Author: Banglarmukh24

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বি এইচ আর সি বরিশাল মহানগরের শ্রদ্ধাঞ্জলি

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বি এইচ আর সি বরিশাল মহানগরের শ্রদ্ধাঞ্জলি

    বিনম্র শ্রদ্ধা, যথাযথ মর্যাদা ও পূর্ণ ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে জাতি ভাষা শহীদদের স্মরণের মাধ্যমে বরিশালে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” পালন করা হয়।

    অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সদর দপ্তরের বিশেষ প্রতিনিধি ও বরিশাল মহানগরের সেক্রেটারি জনাব মোঃ আবু মাসুম ফয়সল, সহ সভাপতি শাহরিয়ার বিপ্লব, যুগ্ম সাঃ সম্পাদক মাহফুজ পারভেজ সহ সকল নেতৃবৃন্দ সংগঠনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন রাইসুল, দিপু, সুমন ও মাহিন সহ আরও অনেকে।

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে বিওইসির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে বিওইসির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    ২১ শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে আজ বরিশাল নগরীর পুলিশ লাইন্ রোডে হুপার্স রেস্তোরায় রাত ৮টায় বরিশাল অনলাইন এডিটরস কাউন্সিল (বিওইসি)এর প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু মাসুম ফয়সালের সভাপত্বিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক পলাশ চৌধুরীর পরিচালনায় বরিশাল অনলাইন এডিটরস কাউন্সিলের এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় আরো উপস্থিত ছিলো সহ-সভাপতি সুমন হালদার আশীষ, মাহিদ খান, মাসুদ রানা, আকরামুল হুদা বাপ্পী সহ সাধারন সম্পাদক রাইসুল ইসলাম অভি, আসাদুজ্জান মুরাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া আলম দিপু, কোষাধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিম বাদশা, দপ্তর সম্পাদক তানভীর আহম্মেদ অভি, প্রচার সম্পাদক মোঃ আমিনুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মিরাজ, নির্বাহী সদস্য মোঃ রুবেল হাওলাদার, মোঃ আবু বকর সিদ্দীক, মোঃ ইমরান হোসেন, একরামুল কবির একরাম সহ অনন্য সদস্যবৃন্দ।সভায় মাতৃভাষা দিবস পালন ছাড়াও বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

    উল্লেখ্য বরিশালের অনলাইন গনমাধ্যমসমুহকে ঐক্যবদ্ধ ও সঠিক মর্যাদা দেয়ার লক্ষে গত ১১ই জানুয়ারী আত্বপ্রকাশ করেছে বরিশাল অনলাইন এডিটরস কাউন্সিল (বিওইসি)

     

  • বরিশালে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    বরিশালে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    বিগত মেয়রের সময় দুর্নীতির আঁতুড়ঘরে পরিণত হয় নগর ভবন। উন্নয়ন কাজে ছিল পরিকল্পনার অভাব। যার খেসারত এখন দিতে হচ্ছে সাধারণ নগরবাসীকে। গত শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারী) রাতে নগরীর কালীবাড়ি রোডস্থ নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় একথাগুলো বলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    এ সময় তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শুধু বিভাগীয় ব্যবস্থা-ই নয়, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    মেয়র সাদিক আরও বলেন, নগরীতে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে অপরিকল্পিতভাবে। কোথাও উঁচু, কোথাও নিচু। ফলে ড্রেন দিয়ে পানি নদীর দিকে প্রবাহিত হচ্ছে না। ড্রেন নির্মাণেও ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী। অপ্রশস্ত ও গভীরতা কম হওয়ায় ড্রেনগুলো দিয়ে স্বাভাবিকভাবে পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বিগত কয়েক বছর ধরে বর্ষা হলেই নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। যথাযথ স্থানে পকেটমুখও করা হয়নি। ফলে এই ড্রেনগুলো এখন জনদুর্ভোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    মেয়র বলেন, আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই সবগুলো ড্রেন স্বাভাবিক পানি প্রবাহ উপযোগী করার চেষ্টা চলছে। বিসিসি’র কোনো কাউন্সিলরকে ঠিকাদারী কাজ করতে না দেয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান মেয়র সাদিক। এছাড়া আগামীর বাসযোগ্য বরিশাল বিনির্মাণ ও গণপরিবহন সংকট সমাধানসহ নগর উন্নয়নে নানা বিষয়ে পরিকল্পনার কথা জানান সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    মতবিনিময় সভায় বিসিসির বিভিন্ন শাখার প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশালে বিতর্ক অঙ্গনে আলো ছড়াচ্ছে De.C.B

    বরিশালে বিতর্ক অঙ্গনে আলো ছড়াচ্ছে De.C.B

    নিজস্ব প্রতিবেদন: বিতর্ক একটি শিল্প। বিতর্কের মাধ্যমে একজন তার্কিক কথা বলতে পারে, শিখতে পারে , জ্ঞান অর্জন করতে পারে এবং সৃজনশীল মেধা বিকশিত হয়। বিতর্ক একজন শিক্ষার্থীকে অনেক পড়ালেখা করতে সহযোগীতা করে। একজন বিতার্কিক কখনো কোন কিছুতে না বলেনা। বিতার্কিকের অনেক জ্ঞান বৃদ্ধি পায় পড়ার মাধ্যমে। একজন বিতার্কিক যে কোন স্থানে তার ক্যারিয়ার গঠন করতে পারে। আর বরিশালের শহর অঞ্চল থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল পর্যন্ত বিতর্কের আলো পৌছে দিতে দুইহাজার আঠারো সনের তিন এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয় বরিশালের বিভাগীয় তার্কিকদের সংগঠন ” ডিবেটার্স কমিউনিটি অফ বরিশাল ” ( ডিইসিবি )।

    মুক্তির প্রত্যয়ে অবিরাম যুক্তি এই শ্লোগানকে সামনে নিয়ে ডিইসিবির পথ চলা।হাটি হাটি পা পা করে ইতিমধ্যেই বরিশালে বিতর্কের আলো ছড়াচ্ছে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন টি। ইতিমধ্যেই তারা ক্লাশ অফ ডিবেট নামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিতর্ক প্রশিক্ষনের আয়োজন করছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, আলেকান্দা সরকারী কলেজ, এ.কে ইনষ্টিটিউশন, শহীদ আলতাফ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিতর্ক কর্মশালার আয়োজন করেছে সংগঠনটি। ইতিমধ্যেই একটি বিতর্ক চ্যাম্পিয়নশীপের আয়োজন করে পচিশঁ টি টিমের অংশগ্রহনে প্রতিযোগীতার আয়োজন করে।

    সংগঠনের স্বমন্বয়কারি ও প্রতিষ্ঠাতা শেখ সুমন বলেন, বিতর্কের আলো আমরা ছড়িয়ে দিতে চাই বহুদুর। গ্রাম থেকে গ্রামে। যেখানের শিক্ষার্থীরা অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত সেখানে বিতর্কের আলো ছরিয়ে দিতে চাই আমরা। আমরা চাই ভবিষ্যৎ গঠনে বিতর্ক হোক অন্যতম হাতিয়ার। বর্তমানে সংগনটিতে প্রায় দশটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধী রয়েছে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি।মহিউদ্দিন রনি ( ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ), মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ , সানজিদ আলম সিফিত, ইমতিয়াজ ( সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজ ), হুজাইফা রহমান, পারভেজ হাসান ( সরকারী হাতেম আলী কলেজ ), জুই আহম্মেদ, জেরিন ( আলেকান্দা সরকারী কলেজ ), সোহানুল ইসলাম প্রিন্স , রেজাউর রহমান ( বি এম কলেজ ) মনিরুল ইসলাম , আদনান রোহান ( সরকারী বরিশাল কলেজ) ফেরদৌসী মেমি প্রতিনিধী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ এ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাজ করতে চায় ডিইসিবি।

  • বরিশালে কথিত সাংবাদিক সাইবার ক্রাইমার নিয়াজ মোহাম্মদ গ্রেপ্তার

    বরিশালে কথিত সাংবাদিক সাইবার ক্রাইমার নিয়াজ মোহাম্মদ গ্রেপ্তার

    বরিশালে সাইবার ক্রাইমের অভিযোগে নিয়াজ মোহাম্মদ রনি (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। শুক্রবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তারকৃত নিয়াজ মোহাম্মদ রনি বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার নূর মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে।

    দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রের সরকারী কর্মকর্তা, কর্মচারী,বিশিষ্টজনের বিরুদ্ধে ফেসবুক, নিউজ পোর্টাল সহ বিভিন্ন মাধ্যমে দীর্ঘদিন যাবৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে নিয়াজ মোহাম্মদ রনির বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে  সহকারী উপ-পুলিশ কমিশনার ডিবি নাসির উদ্দীন মল্লিকের নেতৃত্বে বিএমপি সাইবার ক্রাইম-মিডিয়া ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বিভাগের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে বৃহস্পতিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) শহরের নথুল্লাবাদ পেট্রোল পাম্প এলাকা থেকে সাইবার ক্রাইমার নিয়াজ মোহাম্মদ রনিকে গ্রেফতার করে।

    গ্রেপ্তারকালে নিয়াজ নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দাবি করলেও গ্রেপ্তারের পরে কোন সাংবাদিক নেতা বা পত্রিকা অফিস থেকে যোগাযোগ করেনি।

    নিয়াজ মোহাম্মাদসহ অজ্ঞাতনামা বেশ কয়েকজন সাইবার ক্রাইমারের বিরুদ্ধে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২০১৮ এর ২৫(২)(৩)/২৯(১)(২)/৩১(২)/৩৫ ধারায় এয়ারপোর্ট থানায় মামলা (নম্বর -০৮/১৯)  করা হয়।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) নাসির উদ্দিন মল্লিক জানিয়েছেন, যারা সাইবার ক্রাইমারে সাথে জড়িত তাদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনতে এ অভিযান চলমান থাকবে।

     

     

  • বাকেরগঞ্জে বাল্যবিবাহ, মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ বিষয়ক আলোচনা সভা

    বাকেরগঞ্জে বাল্যবিবাহ, মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ বিষয়ক আলোচনা সভা

    আজ ৮ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪ টায় বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের শিবপুর পাবলিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এসডিজি ২০৩০ এর লক্ষ্য সমূহ বাস্তবায়নের লক্ষে বাল্যবিবাহ, মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ এবং মানসম্মত শিক্ষা বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রাম চন্দ্র দাস, বিভাগীয় কমিশনার বরিশাল।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি এস, এম, অজিয়র রহমান, জেলা প্রশাসক বরিশাল, কবির মাহমুদ, জেলা প্রশাসক বরগুনা, মোঃ জসিম উদ্দিন, জেলা প্রশাসক পাবনা, আবুল কালাম আজাদ, উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার বরিশাল, লোকমান হোসেন ডাকুয়া, মেয়র বাকেরগঞ্জ পৌরসভা, আ. জ. ম. মোঃ মাসুদুর রহমান, অফিসার ইন চার্জ বাকেরগঞ্জ, অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কাজী সালেহ মুস্তানজিব, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বাকেরগঞ্জ।

    আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ হান্নান মিয়া, প্রধান শিক্ষক সহ স্কুলের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি লাইব্রেরি উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি পরে অতিথিরা বাল্যবিবাহ, মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ এবং মানসম্মত শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন সচেতনতা মূলক আলোচনা করেন।

  • বরিশালে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের কার্যক্রম বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    বরিশালে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের কার্যক্রম বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    আজ ৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় বরিশাল এর আয়োজনে। বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সহযোগিতায়, বরিশাল সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের কার্যক্রম বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোঃ ইকবাল খান চৌধুরী, চেয়ারপার্সন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাম চন্দ্র দাশ, বিভাগীয় কমিশনার বরিশাল, বিশেষ অতিথি ছিলেন মোঃ খায়রুল আলম সেখ, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) বরিশাল, ড. মুহাম্মাদ মোশারফ হোসেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) বরিশাল, এস, এম অজিয়র রহমান, জেলা প্রশাসক বরিশাল।

    প্রতিযোগিতা কমিশনের কার্যক্রম বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন মোঃ খালেদ আবু নাছের, পরিচালক বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনসহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধি বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন অক্টোবর ২০১৬ হতে কমিশনের প্রারম্ভিক কার্যক্রম শুরু করেছে।

    কমিশনের উদ্দেশ্য ষড়যন্ত্রমূলক যোগসাজস, মনোপলি, ওলিগোপলি অবস্থা, জোটবদ্ধতা অথবা কর্তৃত্বময় অবস্থানের অপব্যবহার সংক্রান্ত প্রতিযোগিতা বিরোধী কর্মকান্ড প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণ বা নির্মূলকরণ এবং উচ্চতর জ্ঞানভিত্তিক গবেষণাধর্মী এবং তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর কমিশন গড়ে তোলা পরে কমিশন নিয়ে সকলের মাঝে আলোচনা করা হয়।

  • স্বপ্নের পদ্মা সেতুকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে অর্থনৈতিক বিপ্লবের হাতছানি

    স্বপ্নের পদ্মা সেতুকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে অর্থনৈতিক বিপ্লবের হাতছানি

    পদ্মা ঘিরে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। বর্ষায় যে নদীর উন্মত্ততায় দিশেহারা হতে হয় লাখো মানুষকে, সেই পদ্মাকে ঘিরেই এখন নদীপাড়ের মানুষ ভাসছে ঝলমলে এক সমৃদ্ধ ও সচ্ছল জীবনের স্বপ্নে। এই স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দু পদ্মাসেতু।

    কেবল পদ্মাসেতুই নয়, পদ্মা নদীর পাশেই বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত হংকংয়ের আদলে নতুন শহর, অলিম্পিক ভিলেজ, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, নৌ-বন্দর, অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল, বিশেষ অর্থনৈতিক জোন, ইকোনমিক করিডোর, আধুনিক রেল, সড়ক ও নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থার হাতছানিও মানুষকে এই স্বপ্নের পথে এগিয়ে দিচ্ছে।

    সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের স্বপ্নের পদ্মাসেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা। এই সেতু হয়ে গেলে, পাশাপাশি পটুয়াখালীর পায়রায় গভীর সমুদ্রবন্দর ও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ‘এনার্জি হাব’ তৈরির কাজ শেষ হয়ে গেলে পাল্টে যাবে দক্ষিণাঞ্চলের আর্থসামাজিক চিত্র।

    আর ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে যশোর হয়ে মোংলা বন্দর এবং বরিশাল হয়ে পায়রা পর্যন্ত রেল লাইনের কাজও চলছে, এই কাজ শেষ হয়ে গেলে বরিশাল অঞ্চল রূপ নেবে সিঙ্গাপুরের মতো এবং পদ্মার দুইপাড়, বিশেষ করে দক্ষিণ পাড় পরিণত হবে হংকংয়ের মতো উন্নত ও সমৃদ্ধ জনপদে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের ৬ জুলাই পদ্মাসেতুর কাজ শুরু হওয়ার পর প্রথমে পদ্মার পাড়ে ‘হংকং’র আদলে নতুন শহর তৈরির পরিকল্পনা নিতে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

    এই শহরে আর্ন্তজাতিক মানের সম্মেলন কেন্দ্র, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, এন্টারটেইনমেন্ট পার্ক, কালচালারাল ভিলেজ, বিনোদন কেন্দ্র, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার, স্থায়ী বাণিজ্যমেলা কেন্দ্র বা এক্সিবিশন সেন্টার রাখার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই দিন তিনি বলেছিলেন, ঢাকার কাছের এই এলাকাকে ‘আধুনিক নগরী’তে রূপ দিতে কাজ করছে সরকার। ঢাকার জিরো পয়েন্ট থেকে পদ্মাসেতু এলাকার দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার। বিজয়নগর থেকে ঢাকা-মাওয়া সড়কে ১৩ কিলোমিটার দৈর্ঘের একটি উড়ালসেতু করে পদ্মাসেতু এলাকার সঙ্গে রাজধানীবাসীর যাতায়াত আরও সহজ করা হচ্ছে।

    কেবল হংকংয়ের আদলে আধুনিক শহরই নয়, পদ্মার পাড়ে একটি অলিম্পিক ভিলেজ তৈরির নির্দেশনাও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এরইমধ্যে এই ভিলেজের জন্য ১২শ’ একরের বেশি জমি চিহ্নিত করা হয়েছে মাদারীপুরের শিবচরে। এখানে ৩০ হাজার একরের খাস জমিও আছে সরকারের।

    এরপাশেই হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর। সেখানে এরইমধ্যে ১২ হাজার একর জমি চিহ্নিত করেছে জাপানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিপ্পন কোই লিমিটেড। বাংলাদেশ সরকারের নতুন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন- এই বিমানবন্দরটি হবে প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্যের মিলনকেন্দ্র। পদ্মাসেতুর ওপারে এবং সেতুর পাশেই নতুন এই বিমানবন্দর গড়ে তোলা হবে।

    বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে- এই বিমানবন্দরে প্রতি মিনিটে একটি করে ফ্লাইট ওঠানামা করতে পারবে। বছরে কমপক্ষে এক কোটি ২০ লাখ যাত্রীর চেক ইন ও চেক আউটের সুযোগ থাকছে। বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে ৩০ মিনিটে কোনো যানজট ছাড়াই ঢাকার জিরো পয়েন্টে পৌঁছানোর সুযোগ থাকছে যাত্রীদের।

    এই বিমানবন্দরে প্রতি চব্বিশ ঘণ্টায় ৪শ’ যাত্রীবাহী ফ্লাইট ও ২শ’ কার্গোবাহী ফ্লাইট অপারেশনের সুযোগ থাকছে। এখান থেকে এক ঘণ্টায় ঢাকার হযরত আন্তর্জাতিক শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছানোর জন্য থাকবে বিশেষ মেট্রোরেল।

    সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রণালয় বলছে- এরইমধ্যে ফরিদপুর থেকে ভাঙ্গা, টেকেরহাট, বরিশাল, পটুয়াখালী ও কুয়াকাটা সড়ক চার লেন করার জন্য প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ভূমি অধিগ্রহণ প্রকল্প পাশ করেছে একনেক।

    রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য মতে, চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের অপেক্ষায় ভাঙ্গা-বরিশাল-পায়রা রেললাইন প্রকল্পের কাজ নিয়ে। পদ্মাসেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত রেললাইনের কাজ শুরু হয়েছে। চলছে যশোর থেকে খুলনা হয়ে মোংলা পর্যন্ত রেললাইনের কাজ।

    অন্যদিকে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে- পায়রায় গড়ে উঠছে দেশের দ্বিতীয় এনার্জি হাব। ২০২১ সালের মধ্যে পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দরের টার্মিনাল অপারেশন চালানোর জন্য উপযুক্ত হবে। রামনাবাদ চ্যানেল ড্রেজিংয়ের জন্য এরইমধ্যে চুক্তি হয়েছে বিশ্বখ্যাত ‘সুয়েজ খাল’ খননকারী বেলজিয়ামের ব্রাসেলসভিত্তিক ‘জান ডি লুল’ কোম্পানির সঙ্গে। ফলে দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উঠবে উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক কেন্দ্র। সারাদেশের সঙ্গে এর সম্পর্ক তৈরি হবে পদ্মাসেতু ও পদ্মাপাড়ের নতুন স্থাপনাকে কেন্দ্র করে।

    ফলে পদ্মার দক্ষিণ পাড় হয়ে উঠবে ‘কমার্শিয়াল ও বিজনেস হাব’। এর সবচেয়ে বড় কারণ, সড়ক, নৌ, আকাশপথের সঙ্গে সুলভ নেটওয়ার্ক ও হাজার হাজার একর খাস জমির সহজলভ্যতা।

    অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, পদ্মার পাড়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেনানিবাস, পর্যটন কেন্দ্র, যাদুঘর, আধুনিক শহর, বিজনেস হাব, বিমানবন্দরসহ আধুনিক জীবন যাপনের সকল অনুষঙ্গ যোগ করা হবে।

    পদ্মাসেতুকে কেন্দ্র করে সড়কের দুই পাশে বিশেষ অর্থনৈতিক জোন ও আবাসিক এলাকা তৈরি হবে। পদ্মার চরকেও দেশের উন্নয়নের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।”

  • বরিশাল শেবাচিমে নার্সকে পেটানোর হুমকি দিলেন ডাক্তার : অতঃপর

    বরিশাল শেবাচিমে নার্সকে পেটানোর হুমকি দিলেন ডাক্তার : অতঃপর

    ডাক্তার কর্তৃক নার্সকে পেটানোর হুমকি দেয়ার বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালককে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারী) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিভিন্ন ওয়ার্ডের নার্সরা একত্রিত হয়ে পরিচালকের কক্ষে অবস্থান নেয়ায় বিভিন্ন আন্তঃওয়ার্ডে রোগীর সেবা ব্যাহত হয়। পরে পরিচালক উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে সমস্যার সমাধান করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং নার্সরা কাজে ফিরে যান।

    হাসপাতাল সূত্র জানায়, জরায়ুর সমস্যা নিয়ে গত ১৩ জানুয়ারি শের-ই বাংলা মেডিকেল ভর্তি হন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ছোট সিংহের হাট এলাকার বৃদ্ধা আলো রানী (৬০)। গত ২৩ জানুয়ারি হাসপাতালের গাইনী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানার নেতৃত্বে ওই রোগীর জরায়ু অপারেশন হয়।

    রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, অপারেশনের পর চিকিৎসকরা দুটি গজের একটি জরায়ুর ভেতরে রেখে সেলাই দিয়ে দেয়। এতে রোগীর শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যাচ্ছিলো। প্রতিদিন ৪/৫টি নাপা সাপোজিটারি দিয়ে তার শরীরের তাপমাত্রা কমানো হচ্ছিলো। ওই রোগীর স্বজন হাসপাতালের নার্স সঞ্চিতা রানী বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিস্ট বিভাগের চিকিৎসক সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানার সাথে কথা বলেন। দিন দিন রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতির বিষয়ে করণীয় বিষয়ে চিকিৎসকের কাছে জানতে চান তিনি।

    এ নিয়ে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে ডা. নাসরিন সুলতানা নার্স সঞ্চিতা রানীকে আপাদামস্তক পেটানোর কথা বলেন। একই সাথে নার্সদের দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা কে দিয়েছে সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে নার্সরা বিক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালের পরিচালকের দফতরে গিয়ে প্রতিবাদে ফেটে পড়েন। তারা ওই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।

    পরে পরিচালক সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের ডেকে ওই ঘটনার ব্যাখ্যা চান এবং উভয় পক্ষকে নিয়ে সমঝোতা বৈঠকে বসেন। দীর্ঘ সমঝোতা বৈঠকে উভয় পক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেন।

    বৈঠক থেকে বের হয়ে নার্স নেতারা জানান, এটা তাদের পরিবারের মধ্যের ঘটনা। একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিলো। তারা নিজেরা সমঝোতা করেছেন।

    গাইনি বিভাগের চিকিৎসক সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানা বলেন, ওই নার্স গাইনি ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত নয়। তিনি অযাচিতভাবে তার কাছে কৈফিয়ত চাইছিলো। তার শারীরিক ভাবভঙ্গিও ভালো ছিল না। এ নিয়ে একটু বাদানুবাদ হয়েছিলো।

    হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকীর হোসেন জানান, ডাক্তার এবং নার্সের মধ্যে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিলো। উভয় পক্ষকে নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির অবসান করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • বরিশালে সাংবাদিক কাওসারের পিতার কুলখানি অনুষ্ঠিত

    বরিশালে সাংবাদিক কাওসারের পিতার কুলখানি অনুষ্ঠিত

    যমুনা টেলিভিশনের বরিশাল ব্যুরো প্রধান ও স্থানীয় দৈনিক ২৪ ঘন্টা পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক কাওসার হোসেনের পিতা ইউনুস খানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার আছরবাদ পলাশপুরস্থ নিজ বাড়ির সম্মুখে অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বরিশাল জেলা দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি এবায়েদুল হক চাঁন, জেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি সৈয়দ আনিসুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম ফরিদ, সিনিয়র সাংবাদিক আনিসুর রহমান খান স্বপন, শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এস.এম জাকির হোসেন, সহ-সভাপতি মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক পুলক চ্যাটার্জি, দৈনিক পরিবর্তন পত্রিকার সম্পাদক কাজী মিরাজ মাহমুদ, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ, সভাপতি নজরুল বিশ্বাস, সহ-সভাপতি বিধান সরকারসহ জাতীয়, স্থানীয় প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেক্টনিক্স মিডিয়ার সংবাদ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য গত শনিবার দুপুরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইউনুস খান শেষ নিঃশ্বাষ ত্যাগ করেন। আছরবাদ জানাযা নামাজ শেষে পলাশপুর কাজীর গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।