Category: জাতীয়

  • সাবেক রেলমন্ত্রী সুজন কারাগারে

    সাবেক রেলমন্ত্রী সুজন কারাগারে

    পঞ্চগড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া আল আমিন নামে এক রিকশাচালককে হত্যার পর লাশ গুমের অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামি সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত।

    রোববার পঞ্চগড় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মো. আশরাফুজ্জামান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

    এর আগে শনিবার রাতে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে একটি প্রিজনভ্যানে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর পাহারায় পঞ্চগড় জেলা কারাগারে আনা হয়। এরপর সকাল ১০টায় তাকে আদালতে তোলা হয়। ২০ মিনিট শুনানি শেষে কড়া নিরাপত্তায় পঞ্চগড় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। আদালত তাকে ডিভিশন প্রদান করেন।

    আদালত সূত্রে জানায়, পঞ্চগড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে গুম হন আল আমিন। এ ঘটনায় আল আমিনের বাবা মনু মিয়া ১০ নভেম্বর জেলা আ.লীগ সভাপতি ও সাবেক রেলমন্ত্রী সুজনসহ ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা ও গুমের মামলা করেন। এ মামলায় আরও ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

    মামলার অপর আসামিরা হলেন- সাবেক সংসদ-সদস্য নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া, সাবেক সংসদ-সদস্য মজাহারুল হক প্রধান, জেলা আ.লীগের সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম পল্লব, ছাত্রলীগ সভাপতি আবু নোমান হাসান, সম্পাদক সাদমান সাদিক প্লাবন পাটোয়ারীসহ ১৯ জন।

  • সোনার দাম ফের কমল

    সোনার দাম ফের কমল

    দেশের বাজারে সোনার দাম আবার কমানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এক হাজার ৪৮১ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৩৭ হাজার ২২৭ টাকা।

    স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। আগামীকাল সোমবার (২ ডিসেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

    রোববার বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম ক‌মে‌ছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ২৭ ন‌ভেম্বর ভরিতে সর্বোচ্চ তিন হাজার ৪৫৩ টাকা কমা‌নো হয়েছিল।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনা এক লাখ ৩৭ হাজার ২২৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ১২ হাজার ২৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ৯২ হাজার ১৩৪ টাকায় বিক্রি করা হবে।

    সোনার দাম কমা‌নো হলেও অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটে প্রতি ভরি রুপার দাম দুই হাজার ৫৭৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১ হাজার ৫৮৬ টাকা।

    এর আগে ২৮ নভেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৫৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৩৮ হাজার ৭০৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ৯৬ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৩২ হাজার ৩৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু

    ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৮৮ জন।

    এ নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭৫ জন এবং শনাক্ত রোগী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯ হাজার ৬০৩ জনে।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হাসপাতালে নতুন ভর্তিদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৫০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৩৯, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৮৮, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১০৫, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১৭ জন রয়েছেন।

    এছাড়া রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৭ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৭ জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৬ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দুজন ও বরিশাল বিভাগে দুজন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) রয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৮৯ হাজার ৬০৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ নারী রয়েছেন। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ৪৭৫ জনের মধ্যে নারী ৫১ দশমিক ৬ শতাংশ এবং পুরুষ ৪৮ দশমিক ৪ শ

  • ইসকন সমর্থকদের হাতে খুন আলিফ চিরনিদ্রায় শায়িত

    ইসকন সমর্থকদের হাতে খুন আলিফ চিরনিদ্রায় শায়িত

    চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ফারাঙ্গা এলাকায় পশ্চিম কূল হযরত আব্দুল লতিফ শাহের (রা.) মাজার মাঠ প্রাঙ্গণে চতুর্থ দফা জানাজা শেষে নিজ ভিটায় দাফন করা হয়েছে ইসকন সমর্থকদের হাতে খুন হওয়া আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে।

    দুপুর ২টা থেকে দূর-দূরান্তের লোকজন জমায়েত হন লতাপীর শাহ মসজিদ ও মাদ্রাসা মাঠে। ওই সময় বিক্ষুব্ধ জনতা নানান স্লোগান দিতে থাকেন। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো মাঠ কানায় কানায় ভরে যায়।

    বিকাল সাড়ে ৩টায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ পাহারায় অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের মরদেহ মাঠে পৌঁছলে শোকের ছায়া নেমে আসে। হু হু করে কাঁদতে দেখা যায় মুসল্লিদের। লাখো মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হন আলিফ। আসরের নামাজের পরপরই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন মাওলানা কাজী মোহাম্মদ বদর উদ্দীন সাঈদী।

    সন্ধ্যার পর নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তার গ্রামের বাড়িতে আসেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং নাগরিক কমিটির সদস্য ও জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।

    এ সময় তারা নিহতের পরিবারকে সান্ত্বনা দেন এবং আলিফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

    জানাজাপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আইনজীবী সমিতির নেতা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

    গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য। বুক চাপড়ে কাঁদছেন স্বজনরা। বাকরুদ্ধ তার পরিবার। তার পিতা জামাল উদ্দিন, মা হোসনে আরা বেগম ও স্ত্রী ইসরাত জাহান তারিন বারবার কাঁদতে কাঁদতে মূর্ছা যান। আলিফের অনাগত সন্তানের মুখ দেখতে পেল না বলতে বলতেই মা হোসনে আরা বেগম জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

    নিহত আলিফের তাজকিয়া নামের আড়াই বছরের কন্যাসন্তান বুঝতে পারছে না তার বাবা আর নেই। তাকিয়া অপলক চোখে তাকিয়ে আছে সবার দিকে।

    রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবিতে চালানো সংঘর্ষের সময় মঙ্গলবার চট্টগ্রাম আদালত ভবনের প্রবেশমুখে রঙ্গম কনভেনশন হলের পেছনে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে।

    আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ ৫ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তৃতীয়। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছিলেন। সাইফুল ইসলাম আলিফ লোহাগাড়ার আধুনগর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে জিপিএ ফাইভ পেয়ে দাখিল পাশ করেছিলেন। চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি) থেকে এলএলবি এলএলএম পাশ করে আইন পেশায় নিযুক্ত হন।

    ২০১৮ সাল থেকে আইনজীবী হিসেবে চট্টগ্রাম আদালতে প্র্যাকটিস করতেন। সম্প্রতি তিনি চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

    নিহত আলিফের বড় ভাই খানে আলম বলেন, সাড়ে তিন বছর আগে বিয়ে করেন আলিফ। তাদের তাজকিয়া নামের আড়াই বছরের এক কন্যাসন্তান আছে। তারিন এখন ৭ মাসের সন্তানসম্ভবা। আমার ভাইয়ের পরিবারকে কী দিয়ে সান্ত্বনা দেব বলেই কেঁদে উঠেন।

    তিনি আরও বলেন, খুনিরা আমার ভাইয়ের অনাগত সন্তানের মুখ দেখতে দেয়নি, নৃশংসভাবে জবাই করে হত্যা করেছে। অবিলম্বে খুনিদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    কথা হয় নিহতের কয়েকজন প্রতিবেশীর সঙ্গে। তারা জানান, আলিফ অত্যন্ত ভদ্র, নম্র ও ধর্মভীরু ছিল। তার মৃত্যুতে পুরো এলাকার মানুষ শোকের সাগরে ভাসছে।

  • সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

    সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

    বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ছাত্র-জনতা এবং হিন্দু-মুসলিমসহ জাতি ধর্ম নির্বিশেষ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

    বুধবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জ্যেষ্ঠ নেতৃবন্দের বৈঠককালে তিনি এ কথা বলেন।

    পরে প্রধান উপদেষ্টরা প্রেস সচিব শফিকুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশবাসীকে শান্ত থাকতে বলেছেন এবং শান্তি ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা দিয়েছেন।’

    বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকেও জাতীয় ঐক্যের কথা বলা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন শফিকুল আলম।

    চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের হত্যাকাণ্ড এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানান প্রেস সচিব।

    তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে যা যা করার দরকার, সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছে।’

    প্রেস সচিব জানান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ইতোমধ্যে ৩৩ জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে সাইফুল ইসলাম হত্যার ভিডিও দেখে সন্দেহভাজন ৬ ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় ২১জন এবং আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ৬ জনকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে।

    বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধিলে ছিলেন-দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাউদ্দিন আহমেদ।

  • এসপি বাবুল আক্তারের জামিন

    এসপি বাবুল আক্তারের জামিন

    স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।ফলে বাবুল আক্তারের মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।

    বুধবার বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি আলী রেজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    আদালতে বাবুলের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।তিনি বলেন, বাবুল আক্তার অন্য মামলায় আগে থেকেই জামিনে আছেন। আজ স্ত্রী হত্যা মামলায় জামিন পাওয়ায় তার মুক্তিতে আর বাধা নেই।পুলিশের সাবেক এই কর্মকর্তা তিন বছর ৭ মাস ধরে কারাগারে আছেন, এই বিবেচনায় আদালত তাকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছেন। একই সঙ্গে বাবুল আক্তারকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।

    দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত ১৪ আগস্ট চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জসিম উদ্দিনের আদালতে জামিন আবেদন করেছিলেন বাবুল আক্তার। ১৮ আগস্ট জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন বিচারক। পরে তিনি জামিনের জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

    ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরীর পাঁচলাইশ থানার ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার কাছে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয় মিতুকে। স্ত্রীকে খুনের ঘটনায় পুলিশ সদর দপ্তরের তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার বাদী হয়ে হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে।

    গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদসহ নানা নাটকীয়তার পর ওই বছরের আগস্টে বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে তাকে স্ত্রী হত্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে বাবুল আক্তার কারাগারে রয়েছেন।

    ২০২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সাতজনকে আসামি করে আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে। ১০ অক্টোবর আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। চলতি বছরের ১৩ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি করা হয়েছে মিতুর স্বামী ও সাবেক এসসি বাবুল আক্তারকে।

    অভিযোগপত্রে আরও যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন- মো. কামরুল ইসলাম শিকদার মুছা, এহতেশামুল হক, হানিফুল হক, মো. মোতালেব মিয়া ওয়াসিম, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. খাইরুল ইসলাম কালু এবং শাহজাহান মিয়া। আসামিদের মধ্যে শুধু মুসা পলাতক রয়েছেন।

  • ৪৬ তম বিসিএস প্রিলির পুনরায় ফল প্রকাশ

    ৪৬ তম বিসিএস প্রিলির পুনরায় ফল প্রকাশ

    ৪৬ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পুনরায় ফলাফল প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ।

    বুধবার বিকালে এ ফল প্রকাশিত হয়। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনন্দ কুমার বিশ্বাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৩ এর প্রিলিমিনারি (MCQ Type) টেস্টে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে ২১ হাজার ৩৯৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার জন্য সাময়িকভাবে (provisionally) উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    এর আগে ৯ মে ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয় । এতে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ১০ হাজার ৬৩৮ জন প্রার্থী। তবে পুনরায় ফল প্রকাশে ২১ হাজার ৩৯৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    গত ২৬ এপ্রিল ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন কেন্দ্রে চাকরিপ্রার্থীরা অংশ নেন। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২০০ নম্বরের এ পরীক্ষা হয়। ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারিতে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৫৬১ প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। পরীক্ষা দেননি ৮৩ হাজার ৪২৫ জন। উপস্থিতির হার ৭৫।

    এ বিসিএসে ৩ হাজার ১৪০টি পদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে। এ ছাড়া সহকারী সার্জন ১ হাজার ৬৮২ জন, সহকারী ডেন্টাল সার্জন ১৬ জন নেওয়া হবে। এরপর সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে। বিভিন্ন বিষয়ে এ ক্যাডার থেকে বিসিএস শিক্ষায় ৫২০ জন নেওয়া হবে।

  • ইসকনকে নিষিদ্ধের দাবি হেফাজতে ইসলামের

    ইসকনকে নিষিদ্ধের দাবি হেফাজতে ইসলামের

    চট্টগ্রামে আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম ওরফে আলিফকে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম। একই সঙ্গে তারা ইসকনকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব সাজেদুর রহমান।

    সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী সই করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে উগ্র হিন্দুত্ববাদী ইসকনের কর্মী-সমর্থকেরা চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে সন্ত্রাসী আক্রমণ চালিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। ভারতের উসকানি ও মদদে এ ষড়যন্ত্রমূলক অরাজকতা তৈরি করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি। এ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ইসকনের কর্মী-সমর্থকদের দ্রুত গ্রেফতার করে শহিদ সাইফুল হত্যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। সন্ত্রাসী কার্যক্রমের দায়ে হিন্দুত্ববাদী ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।’

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ভারতের কোনো ফাঁদে পা না দিতে সাধারণ সনাতনী হিন্দু ভাইবোনদের প্রতি আমরা আহ্বান করছি। আর যারা ভারতের চক্রান্তের সঙ্গে একীভূত হয়ে দেশবিরোধী অরাজকতা তৈরি করতে সক্রিয়, তাদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার নজির দেখাতে হবে সরকারকে।’

  • ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে গুজব, যে জবাব দিল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে গুজব, যে জবাব দিল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

    গত ৫ আগস্ট তীব্র প্রাণঘাতী গণআন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে, একচেটিয়া ভুয়া তথ্য আর গুজব প্রচার করে আসছে বেশিরভাগ ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। এসব প্রতিবেদনের বেশিরভাগ একপাক্ষিক এবং ধারণাপ্রসূত।

    এবার চট্টগ্রামে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও বহিষ্কৃত ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর অনুসারীদের হাতে খুন হওয়া আইনজীবী সাইফুল ইসলাম হত্যার বিষয়েও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করেছে ভারতের অনেক সংবাদমাধ্যম। শুধু তাই নয়, ভারতের অনেক এক্স (সাবেক টুইটার) একাউন্ট থেকে এই খুনের ঘটনা ভিন্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম রিপাবলিক মিডিয়া নেটওয়ার্কের ইংরেজি ভাষার চ্যানেল থেকে দাবি করা হয়েছে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর হয়ে আইনি লড়াই করছিলেন মুসলিম আইনজীবী সাইফুল ইসলাম। আর পুলিশের গুলি ও সংঘর্ষে সাইফুল খুন হয়েছেন।

    ওপি ইন্ডিয়া নামে আরেক ওয়েবসাইট থেকে একই দাবি করা হয়। শুরুতে তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল- ‘Muslim lawyer defending ISKCON monk Chinmoy Krishna killed amid protests’।

    পরে তারা শিরোনাম পাল্টে লিখে, ‘Bangladesh: Chittagong lawyer killed amid violent protests following the arrest of ISKCON monk Chinmoy Krishna Das’।

    এসব বিভ্রান্তিকর খবরের জবাব দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

    বুধবার সামাজিকমাধ্যমের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘কিছু ভারতীয় গণমাধ্যম দাবি করছে, আজ (মঙ্গলবার) চট্টগ্রামে নির্মমভাবে খুন হওয়া আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের প্রতিনিধিত্ব করছিলেন। দাবিটি মিথ্যা এবং খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে’।

    এতে আরো বলা হয়, ‘চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের ওকালতনামা অনুযায়ী, তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুভাশীষ শর্মা। আমরা সকলকে যেকোনো প্রকার উস্কানিমূলক, মিথ্যা প্রতিবেদন থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করছি’।

    বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ভারত থেকে একের পর এক ভুয়া তথ্য প্রচার জনমানসে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। যা এখানে হিংসা এবং সংঘাতে উসকানি দিচ্ছে। গত কয়েক মাসের প্রতিবেদন যাচাই করলে দেখা যায়, রিপাবলিক মিডিয়া নেটওয়ার্ক এসব অপতথ্যের সবচেয়ে বড় সরবরাহক।

    এদিকে একই দিনে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেফতার এবং জামিন আবেদন নামঞ্জুর করার ঘটনায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিবৃতিরও প্রতিবাদ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে একটি বিষয়ে আজ (২৬ নভেম্বর ২০২৪) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া একটি বিবৃতি সরকারের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। অত্যন্ত হতাশা ও অত্যান্ত পরিতাপের সাথে বাংলাদেশ সরকার লক্ষ্য করছে যে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে নির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেফতারের পর থেকে একটি মহল ভুল ধারণা পোষণ করছে। এই ধরনের ভিত্তিহীন বিবৃতি শুধু সত্যকে বিকৃত করে না বরং দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও বোঝাপড়ার চেতনার পরিপন্থী।’

  • ‘ইসকন’ বিষয়ে জানতে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিলেন হাইকোর্ট

    ‘ইসকন’ বিষয়ে জানতে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিলেন হাইকোর্ট

    চট্টগ্রামে আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম ওরফে আলিফকে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন সংগঠন। তারা একই সঙ্গে ইসকনকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে। আইনজীবী মনিরুজ্জামান ‘ইসকন নিষিদ্ধ’ চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপক্ষের মতামত জানতে জরুরি ভিত্তিতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে আদালতে ডেকে পাঠানো হয়। বুধবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের হাইকোর্ট বেঞ্চে পত্রিকাসহ আবেদন করেন আইনজীবী। যেখানে মঙ্গলবারের প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়।

    আদালতে এসে অ্যার্টনি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, সারা দেশের মানুষের মত তারও হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। কিন্তু এ বিষয় এখনই কোনো সিদ্ধান্ত যেন আদালত না নেন। কারণ সরকার এরই মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। সরকারের কাছে এটি এখন ১ নাম্বার এজেন্ডা।

    আসাদুজ্জামান আরও বলেন, যে কেউ কোনো অ্যাঙ্গেল থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। সরকার জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। সাম্প্রতিক ইস্যুতে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

    এ সময় হাইকোর্ট বলেন, এরা কারা? এদের পরিচয় কি?

    আদালত আরও বলেন, চট্টগ্রাম-রংপুরে এসব কী শুরু হয়েছে? এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে।

    পরে হাইকোর্ট বলেন, বিকালের মধ্যে আমাদের বিস্তারিত জানান। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমাকে একটা দিন সময় দিন। আগামীকাল এ বিষয়ে জানাব, আজকের মধ্যে সম্ভব হবে না।

    পরে হাইকোর্ট বলেন, ঠিক আছে কালকের মধ্যে একটা প্রতিবেদন দেন। তবে কোনো ভাবেই যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

    প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের সঙ্গে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর অনুসারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় এক আইনজীবী নিহতের ঘটনা ঘটে।

    গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ইসকনের অনুসারীরা চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা শুরু করলে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ তাদের বাধা দেন। এরপর তাকে তুলে নিয়ে আদালতের প্রধান ফটকের বিপরীতে রঙ্গম টাওয়ারের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সাইফুলকে কুপিয়ে আহত করে ইসকন সদস্যরা। গুরুতর আহত অবস্থায় সাইফুলকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।