বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুর রহমানকে লাঞ্চিত করেছে তার (সরোয়ার) সহকর্মীরা। গতকাল শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে উপস্থিত ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুন এবং পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। তবে নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি বলেছেন, করমর্দন করা না করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে মাত্র।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছেন। সেখানে পৌঁছে উপস্থিত সবার সাথে করমর্দন করতে থাকেন তিনি। এক পর্যায়ে ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবর রহমানের দিকে করমর্দনের উদ্দেশ্যে হাত বাড়িয়ে দেন সরোয়ার। এ সময় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুল রহমান করমর্দন থেকে বিরত থাকলে সরোয়ার তাৎক্ষনিক অপ্রস্তুত হন এবং ওই লাউঞ্জে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন, সরকারী কর্মকর্তা সহ অন্যান্যদের সাথে পর্যায়ক্রমে করমর্দন করেন। পরে সরোয়ার ফের মজিবুল রহমানের পাশের সোফায় গিয়ে বসেন এবং করমর্দন না করার কারন জানতে চান। এ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হলে সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে লাঞ্চিত করেন। পরে সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন সহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। এরপর যথারীতি সরোয়ার এবং মজিবুল রহমান সহ পূর্ব নির্ধারিত যাত্রীরা দুপুর দেড়টার ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।
বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান সরোয়ার ভিআইপি লাউঞ্জে বসে অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়েছেন দাবী করে এ ব্যপারে খন্দকার মজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭৯ সালের ২৭ জুন বরিশালের অশ্বিনী কুমার হলে সরোয়ারের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা হয়। সরোয়ার ওই সময় তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালান। এ কারনে তিনি সরোয়ারের সঙ্গে হাত মেলাতে চাননি। তিনি প্রতিবাদ করলে সরোয়ারের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে ভিআইপি লাউঞ্জে ঢুকে পড়ে। খন্দকার মজিবুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, সরোয়ার তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বরিশাল মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন শিকদার জিয়া বলেন, চেনা-অচেনা নিয়ে বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে একটু ভুল বোঝাবুঝির সৃস্টি হয়েছিলো। কিন্তু পরক্ষনে সমস্যা মিটে যায়। এটা তেমন কিছুনা। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে বিএনপি’র কোন নেতাকর্মী লাঞ্ছিত করেনি বলে দাবী করেন জিয়া। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে রিং দেয়া হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুনের ব্যক্তিগত সহকারী মজিবুল হক কামাল বলেন, সালাম বিনিময় নিয়ে দুই নেতার মধ্যে একটু তর্ক হয়েছিলো। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সময় তিনি বা পুলিশের সিনিয়র কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। খবর পেয়ে তারা সেখানে যাওয়ার আগেই পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাদ দিয়ে ওসি আনোয়ার বলেন, করমর্দন করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে। তবে এর বেশী তিনি কিছু জানেন না।
Author: banglarmukh official
-

বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত
-

বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত
বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুর রহমানকে লাঞ্চিত করেছে তার (সরোয়ার) সহকর্মীরা। গতকাল শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে উপস্থিত ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুন এবং পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। তবে নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি বলেছেন, করমর্দন করা না করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে মাত্র।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছেন। সেখানে পৌঁছে উপস্থিত সবার সাথে করমর্দন করতে থাকেন তিনি। এক পর্যায়ে ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবর রহমানের দিকে করমর্দনের উদ্দেশ্যে হাত বাড়িয়ে দেন সরোয়ার। এ সময় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুল রহমান করমর্দন থেকে বিরত থাকলে সরোয়ার তাৎক্ষনিক অপ্রস্তুত হন এবং ওই লাউঞ্জে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন, সরকারী কর্মকর্তা সহ অন্যান্যদের সাথে পর্যায়ক্রমে করমর্দন করেন। পরে সরোয়ার ফের মজিবুল রহমানের পাশের সোফায় গিয়ে বসেন এবং করমর্দন না করার কারন জানতে চান। এ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হলে সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে লাঞ্চিত করেন। পরে সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন সহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। এরপর যথারীতি সরোয়ার এবং মজিবুল রহমান সহ পূর্ব নির্ধারিত যাত্রীরা দুপুর দেড়টার ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।
বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান সরোয়ার ভিআইপি লাউঞ্জে বসে অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়েছেন দাবী করে এ ব্যপারে খন্দকার মজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭৯ সালের ২৭ জুন বরিশালের অশ্বিনী কুমার হলে সরোয়ারের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা হয়। সরোয়ার ওই সময় তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালান। এ কারনে তিনি সরোয়ারের সঙ্গে হাত মেলাতে চাননি। তিনি প্রতিবাদ করলে সরোয়ারের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে ভিআইপি লাউঞ্জে ঢুকে পড়ে। খন্দকার মজিবুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, সরোয়ার তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বরিশাল মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন শিকদার জিয়া বলেন, চেনা-অচেনা নিয়ে বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে একটু ভুল বোঝাবুঝির সৃস্টি হয়েছিলো। কিন্তু পরক্ষনে সমস্যা মিটে যায়। এটা তেমন কিছুনা। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে বিএনপি’র কোন নেতাকর্মী লাঞ্ছিত করেনি বলে দাবী করেন জিয়া। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে রিং দেয়া হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুনের ব্যক্তিগত সহকারী মজিবুল হক কামাল বলেন, সালাম বিনিময় নিয়ে দুই নেতার মধ্যে একটু তর্ক হয়েছিলো। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সময় তিনি বা পুলিশের সিনিয়র কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। খবর পেয়ে তারা সেখানে যাওয়ার আগেই পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাদ দিয়ে ওসি আনোয়ার বলেন, করমর্দন করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে। তবে এর বেশী তিনি কিছু জানেন না। -

বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত!
বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুর রহমানকে লাঞ্চিত করেছে তার (সরোয়ার) সহকর্মীরা। গতকাল শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে উপস্থিত ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুন এবং পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। তবে নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি বলেছেন, করমর্দন করা না করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে মাত্র।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছেন। সেখানে পৌঁছে উপস্থিত সবার সাথে করমর্দন করতে থাকেন তিনি। এক পর্যায়ে ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবর রহমানের দিকে করমর্দনের উদ্দেশ্যে হাত বাড়িয়ে দেন সরোয়ার। এ সময় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুল রহমান করমর্দন থেকে বিরত থাকলে সরোয়ার তাৎক্ষনিক অপ্রস্তুত হন এবং ওই লাউঞ্জে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন, সরকারী কর্মকর্তা সহ অন্যান্যদের সাথে পর্যায়ক্রমে করমর্দন করেন। পরে সরোয়ার ফের মজিবুল রহমানের পাশের সোফায় গিয়ে বসেন এবং করমর্দন না করার কারন জানতে চান। এ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হলে সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে লাঞ্চিত করেন। পরে সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন সহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। এরপর যথারীতি সরোয়ার এবং মজিবুল রহমান সহ পূর্ব নির্ধারিত যাত্রীরা দুপুর দেড়টার ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।
বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান সরোয়ার ভিআইপি লাউঞ্জে বসে অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়েছেন দাবী করে এ ব্যপারে খন্দকার মজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭৯ সালের ২৭ জুন বরিশালের অশ্বিনী কুমার হলে সরোয়ারের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা হয়। সরোয়ার ওই সময় তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালান। এ কারনে তিনি সরোয়ারের সঙ্গে হাত মেলাতে চাননি। তিনি প্রতিবাদ করলে সরোয়ারের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে ভিআইপি লাউঞ্জে ঢুকে পড়ে। খন্দকার মজিবুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, সরোয়ার তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বরিশাল মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন শিকদার জিয়া বলেন, চেনা-অচেনা নিয়ে বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে একটু ভুল বোঝাবুঝির সৃস্টি হয়েছিলো। কিন্তু পরক্ষনে সমস্যা মিটে যায়। এটা তেমন কিছুনা। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে বিএনপি’র কোন নেতাকর্মী লাঞ্ছিত করেনি বলে দাবী করেন জিয়া। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে রিং দেয়া হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুনের ব্যক্তিগত সহকারী মজিবুল হক কামাল বলেন, সালাম বিনিময় নিয়ে দুই নেতার মধ্যে একটু তর্ক হয়েছিলো। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সময় তিনি বা পুলিশের সিনিয়র কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। খবর পেয়ে তারা সেখানে যাওয়ার আগেই পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাদ দিয়ে ওসি আনোয়ার বলেন, করমর্দন করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে। তবে এর বেশী তিনি কিছু জানেন না।Share this:
-

কাল বসছে সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন
আগামীকাল রবিবার বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন। বিকেল ৪টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হবে।
এর আগে বেলা ৩টায় সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের মেয়াদ ও কার্যসূচি চূড়ান্ত হবে। অধিবেশন এক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে বলে জানা গেছে।
সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে জাতীয় সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী এক অধিবেশন সমাপ্তির পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন বসতে হবে। ফলে এ অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে সংবিধান অনুযায়ী বছরের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। ওই অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভাষণ দেবেন। ওই ভাষণের ওপর নিয়ম অনুযায়ী আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, সংক্ষিপ্ত হলেও এ অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি বিল পাস ও উত্থাপন হতে পারে।
এ ছাড়া সমসাময়িক বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর সংসদের সপ্তদশ অধিবেশন শেষ হয়। গত ১০ সেপ্টেম্বর ওই অধিবেশন শুরু হয়। মোট পাঁচ কার্যদিবসের সপ্তদশ অধিবেশনে দুইটি সরকারি বিল পাস হয়।
এ ছাড়া সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ (১) বিধির আওতায় রোহিঙ্গা সমস্যা ও ষোড়শ সংশোধনী সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিষয়ে সংসদে প্রাণবন্ত ও কার্যকর আলোচনার মাধ্যমে দুটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এই অধিবেশনও রোহিঙ্গা ইস্যুতে উত্তপ্ত থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
-

কাল বসছে সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন
আগামীকাল রবিবার বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন। বিকেল ৪টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হবে।
এর আগে বেলা ৩টায় সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের মেয়াদ ও কার্যসূচি চূড়ান্ত হবে। অধিবেশন এক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে বলে জানা গেছে।
সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে জাতীয় সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী এক অধিবেশন সমাপ্তির পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন বসতে হবে। ফলে এ অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে সংবিধান অনুযায়ী বছরের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। ওই অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভাষণ দেবেন। ওই ভাষণের ওপর নিয়ম অনুযায়ী আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, সংক্ষিপ্ত হলেও এ অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি বিল পাস ও উত্থাপন হতে পারে।
এ ছাড়া সমসাময়িক বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর সংসদের সপ্তদশ অধিবেশন শেষ হয়। গত ১০ সেপ্টেম্বর ওই অধিবেশন শুরু হয়। মোট পাঁচ কার্যদিবসের সপ্তদশ অধিবেশনে দুইটি সরকারি বিল পাস হয়।
এ ছাড়া সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ (১) বিধির আওতায় রোহিঙ্গা সমস্যা ও ষোড়শ সংশোধনী সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিষয়ে সংসদে প্রাণবন্ত ও কার্যকর আলোচনার মাধ্যমে দুটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এই অধিবেশনও রোহিঙ্গা ইস্যুতে উত্তপ্ত থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
-
ছেলের খুনিকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন বাবা!
রায় দেওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছেন বিচারক। সকলেই জানেন, মৃত্যুদণ্ডই দেওয়া হবে।
বা যাবজ্জীবন। থমথম করছে গোটা আদালত কক্ষ।
সেই সময় সাক্ষীর স্ট্যান্ড থেকে বিচারকের দিকে তাকিয়ে করজোড়ে ৬৬ বছরের আবদুল-মুনিম সোমবাত জিতমউদ বলে উঠলেন, ‘অল্প বয়সের ছেলে। ওকে ক্ষমা করে দিলাম। ইসলাম ধর্ম ক্ষমার কথাই বলে। ’
জিতমউদের কাছে ক্ষমা চাইল অভিযুক্ত। জিতমউদ জড়িয়ে ধরলেন আসামির স্ট্যান্ডে দাঁড়ানো ট্রে আলেকজান্ডার রেলফোর্ডকে।
চোখের পাতা ভিজে উঠল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকির ফেয়েতে কাউন্টি সার্কিট জজ কিমবার্লি বানেলেরও। কিছু ক্ষণের জন্য আদালত মুলতুবি ঘোষণা করে তাঁর নিজের ঘরে চলে গেলেন বিচারক বানেল।
গোটা আদালত কক্ষে যেন তখন পিন পড়লেও শব্দ শোনা যাবে!
পিৎজা খেতে গিয়ে আড়াই বছর আগে জিতমউদের ছেলে সালাউদ্দিনকে ছুরি মেরে খুন করার অভিযোগ রয়েছে ২৪ বছর বয়সী অভিযুক্ত রেলফোর্ডের বিরুদ্ধে। রয়েছে পিৎজার দোকানে ডাকাতি, তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ। তদন্ত, তথ্যাদিতে তা প্রমাণিতও হয়েছে আদালতে। এত কিছুর পরেও বাবা হয়ে কীভাবেই বা তাকে বেমালুম ক্ষমা করে দিলেন জিতমউদ! আইনজীবী থেকে শুরু করে আদালত কক্ষে হাজির সকলেই মুখ চাওয়াচায়ি করতে থাকলেন।
বিস্ময়ের আরও কিছু বাকি ছিল গত মঙ্গলবার কেনটাকির ফেয়েতে কাউন্টি সার্কিট আদালতের ওই কক্ষে হাজির সকলেরই। বিচারক, আইনজীবীরা দেখলেন, রেলফোর্ডকে ক্ষমা করে সাক্ষীর স্ট্যান্ড থেকে আসামীর স্ট্যান্ডে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরেই থেমে থাকলেন না জিতমউদ, আবেগে বুকে জড়িয়ে ধরে রেলফোর্ডের কানে কানে সালাউদ্দিনের বাবা বললেন, ‘কোনও চিন্তা কোরো না। ইসলামকে স্মরণ করবে সব সময়। ’
রেলফোর্ডের বিরুদ্ধে যে যে ধারায় অভিযোগ ছিল, তাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয় মৃত্যুদণ্ড, না হলে ৩১ বছরের কারাদণ্ড। জিতমউদের বক্তব্য শুনে কিছু ক্ষণ পর আদালতে ফিরে এসে বিচারক বানেল ৭ বছরের কারাদণ্ড দিলেন রেলফোর্ডের।
তার পর আসামীর স্ট্যান্ডে গিয়ে রেলফোর্ডকে আরও এক বার আবেগে জড়িয়ে ধরলেন জিতমউদ। তার পাশে গিয়ে বললেন, ‘ভাবছ কেন? সময়টা দেখতে দেখতে কেটে যাবে। এর পর তোমার জীবনটা আবার নতুন করে শুরু হবে। একেবারে অন্য ভাবে এ বার গড়ে তোল জীবনটাকে। শুধু ভাল ভাল কাজ করবে এ বার, আর সকলকে ভাল কাজ করতে উৎসাহ জোগাবে। সঠিক পথে চলবে সব সময়। ইসলামকে স্মরণ করে চলার মাধ্যমে সেটা তুমি জেল থেকেই শুরু করে দাও না। এই করতে করতে ৭ বছর পর তোমার ৩১ বছর বয়সে যখন তুমি জেল থেকে বেরিয়ে আসবে তখন জীবনটাকে সুন্দর ভাবে গড়ে তোলার জন্য নিজেকে তৈরি রাখতে পারবে। ’
শুনে চোখে পানি এসে গেল আসামী রেলফোর্ডের। জিতমউদ তখনও তাকে ধরে রয়েছেন বুকে। চোখের পানি মুছতে লাগল রেলফোর্ড।
জিতমউদ তাঁর পরিবার পরিজন নিয়ে এখন থাকেন থাইল্যান্ডে। আগে অবশ্য তিনি বহু বছর কাটিয়েছেন মার্কিন মুলুকে। আমেরিকার বিভিন্ন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। প্রধান ছিলেন লেক্সিংটন ইউনিভার্সাল অ্যাকাডেমিরও।
এই লেক্সিংটনেই একটা পিৎজার দোকান ছিল জিতমউদের ছেলে সালাউদ্দিনের। সেখানে ২২ বছর বয়সী সালাউদ্দিনকে ছুরি মেরে খুন করেছিল রেলফোর্ড। তার পর তার দোকান লুঠপাট করে ক্যাশবাক্স ভাঙচুর করেছিল, আড়াই বছর আগে।
বিচারক রেলফোর্ডকে ৭ বছর কারাদণ্ড দেওয়ার পর তাকে জড়িয়ে ধরে জিতমউদ বলেছেন, ‘আমি তোমাকে দোষ দিই না। দোষ সেই শয়তানটার। যে তোমাকে ওই জঘন্য অপরাধ করতে প্ররোচনা দিয়েছিল। সেই শয়তানটা আমাদের সকলের মধ্যেই আছে। আমরা কেউ কেউ তাকে বাড়াবাড়ি করতে দিই, কেউ দিই না। ’রায় দেওয়ার আগে বিচারক রেলফোর্ডের মা গেল কুট বার্ডের সাক্ষ্যও শুনেছেন। রেলফোর্ডের মা বলেছেন, জিতমউদ যে তাঁর ছেলেকে ক্ষমা করে দেবেন, তিনি তা ভাবতেও পারেননি। তিনি অভিভূত। ছেলে রেলফোর্ড যে ছোটবেলা থেকেই মাদকাসক্ত, আদালতে সে কথাও বলেন তার মা কুট বার্ড।
জিতমউদ জানিয়েছেন, আদালত কক্ষে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি রেলফোর্ডের মা-ও। জিতমউদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য তাঁর ই-মেল অ্যাড্রেস নিয়েছেন রেলফোর্ডের মা। আর ইসলাম সম্পর্কে তিনি আরও জানতে চেয়েছেন জিতমউদের কাছে। কথা দিয়েছেন, তিনি নিয়মিত মেল পাঠাবেন জিতমউদকে, ইসলামের আদর্শ জানতে, বুঝতে।
৭ বছরের জন্য জেলে গেল রেলফোর্ড। তাইল্যান্ডে ফিরে যাচ্ছেন জিতমউদও।
আর জিতমউদ ও রেলফোর্ডের পরিবার পরিজনদের কাছে থেকে গেল আদালত কক্ষের বাইরে দুই পরিবারের গ্রুপ ফোটোগ্রাফ।ক্ষমায় এক হয়ে গেল পৃথিবীর দুই গোলার্ধের দুটি পরিবার
-

বরিশালে “আড্ডা ধানসিড়ি”র ৫৯ তম সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত
হুজাইফা রহমান
গতকাল শুক্রবার বরিশালের বগুড়া রোডস্থ আম্বিয়া হাসপাতালের পাশে অবস্থিত জীবনানন্দ অঙ্গনে “আড্ডা ধানসিড়ি”র ৫৯ তম সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “আড্ডা ধানসিড়ি”র আড্ডারুদের উপস্থিতিতে বিকেল চারটা থেকে আড্ডা শুরু করে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত একটানা দু’ঘন্টা প্রাণবন্ত একটি সাহিত্য আড্ডা চলে। সেখানে ড. মুহম্মদ মুহসিন’র সঞ্চালনায় এবারের আড্ডার অতিথি ছিলেন কবি হুমায়ুন কবির।
শুরুতেই “আড্ডা ধানসিড়ি”র আড্ডারু কবি আসমা চৌধুরী’র একটি কবিতা আবৃত্তি করেন কবি ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। এরপর আড্ডায় নিজেদের স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন আড্ডারু শফিক আমিন, জয়নাল আবেদীন, ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, আবদুর রহমান, অনিন্দ্য দ্বীপ, মাহমুদ অর্ক্য, সামছুল আলম, সাইমুন ইসলাম, এসকে লুনা ও হুজাইফা রহমান। তাদের পাঠ করা কবিতা ও সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন ড. মুহম্মদ মুহসিন ও কবি হুমায়ুন কবির। পরিশেষে চা চক্রের মধ্য দিয়ে আড্ডার পরিসমাপ্তি ঘটে।
উল্লেখ্য যে, “আড্ডা ধানসিড়ি” বরিশালের একটি সাহিত্য সংগঠন। প্রতি মাসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ শুক্রবার বরিশালের বগুড়া রোডস্থ আম্বিয়া হাসপাতালের পাশে অবস্থিত জীবনানন্দ অঙ্গনে সাহিত্য প্রেমীদের নিয়ে সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়।
-

বরিশালে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুভ উদ্ভোধন করলেন সাদিক আব্দুল্লাহ
তানজীল শুভআজ এগারোই নভেম্বর, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পঁয়তাল্লিশ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ।সমগ্র দেশের সাথে বরিশালেও জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উদযাপন করা হয় দিনটি।বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উদযাপন করা হয় দিনটি।সকাল দশটার সময় বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভা ও আনন্দর্যালীর আয়োজন করা হয়। আনন্দ র্যালীর শুভ উদ্ভোধন করেন বরিশাল বাসীর প্রাণের মানুষ ,যুব সমাজের অহংকার, যুবরত্ন জনাব সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো: ইউনুস, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল,মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম জাহাঙ্গীর ,মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু সহ জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য বৃন্দ।সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক এ.এম.মেজবাহ্ উদ্দিন জুয়েল।আলোচনা সভায় সকল বক্তারা শেখ ফজলুল হক মনীশকে স্মরণ করেন ।কারন বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি যুবলীগের প্রতিষ্ঠা করেন। সভা শেষে নগরীজুরে একটি আনন্দর্যালী বেড় করা হয়। এবং র্যালিতে আসা সকল মানুষ দাবী করেন যেন সাদিক আবদুল্লাকে আগামী সিটি নির্বাচনে যেন সিটি মেয়র পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন দেয়া হয় । -

এসএসসি পরীক্ষা- বরিশালে ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়
এসএসসি পরীক্ষায় ফরম পূরণের নামে জেলার সর্বত্র বাড়তি অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অধিকাংশ বিদ্যালয়ে বোর্ড নির্ধারিত ফি’র চেয়ে দ্বিগুন টাকা নেয়া হচ্ছে। আবার কোনো কোনো স্কুলে কোচিং ফি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ অবস্থায় কোন ধরনের রশিদ ছাড়াই ফরম পূরণে তিন থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। সন্তানদের পরীক্ষার কথা চিন্তা করে দরিদ্র পরিবারের অভিভাবকদের ধারদেনা করে ফরম পূরণের টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও বাড়তি অর্থ নেয়ার কথা স্বীকার করে নানাখাতের অজুহাত দেখাচ্ছে। শিক্ষাবোর্ড থেকে ফরম পূরণের ফি নির্ধারণ করে দেয়া সত্ত্বেও তা মানছে না স্কুলগুলো। এক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষকদের দাবি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সিদ্ধান্তক্রমেই এ অর্থ গ্রহণ করা হচ্ছে। সচেতন নাগরিকদের মতে, শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশ অমান্য করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সিদ্ধান্তকে বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। গত কয়েকদিন থেকে এনিয়ে প্রতিদিনই স্কুলের শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের বাগ্বিতন্ডা লেগেই রয়েছে। বিভিন্ন স্কুলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসএসসি’র ফরম পূরণের জন্য শিক্ষাবোর্ড থেকে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫৬৫ টাকা। এরসাথে স্কুলগুলো থেকে বাধ্যতামূলক কোচিং ফি ধরা হয়েছে ৫০০ টাকা, কোচিং চলাকালীন বেতন ৩৬০টাকা, স্কুল উন্নয়ন ফি ২০০ টাকা, সেশন ফি ১২৫ টাকা, মিলাদ ১০০ টাকা, ব্যবহারিক ৫০ টাকা, পরীক্ষার সময় কেন্দ্রে শিক্ষকদের যাতায়াত ফি বাবদ ১০০ টাকা, স্কুলের চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীদের জন্য ৫০ টাকা ও অনলাইন ফি বাবদ ২৫ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। সে হিসেবে প্রতিজন পরীক্ষার্থী বাবদ ৩ হাজার ৭৫ টাকা করে ধার্য করা হয়েছে। এরসাথে পরীক্ষার্থীদের স্কুলের বকেয়া বেতন ও টেস্ট পরীক্ষায় অকৃকার্য হওয়া প্রতিটি বিষয়ে ২০০ টাকা করে যোগ করা হচ্ছে। এরপর পরীক্ষার আগমুহুর্তে প্রবেশপত্র বিতরণের নামে হাতিয়ে নেয়া হবে মোটা অংকের অর্থ। সূত্রমতে, উপবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের স্কুলের বেতন ফ্রি হওয়ার নিয়ম থাকলেও তা মানছে না অধিকাংশ স্কুলগুলো। এমনকি টেস্ট পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে কৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের জন্যও ৩ হাজার ৭৫ টাকা করে ধার্য করেছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার আগৈলঝাড়া, বাবুগঞ্জ, মুলাদী, বাকেরগঞ্জ, হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ, গৌরনদী, বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলার কয়েকটি বিদ্যালয়ে চার হাজার টাকা পর্যন্ত পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে। গৌরনদীর নলচিড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাধিক পরীক্ষার্থীর অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, তাদের কাছ থেকে একপ্রকার জোরজুলুম করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন শিক্ষকরা। গেরাকুল আখতারুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ম্যানেজিং কমিটির ব্যর্থতার কারণে শিক্ষকরা মনগড়াভাবে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। এ ঘটনার যে প্রতিবাদ করবে তার ফরম পূরন করা হবেনা বলেও কতিপয় শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির কয়েকজন সদস্যরা পরীক্ষার্থীদের হুমকি প্রদর্শন করেছেন। তাই বাধ্য হয়েই তারা অতিরিক্ত টাকা দিয়ে ফরমপূরণ করতে বাধ্য হচ্ছে। মাহিলাড়া এএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক প্রণয় কান্তি অধিকারী বলেন, বোর্ড যেটা নির্ধারণ করেছে তার সাথে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সিদ্ধান্ত মোতাবেক টাকা নিয়ে ফরম পূরণ করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে দুঃস্থ পরিবারের পরীক্ষার্থীদের বেলায় অবশ্যই ছাড় দেয়া হচ্ছে। তবে কতো টাকা নিয়ে ফরমপূরণ করা হচ্ছে তা তার মনে নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, প্রায় প্রতিটি স্কুলের বিরুদ্ধেই অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে ফরমপূরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শিক্ষা বোর্ডের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে, ফরম পূরণের নামে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা হলে অভিভাবকরা অভিযোগ দায়ের করবেন। অভিযোগের প্রমান পেলে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
-

বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে মন্ত্রী করার দাবী বরিশালবাসীর
মন্ত্রী পরিষদে রদবদলের গুঞ্জন শুরু হওয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে স্থাণীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও বরিশাল জেলা আ’লীগের সভাপতি সিংহ পুরুষ খ্যাত জাতীয় নেতা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপিকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় আ’লীগ নেতা-কর্মী-সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ী সহ গোটা বরিশাল বাসী। দুঃসময়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা পার্বত্য শান্তি চুক্তির প্রণেতা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাাহ তার মেধা.মনন,শৈলী, প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দিয়ে আ’লীগকে বরিশাল সহ গোটা দক্ষিনাঞ্চলে শক্তিশালী ও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়ে এক অপ্রতিদ্বন্ধী রাজনৈতিক দলে রূপান্তর করেছেন। তার নেতৃত্বে আ’লীগ নেতা-কর্মীদের সাংগঠনিক তৎপরতায় এ অঞ্চলে বিএনপি-জামায়াত’র নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট অনেকটা অস্তিত্বহীণ হয়ে পড়েছে। বরিশালে উপজেলা, ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থীদের বিজয়ী করতে পলিসি মেকারের ভূমিকায় অবর্তীণ হন বঙ্গবন্ধুর অবিনাশী আদর্শের এ নেতা। রাত-দিন একাকার করে তিনি আ’লীগকে সুসংগঠিতও দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে শহর থেকে গ্রাম আর গ্রাম থেকে গ্রামান্তর ছুঁটে বেড়ান। তার দূরদর্শিতায় বরিশালের সব জনপ্রতিনিধি এখন আ’লীগের। শুধু বরিশালেই নয় জাতীয় রাজনীতিতে তার সরব উপস্থিতিও রয়েছে। ১৯৯৭ সালে অশান্ত পার্বত্য অঞ্চলে শান্তির সুবাতাস বইয়ে দিতে ‘শান্তি চুক্তি’ সম্পাদনের মাধ্যমে তৎকালীণ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ অগ্রণী ভূমিকা পালণ করে বঙ্গবন্ধু তনয়া প্রধানমন্ত্রী ও আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি ইতিহাসের পাতায় তারও নাম লিখিয়েছেন। ১৯৭১ সালে মামা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে সেই সময়ের সাহসী টগবগে যুবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনতে বরিশাল অঞ্চলে মুজিব বাহিনী প্রধান হিসেবে মৃত্যুকে পায়ের ভৃত্য মনে করে সন্মূখ সমরে জীবন পণ লড়াই করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ বির্নিমানে অগ্রণী ভূমিকা পালণ করেন।স্বাধীনতার পর তিনি বরিশাল পৌরসভার সফল ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান হিসেবে উন্নয়ন কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন।পরবর্তীতে বরিশাল-১(আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে গোটা বরিশাল অঞ্চলে উন্নয়নের রূপকার হিসেবে আর্বিভূত হন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশেন,বিভাগ,শিক্ষা বোর্ড,বিশ্ববিদ্যালয়,পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর প্রতিষ্ঠা,দোয়ারিকা-শিকারপুর ও দপদপিয়া ব্রিজ নির্মাণ সহ বরিশালের সার্বিক উন্নয়নে তার অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালরাতে রক্তঝড়া অচিন্তনীয় বিয়োগান্তুক অধ্যায়ের শোকগাথাঁয় মামা জাতির জন্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে বাবা তৎকালীণ কৃষিমন্ত্রী ও কৃষক কুলের নয়নের মনি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ও নিজের শিশু পুত্র সুকান্ত আব্দুলাহ সহ পরিবারের অনেক স্বজনকে হারান তিনি। সেদিন রাতে মৃত্যুর দুয়ার থেকে আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের অপার কৃপায় অলৌকিকভাবে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ,বুলেটবিদ্ধ স্ত্রী শাহানারা আব্দুল্লাহ ও তার কোলে থাকা দেড় বছরের শিশু পুত্র সাদিক আব্দুল্লাহ বেঁচে যান। শরীরে ৫টি বুলেট বহন করে অসহ্য যন্ত্রনা নিয়ে শাহানারা আব্দুল্লাহ স্বামী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর মতো আ’লীগের সুখ-দুঃখের অংশীদার। ৭৫’র পর সেনাশাসক জিয়াউর রহমান, স্বৈরশাসক এরশাদ ও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে (৯১-৯৬ ও ২০০১-২০০৬) মিথ্যা মামলা সহ নানা ভাবে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে হয়রানির শিকার হতে হয়। ১/১১’র সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলেও ষড়যন্ত্রের শিকার হন তিনি। অভিজ্ঞ মহলের ধারণা চেহারার অবয়বে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছ্বায়া আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে গুরুত্বপূর্ণ কোন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী করা হলে তিনি তার সততা,মেধা,বিশ্বস্ততা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ ও ২০৪১ সালের ভিশন বাস্তবায়ন করে ক্ষুধা,দারিদ্র,সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ-দুর্নীতিমুক্ত, শোষন ও বৈষম্যহীণ স্বপ্নের অসা¤্রদায়িক সোনারবাংলা বির্নিমাণে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন। বরিশালের আ’লীগ নেতা-কর্মী ও সর্তীথজনদের বিশ্বাস জননেত্রী দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী ও আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার বিচক্ষন্নতা দিয়ে দুঃসময়ের ত্যাগি ও পরীক্ষিত নেতা বাংলাদেশ আ’লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ১ নং সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে তার ত্যাগ ও যোগ্যতার যথার্থ মূল্যায়ন করবেন।