Author: Banglarmukh24

  • রোজার শুরুতেই বরিশালে নিত্যপণ্যের লাগামহীন দামে অসহায় ক্রেতারা

    রোজার শুরুতেই বরিশালে নিত্যপণ্যের লাগামহীন দামে অসহায় ক্রেতারা

    রমজান মাসের শুরুতেই বরিশালে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিশেষ করে সপ্তাহের ব্যবধানে বরিশাল শহরের বাজারগুলোতে গরুর মাংস কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ৫০-৬০ টাকা। সেই সঙ্গে দেশি মুরগির দামও বেড়েছে কেজিপ্রতি প্রায় ৪০ টাকা। আর সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৩০-৫০ টাকা। এমনকি গত এক পক্ষকালের ব্যবধানে কয়েক দফা বেড়েছে নিত্যপণ্যের মূল্য। পেঁয়াজ, রসুন, আদা, আলু , মুগ, খেসারি, ছোলা, মসুর ডাল চিড়া, শুকনা মরিচসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম কেজিপ্রতি ১৫-২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আর চিনির মূল্য বেড়েছে কেজিপ্রতি তিন টাকা। এতে ক্রেতা সাধারণ বাজারে এসে হিমশিম খাচ্ছে।

    পবিত্র রমজান উপলক্ষে সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ২৩ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী ভোক্তা পর্যায়ে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির কার্যক্রম শুরু করেছে। কিন্তু বরিশালের বাজারে তার তেমন কোনো প্রভাব নেই। বরং নিত্যপণ্যের বাজারে প্রতিটি জিনিসের মূল্য যেন সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।
    বরিশাল শহরের একাধিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলাপচারিতায় জানা গেছে, ১৫ দিন আগে বাজারে চিনি, আলু, দেশি-বিদেশি রসুন, চাল, মুগডাল, সয়াবিন তেলের দাম এক দফা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু মে মাসের প্রথম সপ্তাহের ৫২ টাকার চিনি এখন ৫৬ টাকা, ১৪ টাকার আলু এখন ২০ টাকা, দেশি রসুন ৭৫ টাকার স্থলে ৮৫ টাকা, বিদেশি রসুন ১১০ টাকার স্থলে ১২০ টাকা। ছোলা ৬০ টাকার স্থলে এখন মানভেদে ৭০-৮০ টাকা, মুগডাল ৯৫ টাকা থেকে বেড়ে ১১০, ৫৪ টাকার খেসারি এখন ৫৮-৬০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ২৪ টাকা থেকে বেড়ে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে সয়াবিন তেলের দামও বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা।
    মুরগির বাজারও চড়া। দেশি মুরগি ৩৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৩০-৫৪০ টাকা, সোনালি মুরগি ২০০ টাকা থেকে বেড়ে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর গরুর মাংসের মূল্য ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকার স্থলে এখন ৫৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজান মাসের শুরুতেই নিত্যপণ্যের বাজারে দাম ঊর্ধ্বগতির কারণে নাভিশ্বাস উঠছে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের।
    বরিশাল শহরের নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা আকবর হোসেনের ভাষ্য হচ্ছে- বাজারে নিত্যপণ্যের যে মূল্য যেভাবে বাড়ছে তাতে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বিশেষ করে গরু, মুরগির মাংসের মূল্য সম্পূর্ণ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। তবে এই বাজারের ব্যবসায়ী হারুন হাওলাদার সময়ের আলোকে বলেন, এবারের রমজান উপলক্ষে বাজার দর কিছুটা বাড়তির দিকে। পাইকারি বাজারে মূল্যবৃদ্ধি হওয়ায় এমন পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
    মূলত বাজারে দ্রব্যমূল্যের এমন ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ২৩ এপ্রিল থেকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বরিশালে পণ্য বিক্রি শুরু করে। কিন্তু বরিশাল নগরীতে পাঁচটি ও ঝালকাঠি জেলায় দুটি ট্রাকে পণ্য বিক্রি হলেও বাকি কোনো জেলা-উপজেলার ডিলার পণ্য উত্তোলন করেননি।
    বরিশাল জেলা প্রশাসক অজিয়র রহমান বলছেন, বরিশাল শহরের বাজার মনিটরিংয়ে তাদের অন্তত ৩-৪ টিম কাজ করে। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলাতেও নির্বাহী অফিসার দিয়ে অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। যদি কোনো ব্যবসায়ী বিনা কারণে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়িয়ে থাকেন তার বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • নুসরাত হত্যা: ফেনীর এসপি প্রত্যাহার

    নুসরাত হত্যা: ফেনীর এসপি প্রত্যাহার

    অনলাইন ডেস্ক :: মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ফেনী জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    রোববার (১২ মে) পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহা-পরিদর্শক (এআইজি) সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে শনিবার (১১ মে) অভিযুক্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউসুফকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় এবং এসআই মো. ইকবাল আহাম্মদকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ মে) সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    পুলিশ সদর দফতর জানায়, নুসরাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে পুলিশ সদর দফতরের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী অভিযুক্ত সবার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এসপিসহ অভিযুক্ত চার পুলিশ সদস্যকেই অন্যত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।

    এআইজি সোহেল রানা বলেন, সাময়িক বরখাস্ত করে তাদের দূরবর্তী বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত করা হয়েছে। সংযুক্তি কোনো বদলি নয়। এটি শাস্তি প্রক্রিয়ার একটি অংশ। সংযুক্তিকালে তাদের কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয় না।

    গত ২৭ মার্চ ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাতকে যৌন নিপীড়নের দায়ে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নুসরাত মারা যান।

    ওই ঘটনায় পুলিশের গাফিলতি খতিয়ে দেখতে ১৩ এপ্রিল পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি এসএম রুহুল আমিনের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সোনাগাজী ঘুরে এসে ৩০ এপ্রিল রাতে পুলিশ সদর দফতরে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কমিটি।

    প্রতিবেদনে ফেনীর এসপি জাহাঙ্গীর আলম সরকার, সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন, এসআই ইকবাল ও এসআই ইউসুফের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে।

    এছাড়া, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এনামুল কবিরের বিরুদ্ধেও দায়িত্বে অবহেলা ও গাফিলতির সুস্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • বরিশালে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র হাত ধরে টেকসই উন্নয়নের পথে বিসিসি

    বরিশালে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র হাত ধরে টেকসই উন্নয়নের পথে বিসিসি

    বরিশাল নগরীর ২ নং ওয়ার্ডের কাউনিয়ার তারিনী কুমার সড়কটি (জেলে বাড়ি পুল) প্রায় ৭ মাস আগে জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার করা হয়। প্রতিদিন সড়কটি দিয়ে কয়েক হাজার যানবাহনসহ ট্রাক, লড়ি চলাচল করলেও বর্তমানে সড়কটির সংস্কার করা অংশ অক্ষত আছে। স্থানীয় দোকানদার ও বাসিন্দাদের মতে, আগামী কয়েক বছরে সংস্কার করা অংশে হয়তো আর হাত দিতে হবে না। অথচ বিগত মেয়রদের সময় সংস্কার কাজে নিন্মমানের ইটসহ নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় এলাকাবাসী এই সড়কের কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কটি কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে লঞ্চঘাট যাতায়াতে বাইপাস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। তাই স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন এই সড়কে যানবাহনের চাপ বেশি থাকে। বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ জরুরী ভিত্তিতে সড়কটি সংস্কার করেছিলেন। সংস্কার কাজে ইট নয় পাথরসহ মান সম্পন্ন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছিল। আর কাজের ধরন দেখে তখনই এখনকার বাসিন্দারা মেয়রের প্রশংসা করেছিলেন। বর্তমানে সড়কটি পূর্বে সংস্কার করা অংশে কিছু খানাখন্দ সৃষ্টি হলেও অক্ষত আছে পাথরসহ মানসম্পন্ন নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে সংস্কার করা অংশ। আশা করা যাচ্ছে ওই অংশে আগামী কয়েক বছরে হয়তো আর হাত দিতে হবে না।

    খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর শুধু এই সড়কটিই নয় বরিশাল নগরীর বেশকিছু সড়ক এরকম জরুরী ভিত্তিতে টেকসই সংস্কার করা হয়। আর সংস্কার কাজেও আনা হয়েছে আমূল পরিবর্তান।

    বিসিসি সূত্রে জানাগেছে, সংস্কার কাজের প্রায় সব করা হয় অত্যাধুনিক মেশিনের সাহায্যে। এছাড়া পাথরসহ মানসম্পন্ন সামগ্রী ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়। সংস্কার কাজের পদ্ধতি কেমন জানতে চাইলে বিসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, মেয়র মহাদয়ের করা নিয়ম অনুযায়ী টেন্ডারে যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ পায় তাকে ৫ বছরের শর্ত দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে সড়কে কোন ক্ষয়ক্ষতি হলে তার দায়-দায়িত্ব ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের। এরপর সংস্কার কাজে ব্যবহার করা সামগ্রী হতে হবে উচ্চ মানের। যেমন সংস্কার কাজে ইট নয় পাথর ব্যবহার করতে হবে। মানসম্পন্ন বিটুমিনসহ অন্যান্য সামগ্রী ব্যবহার করা হয়। কাজের সময় সড়কের তাপমাত্রাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া সংস্কার কাজে বেভার মেশিন, এসপল্ট মিক্সি প¬াট, তিন ধরনের রোলারসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। সংস্কার কাজে ব্যবহৃত সামগ্রীর মান যাচাইয়ের কাজ করেন বিসিসির প্রকৌশলীরা। আর গুণগত মানসম্পন্ন কাজ নিশ্চিত করার জন্য সম্পূর্ণ কাজটি সরাসরি তদারকি করেন মেয়র মহদয় নিজেই। ফলে দুর্নীতি করার কোন সুযোগ নেই। আর এর সুফলও ইতিমধ্যে নগরবাসী পেতে শুরু করেছে।

    বিসিসি সূত্রে জানাগেছে, বর্তমান মেয়র দায়িত্ব গ্রহণের পর নগরীর আমতলার বিজয় বিহঙ্গ থেকে শুরু হয়ে জিলা স্কুলের মোড় হয়ে সদর রোড, স্ব রোড, পশালপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজ সদ্য শেষ হয়েছে। আর গত শুক্রবার রাতে নগরীর জেল খানার মোড় থেকে হাসপাাতাল রোড হয়ে বিএম কলেজ রোড থেকে নথল্লাবাদ বাস টামিনাল পর্যন্ত সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। আড়াই কিলোমিটারের এই সড়ক আগামী ৭ দিনের মধ্যে কাজ শেষ হবে। সংস্কার কাজের মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এসব এলাকার বাসিন্দারা।

    জিলা স্কুলের কয়েক জন শিক্ষক জানান, বর্তমানে যে ভাবে সড়কে সংস্কার করা হচ্ছে অতিতে এভাবে আর হয়নি। সংস্কার কাজে যেসব উকরন ব্যবহার করা হয় তা দেখে যে কেউ সন্তোষ প্রকাশ করবে। কারণ কাজ চলার সময়ই ব্যবহৃত উপকরণ সমূহ দেখে অনুমান করা যায় কতটা সুপরিকল্পিত ভাবে টেকসই করা হচ্ছে। আর মেয়র মহাদয় নিজেই সরোজমিনে পরিদর্শণ করে কাজের তদারকি করনে। নিসন্দেহে এসব সড়ক টেকসই হবে। বরিশাল নগরীর আমতলা মোড়ের কয়েকজন দোকানদার বলেন, মেয়রের কাজের গতি ও ধরন সর্ম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ও প্রশংসনীয়। তাদের সড়কে যে ভাবে কাজ হয়েছে এভাবে বরিশাল নগরীর সব সড়কে কাজ হলে বরিশাল নগরীর সড়ক উন্নয়নে দীর্ঘস্থায়িত্ব পাবে।

    বরিশাল নগরীর সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কয়েকজন নেতা জানান, শুধু উন্নয়ন নয়, নগরবাসী চায় টেকসই উন্নয়ন। কারণ টেকসই উন্নয়ন না হলে শুধু অর্থের অপচয়ই হয়না এতে ভোগান্তিও ডেকে আনতে পারে। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর কাজ দেখে মনে হচ্ছে বরিশাল নগরীকে টেকসই উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। তার কাজ ইতিমধ্যে নগরবাসীর মধ্যে প্রশংসার সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের পাশাপাশি নগরীর থেকে জলাবদ্ধতা দুরকরণেও তিনি উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে নগরীর জলাবদ্ধাতার কারণ হিসেবে ড্রেনে পলি জমে ভড়াট হয়ে যাওয়ার বিষয়টি তিনি খুজে বের করে তা অপসারনে ব্যবস্থা নেওয়ায় জলাবদ্ধতা কমে এসেছে। এছাড়া নগরীর নানা উন্নয়নে ইতিমধ্যে সুনিয়ন্ত্রীত পরিকল্পনা গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নে কাজ করছেন।

    সাংস্কৃতিক নেতারা আরো জানান, টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি সেসব নিয়মিত তদারকি করতে হবে। যেমন সড়কের রক্ষনাবেক্ষনের জন্য ওভার লোড নিয়ে কোন গাড়ি যাতে নগরীতে প্রবশ করতে না পারে। এতে সড়কের স্থায়ীত্ব কমে যায়।

    এ বিষয়ে বিসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির জানান, নগরীর সড়কগুলো সাধারণত ১০ থেকে ১৫ টন ভার বহনে সক্ষম। কিন্তু ২০ থেকে ২৫ টন নিয়ে ট্রাক বা লড়ি নগরীতে প্রবেশ করে। এসব ওভার লোডের গাড়ি নগরীতে প্রবেশে মেয়র মহাদয় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। ইতিমধ্যে মেয়র মহাদয় নিজে এরকম বেশ কিছু গাড়ি আটকে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে উন্নয়ন কাজ শেষ হবার পর তার রক্ষনাবেক্ষনের জন্য মেয়র মহোদয় নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। তবে এজন্য নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে।

  • সুষ্ঠভাবে এগিয়ে চলছে দক্ষিন চরআইচার ব্রীজের নির্মান কাজ

    সুষ্ঠভাবে এগিয়ে চলছে দক্ষিন চরআইচার ব্রীজের নির্মান কাজ

    সদর উপজেলার সায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের চরআইচা লোহারপোল এলাকায় আজাহার কাজী বাড়ীর সামনে খালের উপর ২০১৮ ও ২০১৯ অর্থবছরের দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ব্রিজ নির্মাণ কাজটি অতান্ত্য সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।ইতিমধ্যেই এ ব্রীজটির ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ঠিকাদার ব্রিজ নির্মান কাজ অব্যাহত রেখেছে।

    ব্রিজ নির্মান কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মের্সাস রাতুল এন্টারপ্রাইজের প্রোপাইটর মোঃ রুবেলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, লটারীর মাধ্যমে এ কাজটি আমি পাওয়ার পর অতিরিক্ত লাভের আশা না করে জনগনের ভোগান্তির বিষয়টি মাথায় রেখে বিএসআরএম রড,ভাল মানের সিমেন্ট,১নম্বর পাথর ও ইট দিয়ে কাজটি করেছি। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কামরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন-কাজে কোন অনিয়মের অভিযোগ নেই।ঐ এলাকায় আরও অনেকগুলো ব্রীজ ও কালভার্টের কাজ চলছে।তার মধ্যে এ কাজটি ভালোই হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপণা অধিদপ্তরের অর্থায়নে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় গ্রামীণ রাস্তায় সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পে গত এপ্রিল মাসে ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই ব্রিজ নির্মান কাজের টেন্ডার আহবান করা হয়। লটারির মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মের্সাস রাতুল এন্টারপ্রাইজ ব্রিজ নির্মানের কার্যাদেশ পায়।

    স্থানীয় বাসিন্দা শংকর হাল জানান, ঠিকাদারের লোকজন ভালভাবেই জনগুরুত্বপূর্ণ এ ব্রিজের নির্মান কাজ করেছেন।অপর এক বাসিন্দা কাজী নজরুল বলেন এ ব্রীজটি আমার ভাইয়ের নামে হবে।সেহেতু আমরা নিজেরা দাড়িয়ে থেকেই কাজটি করেছি।এখানে ঠিকাদারের কোন অনিয়মের অভিযোগ পাইনি।

    এ বিষয়ে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন,কাজ অনেকদুর সম্পন্ন হয়েছে।এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি ।ওখানে আমাদের লোকজন রয়েছে তারা বিষয়টি দেখছে।

  • বরিশালে রাতভর মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র অভিযান ॥ ১৪ জন আটক করে পুলিশে সোপর্দ

    বরিশালে রাতভর মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র অভিযান ॥ ১৪ জন আটক করে পুলিশে সোপর্দ

    গভীর রাতে অবৈধ বালুর ড্রেজার মেশিন, ট্রাক ও এই ব্যবসার সাথে জড়িতদের আটক করে করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। গতকাল রাস্তা নির্মান কাজ পরিদর্শন শেষে গোপন সংবাদ পেয়ে রাত ১টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত নগরীর ৫নং ওয়ার্ড পলাশপুর ও বেলতলা ফেরী ঘাটে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করার সময় নিজে উপস্থিত হয়ে মেয়র ।

    এরপর চাদঁমারি খেয়াঘাট, ত্রিশ গোডাউন এলাকায় কীর্তনখোলা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে ট্রাক ভর্তি করার সময় আরও ৫ টি ট্রাক আটক করে সংশ্লিষ্ট থানায় খবর দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন মেয়র।

    এসময় মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, সরকারের নিষেধ থাকার পরেও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় নগরী ও এর আশে পাশের শহর রক্ষাকারী বাধ ভেঙে মারাত্বক হুমকীর মুখে পড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে নগরীর নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়ে শহর পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ঝুকি রয়েছে। তাই এর সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরো কঠোর হওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মেয়রের নাম ভাঙ্গিয়ে ৩শ টাকার বালু ৭শ টাকা দরে বিক্রি করেন। এ ব্যাপারে সঠিক কোন তথ্য পেলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে তাদের আটক করে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনার নির্দেশ প্রদান করেন।

    এরই ধারাবাহিকতায় মেয়রের নির্দেশে আজ দুপুর ২ টায় চরআবদানি বেলতলার এস কে এন্টারপ্রাইজ এর আবুল কালাম আজাদ নামের এক অবৈধ বালু ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জয়দেব চক্রবর্তী কর্তৃক এক লক্ষ টাকা জরিমানা ও ১ মাসের জেল এবং অনাদায়ে আরো ২ মাসের জেল প্রদান করা হয়। এছাড়া নগরীর ত্রিশ গোডাউন বদ্ধভূমি এলাকা ও চাঁদমারী এলাকা থেকে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ নিজ হাতে আটক হওয়া ১৩ জন অবৈধ বালু ব্যবসায়ী ও তাদের ব্যবহৃত বালু ভর্তি ট্রাক জব্দ করে কোর্টে চালান করেন কোতয়ালী পুলিশ।

  • চলে গেলেন সুরের জাদুকর সুবীর নন্দী

    চলে গেলেন সুরের জাদুকর সুবীর নন্দী

    সিঙ্গাপুরে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বরেণ্য সংগীত শিল্পী সুবীর নন্দী মারা গেছেন। বাংলাদেশ সময় আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে চারটায় তিনি মারা যান। সিঙ্গাপুর থেকে তার মেয়ে ফাল্গুনী নন্দী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে ঢাকা ও সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় টানা ১৮ দিন চোখ মেলেননি সুবীর নন্দী। পরে গত ৩ মে চোখ মেলেন তিনি। তবে এর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শনি ও রবিবার দুই দফায় হার্ট অ্যাটাক হয় সুবীর নন্দীর। এরপরই তার অবস্থা ‘সঙ্কটাপন্ন’ বলে জানান তার চিকিৎসকরা। বাংলাদেশে সুবীর নন্দীর চিকিৎসার বিষয়টি সমন্বয় করছিলেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জাতীয় সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন।

     

    ১৪ এপ্রিল রাতে স্বপরিবারে সিলেট থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন সুবীর নন্দী। উত্তরার কাছাকাছি আসতেই হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থা খুব খারাপ হয়ে পড়ে। এ সময় তাকে ট্রেন থেকে নামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে সিএমএইচে নেওয়া হয়েছে। সিএমএইচে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে গত ৩০ এপ্রিল (মঙ্গলবার) তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

  • এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হলেন সেরনিয়াবাত মঈন আবদুল্লাহ

    এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হলেন সেরনিয়াবাত মঈন আবদুল্লাহ

    বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি’র (এফবিসিসিআই) পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত মঈন আব্দুল্লাহ।

    শনিবার (২৭ এপ্রিল) এফবিসিসিআইয়ের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নবনির্বাচিত পরিচালকদের নাম ঘোষণা করে।

    ২০১৯-২১ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় শেখ ফজলে ফাহিমের নেতৃত্বাধীন ‘সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ’র প্যানেলের সকল প্রার্থীকে গত ২৭ এপ্রিল বিজয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন বোর্ড। গত ৫ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২৭ এপ্রিল এফবিসিসিআই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপের ২১টি করে মোট ৪২টি পদের জন্য ৪২ টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ায় কোনো নির্বাচন করতে হয়নি।

    সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিজয়ী ৭১ পরিচালকের ভোটে সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সহ-সভাপতি নির্বাচন করা হয়। মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে সংগঠনটির নেতৃত্ব পাওয়া নতুনদের ফল ঘোষণা করেন এফবিসিসিআই-এর নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলী আশরাফ।

    মঈন আব্দুল্লাহ চেম্বার গ্রুপ থেকে পরিচালক মনোনীত হয়েছেন।

    উল্লেখ্য, সেরনিয়াবাত মঈন আব্দুল্লাহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সিনিয়র সদস্য, বরিশাল জেলা সভাপতি ও পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র সুযোগ্য মেঝ পূত্র পুত্র ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এর ছোট ভাই।

    এদিকে মঈন আব্দুল্লাহ এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন সংসগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    সেরনিয়াবাত মঈন আবদুল্লাহ ব্যবসায়ী জগতে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও এক পরিচিত নাম। তারই  পরিচালনায় বিদেশের মাটিতেও ব্যবসার বিস্তার লাভ করছে। তিনি বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বরিশাল মহানগরের একজন অন্যতম উপদেষ্টা।

    এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হওয়ায় সেরনিয়াবাত মঈন আবদুল্লাহকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন  এবং বরিশাল মহানগরের সকল নেতৃবৃন্দ, বরিশাল অনলাইন এডিটর কাউন্সিল , বরিশাল ডিপো মালিক এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা, বিভিন্ন সংগঠন, সুধী সমাজ এবং প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তারা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

  • মাদক মামলায় মহানগর আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির মোল্লা জেলে

    মাদক মামলায় মহানগর আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির মোল্লা জেলে

    মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে দায়েরকৃত পৃথক দুটি মামলায় চার্জশিট ভুক্ত আসামী বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জহিদুর রহমান মনির মোল্লাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। রোববার (২৮ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে তিনি বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক শামীম আহমেদ তা না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন।

    জাহিদুর রহমান মনির মোল্লা নগরীর রূপাতলী ২৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত ইছাহাক মোল্লার ছেলে। তার ভাই জাকির মোল্লা একই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।

    এদিকে মনির মোল্লাকে পুলিশ গ্রেফতার করে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাবার ছবি তুলতে গেলে গেছে তার সহযোগিদের বাধার মুখে পড়তে হয় সাংবাদিকদের। এমনকি আদালত চত্ত্বরে উচ্চ শ্বরে সাংবাদিকদের দেখে নেয়ার হুমকি ও ক্যামেরা নিয়ে টানা হেচড়া করে মনির মোল্লার মাদক ব্যবসার সহযোগিরা।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সূত্রে জানাগেছে, ‘২০১৭ সালের ২২ সেপ্টেম্বর নগরীর রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ওজোপাডিকো গেটের সামনে থেকে জাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে ৫২ পিচ ইয়াবাসহ আটক করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ওজোপাডিকোর রেষ্ট হাউসে তারই কক্ষ থেকে ২’শত পিচ ইয়াবাসহ কামরুল ইসলাম ও ১’শত পিচ ইয়াবাসহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কনস্টেবল সাইফুল ইসলামকে আটক করে তারা।

    একই সময় রেষ্ট হাউজে মনির মোল্লার বিছার নীচ থেকে আরো একশ পিস সহ মোট ৪৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ওই সময় মনির মোল্লা ঘটনাস্থলে থাকলেও তাকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে।

    এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে আদালতের বিচারক স্বপ্রণদিত হয়ে এ বিষয়ে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে এই ঘটনায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ সালের ২১ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

    তার দেয়া দুটি মাদক মামলার চার্জশিটে জাহিদুর রহমান মনির মোল্লাকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে আসামী মনির মোল্লা আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করা হয়। দীর্ঘ দিন পালাতক থাকার পরে সর্বশেষ রোববার তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচার তাকে জেলে প্রেরনের নির্দেশ দেন।

  • শেখ সেলিমের নাতির মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমের শোক

    শেখ সেলিমের নাতির মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমের শোক

    আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নাতি জায়ান চৌধুরীর (৮) মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) জাহিদ ফারুক শামিম এমপি।

    সেই সাথে তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

    সোমবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম এই শোক প্রকাশ করেছেন।

    উল্লেখ্য রোববার শ্রীলংকায় বোমা বিস্ফোরণে আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নাতি জায়ান চৌধুরী নিহত হয়েছে।’

  • বরিশালে নুসরাত হত্যার প্রতিবাদে বি এইচ আর সির মানববন্ধন

    বরিশালে নুসরাত হত্যার প্রতিবাদে বি এইচ আর সির মানববন্ধন

    নিজস্ব প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, বরিশাল মহানগর শাখার উদ্যোগে বরিশাল অশ্বিনীকুমার হল’র সামনে সকাল ১১টায় ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি’কে পুড়িয়ে হত্যার প্রতিবাদে এবং একইসাথে হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনের আয়োজন করে।
    উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মহানগরের সভাপতি স ম ইমানুল হাকিম, নির্বাহী সভাপতি রেজিনা উল কবির, উপদেষ্টা রতন চৌধুরী, শেখ আবদুল্লাহ ইউসুফ মণি, সেক্রেটারি ও বিশেষ প্রতিনিধি (সদর দপ্তর) মোঃ আবু মাসুম ফয়সল, মাহফুজ পারভেজ, মোঃ আলম, নাজমুল, শাকিল, উপস্থিত ছিলেন কোতয়ালি শাখার সেক্রেটারি তানভির আহমেদ, এয়ারপোর্ট শাখার সভাপতি মুকুল চন্দ্র মুখার্জি, সেক্রেটারি মামুন, বন্দর থানার সভাপতি মোঃ পান্না বিশ্বাস, বাপ্পি, বি এম কলেজ শাখার সভাপতি আবির, সেক্রেটারি কৌশিক, ১৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি জুম্মান।
    এছাড়া শতাধিক মানবাধিকার কর্মী সহ প্রায় চার শতাধিক সাধারণ মানুষ আমাদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে মানব বন্ধনে শরিক হয়ে খুনি সিরাজ উদ দৌলার সুষ্ঠ বিচার দাবি করেন।