Author: Banglarmukh24

  • লেনিনের ১৩২০টি মূর্তি সরালো ইউক্রেন

    লেনিনের ১৩২০টি মূর্তি সরালো ইউক্রেন

    বিলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ছিল ইউক্রেন। আর সে কারণে ইউক্রেনের আনাচে-কানাচে কমিউনিস্ট নেতা ভ্লাদিমির ইলিচ ইলিয়ানোভ লেনিনের মূর্তি ছিল অসংখ্য।

    তবে সোভিয়েত যুগের সব চিহ্ন সরিয়ে ফেলার পাশাপাশি লেনিনের মূর্তিগুলোও সরিয়ে ফেলার উদ্যোগ নেয় ইউক্রেন।

    অনেকেই অবশ্য এ মূর্তি ও স্মৃতিচিহ্নগুলো ধ্বংসের সমালোচনা করেছেন। তারা বলছেন, এ ঘটনায় শুধু নাম কিংবা ভাস্কর্যই ধ্বংস হচ্ছে না, পাশাপাশি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সোভিয়েত যুগের ইতিহাসও।

    সোভিয়েত যুগের পরিসমাপ্তি ঘটার প্রায় দুই যুগ পরেও ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে সগর্বে দাঁড়িয়ে ছিল লেনিনের অসংখ্য মূর্তি। তবে ইউক্রেনের বর্তমান সরকার কমিউনিস্ট যুগের এ স্মৃতি চিহ্ন রাখতে মোটেও আগ্রহী নয়। এ কারণে বলশেভিক এ নেতার সব মূর্তি সরিয়ে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

    সম্প্রতি খবরে প্রকাশ, ইউক্রেনের শহর ও গ্রামে থাকা ১৩২০টির মধ্যে সবগুলো মূর্তিই সরিয়ে ফেলেছে ইউক্রেন সরকার।

    ২০১৫ সালের মে মাসে ইউক্রেন সরকার সোভিয়েত আমলের সব স্মৃতিচিহ্ন সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্তটি আইন হিসেবে পাস করার উদ্যোগ নেন প্রেসিডেন্ট পেট্রো পরোশেনকো।

    ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া নিয়ে ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার সংঘাত শুরু হয়। তার পরই এ সিদ্ধান্ত নেয় ইউক্রেন। ইউক্রেনে সোভিয়েত আমলের অসংখ্য স্মৃতিচিহ্ন ছিল। এসবের মধ্যে বহু রাস্তা ও স্থাপনা ছিল। সবগুলোর নামই ইউক্রেন সরকার পাল্টে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর বহু রাস্তার নাম পাল্টে ইউক্রেনের বীরদের নামে রাখা হয়। লেনিন স্ট্রিটের নাম পাল্টে রাখা হয় লেনন স্ট্রিট, যিনি ইউক্রেনের একজন বীর।

    সোভিয়েত আমলের সব স্থাপনার নাম পাল্টানো সহজ কাজ ছিল না। রীতিমতো বিশাল কর্মযজ্ঞ। এ কাজের অংশ হিসেবে সোভিয়েত আমলের লেনিনের মূর্তি ছাড়াও ১,৬৯টি অন্যান্য স্মৃতিসৌধও ধ্বংস করা হয়।

  • শিগগিরই বিশ্বের দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন চালু করছে চীন

    শিগগিরই বিশ্বের দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন চালু করছে চীন

    আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরেই বিশ্বের সব থেকে দ্রুতগামী বুলেট ট্রেন ট্র্যাকে নামাতে চলেছে চীন।

    তার জন্য প্রস্তুতিও চলছে জোর কদমে। আগামী সেপ্টেম্বরেই এই ট্রেন ছুটবে বলে জানা গেছে।

    চীনের সরকারি সংবাদ মাধ্যম ‘পিপলস ডেইলি অনলাইন’-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী বছর চীন যে দ্রুতগতির ট্রেন আনছে, প্রতি ঘণ্টায় তা ৩৮০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে। ঝেংঝোউ-জুঝাউ রুটে হাইস্পিড ট্র্যাকে এই ট্রেন চালানো হবে। বর্তমানে এই পথ অতিক্রম করতে ২ ঘণ্টা ৩৩ মিনিট সময় লাগে। সব থেকে দ্রুত গতির এই ট্রেন চালু হলে ৮০ মিনিটে এই পথ অতিক্রম করা যাবে। চীনে এখন সব থেকে দ্রুতগতির যে ট্রেন চলে, তার তুলনায় ঘণ্টায় অন্তত ৫০ কিলোমিটার বেশি গতিতে এই ট্রেন ছুটবে।

    এমনকি নতুন এই ট্রেন ঘণ্টায় ৪০০ কিলোমিটার স্পিড ছুঁতে পারে কি না, তার পরীক্ষাও চলছে বলে জানা গেছে। হাইস্পিড ট্রেন চালানোর তাদের এই প্রযুক্তি অন্যান্য দেশেও বিক্রি করার চেষ্টা চালাচ্ছে চীন। তার মধ্যে ভারতও রয়েছে। চীনের এই প্রজেক্টে খরচ হচ্ছে ৩৬০ বিলিয়ন ডলার।

  • চাঁদ দেখা যায়নি, মধ্যপ্রাচ্যে ১ সেপ্টেম্বর ঈদ

    চাঁদ দেখা যায়নি, মধ্যপ্রাচ্যে ১ সেপ্টেম্বর ঈদ

    সোমবার সৌদি আরবের আকাশে কোথাও জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় জিলকদ মাস ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। সে হিসাবে আগামী ১ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে উদযাপিত হবে ঈদুল আযহা।

    এবং আগামী ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র হজ।

  • রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কেড়ে নিতে চান প্রধান বিচারপতি : প্রধানমন্ত্রী

    রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কেড়ে নিতে চান প্রধান বিচারপতি : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতির সমক্ষমতা কেড়ে নিতে চান বলে অভিযোগ করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন বলেই তারা (বিচারপতি) ওই পদে বসতে পেরেছেন। যে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন, সেই রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে না বলেই তাদের এত রাগ ও গোস্বা।

    গতকাল বিকালে রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ২১ আগস্ট ভয়াল গ্রেনেড হামলার ১৩তম বার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের পর্যবেক্ষণ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছিল। গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান বিচারপতির তীব্র সমালোচনা করে বক্তব্য দেন। এ ছাড়া আলোচনা সভায় অধিকাংশ বক্তাই প্রধান বিচারপতির কড়া সমালোচনা করে বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের পরিবার ও আহত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যদের সম্পর্কে অপমানজনক কথা বলা আদালতের কাজ না। প্রধান বিচারপতি সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন নিয়েও কথা বলেছেন। সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সংরক্ষিত নারী সদস্যরাও ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। আর নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন। তাই সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা বলার আগে প্রধান বিচারপতির উচিত ছিল পদ থেকে সরে যাওয়া। বলতে পারতেন, যেহেতু সংরক্ষিত নারী সদস্যরা ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়েছেন, তাই আমি এই পদে থাকব না। তিনি বলেন, সব কিছু সহ্য করা যায়, কিন্তু পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা সহ্য করা যায় না। আর আমাকে হুমকি দিয়ে কোনো লাভ নেই। জীবন দেওয়ার মালিক আল্লাহ, জীবন বাঁচানোর মালিকও আল্লাহ। আমি একমাত্র আল্লাহর কাছে সেজদা দেই, আর অন্য কারও কাছে মাথানত করি না। জনগণের আদালতই সবচেয়ে বড় আদালত, জনগণের শক্তিই বড় শক্তি, এটা সবাই মনে রাখবেন। ‘পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট প্রধানমন্ত্রীকে ইয়ে (অযোগ্য) করেছেন, সেখানে কিছুই হয়নি’— প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের সমালোচনা করে দেশবাসীর ওপর বিচারের ভার ছেড়ে দিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, যে পাকিস্তানকে আমরা যুদ্ধ করে পরাজিত করেছি, লাখো শহীদের মহান আত্মত্যাগে পেয়েছি স্বাধীনতা, যে পাকিস্তান এখন ব্যর্থ রাষ্ট্র, সেই দেশটিকে নিয়ে তুলনা করায় বিচারের ভার দেশের জনগণের। কারণ জনগণের আদালতই হচ্ছে বড় আদালত। তিনি বলেন, স্বাধীনতা ভালো, কিন্তু তা বালকের জন্য নয়। বালক সুলভ আচরণ ভালো নয়। রাজাকার-আলবদর কিংবা শান্তি কমিটির সদস্যরা ক্ষমতায় এলে দেশের কোনো উন্নয়ন হয় না। একমাত্র মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। আমরা তা প্রমাণ করেছি। সুতরাং পাকিস্তানে কী হয়েছে না হয়েছে সে বিষয়ে আমাকে হুমকি দেবেন না। এটা সহ্য করা হবে না। আইয়ুব খান দেখেছি, ইয়াহিয়া খান দেখেছি, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়াকে দেখেছি। ওই হুমকি আমাকে দিয়ে লাভ নাই।

    প্রধানমন্ত্রী ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে প্রধান বিচারপতির দেওয়া পর্যবেক্ষণের বেশকিছু অসঙ্গতি তুলে ধরে বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে বিএনপির ফরমায়েশি রিপোর্ট দেওয়া বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের দুর্নীতির তদন্ত দুদক যাতে না করতে পারে সেজন্য প্রধান বিচারপতি চিঠি লিখলেন। তদন্ত করা যাবে না কেন? দুর্নীতি প্রশ্রয় দেওয়া, দুর্নীতিবাজকে রক্ষা করা প্রধান বিচারপতির কাজ নয়। এটা সংবিধানকে অবহেলা করা। সংবিধানকে লঙ্ঘন করা। তিনি বলেন, গণপরিষদের সদস্যদের করা আইন প্রধান বিচারপতির পছন্দ নয়। উনার পছন্দ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে মার্শাল ল’ অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের জারি করা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল। বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করতেই কি তার জুডিশিয়াল কাউন্সিল পছন্দ? রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া এ কোন ধরণের দাবি? তিনি বলেন, বিএনপি অনেক বিতর্কিত, দুর্নীতিবাজ, ভুয়া সনদধারীদের বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে উচ্চ আদালতের পবিত্রতা নষ্ট করে গেছে। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল হলে তো কারোরই বিচার হবে না। তিনি আরও বলেন, আজ উচ্চ আদালত থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। পার্লামেন্ট সদস্যদের ক্রিমিনাল বলা হচ্ছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, ব্যবসা করা কি অপরাধ? ব্যবসায়ীরা সংসদ সদস্য হলে ক্রিমিনাল কেন বলা হবে?

    প্রধান বিচারপতিকে ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, তার নাকি সংবিধানের কিছু কিছু অনুচ্ছেদ পছন্দ না। তার মনে রাখতে হবে, এই সংবিধান বঙ্গবন্ধুর দিয়ে যাওয়া। তার যেগুলো পছন্দ সেগুলো জিয়ার শাসন আমলে প্রচলিত ছিল। তাকে মনে রাখতে হবে, আমার বাবা শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীন করে দিয়ে গিয়েছিলেন বলেই আজ ওই চেয়ারে বসতে পেরেছেন। আমার বাবা দেশ স্বাধীন করে দিয়েছিলেন বলেই আজ সবাই স্বাধীনতার স্বাদ ভোগ করছেন। তিনি বলেন, একটি আইন পাস করতে গেলে অনেক পর্যায় পার হতে হয়। সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনী পাস হয়। আর আদালতে এক খোঁচায় তা বাতিল করে দেন। এত সংসদ সদস্য, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা তাদের কারোরই কোনো জ্ঞান-বুদ্ধি নেই। জ্ঞান-বুদ্ধি আছে শুধু এক বা দুজনের? অন্য বিচাররকা স্বাধীনভাবে মতামত তুলে ধরতে পেরেছে কি না, এটা নিয়েও কথা আছে। ড. কামাল হোসেনের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন আইনজীবী সর্বোচ্চ আদালতের সামনে দাঁড়িয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলকে যে ভাষায় গালিগালাজ করেছেন, তা কোনো সভ্য মানুষ করতে পারে না। তারা আদালতকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন? ‘সংসদ কতদিন চলবে তা কেবিনেট সিদ্ধান্ত নেয়’, প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণে এ দাবি অসত্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্যাবিনেটে সংসদ কতদিন চলবে তা নিয়ে কখনোই কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয় না। সংসদ সম্পর্কে এতটুকু ধারণা থাকলে এ কথা বলতে পারতেন না। স্পিকারের সভাপতিত্বে কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সংসদ কতদিন চলবে, কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে। এমন বহু অবান্তর কথা বলা হয়েছে পর্যবেক্ষণে। আমরা পূর্ণাঙ্গ রায় ভালো করে পড়ছি এবং অসঙ্গতিগুলোর নোট নিচ্ছি। সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা হবে। সময় এলে নিশ্চয় সব কিছু জাতির সামনে তুলে ধরা হবে। এটা নিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যরা দায়বদ্ধ দেশের জনগণের কাছে। পাঁচ বছর পর পর আমাদেরকে জনগণের আদালতের সামনে দাঁড়াতে হয়। একটি রাজনৈতিক দল যদি নির্বাচনে না আসে সেই দায়িত্ব কার? এটা তো ওই রাজনৈতিক দলেরই সিদ্ধান্তের ব্যাপার। বিএনপি তো সবসময় উত্তর পাড়ার দিকে তাকিয়ে থাকে। কিন্তু উত্তর পাড়া তাকে কোনো সাড়া দেয়নি। আর ড. কামাল হোসেন তো কোনোদিন সরাসরি ভোটে জিততে পারেননি। বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেওয়া একটি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন। নিজে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আবার বড় বড় কথা বলেন কীভাবে? নির্বাচনী আইনেই রয়েছে কোনো আসনে অন্য কোনো প্রার্থী না থাকলে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থীই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন। কোনো দল নির্বাচনে না এলে কিংবা প্রার্থী না দিলে সংসদের বৈধতা বা অবৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে না।

    ‘কয়েকটা ফ্লাইওভার বা রাস্তা হলেই উন্নয়ন হয় না’ এমন মন্তব্যের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, কয়েকটা ফ্লাইওভার কিংবা রাস্তায় নয়, আমরা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করেছি। দেশের মানুষ দু’বেলা খেতে পারছে, চিকিৎসা পাচ্ছে, গ্রামের মানুষের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে, শতভাগ শিক্ষার্থী স্কুলে যাচ্ছে। এসব উন্নয়ন কী চোখে পড়ে না আমাদের প্রধান বিচারপতির। তিনি বলেন, সারাবিশ্বে আমরা দেশের সম্মান নিয়ে এসেছি। বাংলাদেশ এখন সারাবিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোলমডেল। সংবিধান লঙ্ঘন করে কেউ ক্ষমতা দখল করলেই কি উন্নয়ন হবে? সেই অবস্থা আর নেই। সংবিধান লঙ্ঘন করে কেউ ক্ষমতায় এলে তার বিচার হবে। জনতার আদালত সবচেয়ে বড় আদালত, মনে রাখবেন।

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান, তার মন্ত্রিসভার প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও সে সময়কার গোয়েন্দা সংস্থা জড়িত বলে অভিযোগ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, একের পর এক ১৩টি গ্রেনেড ছুড়ে মারা হয়েছিল আমাদের জনসভায়। এরপর কারাগারেও একটি গ্রেনেড পাওয়া যায়। সেদিন কারাগারে আরও অনেক গ্রেনেড ঢুকানো হয়েছিল। কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে কিছু দুর্ধর্ষ কয়েদিকেও অ্যাম্বুলেন্সে করে বাইরে আনা হয়েছিল। তাদের ষড়যন্ত্র ছিল আমাকে হত্যা করার পর বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বাইরে বের করে আনা। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধের ময়দান আর সেনাবাহিনীর ব্যবহূত গ্রেনেড দিয়ে হামলা চালানো হয়েছিল। তখন বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায়। এর আগের আমার ওপর অনেকবার হামলা চালানো হয়। তার ঠিক আগে বিএনপি নেতারা আমাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, দেশে আরেকটা ১৫ আগস্ট হবে। আমাকে বঙ্গবন্ধুর পরিণতি বরণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার আগে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া সংসদে আমার নাম ধরেই বলেছিলেন, আগামী ১০০ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারব না। সংসদে তারই দলের সংসদ সদস্যরা ওই হামলায় আমাদেরই ওপর দোষ দিতে থাকল। এমনও বলা হতে থাকল, আমি নাকি ভ্যানিটি ব্যাগে করে বোমা নিয়ে গেছি। পরে গঠিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি বলল, এটা নাকি প্রতিবেশী দেশ ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসতে ১০০ বছর লাগেনি। তার আগেই ক্ষমতায় এসেছি, দেশের উন্নয়ন করছি। আলোচনা সভায় অংশ নেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেমন, জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী, জাসদের কার্যকরী সভাপতি মইন উদ্দীন খান বাদল, কথাসাহিত্যিক ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। সভা পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ও উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।

  • যে শোক চিরদিনের

    যে শোক চিরদিনের

    হৃদয়ের স্মৃতিপটে শোকের বিচরণে ভিন্নতা থাকে। স্বজন হারানোর শোক, আর্তনাদ থাকে সময় ধরেও। সময় গড়িয়ে শোকের ছায়ায় আলোরও দেখা মেলে। কিন্তু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়ে জাতি যে শোকে মুহ্যমান, তা যেন অনন্তকালের। পিতা হারানোর এ শোক চিরদিনের।

    আজ ১৫ আগস্ট। ইতিহাস এদিন থমকে দাঁড়ায়। নদী তার স্রোত হারায়। বনের পাখিরা নিস্তব্ধ হয়ে আরও নির্জনে চলে যায়। এদিন ভোরের সূর্য আরও রক্তিম হয়ে ওঠে। রাখালের বাঁশির সুরলহরি এদিন আরও করুণ হয়ে ওঠে।

    নানা ঘটনাপ্রবাহ আর ব্যথাতুর স্মৃতিতে বাঙালি জীবনে আগস্টের গোটা মাস ভারি হলেও ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড বিশ্বমানবতাকে স্তম্ভিত করে দেয়। এদিন বাঙালি জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান, বাংলাদেশের স্থপতি, মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ও বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা নির্মমভাবে হত্যা করেন।

    বিশ্ব ইতিহাসের নির্মম ওই হত্যাকাণ্ডে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সেদিন আরও প্রাণ হরণ করা হয় বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল, রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের ও কর্নেল জামিলের।

    ঘাতক সেনাদের বুলেটে আরও প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শহীদ সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ রিন্টু খান।

    বর্বর ওই হত্যাকাণ্ডের দিন দেশে না থাকায় প্রাণে রক্ষা পান বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা। ওই সময় স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে জার্মানির কার্লসরুইয়ে সন্তানসহ অবস্থান করছিলেন শেখ হাসিনা। শেখ রেহানাও ছিলেন বড় বোনের সঙ্গে।

    আগস্ট মানেই জাতির দীর্ঘশ্বাস। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ওই হত্যাকাণ্ডের নির্মমতা পৃথিবীর যে কোনো হত্যাকাণ্ডকে হার মানায়। ঘটনার বর্ণনায় দুনিয়ার সবচেয়ে নিকৃষ্ট খুনিও আঁতকে উঠবে। রাতের আঁধারে বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে পৈশাচিক পন্থায় হামলা চালান দিকভ্রান্ত সেনা কর্মকর্তারা। বুলেটের আঘাতে রক্তগঙ্গা বয়ে যায় পুরো বাড়ি। ঝাঁঝরা হয়ে যায় দরজা, জানালা, বাড়ি ও দেয়াল। রক্তসাগরে যুবে ছিল লাশগুলো।

    jagonews24

    নিজের সৃষ্ট দেশে কোনো বাঙালি তার জীবনের হুমকি হতে পারে, কখনও ভাবেননি বঙ্গবন্ধু। এ কারণে বাড়তি নিরাপত্তার ধার ধারেননি তিনি। সুরক্ষিত রাষ্ট্রপতির বাসভবন ছেড়ে বসবাস করতেন প্রিয় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে।

    ওই বাড়িতেই ঘাতকের বন্দুকের নলের সামনে দাঁড়িয়ে পর্বতসম দেহ আর ইস্পাতসম মনোবল নিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘তোরা কী চাস আমার কাছে? কোথায় নিয়ে যাবি আমাকে?’

    ঘাতকরা তাকে অন্য কোথাও নিয়ে যায়নি। বঙ্গবন্ধুকে তার প্রিয় বাড়িতেই বুলেটের আঘাতে ঝাঁঝরা করে দেয়। নির্মম ওই হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশ যেন মেঘে ঢেকে যায়। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা’ যেন ‘খুনের বাংলায়’ পরিণত করে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুরস্কৃত করা হয়। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে খুনিদের দায়িত্ব দেয়া হয়।

    বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক বিচারের হাত থেকে খুনিদের রক্ষা করতে কুখ্যাত ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করেন। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে ইনডেমনিটিকে আইন হিসেবে অনুমোদন দেন।

    তবে শেষ রক্ষা হয়নি খুনিদের। ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি পাঁচ আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর করে জাতিকে কলঙ্ক মুক্ত করা হয়। যদিও দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েকজন আসামির সাজা এখনও কার্যকর করতে পারেনি সরকার।

  • বন্যার কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা স্থগিত

    বন্যার কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা স্থগিত

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের স্নাতকের (পাস) আজ রবিবারের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আজ দুপুর ২টায় সমাজ বিজ্ঞান ৪র্থ পত্র, সমাজকর্ম ৪র্থ পত্র, মার্কেটিং  ৪র্থ পত্র এবং পদার্থবিজ্ঞান ৪র্থ পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

    আজকের পরীক্ষা স্থগিত হলেও অন্যদিনের পরীক্ষা অপরিবর্তিত থাকবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. ফয়জুল করিম জানান, বন্যাজনিত কারণে ১৩ অাগস্টের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ পরীক্ষার তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে।

  • প্রয়োজনে কিডনি বিক্রির ঘোষণা বরিশাল বুলস্ ভক্তদের

    প্রয়োজনে কিডনি বিক্রির ঘোষণা বরিশাল বুলস্ ভক্তদের

    কিডনি লাগলে কিডনি নাও, বরিশালের টিম(বরিশাল বুলস্) ফিরিয়ে দাও” এই শ্লোগানকে সামনে বিক্ষোভ ও মানব-বন্ধন কর্মসূচি পালন করেন বাবুগঞ্জে’র রহমতপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট’র শিক্ষার্থীরা । পঞ্চম বিপিএল ক্রিকেট আসরে বরিশাল বুলস্ খেলছেন না এমন সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ বরিশালের বাবুগঞ্জের ক্রিকেট প্রেমীরা।

    রবিবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ক্রিকেট প্রেমীরা বলেন বরিশালের মত একটি বিভাগীয় বিপিএল এর শক্তিশালী টিম অর্থনৈতিক কারনে বাদ পরবে এটা মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে তাদের। শিক্ষার্থীরা বলেন প্রয়োজনে আমার কিডনি বিক্রি করে টিম স্পন্সরদের টাকা দেব।

    এ সময় তার বরিশালের শিল্প উদ্দ্যোক্তা, রাজনীতিবীদ, ব্যবসায়ীসহ ধনী ব্যক্তিদের বরিশাল বুলসের স্পন্সর হয়ে বরিশাল বুলস্ কে বিপিএল’র পঞ্চম আসরে ফিরিয়ে আনার জন্য অনুরোধ করেন। উল্লেখ্য আর্থিক শর্ত মানতে না পারায় এবারের পঞ্চম আসরে বরিশাল বুলস্ খেলছেন না। নির্ধারিত সময়ে ব্যাংক গ্যারান্টি ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি জমা দিতে না পারায় বিপিএল থেকে বাদ পড়ছে দলটি।

    ঘটনাটিতে বরিশালের কর্নধাররা ব্যপক সমালোচিত হচ্ছে।

  • ঢাবির অধিভুক্ত ৭ কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষা শুরু ১০ সেপ্টেম্বর

    ঢাবির অধিভুক্ত ৭ কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষা শুরু ১০ সেপ্টেম্বর

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শেষ পর্বের পরীক্ষার সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    শিক্ষার্থীরা স্ব-স্ব কলেজ থেকে পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি জানতে পারবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের এমএ, এমএসএস, এমএসসি ও এমবিএস শেষ পর্ব (নতুন ও পুরাতন সিলেবাস অনুযায়ী) পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

    সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা শুরু হবে। শেষ হবে আগামী ৩১ অক্টোবর। প্রতিদিন দুপুর ২টায় পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষার সময়কাল প্রশ্নপত্রে উল্লেখ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। ব্যবহারিক পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় পরে জানানো হবে।

    অধিভুক্ত কলেজগুলো হলো- ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেছা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ ও সরকারি বাঙলা কলেজ।

    পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র স্ব-স্ব কলেজের অধ্যক্ষ কর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে ঢাবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে। ঢাবি ইস্যুকৃত প্রবেশপত্র ছাড়া কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। এছাড়া পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রে মোবাইল ফোন ও যেকোন ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিজ প্রতিষ্ঠান ছাড়া পাঁচটি ভিন্ন কলেজের কেন্দ্রে তাদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    সে অনুযায়ী বেগম বদরুন্নেছা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও কবি নজরুল সরকারি কলেজের পরীক্ষার কেন্দ্র ঢাকা কলেজ, ঢাকা কলেজের পরীক্ষার কেন্দ্র ইডেন কলেজ, ইডেন কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্র বেগম বদরুন্নেছা কলেজ, তিতুমীর কলেজের পরীক্ষার কেন্দ্র বাঙলা কলেজ এবং বাঙলা কলেজের পরীক্ষার কেন্দ্র তিতুমীর কলেজে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, সময়সূচিতে কোনো অসঙ্গতি থাকলে তা প্রকাশের পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

  • ‘বিবাহ বিচ্ছেদ কোনও সহজ বিষয় নয়’

    ‘বিবাহ বিচ্ছেদ কোনও সহজ বিষয় নয়’

    বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী জুটি মালাইকা অরোরা খান এবং আরবাজ খান। গত বছরের মার্চে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের ঘোষণা সামনে আসে।

    তারপর গেল মাসে এর আইনি প্রক্রিয়াও কার্যকর হয়েছে।

    বান্দ্রা ফ্যামিলি কোর্ট এই জুটির বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন কার্যকর করার মধ্য দিয়ে তাদের ১৮ বছরের বৈবাহিক সম্পর্কের অবসান হয়েছে।

    বিচ্ছেদের ঘোষণার পর থেকে অবশ্য মালাইকা এবং আরবাজ পরস্পরের প্রতি ভদ্রোচিত সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। কিশোর পুত্র আরহানের প্রতিও তাদের মনোযোগ বজায় আছে। বর্তমানে আরহান থাকছে তার মায়ের সঙ্গে।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাত্কারে মালাইকা তার বিচ্ছেদ-পরবর্তী জীবন নিয়ে বলেছেন। মালাইকা জানান, এই কঠিন সময়ে পাশে থেকেছেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা।

    উল্লেখ্য, মালাইকাকে যাদের সঙ্গে প্রায়ই সময় কাটাতে দেখা যায়, তাদের মধ্যে আছেন কারিনা কাপুর, ডলি সিধওয়ানি, ভাবনা পাণ্ডে। ‘অনেকে আত্মোন্নয়ন-বিষয়ক বই পড়েন, কেউবা ক্ষত সারানোর জন্য মানসিক অনুশীলন করেন; আমার ক্ষেত্রে সবকিছুর মিশ্র ব্যবহার হয়েছে। আমি বন্ধুদের ওপর নির্ভর করেছি। আমি তেমন অধ্যাত্মিক মানুষ নই, কিন্তু আমি ধ্যান করি, স্বাস্থ্যের যত্ন নিই। ’

    শুরুর দিকে বিচ্ছেদ নিয়ে মালাইকা কথা বলতে অস্বস্তিতে থাকতেন, তবে সমস্যাটা এখন কেটেছে। তার মতে, বন্ধু, থেরাপিস্ট বা বাইরের কারও সঙ্গে যুক্ত হওয়া নিজের সমস্যা কাটাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

    মালাইকা আরো বলেছেন, তার ছেলে আরহানের উপস্থিতি তাকে কঠিন সময় পার হতে সহায়তা করেছে। আরবাজ নতুন কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর ঘোষণা দিলেও মালাইকা এখনো একাকীই আছেন। আরহান বাবার সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসেন বলে মালাইকা ও আরবাজের সাক্ষাৎ একবারে বন্ধ হয়ে যায়নি। ‘যা ঘটেছে তার পরও আরবাজ আমার জীবনের অংশ হয়েই থাকবে। বিচ্ছেদ কোনো সহজ বিষয় নয়। এটা যাদের জীবনে ঘটে, তারাই কেবল এর বেদনা বুঝতে পারেন’ এই বলে উপসংহার টেনেছেন মালাইকা।

  • সারিন গ্যাস পূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে সক্ষম উত্তর কোরিয়া: জাপান

    সারিন গ্যাস পূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে সক্ষম উত্তর কোরিয়া: জাপান

    আর্ন্তজাতিক মহলের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে একের পর এক পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। আর তাদের প্রত্যেকটি অস্ত্র বিষাক্ত সারিন গ্যাস দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করছে জাপান।

    শুধু তাই নয়, জাপানের দাবি অনুসারে, সারিন গ্যাস ভরা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর সক্ষমতাও রয়েছে উত্তর কোরিয়ার। আর যদি এ হামলা করা হয় তাহলে সারা বিশ্বে কোটি কোটি মানুষের মৃত্যু হবে বলেও জানিয়েছে দেশটির সামরিক পর্যবেক্ষক দল।

    প্রসঙ্গত, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে সম্প্রতি দাবি করেন, উত্তর কোরিয়া যেকোনো দিন জাপানের ওপর সারিন গ্যাস হামলা চালাতে পারে।  আবে আরো বলেন, ‘আমরা সিরিয়া নিয়ে কথা বলছি।  অথচ, উত্তর কোরিয়ারও ক্ষমতা আছে, সারিন গ্যাস হামলা চালানোর। ‘

    এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার দীর্ঘদিনের অভিযোগ, ১৯৮০ সাল থেকে রাসায়নিক অস্ত্রভাণ্ডার মজুদ করছে পিয়ংইয়ং। সিউলের দাবি, বর্তমানে পিয়ংইয়ংয়ের কাছে ২৫০০ থেকে ৫০০০ টন রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে। ২০১২ সালের এছাড়া একটি প্রতিবেদনে আমেরিকা জানিয়েছিল, বহু দিন ধরে রাসায়নিক কর্মসূচি চালাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। তাদের ভাণ্ডারে প্রাণঘাতী নার্ভ গ্যাস রয়েছে।

    উল্লেখ্য, সিরিয়ায় বিষাক্ত সারিন গ্যাস হামলার পর পরই উত্তর কোরিয়ার একটি উপদ্বীপের দিকে নৌবহর পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। যার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকেও পাল্টা হুমকি দিতে ছাড়েননি উত্তর কোরীয় প্রেসিডেন্ট কিম জং উন।