Author: banglarmukh official

  • বরিশালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অক্টোবর বিপ্লব বার্ষিকী উদযাপন

    বরিশালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অক্টোবর বিপ্লব বার্ষিকী উদযাপন

    হুজাইফা রহমান:

    বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরিশালে উদযাপন করা হলো মহান অক্টোবর বিপ্লবের শতবর্ষ। বুধবার (২৯ নভেম্বর) বিকেল তিনটা থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই কর্মসূচির মধ্যে ছিলো লাল পতাকা মিছিল, সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সমাবেশে বরিশাল ছাড়াও বাম রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।

    অক্টোবর বিপ্লব শতবর্ষ উদযাপন কমিটি বরিশাল জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কমিটির বরিশালের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ কে আজাদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য কমরেড অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক কমরেড রুহিন হোসেন প্রিন্স, সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ, সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় কার্য পরিচালনা কমিটির সদস্য কমরেড সাইফুজ্জামান সাকন, গণসংহতি আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

    এর আগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী বরিশাল জেলা সংসদ ও চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’র শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এরপর শহরের টাউন হল চত্বর থেকে একটি লাল পতাকা মিছিল বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে।

  • এটাই শেষ নির্বাচন?

    এটাই শেষ নির্বাচন?

    আরেকটি নির্বাচনের পর অবসরে যেতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঘনিষ্ঠদের তিনি বলেছেন, ‘২০১৮ এর পর আর নির্বাচন করতে চান না।’ অবসর নিয়ে তিনি ঢাকায় নয় থাকতে চান টুঙ্গিপাড়ায়। সেখানে পৈতৃক ভিটায় বাড়িও বানিয়েছেন। ঘনিষ্ঠদের বলেছেন, ‘আল্লাহ যদি তৌফিক দেন আরেকবার দেশ পরিচালনা করার, তাহলেই শেষ।’ এর মধ্যে বাংলাদেশ একটা মর্যাদার জায়গায় যাবে বলেই বিশ্বাস কর্মঠ এই প্রধানমন্ত্রীর।

    ২০১৮ এর নির্বাচনে যে দল ক্ষমতায় আসবে তারাই ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করবে। একই দল ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি পালন করবে। শেখ হাসিনা এখন প্রতিটি ঘরোয়া আলোচনাতেই এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। তিনি সবাইকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন, কেন আগামী নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। কেন এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়টা জরুরি।

    ২০২১ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশের তালিকায় প্রবেশ করবে বলে আশাবাদ প্রধানমন্ত্রীর। ঘরোয়া আলোচনায় বলেছেন, ‘জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজটা প্রায় সমাপ্ত করতে পেরেছি। আমার দায়িত্ব শেষ। নতুন প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দিবো। গ্রামে গিয়ে অবসর কাটাবো।`২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রীর বয়স হবে ৭৬ বছর। ৭৬ এ বহুদেশে সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান রয়েছেন। একটু তাড়াতাড়ি হয়ে গেল না? ‘কোথায় তাড়াতাড়ি? ৮১ সাল থেকে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছি। ৩৬ বছর দলের সভাপতি আর কত?’ এভাবেই জবাব দেন।

    একটা কথা সবসময়ই বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ক্ষমতার লোভ আমার নেই। প্রধানমন্ত্রী হবার শখও আমার ছিল না। দেশ পরিচালনার দায়িত্বও নিয়েছি শুধু জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণের জন্য। জাতির পিতা চেয়েছিলেন এদেশের মানুষ সুখে থাকুক। দুবেলা পেট পুরে খাক। আমরা দেশটাকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার কাছাকাছি নিয়ে গেছি। বিশ্বে আজ মর্যাদার আসনে বাংলাদেশ।’ বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করেছেন, বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করেছেন। এখন দারিদ্র মুক্তির দারপ্রান্তে বাংলাদেশ।

    প্রায়ই ঘনিষ্ঠদের বলেন, ‘আল্লাহ বোধ হয় এজন্যই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন।’আগেও অবসরের কথা বলেছেন। প্রতিবার দলের কাউন্সিলে অবসরের ইচ্ছা জানান। কিন্ত কর্মীদের প্রবল আবেগের কাছে পরাস্ত হন। ‘কর্মীরাই আমার সব। এদেশের মানুষের ভালবাসায় সম্ভবত আমি বারবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছি।’ এমন কথা বলতে বলতে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। এজন্যই কর্মীদের আবেদনের কাছে নিজের ইচ্ছার পরিবর্তন করেন। তবে, এবার আর না।

    সাধারণ মানুষের জীবনে ফিরে যেতে চান।মালয়েশিয়ার নেতা মাহাথির মোহাম্মদের মতো কি তুমুল জনপ্রিয়তা নিয়েই তিনি ক্ষমতা ছেড়ে যেতে চান? এমন প্রশ্ন তাঁকে অনেকেই করে, কিন্ত তুলনায় ঘোর আপত্তি তাঁর। তিনি কারো মতো না। তিনি শেখ হাসিনা, অনন্য। মানুষের ভালবাসা উপেক্ষা করে সত্যি কি পারবেন তিনি অবসরে যেতে?

  • আউট হওয়া ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে আনলেন তামিম

    আউট হওয়া ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে আনলেন তামিম

    রাকিব সিকদার

    কেভিন কুপার মাঠ থেকে বেরিয়েই যাচ্ছিলেন। কিন্তু তাঁকে ফিরিয়ে আনলেন তামিম ইকবাল। অনিন্দ্য সুন্দর এক দৃশ্য দেখা গেল জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। ১৮তম ওভারের দ্বিতীয় বলে রান নিতে গিয়ে বোলার ডিজে ব্রাভোর সঙ্গে কুপারের সংঘর্ষ! পিচের ওপর ছিটকে পড়লেন ব্রাভো! দৌড়ানোর চেষ্টা না করে নিজ থেকেই থেমে গেলেন কুপার।

    অন্য প্রান্তে রানআউট ঢাকা ডায়নামাইটসের টেল এন্ডের ব্যাটসম্যান! রানআউট ভেবে কুপার হাঁটা ধরেছিলেন ড্রেসিংরুমের দিকে। ইচ্ছাকৃত নয় তবুও অপ্রত্যাশিত সংঘর্ষ। তামিম ছুটে গিয়ে তাঁকে থামালেন। আম্পায়ার ও ঢাকা কোচ খালেদ মাহমুদের সঙ্গে কথা বলে আবারও কুপারকে উইকেটে ফিরিয়ে আনলেন। শূন্য রানে আউট হতে পারতেন। কিন্তু তামিমের ঔদার্যে সেই কুপার শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ৫ বলে ৯ রান করে।

    সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লা কোচ সালাউদ্দিন মনে করেন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তামিম, ‘অামরা চাইলে তাকে (কুপার) নাও ফেরাতে পারতাম। তামিম গ্রেট স্পোর্টসম্যানশিপ দেখিয়েছে। এটা তামিমের মহানুভবতা। ক্রিকেটে একটা উদাহরণ হয়ে থাকবে এটা।’ ম্যাচটা জেতা তখন কঠিন হলে অসম্ভব নিশ্চয়ই ছিল না। যদি কুপারই ম্যাচটা জিতিয়ে ফিরতেন! যদিও তা হয়নি। শেষ পর্যন্ত কুমিল্লারই জয় হয়েছে। শুধু কুমিল্লা কেন, তামিমের সৌজন্যে জিতেছে ক্রিকেটের চেতনা! এই ম্যাচ হারলেও অধিনায়ক তামিমকে বিজয়ী ঘোষণা করতেই হতো।

  • বরিশাল জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা এবং আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান

    বরিশাল জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা এবং আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান

    নুরই মাহাবুব

    যে হাতে আজ ধরেছি ফুলের তোড়া, ঐ হাতে রাখবনা আর মাদক আমরা”এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আজ ২৯ নভেম্বর ১৭ খ্রিঃ তারিখ, বরিশাল জেলা পুলিশের উদ্যোগে জেলা পু্লিশ লাইন্স মাঠে কমিউনিটি পুলিশিং, বিট পুলিশিং ও মাদক বিরোধী আলোচনা এবং আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বরিশাল জেলার ১০ টি থানা এলাকার ১২৮ জন মাদক সেবনকারী এবং মাদক ব্যবসায়ী গন আজকের অনুষ্ঠানে আত্মসমার্পন করেন। শপথ গ্রহনের মাধ্যমে তারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আর কোনদিন মাদক সেবন এবং ব্যবসা করবেন না। সুস্থ্য স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অঙ্গিকারে জেলা পুলিশের অর্থায়নে তাদেরকে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়। যেন তারা কর্মের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে তাদের অবহেলিত জীবনকে। জনাব সাইফুল ইসলাম-বিপিএম, পু্লিশ সুপার বরিশাল জেলা এর সভাপতিত্বে আলোচনার সভার প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিপিএম, ডিআইজি, বরিশাল রেঞ্জ, গেস্ট অব অনার জনাব সৈয়দ এনায়েত হোসেন,সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, বরিশাল,বিশেষ অতিথি জনাব হাবিবুর রহমান, জেলা প্রসাশক, বরিশাল। আলোচনা সভায় অত্র জেলার সকল পৌর মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, সাংবাদিক, সর্বস্তরের জনগন সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহন করেন।

  • প্রতারকদের ফাদে পরে ছিনতাইয়ের স্বিকার

    প্রতারকদের ফাদে পরে ছিনতাইয়ের স্বিকার

    কাজী সাইফুল

    গত ২৬ নভেম্বর রবিবার দুপুর আনুমানিক ১ টার সময় বরিশাল নগরীর বাংলাবাজার এলাকা থেকে দুই প্রতারক রাবিনা আক্তার মীম নামের একজন গৃহবধূর নিকট থেকে তার ব্যবহৃত স্মার্ট ফোন, সোনার চেইন, কানের দুলসহ আনুমানিক দেড় ভরি স্বর্ণ ও কিছু নগদ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়।

    জানা গেছে, ওই গৃহবধূ সরকারি বি.এম. কলেজের অর্থনীতি বিভাগের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্রী। তিনি কলেজ থেকে ফেরার পথে এই দুই প্রতারক তার পিছু নেয়। পথে পথে তাকে বিভিন্ন রকমের কথার ফাঁদে ফেলে হুইল পাউডারের একটি প্যাকেট ধরিয়ে দিলে সংজ্ঞাহীন হয়ে সবকিছু নিজে থেকে খুলে দিয়ে দেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাসায় পৌছে দেন।

    ভিকটিমের বাংলাবাজারস্থ বাসার গলির মুখের এফ রহমান ইলেক্ট্রিক নামের একটি দোকানের গোপন ক্যামেরায় প্রতারকচক্রের আসা-যাওয়ার চিত্র ধরা পরে। তবে এখনও পর্যন্ত অপরাধিদেরকে সনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনার একদিন পরে  ২৭ নভেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়, যার নাম্বার ১৬০১।

  • গায়ের কালো রঙেই আজ বিখ্যাত তিনি

    গায়ের কালো রঙেই আজ বিখ্যাত তিনি

    বছর দশেক আগের কথা। মা ও ভাই-বোনদের হাত ধরে দক্ষিণ সুদান থেকে রিফিউজি ক্যাম্প হয়ে কেনিয়া যান তিনি। অবশেষে খালি পায়ে পৌঁছান যুক্তরাষ্ট্রে। সে সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর।

    তিনি আর কেউ নন, আন্তর্জাতিক মডেলিং দুনিয়ায় যার পরিচিতি ‘কুইন অফ দ্য ডার্ক’ নামে; তার প্রকৃত নাম নেয়াকিম গ্যাটওয়েক। ‘মডেল’ শব্দের অর্থ কী, ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত সেটাই জানতেন না তিনি।

    noakim-2

    ভাগ্যের কী লীলা! ২৪ বছর বয়সে এসে সেই তারই ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় তিন লাখ। অথচ এক সময় গায়ের রংয়ের কারণে উঠতে-বসতে তাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।

    নেয়াকিম জানান, যুক্তরাষ্ট্রে এসে তিনি স্কুলে ভর্তি হন। প্রথম দিকে সেখানেও তাকে গায়ের রঙের জন্য বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কিন্তু হার মানার মেয়ে নন তিনি।

    noakim-2

    নিজের সাফল্যের প্রধান কারণ হিসেবে নেয়াকিম জানান, নিজেকে ভীষণ ভালবাসি। ভালবাসি আমার গায়ের রং। নিজেকে ভাল না বাসলে, অন্য কেউ আপনাকে ভালবাসবে না।

    সফল এই মডেল চান বিশ্ব দরবারে সুদানের কথা তুলে ধরতে। তার খুব ইচ্ছে, নিজের জন্মভূমির জন্য কিছু করার। বিশেষ করে সেখানকার ছোট ছোট অসহায় মেয়েদের জন্য কিছু করার।

  • আগাম নির্বাচনের জন্য ইসি প্রস্তুত : সিইসি

    আগাম নির্বাচনের জন্য ইসি প্রস্তুত : সিইসি

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা বলেছেন, সরকার চাইলে আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রস্তুত রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন। এর আগে সিইসির সঙ্গে বিকেল ৪টায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনসিয়ে টিয়েরিংক বৈঠক করেন।

    প্রসঙ্গত, চলমান জাতীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি দাবি করে দেশের প্রধান দল বিএনপি সংসদ ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচনের দাবি করে আসছে। তবে ক্ষমতাসীন দল তা নাকচ করে দিয়ে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা বলছে। এ নিয়ে দুই দলের মধ্যে সব সময় কথার ‘যুদ্ধ’ চলছে।

    আগাম নির্বাচনের জন্য কতটুকু প্রস্তুত জানতে চাইলে সিইসি বলেন, আগাম নির্বাচনের বিষয়টা সরকারের ওপর নির্ভর করে। সরকার চাইলে সেটা করা যাবে। নির্বাচনের জন্য তো ৯০ দিন সময় থাকে। তারা যদি আগাম নির্বাচনের জন্য বলে, তখন আমরা পারবো। আমাদের ব্যালট বক্স আছে। শুধু পেপার ওয়ার্কগুলো লাগবে।

    সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে আমাদের কোনো আপস নেই।

    প্রবাসীদের ভোটাধিকারের বিষয়ে সিইসি বলেন, পোস্টাল ব্যালটে খুব একটা সাড়া পাওয়া যায় না। তাই আমি বলেছি যে, তিনশ আসনের নির্বাচনের জন্য আমাদের লোকজনের বিদেশে বাক্স নিয়ে যাওয়া সম্ভব না। তবে নিয়মটি এখনো বলবৎ আছে। যদি ইভিএম চালু হয়, তখন হয়তো এটা করা হবে।

    নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার সম্পর্কে তিনি বলেন, এটা সম্ভব না। আমরা প্রস্তুত না। কিছু রাজনৈতিক দল এটির বিরোধিতা করেছে, সে জন্য আমরা এ নিয়ে কোনো বিতর্কে যাব না।

  • আখেরি মুনাজাতে সম্পন্ন চরমোনাইয়ে অগ্রাহায়ণের বাৎসরিক মাহফিল

    আখেরি মুনাজাতে সম্পন্ন চরমোনাইয়ে অগ্রাহায়ণের বাৎসরিক মাহফিল

    মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি মুনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী চরমোনাইয়ে অগ্রহায়ণের বাৎসরিক মাহফিল শেষ হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে আমিরুল মুজাহিদীন আলহাজ হযরত মাওলানা মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)-এর পরিচালনায় আখেরি মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    মুনাজাতের আগে শেষ বয়ানে পীর সাহেব বলেন, আমরা সবাই কবর পথের যাত্রী। যার ভিতরে তাকাব্বরি থাকবে সে বেহেশতের ঘ্রাণও পাবে না। হিংসা, অহংকার, গিবত, মিথ্যা, সুদ, ঘুষসহ সব গুণাহের কাজ দূর করতে হবে। হারাম মালের দ্বারা যে রক্ত ও শরীর তৈরি হবে তার স্থান হবে জাহান্নাম। কবর আজাব ও জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত নামাজ আদায় করা ও তরিকার পাঁচ ওষুধ পালনসহ শরিয়তের যাবতীয় হুকুম আহকাম মেনে চলতে হবে। তিনি বলেন, পরিপূর্ণ ও সহি-শুদ্ধভাবে নামাজের জন্য কেরাত শিক্ষা করা ফরজ। যারা আত্মাকে পবিত্র করবে তারা বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।

    ইমানের ওপর পরিপূর্ণভাবে মজবুত থাকার নির্দেশনা দিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, আল্লাহ পাকের জিকির অধিক করলে কলবের ময়লা দূর হয়। কলব পরিষ্কার হওয়ার একমাত্র পথ জিকির। মুসুল্লিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা চরমোনাই এসেছেন তারা সবাই নির্দেশ মেনে চলবেন, অন্যথায় চরমোনাই আসার দরকার নাই। আমরা পীর-মুরিদির ব্যবসা করি না। আখেরি মুনাজাতে পীর সাহেব বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করেন। মোনাজাত শেষে আগত মুসুল্লিরা শত শত বাস, লঞ্চ ও ট্রলার যোগে নিজ গন্তব্যের উদ্দেশে রওয়ানা দেন।

    চলতি বছর চরমোনাই এলাকায় ২টি মাঠজুড়ে মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। নদীর বিস্তৃর্ণ এলাকা, মাঠের আশপাশের বাগান, ঘড়বাড়ির আঙিনাসহ সবখানে বিপুলসংখ্যক মুসল্লিদের উপস্থিতিতে তিল ধারণে ঠাঁই ছিল না। মাহফিলে আগত মুসুল্লিদের মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু হয়। জানাজা শেষে তাদের কফিন নিজ নিজ ঠিকানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করে মুজাহিদ কমিটি।

  • এবার গোটা যুক্তরাষ্ট্র হাতের নাগালে, দাবি কিমের

    এবার গোটা যুক্তরাষ্ট্র হাতের নাগালে, দাবি কিমের

    আন্তর্জাতিক চাপের মুখেও একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। সর্বশেষ হাওয়াজং-১৫ নামে একটি অন্তর্মহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায়, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের যে কোনো অংশে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করেছে কিম জং উনের প্রশাসন।

    সম্প্রতি পরীক্ষা চালানো এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৯৪০ কিলোমিটার দূরে জাপান সাগরে গিয়ে আঘাত হানে ক্ষেপণাস্ত্রটি। ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল ৪ হাাজর ৫০০ কিলোমিটার। উত্তর কোরিয়ার দাবি, আগের ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নত রূপ এটি। ১৩ হাজার ০০০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতেও।

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথাযুদ্ধের মধ্যেই এ নিয়ে চলতি বছর ২০টি ব্যলেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে উত্তর কোরিয়া। বরাবরের মতো এবারও কড়া নিন্দা করেছে আন্তর্জাতিক মহল। নিন্দা করেছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। এদিন উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার খবর প্রকাশ্যে আসতেই পর পর তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে পাল্টা শক্তিপ্রদর্শন করে দক্ষিণ কোরিয়া।

    এদিকে, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরপরই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে জাপান।

    উত্তর কোরিয়ার এই আচরণকে মেনে নেওয়া অসম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

  • চাকরি না পাওয়ায় বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে তরুণদের

    চাকরি না পাওয়ায় বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে তরুণদের

    সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়সসীমার সমালোচনা করে যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেছেন, চাকরি না পাওয়ার কারণে তারা তাদের প্রেমিকাকে হারাচ্ছেন। যাদের সঙ্গে তাদের বিয়ের কথা পাকা হয়েছিল সেই বিয়েও ভেঙে যাচ্ছে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর নগর ভবনে অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র মোহাম্মদ হানিফের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সমাবেশে তরুণদের চোখে-মুখে গভীর হতাশা, বেদনার ছাপ দেখেছি। তারা কোথায় যাবেন? তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করবেন না। পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর মায়ের কাছে টাকা চাইতে পারে না। বেকার বলে বন্ধু-বান্ধবদের মুখ দেখাতে পারেন না। চাকরি না পাওয়ায় তরুণরা তাদের প্রেমিকাকে হারাচ্ছেন।

    সরকারের জনপ্রশাসনমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, উচ্চ শিক্ষিত বেকার তরুণরা যাবে কোথায়? জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাহেব গত ২০ নভেম্বর সংসদে বলেছেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ থেকে নাকি বাড়ানো যাবে না। কেন জানতে চাই। ৩০ বছর বয়সীদের হতাশা আমি দেখেছি, ৩০ এর বেশি বয়সীদের বেদনা আপনি দেখেছেন? সরকারি চাকরিতে বয়সের বেড়াজালে তরুণরা চাকরি পাচ্ছেন না।

    এ সময় শেখ হাসিনার ডিজিটাল সরকারের আমলে প্রেমিকা হারানো বা বিয়ে ভেঙে যাওয়ার মতো ব্যাপার চলতে দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    জনপ্রশাসনমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, কী কারণে তরুণ সমাজ শিক্ষা শেষে পরিবার, সমাজ ও দেশের সম্পদ হওয়ার পরিবর্তে বোঝা হয়ে পড়ছে; এ কথা আপনাকে বলতে হবে। আমাদের আইনের মারপ্যাঁচে সীমাবদ্ধ সুযোগের কাছে পরাজিত হচ্ছে তরুণরা।

    তিনি বলেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলে, এ বুলি আউড়িয়ে আইনকে যুগোপযোগী রাখার জন্য সময় পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন, সংশোধন ও বিয়োজন করার প্রয়োজন পরে। সময়ের আলোকে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা এমন একটি আইন যা পরিবর্তনের মাধ্যমে ৩০ থেকে বাড়াতে হবে। কথা পরিষ্কার।

    নিজের বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে ওমর ফারুক বলেন, এটাতো পরিষ্কার ২৩ বছরের শিক্ষাজীবন শেষ হয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সমীকরণটি শুধু কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ। তার প্রমাণ ২৭-২৮ বছরের আগে কোনো ছাত্রের শিক্ষা জীবন শেষ হয় না।