Author: Banglarmukh24

  • বরিশালে ১৪ বছর পর পাওনা বুঝে পেয়েছে নগর ভবনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

    বরিশালে ১৪ বছর পর পাওনা বুঝে পেয়েছে নগর ভবনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

    দীর্ঘ ১৪ বছর পর পাওয়া বুঝে পাচ্ছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের অবসরপ্রাপ্ত ৩৯ জন কর্মকর্তা কর্মচারী ও তাদের পরিবার। এর মধ্যে ৮ জন রয়েছে মৃত। তাদের পক্ষে পরিবারের স্বজনরা এই বকেয়া টাকার চেক গ্রহন করেন। ৩৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মোট ৪ কোটি ৩ লাখ টাকা প্রদান করেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    শনিবার সন্ধায় কালীবাড়ি রোডস্থ সিটি মেয়রের বাসভবনে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই চেক প্রদান কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মো: হোসেন চৌধুরী, বিসিসির সচিব ইসরাইল হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী খান মো: নুরুল ইসলামসহ বিসিসির কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    সেখানে অবস্থিত নগর ভবনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের স্বজনরা বলেছেন, ‘বরিশাল সিটি মেয়র আগে ছিলেন যুবরতœ। শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষানুরাগী সাদিক ভাই। অসহায়ের সহায় ভাই। অত্যাচার শোষীতদের কাছে অন্তর আত্মার নেতা। আজ আরো একটি নামে পরিচিত হতে যাচ্ছেন তিনি।

    অসহায় অবসর প্রাপ্তদের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। একটু বিস্ময়কর বা দূবোর্ধ হলেও সত্যি বিগত দিনে তিনি যত নামে অলংকিত হয়েছেন হয়ত এটাই হবে তার শ্রেষ্ঠ ও সন্মানের নাম বা উপাদী। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের অবসর ভোগীদের সকল ভাতা এককালীন পরিশোধ করে এ অনবদ্য খ্যাতি অর্জন করেছেন। একই সাথে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসেও যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন এক অধ্যায়। কারন অবসরে যাবার পর বিসিসির কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী ইতপূর্বে একসাথে প্রাপ্য ভাতাদী পাননি। তাই পেনশন ভাতা প্রাপ্তির দূবির্ষহ সব স্মৃতি ভুলে উচ্ছাস আর প্রশান্তির হাসি ফুটছে বিসিসির ৩৯ জন অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর চোখে মুখে।

    ২০০৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অবসরে যাওয়া ৩৯ জন অবসর ভোগীর হাতে প্রাপ্য ভাতাদী বাবদ ৪ কোটি ৩ লাখ টাকা তুলে দিলেন মেয়র সাদিক। নগর ভবন সুত্রে জানা গেছে, বিসিসির কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী অবসরে গেলে নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে ১৮ মাসের বেতন এবং গ্রাচুইটি বাবদ ৯০ মাসের এককালীন মূল বেতন পাবার কথা। কিন্তু বাস্তবতা সে নিয়ম মেনে চলেনি।

    এককালনি তো দূরের কথা অনেকটা কিস্তি মাফিক সামান্য অর্থ ধরিয়ে বিদায় করা হত অবসর ভোগীদের। নির্মম বাস্তবতা হচ্ছে বিগত দিনের মেয়রদের দায়িত্বহীনতা ও অবহেলার কারনে অনেক অবসর ভোগীকে সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা ভোগ না করেই যেতে হয়েছে পরপারে। মেয়রের এ উদ্যোগকে এ যাবত কালের গৃহীত পদক্ষেপের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও মানবিক পদক্ষেপ বলে আখ্যায়িত করেছেন বিসিসির সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নগরবাসী।

  • বরিশালে পৌর সভা আমল থেকে সিটি কর্পোরেশন আমলের অবসরপ্রাপ্তদের পেনসন দিচ্ছে মেয়র সাদিক

    বরিশালে পৌর সভা আমল থেকে সিটি কর্পোরেশন আমলের অবসরপ্রাপ্তদের পেনসন দিচ্ছে মেয়র সাদিক

    এম.এস.আই লিমনঃ পৌর সভা থেকে সিটি কর্পোরেশন হওয়া পর্যন্ত অবসরে যাওয়া ৩৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন দেবার সিদ্ধান্তে সিটি মেয়রের নামে জয়ের ধ্বনি।আজ শনিবার বিকাল ৫ টায় পৌরসভা থেকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নতি হওয়ার পরে যে সকল কর্মকর্তা কর্মচারী অবসরে গেছেন তাদের চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে তিন পরিষদের মেয়র ক্ষমতার পালাবদল ঘটলেও অবসরপ্রাপ্তদের প্রাপ্য ভাতা পরিশোধ করেনি তারা।

    জুতার তলানি শেষ করে যুগ পার করে প্রতিদিন বিসিসি’র নগরে ভবনে নির্বাচিত মেয়রদের ধরনা ধরলেও তাদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে দরিমসি করে আসছিল। বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ দায়িত্ব গ্রহন করার পরে পূর্বের ন্যায় নতুন মেয়রের কাছে তাদের নানা মূখী সমেস্যার কথা তুলে ধরে। মেয়র বিষয়টি খোলশা করে দেখার জন্য প্রশাসনিক দপ্তরে তাদের ফাইল তলফ করে। এবং তিনি বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে তাদের প্রাপ্য টাকা দেবার প্রতিশ্রুতি বদ্ধ হন বৃদ্ধ সকল অবসরপ্রাপ্তদের কাছে।

    এর ন্যায় গতকাল তার দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৩৯ জন বিভিন্ন সময়ে বিসিসি থেকে অবসরপ্রাপ্তদের পেনসনের টাকা আজ শনিবার বিকাল ৫ টায় দেবার কথা জানায়।তাদের পেনসন বাবদ প্রায় ৬ কোটি ৪১ লক্ষ টাকা ব্যয় হবে বলেও জানা গেছে।বিসিসি’র চলতিদায়িত্ব রত প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা আহসান উদ্দীন রোমেল এর সত্যতা নিশ্চিত করে দেশজনপদকে।

  • প্রধানমন্ত্রীর দাদার মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অংশ নিলেন সাহান আরা বেগম

    প্রধানমন্ত্রীর দাদার মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অংশ নিলেন সাহান আরা বেগম

    প্রধানমন্ত্রীর দাদা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাবা মরহুম শেখ লুৎফর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবনে আজ বাদ মাগরিব এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। খবর বাসসের।

    তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, শেখ তন্ময় এমপি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম কামাল হোসেন ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাক্সক্ষীগণ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ট্রাস্টের ট্রাস্টিগণ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।

    মাহফিলে মরহুম শেখ লুৎফর রহমান এবং বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্টের শহীদদের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাহান আরা বেগম এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু এবং দেশ ও জাতির অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    এছাড়া বঙ্গবন্ধুর নাতি ও শেখ রেহানার পুত্র রেদোয়ান মুজিব সিদ্দিক ববির ছেলে কায়েস সিদ্দিকের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষেও বিশেষ দোয়া করা হয়।

  • বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে সাংস্কৃতিজন নিখিল সেনের শোকসভা অনুষ্ঠিত

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে সাংস্কৃতিজন নিখিল সেনের শোকসভা অনুষ্ঠিত

    সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নিখিল সেনের প্রয়াণে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে গতকাল শুক্রবার ২২ মার্চ বিকেলে ৫ টায় নগরীর কেন্দ্রিয় শহীদ মিনার চত্ত্বরে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরিশালের বিশিষ্ট গুণীজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় নিখিল সেন এর নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে শোকসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক শিল্পমন্ত্রী আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, আমির হোসেন আমু এমপি।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, সাদিক আবদুল্লাহ।

    শোকসভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি, সংস্কৃতিজন, শাহান আরা বেগম। বিভাগীয় কমিশনার রামচন্দ্র দাস, পুলিশ কমিশনার মোশারফ হোসেন, জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি, তালুকদার মোঃ ইউনুস, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, মোঃ খায়রুল আলম, পুলিশ সুপার, মোঃ সাইফুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি, কাজল ঘোষ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, মানবেন্দ্র বটব্যাল, সৈয়দ দুলাল, বিসিসির সকল কর্মকর্তা কর্মচারীসহ বিভিন্ন অতিথি বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য-গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮৮ বছর বয়সে নিখিল সেন পরলোকগমন করেন।

  • প্রশংসায় ভাসছেন বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    প্রশংসায় ভাসছেন বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    দায়িত্বভার গ্রহনের মাত্র কয়েক মাসেই নাগরিক ভোগান্তি লাঘবে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করায় নগরবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। উদ্যোগ নেওয়া এসব জনকল্যাণমূখী কাজ গুলো সফলভাবে সম্পন্ন হলে নাগরিক সুযোগ সুবিধা কয়েকগুন বাড়বে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাছাড়া ইতিমধ্যেই বাস্তবায়ন হওয়া কয়েকটি পদক্ষেপ ফলপ্রসূ হওয়ায় সেগুলি অব্যাহত রাখার দাবী জানান তারা।

    নগর পরিচ্ছন্নতায় বিসিসি কর্মীদের রাতে কাজ করা, কাজ না করে বেতনভোগী কর্মচারীদের চিহ্নিত করে ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ, সিটি করপোরেশন এলাকায় গভীর নলকুপ স্থাপনের ফি কমিয়ে অর্ধেকে নামিয়ে আনা সহ দুর্নীতি রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গুলো যেন এখন টক অব দ্যা টাউন। বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সিটি মেয়রের তদারকি ও ভুমিকা যেন নগরবাসীর মনে আরো স্বস্তি এনে দিয়েছে।

    সম্প্রতি বরিশাল নগরের ঝাউতলা দ্বিতীয় গলির নামকরণ  একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রয়াত নিখিল সেন এর নামে করা সিদ্ধান্ত হয়। পরিচ্ছন্নতার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের বেতন ৭৫০০ টাকা থেকে ৯০০০টাকায় উন্নিত করা, নগরবাসীর হোল্ডিং ট্যাক্স (কর) না বাড়ানোর পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এভাবে অনেক পদক্ষেপই ইতিমধ্যে নগরবাসীর নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। তবে আগামী দিনে সকল প্রতিকুলতা কাটিয়ে তার এ ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা সকলের।

  • উপজেলা নির্বাচনে গন সংযোগ করেলেন বিসিসি মেয়রের সহধর্মিণী লিপি আবদুল্লাহ

    উপজেলা নির্বাচনে গন সংযোগ করেলেন বিসিসি মেয়রের সহধর্মিণী লিপি আবদুল্লাহ

    বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূল আওয়ামী লীগ অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান মধুর পক্ষে চেয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহপত্নী লিপি আব্দুল্লাহ। বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে ভোটারদের কাছে তিনি তালা প্রতীকের স্বপক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।

    এছাড়া তিনি চরবাড়িয়া ইউনিয়নের একটি উঠান বৈঠকেও অংশ নিয়ে তালা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান মধু এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান রেহেনা বেগমের হাঁস প্রতীকে ভোট চেয়েছেন।

    ভোটাররা সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহপত্নী লিপি আব্দুল্লাহকে কাছে পেয়ে অনেক খুশি হয়েছেন। এমনকি অনেকে তাঁর সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মধু ও রেহেনা বেগমকে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।’

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রেহানা বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহবুবুর রহমান মধু সহ সদর উপজেলা ও ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ সাথে ছিলেন।

  • মেয়রের নয়া উদ্যোগ : ৫০ শতাংশ কমলো নলকূপ ফি, বাড়লো পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন

    মেয়রের নয়া উদ্যোগ : ৫০ শতাংশ কমলো নলকূপ ফি, বাড়লো পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন

    প্রাক্তণ সিটি মেয়র আহসান হাবিব কামাল কর্তৃক নগরীতে নলকূপ স্থাপনের চার্জ ৫০শতাংশ কমিয়ে দিয়েছেন বর্তমান সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। একই সময় পরিচ্ছন্নতা কর্মী যারা ৩০ দিন কাজ করে তাদের বেতন সাড়ে সাত হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯ হাজার টাকা করা হয়েছে। ১৯ মার্চ বিসিসি পরিষদ, সাংবাদিক ও সুধীজনের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

    প্রাক্তণ মেয়র কামাল তিন ইঞ্চি ডায়ার গভীর নলকূপ ফি আবাসিক খাতে ৩০ হাজার টাকা, বাণিজ্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতে ৫০ হাজার টাকা ধার্য করে গেছেন। সেটিকে অর্ধেক কমিয়ে এখন থেকে ১৫ ও ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। প্রাক্তণ মেয়র কামাল চার ইঞ্চি ডায়ার গভীর নলকূপ ফি আবাসিক খাতে ৫০ হাজার টাকা, বাণিজ্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতে ৮০ হাজার টাকা ধার্য করে গেছেন। সেটিকে অর্ধেক কমিয়ে এখন থেকে ২৫ ও ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে। প্রাক্তণ মেয়র কামাল ছয় ইঞ্চি ডায়ার গভীর নলকূপ ফি আবাসিক খাতে দেড় লাখ টাকা, বাণিজ্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতে আড়াই লাখ টাকা ধার্য করে গেছেন। সেটিকে অর্ধেক কমিয়ে এখন থেকে ৭৫ হাজার টাকা ও সোয়া লক্ষ টাকা করা হয়েছে।

    এতে জানানো হয় ২০১৭ সালের ৩১ মে তৎকালীন পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাক্তণ মেয়র আহসান হাবিব কামাল নগরীতে দেড় ইঞ্চি গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য ফি নির্ধারণ করেছিলেন আবাসিক খাতে ২৫ হাজার টাকা, বাণিজ্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতে ৩০ হাজার টাকা। এটি নগরীর সাধারণ নাগরিকদের জন্য অনেকটা দূসাধ্য হয়ে যায়। মেয়র সাদিক এই ফি আবাসিক, বাণিজ্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতে শতকরা ৫০ ভাগ কমিয়ে ১৫ হাজার টাকা করেছেন। একই ভাবে প্রাক্তণ মেয়র কামাল দুই ইঞ্চি ডায়ার গভীর নলকূপ ফি আবাসিক খাতে ৩০ হাজার টাকা, বাণিজ্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতে ৪০ হাজার টাকা ধার্য করে গেছেন। সেটিকে অর্ধেক কমিয়ে এখন থেকে ১৫ ও ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

    সভায় জানানো হয় এখন থেকে নগরীতে নলকূপ স্থাপন করতে হলে অবশ্যই বিসিসির অনুমতি নিতে হবে। সভায় জানানো হয় যে ২০১৬ সালের ২৪ জানুয়ারি তৎকালীন মেয়রের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নগরীকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করে হোল্ডিং ট্যাক্স ধার্য করা হয়। এই তিন অঞ্চল হলো মূল শহর, মধ্যম শহর এবং বর্ধিত শহর। এ ক্ষেত্রে দোকান, ব্যবস প্রতিষ্ঠান ও অফিসের ভাড়া মূল শহরে প্রতি বর্গফুট দালান ৫ টাকা এবং আধা পাকা ও অন্যান্য সাড়ে তিন টাকা, মধ্যম শহরের ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুট দালান ৪ টাকা এবং আধা পাকা ও অন্যান্য তিন টাকা, বর্ধিত শহরের ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুট দালান সাড়ে তিন টাকা এবং আধা পাকা ও অন্যান্য আড়াই টাকা ধার্য করা হয়।

    বর্ধিত এলাকার জন্য এই সুবিধা আরো সম্প্রসারিত থাকবে। সভায় জানানো হয় নগরীতে নলকূপ স্থাপনে বর্ধিত টাকা সবগুলোই ধার্য করেছিল আহসান হাবিব কামালের নেতৃত্বাধীন প্রাক্তন পরিষদ। তাদের ধার্যকরা আইন বাস্তবায়ন করতে গিয়ে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নেতৃত্বাধীন বর্তমান পরিষদ অনুধাবন করে যে, এতে করে নগরবাসীর দুর্ভোগ হচ্ছে। আর তাই নগরবাসীকে দুশ্চিন্তা ও দুর্ভোগের হাত থেকে রক্ষা করতে গতকালের সভায় নলকূপ স্থাপন বাবদ সব চার্জ অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়।

    আরো সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ঝাউতলা দ্বিতীয় গলির নামকরণ হবে একুশে পদক প্রাপ্ত গুনিজন নিখিল সেনের নামে। আগামী ২২ মার্চ এর নামফলক উদ্বোধন করা হবে। এছাড়া এখন থেকে প্রতি বছর অন্তত একজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে নিখিল সেনের নামকরণে বৃত্তি দেয়া হবে। যদিও বিসিসির উর্ধ্বতন ৩৫টি পদ শূন্য রয়েছে, যেখানে চলতি দায়িত্ব দিয়ে কাজ করানো হতো। এক্ষেত্রেও অস্বচ্ছতা অনেক উদাহরণ রয়েছে। সভায় জানানো হয় এতসব সীমাবদ্ধতা সত্বেও জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে বিসিসি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা প্রদর্শন করে চলেছে। বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খায়েরুল হাসান, সচিব মোঃ ইসরাফিল, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এবং কাউন্সিলরবৃন্দ বক্তৃতা করেন।

    এ ক্ষেত্রে আবাসিকের জন্য (রাস্তা ৮ ফুটের উপরে হলে) মূল শহরে দালান সাড়ে তিন টাকা এবং মধ্যম শহরে (রাস্তা সরু গলি বা ৮ ফুটের কম হলে) দালান আড়াই টাকা এবং আধা পাকা ও অন্যান্য দুই টাকা ধার্য করা হয়। সেমি পাকা ঘরের জন্য (প্রশস্থ রাস্তা) হলে মূল শহরে প্রতি বর্গফুট ২ টাকা এবং মধ্যম শহরে প্রতি বর্গফুট দেড় টাকা ধার্য করা হয়। সরু গলির ক্ষেত্রে সেমি পাকা মূল শহর ও মধ্যম শহর উভয় ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুট দেড় টাকা ধার্য করা হয়। টিনের ঘরের ক্ষেত্রেও প্রতি বর্গফুট হোল্ডিং ট্যাক্স হবে দেড় টাকা। বিগত পরিষদ এটিকে আইন রূপান্তরিত করে গেছে। সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে যে সকল পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিরলসভাবে ৩০ দিন কাজ করে যায় তাদের বেতন এখন থেকে হবে ৯ হাজার টাকা। এছাড়া আগে এটা ছিল সাড়ে ৭ হাজার টাকা।

  • প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে সালাম করলেন ডাকসু ভিপি নুর

    প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে সালাম করলেন ডাকসু ভিপি নুর

    গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পা ছুঁয়ে সালাম করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর। শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে যান ডাকসু ও হল সংসদের নির্বাচিত নেতারা।

    নবনির্বাচিত ভিপি নুর তার বক্তব্যে প্রদানকালে বলেন, ছোটবেলায় আমি মাকে হারিয়েছি। আপনার মাঝে আমি আমার মায়ের ছবি খুঁজে পাই। তখন প্রধানমন্ত্রী তাকে পাশে বসান। এ সময় নুর প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে সালাম করেন।

    নূর তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা সমাধানের দাবি জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে সালাম করলেন ডাকসু ভিপি নুর

    নুরুল হক নুর বক্তব্য দেওয়ার পর আমন্ত্রিত নেতাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

  • বার্গার দিয়ে নাশতা, মোরগ পোলাও দিয়ে নৈশভোজ

    বার্গার দিয়ে নাশতা, মোরগ পোলাও দিয়ে নৈশভোজ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নেতাদের বার্গার দিয়ে নাশতা করিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর নৈশভোজে ছিল মোরগ পোলাও।

    শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে নবনির্বাচিত ডাকসু ও হল সংসদ নেতাদের আপ্যায়নে এসব খাবার ছিল বলে একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন।

    তারা জানান, বিকেলে আলোচনা পর্বের আগে বার্গার, কেক আর পানীয় দেয়া হয় নাশতা হিসেবে। তারপর ২৮টি হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) এক মিনিট করে বক্তব্য দেন। এরপর ডাকসু ভিপি বক্তব্য দেন। ডাকসু নেতাদের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখেন।

    পরে নৈশভোজে অংশ নেন আমন্ত্রিত নবনির্বাচিত ডাকসু ও হল সংসদ নেতারা। এ সময় প্রথমে মোরগ পোলাও পরিবেশন করা হয়। খাবারের তালিকায় আরও ছিল খাসির রেজালা, কাবাব ও মিষ্টি। খাওয়া শেষে কোমল পানীয়র ব্যবস্থা ছিল।

    এর আগে শনিবার বেলা ২টা থেকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আসতে শুরু করেন ডাকসু ও হল সংসদের নির্বাচিতরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি বাসে তারা গণভবনে পৌঁছান।

    সবার শেষে বেলা ৩টার দিকে একটি প্রাইভেটকারে গণভবনে পৌঁছান ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর। ওই গাড়িতে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেনও ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে জয়লাভ করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। এছাড়া সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) নির্বাচিত হন ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন।

  • আপনার মাঝে মায়ের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাই

    আপনার মাঝে মায়ের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাই

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘ছোটবেলায় আমি মাকে হারিয়েছি। আপনার মাঝে আমি আমার মায়ের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাই।’ তখন প্রধানমন্ত্রী তাকে পাশে বসান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে সালাম করেন নুর।

    শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে এসব কথা বলেন নুর।

    ডাকসু ভিপির বক্তব্য দেয়ার পর আমন্ত্রিত নেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। গণভবনে উপস্থিত একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    ডাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ডাকসু নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ হয়, এটা সবসময় বলেছি। ছাত্রছাত্রীরা যা চাইবে, তাই হবে। ভোট কে কত পেল, সেটা বড় নয়। যারা জয়লাভ করেছে সবার কিন্তু এই বিবেচনা রাখতে হবে কে ভোট দিল কে দিল না সেটা বিষয় নয়।

    নির্বাচনে ভিপি পদে হেরে যাওয়া শোভনের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোটে হারার পর শোভন আমার কাছে এসেছে। আমি শোভনকে বলেছি, ভোটে হেরেছ, এবার যাও তাকে (নুর) অভিনন্দন জানাও। সে তাই করেছে। আমি এজন্য শোভনকে ধন্যবাদ জানাই। সে রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তার দাদা এমপি ছিলেন, বাবা উপজেলা চেয়ারম্যান। সে তার রাজনৈতিক উদারতা দেখিয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব খুঁজছি। সেটা ছাত্রজীবন থেকেই শুরু হলে ভালো। আমরা স্কুলজীবন থেকেই শুরু করেছি ছোটবেলা থেকেই গণতন্ত্রের চর্চা থাকুক।

    এর আগে বক্তব্য রাখেন ডাকসু সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হল ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরাও বক্তব্য রাখেন।

    শনিবার বেলা ২টা থেকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আসতে শুরু করেন ডাকসু ও হল সংসদের নির্বাচিতরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি বাসে তারা গণভবনে পৌঁছান।

    সবার শেষে বেলা ৩টার দিকে একটি প্রাইভেটকারে গণভবনে পৌঁছান ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর। ওই গাড়িতে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেনও ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে জয়লাভ করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। এছাড়া সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) নির্বাচিত হন ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন।