Author: banglarmukh official

  • রাণীনগরে তীব্র শীতে বৃদ্ধ শ্রমিকের মৃত্যু!

    রাণীনগরে তীব্র শীতে বৃদ্ধ শ্রমিকের মৃত্যু!

    সিফাত
    গত কয়েক দিনের টানা শৈত্যপ্রবাহ ও উত্তরের হিমেল হাওয়ার কারণে উত্তরবঙ্গে জেঁকে বসেছে প্রচণ্ড শীত। এতে রবিবার আব্দুল জলিল (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বৃদ্ধ আব্দুল জলিল রাণীনগর উপজেলার সিম্বা গ্রামের বাসিন্দা।
    এলাকাবাসী জানায়, দুপুরে রাণীনগর উপজেলার সিম্বা এলাকায় একটি গভীর নলকূপের ড্রেনম্যান আব্দুল জলিল পানি সেচ করার সময় প্রচণ্ড শীতে জমিতে পরে যায়। লোকজন দেখতে পেয়ে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
    গভীর নলকূপ মালিক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম আল ফারুক জেমস জানান, প্রচণ্ড শীতের কারণে তিনি জমিতে পরে গিয়ে মারা যান।
    চলতি শীত মৌসুমের পৌষ মাসের বেশিরভাগ সময় অতিবাহিত হলেও তেমন কোনো শীতের প্রকোপ দেখা যায়নি। তবে গত ৪/৫ দিন আগে থেকে একেবারে জেঁকে বসেছে প্রচন্ড শীত। দুপুর নাগাদ কিছুটা হালকা রোদের দেখা মিললেও শেষ বিকেল থেকে পরের দিন দুপুর পর্যন্ত উত্তরের হিমেল হাওয়ায় এবং ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
  • কবি ও কথা সাহিত্যিক শফিক আমিন এর ধারাবাহিক উপন্যাস

    কবি ও কথা সাহিত্যিক শফিক আমিন এর ধারাবাহিক উপন্যাস

    “ভাঙ্গন” (পর্ব – ৪)

    খালার কতা মতন হাতের আঙ্গুলে চুল পেচাইয়া আঙ্গুল মোহের মইদ্দে ভইরা দিছি । অমনি অক অক কইরা বইমি করার চেষ্ট করল বেগুমি । তহন হেয় আমার বুকের লগে বউন্না অবস্থায় আছিল । বইমির চেষ্টর সুম ম্যালা কষ্ট অইছে, মনে অইছিল আমারে লইয়া খারাইয়া যাইবো । হেই খিঁচনির চোডে পোলাডা বাইর অইয়া গেছে সত্য তয় শক্ত গোস্তের উপরে পাকনা ফোঁড়া জোরসে চাপ দিলে যেইরহম পট্টত কইরা শব্দ অইয়া ছিট্টা দূরে গিয়া পড়ে ঠিক সেই মতন মাতারির পেডততোন পোলাডা ছিট্টা যাইয়া সামনের দিগে পড়ল ! বেগুমি তহন মা গোরে কইরা একটা চিক্কইর দিয়া কাইত অইয়া পড়ল ।

    যদিও পোলা বাইর হওনের আগেই পেডত মইরা আছিল । এহন দেহি মাতারিও যায় যায় অবস্তা ! রকতের যোয়ার দেইক্কা আমি চিক্কইর দিয়া কইলাম – ওখালা, অহন কি করবেন ? খালায় দেহি অস্তির অইয়া পড়ল । খালি কয় – হায় হায় ! হায় হায় এইডা কি অইল ? আর এই দিগে দেহি বেগুমি শরীলডারে কয়ডা মোচর দিয়া সোজা অইয়া রইল । আস্তে আস্তে রক্ত পরন কইমা গেছে । লড়ন-চরণ নাই দেইখ্যা নাকের কাছে হাত নিয়া দেহি দম লয় না, বুহের কাছে হাত নিয়া দেহি বুকও লড়ে না । খালারে কইলাম মতন খালায়ও দেখলো । হেয় মাতাত হাত দিয়া বইয়া পড়ল ।

    আমি আস্তে কইরা পোলাডারে ত্যানাত প্যাচাইয়া থুইলাম । বেগুমির কাপড় ঠিক কইরা রাখলাম । মজিদ মিয়া বিলের তন ফিরছে যহন তহন সন্দা অয় অয় । গ্রামে মাইক আলা তেমন মসজিদ না থাহনে বুজা যায়না নামাজের ওক্ত অইছে কিনা । রোজার দিনে তো আন্দাজে কোন্দাজে সরগাই খাইছি আর সন্দায় রোজা খুলছি । ম্যাগ-বিষ্টির দিনে তো মহা ঝামেলা আছিল । মাইনসে সময় মতন কিছুই করতে পারে নাই । মজিদ মিয়ারে দেইখা কিছুই মনে অইল না । আসলে হেসুমকা কে কারে জিগায় ! আমিও জিগাই নাই । শ্যাষে হেই আমারে জিগাইল । হেইদিন হেরে আমি কি কইছিলাম আইজগা হ্যা মোনে নাই । তয় মজিদ মিয়া আমার পোলাডা কোলে লইয়া গলাপানি গ্রামের মইদ্দে দিয়া জলনাই গ্রামে চইলা আইছিল ।

    জলনাই গ্রামের মইদ্দে যহন আইছি তহন গেদাডার গলা ওডন বাজাইছে । বেহাল তোন তো পেডোত কিছু পড়ে নাই হের পরেইদা অক আইল কইত্তন হেইডা আমি বুইজা উটতে পারি নাই । রাইত থেইকা যে এতো দৌড়-ঝাপ কইরা এই পোরযন্ত আছি এইয়ার মইদ্দে কিছুই তো নিজের পেডতও পড়ে নাই । এহন দুহর অইছে । আমরা আক্কাস মাদবরের বাড়িত আইয়া খারাই ছিলাম, মাদবর সাব গেদার বাহেরে চিনত, খালি চিনত না হেরে হেয় পেরাই বোলাই আন্ত কাজ কম্ম করানের লইগ্যা । (চলবে…)

  • ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচীর উদ্ভোধন করলেন যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ

    ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচীর উদ্ভোধন করলেন যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ

    শেখ সুমন :

    বরিশাল মহানগরের ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম এর শুভ উদ্ভোধন করেন যুবরত্ন সাদিক আবদুল্লাহ। এসো হে বীর জনতা, আওয়ামীলীগ এর পতাকা,তলে, এই শ্লোগান কে ধারন করে  কর্মসুচীর শুভ উদ্ভোধন করেন যুবরত্ন সাদিক আবদুল্লাহ।

    সভার সভাপতিত্ব করেন ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি,মনিরুজ্জাৃমান রুবেল। বিশষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এ.কে.এম জাহাঙ্গীর , কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ এর কার্যকরি সদস্য ও মহানগর আওয়ামীলীগ সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম তোতা, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক  মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগ এর সহ,প্রচার সম্পাদক,মিলন ভুইয়া, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর যুগ্ন-আহবায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন ফিরোজ, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুমন সেরনিয়াবাত, মহানগর শ্রমিকলীগ সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাস, মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ সভাপতি মুহা:পলাশ চৌধুরী, মহানগর ছাত্রলীগ সাবেক আহবায়ক জিয়াউর রহমান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। উক্ত,সভা পরিচালনা করেন মহানগর আওয়ামীলীগ এর যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক, ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নইমুল হোসেন লিটু।

  • বরিশাল সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    বরিশাল সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তবে তফসিল ঘোষণার পর যেহেতু আইনিভাবে তার সেখানে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই তফসিল ঘোষণার আগেই এই সফর শেষ করবেন তিনি।

    শনিবার (০৬ জানুয়ারি) রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী বৈঠকে শেখ হাসিনা এ সিদ্ধান্ত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা। ২০১৩ সালের ১৫ জুন রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হয়। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এই চার সিটিতেই আওয়ামী লীগ সমর্থিক প্রার্থীরা জিতলেও আওয়ামী লীগ আমলের ভোটে হেরে যান দল সমর্থিত প্রার্থীরা। এরপর একই বছরের ৬ জুন আওয়ামী লীগের শক্তিশালী অবস্থান থাকা গাজীপুরেও হেরে যান আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী। পাঁচ বিভাগীয় শহরেই আবার বাজতে যাচ্ছে ভোটের দামামা। এবার ভোট হবে দলীয় প্রতীকে। আর জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এসব শহরে ভোট হবে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গোটা দেশবাসীর নজরে থাকবে এই নির্বাচন আর এখানে জয় পরাজয় আগামী সংসদ নির্বাচনে কী ফলাফল আসতে যাচ্ছে তার আভাসও পাওয়া যাবে। এ কারণে আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনকে গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে। আর এর অংশ হিসেবেই শহরগুলোতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। পাঁচ বছর আগের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল সমর্থিত প্রার্থীর হারের পেছনে অন্যান্য অনেক কারণের সঙ্গে দলীয় কোন্দলকেও চিহ্নিত করা হয়েছিল সে সময়।

    এবার আগেভাবেই প্রধানমন্ত্রী শহরগুলোতে গিয়ে নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে চান। সেই সঙ্গে দলের কর্মী সমর্থকদেরকেও উৎসাহী করতে চান। জনগণের কাছে সরকারের উন্নয়নের বার্তা তুলে ধরতে চান। আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে এ সফর শুরু হবে। পাঁচ সিটিতে সফর শেষ করে এর বাইরে আরও তিন বিভাগীয় শহর রংপুর, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহেও যাবেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে যেসব সিটি করপোরশনে ভোট হবে, যেসব এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের গণসংযোগ নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা।বৈঠকে কথা হয় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপ-নির্বাচন নিয়েও।

    শেখ হাসিনা বলেন, তফসিল ঘোষণার পরে স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবেন। তবে যাকে সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে সেই আতিকুল ইসলামকে মানুষের দরজায় দরজায় যেতে হবে।বৈঠকে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বদরউদ্দিন কামরান সিলেট সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তুলে ধরেন। বলেন, ওখানে সরকার বরাদ্দ দেয়। কিন্তু বর্তমান মেয়র আরিফুল হক এসকল কৃতিত্ব নিজের ও বিএনপির ঘরে তুলছেন।জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এগুলোর প্রচারে আপনাদের অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। ভোটের চিন্তায় আমি উন্নয়ন কাজ কখনো বন্ধ করতে পারবো না। সব জায়গায় সমানভাবে উন্নয়ন করা আমার লক্ষ্য। উন্নয়ন এক জিনিস ভোট আরেক জিনিস।’

    এ সময় শেখ হাসিনা সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে আগামী যত নির্বাচন আসবে তাতে নৌকার পক্ষে ভোট চাওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন ও বিএনপি-জামায়াত জোটের অপকর্মের কথা তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেন।শেখ হাসিনার বিভাগীয় সফরের পাশাপাশি দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের জেলা সফরেরও সিদ্ধান্ত হয় বৈঠকে। কারা কোন জেলায় যাচ্ছেন, সেই দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে  জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে কমিটিও করা হয়েছে।

  • মেয়ে ইভানকাকে ট্রাম্পের ‘স্ত্রী’ মনে করেন ঘনিষ্টজনেরা!

    মেয়ে ইভানকাকে ট্রাম্পের ‘স্ত্রী’ মনে করেন ঘনিষ্টজনেরা!

    একটি বই প্রকাশ নিয়ে তুলকালাম চলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাচ্ছেন যে কোনো উপায়ে বইটির প্রকাশনা বন্ধ করতে। অন্যদিকে প্রকাশকও নাছোড়বান্দা। তিনি প্রকাশ করবেন আলোচিত বইটি।

    হোয়াইট হাউজে দীর্ঘদিনের যাতায়াতের অভিজ্ঞতা থেকে প্রথিতযশা সাংবাদিক মিশেল ওলফ এর লেখা এ বই; যাতে স্থান পেয়েছে ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউজে তার আশেপাশের দুই শতাধিক ব্যক্তির সাক্ষাৎকার ভিত্তিক নানা তথ্য। বইটির নাম ‘Fire and Fury: Inside the Trump White House।

    কী আছে বইটিতে? প্রকাশের আগে এ চুম্বক কিছু তথ্য তুলে ধরেছে মার্কিন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। পাঠকদের জন্য সেখান থেকে কিছু ঘটনা ও উদ্ধৃতি এখানে তুলে দেয়া হল-

    ১. ইভানকা ও তার স্বামী জ্যারেড কুশনার নিজেদের মধ্যে আলাপ করে স্থির করেছেন, ভবিষ্যতে তাদের মধ্য থেকে কাউকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে হলে কে করবেন। দুইজনেই একমত হয়েছে যে, ইভানকাই প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হবেন।

    ২. মার্কিন সংবিধান নিয়ে তেমন কিছুই জানতেন না ট্রাম্প। তবুও প্রেসিডেন্ট প্রার্থী থাকাবস্থায় সংবিধান নিয়ে পড়াশোনায় তার কোনো আগ্রহই ছিলো না। ট্রাম্পের সাবেক ক্যাম্পেইন ম্যানেজার স্যাম নানবার্গ বলেন, ‘বড়জোর তাকে চতুর্থ সংশোধনী পর্যন্ত পড়ানো গিয়েছিলো।’

    ৩. সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল স্যালি ইয়েটস সম্পর্কে বহু আজেবাজে কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট। ‘ইয়েটসের প্রতি কেন জানি প্রথম থেকেই বেজায় ক্ষুব্ধ ছিলেন ট্রাম্প। তাকে নিয়ে কথা বলার সময় জঘন্য অশ্লীল শব্দও ব্যবহার করতেন প্রেসিডেন্ট’, ওলফ তার বইয়ে লিখেছেন।

    ৪. সহযোগী ও নিজের ঘনিষ্টজনদের কারো সাথে ফোনে কথা বলা শেষে ওই ব্যক্তির ভুলত্রুটি নিয়ে আজেবাজে কথা বলেন ট্রাম্প। যেমন উপদেষ্টা ব্যাননের ব্যাপারে একবার বলেছিলেন, ‘ব্যানন মোটেও অনুগত নয়। তার বিশ্রি চেহারার কথা নাই বা বললাম! আর প্রিবাস (সাবেক উপদেষ্টা) খুবই দুর্বল লোক। ও যে একটা বাইট্টা তা আর বললাম না!’ অন্যাদের ব্যাপারেও এমন অনেক মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে। এমনকি এমন বিদ্রুপ থেকে বাদ যাননি ট্রাম্পের নিজের জামাত জ্যারেড কুশনারও।

    ৫. ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা ও হোয়াইট হাউজের চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট স্টিভ ব্যানন নিজেই স্বাক্ষ্য দিয়েছেন যে, ২০১৬ সালে নির্বাচনী প্রচারণা চলার সময় ট্রাম্প টাওয়ারে রুশ সরকারের সাথে সংযোগ থাকা এক আইনজীবীর সাথে বৈঠক করেন হবু প্রেসিডেন্ট। ওলফের বইয়ে ব্যানন এই বৈঠককে ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ ও ‘দেশপ্রেমবিরোধী’ বলে অভিহিত করেন।

    ৬. ট্রাম্প প্রায়ই ম্যাকডোনাল্ডে গিয়ে খাবার খান। তার ভয়, হোয়াইট হাউজে তার জন্য প্রস্তুত করা খাবারে বিষ মিশিয়ে দেয়া হতে পারে! ম্যাকডোনাল্ডে গিয়ে খেলে আগে থেকে সে খাবারে কারো বিষ মেশানোর সুযোগ থাকবে না।

    ৭. হোয়াইট হাউজের যোগাযোগ বিষয়ক পরিচালক হোপ হিকস এবং ট্রাম্পের সাবেক ক্যাম্পেইন ম্যানেজার কোরে লিওয়ান্ডোস্কির মধ্যে প্রণয়ের সম্পর্ক ছিলো। এক পর্যায়ে কোরে’কে বরখাস্ত করেন ট্রাম্প। এরপর একদিন হিকস’কে ট্রাম্প জিজ্ঞেস করলেন, ‘ওকে বরখাস্ত করার পর তোমার মন খারাপ হয়েছিলো কেন? তার জন্য অনেক করেছো। তোমার মতো কোমরওয়ালা মেয়ে তার জীবনের শ্রেষ্ঠ পাওয়া।’

    ৮. হিকসের সাথে ট্রাম্পের খুবই ঘনিষ্ট সম্পর্ক। ঘনিষ্টজনেরা তাকে ট্রাম্পের মেয়ের মতো মনে করেন। অন্যদিকে ট্রাম্প ও তার নিজের মেয়ে ইভানকার ব্যাপারে ইতিবাচক ধারণা নেই হোয়াইট হাউজ স্টাফদের মধ্যে। ওলফ তার বইয়ে লিখেছেন, ‘আসলে হিকস হচ্ছে ট্রাম্পের সত্যিকারের মেয়ে, আর ইভানকাকে মনে করা হয় তার সত্যিকারের স্ত্রী!’

    ৯. শুধু আনুষ্ঠানিক বৈঠক নয়, ব্যাননের দাবি হচ্ছে- ট্রাম্পের ছেলে ওই আইনজীবীকে ট্রাম্পের রুমে নিয়ে গিয়েছিলেন একান্তে কথা বলার জন্য। রুশ ওই ব্যক্তিটিকে ট্রাম্পের একান্ত রুমে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে স্টিভ ব্যানন শতভাগ নিশ্চিত। এমনটিই জানানো হয়েছে বইয়ে।

    ১০. ট্রাম্পে নিজেও বিশ্বাস করতেন না তিনি নির্বাচনে জিতে যাবেন। তার প্রচারণা ক্যাম্পের কেউও তা বিশ্বাস করতো না। ৪৫ হাজার ডলারের বিনিময়ে রাশিয়ায় গিয়ে একটি বক্তৃতা দেয়ার প্রস্তুাবে রাজি হওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্ট মাইকেল ফ্লিন তখন বলেছিলেন, ‘যদি আমরা নির্বাচনে জিততাম তাহলেই শুধু এটা (রাশিয়ায় গিয়ে বক্তব্য দেয়া) সমস্যার সৃষ্টি করতো।’ অর্থাৎ, নির্বাচনে জিতবেন না এটা ধরে নিয়েই ৪৫ হাজার ডলারের লোভনীয় প্রস্তাবটি হাতছাড়া করতে চাননি ফ্লিন!

    ১১. প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার শপথানুষ্ঠান নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না ট্রাম্প। বইয়ে বলা হয়েছে, ‘খ্যাতিমান তারকারা অনুষ্ঠানে হাজির না হওয়ায় ক্ষুব্ধ ছিলেন তিনি। ব্লেয়ার হাউজের স্থান সংকুলান নিয়েও অসন্তুষ্ট ছিলেন। এসব নিয়ে স্ত্রী মেলানিয়ার সাথে সবার সামনেই ঝগড়া করছিলেন হবু প্রেসিডেন্ট। এক পর্যায়ে মেলানিয়া কাঁদো কাঁদো হয়ে গিয়েছিলেন।’

    ১২. ৬টি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণে বাধা দেয়ার আদেশ ট্রাম্প জারি করেন শুক্রবার (সপ্তাহের শেষ দিনে)। আদেশ জারির জন্য কেন সপ্তাহের শেষ দিনকে বেছে নিলেন- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা ব্যানন বলেন, ‘যাতে করে অতি উদারপন্থীরা এয়ারপোর্টে গিয়ে মারামারি করতে পারে।’

    ১৩. মোটেও বই পড়েন না ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘বই পড়ে তথ্য ও জ্ঞানে সমৃদ্ধ হওয়ার কোনো চেষ্টাই করেন না তিনি। এমনকি বইয়ের পাতাও উল্টে দেখেন না। অনেকে মনে করেন, বাস্তবিক কোনো কাজের জন্য ট্রাম্প একজন অর্ধশিক্ষিত লোক’, বলা হয়েছে বইয়ে।

    ১৪. স্ত্রী ছাড়া অন্য নারীর সাথে বিছানায় যাওয়ার নানা ঘটনা বলতেন ট্রাম্প। ওলফ লিখেছেন, ‘ট্রাম্প এটা বলতে খুব পছন্দ করতেন- ‘যেসব জিনিস জীবনকে অর্থবহ করে তুলে তার মধ্যে অন্যতম হলো বন্ধুদের স্ত্রীদেরকে বিছানায় নিয়ে যেতে পারা।’

    ১৫. মার্কিন এই প্রেসিডেন্টের দৈনন্দিন জীবনে রুটিন বলতে কিছু নেই। বইয়ে বলা হয়েছে, কখনো দেখা যেত সন্ধ্যায় স্টিভ ব্যাননের (সাবেক উপদেষ্টা) ডিনার না করে অল্প কিছু খেয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিয়েছেন। আর শুয়ে শুয়ে টিভি দেখছেন আর ফোনে কথা বলছেন।

  • ভোট বানচাল চান খালেদা, দাবি ইনুর

    ভোট বানচাল চান খালেদা, দাবি ইনুর

    বিরোধী দল বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে আসলে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ করলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। সম্প্রতি খালেদা মন্তব্য করেছেন, তাদের বাদ দিয়ে আর নির্বাচন আর করা যাবে না। সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ইনুর ব্যাখ্যা- ‘এই মন্তব্যেই প্রমাণ, নির্বাচন বানচাল করে গণতন্ত্রের পথ থেকে দেশকে ফের সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্তে লিপ্ত খালেদা জিয়া এবং তার সঙ্গী জামাত ও পাকিস্তানিরা।

    বাংলাদেশের শাসক দল আওয়ামি লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি কলকাতায় এসে ঘোষণা করে গিয়েছেন, ডিসেম্বর তাদের বিজয়ের মাস। চলতি বছরের ডিসেম্বরেই তারা নির্বাচন করতে চান। তাদের জোটশরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর সভাপতি ইনুর কথায়, নানা কারণে এই নির্বাচন জাতির মরণ-বাঁচনের নির্বাচন। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার বাধ্যবাধকতা তো রয়েছেই। একই সঙ্গে রয়েছে রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাও। ইনুর কথায়, দেশকে যুদ্ধাপরাধী, মৌলবাদী ও জঙ্গিদের ধারকদের হাতে’ তুলে না-দেওয়ার প্রতিজ্ঞাও সেই বাধ্যবাধকতা।

    খালেদা জিয়া ঘোষণা করেছেন, কোনও ‘সহায়ক সরকারের’ নেতৃত্বে নির্বাচন না-হলে তারা অংশগ্রহণ করবেন না। ইনু বলেন, ‘যতক্ষণ না খালেদা এই ভূতের সরকারের দাবি ছাড়ছেন, বলতে হবে গণতন্ত্রে তার বিন্দুমাত্র আন্তরিকতা নেই।’ ইনুর কথায়, ২০১৪-য় সরকার বিএনপি-কে নির্বাচনে আনতে সম্ভাব্য সব রকম চেষ্টা করেছিল। এমনকী সর্বদলীয় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাবও দেন হাসিনা। তবু খালেদা আসেননি। তাই এ বার কোনও আলোচনা হবে না।

    জাসদ নেতা বলেন, বাংলাদেশে রাজাকারদের শাস্তি দেওয়ার কাজ বাকি ছিল। শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পরে দেশে যে মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, তা উৎখাতের কাজ বাকি ছিল। শেখ হাসিনা সরকার ষুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে শাস্তি দিয়েছে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে লড়াই করছে। জোট বেঁধে এই লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটা এখন কাজ।

    ইনুর দাবি, খালেদা জিয়ার আমলে দেশকে জঙ্গিবাদের আখড়া করে তোলা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে তলানিতে পাঠানো হয়েছিল। হাসিনা সরকার জঙ্গিবাদকে উচ্ছেদের পাশাপাশি বাংলাদেশকে উন্নয়নের সড়কে নিয়ে গিয়েছেন। জাতিসংঘও এই উন্নয়নকে মডেল হিসাবে ঘোষণা করেছে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কও এখন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। সীমান্ত-সমস্যা নিরসন হয়েছে। দু’দেশ যৌথ ভাবে উপমহাদেশের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। ইনুর কথায়, জামাত আর পাকিস্তানের হাত ধরে বাংলাদেশকে সেই পথ থেকে সরাতে চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছেন খালেদা। আগামী নির্বাচনে জিতে আসতে তাই ভারতের মানুষের শুভেচ্ছাও চাইছেন পড়শি দেশের তথ্যমন্ত্রী। সূত্র : আনন্দবাজার

  • সময় কম, চ্যালেঞ্জ বেশি: তারানা হালিম

    সময় কম, চ্যালেঞ্জ বেশি: তারানা হালিম

    নতুন দফতরে যোগ দিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, সময় কম, চ্যালেঞ্জ বেশি।  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানেই দেবেন দক্ষতা ও সততার সঙ্গে কাজ করবো। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মতো এখানেও সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

    আজ রবিবার সকালে সচিবালয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তারানা হালিম এসব কথা বলেন।

    তারানা হালিম বলেন, এ মন্ত্রণালয়ে সুন্দর সুন্দর কাজ আরও বেশি উপহার দেবো। আশা করছি, ইনু ( তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু) ভাইও সহযোগিতা করবেন।

  • বরিশালে শ্রমিক লীগের সভাপতিকে কুপিয়ে জখম

    বরিশালে শ্রমিক লীগের সভাপতিকে কুপিয়ে জখম

    বরিশালে শ্রমিক লীগের সভাপতি আ. ছালাম আকনকে (৫৪) কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

    আহত আকন সদর উপজেলার চড়বাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলাউদ্দিন আকনের ছেলে।

    রবিবার সকালে বরিশাল নগরের পোর্টরোডস্থ কলাপট্টি সংলগ্ন এলাকায় তার ওপর এ হামলা হয়।

    এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সত্যরঞ্জন খাসকেল জানান, তারা বিষয়টি শুনেছেন। হাসপাতালে ও ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যদের পাঠানো হয়েছে।

  • এই বইয়ের কারণে ট্রাম্পের পতন হবে

    এই বইয়ের কারণে ট্রাম্পের পতন হবে

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর একটি বই লিখেছেন সাংবাদিক মাইকেল ওলফ। তিনি দাবি করেছেন, এ বইয়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পতন হবে।

    ইতোমধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে লেখা সে বইয়ের কারণে ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গেছে। ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি : ইনসাইড দ্য ট্রাম্প হোয়াইট হাউস’ নামে সে বইয়ে দাবি করা হয়েছে যে, ২০১৬ সালের নির্বাচনে জয়ের বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারেননি ট্রাম্প।

    এমনকি প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য নয়, বিশ্বখ্যাতি অর্জনের জন্য নির্বাচনে লড়েছিলেন তিনি। কয়েকদিন ধরে বইটি নিয়ে আলোচনার পর শনিবার মুখ খুললেন ওলফ।

    রেডিওতে বিবিসি টুডে প্রোগ্রামে ওলফ বলেন, আমি মনে করি এই বইয়ের মজাদার প্রভাব হল, এর মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের পতন ঘটবে।

    তবে এ বইয়ের প্রতিবাদ করেছেন ট্রাম্প নিজে। এছাড়া তার দীর্ঘদিনের কয়েকজন বন্ধু ও সহকর্মী তার পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন। তবে অনেকে এ বইয়ের জের ধরে ট্রাম্পের সমালোচনাও শুরু করেছেন।

    বইটি প্রকাশের পর শুক্রবার রাতভর টুইটারে মাইকেল ওলফ ও সাবেক প্রধান কৌশলবিদ স্টিভ ব্যাননকে আক্রমণ করেন ট্রাম্প। বইটি মিথ্যায় ভরা বলেও দাবি করেছেন তিনি।

    তবে বইটি প্রকাশের পর যেসব তথ্য সামনে এসেছে, তাতে ট্রাম্পের পদত্যাগ করা উচিত বলে মনে করেন ওলফ।

    ট্রাম্পের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার মনে হয় ট্রাম্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- ‘রাজার কোনো পোশাক নেই’ প্রভাব।

    তবে তিনি আশা করেন, হঠাৎ করে মানুষ দেখতে বা বুঝতে পারবে যে, ‘হায় ঈশ্বর- তার কোনো পোশাক নেই।’

    আর এতেই ট্রাম্পের পতন হবে বলে আশা করেন ওলফ।
    সূত্র : দ্য সান

  • দিল্লির সঙ্গে এক হাজার ফ্লাইট বাতিলের শঙ্কা

    দিল্লির সঙ্গে এক হাজার ফ্লাইট বাতিলের শঙ্কা

    ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের মহড়া উপলক্ষে চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত দিল্লির আকাশে সব ধরনের বাণিজ্যিক বিমান চলাচল বন্ধ থাকবে। দিল্লি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রতিদিন প্রায় এক শ করে মোট এক হাজার ফ্লাইট বাতিল হতে পারে।

    জানা গেছে, সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত সেখানে সব ধরনের বিমান ওঠানামা বন্ধ থাকবে। প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে ওই সময় দিল্লির আকাশে মহড়া চালাবে দেশটির বিমানবাহিনী।

    দিল্লি বিমানবন্দরে গড়ে ৬৭টি বিমান ওঠানামা করে প্রতি ঘণ্টায়। সেই হিসেবে এক ঘণ্টা ৪৫ মিনিটে এক শ ফ্লাইট বাতিলের আশঙ্কা রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে ৪০টি ফ্লাইট আন্তর্জাতিক।

    আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো বাতিল না করে নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে ওঠানামার ব্যবস্থা করার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    গত বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতিদিন ১৩৫০টি ফ্লাইট ওঠানামা করেছে দিল্লি বিমানবন্দরে। ফলে ফ্লাইট বাতিল বা পরিবর্তনের ফলে প্রায় ১৫ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে পড়বে।
    সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস