবেচনা করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য দরকার এক্সটা অর্ডিনারি কোনো পারফর্মেন্স। নাসির-নাফীসদের পারফর্মেন্স বিসিবি কর্তাদের নজর কেড়েছে। তাহলে কেন সুযোগ পাচ্ছেন না তারা। একবার জাতীয় দল থেকে বাদ পড়লে পুনরায় দলে ঢোকার রাস্তাটাই বা কী?

    বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক শফিকুল হক হীরা মনে করেন, জাতীয় ক্রিকেট দল ও ঘরোয়া ক্রিকেটের মধ্যে যোগাযোগ সেতু হিসেবে কাজ করতে পারে ‘এ’ দল। তার ভাষায়, ‘পুরো বছর ‘এ’ দলের নিয়মিত দেশের বাইরে ট্যুর আয়োজন করতে হবে, ফলে দেশের বাইরে সিরিজগুলোতে মানিয়ে নেয়ার সমস্যাগুলো তেমন থাকবে না।’

    তাছাড়া ক্রিকেটার নির্বাচনের পদ্ধতি ঠিক আছে কিনা সে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নির্বাচক বা ক্রিকেট অপারেশনস কমিটি নিয়মিত খেলা দেখছে না বলেও অভিযোগ আছে তার। মি. হীরা বলেন, অনূর্ধ্ব ১৩, ১৫, ১৭ বা ১৯ লেভেলে দল রয়েছে। কিন্তু এরপর যোগাযোগের জন্য একটা সেতু প্রয়োজন হয়। সেই সেতু হতে পারে ‘এ’ দল। কিন্তু এ দলের অস্তিত্বই তো দেখা যায় না।

    বাংলাদেশ দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া মানেই শেষ না, ওদের খেলার মধ্যে রাখতে হবে। ‘এ’ দলের আলাদা কোচিং স্টাফ প্রয়োজন, যে নিয়মিত মূল দলের কোচকে জানাবেন দলের অবস্থান সম্পর্কে।’

  • ‘আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও বড় ‘উপহার’ অপেক্ষা করছে পাকিস্তানের জন্য’

    ‘আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও বড় ‘উপহার’ অপেক্ষা করছে পাকিস্তানের জন্য’

    পাকিস্তানকে ২৫৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান থেকে বঞ্চিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর সেইসঙ্গে এক ট্যুইটে পাকিস্তানকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলেও চিহ্নিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। তবে, এখানেই শেষ নয়, পাকিস্তানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আরও ‘উপহার’ অপেক্ষা করছে। এমনটাই হুঁশিয়ারি দেওয়া হল ওয়াশিংটনের তরফ থেকে।

    মার্কিন প্রেস সেক্রেটারি সারা স্যান্ডার জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নিতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি সন্ত্রাস রুখতে পাকিস্তান আরও কড়া ব্যবস্থা নিতে পারে। আমরা চাই পাকিস্তান এবার তেমনই কিছু করুক।’ তবে ঠিক কী ব্যবস্থা নেবে যুক্তরাষ্ট্র? আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তার উত্তর মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে।’

    গত ১ জানুয়ারি ট্যুইট করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ট্রাম্প। সেদেশের জন্য বরাদ্দ করা ২৫৫ মিলিয়ন ডলার বা ২৫ কোটি ৫ লাখ ডলার অনুদান বন্ধ করে দিয়েছে ওয়াশিংটন। এর আগেও এই ব্যাপারে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। এবার সেটাই করে দেখালেন ট্রাম্প। সোমবারই তিনি ট্যুইট করে বলেন, পাকিস্তান দিনের পর দিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অনুদান নিয়েও ‘মিথ্যা’ ছাড়া আর কোনও প্রতিদানই দেয়নি। এরপরই এমন সিদ্ধান্ত নিল আমেরিকা।

    মার্কিন প্রশাসনের তরফে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চান যাতে পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কড়া পদক্ষেপ নেয়।
    আগামী দিনে নিরাপত্তার জন্য আর কোনও অনুদান পাবে কিনা, সেটাও পাকিস্তানকেই তার ব্যবহার দিয়ে প্রমাণ করতে হবে।

    ট্রাম্পের ট্যুইটের পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসিফ জানিয়েছিলেন, সময় হলে আসল সত্যিটা প্রকাশ্যে আসবে।

    ট্যুইটে ট্রাম্প জানিয়েছেন, গত পনেরো বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে ৩৩ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সাহায্য দিয়েছে। কিন্তু তার প্রত্যুত্তরে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া কথা রাখেনি পাকিস্তান। এমনই তোপ দাগলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সন্ত্রাস দমনের সদিচ্ছা নিয়েও বারবার পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে। কিন্তু এরপরও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি পাকিস্তান। এই কারণেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন ট্রাম্প।

  • ঢাকায় ঢাকা অ্যাটাকের তাসকিন

    ঢাকায় ঢাকা অ্যাটাকের তাসকিন

    ঢাকা অ্যাটাক খ্যাত অভিনেতা তাসকিন ঢাকায় এসেছেন। বুধবার বিকেলে অস্ট্রেলিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছান তিনি।  তাসকিন রহমান।

    আগামী ৬ জানুয়ারি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত বহুল আলোচিত ছবি ‘যদি একদিন’- ছবির শুটিং-এ অংশ নিতে সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে উড়ে এলেন এই অভিনেতা।

    ছবিতে তাসকিনের চরিত্রের নাম জেমি। জেমি চরিত্রটা তাসকিনকে চিন্তা করেই তৈরি করা। ছেলেটা রোমিও। মেয়েদের মাত করাই যার কাজ। তাসকিনকে এই ছবিতে রোমিও চরিত্রে দেখা যাবে।

    ‘যদি একদিন’ হতে যাচ্ছে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের পঞ্চম ছবি। তার পরিচালিত ‘প্রজাপতি’তে জাহিদ হাসান, মৌসুমী ও মোশাররফ করিম, ‘ছায়া-ছবি’তে আরিফিন শুভ ও পূর্ণিমা (মুক্তি প্রতীক্ষিত); ‘তারকাঁটা’য় মৌসুমী, আরিফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মিম এবং সর্বশেষ ‘সম্রাট’-এ অভিনয় করেন শাকিব খান, অপু বিশ্বাস ও ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত।

    এই ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে অভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তাহসান খান। এছাড়াও রুপকথা নামে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করবে শিশুশিল্পী রাইসা।

  • পদ্মাসেতু জোড়াতালির নয়, খালেদা জিয়ার রাজনীতিই জোড়াতালির খিচুড়িতন্ত্র

    পদ্মাসেতু জোড়াতালির নয়, খালেদা জিয়ার রাজনীতিই জোড়াতালির খিচুড়িতন্ত্র

    তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, পদ্মাসেতু জোড়াতালির নয়, খালেদা জিয়ার রাজনীতিই জোড়াতালির খিচুড়িতন্ত্র।

    তিনি  বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকায় শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে কেটিভি বাংলা অনলাইন টেলিভিশনের লোগো উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

    সম্প্রতি পদ্মাসেতুকে জোড়াতালির বলে বিএনপিনেত্রীর মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর শেখ হাসিনার স্বপ্নমাখা পদ্মাসেতুর ওপর ভরসা রাখা যায়, কিন্তু তার (খালেদা জিয়া) ওপর ভরসা রাখা যায়না। কারণ, বেগম জিয়া গণতন্ত্রের মুখোশ পরে নির্বাচন বানচাল করতে চান, আগুনযুদ্ধ করেন, জঙ্গি-রাজাকার-জামায়াত পোষেণ।

    ‘খালেদা জিয়াই বলেছিলেন, শান্তি চুক্তি হলে ফেনী পর্যন্ত ভারত হয়ে যাবে। আর তারপর সেই ফেনী থেকে নির্বাচন করে সংসদে এসেছিলেন, ফেনী ভারত হয়নি’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী এসময় বলেন, শিগগিরই খালেদা তার কথা ভঙ্গ করে পদ্মাসেতু দিয়ে গাড়ি চালিয়ে এপার ওপার যাবেন, আর যদি তার কথা রাখেন, তবে কোনোদিনও পদ্মাসেতুতে উঠবেন না, নিচ দিয়েই যাবেন।

    ইনু বলেন, বেগম জিয়াই গণতন্ত্র, সামরিকতন্ত্র আর ধর্মতন্ত্রের একটু করে নিয়ে জোড়াতালির খিচুড়িতন্ত্রের ধারক-বাহক। সেকারণেই গণতন্ত্রের রাজনীতিতে তিনি পরিত্যাজ্য।

    তথ্যমন্ত্রী কেটিভি অনলাইনকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শিগগিরই অনলাইন ও আইপি টিভি পরিচালনার বিস্তারিত নীতি-পদ্ধতি প্রকাশ করবে সরকার।

    অনলাইন টেলিভিশনটির চেয়ারম্যান মোঃ মামুনুর হাসান টিপুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সাবেক এমপি মকবুল হোসেন সন্টু, কেটিভি অনলাইনের প্রধান উপদেষ্টা সৈয়দ শাহ মুহাম্মদ জুনায়েদ ও উপদেষ্টা মূর্তুজা আলী চৌধুরী সভায় বক্তব্য রাখেন।