Author: Banglarmukh24

  • বরিশালে ইভটিজারদের হাতে প্রাণ গেলো মেধাবী ছাত্রী মিলির

    বরিশালে ইভটিজারদের হাতে প্রাণ গেলো মেধাবী ছাত্রী মিলির

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ইভটিজারদের বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল চাপায় পিতার সামনে অকালে ঝড়ে গেলে এক মেধাবী ছাত্রীর প্রাণ। উপজেলার পূর্ব পয়সা গ্রামের টিএম নজরুল ইসলামের মেয়ে ও গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ১০ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী মেনহাজ হাসান মিলি। আইসিইউ’তে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬০ ঘন্টা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালরে গতকাল শুক্রবার সকালে মারা গেছে। এঘটনায় মিলির স্কুলের শিক্ষক, সহপাঠিসহ এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।ৎ

    নিহত মিলির বাবা টিএম নজরুল ইসলাম জানান, গত মঙ্গলবার বিকেলে তিনি উপজেলা সদর থেকে তার মেয়ে মিলিকে ডাক্তার দেখিয়ে মাহেন্দ্র যোগে সন্ধ্যার সময় নিজের বাড়ি সামনে নেমে রাস্তার উত্তরপাড়ে বসে ভাড়া পরিশোধ করছিলেন। মিলি রাস্তা পার হয়ে দক্ষিণপাড়ে দাড়িয়েছিল। এসময় পশ্চিম দিক থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেল নিয়ে বেপারোয়া গতিতে যাবার সময় মোটরসাইকেলে থাকা তার মেয়ে মিলিকে কুরুচিপূর্ণ বাক্যছুড়ে ধাক্কা দিয়ে রোডের উপরে ফেলে দিয়ে ইভটিজারা ছাত্রীর গায়ের উপরদিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যায়। মুহুর্তের মধ্যে মিলির নাক-কান দিয়ে রক্ত বেরিয়ে আসে রাস্তার উপরে ছটফঁট করতে থাকে।

    এসময় স্থানীয়রা মিলিকে গুরুতক রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকেরা মিলিকে দ্রুত উপজেলা হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেয়। মিলিকে আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতালে নিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ডাক্তার তাকে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। মঙ্গলবার রাতেই স্থানীয় এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র উদ্যোগে মিলিকে বরিশাল সেবাচিম হাসাপাতালের আইসিইউ’তে ভর্তি করা হয়। আইসিইউ’তে চিকিৎসকদের নিবির পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শুক্রবার দশটার দিকে মিলি মারা যায়।

    মিলি পয়সা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জেএসসি’তে গোল্ডেন জিপিএ ৫ পেয়েছিল। পয়সা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানের শিক্ষক না থাকায় গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। মিলি পড়ালেখা করে কম্পিউার ইঞ্জিনিয়ার হতে চেয়েছিল। নিহত মিলির চাচা জব্বার তালুকদার জানান, ইভটিজারদের ফেলে যাওয়া বরিশালে রেজিষ্ট্রেশন করতে দেয়া মোটরসাইকেলের কাগজ অনুযায়ি মালিকের নাম রিফাত আকন, পিতা আতাহার আকন। তার বাড়ি মুলাদি উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের টুমচর গ্রামে। দুর্ঘটনার সময় রিফাত নিজে গাড়ি চালাচ্ছিল। রিফাত প্যাচিফিক ফার্মাসিউটিক্যাল লিঃ নামে ঔষধ কোম্পানীতে উজিরপুর উপজেলায় কর্মরত রয়েছে।

    এব্যাপারে আগৈলঝাড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা জানান, তিনি খবর পেয়ে এসআই জাহিদুর রহমানকে ঘটনা স্থলে পাঠিয়েছি। এঘটনায় মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সাথে জরিতদেরকে গ্রেফতার করা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

  • বরিশালে র‌্যাব ৮ এর  উদ্যোগে স্কুল, কলেজে বিশেষ মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা

    বরিশালে র‌্যাব ৮ এর উদ্যোগে স্কুল, কলেজে বিশেষ মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা

    জাকারিয়া আলম দিপুঃ আগামী ১৬ জুলাই রোজ শোমবার সকাল ১০৩০ ঘটিকায় ‘‘বরিশাল সরকারি কলেজ’’ প্রাঙ্গণে র‌্যাব-৮, বরিশাল এর আয়োজনে মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে।

    প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম এবং অনুষ্ঠানে  সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি আতিকা ইসলাম।

    মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বরিশালের স্বনামধন্য  ০৮টি স্কুল ও কলেজ অংশগ্রহন করবেন।

    ক। বরিশাল সরকারি কলেজ
    খ। বরিশাল সরকারি বিএম কলেজ
    গ। বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ
    ঘ। বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ
    ঙ। বরিশাল সরকারি আলেকান্দা কলেজ
    চ। বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ
    ছ। বরিশাল অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়
    জ। বরিশাল ইসলামিয়া কলেজ

    উল্লেখ্য, উক্ত অনুষ্ঠানে বরিশালের সকল স্কুল,কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র- ছাত্রী,  ইলেকট্রনিক/প্রিন্ট মিডিয়া সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

  • বরিশালে সিটি নির্বাচনে বিএমপির আইনশৃঙ্খলা প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    বরিশালে সিটি নির্বাচনে বিএমপির আইনশৃঙ্খলা প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    জাকারিয়া আলম দিপুঃ আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে নিরাপত্তা সংক্রান্তে আইনশৃঙ্খলা প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয় । বিসিসি নির্বাচনকে সামনে রেখে সার্বিক প্রস্তুতি নিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    আজ ৫জুলাই বৃহস্পতিবার বরিশাল নগরীর আমতলা বিজয় বিহঙ্গ সংলগ্ন  বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) অস্থায়ী কার্যালয়ে পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মাহ্ফুজুর রহমান বিপিএম এর সভাপতিত্বে আসন্ন সিটি কর্পোরেশেন নির্বাচন নিরাপত্তা সংক্রান্তে আইনশৃঙ্খলা প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয় ।উক্ত সভায় আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে করার জন্য নিরাপত্তা সংক্রান্তে আলোচনা ও সিধান্ত গ্রহন করা হয়।

    উল্লেখ্য বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা এ তিনটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষ হয়েছে ২৮ জুন । যাচাইবাছাই শেষ হয়েছে ১ ও ২ জুলাই। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ জুলাই। প্রতীক বরাদ্দ হবে ১০ জুলাই।

  • বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    জাকারিয়া আলম দিপুঃ ১১ তারিখ শোমবার ২৫ই রমজান বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিল বরিশাল নগরীর বাধ রোড সংলগ্ন হোটেল গ্রান্ড পার্কে অনুষ্ঠিত হয়।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) কর্তৃক দোয়া ও ইফতার মাহফিল আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির মাননীয় আহবায়ক (মন্ত্রী) এবং স্থানীয় সরকার , পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ , সংসদ সদস্য , বরিশাল -১।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মাহ্ফুজুর রহমান বিপিএম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অারো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডঃ তালুকদার মোঃ ইউনুছ, বরিশাল-৩ আসনের সংসদ এ্যাডঃ টিপু সুলতান, বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ভাইস-চ্যান্সেলর ড. এস.এম ইমামুল হক,জিওসি ৭ম পদাতিক ডিভিশন এবং এরিয়া কমান্ডার, বরিশাল এরিয়া মেজর জেনারেল মোঃ সাইফুল আলম, SUP, AWC, PSC, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুজ্জামান, বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম, বিপিএম, বরিশাল বিজ্ঞ জেলা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন, বরিশাল শেবাচিম অধ্যক্ষ ডাঃ ভাস্কর সাহা, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন,NDC, AFWC, PSC ,ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আশরাফুল হক, PSC , শেবাচিম পরিচালক ডাঃ মোঃ বাকির হোসেন, ডিজিএফ আই কর্ণেল জিএস, জিএম শরিফুল ইসলাম, মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম,শেখ হাসিনা সেনানিবাস থেকে আগত উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, বিজ্ঞ চিফ জুডিসিয়াল ম্যজিস্ট্রেট , জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিজ্ঞ চিফ মেট্রোপলিটন ম্যজিষ্ট্রেটগণ, বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ের পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের এবং বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ,সম্মানিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ইলেকট্রোনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সদস্যবৃন্দ।

  • ঝালকাঠী ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মালেক খান ও তার স্ত্রীকে প্রতারণার দায়ে ১ বছরের সাজা

    ঝালকাঠী ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মালেক খান ও তার স্ত্রীকে প্রতারণার দায়ে ১ বছরের সাজা

    গত ৩ই জুন ঝালকাঠি জেলার বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসে কর্মরত লিডার মোঃ মালেক খান (৫০) (পিএল নং ২৩৯৭) ও তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম হিরু (৪৫) কে  স্ত্রীকে প্রতারণার দায়ে ১ বছরের সাজা প্রদান করেন বরিশাল বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন আদালত।

    মনোয়ারা বেগমের সম্পর্কে ভাগ্নি জামাই মোঃ মালেক খান (৫০) ও তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম হিরু (৪৫) ও ছেলে মোঃ রাকিব খান (২৫) ।

    আসামীরা মালেক খান, স্ত্রী রওশন আরা ও ছেলে মোঃ রাকিব খান অসৎ লোক। মনোয়ারা বেগমের মেঝ মেয়ে রমিজা কে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালে চাকুরী দেওয়ার নামে প্রতারনামূলক ও অসৎ উদ্দেশ্যে সরলতার সুযোগে মালেক খান ও তার স্ত্রী রওশন আরা  ২০১৫ সালে ২৯ই মে শুক্রবার অনুমানিক সন্ধ্যার সময় বরিশালের কোতয়ালী থানাধীন বাংলাবাজারস্থ আর্শেদ আলী কন্ট্রাকটর গলির বাসিন্দা সেলিমের ভাড়াটিয়া বাসায় এসে স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে নগদ ৪ লক্ষ ৫হাজার টাকা বুঝে নেয়।ঐ রাতেই চাকুরী নিশ্চিত করার জন্য টাকা নিয়ে ঢাকা যাচ্ছে বলে জানান।

    ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসের ১ম সপ্তাহে  শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের সম্ভাব্য চাকুরীজীবীদের মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু রমিজার নাম না থাকার  মালেক খান ও তার স্ত্রীর কাছে কারন জানতে চায়।তখন আসামীরা বলে বিষয়টি দেখছি বলে বেশ কিছুদিন মোবাইল ফোন বন্ধ রাখে। যখন বাসায় গিয়ে টাকা চাওয়া হলে বলে ১৫ দিনের মধ্যে টাকা দিয়ে দিবে।অাবার ২৯ ই নভেম্বর টাকা চাইলে বলে, সকল টাকা সংগ্রহ করতে পারেনি তাই আগামী ৯ ডিসেম্বর সব টাকা এক সাথে ফেরত দিবো।

    ৯ ডিসেম্বর আবার টাকা চাইলে বলে ভবিষৎতে আবার নিয়োগ দিলে চাকরী দিয়ে দিবে।তখন টাকা ফেরত চায় রমিজার মা। এক তারিখ থেকে অন্য তারিখ টাকা পরিশোদের কথা বলে ও তালবাহানা শুরু করে। ২০১৬ সালের ৮ই ফ্রেবুয়ারী মালেক খানকে ফোন দিয়ে টাকা চাইলে তিনি টাকার কথা অস্বীকার করেন। শুধুৃ তাই নয়  টাকা ফেরত দিবে না বলে প্রাণের নাশের হুমকি প্রদান করেন। আসামীরা প্রতারনার অাশ্রয় নেয়ার জন্য ভাড়াটিয়া বাসা পরিবর্তণ করে। এদিকে কোন উপায় না পেয়ে রমিজার মা স্বজনের সাথে আলোচনা করে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

    বিজ্ঞ আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা আমলে নিয়ে দন্ড বিধি আইনের ৪০৬/ ১০৯ ধারামতে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করার অাদেশ জারী করে। মামলায় ৫জন সাক্ষী ও নিরপেক্ষ ২জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন করা হয়। মামলাটি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিঅাই) ।মামলাটি সার্বিক তদন্ত ও প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে ঘটনায় বরিশাল বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন আদালত ঝালকাঠী জেলার বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসে কর্মরত লিডার মোঃ মালেক খান (৫০) পিএল নং ২৩৯৭  ও তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম হিরু (৪৫)এর বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ৪০৬/ ১০৯ ধারায় অপরাধ করিয়েছে প্রাথমিক তদন্তকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমানে সত্যতা পাওয়া যায়। আদালত মোঃ মালেক খান ও স্ত্রী রওশন আরা বেগম হিরুকে প্রতারণার দায়ে ১বছর সাজা প্রদান করিয়েছে।

  • হারানো বিজ্ঞপ্তি!

    হারানো বিজ্ঞপ্তি!

    দয়া করে শেয়ার করুন. ইনি কারো বাবা, কারো স্বামী, কারো ভাই !! তাকে হারিয়ে পরিবারে এখন শোকের ছায়া!!

    গতকাল সন্ধার পর থেকে এই ভদ্রলোক কে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না! মানসিক ভারসাম্যগ্রস্থ লোকটি বাসা থেকে কাউকে কিছু না বলে হঠাৎ বের হয়ে যান ! তারপর থেকে আর খুজে পাওয়া যাচ্ছে না ! লোকটি বরিশাল সদরেরই কোথাও আছে !

    যদি কোন সহৃদয়বান ব্যাক্তি উনাকে কোথাও দেখেন অথবা খুজে পান তবে অনুগ্রহ করে নিম্নোক্ত ফোন নম্বরে কষ্ট করে একটু জানাবেন. হারিয়ে যাওয়া মানুষটির নাম : সমীর কুমার দাস, বয়স : ৬৯, ঠিকানা : রাখালবাবুর পুকুর পাড়, সদর রোড, বরিশাল যোগাযোগ: সুশান্ত দাস : ০১৬৭০৭২২৩৪৩ শুভ : ০১৬১১৪২৪৩২৬ এজাজ : ০১৭৩০১৮৮৭৭২

    -প্রচারে পরিবারের সদস্যবৃন্দ

  • গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে  মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

    গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

    জাকারিয়া আলম দিপুঃ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (জিউবি) ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে দিবস উদযাপিত হয়।

    ২৬ মার্চ সোমবার সকাল ১০.০০টায়  বরিশালে নথুল্লাবাথ সংলগ্ন ক্যাম্পাসে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস পরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (বরিশাল অঞ্চল)।আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর একে এম এনায়েত ।

    উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ট্রেজারার এবং ভারপ্রাপ্ত ভিসি প্রফেসর তপন কুমার বল।

    আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ ইমামুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আমিনুল ইসলাম, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক তাজিন মাহমুদ প্রমুখ।

    ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপন             ছবিঃ নিবীর রায়হান

    সভায় প্রধান অতিথি প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস তাঁর বক্তৃতায় বলেন, ‘প্রত্যেকে তার নিজ জায়গা থেকে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তাহলেই যাঁরা একাত্তরে দেশের জন্য রক্ত দিয়েছিলেন তাঁদের স্বপ্নকে আমরা বাস্তবায়ন করতে পারব।’

    ভিসি প্রফেসর প্রফেসর তপন কুমার বল বলেন, বাংলাদেশের ভিশন ২১ বাস্তবায়নে বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্য তুলে ধরেন।তিনি আরো বলেন  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বের কারণে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছি।” তিনি একাত্তরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকলকে দেশ গড়ার আহবান জানান।

    আলোচনা সভায় বক্তারা তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানার আহবান জানান এবং স্বাধীনতাযুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণীত করেন।

  • এত কাছে তবু এত দূরে!

    এত কাছে তবু এত দূরে!

    বারবার একই চিত্রনাট্য। তীরে এসে তরি ডোবা। বারবার একইভাবে শেষ মুহূর্তে এসে হেরে যায় বাংলাদেশ। শিরোপা থেকে যায় অধরা। এ নিয়ে তিন কিংবা ততোধিক দেশ নিয়ে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের চারবার ফাইনাল খেললো বাংলাদেশ। কিন্তু শিরোপা জেতা হলো না একবারও। এবারও একেবারে জয়ের দ্বারপ্রান্তে এসে শিরোপা হারা হলো বাংলাদেশ।

    ২০১২ এশিয়া কাপের ফাইনালের পূনরাবৃত্তিই হলো যেন নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে এসে। শিরোপার একেবারে দ্বারে-কাছে গিয়েও আক্ষেপে পুড়তে হলো টাইগারদের। এশিয়া কাপের ফাইনালে মাত্র ২ রানে হারতে হয়েছিল পাকিস্তানের কাছে। এবার ভারতের কাছে হারলো একেবারে শেষ বলে এসে, ছক্কা খেয়ে।

    শেষ ২ ওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ৩৪ রান। জয় যেন বাংলাদেশের হাতের নাগালে; কিন্তু রুবেল হোসেনের এক ওভারেই দিনেশ কার্তিক নিলেন ২২ রান। তার এই এক ওভারেই বাংলাদেশ বলতে গেলে হেরে বসেছে। অথচ, তার আগের ওভারে মাত্র ১ রান দিয়ে ম্যাচটাকে যেন পুরে দিয়েছিলেন বাংলাদেশের পকেটে। কিন্তু, রুবেলের ওই এক ওভারই সব ধ্বংস করে দিলো।

    শেষ ওভারে তবুও প্রয়োজন ছিল ১২ রান। বোলার সৌম্য সরকার। প্রথম বলই দিলেন ওয়াইড। পরের বলে কোনো রান নিতে পারলেন না বিজয় শঙ্কর। দ্বিতীয় বলে নিলেন ১ রান। দিনেশ কার্তিক স্ট্রাইকে এসে ১ রান নিলেন। চতুর্থ বলে শঙ্কর মারলেন বাউন্ডারি। পঞ্চম বলে ছক্কা মারতে গিয়ে হলেন আউট। শেষ বলে দিনেশ কার্তিক গেলে স্ট্রাইকে। ১ বলে প্রয়োজন ৫ রান। সৌম্য সরকারকে ছক্কা মেরে বিজয় উদযাপন করলেন তিনি। নেচে উঠলো ভারতের ড্রেসিং রূম। নাচলো শ্রীলঙ্কার গ্যালারিও। এদিন যে, শ্রীলঙ্কার গ্যালারি হয়ে উঠেছিল ভারতের সমর্থক!

    ২০০৯ সালের ত্রিদেশীয় ট্রফির ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ মুহুর্তে এসে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। নিশ্চিত জয়ের ম্যাচ ছিল সেটি। ১৫২ রানের মামুলি পুঁজি নিয়েও সেদিন প্রাণপন লড়াই চালিয়েছিল টাইগাররা। বাংলাদেশের বোলিং তোপের মুখে শুরুতে ৬ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে লঙ্কানরা। প্রথম ছয় স্বীকৃত ব্যাটসম্যানের মধ্যে একমাত্র কুমারা সাঙ্গাকারা (১৩৩ বলে ছয় বাউন্ডারিতে ৫৯) মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিলেন। এরপর লোয়ার অর্ডারের জিহান মোবারক ১৬ আর দুই বোলার পারভেজ মাহারুফ (৭৬ বলে ৩৮*) ও বিশ্ব সেরা অফস্পিনার মুত্তিয়া মুরালিধরনই (১৬ বলে চার বাউন্ডারি আর দুই ছক্কায় ৩৩) বদলে দেন খেলার চিত্র। হেরে যায় বাংলাদেশ।

    ২০১২ সালের ২২ মার্চ ফাইনালে পাকিস্তানীদের ২৩৬ রানে বেঁধে ট্রফি জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েছিল মুশফিক বাহিনী; কিন্তু শেষ ওভারে গিয়ে হতাশায় ডুবতে হয় আবারও। ৩ উইকেট হাতে রেখে ৬ বলে ৯ রান করতে না পেরে হেরে যায় মুশফিকের দল।

    ২০১৬ সালের ৬ মার্চ শেরে বাংলায় আবার ফাইনালে স্বপ্ন ভঙ্গের ম্যাচ হয়ে থাকলো। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচটি প্রবল ঝড়ো বাতাস ও ভারী বর্ষণে ২০ ওভার থেকে কমে ১৫ ওভারে গড়ায়। তাতে ১২০ রানের মামুলি স্কোর নিয়ে ৮ উইকেটে হার মানে মাশরাফির দল।

    সর্বশেষ মাত্র ৫১ দিন আগে (২৭ জানুয়ারি) আবারো ফাইনালে বিপর্যয়। দেশের মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭৯ রানে হেরে যাওয়া। সারা বছর যে মাঠে অনুশীলনে কাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, যেখানে ক্লাব ক্রিকেট, জাতীয় লিগ, বিসিএল আর বিপিএল খেলে খেলে এতদুর এসেছেন সবাই, সেই শেরে বাংলায় লঙ্কানদের ২২১ রানে বেঁধে ফেলেও শেষ পর্যন্ত জিততে পারেনি মাশরাফি বাহিনী। মাত্র ১৪২ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা।

    এবার নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে এসে একেবারে শেষ বলে ছক্কা খেয়ে হেরে যায় বাংলাদেশ। আবারও থাকলো ট্রফি অধরা। বাংলাদেশ এখনও কোনো টুর্নামেন্টের ট্রফি জয়েরই স্বাদ পেলো না।

    একই সঙ্গে বার বার ভারতের বিপক্ষেই এসে নকআউটে হেরে বসার রেকর্ড অক্ষুন্ন রেখেছে বাংলাদেশ। ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল, ২০১৬ এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির ফাইনাল, ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল এবং ২০১৮ নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে এসে হারলো বাংলাদেশ।

  • ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের প্রভিশন রাখতে ব্যর্থ ৮ ব্যাংক

    ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের প্রভিশন রাখতে ব্যর্থ ৮ ব্যাংক

    ব্যাংকিং খাতে বেড়েছে খেলাপি ঋণের পরিমান। এর প্রভার পেড়েছে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সঞ্চিতি (প্রভিশন) সংরক্ষণেও। এই প্রভিশন সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে সরকারি-বেসরকারি খাতের আটটি ব্যাংক। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সর্বশেষ হিসাবে আট ব্যাংকে ৯ হাজার ৩৭৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকার প্রভিশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

    খেলাপি ঋণের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৈরি করা ডিসেম্বর-১৭ প্রান্তিকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

    ব্যাংক ব্যবস্থার ঋণের শ্রেণিমান অনুযায়ী, নির্ধারিত পরিমাণ নিরাপত্তা সঞ্চিতির অর্থ সংরক্ষণের বিধান রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় প্রভিশন রাখতে ব্যর্থ হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, রূপালী ও বেসিক ব্যাংক। বেসরকারি খাতের বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক ও স্টান্ডার্ড ব্যাংক। এছাড়া নতুন করে এই ঘাটতির তালিকায় যুক্ত হয়েছে বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)। এসব ব্যাংকের মোট ঘাটতির সিংহভাগ রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণেই ব্যংকিং খাতে বাড়ছে প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ। আর এ সময়ে যেসব ব্যাংক প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে তাদের মূলধন ঘাটতিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে ঋণ বিতরণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৯৮ হাজার ১৯৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা, যা ডিসেম্বর-১৬ শেষে ছিল ৬২ হাজার ১৭২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১২ হাজার ১৩১ কোটি টাকা।

    একই সময়ে ওই আট ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৩৭৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সব চেয়ে ঘাটতি বেশি সোনালী ব্যাংকের। ডিসেম্বর শেষে সোনালী ব্যাংকের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬৮৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এরপরই বেসিক ব্যাংকের ঘাটতির পরিমান তিন হাজার ৪৯৫ কোটি ২ লাখ টাকা, রূপালী ব্যাংকের এক হাজার ৮০ কোটি ৯০ লাখ, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ১৯৫ কোটি ৪৩ লাখ, ন্যাশনাল ব্যাংকের ১৫৯ কোটি ৫৩ লাখ, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৭৮ কোটি ৭৮ লাখ, স্টান্ডার্ড ব্যাংকের ২৭৫ কোটি ২০ লাখ এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ১৩৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকিং খাতে প্রভিশন সংরক্ষণের প্রয়োজন ছিল ৪৪ হাজার ২৯৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ৫৭টি ব্যাংক সংরক্ষণ করে ৩৭ হাজার ৫২৮ কোটি ৬ লাখ টাকা। অনেক ব্যাংক নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি প্রভিশন সংরক্ষণ করেছে। ফলে সার্বিকভাবে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৭৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ড. গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, যাচাই-বাছাই না করেই ব্যাংকগুলো ঋণ দিচ্ছে। অন্যদিকে বিশেষ সুবিধায় নিয়মিত ঋণগুলো ঠিকমতো আদায় হচ্ছে না। ফলে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। আর নিয়ম অনুযায়ী খেলাপি ঋণের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে প্রভিশন রাখতে হয়। আর এটি রাখতে ব্যর্থ হলে মূলধন ঘাটতিতে পড়ে ব্যাংক।

    তিনি বলেন, প্রভিশন ঘাটতি বাড়ছে। আর এটি বেশি বাড়ছে সরকারি ব্যাংকগুলোতে। এর মূল কারণ তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি কম। তাই এসব ব্যাংকগুলোকে সার্পোট না দিয়ে ঋণ আদায়ের ওপর চাপ দেয়া উচিত। একইসঙ্গে নতুন ঋণ বিতরণে কঠোরতা প্রয়োজন।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংকগুলো প্রাহকদের যে পরিমাণ ঋণ বিতরণ করে তার বেশির ভাগই আমানতকারীদের অর্থ। আমানতকারীদের অর্থ যেন কোনো প্রকার ঝুঁকির মুখে না পড়ে সেজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা আছে। এর একটি হলো প্রভিশন সংরক্ষণ।

    নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকের অশ্রেণিকৃত বা নিয়মিত ঋণের বিপরীতে দশমিক ২৫ থেকে পাঁচ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে হয়। নিম্নমান বা সাব স্ট্যান্ডার্ড ঋণের বিপরীতে রাখতে হয় ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক ঋণের বিপরীতে ৫০ শতাংশ এবং মন্দ বা কুঋণের বিপরীতে ১০০ শতাংশ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। ব্যাংকের আয় খাত থেকে অর্থ এনে এ প্রভিশন সংরক্ষণ করা হয়। খেলাপি ঋণ বাড়লে, আর সে অনুযায়ী ব্যাংকের আয় না হলে প্রভিশন ঘাটতি দেখা দেয়।

    ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, প্রভিশন ঘাটতি থাকলে শেয়ারহোল্ডাদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারে না সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।

  • ভালো আছেন পাইলট আবিদের স্ত্রী

    ভালো আছেন পাইলট আবিদের স্ত্রী

    নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে নিহত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পাইলট আবিদ সুলতানের স্ত্রী আফসানা খানম এখন ভালো আছে। তাকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নিউরো সায়েন্স হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

    অফসানা খানমের বাবা ড. এম এ কাশেম শেখ রোববার বিকেলে সাংবাদিকদের জানান, তিনি আইসিইউতে গিয়ে মেয়েকে দেখে এসেছেন। এখন তার মেয়ে ভালো আছেন।

    ডাক্তারের সঙ্গে কথা হয়েছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অপারেশনের পর ডাক্তারের সঙ্গে কথা হয়েছে। ডাক্তার বলেছেন আপারেশন সাকসেসফুল।

    রোববার রাজধানীর উত্তরার বাসায় স্ট্রোক করেন পাইলট আবিদের স্ত্রী। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    আফসানা খানমের চাচাত বোন জানান, নেপালে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় স্বামী নিহতের পরই আমার বোন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। আজ ভোরে তিনি খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর প্রথমে তাকে উত্তরার একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু সেখানে পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে আনা হয়।

    নিউরো সায়েন্স হাসপাতালের ইনফরমেশন ডেস্কের কর্মকর্তা শিউলি আক্তার নীলা  বলেন, রোববার সকালে আফসানা খানম ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে।

    গত ১২ মার্চ ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস-২১১ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। ৬৭ যাত্রী ও চার ক্রুসহ দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বিমানটি বিমানবন্দরের পাশের একটি ফুটবল মাঠে বিধ্বস্ত হয়। এতে ৫১ যাত্রীর প্রাণহানি ঘটে। তাদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ। আর ১০ বাংলাদেশি আহত হন। আহতদের মধ্যে ছয়জনকে নেপাল থেকে এনে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

    বিমানটিতে ৬৭ যাত্রীর মধ্যে বাংলাদেশি ৩২ জন, নেপালি ৩৩ জন, একজন মালদ্বীপের ও একজন চীনের নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে পুরুষ যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৩৭, নারী ২৮ ও দু’জন শিশু ছিল।