টিম বাংলাদেশের জয়ে এভাবেই শিরোনাম করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষ দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা। এমনকি এ জয়কে তার ঐতিহাসিক জয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছে করেছে সাকিব বন্দনা।
ঐতিহাসিক জয়। অনবদ্য পারফরম্যান্স। এবং দুরন্ত সাকিব। ঢাকায় ১১ বাঙালির গর্জনে ছিটকে গেল বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। টেস্টে প্রথম বার অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।
একটা সময় মনে হচ্ছিল, খেলা চলছে সাকিব অল হাসান বনাম ১১ অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারের। ওয়ার্নার-স্মিথের ব্যাটে যখন চতুর্থ দিনে ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে গিয়েছে বাংলাদেশ, তখনই এল সাকিবের সেই স্পেল। একে একে ফিরে গেলেন ডেভিড ওয়ার্নার, স্মিথ, ম্যাক্সওয়েল, ম্যাথু ওয়েডরা।
নবম উইকেটে ২৯ রান যোগ করে যখন ফের একবার জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়া, তখন ফের সাকিবের হুঙ্কার। লায়নকে আউট করে দেশকে এক অসাধারণ জয় এনে দিলেন বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার। ম্যাচে ১০ উইকেট এবং ৮৯ রান করে ম্যান অব দ্য ম্যাচও হলেন তিনিই।








প্রথম দুই দিন ম্যাচের লাগাম বাংলাদেশের হাতেই ছিল। তবে তৃতীয় দিনে সেটা কেড়ে নেয় অজিরা। শুধু তাই নয়, দুই উইকেটে ১০৯ রান নিয়ে দিন শেষ করা অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৫৬ রানের। কিন্তু সবচেয়ে ভয়ের যে কারণ ছিল সেটা অপরাজিত থাকা হওয়ার দুই অধিনায়ককে নিয়ে। এর মধ্যে ওয়ার্নার তো ছিলেন এক কথাই ভয়ংকার। হারলেও এদিন সেই রুপটা আরও একবার দেখিয়ে গেছেন এই অজি ওপেনার। তবে ওয়ার্নার পর্যন্তই।
বোলিংয়ে অবশ্য আলাদা করেই বলতে হচ্ছে সাকিবকে নৈপূন্যটাকে। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৫ উইকেট নিয়েছেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। এছাড়া প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেটসহ মোট ৫ উইকেটটি পেয়েছেন মিরাজ। এবং দুই ইনিংস মিলে তাইজুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ উইকেট।
