Category: জাতীয়

  • ডেঙ্গু রোধে দুই ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

    ডেঙ্গু রোধে দুই ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

    ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার দুই ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

    বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সদর জেনারেল হাসপাতাল ও শহরের খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দফায় দফায় আলোচনাসহ জুম কনফারেন্সের মাধ্যমে সারা দেশে স্বাস্থ্য বিভাগকে যথাযথ দিক নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

    তিনি বলেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালগুলোতে পরীক্ষা নিরীক্ষাসহ পর্যাপ্ত চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। পাশাপাশি মশা নিধনেও সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে। সেই লক্ষ্যে সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার মশা নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে। এ বিষয়ে আজকেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সভা হবে। আশা করছি অচিরেই দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

    নারায়ণগঞ্জের ৩০০ শয্যা হাসপাতাল ৫০০ শয্যায় রূপান্তর করতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ শেষপর্যায়ে আছে জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক জানান, এখানে আধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনপত্র ব্যবহারের মাধ্যমে সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুব্যবস্থাসহ উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

    এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন মশিউর রহমানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • দেশ ও অস্তিত্বের প্রশ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ

    দেশ ও অস্তিত্বের প্রশ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ

    গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকেই ভারত সরকার বিচলিত। শেখ হাসিনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখা ভারত বাংলাদেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বন্ধুত্বসুলভ আচরণ করছে না। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে লাগাতার অপপ্রচার, আগরতলায় সহকারী হাইকমিশনে কট্টর হিন্দুত্ববাদীদের হামলাসহ বিভিন্ন ঘটনায় বৈরিতার মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।

    এমন পরিস্থিতিতে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসেছিলেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে অনুষ্ঠিত এই সভায় দেশ, সার্বভৌমত্ব ও অস্তিত্বের প্রশ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

    ফরেন সার্ভিস একাডেমির সামনে গণমাধ্যমকর্মীদের আলোচনার বিভিন্ন দিক জানান আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশ বিরোধী যে অপপ্রচার চালাচ্ছে, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সব সম্প্রদায়ের ভূমিকার প্রশংসা করা হয়েছে। একই সঙ্গে যে কোনো উসকানির মুখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

    বৈঠকের বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, সবাই একটা কথা বলেছেন, আমাদের আর শক্তিহীন, দুর্বল, নতজানু ভাবার কোনো অবকাশ নেই। যেকোনো ধরনের অপপ্রচার এবং উসকানির বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব এবং আমাদের ঐক্য অটুট রাখব। আমরা সাহসী থাকব, ভবিষ্যতে যেকোনো অপপ্রচার বা উসকানি দিলে আমরা আমাদের ঐক্যকে আরো বেগবান রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, প্রস্তাব আকারে এসেছে— গোটা জাতি ভারতের অপপ্রচার বিরুদ্ধে যে ঐক্যবদ্ধ আছে; সবাই মিলে একটা সমাবেশ করতে পারি কি না, সবাই মিলে পলিটিক্যাল একটা কাউন্সিল করতে পারে কি না, নিরাপত্তা কাউন্সিল করতে পারে কি না; এজন্য প্রস্তাবনা এসেছে। আমাদের মধ্যে মত-পথ ও আদর্শের ভিন্নতা থাকবে, আমাদের রাজনৈতিক ভিন্নতা থাকবে, অবস্থার ভিন্নতা থাকবে; কিন্তু দেশ, সার্বভৌমত্ব এবং অস্তিত্বের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। সবার উপরে দেশ, এটা থেকে আমরা কখনো বিচ্যুত হবো না। বাংলাদেশকে দুর্বল, নতজানু, শক্তিহীন ভাবার কোনো অবকাশ নেই।

    ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অধ্যাপক ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন; ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ; গণ সংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি; গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর; বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মামুনুল হক।

    বৈঠকে আরও অংশ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমার ও সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ চারজন; খেলাফত মজলিসের আমির আব্দুল বাসিদ আজাদ, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জাহাঙ্গীর হোসাইন; রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম; জমিয়তে উলামে ইসলামের সহ-সভাপতি আব্দুর রউফ ইউসুফি ও মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেনদি।

  • আগরতলায় বাংলাদেশের কনস্যুলার সেবা বন্ধ

    আগরতলায় বাংলাদেশের কনস্যুলার সেবা বন্ধ

    ভারতের আগরতলার রাজধানী ত্রিপুরায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার ঘটনায় সেখানে কনস্যুলার সেবা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।ফলে ওই মিশন থেকে বাংলাদেশের ভিসা সেবা বন্ধ থাকবে।

    মঙ্গলবার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।

    কূটনৈতিক সূত্র বলছে, নিরাপত্তার কারণে আপাতত আগরতলার বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে কনস্যুলার সেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গতকাল (২ ডিসেম্বর) দুপুরে আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার ঘটনা ঘটে। ভাঙচুর, ফ্ল্যাগস্ট্যান্ড ভেঙে বাংলাদেশের মর্যাদার প্রতীক জাতীয় পতাকা খুলে নিয়ে পোড়ানো হয়। এ ঘটনায় ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মাকে জরুরিভিত্তিতে তলব করেছে ঢাকা।

    আগরতলাসহ ভারতে বাংলাদেশের সব মিশনের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য গতকাল (সোমবার) দিল্লিকে নোট পাঠিয়েছে ঢাকা। কঠোর প্রতিবাদের সঙ্গে ওই নোট পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।

  • ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার

    ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার

    বাংলাদেশ সিভিল সোসাইটি নামের একটি সংগঠন ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। এই কর্মসূচি ঘিরে ভারতীয় হাইকমিশন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।নিরাপত্তায় রয়েছে সেনাবাহিনী।

    মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে ভারতীয় হাইকমিশনে প্রবেশের বিভিন্ন রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

    রাজধানীর শাহজাদপুর বাঁশতলায় ব্যাপক নিরাপত্তাবলয় দেখা গেছে। বাঁশতলা থেকে ভারতীয় হাইকমিশনগামী রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, বাঁশতলা থেকে ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখী রাস্তায় কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা পরিচয় দিয়ে চলাচল করতে পারছেন।

    গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) তারেক মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল (সোমবার) আগরতলায় যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সোসাইটি নামে একটি সংগঠন আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ২টার দিকে ভারতীয় দূতাবাস (হাইকমিশন) ঘেরাও করার কর্মসূচি ডেকেছে।তাই এই এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গতকাল (২ ডিসেম্বর) দুপুরে ভারতের আগরতলার রাজধানী ত্রিপুরায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার ঘটনা ঘটে। ভাঙচুর, ফ্ল্যাগস্ট্যান্ড ভেঙে বাংলাদেশের মর্যাদার প্রতীক জাতীয় পতাকা খুলে নিয়ে পোড়ানো হয়। এর প্রতিবাদে এই ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে হামলার ঘটনায় ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মাকে জরুরিভিত্তিতে তলব করেছে ঢাকা।

    এ ছাড়া আগরতলাসহ ভারতে বাংলাদেশের সব মিশনের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য গতকাল (সোমবার) দিল্লিকে নোট পাঠিয়েছে ঢাকা। কঠোর প্রতিবাদের সঙ্গে ওই নোট পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।

  • হাসনাত ও সারজিসের গাড়িবহরে ধাক্কা, চালক-হেলপার রিমান্ডে

    হাসনাত ও সারজিসের গাড়িবহরে ধাক্কা, চালক-হেলপার রিমান্ডে

    চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের গাড়ি বহরে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় ট্রাকচালক ও সহকারীর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    মঙ্গলবার চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-৪ এর আদালতের বিচারক মাহবুবুল হক এ আদেশ দেন।

    রিমান্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ট্রাকচালক মুজিবর রহমান (৪০) ও তার ছেলে সহকারী রিফাত মিয়া (১৮)।

    আদালত সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালে আসামিদের আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করে লোহাগাড়া থানা পুলিশ। আদালত শুনানি শেষে সড়ক পরিবহণ আইনের ৯৮ ধারায় বাবা-ছেলের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    গত ২৮ নভেম্বর হাসনাত ও সারজিস আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের গ্রামের বাড়ি চুনতি ফারাঙ্গা এলাকা থেকে ফিরছিলেন।তাদের গাড়িবহরের একটি প্রাইভেটকার মহাসড়কে উঠতেই চট্টগ্রামমুখী একটি মালবাহী ট্রাক গাড়িটির সামনের অংশে ধাক্কা দেয়। এতে কারটির সামনের বাম দিকের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি নিয়ে চালক পালিয়ে যেতে চাইলে বহরে থাকা মোটরসাইকেল আরোহীরা ধাওয়া দিয়ে চালক ও সহকারীকে আটক করেন। পরে তাদের লোহাগাড়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িটির চালক আহমেদ নেওয়াজ বাদী হয়ে লোহাগাড়া থানায় একটি মামলা করেন।

  • জাতীয় ঐক্য নিয়ে সংলাপের ডাক প্রধান উপদেষ্টার

    জাতীয় ঐক্য নিয়ে সংলাপের ডাক প্রধান উপদেষ্টার

    দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘জাতীয় ঐক্য’র ডাক দিতে সংলাপে বসতে যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

    মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    সংলাপের অংশ হিসেবে বুধবার তিনি দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসবেন। পরদিন বসবেন ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে।

    প্রেস সচিব বলেন, ‘এই দুই মিটিংয়ের উদ্দেশ্য হচ্ছে (প্রধান উপদেষ্টা এর মাধ্যমে) ন্যাশনাল ইউনিটির (জাতীয় ঐক্য) ডাক দেবেন।‘

    একই উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা রয়েছে প্রধান উপদেষ্টার।

  • রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার তালিকা চেয়ে চিঠি

    রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার তালিকা চেয়ে চিঠি

    আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়ের করা সব রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার তালিকা চেয়ে দেশের পাবলিক প্রসিকিউটর ও মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটরদের চিঠি দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

    চিঠিতে মন্ত্রণালয়ের তৈরি করে দেওয়া নির্ধারিত ছকে ১৭ ডিসেম্বর মধ্যে আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর বরাবর অথবা solicitor@lawjusticediv.gov.bd ঠিকানায় এই তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে।

    আইন মন্ত্রণালয়ের তৈরি করে দেওয়া ছকে ক্রম, সংশ্লিষ্ট জেলার নামসহ আদালতের নাম, মামলার নম্বর, এজাহারকারী/নালিশকারীর নাম ও পরিচয়, মোট আসামির সংখ্যা এবং এর মধ্যে অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা (যদি থাকে), এজাহার/নালিশে উল্লিখিত ঘটনার তারিখ, মামলাটি কোন আইনের কোন ধারায় দায়েরকৃত, মামলাটি কোন পর্যায়ে (তদন্তাধীন, নাকি বিচারাধীন) আছে তথ্য সন্নিবেশ করতে বলা হয়েছে চিঠিতে।

    গতকাল (২ ডিসেম্বর) উপ-সলিসিটর সানা মো. মারুফ হোসাইন স্বাক্ষরিত এ সম্পর্কিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে বিশেষত ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অব্যবহিত পূর্বে এবং তৎপরবর্তীতে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলা (যা অনেক ক্ষেত্রে গায়েবি মামলা নামে পরিচিত) দায়ের করা হয়। এসব মামলা সম্পর্কিত সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য না থাকায় আইনানুগভাবে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না বিধায় চিঠিতে উল্লিখিত ছক অনুসারে ওই মামলাগুলোর তথ্যাদি জরুরি ভিত্তিতে পাওয়া একান্ত আবশ্যক।

    চিঠিতে আরও বলা হয়, মামলার তালিকা প্রণয়নে বিশেষভাবে যত্নবান ও দায়িত্বশীল হওয়াসহ সর্বোচ্চ সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে।প্রাপ্ত মামলার তালিকা মন্ত্রণালয় কর্তৃক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে।

  • চিন্ময়ের পক্ষে ছিলেন না আইনজীবী, জামিন শুনানি পেছাল

    চিন্ময়ের পক্ষে ছিলেন না আইনজীবী, জামিন শুনানি পেছাল

    বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ও চট্টগ্রামের পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন শুনানি হয়নি।

    মঙ্গলবার ধার্য তারিখে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মো. সাইফুল ইসলামের আদালতে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী শুনানি করেননি। পাশাপাশি রাষ্ট্রপক্ষও মামলাটি শুনানি না করে সময়ের আবেদন করেন। সবমিলিয়ে আদালত পরবর্তী জামিন শুনানির জন্য ২ জানুয়ারি তারিখ ধার্য করেন।

    চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এনামুল হক বলেন, আজ চিন্ময় দাসের পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পাশাপাশি রাষ্ট্রপক্ষও শুনানির জন্য সময়ের আবেদন করেন। আদালত জামিন শুনানির জন্য ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারি ধার্য করেছেন। যেহেতু শুনানি হয়নি এ কারণে আসামিপক্ষের উচ্চ আদালতে যাওয়ার সুযোগ নেই। আবার দায়রা জজ আদালতে অপেক্ষমাণ থাকার কারণে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেও জামিন শুনানি করার সুযোগ নেই।

    এক্ষেত্রে জামিন শুনানির ধার্য তারিখ ২ জানুয়ারি পর্যন্ত চিন্ময় দাসকে কারাগারে থাকতে হতে পারে কিনা জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী বলেন, ধার্য তারিখের আগে জামিন পেতে চাইলে চিন্ময় দাসের পক্ষের আইনজীবীদের একটি পথ খোলা রয়েছে। সেটি হচ্ছে তারা জামিন শুনানির তারিখ এগিয়ে আনার জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করতে পারেন। সেটি যদি আদালত না মঞ্জুর করেন, সেক্ষেত্রে এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যেতে পারেন। উচ্চ আদালত যদি মহানগর দায়রা জজকে তারিখ এগিয়ে এনে শুনানির জন্য নির্দেশনা দেন সেক্ষেত্রে ২ জানুয়ারির আগে শুনানির সুযোগ রয়েছে। তখনো জামিন দেওয়া না দেওয়া মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিষয়। এরপরও জামিন না হলে আসামিপক্ষ উচ্চ আদালতেও যেতে পারেন আবার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেও জামিন শুনানি করতে পারেন।

    এদিকে চট্টগ্রাম মহানগর সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মফিজুল হক ভূঁইয়ার পদত্যাগ ও অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের খুনিদের বিচারের দাবিতে আজও বিক্ষোভ করেছেন আইনজীবীরা। বেলা ১১টার দিকে আদালত এলাকায় বিক্ষোভ করে স্লোগান দিতে থাকেন তারা।

    এর আগে গত (সোমবার) চিন্ময়ের জামিন প্রদান না করায় আদালত এলাকায় তার অনুসারীদের তাণ্ডবের ঘটনায় দায়ের হওয়া একটি মামলার দুই আসামির পক্ষে ওকালতনামা জমা দেন নেজাম উদ্দিন ও সানজিদা গফুর। তাদের মধ্যে নেজাম উদ্দিন পিপি মফিজুল হক ভূঁইয়ার জুনিয়র এবং অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর।

    উল্লেখ্য, গত ২৫ নভেম্বর বিকালে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে। পরদিন ২৬ নভেম্বর তাকে চট্টগ্রামের একটি আদালতে হাজির করা হয়। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    এ ঘটনায় আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ শুরু করেন ইসকন ও চিন্ময়ের অনুসারীরা। টানা কয়েক ঘণ্টার বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে বিকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে হত্যা করেন কিছু ইসকন অনুসারী। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং স্থানীয় কয়েকজনের করা ভিডিও ফুটেজে হত্যার চিত্র দেখা যায়।

  • যেকোনো চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান সেনাপ্রধানের

    যেকোনো চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান সেনাপ্রধানের

    সামরিক চেতনাবোধকে সমুন্নত রেখে যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ নিতে সব সময় প্রস্তুত থাকতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

    মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে ৮৭তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি ও ৫৯তম বিএমএ স্পেশাল কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি।

    সকালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছান সেনাপ্রধান। শুরুতেই তিনি নবীন ক্যাডেটদের অভিবাদন গ্রহণ করে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। এরপর পুরস্কার পাওয়া ক্যাডেটদের হাতে স্মারক তুলে দেন তিনি।

    এবার সব বিষয়ে শ্রেষ্ঠ কৃতিত্বের জন্য সোর্ড অব অনার অর্জন করেন ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার আব্দুল্লাহ আল আরাফাত।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান কমিশন পাওয়া কর্মকর্তাদের যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশপ্রেমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নিদের্শনা দেন। প্রত্যেক সেনাসদস্যের সাহসিকতার সঙ্গে সব পরিস্থিতি মোকাবিলা ও মাতৃভূমির স্বাধীনতা রক্ষাই প্রথম এবং প্রধান কাজ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা প্রধান চালিকাশক্তি উল্লেখ করে সেনাপ্রধান বলেন, নবীন কর্মকর্তাদের ওপর অর্পিত হবে সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। তাই তাদের যে কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নিজের বিবেকের দারস্থ হওয়ান আহ্বান জানান তিনি।

    দীর্ঘ তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে এই মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ৮৭তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সর্বমোট ২১৩ জন অফিসার ক্যাডেট এবং ৫৯তম বিএমএ স্পেশাল কোর্সের ১৪ অফিসার ক্যাডেট ও চার ট্রেইনি অফিসার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করলেন। কমিশন পাওয়া অফিসারদের মধ্যে ২০৭ পুরুষ ও ২৪ নারী কর্মকর্তা রয়েছেন।

    প্রধান অতিথি বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে পৌঁছালে তাকে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া এবং বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির কমান্ড্যান্ট অভ্যর্থনা জানান।

  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে অসন্তুষ্ট ৪৪.৯ শতাংশ মানুষ

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে অসন্তুষ্ট ৪৪.৯ শতাংশ মানুষ

    অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৪৪ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ এবং এ সেবা সম্পর্কে অবগত নয় বলে জানিয়েছেন ২২ শতাংশের বেশি মানুষ। এছাড়া জরুরি সেবা ৯৯৯ এর সেবায় সন্তুষ্ট নয় ৩২ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ, এতে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ।

    মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগসূত্রে ‘কেমন পুলিশ চাই’ শীর্ষক জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

    জরিপের ফলাফলে আরও দেখা গেছে, ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবায় সন্তুষ্ট নয় ৪২ শতাংশ মানুষ। বিট পুলিশিং কার্যক্রমে সন্তুষ্ট নয় ৪৫ শতাংশের বেশি মানুষ। থানায় অনলাইনে জিডি সেবা ক্ষেত্রে সন্তোষজনক নয় বলে জানিয়েছেন ৪৪ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ। এদিকে নারী, শিশু, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ডেস্ক সংক্রান্ত কার্যক্রমটির বিষয়ে অসন্তষ্টি বেশি।

    সাইবার বুলিং ও সাইবার ক্রাইম সংক্রান্তে ভুক্তভোগী মেয়েদের প্রতিকারের জন্য এটি অনলাইন ব্যবস্থা। তবে কার্যক্রম সন্তোষজনক নয়। ৭২ দশমিক ১% উত্তরদাতা সন্তোষজনক নয় বা অবগত নয় জানিয়েছেন। এছাড়া ই-ট্রাফিকিং প্রসিকিউশন সেবা কার্যক্রমটিও সন্তোষজনক নয় বলে মত অধিকাংশের।

    এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ জরিপে অংশ নিয়েছেন ২৪ হাজার ৪৪২ জন। এদের মধ্যে ১৮ থেকে ৪৪ বছরের ব্যাক্তিদের অংশগ্রহনের হার ৮৬ দশমিক ৬ শতাংশ। তবে উত্তরদাতাদের প্রায় ৯৫ শতাংশ পুরুষ৷ উত্তরদাতাদের মধ্যে চাকরিজীবী ৩৬ দশমিক ৪ শতাংশ, ছাত্র ২৭ দশমিক ২ শতাংশ, ব্যাবসায়ী ৭ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ৭ দশমিক১ শতাংশ উল্লেখযোগ্য। এসব উত্তরদাতাদের সর্বাধিক ঢাকা জেলার এবং পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে চট্রগ্রাম ও কুমিল্লা।