Author: Banglarmukh24

  • শহীদ সুকান্ত বাবু শিশু পার্কের উদ্বোধন

    শহীদ সুকান্ত বাবু শিশু পার্কের উদ্বোধন

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনী গন সংযোগ ও নগরবাশীর কাছে ওয়াদা করা বরিশাল নগরীকে একটি শিশু বান্ধব শহর ও শিশুদের চিত্র বিনোধনের জন্য শিশু পার্ক নির্মান করা।

    কর্পোরেশনের দায়ীত্বভার গ্রহনের ৭ মাসের মাথায় বরিশাল নগরীর আমানতগঞ্জ ও ভাটিখানা সহ ৩টি ওয়ার্ডের মধ্যবিত্ত সিমানায় টিবি হাসপাতাল এলাকায় শহীদ সুকান্ত বাবু শিশু পার্ক উদ্বোধনের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পুরন করলেন বরিশাল সিটির তরুন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    মঙ্গলবার (৪ইজুন) বিকাল ৫টায় বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে শিশুদের চিত্র বিনোধন ও ঈদ-উৎসবে আনন্দ করার জন্য একদিন পূর্বেই ফলক উম্মোচন দোয়া-মোনাজাত ও ফিতা কেটে শহীদ সুকান্ত বাবু শিশু পার্কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে উন্মুক্ত করেদিলেন মেয়র।

    স্থানীয় সরকার মন্ত্রালয়ের বিশেষ বরাদ্বে ও বিসিসি’র বাস্তবায়নে এখানে শিশুদের আনন্দ ও চিত্র বিনোধনের জন্য স্থাপন করা হয়েছে কার্পেটিং যুক্ত ঘাষ, চায়না থেকে আমদানীকৃর্ত ডিটু বড় খেলনা,ক্লাইমবার,ডোম,সুইং দোলনা, ড্রাগন,ডলফিন,রকি চেয়ার, রাউন্ড হর্স সহ গাছে গাছে এল.এডি লাইট ও সোলার লাইট।

    ৪১ দশমিক ৩২ শতাংশ জমির উপর নির্মিত সুকান্ত বাবু পার্কটিতে একসাথে ১ শত ৫০ জন শিশু চিত্রবিনোধনের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া পার্কের চারদিকে রয়েছে ঘেড়াও করা বাউন্ডডারি দেয়াল।

    একাজ সম্পূর্ণ করার ক্ষেত্রে সর্বক্ষন দায়ীত্ব পালনকারী বিসিসি সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর-রশিদ জানান,শহীদ সুকান্ত বাবু শিশু পার্কটি সম্পূর্ণ করতে প্রায় ১ বছর সময় লেগেছে।

    একাজে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ১৫ লক্ষ ৫২ হাজার ২শত ৬৬ টাকা। ১৮ সালের ২৭ই মার্চ টেন্ডারের মাধ্যমে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স এন্টার প্রাউজ কর্নধার নঈমুল হক মাসুদ একাজটি সম্পূর্ণ করেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল হাসান, প্রধান প্রকৌশলী মোঃ নুরুল ইসলাম,নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস,জন সংযোগ কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বাবলু,১নং প্যানেল মেয়র এ্যাড. রফিকুল ইসলাম খোকন, ৩নং প্যানেল মেয়র আয়শা তৌহিদা লুনা,স্থানীয় কাউন্সিলর তৌহিদুল ইসলাম বাদশা, ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ কেফায়েত হোসেন রনি,৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর খাঁন মোঃ জামাল হোসেন, কাউন্সিলর ফরিদ হোসেন,সংরক্ষিত কাউন্সিলর জাহানারা বেগম,কহিনুর বেগম,।

    এসময় আরো ছিলেন বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও বরিশাল মহানগর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু,বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক এ্যাড. এ.কে এম জাহাঙ্গির হোসাইন,সাংস্কৃতিক ব্যাক্তি সৈয়দ দুলাল,যুগান্তর বরিশাল ব্যুরো প্রধান আখতার ফারুক শাহিন, এ্যাড. রাজিব সহ স্থানীয় ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ।

    এসময় সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, এখানে শিশুদের বিনোধনের জন্য কর্পোরেশন থেকে কোন ধরনের টিকিটের ব্যবস্থা রাখা হয়নি।

    নগরীর শিশুদের জন্য থাকবে সম্পূর্ণ ভাবে উন্মুক্ত। রক্ষাবেক্ষনের দায়ীত্ব পালন করবে বিসিসি।

    পরে মেয়র বিসিসি’র বিভিন্ন কর্মকর্তা ও দলীয় নেতৃবৃন্দদেরকে সাথে পার্কের ভিতর পারদর্শন করেন এসময় মেয়রের সাথে তার শিশু পুত্র সাথে ছিলেন।

    দীঘদিন যাবত বরিশাল নগরকে একটি শিশু বান্ধব শহর গড়ে তোলার দাবী ছিল নগরবাশীর শহীদ সুকান্ত বাবু পার্কের মাধ্যমে কিছুটা হলেও নগরবাশীর আকাংক্ষা পুরন করতে সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    উল্লেখ্য ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কালো রাতে একদল বিপদগামী সেনাদের গুলিতে তৎকালীন ভূমিমন্ত্রী শহীদ আৎ রব সেরনিয়াবাতের বড়পুত্র আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ বড় পুত্র ও মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ ’র বড় সহদর সুকান্ত বাবু গুলিতে শহীদ হয়।

  • বরিশালে ঈদের জামাতে দেশ ও মুসলিম উম্মার শান্তি কামনা

    বরিশালে ঈদের জামাতে দেশ ও মুসলিম উম্মার শান্তি কামনা

    দেশ ও জাতীর অগ্রগতি এবং মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে বরিশালে ঈদের প্রধান জামাত নগরীর হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (০৫ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত জামাতে ইমামতি করেন জামে এবায়দুল্লাহ মসজিদের খতিব মাওলানা নূরুর রহমান বেগ।

    হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহে নামাজ আদায় করেন সিটি করপোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্, জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টুসহ বরিশালে রাজনৈতিক, প্রশাসনের সর্বোচ্চ ব্যক্তি, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

    এছাড়াও জেলায় বৃহত্তর ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই দরগাহ শরীফ ও উজিরপুরের গুঠিয়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে।

    এদিকে নগরের বেশ কয়েকটি মসজিদে দু’টি করে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় জামাতের মধ্যদিয়ে বরিশাল নগরের সর্বশেষ ঈদের জামাত সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় জামে কশাই মসজিদ, বায়তুল মোকাররম জামে মসজিদ ও জামে এবায়েদুল্লাহ মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়।

    পাশাপাশি এ মসজিদগুলোর মধ্যে কেন্দ্রীয় জামে কশাই মসজিদ ও জামে এবায়েদুল্লাহ মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় এবং বায়তুল মোকাররম জামে মসজিদ সকাল ৯টায় প্রথম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সকাল সাড়ে ৭টায় প্রথম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় নগরের আমানতগঞ্জ ঈদগাহ ময়দানে। এরপর সকাল ৮টায় নগরের সাগরদী মাদ্রাসা জামে মসজিদ, নথুল্লাবাদ মাদ্রাসা মসজিদ, গোরস্থান ঈদগাহ ময়দান, বাজাররোড মাদ্রাসা মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    সকাল সাড়ে ৮টায় ব্রাউন কম্পান্ড জামে মসজিদ, সাগরদী বাজার জামে মসজিদ, নূরিয়া হাইস্কুল জামে মসজিদ, মেডিকেল কলেজ সেন্ট্রাল মসজিদ, ওয়াপদা জামে মসজিদ, পাওয়ার হাউজ জামে মসজিদ, বাস টার্মিনাল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও জেলাস্কুল জামে সমজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় পোর্টরোড জামে মসজিদ, ল’কলেজ জামে মসজিদ ও ফকিরবাড়ি জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সকাল সাড়ে ৮টায় ও সাড়ে ৯টায় দু’টি পৃথক ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় পুলিশ লাইন জামে মসজিদে।

    জাতীয় ইমাম সমিতি বরিশাল মহানগর শাখার সভাপতি মাওলানা কাজী আব্দুল মান্নান জানান, এর বাহিরে বরিশাল মহনগরে সাড়ে ৪শ মসজিদ রয়েছে। এর মধ্যে ৩ শতাধিক মসজিদে ঈদের জামাত সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।

    এদিকে বিভাগের দ্বিতীয় বৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় পিরোজপুরের নেছারাবাদ ছারছিনা দরবার শরীফ মাঠে। পাশাপাশি ঝালকাঠীর এনএফ কামিল মাদ্রাসা ময়দান (কায়েদ সাহেব হুজুরের দরবার), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ মরহুম হযরত ইয়ারউদ্দিন খলিফা (র.) দরবার শরীফে বৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    ঈদ ও ঈদের জামাতকে ঘিরে পুরো বরিশালজুড়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যে নিরাপত্তার দায়িত্বে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের পাশাপাশি র‌্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিয়োজিত ছিলো।

  • ঈদের আনন্দধারায় মিশেছে বৃষ্টি

    ঈদের আনন্দধারায় মিশেছে বৃষ্টি

    ‘ঈদ এসেছে দুনিয়াতে শিরনি বেহেশতী/দুষমনে আজ গলায় গলায় পাতালো ভাই দোস্তি’— জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার মতো সবাইকে আনন্দে একাকার করতে আবার এসেছে ঈদ। দীর্ঘ এক মাস রোজা পালনের পর বুধবার ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা সবচেয়ে বড় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করছেন।

    বৃষ্টি উপেক্ষা করে সকালে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের মানুষ ঈদগাহ ও মসজিদে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করেন। এরপর কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে টানা বৃষ্টি চলছেই। বৃষ্টি হচ্ছে প্রায় সারাদেশেই। বৃষ্টি অনেকটাই ফিকে করে দিয়েছে ঈদের আনন্দ। উৎসব মুখরতায় দিনে অবিরাম বৃষ্টি মানুষকে অনেকটাই ঘরে আটকে রেখেছে।

    তারপরও থেমে নেই ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়। সাক্ষাতে, মোবাইলে এসএমএসে, ফেসবুকে, ই-মেইলে বুধবার সারাদিনই চলবে এ ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়।

    রাজধানীর হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, মন্ত্রিসভার সদস্য, কূটনীতিকসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নামাজ আদায় করেন। বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রধান জামাতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মুসল্লি অংশ নেন।

    ঈদের দিনে আনন্দমুখর পরিবেশে নতুন পোশাক পরে চলছে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি। বেড়াতে যাচ্ছেন একে অপরের বাড়ি। ঘরে ঘরে সেমাই, বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন, কোরমা, পোলাও, খিচুড়ি আর নানা পদের মুখরোচক খাবার রান্না হয়েছে।

    নতুন পোশাক পরে ঈদে শিশুদের আনন্দ সবচেয়ে বেশি। নতুন পোশাক পরে বড়দের কাছ থেকে সালামি আদায়ে তৎপর রয়েছে শিশুরা। সকালের দিকে পথে-ঘাটে চোখে পড়ছে নতুন পোশাক জড়ানো আনন্দ-উদ্বেল শিশুদের। তবে বৃষ্টির কারণে ঢাকার পথঘাট ভেজা, কোথাওবা কাদা। বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও এলাকা ইতোমধ্যে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে

    বর্ষাকালের কারণে ঈদের আনন্দ বিঘ্নিত হতে পারে বলে আগেই জানিয়েছিল আবহাওয়া অধিদফতর। আবহাওয়া বিভাগ পূর্বাভাস দেয়, বুধবার সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

    এদিকে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ করতে বেশির ভাগ মানুষই ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন। তাই ঢাকার পথঘাট ফাঁকা ফাঁকা লাগলেও গ্রামগুলো সরগরম। বহু দিন পর শহরে থাকা প্রিয়জনকে কাছে পেয়ে গ্রামে থাকা পরিজনরা উচ্ছ্বাসে ভাসছেন।

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (৪, ৫ ও ৬ জুন) সরকারি ছুটি। রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ বঙ্গভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন।

    ঈদ উপলক্ষে সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনসহ গুরুত্বপূর্ণ ভবনে আলোকসজ্জা করা হয়েছে।

    ঈদের দিন দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু সদন, সামাজিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্র, আশ্রয় কেন্দ্র, ভবঘুরে কল্যাণ কেন্দ্র ও দুস্থ কল্যাণ কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে।

  • দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা

    দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসী এবং সারা বিশ্বের মুসলমানদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। খবর বাসসের।

    বিবৃতিতে শেখ হাসিনা পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহর অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর খুশি আর আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন।

    তিনি বলেন, ঈদ সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে সব মানুষকে। পবিত্র ঈদুল ফিতরে সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি আর ভ্রাতৃত্বের মহীমান্বিত আহ্বানে শান্তি-সুধায় ভরে উঠুক প্রতিটি মানুষের হৃদয়।

    এছাড়া অন্য এক বিবৃতিতে দেশের সর্বস্তরের জনসাধারণকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। পবিত্র ঈদুল ফিতরে তিনি দেশবাসীর মঙ্গল ও কল্যাণ কামনা করেন।

  • বরিশালবাসীকে বিসিসি মেয়র সাদিকের ঈদের শুভেচ্ছা

    বরিশালবাসীকে বিসিসি মেয়র সাদিকের ঈদের শুভেচ্ছা

    বরিশালবাসীকে এবং সারা বিশ্বের মুসলমানদের পবিত্র ঈদুল ফিততের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ তার বার্তায়, তিনি বরিশালবাসী ও মুসলিম উম্মাহর অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

    ‘মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর খুশি আর আনন্দের বার্তা নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন। ঈদ সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে সব মানুষকে।’

    পবিত্র ঈদুল ফিতরে সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি আর ভ্রাতৃত্বের মহিমান্বিত আহ্বানেশান্তি-সুধায় ভরে উঠুক প্রতিটি মানুষের হৃদয়।’

    ইতি মধ্যে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন আয়োজন ঈদের প্রধান জামাতের প্রস্তুতি শেষ করছে  বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ।

  • বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে বরিশাল আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়ামে আজ সোমবার বিকেল ৪ ঘটিকার সময় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    “উক্ত দোয়া ও ঈফতার মাহফিল এ উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র উপদেষ্টা ও বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাহানা আরা বেগম।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল অবঃ জাহিদ ফারুক শামীম, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ , জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোঃ ইউনুছ , সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ একেএম জাহাঙ্গীর, মহানগর আওয়ামীলীগ এর শিল্প ও বানিঝ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল, বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, বিসিসির প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর সহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ সহ সকল নেতৃবৃন্দ।

    দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্টান এর সভাপতিত্ব করেন,মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডঃ গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল।

    তৃণমুলের হাজার হাজার নেতাকর্মীরা ও সাধারন মানুষ দোয়া ও ইফতার মাহফিল অংশগ্রহন করেন।

     

  • বরিশালে ঈদের আমেজে অসহনীয় যানজটঃ বিসিসি’র মেয়রের কার্যকরী পদক্ষেপ

    বরিশালে ঈদের আমেজে অসহনীয় যানজটঃ বিসিসি’র মেয়রের কার্যকরী পদক্ষেপ

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বরিশালে বিভিন্ন স্তরের জনগন পরিবার পরিজনদের জন্য কেনাকাটার জন্য বের হওয়ায় নগরীর বিভিন্ন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ব্যস্ততম সড়ক গুলোয় যানজটের চাপ ক্রমশ কয়েকগুন বৃদ্ধি পাচ্ছে।বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদর রোড, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়কটি বরাবরই ব্যস্ততম সড়ক হিসেবে রয়েছে।

    এসড়কটিতে দিন দিন যানবাহনের চাপ বাড়ছে। ঈদের সময় ঘনিয়ে যতটা কাছে আসছে ঠিক ততোটাই যানজটের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে বরিশাল নগরীতে।রমজান মাস শেষ হয়ে ঈদের আগের এ দিনের বেশিরভাগ সময়ই এ সড়ক জুড়ে থাকে অসহনীয় তীব্র যানজট। গতকয়েকদিনে লক্ষ্য করা গেছে গভীর রাত পর্যন্ত নগরীর প্রানকেন্দ্রের গুরুত্বপূর্সড়কগুলোয় যানজটে ভোগান্তিতে পড়ছেন নগরবাসী।বরিশাল নগরবাসীর অভিযোগ, ঈদের কারণে যানবাহনের সংখ্যা বেশ কয়েক গুন বেড়ে গেছে। সেই সঙ্গে যানযটের আর এক কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে পার্শ্বের সংযুক্ত সড়কের সঙ্গে মূল সড়কের যোগাযোগ বন্ধ হওয়া।

    বিশেষ করে সদর রোডে নতুন ডিবাইডার স্থাপনের ক্ষেত্রে সব পার্শ্বের সড়কগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে দীর্ঘপথ ঘুড়ে যানবাহন নিয়ে কাল খেপুন করে ভোগান্তির শিকার হয়ে আসতে হচ্ছে। ফলে অতিমাত্রায় যানযট দেখা দিয়েছে প্রায় প্রতিটা রাস্তায়। পার্শ্ববর্তী সকল সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত থাকলে সদর রোডের যানযট কমানো সম্ভব হবে বলে বলেও ভূক্তভোগীদের মতামত।সরেজমিনে দেখা গেছে, বরিশাল নগরীর বগুড়া রোড থেকে সদর রোডে বের হয়ে সোহেল চত্বরের দিকে যাওয়ার পার্শ্বের সড়ক বন্ধ করা হয়েছে। এখন যাত্রীদের বিবির পুকুরের পশ্চিম পাড় হয়ে গির্জা মহল্লা দিয়ে শহীদ সোহেল চত্বর জেলা মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে যেতে হচ্ছে।

    বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ এবং বরিশাল শহিদ আঃরব সেরনিয়াবাত প্রেসক্লাব থেকে সদর রোড হয়ে গির্জা মহল্লা যেতে চাইলে তাদের সদর রোডের অশ্বীনী কুমার (টাউন হল)হলের সামনে থেকে পুনরায় ঘুড়িয়ে নিয়ে যেতে হচ্ছে। একইভাবে সদর রোড হয়ে কাটপট্টি সড়কে যেতে চাইলে তাকে লাইন রোডের মুখ থেকে পুনরায় ঘুড়িয়ে ফিরতে হচ্ছে। এছাড়া ফকিরবাড়ি রোড, প্যারারা রোড, অনামি লেনসহ সকল পার্শ্ববর্তী সড়ক দিয়ে বাক নেওয়ার ব্যবস্থাও বন্ধ করা হয়েছে।

    এসব কারণেই নগরের মূল এলাকাগুলোতে যানযট লেগে থাকে বলেও ভূক্তভোগীরা জানায়। অপরদিকে, যদিও যানজট নিরসন ও স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদের কেনাকাটায় নগরবাসীর জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। এরই মধ্যে বিসিসি’র মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নির্দেশে নগরের একে স্কুল প্রাঙ্গণ, সিটি কলেজের মাঠসহ নির্ধারিত স্থানে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা, কাকলীর মোড়ের আগ থেকে জেলখানার মোড় পর্যন্ত বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়কের (সদর রোড) মধ্যে প্রযুক্তিনির্ভর গ্রিলের ডিভাইডার স্থাপন হচ্ছে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, আনসার সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় ট্রাফিক ব্যবস্থাকে সচল রাখারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বরিশালে।

    বিসিসি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা চালুর পর থেকে ট্রাফিক পুলিশ সদর রোড, গীর্জা মহল্লা, চকবাজার ও ফলপট্টি এলাকায় সড়কের পাশে কাউকেই গাড়ি রাখতে দিচ্ছে না। এমনকি, দুই চাকার বাহন মোটরসাইকেলও নয়। তবে, এতো কিছুর পরও সদর রোড বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়কে যানজট লেগেই আছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, আগে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা ও বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সদর রোডে যান চলাচলে ধীরগতি থাকলেও যানজট খুব বেশি হতো না। কিন্তু, বর্তমানে কোনো নির্ধারিত সময় নেই, দিন রাত সম সময়ই একযোগে যানজট লেগে আছে। কখনো কখনো এর মাত্রা এতোটাই বেশি থাকে যে, সেটি বগুড়া রোড, হেমায়েত উদ্দিন রোড, ফজলুল হক অ্যাভিনিউ, ঈশ্বরবসু রোড, চকবাজার, ফলপট্টি, কাটপট্টি রোড, ফকিরবাড়ি রোড, লাইন রোড, কালিবাড়ি রোড ও হাসপাতাল রোড পর্যন্ত গিয়ে ঠেকে।

    নগরবাসীর মতে, বরিশাল সদর রোডে অসংখ্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের অবস্থান ছাড়াও শহরের পশ্চিম ও পশ্চিম-দক্ষিণ অংশ থেকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, লঞ্চঘাটসহ সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আসতে এ রোড ব্যবহার করতে হচ্ছে। এছাড়াও,কাকলীর মোড় থেকে জেলখানার মোড় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটারের মতো সড়কে তিনটি অঘোষিত থ্রি-হুইলারের স্ট্যান্ড, গণপরিবহনগুলো যেখানে-সেখানে থামিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানোর কারণে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে । এর পাশাপাশি, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও বিভিন্ন রুটের থ্রি-হুইলারগুলোও শহরে প্রবেশের সাথে সাথে যানবাহনের চাপ বাড়াচ্ছে।

    পথচারীরা জানান, ডিজেল ইঞ্জিন চালিত মাহিন্দ্রা, ব্যাটারিচালিত হলুদ অটো, গ্যাসচালিত নীল অটো ও সিএনজি অটোরিকশার চালকদের অদক্ষতায় সদর রোডে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে পাশাপাশি ছোট-বড় দূর্ঘটনাও অহরহ ঘটছে।নগরীতে সরেজমিনে দেখা যায়, নগরের সদর রোডে দিনের বেলা ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগেই থাকছে। তা সবচেয়ে প্রকট আকার ধারণ করে বিকেলে ও সন্ধ্যার পরে। যদিও, ঈদবাজার শেষ হলে যানজট কমে আসবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের। নলচিঠি কালিজিরা এলাকা থেকে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা পারভিন বেগম বলেন, ছেলেমেয়েদের নিয়ে চকবাজার এসেছি।

    কাকলীর মোড় হয়ে চকবাজারে আসতেই আধঘণ্টা সময় লেগে গেছে। এতো জ্যাম এর আগে কখনো দেখিনি।বর্তমানের এ যানজটের বিষয়টি স্বীকার করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি) খাইরুল আলম জানান, বেশিরভাগ সময় বিকেলে যানজট লাগলেও ট্রাফিক পুলিশের চেষ্টায় তা শিগগিরই স্বভাবিক হয়ে যায়। তিনি বলেন, ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে যানজট নিরসনে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

    অবৈধ যানবাহন যেন নগরীতে প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে আমরা তৎপর আছি।বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি ‘র)মেয়র সেরনিয়াবত সাদিক আবদুল্লাহ এ প্রতিবেদককে জানান, নগরের বিভিন্ন সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্দেশনামূলক সাইনবোর্ড বসানোর কাজ প্রায় শেষ হচ্ছে। সেসকল সাইনবোর্ডগুলোয় কোন সড়ক দিয়ে কোথায় যেতে হবে, তা লেখা রয়েছে। এসব নির্দেশনা মেনে যানবাহন চালালে কেউ অযথা শহরের মধ্যে ঘুরপাক খাবেন না। আবার, সদর রোডে প্রবেশ না করেও বান্দরোড দিয়ে লঞ্চঘাটসহ বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে, নির্দিষ্ট কোনো সড়কের ওপর বাড়তি চাপ পড়বে না বলেও তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

  • ঈদে যাত্রীদের নিরাপত্তায় রাত জেগে ড্রোন দিয়ে মনিটরিং করছেন বিসিসি মেয়র সাদিক

    ঈদে যাত্রীদের নিরাপত্তায় রাত জেগে ড্রোন দিয়ে মনিটরিং করছেন বিসিসি মেয়র সাদিক

    নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন ঈদ উপলক্ষে ঢাকা থেকে লঞ্চগামী যাত্রীদের নিরাপত্তায় ড্রোন দিয়ে মনিটরিং করছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    রাত জেগে তার এই সাধারন মানুষের নিরাপত্তায় মনিটরিং সত্যিই একটি জনকল্যানকর উদ্যোগ। বরিশালের সচেতন মহল মনে করছে অবশ্যই সিটি মেয়রের ইতিমধ্যে নগরবাসীকে নিয়ে নানা উদ্যোগ একদিকে যেমন সফল অপর দিকে মানুষের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে।

    নিরাপদ সড়কের জন্য বরিশালে আধুনিকায়নের জন্য যা যা করণীয় ছিলো স্বল্প সময়ে তার অধিকাংশই এখন দৃশ্যমান। এর আগে সাধারন মানুষসহ সকলকে সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে নির্দেশনা মূলক সাইনবোর্ড ফলো করার জন্য আহবান জানিয়েছিলেন।

  • টিম টাইগারদের বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়রের অভিনন্দন

    টিম টাইগারদের বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়রের অভিনন্দন

    আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৯ এর প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত করলো টিম টাইগারস। গতকাল ২১ রানে ভয়ংকর দক্ষিণ আফ্রিকাকে সহজভাবে বধ করলো বাংলাদেশ।ক্রিকেট দুনিয়ায় অবিস্মরণীয় এই জয়ে আজ পুরো জাতি আনন্দে আত্মহারা।

    এই জয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় টাইগারদের অভিনন্দন জানিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    তিনি প্রত্যাশা করেন এমন জয়ের ধারাবাহিকতায় এবার বিশ্বকাপ বাংলাদেশের মাটিতে আসবে।

  • বরিশালে ব্যতিক্রধর্মী আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হল বিডি ক্লিনের ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

    বরিশালে ব্যতিক্রধর্মী আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হল বিডি ক্লিনের ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

    তারুন্যনির্ভর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন। যার শুরু হয়েছিল মাত্র ২৪ জন সদস্য নিয়ে ২০১৬ সালের ৩ রা জুন। যার উদ্যোক্তা ছিলেন সবার নয়নের মনি সদাহাস্যোজ্জ্বল মোঃ ফরিদ উদ্দিন। যার বর্তমান সদস্য সংখ্যা প্রায় ২৫০০০। বিডি ক্লিন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অরাজনৈতিক প্লাটফর্ম। নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মত নিজের খেয়ে নিজের টাকা ব্যায়ে পরিচ্ছন্নতার বার্তা পৌছে দেয় প্রতিটি মানুষের কাছে। শুধু একটি স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সেটা হল পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

    হাঁটিহাঁটি পাপা করে আজ তার তিন বছর পূর্তি হল। ব্যতিক্রমী এক আয়োজনের মাধ্যমে পালিত হল বিডিক্লিন বরিশালের এবারের আয়োজন।

    সুবিধা বঞ্চিত পাঁচ জন রিক্সাওলাকে পাঞ্জাবী প্রদান সহ তাদেরকে সাথে নিয়ে ইফতারের মাধ্যমে কেক না কেটে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল বিডি ক্লিন বরিশাল।

    উক্ত অনুষ্ঠানে তিনবছর পূর্বের স্মৃতিচারণ করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন বিভাগীয় সমন্বয়ক মোঃ মাসুদুর রহমান, পর্যায়ক্রমে বক্তব্য রাখেন সাবেক বিভাগীয় প্রধান মোঃ ইব্রাহিম মাসুম, সদস্য মোঃ রিপন মাষ্টার,মোঃ লোকমান হোসেন, মোঃ সাইফুল ইসলাম এবং দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মোঃ শামীম হুজুর।

    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মাহিদ খান, মোঃ শাহাজাদা হীরা, মোঃ শাহরিয়ার মাহফুজ শ্রাবন, মোঃ তানবির, মোঃ মনিরুল ইসলাম,মোঃ যায়েদ ইরফান সহ বরিশাল বিডি ক্লিনের অন্যান্য সদস্য ও সদস্যা বৃন্দ।